content
stringlengths
0
129k
অফিস এ একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ মিটিং ছিল
মিটিং এ জানতে পারলাম যে অফিস এর ফিউচার খুব খারাপ আর লোকসানে যাচ্ছে
আমি অনেক দিনে আগে থেকেই বিদেশের কোম্পানি তে ইন্টারভিউ দিচ্ছিলাম
ভাগ্যক্রমে সেদিন আমি বিদেশের একটা কোম্পানি থেকে চাকরির অফার লেটার পেলাম
আমায় বিদেশে থাকতে হবে ৫ বছরের জন্য তারপর সেটা এক্সটেন্ড হবে
স্যালারী প্যাকেজ টাও অনেক ভালো ছিলো আর ওরাই আমাদের ভিসার ব্যবস্থা করে দেবে সঙ্গে এয়ার টিকিট এর ব্যবস্থা করে দেবে
আমি অফার টা লুফে নিলাম
[সমস্ত পর্ব
আমার মা, আমার স্ত্রী -5 007]
কারণ এবার মা কে বিয়ে করে বাচ্চা দিতে কোনো অসুবিধা হবে না
আমাকে ওরা ৩ সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত পেপার মেইল করতে বলেছিলো এবংআমার জয়েনিং ডেট ছিলো ঠিক একমাস পরে
আমি এর মধ্যে অফিস এ ইস্তফা দিলাম আর লাস্ট ওয়ার্কিং ডেট বিদেশ যাওয়ার ১ সপ্তাহ আগে দিলাম
আমি এর মধ্যে একজন এজেন্ট কে ধরে মায়ের সমস্ত সার্টিফিকেট দিলাম নাম চেঞ্জ করার জন্য
এজেন্ট টা বললো যে সব ঠিক হয়ে যাবে আর কাল সকালে আমার বাড়িতে এসে মা কে দিয়ে ফর্ম গুলো সাইন করিয়ে নিয়ে যাবে
আমি বললাম নাম টা সুজাতা থেকে চেঞ্জ করে সঙ্গীতা করতে
অফিস শেষে বাড়ি ফিরে এসে দেখি মা আমার জন্য অপেক্ষা করছে
মা বললো " আজ কি তুই খুব ব্যস্ত ছিলিস যে আমায় একবার ও ফোন করলি না
আমি মায়ের হাত ধরে টেনে এনে সোফায় বসে মা কে কোলে বসিয়ে বললাম " পরিবার শুরু করার আগে আমাদের কিছু করা উচিত মা
সেইজন্য আজ অনেক কাজ করতে হলো
"কিন্তু আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি না সোনা
" প্রতিদিন তোর মায়ের বয়স বাড়ছে
" মা হতাশ হয়ে কথা গুলো বললো
"মা আমাদের আরো ১ মাস অপেক্ষা করতে হবে
" আমি মায়ের গালে চুমু খেয়ে বললাম
"কেন ১ মাস মোহন?" মা জিজ্ঞেস করলো
আমি মা কে আমার দিকে টানলাম এবং তাঁর কোমরের চারপাশে আমার হাত রেখে গালে আর ঘাড়ে চুমু খেয়ে বললাম " মা আমাদের কিছু কাজ আছে তুমি ভালো করে শোনো
"
মা বললো " বল তাহলে শুনি
আমি বললাম " কাল সকালে একজন এজেন্ট আসবে তোমায় কিছু ফর্ম এ সাইন করতে তুমি করে দিও
মা জিজ্ঞাসা করলো " কিসের ফর্ম রে"?
আমি বললাম " তোমার নাম টা চেঞ্জ করে সুজাতা থেকে সঙ্গীতা হবে তাঁর ফর্ম
মা অবাক হয়ে আমার দিকে ঘুরে জিজ্ঞাসা করলো " না চেঞ্জ কেন করছিস সুজাতা নাম টা কি তোর পছন্দ নয়"?
আমি মায়ের মাই দুটো হালকা চেপে বললাম " আমার কাছে তুমি সুজাতা থাকবে কিন্তু বাকিদের কাছে সঙ্গীতা
এটা দরকার তোমায় বিয়ে করার জন্য বুঝলে সুজাতা রানী"?
মা এবার হেসে বললো " তোর তো খুব বুদ্ধি? ঠিক আছে আমার মোহন রাজা
"
তারপর মা কে বিদেশে যাওয়ার ব্যাপারে সবকিছু বললাম
মা শুনে খুব খুশি হলো
আমি মা কে রাতের খাবার দিতে বলে বাথরুম এ চলে গেলাম
বাথরুম থেকে ফিরে এসে দেখি মা খাবার সাজিয়ে বসে আছে
মায়ের কপালে চুমু খেয়ে দুজনে ডিনার শেষ করলাম
ঘরে এসে কিছুক্ষন অপেক্ষা করার পরে মা এলো
আজ মা একটা নাইটি পরে এসেছে আর চুল টা খোলা আছে
মা আর আমি দুজনে শুয়ে পড়লাম
মা কে জিজ্ঞাসা করলাম " মা তুমি বলেছিলে যে তোমার ওভারি তে আছে
মা শুধু "হুম" বললো
আমি বললাম " অপারেশন করে কাল কেই বার করতে হবে
মা খুশি হয়ে বললো " কালকেই? এতো তাড়াতাড়ি তুই সব ব্যবস্থা করে ফেলেছিস?"
আমি হেসে বললাম " তোমাকে মা বানাতে হবে তো মা, তাই দেরি করলে তো হবে না, আজকে রাত টা ভালো করে ঘুমিয়ে নাও, কালকে আবার অপারেশন এর হ্যাপা আছে
"
মা ও আমি আজ রাতে চোদাচুদি না করে শুধু দুজন দুজন কে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে খেতে ঘুমিয়ে পড়লাম
পরের দিন সকালে এজেন্ট টা বাড়িতে নিয়ে এসে সমস্ত ফর্ম মা কে দিয়ে সাইন করে নিয়ে যাবার সময় বললো যে সাত দিনের মধ্যে সবকিছু হয়ে গেলে বাড়িতে এসে দিয়ে যাবে
তারপর আমি মা কে নিয়ে হাসপাতাল এ গেলাম, আগে থেকেই সবকিছু ঠিক করা ছিলো তাই সেদিন মা ভর্তি হয়ে গেলো আর সেদিনেই টা মায়ের ওভারি থেকে বার করে দিলো ডাক্তার
মা কে একদিন হাসপাতালে থাকতে হবে
আমি মা কে বললাম " সোনা , এক রাতের ব্যাপার, কাল বিকেলেই তুমি ছাড়া পেয়ে যাবে
মায়ের চোখে জল, মা বললো " ঠিক আছে সোনা, বাড়িতে ফ্রিজ এ সব খাবার আছে, তুই একটু গরম করে খেয়ে নিস্
আমি তোকে খুব মিস করবো
আমি মায়ের কানে কানে ফিসফিস করে বললাম " তোমাকেও আমি খুব মিস করবো, রাতে তোমার যৌবন ভরা শরীর টা না পেলে যে কিছুতেই ঘুম আসে না
"
মা লজ্জায় হেসে ফিস ফিস করে বললো " তোর ডান্ডা টা না ঢুকলে আমার ও ঘুম আসে না
আমরা দুজন হাসতে লাগলাম
কিছুক্ষন পরে আমি হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে অফিস এ ১ ঘন্টা কাটিয়ে বাড়ি ফিরলাম
মা কে মাঝে ফোন করে জানলাম যে মা ভালোই আছে
বাড়ি এসে ৫ পেগ ওয়াইন খেয়ে শুতে গেলাম
ওয়াইন এর নেশায় খুব তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়লাম
পরের দিন সকালে ব্রেকফাস্ট করে তাড়াতাড়ি অফিস গেলাম
অফিস এর অনেক পেপার ওয়ার্ক করলাম
বিকালে গাড়ি নিয়ে সোজা হাসপাতালে গিয়ে মা কে ডিসচার্জ করিয়ে একবারে বাড়ি ফিরলাম
বাড়ি তে এসে মা আর আমি দুজনেই ফ্রেশ হয়ে সোফায় বসে টিভি দেখছিলাম
মা কে কিছু টা চুপচাপ লাগছিলো
তাই মা কে জিজ্ঞাসা করলাম " মা তোমার টা এখন অপারেশন করে বার করে দিয়েছে ডাক্তার
এখন তো তোমার মা হবার পথে কোনো বাধা নেই, তাহলে এতো চুপচাপ কেন"?
মা আমার হাত টা ধরে বললো " সেটা ঠিক, কিন্তু ডাক্তার বলেছে আগামী ৩ সপ্তাহ কোনোরকম সেক্স করা যাবে না, তাই এই ৩ সপ্তাহ তোকে না পেলে আমি কি করে থাকবো"?
মায়ের কথা শুনেই বুঝতে পারলাম যে মা আমার সাথে চোদাচুদি করতে কত ভালোবাসে
আমি মা কে জড়িয়ে ধরে বললাম " কিছু পাওয়ার জন্য কিছু হারাতে হয় মা
৩ সপ্তাহ দেখতে দেখতে কেটে যাবে তুমি একদম চিন্তা করো না
এই বলে মা কে একটা গভীর চুমু দিতে দিতে মায়ের মাইদুটো অনেক ক্ষণ চটকালাম
মা আমার দিকে তাকিয়ে বললো " নিচে টা পাবি না বলে ওপরের টার ওপর এতো আক্রমণ
মায়ের কথা শুনে আমি আর মা দুজনেই হেসে উঠলাম
এইভাবেই অফিস বাড়ি আর মা কে চুমু চটকানো করতে করতে ৩ সপ্তাহ কেটে গেলো
এই ৩ সপ্তাহ শুধু চোষাচুষি করতে হয়েছে , তাই আমি আর মা দুজনেই অধীর আগ্রহে ছিলাম কখন আমরা আবার চোদাচুদি করবো
এর মধ্যে এজেন্ট টা মায়ের নাম চেঞ্জ এর পেপার গুলো দিয়ে গেলো
এর মধ্যে এই অফিসের শেষ দিন চলে এলো এবং সব অফিস স্টাফস মিলে আমায় ৫ দিন ৪ রাত্রি দার্জিলিং ট্যুর এর টিকিট আর হোটেল বুকিং করে দিলো
শেষ দিন অফিসে থেকে আমি বাড়ি ফেরার পথে মায়ের জন্য একটা সুন্দর বিয়ের বেনারসি আর ব্লাউজ কিনলাম
তারপরে একটি জুয়েলারি শপ থেকে একটা সোনার মঙ্গল সূত্র কিনলাম
ভাবলাম মা কে এখন কিছু না বলে সারপ্রাইস দেবো
এক দিকে এই অফিস ছাড়ার দুঃখ আর ওপর দিকে মা কে আরো কাছে পাওয়ার আনন্দ
বাড়ি ফিরে দেখলাম মা আমার জন্য অপেক্ষা করছিলো
ঘরে এসে মা কে জড়িয়ে ধরে একটা গভীর চুমু খেয়ে বললাম " মা, আমাদের ব্যাগ প্যাক করতে হবে তাড়াতাড়ি কারণ আজ রাতের ট্রেন এ আমরা দার্জিলিং যাচ্ছি
"
মা অবাক হয়ে আমায় বললো "তুই আগে তো কিছু বলিসনি"?
আমি মা কে নিজের দিকে টানলাম এবং আমার আঙ্গুলটি মায়ের ঠোঁটের উপরে রেখে বললাম "মা প্লিজ কোন প্রশ্ন কোরো না
যেমন আমি বলছি সেরকম কোরো
"ওকে সোনা ," মা হাসলো এবং দ্রুত নিজের ঘরে গেল
আমি মায়ের চোখে উত্তেজনা দেখতে পেলাম কারণ মা বুঝতে পারছে যে আকর্ষণীয় কিছু ঘটতে চলেছে
রাতে আমরা হাওড়া স্টেশন এ গিয়ে ডিনার করে ট্রেনে উঠলাম
রাতের ট্রেন তাই আমি আর মা দুজনে কিছু গল্প করে ঘুমিয়ে পড়লাম এবং পরের দিন দার্জিলিং পৌঁছাতে প্রায় বিকাল হয়ে গেলো
একটি খুব ভাল হোটেলে বুকিং ছিল