content
stringlengths 0
129k
|
|---|
উত্তর : প্রথমে ২টি গাভি দিয়ে ডেইরি ফার্ম শুরু করা যায়
|
কারণ ব্যবসা ছোট থেকে শুরু করা ভালো
|
ছোট আকার থেকে বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়ে বড় ব্যবসা করলে ভুল বা লোকসানের সম্ভাবনা থাকে না বা কম থাকে
|
আজকাল উন্নত জাতের গাভি প্রায় সব জায়গাতেই পাওয়া যায়
|
তবে আপনার আশেপাশে যাদের ডেইরি ফার্ম আছে তাদের থেকে অর্থাৎ পরিচিত লোক থেকে গাভি কিনলে ভালো হবে
|
এ ক্ষেত্রে হলস্টাইন ফ্রিসিয়ান জাতের গাভি কিনলে আরো ভালো হয়
|
একবার বাচ্চা দিয়েছে এমন দুধালো বা গর্ভবতী গাভি কিনবেন
|
সে ক্ষেত্রে কোন ষাঁড়ের মাধ্যমে প্রজনন করানো হয়েছে- তা সম্পর্কে জেনে নিতে হবে
|
গাভিটি বর্তমানে গর্ভবতী হলে আগেরবার কী পরিমাণ দুধ দিয়েছে তা নিশ্চিত হতে হবে
|
গাভিটি দুধালো হলে কি পরিমাণ দুধ দিচ্ছে তা নিজে দেখে গাভি কিনতে হবে
|
গাভিটির কোন টিকা দেওয়া আছে কি না- তাও নিশ্চিত হতে হবে
|
সর্বোপরি বাজার যাচাই করে গাভি কিনতে হবে
|
এমন একটি গাভি কিনতে মোটামুটি ৫০ হাজার থেকে ৮৫ হাজার টাকা লাগতে পারে
|
আর যে ঘরে গাভি রাখবেন সে ঘরের মেঝেটি পাকা বা ব্রিক সোলিং হওয়া দরকার
|
ঘরে পর্যাপ্ত পরিমাণ আলো-বাতাস প্রবাহের ব্যবস্থা থাকতে হবে
|
দুধালো গাভির জন্য কাঁচা ঘাস প্রয়োজন
|
সবসময় কাঁচা ঘাস প্রাপ্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে
|
নিজে ঘাস উৎপাদন করতে পারলে ভালো হয়
|
দানাদার খাদ্য সহজেই পাওয়া যাবে
|
এছাড়া ডেইরি ফার্ম শুরু করার আগেই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে তার অথবা তার প্রতিনিধির সরেজমিন পরামর্শ নিয়ে নেওয়া ভালো
|
কিছু প্রশ্নোত্তরকৃষককৃষিবিষয়কখেতচাষচাষিজাগোনিউজ২৪.কমধানধান খেতধান চাষপঞ্চম পর্ব
|
পরের সংবাদ
|
কৃষিবিষয়ক কিছু প্রশ্নোত্তর : শেষ পর্ব
|
এই সংবাদটি না পড়লে মিস করবেন!
|
সবজির দাম চড়া
|
আপনার জন্য নির্বাচিত সংবাদ
|
বাঁশ চাষে আপনিও হতে পারেন কোটিপতি, জেনে নিন সম্পূর্ণ পদ্ধতি
|
ধানের ভালো ফলনের জন্য বীজ শোধনের পদ্ধতি
|
জবা ফুল চাষের পদ্ধতি শিখে হয়ে উঠুন লাভবান কৃষক
|
কমলা চাষে পঞ্চগড়ের শেফালির সাফল্য
|
মাল্টা চাষে সফল হতে চান মোস্তফা
|
ছাদে সহজে জামরুল চাষের উপায়
|
যে কারণে রংপুরে বাড়ছে দেশি মাল্টার চাষ
|
ছাদে বেদানা চাষের সহজতম পদ্ধতি
|
জেনে নিন কাঠ গোলাপের কাটিং পদ্ধতি
|
সহজ উপায়ে টবে লঙ্কা চাষ
|
মন্তব্য করুন
|
অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন
|
.
|
ওষধি উদ্ভিদ কালমেঘ চাষে ব্যাপক আয়
|
নিজস্ব প্রতিনিধি
|
ওষধি উদ্ভিদ কালমেঘ নিয়ে মোটামুটি সবাই বর্তমানে ওয়াকিবহাল
|
বীরুৎ-জাতীয় এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণ প্রচুর পরিমানে থাকায় বর্তমানে আমাদের রাজ্যে কালমেঘ চাষ প্রচুর পরিমানে হচ্ছে
|
শারীরিক সমস্যা দূর করতে কালমেঘের ভূমিকা অনস্বীকার্য
|
কালমেঘ পাতার রস রক্ত আমাশা দূর করা ছাড়াও, কৃমির সমস্যা রোধ করতেও ভীষণ কার্যকরী
|
মূলত বীজ থেকে এই কালমেঘের চাষ হয়
|
জন্ডিস, কৃমি, ম্যালেরিয়া, ব্রঙ্কাইটিস, যকৃতের সমস্যার জন্য কালমেঘ খুবই উপকারী
|
সর্দি-কাশি ও চামড়ার রোগ দূর করতেও কালমেঘের যথেষ্ট অবদান রয়েছে
|
জুন-জুলাই মাসে মূলত এই ফসলের চাষ হয় এবং মার্চ-ফেব্রুয়ারি মাস নাগাদ এর বীজ সংগ্রহ করা হয়
|
মাটি ও জলবায়ু: ( )
|
যে কোনও ধরণের জলবায়ুতেই এই গাছের চাষ সম্ভব যেমন, তেমনই বিভিন্ন মাটিতেও এটি বেড়ে উঠতে পারে
|
তবে বেলে-দোআঁশ মাটি এই চাষের জন্য আদর্শ। কালমেঘ চাষের আগে জমি ভালো করে কর্ষণ করে নিতে হবে
|
১৫ সেন্টিমিটার দূরত্ব রেখে কালমেঘের বীজ বপন করা উচিত
|
ঠান্ডা আবহাওয়ায় মূলত কালমেঘের চাষ ভালো হয়
|
সার প্রয়োগ ও সেচ ( )
|
প্রথমে মাটি, বালি, জৈব সার মিশিয়ে বীজের জন্য মাটি প্রস্তুত করে নেওয়া উচিত
|
বীজ থেকে চারা বেরোলে তা চাষের জমিতে পোঁতা হয়
|
কালমেঘের ভালো ফসলের জন্য জমিতে গোবর সার ব্যবহার করেন অনেকে
|
মূলত বর্ষাকালে এটি চাষ করা হয় তাই সেচ কার্যের তেমন প্রয়োজনীয়তা পড়ে না। তবে প্রথম প্রথম তিন-চার দিন পর পর প্রয়োজনাসুরে জল দিতে হয়
|
এরপর আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী সপ্তাহে সপ্তাহে জলসেচ দেওয়া যেতে পারে।
|
পরিচর্যা ()
|
অন্যান্য চাষের মতন কালমেঘেরও পরিচর্যা করা উচিত
|
আগাছা থাকলে তা যত্নের সঙ্গে কেটে দেওয়া উচিত
|
মনে রাখতে হবে জমিতে যাতে জল না জমে
|
চারা রোপনের তিন মাসের মাথায় ফসল সংগ্রহ করে নেওয়া উচিত
|
বাজারে কালমেঘের প্রচুর পরিমানে চাহিদা থাকায়, এই চাষ করে কৃষকরা অধিক উপার্জন সহজেই করতে পারবেন
|
পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, অসম, তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশে কালমেঘের চাষ প্রচুর পরিমানে হয়
|
কৃষকরা এই ওষধি উদ্ভিদ চাষ করে ভালোই উপার্জন করছেন, তা এই রাজ্যগুলিতে কালমেঘের ব্যাপক চাষই প্রমাণ করে
|
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
|
নির্দিষ্ট পুঁজিতে মিশ্র চাষে কৃষকদের ব্যাপক আয়ের সুযোগ
|
নিজস্ব প্রতিনিধি
|
বর্তমান যুগে খাদ্যসামগ্রীর চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে | অন্যদিকে, চাষযোগ্য জমি এবং জলাশয়ের পরিমান কমছে | তাই এহেন অবস্থায়, মিশ্র চাষ ( ) একমাত্র উপায়| বর্তমান যুগে দাঁড়িয়ে এই মিশ্র চাষ বেশ লাভজনক | মিশ্র চাষ বলতে বোঝায় বিভিন্ন প্রকার প্রাণী ও উদ্ভিদের চাষের মধ্যে সমন্বয়সাধন, যার ফলে একটি প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট অপ্রয়োজনীয় পদার্থ অন্য প্রক্রিয়ায় মূল্যবান উপাদান হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে অপ্রয়োজনীয় পদার্থের চক্রাকার আবর্তন ঘটায়
|
--="--3140114751019908′′ ="" ="://2..///.">
|
ধরে নেওয়া যাক, কোনো এক কৃষকের জমি এবং পুকুর আছে | সেখানে মাছ চাষ হচ্ছে যেমন তেমনি আছে হাঁসের দল | আবার, পাড়ে চড়ছে দেশি মুরগি | হাঁস-মুরগির মল পুকুরে মাছের খাদ্যের জোগান দিচ্ছে
|
আবার ছাগল ও গরু চাষও হচ্ছে সেখানেই এক কোণে
|
যার বর্জ্য ব্যবহার হচ্ছে পুকুর পাড়ের সব্জি চাষে সার হিসাবে
|
একসঙ্গে একই জায়গায়, এভাবে চাষ করে অনেকটাই খরচ কমানো সম্ভব || সাথে, গ্রামীণ অর্থনীতির ব্যাপক পরিবর্তন ঘটছে |
|
--="--3140114751019908′′ ="" ="://2..///.">
|
মিশ্র চাষের উদ্দেশ্য ( ):
|
এই মিশ্র চাষের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো প্রাকৃতিক পরিবেশে সৃষ্ট কোনো বর্জ্য পদার্থ না, একের বর্জ্য অন্যের প্রয়োজনে ব্যবহার হবে | কোনো কিছুই এখানে বাদ দেওয়া যায়না | এই যে আবর্তন, এটাই হলো এই চাষের মূল উদ্দেশ্য | এই তত্ত্বকেই কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ ও প্রাণির চাষের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা হচ্ছে | এই প্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ, একজনের সৃষ্ট বর্জ্য অন্যজনের সার বা খাবার হিসাবে ব্যাবহৃত হচ্ছে | অনেক চাষ এক জায়গায় হয় বলে এই পদ্ধতিতে জমি কম লাগে
|
বহুমুখী উৎপাদন হয় বলে এই পদ্ধতিতে চাষ করে লাভের পরিমান বেশ ভালোভাবেই বাড়ানো যায় |
|
--="--3140114751019908′′ ="" ="://2..///.">
|
বিভিন্ন প্রকার মিশ্র চাষের উদাহরণ ( ):
|
সাধারণত, বিভিন্ন ধরণের সংহত চাষ বা ইন্টিগ্রেটেড ফার্মিং করা যায় | যেমন, গবাদি পশুর সঙ্গে মাছ-সব্জির চাষ করা যেতে পারে, আবার হাঁস-মুরগির সঙ্গে মাছ-সব্জির চাষ করা যেতে পারে, ধান সংলগ্ন জমিতে মাছ-হাঁস চাষ করেন অনেকে, আবার বিভিন্ন প্রাণির (গরু-ছাগল-শুয়োর-হাঁস-মুরগি) সংহত চাষও করা যায় | যেমন,
|
মাছ চাষ ও শুয়োর এবং ছাগল পালন:
|
একসাথে ছাগল, শুয়োর এবং মাছ চাষ করা যায় | ছাগল ও শুয়োরের মল থেকে উচ্চ মানের সার তৈরি হয়
|
মাছের খাবার হিসাবে এটি যেমন কাজে লাগে তেমনই পুকুরে ফেললে উর্বর পাঁক তৈরি হয়
|
যা পরে শাক-সব্জির সার হিসাবে ব্যবহার করা যায়
|
সরাসরি মলকেও সার হিসাবে দেওয়া যায় সব্জি চাষে
|
৩৫-৪০টি দেশীয় ঘুঙরু জাতের শুয়োর বা ছাগল এক হেক্টর জলাশয়ের জন্য যথেষ্ট
|
এক্ষেত্রে সবুজ ঘাস বা কন্দ জাতীয় ফসল পুকুর পাড়ে চাষ করলে ছাগল ও শুয়োরের খাবার বাইরে থেকে কিনতে হয় না
|
--="--3140114751019908′′ ="" ="://2..///.">
|
হাঁস পালন ও মাছ চাষ:
|
একসাথে হাঁস ও মাছ চাষ করা বেশ সুবিধাজনক |হাঁসের জন্য জীবাণুমুক্ত পরিবেশ দেয় পুকুরের মাছ
|
অন্য দিকে হাঁস পুকুরের অনিষ্টকারী কীটপতঙ্গ ও গুগলি খেয়ে মাছেদের সুবিধা করে
|
হাঁস পুকুরে ডুব দিয়ে গুগলি তুলে খাবার সময় যে আলোড়নের সৃষ্টি হয়, তার ফলে তলদেশে জমে থাকা গ্যাস বেরিয়ে যায়
|
অনেক সময় মাটিতে আবদ্ধ প্রয়োজনীয় খাদ্যোপাদানের মুক্তি ঘটে
|
হাঁসের চলাফেরায় জলে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ে
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.