content
stringlengths 0
129k
|
|---|
আগে ভাবতাম মাথার উপর আল্লাহ আছে,... রোজা নামাজ পড়ে নিজের মনটা ফুরফুরে লাগত.. এখন ত এসব থেকে আর আনন্দ পাব না.. কিভাবে নিজেকে শান্তনা দিব বলুন ? এ জীবনটা তাহলে এখানেই শেষ ? 🙁 🙁 🙁 ;-(
|
ভবঘুরে আগস্ট 7, 2011 7:01 অপরাহ্ন -
|
@স্বঘোষিত অতিথি,
|
এ জীবনটা তাহলে এখানেই শেষ ?
|
না ভাই, আসলে এখানেই শুরু
|
এখন আপনি নিজেকে আর একা একা চিন্তা করতে পারবেন না , আপনাকে ভাবতে হবে মানব জাতির একটা অংশ হিসাবে যেখানে আপনারও কিছু করনীয় আছে
|
আর সেটা হলো - এ জগতটাকে এমন সুন্দরভাবে গড়ে তোলায় অবদান রাখা, যেখানে আমরা সবাই সুন্দরভাবে সুখে শান্তিতে বেঁচে থাকতে পারি
|
ধর্ম আপনাকে ব্যপকভাবে স্বার্থপর বানিয়েছিল, তাই আপনি নিজের চিন্তা ছাড়া আর কিছুই ভাবতেন না- যা পরিশেষে আমাদের সমাজকে পিছিয়ে দিয়েছিল
|
আপনি যদি নিজেকে একা না ভেবে সমাজের একজন সত্যিকার অংশ ভাবেন দেখবেন আপনি নিজেই টের পাবেন না আপনার জীবন কত কর্মময় ও আনোন্দচ্ছল হয়ে উঠেছে
|
তখন অলীক বেহেস্তের সেক্সি হুরদের ফালতু চিন্তায় অযথা মন খারাপ হবে না
|
ডারউইন এর ভুত আগস্ট 7, 2011 11:58 পূর্বাহ্ন -
|
কাতাদা বর্নিত: আনাস ইবনে মালিক বলেন, " নবী দিনে রাতে পালাক্রমে তার স্ত্রীদের সাথে মিলিত হতেন,আর তার স্ত্রীর সংখ্যা ছিল এগার
|
আমি আনাসকে জিজ্ঞেস করলাম- " নবীর কি এত শক্তি ছিল ?" আনাস উত্তর দিলেন-" আমরা শুনেছি নবীর শক্তি ছিল ত্রিশজন মানুষের সমান"
|
বুখারি, বই-০৫, হাদিস-২৬৮
|
:- মরুভুমির গরম থেকে রেহাই পাওয়ার জন্যই বোধহয় তিনি নারী দের মরুদ্দ্যানে ডুব মারতেন! ::
|
ভবঘুরে আগস্ট 7, 2011 5:29 অপরাহ্ন -
|
@ডারউইন এর ভুত,
|
মরুভুমির গরম থেকে রেহাই পাওয়ার জন্যই বোধহয় তিনি নারী দের মরুদ্দ্যানে ডুব মারতেন!
|
ফুয়াদ আগস্ট 7, 2011 9:10 পূর্বাহ্ন -
|
আপনার লেখাকে মিস রিপ্রেজেন্টেশ্ন ছাড়া আমার কিছু বলার নেই
|
এগুলো যুগে যুগেই ঘটছে
|
তাই আপনার সব পয়েন্ট নিয়ে আর্গুমেন্টে যাবার ইচ্ছা আমার নেই
|
আপনার নিচের কথাগুলি মনগড়াঃ (অবশ্যই আমার দৃষ্টিতে)
|
তেমনি ভাবে মোহাম্মদের কার্যাবলী লিখে রেখে গেছে তার নিবেদিত প্রান শিষ্যরা যেমন- ইমাম বোখারী, মুসলিম , আবু দাউদ এরা
|
এরা নিশ্চয়ই তাদের রচনায় এমন কিছু লিখবে না যা তাদের গুরুর চরিত্রকে হনন করে বা কালিমালিপ্ত করে
|
যে সময় তারা এসব বিবরন লিখে রেখে গেছে সেই তখনকার সময়ে মোহাম্মদের কার্যাবলী নিয়ে কোন প্রশ্ন উঠত না, সে সময়ের ঐতিহ্য অনুযায়ী সেসব ছিল সিদ্ধ ও ন্যয় সম্মত
|
যেমন তার অসংখ্য বিয়ে, দাসি বাদি দের সাথে যৌন সংসর্গ, শত্রুদের বিরুদ্ধে হিংসাত্মক হুংকার ইত্যাদি এসব
|
তখন এসব কিছুই ছিল ন্যয় সঙ্গত
|
আর তাই তারা বিনা দ্বিধায় সেসব সরল মনে লিপিবদ্ধ করে গেছে
|
যদি তারা ঘুনাক্ষরেও বুঝতে পারত হাজার বছর পরে মহানবীর এসব কর্মকান্ডই তাকে নৈতিক মানদন্ডের কাঠগড়ায় দাড় করাবে তাহলে এসব ঘটনাবলী তারা কস্মিনকালেও লিপিবদ্ধ করত না
|
কারন হচ্ছে ভাল মন্দের মান দন্ড নিজের বিবেক দ্বারা তৈরি করি না
|
রাসূল সাঃ জীবনি এবং আল কুরানের দ্বারা তৈরি করি
|
রাসূল সাঃ এর জীবনির ক্ষেত্রে চেইন অব নেরেশন অত্যান্ত গুরুত্বের সাথে নেই
|
এবং আমরা মনে করি রাসূল সাঃ কোন কাজ কেন করেছেন ? এটা ভাল না মন্দ সেটা বিবেচনা করার চেয়ে তিনি কি করেছেন সেটা জানানোই আমাদের দ্বায়িত্ব
|
হতে পারে সব থেকে শেষের ব্যাক্তিই আমাদের সবার থেকে ভাল বুঝবে
|
://../?=3198
|
; . , , - বিদায় হজ্ব
|
তাই ইমাম বুখারি কিংবা মুসলিমের কাছে যে সব হাদিসএর রেফারেন্স শক্ত এবং নির্ভর যোগ্য মনে হয়েছে সেগুলো বিচার বিশ্লেষন, বর্ননাকারীর বক্তব্যের সত্যতার উপর ভিত্তি করে তাদের গ্রন্থগুলি লিখেছেন
|
মধ্যযুগে এমন বিচার বিশ্লেষন কোন ইতিহাস নিয়ে করা হয়েছে কিনা আমার জানা নেই
|
যেসব হাদিসের ব্যাপারে ইমাম বুখারি এবং মুসলিম দুজনই একমত হয়েছেন সেগুলো আরো অধিক গ্রহন যোগ্য বলা হয়
|
কিন্তু তাই বলে আপনি নিজে হাদিস নিয়ে গবেষনা করতে পারবেন না, তা ইসলামে বলা নেই
|
আপনি ও গবেষনা করে আপনার দৃষ্টিতে যেসব হাদিস সহী তা লিখতে পারেন, এবং এর পিছনে কারন এবং যুক্তি দিতে হবে কেন সহী
|
আপনি যদি কোন হাদিস নিতে না চান, তাহলে আপনার পিছনে আপনি নিজে যুক্তি দিতে পারেন, এই এই কারনে এই হাদিস আমার কাছে সহী মনে হয় না, ইত্যাদি
|
যাইহোক, নিচের ছবিটুকু দেখুনঃ (পাঠকদের প্রতি অনুরোধ, ছবিটা ভাল করে দেখে নিন)
|
[]://50../75.[/]
|
রাসূল সাঃ এর একটি হাদিস বহু ভিন্ন ব্যাক্তির বর্ননা ঘুরে স্থান পেয়েছে
|
হাদিসটিতে দেখুন চেইন অব নেরেশন একটি নয়, অনেক গুলি
|
বুঝতে বাকি থাকে না, তারা কত কষ্ট করে এগুলো সংগ্রহ করেছেন
|
ছবির ডান পাশে রাসূল সাঃ এবং তার থেকে শুনেছেন আরো আট জন সাহাবী এবং এই আঠ জন থেকে বহু মানুষ
|
লাল বক্স গুলো বর্ননাকারিদের থেকে হাদিস বিভিন্ন বইগুলিতে স্থান পেয়েছে
|
গোলাপ আগস্ট 7, 2011 12:06 অপরাহ্ন -
|
আপনাকে এক অতি সাধারন প্রশ্ন করি
|
ইসলামী বিধানে 'মুহাম্মাদের' কোন কাজের সমালোচনাকারী শাস্তি কি?
|
ফুয়াদ আগস্ট 7, 2011 5:47 অপরাহ্ন -
|
ইসলাম অনুষারে এক মাত্র আল্লাহ পাক বাদে কেউ ভুল ত্রুটির উর্ধ্বে নয়
|
পৃথিবীর সব মানুষের ভুল হয় এবং রাসুল সাঃ ও একজন আমাদের মত মানুষ কিন্তু আমাদের আহলে সুন্নাতুয়াল জামাতের মতে যেহেতু উনার উপর ওহী নাজিল হত, তাই তিনি ভুল করার সাথে সাথেই আল্লাহ পাক তা ঠিক করে দিতে্ন, যদিও তিনি ভুল ত্রুটির উর্ধ্বে নন
|
রাসুল সাঃ এর বিভিন্ন কাজের উপর বিতর্ক আপনি করতে পারবেন, তবে তা অবশ্যই সত্য বুঝার জন্য করতে হবে
|
সাহাবীগন আমাদের নিকট অতী সম্মানী
|
কিন্তু তারাও ভুলের বাহিরে নন
|
কিন্তু তাদের ভুল নিয়ে তাদের প্রতি অসম্মান দেখানো আমাদের পক্ষে অন্যায়
|
এ জন্য সাহাবীদের কাজও যে যেরূপ করেছিলেন ঠিক সেই রূপ লিপিবদ্ধ করা যায়, কিন্তু তাদের নিয়ে তুচ্ছ তামাশা করা আমাদের জন্য খুব অন্যায়
|
কারন তারা হয়ত লাখে একটা ভুল করেছেন, আমরা লাখের মধ্যে হয়ত নয়শত নিরানব্বইটা
|
এ জন্য আমরা সকল সাহাবীদের নামের শেষে রাঃ লাগাই, ঠিক তেমনি সকল নবীদের নামের শেষে আঃ এবং সকল ইসলামের শ্রেষ্ট ও সম্মানী ব্যাক্তিদের নামের শেষে রঃ লাগাই
|
আপনি নিশ্চই মিথ্যা অপবাদ কি জিনিস তাহা বুঝেন
|
আপনি সমালচনার নামে মিথ্যা অপবাদ দিবেন সেটা কিসের ভিত্তিতে ন্যায্য হল ? তা কি বুঝাতে পারবেন
|
তুচ্ছ তামাশা একটা জিনিস, মিথ্যা অপবাদ আরেকটা জিনিস, সত্যের বিকৃতি করা আরেকটা জিনিস, সমালোচনা করে একটা জিনিস, ভাল মন্দ বিচার করা ভিন্ন জিনিস
|
যেমন ধরুন আপনাদের ভবঘুরে সাহেব উপরের পোস্টে বলেছেনঃ
|
আল্লাহ তাকে ৩০ টা পুরুষের সমকক্ষ করে তৈরী করেছেন
|
তাই তার ১৩টা স্ত্রী আর সমসংখ্যক দাসী লাগে
|
এখানে উনি যে কাজটা করেছেন সেটা সমালোচনা নয়, একে বলা যাবে মিথ্যা অপবাদ
|
আরেকটি উদাহারন দেখুন উপরের প্রবন্ধেইঃ
|
তার মানে আমাদের দ্বীনের নবী ,আল্লাহর প্রিয় দোস্ত মোহাম্মদের নিকট স্ত্রী লোক হলো শয়তান- ভবঘুরে
|
উনার এই বক্তব্য হচ্ছে মিস রিপ্রেসেন্টেশন, কারন তিনি যে বক্তব্যের উপর এই উপসংহার টেনেছেন তা হলঃ স্ত্রীলোকটি আমার দিকে অগ্রসর হয়ে একটা শয়তানের রূপ ধারন করল
|
এই বাক্য কখনই প্রকাশ করে না, "স্ত্রী লোক হলো শয়তান"
|
এই অন্যায় উপস্থাপনা ১ ইচ্চাকৃত হতে পারে, ২ মুসলমানদের প্রতি ঘৃনায় অন্ধত্বের জন্য অনিচ্ছায় হতে পারে
|
এগুলো কি আপনার দৃষ্টিতে ঠিক সমালোচনা ? খোলা মনে উত্তর দিয়েন
|
উপরের লেখক সম্পর্কে যদি আমাদের বক্তব্য জানতে চান তাহলে বলব দেখতেঃ
|
যখন পৃথিবী তার কম্পনে প্রকম্পিত হবে, যখন সে তার বোঝা বের করে দেবে
|
এবং মানুষ বলবে, এর কি হল ? সেদিন সে তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে, কারণ, আপনার পালনকর্তা তাকে আদেশ করবেন
|
সেদিন মানুষ বিভিন্ন দলে প্রকাশ পাবে, যাতে তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম দেখানো হয়
|
অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবে, এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও দেখতে পাবে
|
-সূরা যিলযাল
|
লেখক যেসব অন্যায় করবেন তার প্রতিটিই তিনি নিজেই সে সময় দেখতে পারবেন
|
ভবঘুরে আগস্ট 7, 2011 6:48 অপরাহ্ন -
|
অনুগ্রহ করে আমার লেখায় মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ
|
এখানে উনি যে কাজটা করেছেন সেটা সমালোচনা নয়, একে বলা যাবে মিথ্যা অপবাদ
|
ধরে নিলাম আপনার কথামত আমি অপবাদই দিয়েছি
|
কিন্তু যে হাদিস উল্লেখ করে বিষয়টি বলেছি , সেটা কি আপনার খেয়াল ছিল উক্ত মন্তব্য করার আগে ? সেটা হলো -
|
কাতাদা বর্নিত: আনাস ইবনে মালিক বলেন, " নবী দিনে রাতে পালাক্রমে তার স্ত্রীদের সাথে মিলিত হতেন,আর তার স্ত্রীর সংখ্যা ছিল এগার
|
আমি আনাসকে জিজ্ঞেস করলাম- " নবীর কি এত শক্তি ছিল ?" আনাস উত্তর দিলেন-" আমরা শুনেছি নবীর শক্তি ছিল ত্রিশজন মানুষের সমান"
|
বুখারি, বই-০৫, হাদিস-২৬৮
|
ওখানে দেখুন পরিস্কার ভাবে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে- নবীর কি এত শক্তি ছিল ?
|
কেন জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে? কারন আগেই বলা হয়েছে- নবী দিনে রাতে পালাক্রমে তার স্ত্রীদের সাথে মিলিত হতেন
|
এখন যে ব্যাক্তি পালাক্রমে দিন ও রাতে তার স্ত্রীদের সাথে সহবত করেন ও যার যৌনক্ষমতা ছিল ৩০ জন পুরুষের সমান, যদি তার সম্পর্কে বলা হয় যে সে কারনে তার ১৩ টা স্ত্রী ও সমসংখ্যক দাসি দরকার পড়ত, এতে অযৌক্তিক কি বলা হলো ভাই ? যদি দেখা যেত তার ৩০ জনের সমান যৌনক্ষমতা থাকার পরেও শুধুমাত্র নিজের সংযম সাধারন মানুষকে প্রদর্শনের স্বার্থে মাত্র একজন স্ত্রীলোকের সাথে বসবাস করতেন তাহলে আমরা তাকে সত্যি সত্যি একজন মহান মানুষ হিসাবে গণ্য করতাম
|
সেটা হতো আমাদের মত সাধারন মানুষের জন্য অনুকরনীয়
|
অথচ আপনার নবী কি করছেন? ১১ জনের সাথে দিনে রাতে সহবত করার পরেও তিনি যখন রাস্তায় বের হন তখন তিনি নারী দেখলেই সাথে সাথে উত্তেজিত হয়ে পড়েন যা আবার লেখা আছে সহি হাদিসে
|
তার মানে তিনি কি সব সময়ই উত্তেজিত থাকতেন ? সুবহানআল্লাহ
|
আপনার কি বোধ বুদ্ধি কিছুই নেই? কিছুই কি বোঝেন না এসব হাদিসের বর্ননা পড়ে ও তার সমার্থক কোরানের আয়াত পড়ে ? যিনি কাম যাতনায় সর্বক্ষন উত্তেজিত থাকতেন বলেই হাদিসের বর্ননা থেকে পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে ও কোরান তা সমর্থন করেছে- সে লোককে আপনি কোন কান্ড জ্ঞানে আল্লাহর নবী ভাবতে পারেন ? আপনার পাশে জানা শোনা কেউ যদি হুবহু একই রকম ভাবে উত্তেজিত হয়ে দিনে রাতে তার ৪ জন স্ত্রীর সাথে মিলিত হয় , ও চান্স পেলে ঘরের কাজের মেয়ের সাথেও মিলিত হয়, আপনি তাকে কি বলবেন ? বুকে হাত দিয়ে বলুন তো ? মোহাম্মদ কি এর চাইতে ভাল কোন আচরন প্রদর্শন করেছে ? হাদিস কি বলে ? যে লোকের অন্যতম কাজই হলো- দিন ও রাতে এগারো জন স্ত্রীর সাথে পালাক্রমে মিলিত হয়ে সহবত ( যৌন ক্রিড়া ) করা , যা আবার আমাদের নিজেদের বানান কথা না, খোদ সহি(পরীক্ষিত) হাদিসের কথা ,সেই লোককে আপনি আল্লাহ প্রেরিত নবী বা সর্ব শ্রেষ্ট মানুষ ভাবতে পারেন কিন্তু আমাদের বোধ বুদ্ধি এতটা লোপ পায়নি যে এমন একটা কামুক ও যৌনতাড়িত লোককে আমরা আপনার মত করে ভাবব
|
ফুয়াদ আগস্ট 7, 2011 8:02 অপরাহ্ন -
|
আপনার কথাগুলিতে যুক্তির কিছুই পেলাম না, যা পেলাম তা কিছু ইমোশনাল বক্তব্য
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.