content
stringlengths
0
129k
কারন কি ? আমরা কিন্তু অন্য রকম ব্যখ্যার জন্য অপেক্ষায় আছি
তারা যুক্তি সঙ্গত ব্যখ্যা দিলেই আমরা মাফ চেয়ে লেখা বন্দ করে দেব
কিন্তু আপনার ব্যাখ্যাগুলো পড়ে মনে হয়, সেগুলো প্রচন্ড ঘৃণা ও বিদ্বেষ থেকে প্রসূত
সত্য কথা অনেক সময় শুনতে সুন্দর লাগে না
আর ঘৃণা ও বিদ্বেষের দেখেছেন কি ? দয়া করে মাতৃভাষায় কোরান হাদিস পড়ুন, দেখবেন ঘৃণা ও বিদ্বেষ কাকে বলে ও কত প্রকার
এধরণের লেখা সমাজে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ব্যাপারে কোন অবদান রাখেনা, বরঞ্চ ধর্মগত অসহিষ্ণুতাকে আরো উস্কিয়ে দেয়
নজরুলের কবিতার একটা লাইন আছে- আধ মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা
কোন কোন বিষয় আছে যাকে আপনি ঠিক ভদ্র ভাষায় কিছুই করতে পারবেন না , ঘা মারতে হয়, তাহলে যদি কিছু হয়
অন্ধকারে আলোর খোঁজে আগস্ট 10, 2011 1:43 অপরাহ্ন -
নজরুল নয়, ওটা রবি ঠাকুরের কবিতার লাইন
ভবঘুরে আগস্ট 10, 2011 11:18 অপরাহ্ন -
@অন্ধকারে আলোর খোঁজে,
দু:খিত, আপনি ঠিক বলেছেন
শুদ্ধিকরনের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ
নোথেইষ্ট আগস্ট 8, 2011 7:41 পূর্বাহ্ন -
লেখাটা পড়ে খুব ভাল লেগছে
আমি প্রতিটা পর্বই পড়েছি
তবে এই পর্ব ফুয়াদ ভাই এর লেখা বুঝতে অনেক কষ্ট হল
কিছু বিষয় বুঝতেই পারলাম না
কেমন যেন ঘোলাটে লাগল
তবে ভবঘুরে ভাই একটি বড় অন্যায় করেছেন, শেষ পর্ব লিখে
আমি এর তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি
এবং আরও লেখা দেওয়ার আহ্‌বান জানাচ্ছি
আর যদি ভাইজান না লেখেন তাহলে আমি লেখার অনুমতি চাচ্ছি
যদিও আমি ওনার মত এত সুন্দরভাবে হয়তো লিখতে পারব না
ভবঘুরে আগস্ট 9, 2011 11:45 অপরাহ্ন -
@নোথেইষ্ট,
আর যদি ভাইজান না লেখেন তাহলে আমি লেখার অনুমতি চাচ্ছি
যদিও আমি ওনার মত এত সুন্দরভাবে হয়তো লিখতে পারব না
আরে ভাই আপনাদের মত মানুষরা লিখবেন বলেই তো শেষ করে দিলাম
সব যদি আমি লিখি বাকীরা কি লিখবে?
শান্তনু আগস্ট 8, 2011 12:43 পূর্বাহ্ন -
এই অসাধারণ চরিত্র সম্পর্কে আপনার অসাধারণ বিশ্লেষণ এবং তথ্যপূর্ণ লেখা আমার আতীত ধারণা ভেংঙ্গে চুরমার করে দিয়েছে
:: :: ::
ভবঘুরে আগস্ট 9, 2011 11:43 অপরাহ্ন -
কিন্তু আগে কি ধারনা ছিল আর এখন কি ধারনা হলো সে সম্পর্কে জানতে পারলে আরও ভাল লাগত
শান্তনু আগস্ট 10, 2011 12:04 পূর্বাহ্ন -
@ভবঘুরে, শৈশব থেকে যা শুনেছি, জেনেছি তাতে ওনাকে একটু বেশি মানবিক ভাবতে শিখেছিলাম
এখন জানলাম উনি সবচেয়ে বেশি অমানবিক
অরণ্য আগস্ট 7, 2011 9:44 অপরাহ্ন -
মোহাম্মদের চরিত্র ফুলের (ধুতুরা) মত পবিত্র!:, পর্ব-৪(শেষ পর্ব)() মানিনা মানব না
এযে রীতিমত অপমান(!)
হাজার বাসরের 😉 সেরা পুরুষের কথা ক্যামনে মাত্র ৪ পর্বে শেষ হয়??
মৌনমনা আগস্ট 8, 2011 12:23 পূর্বাহ্ন -
আমিও এক মত
এ বিষয়ে আরো কিছু পর্ব চাই
হেলাল আগস্ট 7, 2011 9:30 অপরাহ্ন -
নতুন বউয়ের সাথে তাড়াতাড়ি সেক্সের জন্য দাওয়াতি লোকদের তাড়ানো প্রসঙ্গেও যে প্রিয় নবী ( সা) কোরানের আয়াত নামাতে পারে, এ তথ্যটি জানা ছিল না
এ থেকে বুঝা যায় তিনি কত বড় মাপের নবী ছিলেন
নবী হওয়ার তরিকা জানা থাকলে ভাল হত
যায়গা মত বউ বা বান্ধবীকে সোজা করার জন্য ওহি নাযিল কইরা দিতাম, প্রয়োজনে ত্যাদড় বন্ধুদেরও সাইজ করা যাইত
স্বঘোষিত অতিথি আগস্ট 8, 2011 10:03 পূর্বাহ্ন -
আপনার জন্য 🙂
ধর্মগুরু হইবার রেসিপি
ভবঘুরে আগস্ট 9, 2011 11:47 অপরাহ্ন -
@স্বঘোষিত অতিথি,
কাজটা ভাই ভাল করেন নি
আপনার প্রদর্শিত পথে যদি কেউ হঠাৎ একজন নবী বা নিদেন পক্ষে পীরের আবির্ভাব ঘটে , আমাদের বিপদ আরও বেড়ে যাবে
আব্দুল হাকিম চাকলাদা আগস্ট 7, 2011 9:09 অপরাহ্ন -
আমি মাওলানা সাহেবদেরকে বলতে শূনিয়াছি হাদিছে নাকি আছেঃ
যারা দরিদ্র, কেয়ামতের দিনে তাদের হিসাব নিকাসে কম সময় লাগার কারনে ধনীদের চাইতে ৫০০ বৎসর পুর্ধে বেহেস্তে যাইতে পারিবেন
আমি একবার এক মাদ্রাসার নামকরা একজন মোহাদ্দেছ ( যারা হাদিছে বিশেষজ্ঞ) কে এক ওয়াজ মাহফিলে বর্ণণা করিতে শূনিয়াছি 'যার ইহজগতে বাড়ী আছে সে পরজগতে বাড়ী পাইবেনা
নবী বলিয়াছেনঃ"আল্লাহ আমাকে দরিদ্র রাখুন,দরিদ্রদের সংগে হাসর করানও দরিদ্রদের সংগে বেহেস্ত নছিব করান
তাহলে দেখা যাচ্ছে হাদিছ আমাদেরকে দরিদ্র বা অনূন্নত জীধন যাপনে উৎসাহিত করছে
আমাকে আমার একটা ছেলে একদিন বল্ল যে(সে আন্তর্জালে কোথাও দেখেছে)"আব্বা জানেন? ইউরোপে যখন প্রথম প্রিন্টার ব্যবহার শূরু হল তখন সৌদি শাসক গন ও আরব দেশে ণ্রিন্টার ব্যবহার করতে চাইলেন
কিন্তূ সাথে সাথে সেখানকার মসজিদের তৎকালীন কোরান হাদিছে অভিজ্ঞ ইমাম সাহেবরা এই বলিয়া ফতোয়া দিয়া এটা বন্দ্ধ করাইলেন যে,যেহেতূ আমাদের নবী এটা ব্যবহার করেন নাই তাই আমাদের জন্য ও এটা ব্যবহার করাও জায়েজ (বৈধ)হইবেনা
ফলে আরধ জগত আধূনিক জ্ঞান বিজ্ঞান হতে দীর্ঘকালের জন্য পিছিয়ে পড়ে রইল
তাহলে কি এই ভাবে যূগে যূগে হাদিছের দোহাই দিয়ে দিয়ে মূসলমানদেরকে সভ্য জগৎ হইতে পিছিয়ে রাখা হইবে?
থন্যবাদান্তে,
আঃ হাকিম চাকলাদার
নিউ ইয়র্ক
তামান্না ঝুমু আগস্ট 7, 2011 8:53 অপরাহ্ন -
এমন চমৎকার একটি সিরিজ এত তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেল! অনেক ধন্যবাদ শ্রমসাধ্য এ সুন্দর লেখাটির জন্য ()
যাযাবর আগস্ট 7, 2011 8:30 অপরাহ্ন -
নবীকে ঘিরে মুসলীমদের যে মিথা সেই মিথ ভঞ্জনের জন্য অকাট্য যুক্তি আছে এই লেখায়
ভবঘুরে এক শক্তিশালী মিথ ভঞ্জক কোন সন্দেহ নাই
ভবঘুরে যয়নাবের সাথে নবীর বিয়ের খানাপিনার দাওয়াতে কিছু লোকের খাওয়াদাওয়া শেষ হবার পরেও চলে না যাওয়াতে নবীর অসুবিধার কথা নিয়ে একটা হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে নবী যে যয়ানবের সঙ্গে মিলিত হবার জন্য কতটা ব্যাকুল ছিলেন সেটা বোঝাতে চেয়েছেন
আরেকটা ব্যাপার এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করতে হয়
সেটা হল "কিইইইইই সুবিধাজনক" জাতীয় এক আয়াত নাজিলের কথা
দাওয়াত শেষে কিছু লোকের প্রস্থান না করাতে নবী এতই বিরক্ত হন যে ভবিষ্যতে যাতে এর পুনরাবৃত্তি না হয় তার জন্য একটা আয়াতও নাজিল করিয়ে নেন
আয়াত ৩৩:৫৩ : "হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য আহার্য রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না
তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো, তবে অতঃপর খাওয়া শেষে আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না
নিশ্চয় এটা নবীর জন্য কষ্টদায়ক
তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ বোধ করেন; কিন্তু আল্লাহ সত্যকথা বলতে সংকোচ করেন না...
নিজের সঙ্কোচ হলে সমস্যা কি, আল্লাহর মুখ দিয়েই তো তা বলান যায়
"কিইইইই সুবিধাজনক" ! সাধে কি আর আয়েশা একবার টিপ্পনী কেটে নবীকে বলেছিলেন, আপনার তো দেখি যখন যে সমস্যায় পড়েন তার থেকে উদ্ধারের জন্য সঠিক আয়াত নাজিল হয়ে যায়!
বড় কথা হল, এটাই টি কুরাণের উদ্দেশ্য? নবীর কিসে সুবিধা অসুবিধে সেটা নিয়ে মাইক্রো ম্যানেজ করে ডিক্রী জারী করা? না কি মানব সমাজের জন্য শ্বাশ্বত বাণী প্রচার/প্রেরণ করা? আর যদি দাওয়াত শেষে চটপট উঠে চলে যাওয়া সেরকম শ্বাশ্বত বাণী হয়েই থাকে, তাহলে সেটা বলার জন্য নবীর অসুবিধা ঘটার জন্য অপেক্ষা করতে হবে কেন? এ সবই তো পরিস্কার ভাবে নবীর সুবিধার্থে আনীত সিচ্যুয়েশনাল এথিক্স
ভবঘুরে নবীযে নবীর সমালোচককে হত্যার জন্য প্রয়োজনে মিথ্যা বলার জন্য অনুমোদন দিয়েছিলেন সেই হাদীস উল্লেখ করেছেন
প্রয়োজনে মি্থ্যা কথা বলার প্রসঙ্গে সিরাত থেকে আরে একটা ঘটনার উল্লেখ করতে হয়
এর উল্লেখ পাওয়া যাবে ইবনে ইশাকের (হিশাম কর্তৃক সংকলিত) সিরাতের ইংরেজী অনুবাদ (গিলোমের) এর ২৯৪ পৃষ্ঠায়
আর বাংলায় পাওয়া যাবে আব্দুস সালাম হারুন কর্তৃক সংকলিত হিশামের সিরাতের (মিসররুল জাদিদাহ থেকে আরবীতে প্রকাশিত) বাংলা অনুবাদের (বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার থেকে প্রকাশিত) ১৫৮ পৃষ্ঠায়
এতে লেখা আছেঃ
বদরের যুদ্ধের সময় বদরের প্রান্তরে তাঁবু স্থাপনের পর নবী এক সাহাবীকে নিয়ে টহলে বেরিয়েছেন
কিছু দূর যাবার পর এক বৃদ্ধকে দেখতে পেলেন
নবী বৃদ্ধকে জিজ্ঞেস করলেন সে কুরায়েশদের কথা কিছু জানে কিনা আর মুহম্মদ আর তাঁর সহচরদের কোন খবর শুনেছে কি না
বৃদ্ধ বলল আগে তোমরা কোন দলের লোক সেটা জানাও, না জানালে বলব না
নবী বৃদ্ধকে বললেন আগে আমরা জা জানতে চাচ্ছি সেটা বল, তারপর আমাদের পরিচয় দেব
বৃদ্ধ বলল "খবরের বিনিময়ে পরিচয়?"
নবী বললেন হ্যাঁ
তখন বৃদ্ধ বলল, "শুনেছি মুহম্ম্দ ও তাঁর সহচররেরা অমুক দিন যাত্রা শুরু করেছেন