content
stringlengths
0
129k
আমি স্বামী এবং স্ত্রী হিসাবে আমাদের নামে ঘর বুকিং করেছিলাম
মা কে যেহেতু যুবতীর মতো দেখতে ছিল তাই কেউ কোনো সন্দেহ করলো না
চব্বিশ ঘণ্টারও বেশি সময় জার্নি করার ফলে আমরা দুজনেই খুব ক্লান্ত হয়ে ছিলাম
আমরা দ্রুত স্নান করে রাতের খাবারের অর্ডার দিলাম
কিছুক্ষণ পর রাতের খাবারটি আমাদের ঘরে এলো
আমরা তাড়াতাড়ি রাতের খাবার খেয়ে বিছানায় গিয়েছিলাম কারণ ট্রেনে ঘুমাতে না পারায় আমাদের খুব ঘুমানো দরকার ছিল
পরের দিন সকালে আমি মা কে বললাম "মা তাড়াতাড়ি রেডী হয়ে নাও আমাদের স্থানীয় ম্যারেজ রেজিস্টার অফিসে যেতে হবে, আমরা আজ বিয়ে করবো
"কি? আমরা আজ একে অপরকে বিয়ে করব?" মা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো
"ওঃ মা আমরা ইতিমধ্যে স্বামী-স্ত্রীর মতো বাস করছি
"এই বলে আমি মা কে আমার দিকে টানলাম এবং কানে কানে ফিসফিস করে বললাম "তুমি কি বাচ্চা চাও না?"
"ওহ মোহন আমি এর জন্য সব কিছু করব
" মা আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল
"তাহলে ভালো করে সেজে নাও
" আমি মা কে চুমু খেয়ে বললাম
"তুই আগে বললে আমি আমার বেনারসি শাড়ী টা নিয়ে আসতাম, এখানে শুধু সিল্কের শাড়ী এনেছি
" মা একটু হতাশ হয়ে বললো
" কোনো ব্যাপার নয় মা , এখানে শুধু রেজিস্টার ম্যারেজ টা করবো কারণ এখানে আমাদের কেউ চেনে না, তারপর ফিরে এসে তোমায় বধূর সাজে নিজে সাজিয়ে নেবো
আমার কথা শুনে মা আনন্দ পেয়ে বললো " ঠিক আছে মোহন, তুই যা ভালো বুঝিস
" আমি বাইরে যাচ্ছি গাড়ি টা ঠিক করতে তুমি রেডি হয়ে নাও
" এই বলে আমি রুমের বাইরে চলে এলাম আর মা দরজা বন্ধ করে দিলো
কিছুক্ষন পরে হোটেলের রুম এ ফিরে এসে দেখি মা নতুন সিল্কের শাড়ী পড়ে আমার জন্য অপেক্ষা করছে
মা একটা গোলাপী সিল্কের শাড়ী পড়েছে, সঙ্গে ম্যাচিং ডিপ কাট ব্লাউজ
শাড়ী টা নাভির নিচে পড়েছে বলে মায়ের সুন্দর ফর্সা পেটি টা আরো সেক্সি লাগছে
মুখে হালকা মেকআপ, গোলাপী লিপস্টিক লাগিয়েছে ঠোঁটে
ডিপ কাট ব্লাউজ পড়ায় মায়ের সুগভীর মাই এর খাঁজ টা শাড়ীর ভেতর দিয়ে ভালোই বোঝা যাচ্ছে
আমি মায়ের দিকে একদৃষ্টি তে দেখছিলাম
মা আমার দিকে মুচকি হেসে জিজ্ঞাসা করলো "কি দেখা হচ্ছে শুনি?
"তোমায় আজ খুব সুন্দর দেখতে লাগছে
এই বলে মায়ের কাছে এগিয়ে গিয়ে মা কে জড়িয়ে ধরতে গেলাম
মা সঙ্গে সঙ্গে সরে গিয়ে মুচকি হেসে বললো " এখন একদম দুস্টুমি নয়, আমার সাজগোজ সব নষ্ট হয়ে যাবে
আমি তখন মায়ের কানে কানে জিজ্ঞাসা করলাম " ভেতরে কি রঙের ব্রা প্যান্টি পড়েছো?"
মা আমার দিকে তাকিয়ে হেসে বললো " বলবো কেন? রাতে নিজেই দেখে নিস্ কি পড়েছি?"
মায়ের কথা শুনে আমিও হেসে উঠলাম
তারপর আমি তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে মা কে সঙ্গে নিয়ে গাড়িতে করে ম্যারেজ রেজিস্টার অফিসে পৌঁছালাম
আগে থেকেই সব সাক্ষী ব্যবস্থা করে ছিল তাই বেশিক্ষন লাগলো না
ম্যারেজ রেজিস্টার ডকুমেন্ট এ মা সঙ্গীতা নাম সই করলো আর আমি মোহন নামে
সবাই আমাদের শুভেচ্ছা জানালো
তারপর আমি মা কে নিয়ে রেজিস্টার অফিস থেকে বেরোতেই মা বললো " আমার কিছু জিনিস কেনার ছিলো, আমার সাথে কি একটু মার্কেট যাবি?"
"ঠিক আছে মা চলো" এই বলে আমরা গাড়িতে উঠে কাছাকাছি একটা মার্কেট এ গেলাম
মার্কেট এ গিয়ে আগে একটা রেস্টুরেন্ট দুজনে লাঞ্চ করলাম
তারপর মা একটা শাঁখার দোকানে ঢুকে দুটো শাঁখা আর পলা কিনলো
আমি ফুলের দোকান থেকে দুটো রজনীগন্ধার মালা আর অনেক গোলাপ ফুল কিনলাম
মা আমায় জিজ্ঞাসা করলো " এতো ফুল নিয়ে কি হবে"?
আমি মায়ের হাত টা চেপে ধরে কানে কানে বললাম " আজ আমাদের অফিসিয়াল ফুলশয্যা হবে তাই ফুল তো লাগবে সোনা
" মা আমার কথায় মুচকি হাসলো
তারপর হোটেল ফেরার পথে অনেক গুলো ভিউ পয়েন্ট দেখে আর ফটো তুলে প্রায় সন্ধ্যায় হোটেলে এ ফিরলাম
হোটেলের ঘরে ঢুকে মা কে বেনারসির প্যাকেট টা দিয়ে বললাম " মা এটা তোমার জন্য, দেখো পছন্দ হয়েছে কি না?
মা প্যাকেট টা খুলে শাড়ী টা বের করে দেখছে আর আমি মা কে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে বগলের তোলা দিয়ে মায়ের নরম মাই দুটো দু হাতে নিয়ে টিপতে টিপতে মায়ের ঘাড়ে আর গলায় চুমু খাচ্ছি
মা আমাকে ছাড়িয়ে আমার দিকে ঘুরে বললো " খুব সুন্দর হয়েছে শাড়ী টা
নিশ্চই অনেক দাম! আমাকে আগে তো বলিস নি এটার ব্যাপারে?"
আমি বললাম " তোমায় সারপ্রাইস দেব বলে বলি নি
এবার যাও ফ্রেশ হয়ে শাড়ী টা পরে এসো, আমি ততক্ষনে বেড টা সাজাই
মা তখন হেসে বললো " ঠিক আছে আমার স্বামী, আমি স্নান করে আসছি কিন্তু আমি যখন সাজবো তখন তোমায় বাইরে যেতে হবে কিন্তু
আমি বললাম " ঠিক আছে আমার সুজাতা রানী, সব তোমার আদেশ
" এই বলে মা বাথরুম এ চলে গেলো আর আমি বিছানা টা গোলাপ ফুলের পাপড়ি দিয়ে খুব ভালো করে সাজাই
বিছানার মাঝে মোহন লাভ সুজাতা লিখলাম পাপড়ি দিয়ে
যেহেতু হোটেল এর রুম টা হানিমুন স্যুট ছিল তাই হোটেলে ২ টা বাথরুম আর একটা এক্সট্রা ডাইনিং স্পেস ছিল
আমি রিসেপশন এ ফোন করে রাতের খাবার টা রুম এ দেয়ার জন্য বলে দিলাম
তারপরে আমি অন্য বাথরুম এ ঢুকে গেলাম স্নান করার জন্য
রাতের ফুলশয্যার কথা ভেবেই আমার বাঁড়া টা ঠাটিয়ে ছিল
আমি ভালো করে স্নান করে একটা ভালো সেন্ট লাগিয়ে বাইরে এলাম
দেখলাম মা এখনো বাথরুম থেকে বেরোয়নি আর মায়ের গুন্ গুন্ গান গাওয়ার আওয়াজ আসছে
আমি বুঝলাম মা আজ খুব খুশি কারণ ৩ সপ্তাহ আগে আমরা শেষ বার চোদাচুদি করেছিলাম
আমি একটা শেরওয়ানি পাঞ্জাবি পড়ে মা কে বললাম " মা আমি রেডি, তোমার আর কতক্ষন লাগবে, আমি একটু বাইরে যাবো "?
মা বললো " আমার হয়ে গেছে, তুই চলে যা দরজা টা ভিজিয়ে দিয়ে, আমি এসে বন্ধ করছি
আর হ্যা, আমি তোকে ফোন করলে তুই ফিরে আসিস
আমি "ঠিক আছে" বলে রুম থেকে বেরিয়ে বাইরে গিয়ে একটা ওয়াইনের বোতল আর সিগারেটের প্যাকেট কিনলাম আর এদিন ওদিক ঘুরছিলাম মায়ের ফোনের অপেক্ষায়
আমি আজকাল ২ - ৩ টি সিগারেট খাওয়া শুরু করেছি যেটা মা জানে না
এরই মধ্যে আমি এজেন্ট টা কে ফোন করে বিয়ের সব ডকুমেন্ট স্ক্যান করে মোবাইল থেকে পাঠিয়ে দিলাম যাতে সে তাড়াতাড়ি মায়ের পাসপোর্ট টা বানাতে শুরু করে
প্রায় ১ ঘন্টা পরে মায়ের ফোন এলো
আমি তাড়াতাড়ি হোটেলের দিকে রওনা দিলাম
হোটেলের রুমে নক করতেই মা দরজা টা খুলে দিলো
আমি দরজা বন্ধ করে মায়ের দিকে তাকালাম
মায়ের পড়নে লাল রঙের নতুন বেনারসি শাড়ী , শাড়ীটার সারা গায়ে সোনালি জরি দিয়ে ছোট ছোট ফুল বসানো
শাড়ীটা মায়ের দুর্দান্ত শরীরটাকে আষ্টেপীষ্টে জাপটে ধরে আছে, শাড়ীটার প্রত্যেকটা ভাঁজ থেকে যেন মায়ের রুপ যৌবন ছলকে ছলকে বেড়িয়ে আসছে
সাথে ম্যাচিং করা ছোট ঘটি হাতা ব্লাউজ
ব্লাউজের সামনের দিকটা, বিপদজনক ভাবে বেশ কিছুটা উন্মুক্ত, যার আড়াল থেকে মায়ের ভারী, সুডৌল ফর্সা মাইয়ের অনেকটা উদ্ভাসিত
যেন উপচে বেড়িয়ে আসতে চাইছে
একরাশ মেঘের মতন কালো চুল পরিপাটি করে একটা এলো খোঁপার বন্ধনে বাঁধা
কানের দুই পাশ দিয়ে চুলের দুটো লকস কোঁচকানো অবস্থায় মা কে আরো কামনাময়ী করে তুলছে
কপালে একটা লাল রঙের বড় টিপ
টিপটার মধ্যে একটা ছোট্ট চক চকে পাথর বসানো
কানে পাথর বসানো দুল, মুখে চিবুকের ওপর প্রচণ্ড যত্ন সহকারে তিনতে পুটকি আঁকা, যা কি না মুখের সৌন্দর্যকে দ্বিগুন বাড়িয়ে দিয়েছে
গলায় একটা লম্বা সোনার সীতা হার, যা প্রায় মায়ের সুগভির নাভির ওপর অব্দি এসে আবার ওপরে চলে গেছে
কোমরে একটা বেলি চেন, একহাতে সোনার একগাছা চুড়ি, আরেক হাতে একটা পাথর বসানো ব্রেসলেট
ঠোঁটে লাল রঙের ম্যাট লিপস্টিক, কালো এক জোড়া ভ্রূ, চাবুকের মতন বাঁকা
চোখে নীল রঙের আই শেডো যা চোখ দুটোকে রহস্যময় করে তুলেছে
এ আমি কাকে দেখছি? এ যে সাক্ষাৎ মেনকা ইন্দ্রলোক থেকে নেমে এসে আমার সামনে দাঁড়িয়ে মিটি মিটি হাসছে
এমন নব বধু অথচ নব বধু না, এমন মন মাতানো সাজে মা কে দেখা তো আমার স্বপ্ন
সামনে দাঁড়ানো এই অসামান্য রূপসীকে দেখে ঠিক মা বলে মেনে নিতে কষ্ট হলো আমার
" আর কতক্ষন দেখবি আমায় ? তোর পছন্দ মতন হয়েছে আমার সাজ?" হাত দিয়ে কানের পাশে ঝুলতে থাকা চুলের লকসটা ঠিক করতে করতে মৃদু স্বরে বললো অসামান্য রূপসী আমার মা
আমি একভাবে দুচোখ দিয়ে তারিয়ে তারিয়ে মায়ের রুপসুধা পান করছিলাম