content
stringlengths
0
129k
অর্থ, অর্থনীতি এবং অর্থ
খাদ্য ও কৃষি
টেকসই উন্নয়ন, বায়ু দূষণ এবং বিপর্যয়
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা.
অর্থনীতি এবং অর্থায়ন, টেকসই উন্নয়ন, জিডিপি, পরিবেশগত কর
পণ্য এবং পরিষেবাগুলির পর্যালোচনা এবং পরীক্ষণ
ভাল ডিল, কেলেঙ্কারী এবং কেলেঙ্কারী
কী বেছে নেবেন, পর্যালোচনা এবং কেনার পরীক্ষা আরও ভাল চয়ন করুন!
আজ সকাল ১০.০০ ঘটিকায় রাজশাহী-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের জ্যেষ্ঠ ভাইস-চেয়ারম্যান জনাব ফজলে হোসেন বাদশা রাজশাহী রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুমের কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে উদ্বোধন করেন
রাজশাহী রেশম কারখানা চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজশাহী রেশম কারখানা চালু হওয়া তাঁর এবং রাজশাহীবাসীর স্বপ্ন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই স্বপ্ন আজ সফল হওয়ার পথে
তিনি রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুমের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন
তিনি রেশম শিল্পকে রেশম কারখানার শিল্প না ভেবে এটিকে সামাজিক শিল্প হিসেবে বাস্তবায়নের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান
প্রথমত ট্রায়াল বেসিসে ৫টি লুমের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে এর পরিধি ক্রমান্বয়ে আরও বাড়ানোর কথা বলেন
২০০২ সালে রেশম কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার ফলে রাজশাহী তথা বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন
অন্যদিকে তিনি অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি বর্তমানে কারখানায় গ্যাস সংযোগ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনাব শাহীন আক্তার রেনী বলেন, রাজশাহী সিল্কের ব্রান্ডিং পেয়েছে
রাজশাহী এখন সিল্ক হেভেন
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাওয়ার কথা বলেন
সভাপতির বক্তব্যে রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বলেন, আমাদের গর্বের এবং আত্মসম্মানের প্রতীক হলো এই রেশম কারখানা
তৎকালীন সময়ে কারখানার লোকসান থাকলেও তা চালু রাখা যু্ক্তিযু্ক্ত ছিল বলে তিনি বলেন
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য চীন, ভারত থেকে উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার বিষয়টি উল্লেখ করেন
এজন্য রেশম শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক অধ্যাপিকা তসলিমা খাতুন, স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ কর্মকর্তা মো: মাহবুবুর রহমান, আরও বক্তব্য দেন সিবিএ সভাপতি মো: আবু সেলিম
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সকলে ৫টি পাওয়ার লুম চালুকরণের সকল পর্যায় অর্থাৎ ধাপ পরিদর্শন করেন
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ড. সাবরিনা নাজ, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য(অর্থ ও পরিকল্পনা)ও সদস্য(উৎপাদন ও বাজরজাতকরণ) অ:দা: সৈয়দা জেবিননিছা সুলতানা, সদস্য(সম্প্রসারণ ও প্রেষনা) এম.এ মান্নান, রেশম শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি মো: লিয়াকত আলী, রে...
অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করেন বোর্ডের সচিব মো: জায়েদুল ইসলাম
রেশম একটি কৃষি নির্ভর শ্রমঘন গ্রামীণ কুটির শিল্প
পরিবারের আবালবৃদ্ধবনিতা, বেকার, বিশেষ করে মহিলারা এই পরিবার কেন্দ্রিক কর্মকান্ডের সংগে জড়িত হয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারেন
অন্যান্য ফসলের তূলনায় রেশম চাষে অধিক লোকের কর্মসংসহান হয়
১ হেক্টর জমিতে রেশম চাষ করলে ১২/১৩ জন লোকের কর্মসংসহান হয় যেখানে অন্য ফসলে ৪/৫ জনের বেশী হয় না
রেশম চাষে বছরে কমপক্ষে ৪/৫ বার ফসল ফলানো যায় এবং অধিক অর্থ উপার্জন করা যায়
আবাদী, অনাবাদী, রাস্তার ধার, বাড়ীর আশপাশের খন্ডিত জমি, বাঁধের ধার, জমির আইল প্রভৃতি যে কোন পতিত জমিতে তুঁত গাছের আবাদ করা যায়
তুঁতগাছ ৩০-৩৫ পর্যন্ত বছর বাঁচে
একবার এ গাছ লাগালে এবং সীমিত যত্নের মধ্যে রাখলে দু'মাস পর পর এ গাছ থেকে এক নাগাড়ে ৩০-৩৫ বছর পলুপালন করে অর্থ রোজগার করা যায়
তুঁত গাছের শিকড় মাটির অতি গভীরে যায়
যে কারনে খরার সময় বৃষ্টিপাত না হলে বা সেচ না দিতে পারলেও মোটামুটিভাবে ফসল হয় যা অন্যান্য কৃষি ফসলে হয় না
এ শিল্পে তূলনামূলকভাবে অল্প মুলধন কাজে লাগিয়ে অধিক অর্থ উপার্জনের ব্যবসহা নেয়া যায়
৩/৪ হাজার টাকা নিয়ে রেশম গুটি উৎপাদন, ৮/১০ হাজার টাকা নিয়ে রেশম সূতা উৎপাদন এবং ১৫/২০ হাজার টাকা নিয়ে কাপড় উৎপাদনের কাজ করা যায়
এত অল্প পুঁজি নিয়ে অন্য কোন চাষ বা অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত হওয়া যায় না
এ শিল্পের কারিগরি বিষয়গুলো সহজে বুঝা যায়
অশিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত যে কোন মেয়ে পুরুষ এসব বিষয় সহজেই রপ্ত করতে পারেন
গরীব ও প্রান্তিক চাষীদের পরিবারের বাড়তি আয় উপার্জনের জন্য এ শিল্প অত্যমত সহায়ক
গ্রামের মানুষকে শহরমুখী না করে গ্রামে অবসহান করে আয়ের পথ সুযোগ করার ক্ষেত্রে এ শিল্প অতুলনীয়
রেশম শিল্পের কোন বস্তুই অপ্রয়োজনীয় নয়
রেশম চাষের মাধ্যমে রেশম গুটি উৎপাদন করা যায় যা মূল ফসল
তুঁতগাছের ডালপালা থেকে জ্বালানী, ফল থেকে জ্যাম-জেলী, শিকড় থেকে রং, ছাল থেকে কাগজ তৈরী হয়
পলুর মল উৎকৃষ্ট জৈব সার, উচ্ছিষ্ট তুঁতপাতা গবাদি পশুর খাদ্য, এমনকি মরা পলুও হাস মুরগীর উৎকৃষ্ট খাদ্য
রিলিং এর ফেঁসো, ঝুট, টোপা প্রভৃতি চরকাতে কেটে স্পান সূতা তৈরী করা যায়
বয়নকালে বিভিন্ন বর্জ্য পুনরায় কার্পেট উৎপাদনে ব্যবহার করা যায়
এ শিল্পে ব্যবহুত ডালা, চন্দ্রকী, জাল, কাটঘাই, তাঁত মেশিন প্রভৃতি অতি সাধারন সরঞ্জাম
এগুলো গ্রামেই অতি অল্প ব্যয়ে তৈরী করা যায়
রেশম গুটি বছরে কমপক্ষে ৪/৫ বার উৎপাদন করা যায়
মার্চ মসের শেষে চৈতা ক্রপ, জুন মাসের প্রথমে জ্যৈষ্ঠা ক্রপ, আগষ্ট মাসের শেষে ভাদূরী ক্রপ এবং নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি অগ্রহায়নী ক্রপের রেশম গুটি উৎপাদিত হয়
এ সময়ে চাষীদের ঘরে অন্য তেমন কোন অর্থকরী কৃষি ফসল থাকে না
যে কারণে এ চাষের ফলে চাষীরা অসময়ে অর্থ হাতে পাওয়ার সুযোগ পান
গ্রামের শিক্ষিত বেকার যুবকদের আত্মকর্ম সংস্থানে এ শিল্প বিশেষভাবে সহায়ক
রেশম সূতা, বস্ত্র ও তৈরী পোষাক বিদেশে রপ্তানী করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, জাতীয় আয় বৃদ্ধি, আমদানি বিকল্প এবং গ্রামের গরীব জনগোষ্ঠীর জীবন যাত্রার মান উন্নয়নসহ দারিদ্র্য বিমোচনে এ শিল্প অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে
হ্যালো বন্ধুরা আমাদের ওয়েবসাইডে আপনাদেরকে স্বাগতম আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে শাশুড়ি ও বউয়ের ঝগড়া সুন্দর হাসির এক মজার বাংলা শিক্ষনীয় গল্প 2021
এই গল্পটা আপনারা জানতে পারবেন কিভাবে শাশুড়ি ও বউয়ের ঝগড়া থেকে ভালোবাসাই পরিনত করার আর তা থেকে আপনাদের বাচ্চাদের মত করে কিভাবে শাশুড়ি বোঝানো
সেটা বাংলা বা ইসলামিক শিক্ষনীয় ঘটনা দেখতে থাকুন
শিক্ষনীয় গল্প
শিক্ষনীয় মজার গল্প
হাসির শিক্ষনীয় গল্প
সুন্দর শিক্ষনীয় গল্প
শিক্ষনীয় বড় গল্প
বাংলা শিক্ষনীয় গল্প
শিক্ষনীয় ঘটনা
শিক্ষনীয় গল্প
শিক্ষনীয় গল্প
আমার বিয়ে ঠিক পাঁচ দিন পর শাশুরি মা আমার হাতে 5 কেজি ওজনের কাতলা মাছ দিয়ে বলল -
আমাদের বংশের রীতি অনুযায়ী নববধূকে বিয়ের পাঁচ দিন পর সবাইকে নিজের হাতে মাছ রান্না করে খাওয়াতে হবে
তাই আজ তোমাকে রান্না করতে হবে
শাশুড়ি মা আমাকে এই প্রথম পাঁচ দিনেই শিক্ষা দিয়ে শিক্ষনীয় গল্প এর পাঠ পড়াতে চাইছে
বড় মাছ দেখে আমার গলা শুকিয়ে গেল
বিয়ে ঠিক হওয়ার পর ইউটিউব দেখে টুকটাক রান্না শিখেছি কিন্তু মাছ কাটা তো শিখিনি
তখন আমি মাছ হাতে নিয়ে কি করব ঠিক বুঝতে পারছিনা ¡ শাশুড়ি তখন আমাকে বলল -
কি হলো বৌমা মাছ টা কাটছো না কেন ?
তখন আমি শাশুড়ি মার দিকে তাকিয়ে বললাম, মা আমার বিয়ে কি একা একা হয়েছে, (মনে মনে আমি শাশুড়ি মা আমাকে এখন থেকেই শিক্ষনীয় গল্প এর পাঠ পরাছেন পরান আমিও এক দিন আপনাকে শিক্ষনীয় মজার গল্প পাঠ করা বোই )
তখন শাশুড়ি মা অবাক হয়ে বলল একা আবার বিয়ে হয় নাকি? এতো আমার ছেলের সাথেই হয়েছে
বিয়েটা যেহেতু আমার একা একা হয়নি তাহলে আমি কেন একা একা রান্না করবো নতুন বর বধু এক সাথে রান্না করবে
এরূপ আমার কথা শুনে পিছন থেকে আমার স্বামী বলে উঠল,
দীয়ার কথায় যুক্তি আছে মা নিয়মটা এবার পাল্টানো দরকার
এই কথা বলে আমার স্বামী আমার হাত থেকে মাউসটা নিল কাটার জন্য আর শাশুড়ি মা রাগ করে রান্নাঘর থেকে চলে গেল
সুজন মানে আমার স্বামী তখন মুচকি হেসে বলল,
শিক্ষনীয় মজার গল্প
তুমি একদম চিন্তা করো না দিয়া
মাছ কাটা আমার প্রচুর অভিজ্ঞতা আছে
কাজে গিয়ে মেসে থাকতে একা একা কত মাছ কেটেছি এবং রান্না করেছি
তখন আমি অবাক হয়ে সুজনকে দেখছিলাম
বেচারা মাছ কাটতে খুব কষ্ট হচ্ছে
তবুও বউকে একটু সাপোর্ট দিতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গেল
আমি তখন হালকা গলা কেঁশে বললাম ,
তোমার মনে হয় একটু বেশি কষ্ট হচ্ছে কী ?
তখন সুজন একটু মুচকি হেসে বলল , ম্যাসে তো ছোট সাইজের মাছ কাটতাম এত বড় সাইজের মাছ কখনো কাটেনি‌
তাই একটু অসুবিধা হচ্ছে
তার এই রূপ কথা শুনে আমি মনে মনে খুব হাসছি
( তোমাকে আজ শিক্ষনীয় মজার গল্প দেখাবো আজ দ্বারাও )
আমাদের বিয়ের আগে সুজনের সাথে যখন আমার প্রথম দেখা হয় তখন আমি ওকে বলেছিলাম যে,