content
stringlengths
0
129k
সেটা যদি সত্য হয় তাহলে তাদের এখন অমুক জায়গায় থাকার কথা
আর কুরায়েশদের সম্পর্কে শুনেছি তারা অমুক দিন রওয়ানা দিয়েছে
সেটা সত্যি হলে তাদের অমুক জায়গায় থাকার কথা
বৃদ্ধ সঠিকভাবেই উভয় জায়গার নির্দেশ করল
অতঃপর বৃদ্ধ নবীকে তাঁর পরিচয় দিতে বললে নবী বললেন "আমরা পানি থেকে এসেছি"
বৃদ্ধ বলল "পানি মানে? ইরাকের পানি থেকে নাকি?" অতঃপর নবী সাহাবীদের কাছে ফিরে গেলেন
পাঠক কেমন বুঝতাছেন ?
ভবঘুরে আগস্ট 9, 2011 11:52 অপরাহ্ন -
আয়াত ৩৩:৫৩ : "হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য আহার্য রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না
তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো, তবে অতঃপর খাওয়া শেষে আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না
নিশ্চয় এটা নবীর জন্য কষ্টদায়ক
তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ বোধ করেন; কিন্তু আল্লাহ সত্যকথা বলতে সংকোচ করেন না...
আপনার পর্যবেক্ষনের তারিফ না করে পারছি না
উক্ত আয়াত কিন্তু সত্যি সত্যি সে উদ্দেশ্যেই নাজিল হয়েছিল
কারন আল্লাহ চাইত না যে তার পেয়ারা নবী প্রিয় দোস্ত নব বিবাহিতা স্ত্রীর সাথে সহবতের জন্য বেশী দেরী করেন
সে কারনেই তো আল্লাহ পরম করুনাময়, অসীম দয়ালু
বিপ্লব পাল আগস্ট 7, 2011 7:21 অপরাহ্ন -
খুব ভাল সিরিজ হয়েছে, তবে এই লেখাটার মান আরেকটু উন্নত করা যেত যদি লেখক আরো কিছু ঐতিহাসি সমান্তরাল বা বিশ্লেষণ দিতেন
কোটিল্য মহম্মদের জন্মের ৪০০ বছর আগে, রাজন্য বর্গকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, কোন রাজনীতি নিজের আদেশ বলে চালাতে নেই-তা ঈশ্বের স্বপ্নাদেশ বা ঈশ্বরের প্রেরিত বাণী বলে চালাতে হয়
মহম্মদ ইতিহাসে কৌটিল্যের এবং কৌটিল্যনীতির সেরা ছাত্র
আস্তরিন আগস্ট 7, 2011 8:49 অপরাহ্ন -
@বিপ্লব পাল, একটা নতুন তথ্য জানলাম, চমৎকার এবং ধন্যবাদ
ভবঘুরে আগস্ট 7, 2011 10:03 অপরাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য
আমি দেখেছি ইসলাম যে একটা তথাকথিত অসত্য ধর্ম তা কোরান ও হাদিস দিয়েই খুব ভালভাবে প্রমান করা যায়
ইতিহাসের দরকার তেমন পড়ে না
এমনিতেই এখন একদল আছে যারা হাদিসটাই অস্বীকার করতে চায়, ইসহাক, তাবারী, সাদ এদের ইতিহাস থেকে উদ্ধৃতি দিলে তো ওরা বলেই বসবে- কোথাকার কে বানান ইতিহাস লিখেছে সেটা কেন তারা বিশ্বাস করবে? একারনেই আমি ইতিহাসকে একেবারেই ব্যবহার করতে চাই না
খোদ কোরান হাদিস যেখানে যথেষ্ট , ইতিহাসের দরকারটা কি ?
আবুল কাশেম আগস্ট 8, 2011 5:10 পূর্বাহ্ন -
কিছু মন্তব্য না করে পারলাম না-
আমি দেখেছি ইসলাম যে একটা তথাকথিত অসত্য ধর্ম তা কোরান ও হাদিস দিয়েই খুব ভালভাবে প্রমান করা যায়
ইতিহাসের দরকার তেমন পড়ে না
আপনি সম্পূর্ণ সঠিক
ইসলামকে মোকাবেলার জন্য আমাদের কাছে রয়েছে অমোঘ অস্ত্র-আর সেগুলো হচ্ছে
সাহী হাদিস
শারিয়া আইন
সীরা-তথা ্নবীজির জীবনী
আমাদের হাতে যখন ঐ দূর্দান্ত অস্ত্রগুলো রয়েছে-তখন অন্য কোন অস্ত্রএর দরকার তেমন নাই
দেখুন না আপনার ব্যবহৃত ঐ সব অস্ত্রএর আঘাতে ্নব মোল্লারা দিশেহারা হয়ে ছুটাছুটি করছে
কিন্তু তাদের পালাবার কোন পথ নেই
আপনি সুদক্ষ ভাবে তাদের পালাবার পথ বন্ধ করে দিয়েছেন
তাই আবার লিখছি-যাঁরা ইসলামকে মুখোমুখি লড়তে চান তাঁদের সর্বপ্রথম দায়িত্ব হবে ঐ সব কিতাবগুলি পূর্ণ রপ্ত করা
তা না করে কাগজে কলম দিবেন না
হয়ত কয়েক বছর লাগতে পারে
কিন্তু ইস'লামকে মোকাবিলার জন্য এর কোন বিকল্প নাই
কাজী রহমান আগস্ট 8, 2011 6:03 পূর্বাহ্ন -
:)) @আবুল কাশেম,
অস্ত্র হিসেবে কোরানই তো যথেষ্ট
নব্য মোল্লারা শুধু তাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অস্ত্র কোরান নিয়েই মাঠে নামুক
দেখি তারা কটা মুক্তমনাকে ওটা দিয়ে মোল্লামনা বানাতে পারে
আবুল কাশেম আগস্ট 8, 2011 6:55 পূর্বাহ্ন -
@কাজী রহমান,
অস্ত্র হিসেবে কোরানই তো যথেষ্ট
নব্য মোল্লারা শুধু তাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অস্ত্র কোরান নিয়েই মাঠে নামুক
দেখি তারা কটা মুক্তমনাকে ওটা দিয়ে মোল্লামনা বানাতে পারে
হাঁ, আপনার কথা ঠিক-আল-কোরান আমাদের আনবিক বোমা
তবে যুদ্ধ করতে যেমন সর্বদা আনবিক বোমা ব্যবহার করা যায় না-প্রয়োজন মত অন্যান্য অস্ত্রও দরকার পড়ে, তেমনি-ইসলাম'কে মোকাবেলার জন্য অন্যান্য ছোটখাট অস্ত্রএরও সুবিধা থাকা দরকার
আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা এক বিষাক্ত ও কালক্ষেপণকারী যুদ্ধে লিপ্ত আছি
আমাদের বিপক্ষ শক্তি অত্যান্ত শক্তিমান - বিলিয়ন ডলার, কোটি কোটি মোহাচ্ছাদিত বিশ্বাসী এবং অসীম বর্বরতায় নিমজ্জিত এক দুর্বার অসভ্য বেদুইন শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের যুদ্ধ
আমাদের এক'মাত্র শক্তি হচ্ছে ঐ সব অস্ত্র এবং মুষ্টিমেয় মোর্তাদ যাদেরকে আজ জীবন হাতে নিয়ে এই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হচ্ছে
এই যুদ্ধ হতে পিছ পা হওয়া যাবে না
যারা এই যুদ্ধে সিরিয়াস' নন তদের উচিত হবে না শুধু খেলাধুলাচ্ছলে অথবা বাহবা কুড়ানোর জন্য এই যুদ্ধে যোগদান করা
কাজী রহমান আগস্ট 8, 2011 11:47 পূর্বাহ্ন -
@আবুল কাশেম,
যারা এই যুদ্ধে সিরিয়াস' নন তদের উচিত হবে না শুধু খেলাধুলাচ্ছলে অথবা বাহবা কুড়ানোর জন্য এই যুদ্ধে যোগদান করা
যারা সিরিয়াস নয় তারা এমনিতেও উড়ে যাবে বলে মনে হয়
তবু নাহয় থাক ওরা
ছোঁয়াচে সংশয় যদি ওদের ছোঁয়, আমরা ভাববো কেন? কে জানে, অনেকেই হয়ত আলো দেখবে, হয়ত ধার্মিক থেকে সাচ্চা মানুষে রূপান্তরিত হয়ে যাবে
আপনার প্রতি মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
ভালো থাকুন
নৃপেন্দ্র সরকার আগস্ট 8, 2011 5:42 পূর্বাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
কোটিল্য মহম্মদের জন্মের ৪০০ বছর আগে, রাজন্য বর্গকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, কোন রাজনীতি নিজের আদেশ বলে চালাতে নেই-তা ঈশ্বের স্বপ্নাদেশ বা ঈশ্বরের প্রেরিত বাণী বলে চালাতে হয়
কোটিল্য? নাকি কৌটিল্য?
আরও কিছু বাণী জানা থাকলে ছাড়ুন, মশাই
বিপ্লব পাল আগস্ট 8, 2011 7:55 পূর্বাহ্ন -
@নৃপেন্দ্র সরকার,
কৌটিল্য হবে
কৌটিল্যনীতির আরো অনেক কিছুর সফল রূপায়ন আপনি কোরাণে পাবেন
আর সময়টা মহম্মদের পূর্বের ৮০০-৯০০ বছর আগে হবে
যেমন কৌটিল্য ও লিখেছিলেন মদ্যপাণ ও জুয়া নিশিদ্ধ করার কথা কারন এই দুটি জিনিস একটি জনগোষ্ঠি এবং রাজাকে দুর্বল করে ও তা শত্রুর পদানত হয়
অর্থশাস্ত্রের সব থেকে ইন্টারেস্টিং দিক হচ্ছে কিভাবে একজন রাজা ধর্ম এবং ঈশ্বরকে ব্যবহার করবে-
প্রজাদের তার মান্য করাতে
প্রজাবিদ্রোহ দমন করতে
নিজের ভুলকে, ঠিক বলে চালাতে-যাতে প্রজারা তা মানে
যেমন রাজা যদি এমন বিবাহ করতে চান, যা প্রজাদের মঞ্জুর না-যেমন ধরা যাক রাজার একজন বিবাহিতা মহিলাকে ভাল লাগল-তাহলে তাকে ধর্ষন করতে গেলে, প্রজা বিরূপ হবে
কৌটিল্য বলছেন, তার থেকে, রাজা প্রজাদের বলবেন ঈশ্বরের স্বপ্নাদেশ ওমুক মেয়েকে বিয়ে করলে, রাজ্যে ফসল ভাল হবে :
তারপর বিদেশী শত্রু বা অন্যরাজ্য আক্রমন করলে, সেই রাজ্য আক্রমন করা ঈশ্বরের আদেশ বলে চালাতে হবে 😉
কৌটিল্যে অর্থশাস্ত্র আজও দুর্দান্ত -কিন্ত কেন যে কেও অর্থশাস্ত্রের আলোকে কোরান ব্যখ্যা করে নি কে জানে
হয়ত ঘারে গর্দান থাকবে না, এমন ভয় ছিল
কিন্ত আমি অনেক ক্ষেত্রেই দেখেছি কৌটিল্যবাণীর অমোঘ সফল প্রয়োগ হয়েছে কোরানে
আমি অবশ্য সমাজ বিজ্ঞান এবং বিজ্ঞানের আলোকেই ধর্মকে দেখতে চাই
এভাবে দেখে খুব লাব কিছু হবে না
অতীত অতীতই-তাকে বর্তমানে দেখে কি হবে?
নৃপেন্দ্র সরকার আগস্ট 8, 2011 7:03 অপরাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
প্রাচীন রাজন্যবর্গ ব্রাহ্মণদের বিশেষ মর্যাদা দিয়ে পুষতেন
এঁদের কাজ ছিল
১) ধর্মকে লালন-পালন করা