content
stringlengths
0
129k
ভবন ওপরের দিকে বাড়ানোর সুযোগ কমে যাওয়ায় ফ্ল্যাটের মূল্য কমপক্ষে ৫০ শতাংশ বেড়ে যাবে
ফ্ল্যাটের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ায় আবাসন সংকট আরও ঘনিভূত করবে
বাড়িভাড়া সীমাহীন বেড়ে যাবে
বাড়বে সাবলেটের সংখ্যা, যা নগরীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করবে
একই সঙ্গে আবাসনের জন্য জমির ব্যবহার বেড়ে যাবে
সিরামিক, স্যানিটারি, ইলেকট্রিক কেবল ইন্ডাস্ট্রি, রড, সিমেন্ট, পাথর, বালি, রংসহ প্রায় ২৬৯টি লিংকেজ ইন্ডাস্ট্রিজ গভীর সংকটে পড়বে
সেই সঙ্গে ঝুঁকিতে পড়বে এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ৪০ লাখ শ্রমিকের পরিবার
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সহসভাপতি কামাল মাহমুদ, নজরুল ইসলাম, লায়ন শরীফ আলী খান, সহসভাপতি (ফিন্যান্স) প্রকৌশলী মোহাম্মদ সোহেল রানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন
রিহ্যাব সভাপতি বলেন, গত ৭ মার্চ স্টেক হোল্ডারদের সমন্বয়ে ড্যাপ সম্পর্কিত একটি সভায় ড্যাপ রিভিউ কমিটির আহ্বায়ক এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম রিহ্যাব ও বিএলডিএ-এর মতামত ও সুপারিশ গ্রহণের লক্ষ্যে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করে দেন
অথচ আজ পর্যন্ত ওয়ার্কিং কমিটির কোনো সভা হয়নি
এমনকি স্টেকহোল্ডারদের কোনো সুপারিশও গ্রহণ করা হয়নি
অথচ, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ড্যাপ চূড়ান্ত অনুমোদন করা হবে বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে
সংশোধন ছাড়া নতুন এই বিধিমালা অনুমোদন হলে আবাসন খাত ও সংশ্লিষ্ট উপখাতগুলো মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে
লাখ লাখ মানুষ কর্মহীন হবে
জমির মালিকদের মধ্যেও ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দেবে
ভবনের আয়তন ও উচ্চতা কমে যাওয়ায় জমির মালিকরা পূর্বের পরিকল্পনা ও চাহিদামাফিক ফ্ল্যাট নির্মাণ করতে পারবেন না
অথচ, তার নির্মাণাধীন ভবনের পাশেই হয়তো ২০০৮ সালের বিধিমালা অনুযায়ী অধিক সংখ্যক ফ্ল্যাটসহ ৮/১০ তলা ভবন নির্মিত হয়েছে, যা সুষম বণ্টন ও সমঅধিকারের পরিপন্থী
আবার যারা একটা করে ফ্ল্যাট পেতে কয়েকজন মিলে জমি কিনে রেখেছিলেন, তারা সেই সংখ্যক ফ্ল্যাট পাবেন না, যা জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে
একই সঙ্গে খসড়া বিধিমালায় ঢাকার বাইরে অন্যান্য নগরীতে ভবনের আয়তন ৫০-৫৩ শতাংশ হ্রাস করা হয়েছে
এতে আবাসন চাহিদা মেটাতে ফসলি জমির ব্যবহার বাড়বে, যা খাদ্য নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলবে
তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নির্মাণ খাতের অবদান প্রায় ১৫ শতাংশ
বর্তমান ও পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পরিবেশবান্ধব পরিকল্পিত নগর ও নিরাপদ আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রায় তিন দশক ধরে সরকারের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে রিহ্যাব
ড্যাপ ও নতুন নির্মাণ বিধিমালা সংশোধন না হলে আবাসন শিল্প মুখ থুবড়ে পড়বে
রিহ্যাব সভাপতি বলেন, ফ্ল্যাটের দাম বাড়িয়ে ঢাকা শহরের জনসংখ্যা কমানোর চিন্তা অলিক স্বপ্ন
যতক্ষণ পর্যন্ত জীবিকা, চিকিৎসা, উন্নত শিক্ষা, বিচার-সালিশের মতো বিষয়গুলো ঢাকার বাইরে বিকেন্দ্রীকরণ করা না যাবে, ততক্ষণ পর্যন্ত ঢাকাকেন্দ্রিক মানুষের অভিবাসন অব্যাহত থাকবে
যে ঢাকায় চাকরি করে, বাড়িভাড়া বা ফ্ল্যাটের দাম বাড়লেও তাকে ঢাকাতেই থাকতে হবে
ফলে ভবনের আয়তন কমিয়ে ঢাকার জনসংখ্যা কমানোর এই প্রচেষ্টা শুধু জনঅসন্তোষ ও জনদুর্ভোগই বাড়াবে
তিনি বলেন, বাংলাদেশে জনবহুল দেশ
জমি অপ্রতুল
রাজউক এলাকায় মাত্র দশমিক ১৬ শতাংশ ভবন আটতলার বেশি উচ্চতার
৯৩ শতাংশ ভবন একতলা থেকে তিনতলা উচ্চতাবিশিষ্ট
এখানে ভবনের উচ্চতা বাড়িয়ে নিরাপদ আবাসনের সুব্যবস্থা যত বাড়ানো যাবে, ততই এই খাতে জমির ব্যবহার কমবে ও আবাসন সমস্যা সমাধানে অধিক কার্যকর হবে
সংবাদ গ্যালারি ডেস্ক: প্রিয় নেত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা, মাদার অফ হিউম্যানিটি, গণতন্ত্রের মানষকন্যা -এরকম হাজারো উপাধি লিখে শেষ করা যাবে না জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে
আর সেই নেত্রীর ৭২তম জন্মদিন ছিল (২৮ সেপ্টেম্বর/১৮)
প্রিয় নেত্রীর জন্মদিনকে ঘিরে সারা দেশে আনন্দ উল্লাস র‌্যালী, শোভাযাত্রা সহ অনেক মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান করেছে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান
পিছিয়ে ছিলেন না ঠাকুরগাঁওয়ের নারী মুক্তির পথ প্রর্দশক, সংরক্ষিত আসন-৩০১ এর সংসদ সদস্য সেলিনা জাহান লিটা এমপি
তাইতো নিজের আবেগ-অনুভূতির বহি:প্রকাশ করেছেন তাঁর সুন্দর লেখনীর মাধ্যমে
জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের নিজের টাইমলাইনে তা শেয়ারও করেছেন
প্রিয় নেত্রীর জন্মদিনে কি ছিল সেই অনুভুতি, তা "সংবাদ গ্যালারি" পাঠকদের জন্য তার টাইমলাইনের লেখাটি হুবহুতুলে ধরা হলো:
"একজন মেয়েকে মানুষ হয়ে উঠতে গেলে অনেক প্রতিকুলতার সম্মুখীন হতে হয়
এই সমাজ, সংসার , রাষ্ট্র সহজে কি জায়গা করে দিতে চায়! সারা পৃথিবীতো রয়েছেই বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেই ভাবিনা কেন
" "ওরা কি ভেবেছিল সেই ছোট্ট মেয়েটি আজ বিশ্বনেত্রী হবে! না ওরা ভাবেনি
কারণ সে যে মেয়ে! তাইতো সেদিন (১৯৭৫) অবহেলা, অবজ্ঞায় তাঁকে হত্যা করেনি"
১৯৪৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর বাবা বঙ্গবন্ধুশেখ মুজিবুর রহমান, মা শেখ ফজিলাতুন নেসার কোল আলো করে টুঙ্গি পাড়ায় জন্ম নিয়েছিলেন বঙ্গকন্যা, দেশরত্ন, জননেত্রী শেখ হাসিনা
ধীরে ধীরে বড় হয়েছে গ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশে
শৈশব কেটেছে তাঁর গ্রামে
তাইতো তিনি বুঝতে পারেন গ্রাম বাংলার মানুষের দুঃখ কষ্ট
তিনি শীতের সকালে মিষ্টি রোদে বাড়ির আঙিনায় বসে মুড়ি মাখা খেয়েছেন
গাভীর দুধ দোহাতে দেখেছেন
পাড়ার বন্ধুদের সাথে ফড়িং ধরেছেন
বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ছোট্ট নদীতে মাঝে মাঝে পা ভিজিয়েছেন
এদেশের মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন, সংগ্রাম করতে গিয়ে বার বার বাবাকে জেলে যেতে দেখেছেন
মা অনেক কষ্ট করে সংসার, দলের নেতা র্কমীদের কিভাবে আগলে রেখেছিলেন সে অভিজ্ঞতাও তিনি উপলব্ধি করেছেন
অনেক আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার নেতৃত্বে(১৯৭১ সালে) এদেশ স্বাধীন হল
মাত্র সাড়ে তিন বছর বঙ্গবন্ধুদেশ চালিয়েছেন
যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুর্নগঠন করে তিনি মানুষের র্অথনৈতিক মুক্তির জন্য দেশকে যখন সোনার বাংলা গড়ার রূপরেখা দিলেন তখনই ১৯৭৫ এর ১৫ ই আগষ্ট স্বপরিবারে র্নিমমভাবে হত্যা করল স্বাধীনতা বিরোধী চক্র
(বিদেশে থাকার কারণে বেঁচে যান শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা) শুধু তাতে ক্ষান্ত হয়নি হায়েনার দল সামরিক জিয়ার সরকার কালো আইন (ইনডিমিনিটি অর্ডিন্যান্স) জারি করলো
বিচার পাওয়া থেকে তাঁর পরিবারকে বঞ্চিত করলো
এর চেয়ে যন্ত্রণা দায়ক আর কি হতে পারে!?
পরিবারের সকলকে হারিয়ে বেঁচে থাকা যেখানে অসম্ভব সেই মানুষটি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার প্রিয় মানুষগুলোর ভালবাসায় বেঁচে আছেন
কারণ বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস, ভালবাসা এই দেশের কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের প্রতি
এদেশের মানুষের মুখের দিকে চেয়ে তিনি বুকে পাথর চেপে ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে শক্ত হাতে হাল ধরেছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের
একে একে স্বৈর শাসকদের পতন হল
প্রথমে ১৯৯৬ সালে
তারপর পর পর টানা দু'বার (২০০৮ -২০১৪) ক্ষমতায়
সূক্ষ্ম বুদ্ধি, দুরদৃষ্টি চিন্তা চেতনা, দক্ষ নেতৃত্ব, গভীর মমতা ও ভালবাসায় সকল ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে দেশ পরিচালনা করছেন
বিশ্ব মানবতা যখন মুখ ফিরিয়েছিল রোহিঙ্গাদের উপর থেকে তখন মানবতার মা আশ্রয় দিয়েছে তাদের
১৬ কোটিরও বেশি মানুষের খাবার ভাগ করে খাইয়েছেন তিনি
যে বাংলাদেশকে পশ্চিমা শক্তি তলাবিহীন ঝুড়ি বলে অবজ্ঞা করেছিল সেই রাষ্ট্রকে আজ জননেত্রী শেখ হাসিনা রোল মডেল বানিয়েছেন
স্বয়ং পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবীরাও এখন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে পাকিস্তানের শাসকদের অনুসরণ করতে পরার্মশ দেন
বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কথা ভেবেই তিনি র্কম পরিকল্পনা করে একে একে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন
তিনি ভোরবেলা থেকে মধ্যরাত র্পযন্ত এদেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন
প্রিয় নেত্রীর এই পরিশ্রম আমাদের অনুপ্রেরণা
অদম্য শক্তি, সাহস, মৃত্যুর ভয় উপেক্ষা করে শুধুমাত্র বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন
এতসব কিছুর পরেও তাঁর শিশুসুলভ মনোভাব, মানবতা, গভীর মমতায় মাঝে মাঝে শিশুদের নিয়ে খেলতে ভালবাসেন
ছেলের সাথে ব্যাডমিন্টন খেলেন
ছেলের জন্মদিনে নিজ হাতে রান্না করেন
নাতীর বায়না মিটাতে নিজ হাতে মজা করে মাছ রান্নাও করেন
দলের নারী র্কমীদের
নিয়ে মাঝে মাঝেই হাসি ঠাট্টা করে কথা বলে অনুপ্রেরণা যোগান
জননেত্রী শেখ হাসিনার মতো দৃঢ় অথচ কোমল হৃদয়ের একজন দলীয় প্রধান, একজন প্রধানমন্ত্রী, একজন বিশ্বনেতার সঙ্গে কাজ করতে পারা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্মান
প্রিয় নেত্রী"তুমি জন্ম না নিলে বাংলাদেশ কলংকমুক্ত হতোনা, বাঙ্গালি নারীরা লেখাপড়া, ক্রিড়া, সংস্কৃতিতে অবদান রাখতে পারতোনা, ভোট দেওয়ার অধিকার পেতোনা, জনপ্রতিনিধি হতে পারতোনা
সর্বোপরি বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারতোনা
বাঙালী জাতি তোমার কাছে অনেক পেয়েছে
বাংলাদেশের জনগণ তোমার জন্মদিনে প্রাণভরে দোয়া, আশির্বাদ করছে
তুমি আরো শক্তি, সাহস,মনোবল নিয়ে আরো অনেক অনেক বছর আমাদের আগলে রাখো
"শুভ জন্মদিন দেশরত্ন"
সেলিনা জাহান লিটা-
আপনার মুল্যবান মতামত দিন......
এ বিভাগের আরো খবর
নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপির কোন আগ্রহ নেই-স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই-মির্জা ফখরুল
নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিং ডে...
স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি সাম্প্রদায়িক হামলা চালিয়েছে- ধর্ম প্রতিমন্ত্রী
দূর্গোৎসবে প্রতিমা ভাংচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিক্ষোভ সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান...
আব্দুল মালেক উকিলের ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত...
সেরা গবেষকের তালিকায় ঠাকুরগাঁওয়ের ড. আনোয়ার খসরু পারভেজ...
অনিবন্ধিত পোর্টাল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের: বনেক এর আপিল...
সময় টিভির ডায়মন্ড বাটন অর্জনে ঠাকুরগাঁওয়ে আনন্দ উৎসব...
নানান কর্মসূচিতে জাতীয় শোক দিবস পালন...
দৈনিক সংবাদ গ্যালারী