content stringlengths 0 129k |
|---|
তারপর ইউরিডিসের সহিত অর্ফিয়ুসের বিবাহ হইল; মনের আনন্দে দুইজনে দেশ-দেশান্তরে বেড়াইতে চলিলেন |
কিন্তু এ আনন্দ তাঁহাদের বেশীদিন থাকিল না |
একদিন মাঠের মধ্যে এক বিষাক্ত সাপ ইউরিডিসকে কামড়াইয়া দিল এবং সেই বিষেই ইউরিডিসের মৃত্যু হইল |
অর্ফিয়ুস তখন শোকে পাগলের মত হইয়া পড়িলেন, তাঁহার বীণার তারে হাহাকার করিয়া করুণ সঙ্গীত বাজিয়া উঠিল |
কি করিবেন, কোথায় যাইবেন, কিছুই ভাবিয়া না পাইয়া, ঘুরিতে ঘুরিতে অর্ফিয়ুস একেবারে অলিম্পাস্ পর্বতের উপর আসিয়া পড়িলেন |
সেখানে দেবরাজ বজ্রধারী জুপিটার তাঁহার দুঃখের গানে ব্যথিত হইয়া বলিলেন, "যাও, পাতালপুরীতে প্রবেশ করিয়া যমরাজ প্লুটোর নিকট তোমার স্ত্রীর জন্য নূতন জীবন ভিক্ষা করিয়া আন |
কিন্তু জানিও, এ বড় দুঃসাধ্য কাজ; প্রাণের মায়া যদি থাকে, তবে এমন কাজে যাইবার আগে চিন্তা করিয়া দেখ |
অর্ফিয়ুস নির্ভয়ে বীণা বাজাইতে বাজাইতে পাতালের দিলে চলিলেন |
পাতালপুরীর সিংহদ্বারে যমরাজের ত্রিমুণ্ড কুকুর দিনরাত পাহারা দেয় |
অর্ফিয়ুসকে আসিতে দেখিয়া রাগে তাহার ছয় চক্ষু জ্বলিয়া উঠিল - তাহার মুখ দিয়া বিষাক্ত আগুন ফেনাইয়া পড়িতে লাগিল |
কিন্তু অর্ফিয়ুসের বীণার সুর যেমন তাহার কানে আসিয়া লাগিল, অমনি সে শান্ত হইয়া শুইয়া পড়িল |
অর্ফিয়ুস অবাধে পাতালপুরীতে প্রবেশ করিলেন |
তখন পাতালপুরী কম্পিত করিয়া বীণার ঝঙ্কার বাজিয়া উঠিল |
নরকের অন্ধকার ভেদ করিয়া সে সঙ্গীত পাতালের অতল গুহায় প্রবেশ করিল |
সে শব্দে যমদূতের হুঙ্কার আর পাপীদের চিৎকার মুহূর্তের মধ্যে থামিয়া গেল |
জলের মধ্যে আকণ্ঠ ডুবিয়া অত্যাচারী ট্যান্টেলাস পিপাসায় পাগল, - পান করিতে গেলেই জল সরিয়া যায়! বীণার সঙ্গীতে সে তাহার তৃষ্ণা ভুলিয়া গেল |
মহাপাপী ইক্সিয়ন নরকের ঘুরন্ত চক্রে ঘুরিতে ঘুরিতে এতদিন পরে বিশ্রাম পাইল, ঘুরন্ত চক্র স্তব্ধ হইয়া রহিল |
ধূর্ত নিষ্ঠুর সিসিফাস্ চিরকাল ধরিয়া পাহাড়ের উপর পাথর গড়াইয়া তুলিতেছে, যতবার তোলে ততবার পাথর গড়াইয়া পড়ে; সেও দারুণ শ্রমের দুঃখ ভুলিয়া সেই সঙ্গীত শুনিতে লাগিল |
অর্ফিয়ুস যমরাজের সিংহাসনের সম্মুখে গিয়া দাঁড়াইলেন |
যমরাজ প্লুটো ও রানী প্রসেরপিনা গম্ভীর হইয়া বসিয়া আছেন; তাঁহাদের পায়ের কাছে নিয়তিরা তিন বোনে জীবনের সূতা লইয়া খেলিতেছে |
একজন সূতা টানিয়া ছাড়াইতেছে, একজন সেই সূতা পাকাইয়া জড়াইতেছে, আর একজন কাঁচি দিয়া পাকান সূতা ছাঁটিয়া ফেলিতেছে |
অর্ফিয়ুসের সঙ্গীতে যমরাজ সন্তুষ্ট হইলেন, নিয়তিরা প্রসন্ন হইল |
তখন আদেশ হইল, "ইউরিডিসকে ফিরাইয়া দাও, সে পৃথিবীতে ফিরিয়া যাক |
কিন্তু সাবধান অর্ফিয়ুস! যমপুরীর সীমানা পার হইবার পূর্বে ইউরিডিসের দিকে ফিরিয়া চাহিও না - তবে কিন্তু সকলই পণ্ড হইবে |
অর্ফিয়ুস মনের আনন্দে বীণা বাজাইয়া চলিলেন, তাঁহার পিছন পিছন ইউরিডিসও চলিলেন |
যমপুরীর সীমানায় আসিয়া অর্ফিয়ুস মনের আনন্দে নিষেধের কথা ভুলিয়া ফিরিয়া তাকাইলেন |
অমনি তাঁহার চোখের সম্মুখেই ইউরিডিসের অপূর্বসুন্দর মূর্তি বিদায়ের ম্লান হাসি হাসিয়া শূন্যের মধ্যে মিলাইয়া গেল |
তারপরে অর্ফিয়ুস আর কি করিবেন? তিনি বনে জঙ্গলে পাহাড়ে পাগলের মত সন্ধান করিতে লাগলেন |
তাঁহার মনে হইল, বনের আড়ালে আড়ালে, পর্বতের গুহায় গুহায় ইউরিডিস লুকাইয়া আছেন |
মনে হইল, গাছের পাতায় পাতায় বাতাসের নিশ্বাস বলিতেছে, "ইউরিডিস, ইউরিডিস - " পাখিরা শাখায় শাখায় করুণ সুরে গান করিতেছে "ইউরিডিস, ইউরিডিস!" |
এমনিভাবে অস্থিরমনে যখন তিনি ঘুরিতেছেন, তখন একদিন মদের দেবতা ব্যাকাসের সঙ্গীরা তাঁহাকে ধরিয়া বলিল, "তুমি স্ফূর্তি করিয়া বীণা বাজাও, আমরা নাচিব |
" কিন্তু অর্ফিয়ুসের মনে সে স্ফূর্তি নাই, তাই বীণার তারেও কেবল দুঃখের সুরই বাজিতে লাগিল |
তখন মাতালেরা রাগিয়া বলিল, "মার ইহাকে - এ আমাদের আমোদ মাটি করিতেছে |
" তখন সকলে মিলিয়া অর্ফিয়ুস্কে মারিয়া তাহার দেহ নদীতে ভাসাইয়া দিল |
সেই দেহ ইউরিডিসের নাম উচ্চারণ করিতে করিতে ভাসিয়া চলিল |
শূন্যে অর্ফিয়ুসের আনন্দধ্বনি শুনিয়া সকলে বুঝিতে পারিল আবার তিনি ইউরিডিসকে ফিরিয়া পাইয়াছেন |
আজহার কমফোর্ট কমপ্লেক্স (৫ম তলা), গ-১৩০/এ প্রগতি সরণি, মধ্যবাড্ডা, ঢাকা-১২১২, ৮৮ ০২ ২২২২৬২৬৮৯ , ৮৮ ০২ ৯৮৪২১৭৬ [ ] , [ ] |
বাংলা ডেস্ক: আফগানিস্তানে রাজধানী কাবুলের বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির ঘটনায় সব ধরনের সামরিক ও বেসামরিক বিমান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে |
এমনটিই জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের এক মুখপাত্র |
খবর নিউইয়র্ক টাইমস এর |
এদিকে, তালেবানের হাতে আফগান রাজধানী কাবুলের পতন ঘটার পর থেকে বিমানবন্দরে দেশত্যাগের জন্য হাজার হাজার নাগরিক ভিড় করে রয়েছেন |
এ ভিড়কে কেন্দ্র করে মার্কিন সেনারা গতকাল গুলি চালালে ভয়াবহ বিশৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি হয় |
গুলিতে কমপক্ষে পাঁচজন মারা গেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে |
কোন মন্তব্য নেই |
এতে সদস্যতা: মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন ( ) |
দ্বারা পরিচালিত. |
- |
ইতিহাস বলছে একটি নিরপেক্ষ গণমাধ্যম সমাজ সংস্কারক হয়ে উঠতে পারে |
কিন্তু আজকের মিডিয়া মোনোপলি সে কথা গঙ্গাজলে বিসর্জন দিয়ে এসেছে |
মতাদর্শকে নিয়ন্ত্রণ করার যে প্রচেষ্টা এই মুহূর্তে সমাজ জুড়ে চলছে তাতে সংবাদ মাধ্যমগুলির নিরপেক্ষতা প্রশ্নের সম্মুখীন |
বাংলা ভাষার উন্নয়ন ও বাঙালি জাতির তথ্যগত দিকটা আজ ভুলতে বসেছে সব গণমাধ্যমই |
পৃথিবীর এক বিন্দুতে পড়ে থাকা বাঙালি জাতির কাছে বিশ্বের দরবার খুলে দেওয়াই " বাংলার" মূল উদ্দেশ্য |
, এবং -এ যে ভাষা এবং নৈতিক নিয়ন্ত্রণটুকু ছিল সেটা ডিজিটাল প্যাটফর্মে উধাও হয়েছে |
অনায়াশে খিস্তি যুক্ত স্ক্রিপ্ট লিখে যুব সমাজের কাছে সস্তায় পাবলিসিটি চাওয়ার চেষ্টা অনেক ডিজিটাল মিডিয়া করছে |
সেই চেনা পথে না হেঁটে " বাংলা" একটি নতুন ফরম্যাটে তার পাঠকদের কাছে কন্টেন্ট তুলে দিতে চাইছে |
আন্তর্জাতিক খবর |
রাজ্যের খবর |
কলকাতার খবর |
বিশেষ প্রতিবেদন |
বিজ্ঞান প্রযুক্তি |
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা |
সাহিত্য ও সংস্কৃতি |
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ছবি সৌজন্যে দ্য টেলিগ্রাফ |
: অ্যাপে অর্ডার দিয়েও মেলেনি খাবার, মোদী-মমতাকে চিঠি ক্ষুব্ধ প্রসেনজিতের |
চিঠিতে অভিনেতা জানিয়েছেন, গত ৩ নভেম্বর অনলাইন ফুড ডেলিভারি অ্যাপ সুইগিতে খাবার অর্ডার করেছিলেন তিনি |
কিছুক্ষণ পরে অ্যাপে তাঁর অর্ডারটি 'ডেলিভার্ড' দেখায় |
যদিও অভিনেতার দাবি, খাবার তিনি পাননি |
বিনোদন ডেস্ক |
: |
06 , 2021, 12:29 |
অনলাইনে খাবার অর্ডার করেছিলেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় |
কিন্তু সেই খাবার পাননি তিনি |
এই নিয়ে অনলাইন ফুড ডেলিভারি সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখলেন তিনি |
শনিবার ট্যুইটারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নরেন্দ্র মোদীকে ট্যাগ করে ওই চিঠি পোস্ট করেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় |
চিঠিতে অভিনেতা জানিয়েছেন, গত ৩ নভেম্বর অনলাইন ফুড ডেলিভারি অ্যাপ সুইগিতে খাবার অর্ডার করেছিলেন তিনি |
কিছুক্ষণ পরে অ্যাপে তাঁর অর্ডারটি 'ডেলিভার্ড' দেখায় |
যদিও অভিনেতার দাবি, খাবার তিনি পাননি |
তিনি তৎক্ষণাৎ বিষয়টি ওই সংস্থাকে জানালে তারা অভিনেতার টাকা রিফান্ড করে দেয় |
@ @, . ../767 |
- (@) 6, 2021 |
চিঠিতে তিনি লেখেন, তাঁর সঙ্গে যা হয়েছে তা অন্য যে কারো সাথে হতে পারে, তাই প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীকে বিষয়টি জানাচ্ছেন তিনি |
তিনি লেখেন, 'কেউ যদি অতিথিদের জন্য খাবার আনাতে এই অনলাইন ফুড ডেলিভারি সংস্থার ওপর নির্ভর করেন এবং শেষ পর্যন্ত তা যদি না পৌঁছায়, তখন কী হবে? কেউ যদি ডিনারের জন্য এই ফুড অ্যাপের ওপর নির্ভর করেন তাঁদের কী হবে? তাঁরা কী অভুক্ত থাকবেন? এরকম অনেক ধরণের পরিস্থিতি হতে পারে |
তাই আমার মনে হয়েছে বিষয়টি নিয়ে কথা বলা দরকার |
প্রসঙ্গত, এর আগেও সুইগি, জোমাট্যোর মতো ফুড ডেলিভারি অ্যাপ নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.