title
stringlengths
7
102
content
stringlengths
39
8k
সুশাসন কি এতই অধরা?
যে রাস্তাটি আছে তা নাকি কুল্লে ১০ ফুট চওড়া। অথচ বিল্ডিং কোড অনুযায়ী এ ধরনের পেল্লায় সাইজ দালানের অন্ততপক্ষে ৩০ ফুট চওড়া অ্যাপ্রোচ রোড থাকার কথা। তা হলে প্রশ্ন আসে, ওই দালান নির্মাণের অনুমোদন দিল কে? জানা গেল, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নাকি অনুমোদন দিয়েছে। বলে কী? ইউনিয়ন পরিষদের সেই প্রকৌশলী, সেই স্থপতি কোথায় যে তারা এত বড় ...
সুশাসন কি এতই অধরা?
এই দায়িত্ব যদি ইউনিয়ন পরিষদকে পালন করতেই হয় তবে পরিষদে যোগ্যতাসম্পন্ন জনবল থাকতে হবে। এটা বোধ হয় সম্ভব নয়। কারণ ইউনিয়ন পরিষদের যে আয় তা থেকে তাদের সচিবের বেতনই জোগান দেওয়া কষ্টকর। তা হলে বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে
সুশাসন কি এতই অধরা?
যেমন আশেপাশের কোনো বড় পৌর করপোরেশনের প্রকৌশল/স্থাপত্য বিভাগকে এই অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্পণ। যা হোক, বোঝা যাচ্ছে হাসেম ফুডস্ দুই নম্বরি পন্থায় প্ল্যান পাশ করিয়ে নিজেদের ইচ্ছামত দালান বানিয়েছে। সে দালানের এটা নেই, ওটা নেই, এমনকি প্রবেশপথটিও জরুরি অবস্থায় গাড়ি ঢোকার জন্য যথেষ্ট প্রশস্ত নয়। তেমনি উপর থেকে নিচে দ্রুত নামার জন...
সুশাসন কি এতই অধরা?
ফিরিস্তি আর বাড়িয়ে লাভ নেই। স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে, এই প্রতিষ্ঠানটির জন্মই হয়েছে নিয়ম-নীতি ভঙ্গ করে। এই ধরনের একটি কারখানার জন্য যা যা অপরিহার্য তার অনেক কিছুই বাদ দিয়ে নিশ্চয়ই প্ল্যান পাশ করিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন হলো, কোন কোন সরকারি-আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান এই পাশ করার কাজটি করেছে? তারা তো শুধু এই হাসেম ফুডস্-এর অনুমোদনই ...
সুশাসন কি এতই অধরা?
হাশেম ফুডস্-এ আগুন লেগে ৫২টি প্রাণ অকালে ঝরে না পড়লে এটার খবরও কেউ জানত না। আর এই অপকর্মের সঙ্গে যারা জড়িত—যারা এ ধরনের কাজ করে করে চুল-দাড়ি পাকিয়ে একদিন চাকরি থেকে ফুলের মালা গলায় দিয়ে অবসর নেবেন—তারা সারাজীবন টু পাইস ইন্টু টু পাইস, ইকুয়েল টু ফোর পাইস করে করে গুলশান-বনানী-বারিধারা শেষ করে যথাসময়ে মালয়েশিয়া-কানাডাতেও ...
সুশাসন কি এতই অধরা?
ঠিক কথা। একদম হাচা (সত্য) কথা কইচইন। তা হলে আজ থেকে প্রায় বাহান্ন বছর আগের একটা অভিজ্ঞতার কথা শোনাই। আমি তখন পাকিস্তানে (পাঞ্জাব) মহকুমা প্রশাসক
সুশাসন কি এতই অধরা?
আমার আদালতে একজন বিচক্ষণ পুলিশ সাব ইন্সপেক্টর পুলিশি মামলা পরিচালনা করার দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর নাম ছিল মালিক আমজাদ খান। একদিন আমার অফিস কামরায় তাঁর সঙ্গে একটা আইনি বিষয়ে আলাপ করছিলাম। কথাচ্ছলে তিনি বললেন, হুজুর, আমাদের গ্রামাঞ্চলে কোনো মার্ডার হলে বিচক্ষণ থানাদার (অফিসার ইনচার্জ-ও.সি.) প্রথমেই জানতে চান, উয়ো লাড়কি কৌন ...
সুশাসন কি এতই অধরা?
তাই তদন্তের শুরুতেই যদি কোনো মেয়েকে আইডেন্টিফাই করা যায় তা হলে খুনের রহস্য ভেদ করতে আর তেমন দেরি হয় না। (পশ্চিম) পাকিস্তানে দুই বছর মহকুমা প্রশাসকের দায়িত্ব পালনকালে মালিক আমজাদের কথার যথার্থতা মোটামুটি পেয়েছিলাম। এবার আসুন আমাদের ব্যাংক-লুটেরা, অর্থ পাচারকারী গং-রা কেন ধরা পড়ে না তার জবাব দেই। আমাদের দেশে ‘উয়ো লাড়কি ...
সুশাসন কি এতই অধরা?
হাসেম ফুডস্-এর দালানের মত কোনো দালানের প্ল্যান পাশ করানো এক শ বছর সংশ্লিষ্ট অফিসের দুয়ারে দুয়ারে, টেবিলে টেবিলে ঘুরে ঘুরে দুই শ জোড়া জুতার ‘সোল’ ক্ষয় করলেও হবে না, যদি না ‘হুজুর’ ধরেন, বা সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিটির হাতে ‘প্যাকেট’ ধরিয়ে দেন। এখন বুঝলেন তো, কেন হাসেম সাহেবদের এই ডেঞ্জারাস বিল্ডিংটির প্ল্যান চোখের পলকে পা...
সুশাসন কি এতই অধরা?
), যে ওভারস্মার্ট কর্তাব্যক্তিটি ৪৯ জন শ্রমিককে একটি তালাবদ্ধ শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে ঢুকিয়ে নিরাপত্তা দেওয়ার নামে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিলেন—এদের সবাই এই গণহত্যার জন্য দায়ী। আমরা আশা করব, তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ পুরোপরি নিরপেক্ষতা বজায় রেখে তদন্তকার্য সম্পন্ন করবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করবে।৩.অসদুপা...
সুশাসন কি এতই অধরা?
এদের সকলের নিয়মিত কারখানাটি পরিদর্শন এবং ত্রুটি-বিচ্যুতি শুধরানোর জন্য নির্দেশনা দেওয়ার কথা। তাঁরা কি আদৌ কখনো হাসেম ফুডস্-এ পাদুকাধুলি দিয়েছেন? বললেই তো দশটা অজুহাত দেখাবেন পরিদর্শন না করার। (এমনিতে বলা হয় বাঙালির নাকি তিনটা হাত : ডান হাত, বাঁ হাত ও অজুহাত। ) এর অন্যতম ও ‘কমন’ অজুহাত হচ্ছে লোকবলের অভাব
সুশাসন কি এতই অধরা?
‘একা আমি কত দিক সামলাব’—এটা এঁদের একটা কমন ডায়লগ। আর যদি তাঁর শুভাগমনে প্রতিষ্ঠানটি কখনো ধন্য হয়েও থাকে তবে তা শুধু ম্যানেজারের শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কামরায় বসে দেশটা যে দিন দিন রসাতলে যাচ্ছে সেজন্য আক্ষেপ করতে করতে চা-কফি-শিঙাড়া সেবা করা এবং যাওয়ার সময় ওই ফ্যাক্টরিতে উৎপাদিত জুস্-চকলেট ইত্যাদির একটি মানানসই সাইজের কার্টনও...
সুশাসন কি এতই অধরা?
তার মানে কী দাঁড়াল? হাসেম ফুডস্ বছরের পর বছর নির্বিবাদে তাদের দুই নম্বরি কারবার চালিয়ে যাচ্ছিল। খবরে প্রকাশ, কিছুদিন পরপর নাকি এই প্রতিষ্ঠানে আগুন লাগে। অথচ মালিকপক্ষ নির্বিকার। কোনো ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা তারা নিয়েছে বলে জানা যায়নি
সুশাসন কি এতই অধরা?
৪.আসলে একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেলে সেটা নিয়ে কিছুদিন সর্বমহলে ‘হায় হাসান-হায় হোসেন’ বলে বুক চাপড়ানো ছাড়া দেশে কাজের কাজ কিছুই হয় না। যেসব ব্যক্তি স্পষ্টতই দোষী বলে প্রতীয়মান হয়—তা লঞ্চডুবি হোক আর হাসেম ফুডস্-এর মতো ফ্যাক্টরি হোক—প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা ‘ম্যানেজ’ করে ঠিকই কেটে পড়ে। এই যে এখন রূপগঞ্জ নিয়ে এত মাতামাতি হচ্ছ...
সুশাসন কি এতই অধরা?
একটা ঢেউ বেলাভূমিতে এসে আছড়ে পড়তে না পড়তেই আরেকটি এসে তার নাম-নিশানা মুছে দেয়। তা না হলে তাজরীন-রানা প্লাজা-নিমতলী ইত্যাদি নামগুলো আমাদের স্মৃতিতে এখন ধূসর হয়ে যাবে কেন? তবু তাজরীন বা রানা প্লাজা আমাদের তৈরি পোশাক খাতকে যথেষ্ট মেজেঘষে চলতে শিখিয়েছে। এর কারণ বিদেশি ক্রেতাদের ত্রুটিপূর্ণ উৎপাদন-প্রক্রিয়াকে মেনে নিতে অনী...
সুশাসন কি এতই অধরা?
আমাদের মালিকপক্ষ বিদেশিদের দেওয়া শর্তাবলি মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে। সরকারও বোধগম্য কারণে আমাদের এই ব্রেড অ্যান্ড বাটার সেক্টর নিয়ে কোনো প্রকার ঝুঁকি নিতে চায় না। ভালো। তবে হাসেম ফুডস্ তো সে-রকম কোনো অতীব জরুরি বা জরুরি সেক্টর নয়
সুশাসন কি এতই অধরা?
জুস্ আর চকলেট ইত্যাদি না খেলেও চলবে। আর এই কম্পানির রপ্তানি বাজারের কথাও এখন পর্যন্ত শোনা যায়নি। এখানে যা শোনা গেছে তা বায়ান্নটি গরিব শ্রমিকের আকস্মিকভাবে অকালে ঝরে যাওয়ার কথা, দগ্ধীভূত অঙ্গারে পরিণত হওয়া কিছু অসহায় মানুষের আর্তনাদের কথা।এদের আর্তচিৎকার কি থামবে না কোনোদিন? হায় বিচারহীনতা, তুমি কি এত নিষ্ঠুর? সুশাসন, ...
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
আধুনিক অলিম্পিকের ১২৫ বছরের পথযাত্রায় ৩১টি গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছে। অথচ ভেন্যুগুলো অনধিকৃত ছিল, এমন অভিজ্ঞতা কখনো হয়নি। এর আগে আর কখনো জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করে, বাধ্য হয়ে নতুন নিয়ম-কানুন ও বিধি-নিষেধ সৃষ্টি করে ‘গ্রেটেস্ট ইভেন্ট অন আর্থ’—অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয়নি। ৩২তম অলিম্পিক গেমস শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ২৩ জুলাই টোকিওতে
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
অলিম্পিকের দেউটি নিভিয়ে ফেলা হবে ৮ আগস্ট। অলিম্পিক মঞ্চে স্বাগতিক জাপান নিজেকে এশিয়ার নতুন ‘পাওয়ার হাউস’ হিসেবে চিহ্নিত করতে পারবে কি না—এটা সময়ই বলে দেবে। জাপান কিন্তু পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েই নামছে। ক্রীড়া বিশ্লেষকরা মনে করছেন, টোকিও অলিম্পিক এশিয়া মহাদেশের দেশগুলোর ক্রীড়াঙ্গনের জন্য তাৎপর্যময়
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
অলিম্পিক গেমস মানুষ, জীবন আর সাম্যের উৎসব। বর্ণাঢ্য এই বৃহৎ ক্রীড়ায় সাদা-কালো, ধনী-দরিদ্র সব মানুষের প্রবেশাধিকার আছে। স্বাগতিক দেশ বা বাইরে থেকে গিয়ে পঞ্চবৃত্তের ইন্দ্রজালের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ আছে সবার। তবে দর্শক হিসেবে বিভিন্ন ভেন্যুতে খেলা উপভোগের পেছনে আর্থিক সামর্থ্যের বিষয়টি জড়িয়ে আছে
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
এ ক্ষেত্রে অবশ্য কখনো ‘খামতি’ দেখা যায়নি বিগত অলিম্পিকগুলোতে।ক্রীড়াবিদ, খেলোয়াড়, ক্রীড়া কর্মকর্তা, ক্রীড়ামোদী সমাজ এবং গেমসসংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়েই অলিম্পিক উৎসব। খেলাধুলাই অলিম্পিকের মুখ্য বিষয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও গেমসের আছে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য, লক্ষ্য, নীতি ও শিক্ষা
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
আছে আবেদনময়ী দর্শন। অলিম্পিক মানুষের কথা ভাবে। তাদের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির সপক্ষে। বিশ্বকে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রগতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চায় মানুষের শক্তি ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
অলিম্পিকের লক্ষ্য হলো, বিশ্ব মানবসমাজকে একত্র করে তাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, বন্ধুত্ব, বিশ্বাস, বোঝাপড়ার মাধ্যমে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখতে। অলিম্পিক হলো বিশ্বব্যাপী একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন। এই আন্দোলনের আছে ‘জাদুকরী’ শক্তি। পৃথিবীতে মাত্র দুটি জায়গায় সব অঞ্চল থেকে মানুষ এসে জমায়েত হয়
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
এর একটি হলো অলিম্পিক চত্বর আর অন্যটি জাতিসংঘ। জাতিসংঘের থেকেও বেশি দেশের প্রতিনিধি আসেন অলিম্পিক চত্বরে। বৃহত্তর ক্রীড়ায় অংশ নেওয়ার যোগ্যতা নেই, এমন দেশের প্রতিনিধিরাও অলিম্পিকে সুযোগ পান ‘ওয়াইল্ড কার্ডের’ মাধ্যমে বিশেষ বিবেচনায়। অংশ নেন দেশহীন খেলোয়াড় ও ক্রীড়াবিদরা অলিম্পিকের পতাকার আওতায়
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
এর পেছনে আছে অলিম্পিকের মৌলিক দর্শন আর সেটি হলো ‘অংশগ্রহণ আসল, জয়লাভ নয়’।কভিড-১৯ সারা বিশ্বের স্বাভাবিক জীবনপ্রবাহকে পুরোপুরি তছনছ করে ফেলেছে। কভিড মানুষকে অসামাজিক ও ঘরবন্দি করে ফেলেছে। মানুষের ব্যক্তিস্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করেছে
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
ক্রীড়াঙ্গন তো স্বাভাবিক জীবনের বাইরে নয়। এক পর্যায়ে সারা বিশ্বের খেলাধুলা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় কভিড মহামারির জন্য। আইওসি অলিম্পিক পিছিয়ে দেয় এক বছরের জন্য। সেই অলিম্পিক আবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জৈব সুরক্ষা বলয়ের কঠোর নিয়মের মধ্য দিয়ে
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
কবে যে কভিড মহামারি থেকে বিশ্ব মুক্তি পাবে, কেউ জানে না! করোনা জীবনের প্রতিটি দিনকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। কিন্তু জীবন তো থমকে থাকতে পারে না। আর তাই নতুন স্বাভাবিকতায় ধীরে ধীরে সচল হয়ে উঠেছে ক্রীড়াঙ্গন। এরই মধ্যে বিভিন্ন খেলার বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
এতে কোথাও দর্শক ছিল না, কোথাও সীমিতসংখ্যক দর্শক, আবার কোথাও গ্যালারি ভর্তি দর্শক ছিল।অলিম্পিক গেমস আয়োজনের বিষয়টি কিন্তু একদম ভিন্ন। অনেক খেলার একসঙ্গে আয়োজন। একসঙ্গে অনেক বেশি মানুষের ‘ইনভলভমেন্ট’ পক্ষকাল ধরে
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
গেমস আয়োজনের সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে আছে স্বাগতিক দেশের অর্থনীতির উত্থান-পতন। জাপান মহামারির মধ্যেই গেমসের আয়োজন করে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কতটুকু পুষিয়ে নিতে পারবে—এটা এখন জানা সম্ভব নয়। অথচ এশিয়ায় অনুষ্ঠিত বিগত তিনটি অলিম্পিক গেমস (১৯৬৪ সালে প্রথমে টোকিও, ১৯৮৮ সালে সিউল এবং ২০০৮ সালে বেইজিং) বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে আশীর্বাদ...
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
অলিম্পিক আন্দোলনের ‘হৃিপণ্ড’ হলেন অ্যাথলেটরা। তাঁরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যাবশ্যক। অলিম্পিক দর্শন ও ভাবনায় অ্যাথলেটরাই সবচেয়ে আগে। চার বছরের বেশি সময় ধরে বিভিন্ন গেমে খেলোয়াড় ও ক্রীড়াবিদরা কঠোর অনুশীলন ও পরিশ্রমের মাধ্যমে টোকিও অলিম্পিককে লক্ষ্য করে নিজেদের তৈরি করেছেন
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
সবচেয়ে বড় স্বপ্ন তো অলিম্পিক। এই প্রস্তুতির পেছনে আছে সরকারি-বেসরকারি বড় বিনিয়োগ। বিভিন্ন ধরনের কার্যকর উদ্যোগ। এত কিছুর পরও যদি ক্রীড়াবিদরা অলিম্পিকে অংশ নিতে না পারেন, তাঁদের স্বপ্ন যদি ভঙ্গ হয়—এর চেয়ে বড় ট্র্যাজেডি ক্রীড়াঙ্গনে আর তো কিছু হতে পারে না
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রীড়াবিদ ও খেলোয়াড়দের জন্যই অলিম্পিকের আয়োজন। তাঁদের মেধা ও সম্ভাবনাকে অপমৃত্যু থেকে রক্ষা করা। অলিম্পিক ভিলেজ খুলে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দেশ থেকে ক্রীড়াবিদ ও খেলোয়াড় এরই মধ্যে জাপানে পৌঁছে গেছেন
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
তাঁরা বহন করে নিয়ে এসেছেন দেশ ও জাতির স্বপ্ন ও প্রত্যাশা।টোকিও অলিম্পিকে নতুন স্বপ্ন নিয়ে এবার বাংলাদেশ থেকে অংশ নেবেন ছয়জন অ্যাথলেট। তাঁরা হলেন আর্চার রোমান সানা ও দিয়া সিদ্দিকী, শ্যুটার আবদুল্লাহ হেল বাকি, অ্যাথলেট জহির রায়হান ও সাঁতারু জুনয়না আহমেদ ও আরিফুল ইসলাম। এর মধ্যে শুধু আর্চার রোমান সানা যোগ্যতা অর্জন করে অ...
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
অন্যরা ‘ওয়াইল্ড কার্ডের’ মাধ্যমে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। ১৯৮৪ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস গেমস থেকে বাংলাদেশ প্রতিটি অলিম্পিকে অংশ নিয়েছে। এরই মধ্যে অলিম্পিয়ানের তালিকা বেশ বড় হয়েছে। এবার বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের ‘সেফ দ্য মিশন’ হলেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি এবং বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশনের সভাপতি শেখ বস...
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
অলিম্পিকে পদক পেতে হলে ক্রীড়াঙ্গনে যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবেশ সৃষ্টির প্রয়োজন আছে—সেই উদ্যোগের ধারেকাছেও আমাদের ক্রীড়াঙ্গন নেই। কয়েক মাস অনুশীলন করে প্রতিবার অলিম্পিকে অংশগ্রহণ বা কখনো কখনো বিদেশে অনুশীলন করে অংশগ্রহণের সংস্কৃতি গত সাড়ে তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে বজায় আছে। পদক জেতার চিন্তার জন্য দেওয়া হয়...
জীবন আর সাম্যের উৎসব অলিম্পিক গেমস
বাস্তবতাকে মেনে নিতেই হবে। অদৃষ্ট থেকে কিছু হলেও হতে পারে—এই ধরনের চিন্তা সব সময় হতাশার জন্ম দেয়। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হওয়ার প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ আছে। যে দেশগুলো খেলাধুলার ক্ষেত্রে এগিয়ে চলেছে, ভালো করছে; সে দেশগুলোর সমাজ উন্নত, সুসভ্য, অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো এবং রাষ্ট্রযন্ত্র দক্ষ হাতে পরিচালিত হচ্ছে। অলিম...
হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা পাচ্ছেন রেমিট্যান্সযোদ্ধারা
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে একের পর এক রেকর্ড হচ্ছে। রেমিট্যান্সকে উৎসাহিত করতে পুরস্কারস্বরূপ প্রবাসীরাও পাচ্ছেন প্রণোদনা। বিদায়ি অর্থবছরে (২০২০-২১) সর্বশেষ কিস্তিতে এক হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। গেল সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুকূলে এই অর্থ ছাড় করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়
হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা পাচ্ছেন রেমিট্যান্সযোদ্ধারা
গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট থেকে এই অর্থ দেওয়া হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।এ ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে কালের কণ্ঠকে বলেন, রেমিট্যান্সপ্রবাহে সরকার খুশি। এই প্রবাহ ধরে রাখতে প্রবাসীদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে
হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা পাচ্ছেন রেমিট্যান্সযোদ্ধারা
চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরেও এই খাতে ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেওয়া আছে। পর্যাপ্ত বরাদ্দও বাজেটে রাখা আছে। তাই বেশি রেমিট্যান্স এলেও প্রণোদনার অর্থ নিয়ে সমস্যা হবে না।সূত্র মতে, বৈধ পথে রেমিট্যান্সের পরিমাণ বাড়াতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেয় সরকার
হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা পাচ্ছেন রেমিট্যান্সযোদ্ধারা
তার পর থেকেই প্রতি মাসে হচ্ছে নতুন নতুন রেকর্ড। রেমিট্যান্সের রেকর্ডের কারণে সরকার সর্বশেষ এপ্রিল-জুন মাসে প্রণোদনা বাবদ এক হাজার কোটি টাকা ছাড় করেছে। গত অর্থবছরের এটিই প্রণোদনার শেষ অর্থছাড়। ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের ‘ভর্তুকি ও প্রণোদনা’ থেকে এই এক হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে
হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা পাচ্ছেন রেমিট্যান্সযোদ্ধারা
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্তাব্যক্তিরা বলছেন, নতুন অর্থবছরে আগেরবারের চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসতে পারে। এতে এই খাতে অর্থ ব্যয় বেড়ে যেতে পারে।রেমিট্যান্সের অর্থ ছাড়ের আদেশে বলা হয়েছে, বিভিন্ন ব্যাংকের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এই অর্থ ছাড় করা হয়েছে। অর্থ বিভাগের হিসাবে দেখা গেছে, চার কিস্তি মিলে জুন পর্যন্ত এই খাতে বরাদ্দের বেশি...
হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা পাচ্ছেন রেমিট্যান্সযোদ্ধারা
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বিদায়ি অর্থবছর শেষ হওয়ার দুই দিন আগেই সাড়ে ২৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এটি আগের অর্থবছরের চেয়ে সাড়ে ৩৬ শতাংশ বেশি, যা নতুন রেকর্ড। এর মধ্যে জুনের প্রথম ২৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮০ কোটি ৩১ লাখ ডলার। গত বছরের প্রথম ২৮ দিনে রেমিট্যান্স আসে ১৬৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার
হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা পাচ্ছেন রেমিট্যান্সযোদ্ধারা
এ ছাড়া গত মে মাসে দেশে রেমিট্যান্স আসে ২১৭ কোটি ডলার। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে রিজার্ভও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে। দেশে প্রথমবারের মতো ৪৬ বিলিয়ন বা চার হাজার ৬০০ কোটি ডলারের নতুন মাইলফলক অতিক্রম করেছে রিজার্ভ।বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, প্রবাসীদের পাঠানো পাঁচ হাজার ডলার বা পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ...
হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা পাচ্ছেন রেমিট্যান্সযোদ্ধারা
জমা দিতে হচ্ছে না কোনো কাগজপত্র। তবে রেমিট্যান্সের পরিমাণ এই অঙ্কের বেশি হলে প্রাপককে প্রেরকের পাসপোর্টের কপি এবং বিদেশি নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের নিয়োগপত্র অবশ্যই জমা দিতে হবে। আর ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে ব্যবসার লাইসেন্সের কপি দাখিল করতে হবে। দুই মাসের মধ্যে এসব নথিপত্র দাখিল করতে হবে। কাগজপত্র দাখিল করলেই মিলবে ২ শতাংশ নগদ ...
কয়েক কোটি টাকার জাল নোট বাজারে
জাল নোট তৈরির চক্রগুলো বছরজুড়ে সক্রিয় থাকলেও কোরবানির পশুর হাট ঘিরে বাড়তি তৎপরতা চালিয়ে থাকে। বরাবরের এই অপতৎপরতা থেমে থাকেনি এবারও। করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর লকডাউনের মধ্যেও চলেছে জাল নোটের হাতবদল। এর মধ্যে কয়েক কোটি টাকার জাল নোট ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে রাজধানীতে
কয়েক কোটি টাকার জাল নোট বাজারে
এমন তথ্য পেয়ে কোরবানির পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তের মেশিন স্থা্পনসহ সতর্কতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।র্যাব ও পুলিশের নজরদারিতে সম্প্রতি র্যাব-পুলিশের হাতে জাল নোট চক্রের বেশ কিছু সদস্য গ্রেপ্তারের পর তদন্তে এমন তথ্য উঠে এসেছে। বাসা ভাড়া নিয়ে গোপনে জাল নোট তৈরির সিন্ডিকেটে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ইয়াবাসহ মাদক...
কয়েক কোটি টাকার জাল নোট বাজারে
আর কোরবানির পশুর হাটের ভিড়ে ওরা আরো বেশি তৎপর হয়ে ওঠে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জাল নোট ছাপা ও বাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় চক্রগুলোর প্রায় অর্ধশত সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হলেও তারা বারবার জামিনে বেরিয়ে যায়। আবার একই কারবারে জড়িয়ে পড়ে। সর্বশেষ গত বুধবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জাল টাকা ও ইয়াবাসহ হাসপাতালের দালালচক্রের হোতা মামুনসহ চ...
কয়েক কোটি টাকার জাল নোট বাজারে
গত বছর রিজেন্ট হাসপাতালে চিকিৎসার নামে প্রতারণা করা সাহেদের অফিসে অভিযান চালিয়েও এক লাখ ৪৬ হাজার জাল টাকা উদ্ধার করে র্যাব। এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে অপরাধীচক্রের কাছ থেকে জাল নোট জব্দ করার ঘটনাও ঘটেছে। দ্রুত গোপনে অচেনা কারো সঙ্গে অবৈধ পণ্যের বেচাকেনা করতে গিয়ে জাল নোট দিয়ে প্রতারণা করে চক্রগুলো।গত সোমবার বাড্ডা থানাধীন নুর...
কয়েক কোটি টাকার জাল নোট বাজারে
ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রী এই জাল নোটের কারখানা তৈরি করেন। ফাতেমা ২০১৯ সালে হাতিরঝিল এলাকার একটি বাসায় জাল নোট তৈরির সময় সহযোগীসহ ধরা পড়লেও তাঁর স্বামী রহিম পালিয়ে যান। জামিনে ছাড়া পেয়ে এই নারী আবারও স্বামীর সঙ্গে মিলে জাল নোট তৈরি করে তা বাজারে ছাড়তে শুরু করেছিলেন।অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া ডিবির ডিসি (গুলশান) মশিউর রহমান ব...
কয়েক কোটি টাকার জাল নোট বাজারে
তিনি রহিম ও ফাতিমাকে দিয়ে জাল নোট তৈরির অপতৎপরতা চালাচ্ছিলেন। বিপণিবিতান ও কোরবানির পশুর হাটে জাল নোট ছড়ানোই ছিল তাদের টার্গেট। এ জন্য কোটি টাকার নোট তৈরির প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তাঁরা।পুলিশ সূত্র জানায়, কঠোর লকডাউনের সময়ও জাল নোট ছড়ানোর তথ্য পাওয়া গেছে
কয়েক কোটি টাকার জাল নোট বাজারে
গত ৫ জুলাই রাতে মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়াম এলাকায় চেকপোস্টে তল্লাশি করছিল পুলিশ। সেখান থেকে মীর ফজলে রাব্বী ও মোহসীন ইসলাম নামের দুই যুবকের দেহ তল্লাশি করে প্রায় এক লাখ টাকার জাল নোট পাওয়া যায়। তাঁরা এসব নোট বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন।পল্লবী থানার ওসি পারভেজ ইসলাম বলেন, করোনার মধ্যেও জাল নোট তৈরি করে ...
কয়েক কোটি টাকার জাল নোট বাজারে
গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় মামলা হয়েছে। তদন্ত চলছে।এর আগে গত ২২ জুন বাড্ডা থেকে নাইমুল হাসান তৌফিক নামের এক তরুণকে ৫০ লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেপ্তার করে র্যাব। র্যাব ১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মাহফুজুর রহমান বলেন, তিন বছর ধরে জাল নোটের কারবারে জড়িত তৌফিক একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ব...
কয়েক কোটি টাকার জাল নোট বাজারে
এই চক্রের আরো দুজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। ওরা এক লাখ টাকার জাল নোট ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে। এর মধ্যে শতাধিক চালানে ওরা কয়েক কোটি টাকার জাল নোট বাজারে ছেড়ে দিয়েছেন।তিনি জানান, চক্রটি কোরবানির পশুর হাটে টার্গেট করে ব্যাপকভাবে জাল নোট চালানোর চেষ্টা করা হয়
কয়েক কোটি টাকার জাল নোট বাজারে
ব্যাপারীরা অনেকেই জাল নোট চিনতে পারে না। ভিড়-ব্যস্ততাও থাকে বেশি। আর সেই সুযোগ নেন কারবারিরা।ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, ‘জাল নোট কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযানের পাশাপাশি রাজধানীর পশুর হাটসহ বিভিন্ন স্থানে আমাদের নজরদারি থাকবে
কয়েক কোটি টাকার জাল নোট বাজারে
এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় জল নোট শনাক্তকারী যন্ত্রও বসানো হবে।র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘জাল নোটের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কোরবানির পশুর হাটেও বরাবরের মতোই নজরদারি থাকবে। ’
সরকারবিরোধী জোট গঠন: অনানুষ্ঠানিক আলোচনা আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির নেতৃত্বে এবং বিএনপিকে বাইরে রেখে—দুইভাবেই জোট গঠনের বিষয়ে আলোচনা ও গুঞ্জন আছে সরকারবিরোধী দলগুলোর মধ্যে। কিন্তু বড় ধরনের কোনো অগ্রগতি এ বিষয়ে নেই বলে সংশ্লিষ্ট দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে জানা গেছে।নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানাচ্ছে, রাজপথের বিরোধী দল বলে পরিচিত বিএনপি সবাইকে রা...
সরকারবিরোধী জোট গঠন: অনানুষ্ঠানিক আলোচনা আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ
জোট গঠনে বিএনপির তুলনায় অপেক্ষাকৃত ছোট ওই দলগুলোর মধ্যেই ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা আপাতত বেশি বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে।আলোচনা করলে ছোট ওই দলগুলোর নেতারা বলছেন, বিএনপি শেষ পর্যন্ত কী করে তার ঠিক নেই। দলটির নেতৃত্ব নিয়েও তাঁদের মধ্যে সংশয় রয়েছে। তারেক রহমান লন্ডন থেকে নেতৃত্ব দিলেও ঢাকায় অবস্থানরত খালেদা জিয়ার এখনো বিএনপিতে প্রভাব...
সরকারবিরোধী জোট গঠন: অনানুষ্ঠানিক আলোচনা আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ
আবার দলটির নীতিনির্ধারক নেতাদের মতামত ওই দুজনের নির্দেশনার সঙ্গে সমন্বয় করতে হচ্ছে বলে এই দলগুলোর কাছে খবর আছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলোর মতে, সংগঠন চললেও ‘ত্রিমুখী এই পরিস্থিতি’র কারণে বিএনপির রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে দেরি হচ্ছে। অনেকের মতে, স্থায়ী কমিটির বেশির ভাগ নেতার আগ্রহ সত্ত্বেও জামায়াত প্রশ্নে নিষ্পত্তি এ কারণে...
সরকারবিরোধী জোট গঠন: অনানুষ্ঠানিক আলোচনা আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ
সরকারবিরোধী আরেকটি জোট গঠনের ব্যাপারে এখনো তাঁর তৎপরতা রয়েছে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা আছে। তবে জানতে চাইলে কালের কণ্ঠকে তিনি বলেছেন, ‘জোট গঠনে বিএনপি কিছু করছে না। আবার অন্য দলগুলো কিছু করতে পারছে বলে মনে হয় না। ’ কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘বিএনপি এখনো হিসাব-নিকাশ নিয়ে আছে
সরকারবিরোধী জোট গঠন: অনানুষ্ঠানিক আলোচনা আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ
আর অন্য দলগুলোর আগ্রহ থাকলেও তাদের লোকজন কম। ফলে জোট গঠনের বিষয়টি এখনো অনানুষ্ঠানিক আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ আছে। ’বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে আমরা বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার জন্য কাজ করছি। কিন্তু করোনার কারণে পরিস্থিতি এখন কিছুটা থমকে আছে
সরকারবিরোধী জোট গঠন: অনানুষ্ঠানিক আলোচনা আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ
’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ডান, বাম, মধ্য বা উদারপন্থী সবাইকে নিয়ে বিএনপি বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার পক্ষে। এ বিষয়ে অনানুষ্ঠানিক আলাপ-আলোচনাও আছে। কিন্তু সেইপ নিতে সময় লাগবে। ’নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না কালের কণ্ঠকে জানান, কোনো ঐক্যের সম্ভাবনাই এখনো দেখা যাচ্ছে না
সরকারবিরোধী জোট গঠন: অনানুষ্ঠানিক আলোচনা আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ
বিচ্ছিন্নভাবে নানাজন নানা কথা বলছে। তবে এটা ঠিক বিএনপির নেতৃত্বে বা বিএনপির বাইরে হোক, সরকারবিরোধী ঐক্য এখন সময়ের দাবি। এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এই নেতা বলেন, ‘ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অনেক তৎপরতা আছে; কিন্তু তিনি একজন ইনডিভিজ্যুয়াল। তাঁর কোনো দল নেই
সরকারবিরোধী জোট গঠন: অনানুষ্ঠানিক আলোচনা আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ
ফলে তাঁর উদ্যোগ বা তৎপরতার কে কতখানি সিরিয়াসলি নেবে, সেটি ভাবার বিষয়। ’বিএনপিসহ সরকারবিরোধী বলে পরিচিত দলগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিরোধী দলের রাজনীতিতে বর্তমানে দুটি ধারা বিদ্যমান। জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ একটি ধারার নেতারা বিএনপির নেতৃত্বেই বড় ধরনের ঐক্য হোক, সেটি চাইছেন। কিন্তু ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতের বি...
সরকারবিরোধী জোট গঠন: অনানুষ্ঠানিক আলোচনা আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ
পাশাপাশি আসন ভাগাভাগি করে সংসদে বা ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা, সর্বোপরি সুশাসনের বিষয়ে তাঁরা আগেভাগেই নিশ্চয়তা চাইছেন। এ ছাড়া নেতৃত্বের প্রশ্নে তারেক রহমানের বিষয়েও দু-একটি দলের আপত্তি আছে। ডা. জাফরুল্লাহ সম্প্রতি তারেকের ব্যাপারে কথা বলে তাঁর বিরাগভাজন হয়েছেন। তবে অন্য বিষয়গুলো নিষ্পত্তি হলে তারেকের বিষয়টি শেষ পর্যন্...
সরকারবিরোধী জোট গঠন: অনানুষ্ঠানিক আলোচনা আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ
বিএনপি ছাড়া সরকারের বাইরে থাকা অন্য দলগুলোর মধ্যে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফোরাম, ড. অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন এলডিপি, আ স ম রবের নেতৃত্বাধীন জেএসডি, মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন নাগরিক ঐক্য, মেজর জেনারেল (অব.) মুহম্মদ ইবরাহিমের নেতৃত্বাধীন কল্যাণ পার্টি, ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক ও মজিবুর রহমান মঞ্জুর নেতৃত্ব...
সরকারবিরোধী জোট গঠন: অনানুষ্ঠানিক আলোচনা আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ
’রাজনৈতিক দলের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে সরকারবিরোধী জোটে আগ্রহ রয়েছে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর ও গণফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়ার। কালের কণ্ঠকে রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘জোট গঠনে শুধু লোকমুখে অনেক কথা শুনি; কিন্তু কোনো পদক্ষেপ দেখি না। ’তবে এসব দল ও ব্যক্তির মধ্যে অনেকের তৎপরতায় আবার...
সরকারবিরোধী জোট গঠন: অনানুষ্ঠানিক আলোচনা আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ
সিপিবি, বাসদ ও গণসংহতি আন্দোলনসহ বাম ধারার আটটি রাজনৈতিক দল নিয়ে ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই গঠিত ওই জোটের মধ্যে বেশির ভাগ দলই বিএনপির সঙ্গে বৃহত্তর ঐক্য গঠনে কিছুটা নমনীয় হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম এ প্রশ্নে ঘোরতর বিরোধী। তিনি আওয়ামী লীগকে ‘আপদ’ ও বিএনপিকে ‘বিপদ’ বলে বিবেচনা করেন।বিএনপির নেত...
সরকারবিরোধী জোট গঠন: অনানুষ্ঠানিক আলোচনা আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ
এই জোটের চারটি দলের নেতাদের মধ্যে একমাত্র মান্না সক্রিয় আছেন। গণফোরামের দুই অংশের বিরোধের মধ্যেই করোনার কারণে নীরব হয়ে গেছেন ড. কামাল। বাসায় থেকেও নীরব আছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। আর বিদেশে চলে গেছেন আ স ম রব
সরকারবিরোধী জোট গঠন: অনানুষ্ঠানিক আলোচনা আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ
এদিকে ২০ দলীয় জোটও অনেক দিন ধরে নিষ্ক্রিয়। জামায়াত বুঝতে পারছে যে বিএনপি তাদের ছেড়ে দিতে পারে। ফলে তারা কখনো অলি আহমদ আবার কখনো জেনারেল ইবরাহিমের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। অনেকের সন্দেহ, সরকারের সঙ্গেও তাদের ‘দূরবর্তী’ যোগাযোগ থাকতে পারে
সরকারবিরোধী জোট গঠন: অনানুষ্ঠানিক আলোচনা আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ
অবশ্য অলি ও ইবরাহিমের আবার নানামুখী তৎপরতাও রয়েছে। অলি নিজেই বেশ কয়েকবার বিএনপির বিকল্প কিছু করার জন্য তৎপর হয়ে এখন থেমে গেছেন। তাঁর সঙ্গে বিএনপির আস্থার সম্পর্কও নেই। জেনারেল ইবরাহিম মাঝখানে তৃতীয় ধারা বা শক্তির তৎপরতায় আশাবাদী হয়ে সক্রিয় থাকলেও এখন তাঁরও তৎপরতা কমে গেছে
সরকারবিরোধী জোট গঠন: অনানুষ্ঠানিক আলোচনা আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ
জানতে চাইলে ড. অলি আহমদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘রাজনৈতিক জোট গঠনের বিষয়টি এখনো মানুষের মুখে মুখে ও আলোচনায় সীমাবদ্ধ। বাস্তবে এখনো কিছু হয়নি। ’ তিনি বলেন, ‘অনেকে আলোচনা করতে এলে আমি বলি, তোমরা এলডিপিতে যোগদান করো। ’মুহম্মদ ইবরাহিম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিএনপির বাইরে কোনো রকম জোট গঠনের ব্যাপারে আমি অবগত নই, সম্পর্কিতও নই। ’ ২০...
পাঁচ দিন পর ২০০-এর কম মৃত্যু
দেশে করোনায় দৈনিক মৃত্যু দুই শতাধিক ছিল টানা পাঁচ দিন। গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কিছুটা কমে ১৮৭-তে নেমেছে। তবে এ সময় শনাক্ত ১২ হাজারের ঘরেই ছিল। এর মধ্যে স্বস্তির খবরও আছে
পাঁচ দিন পর ২০০-এর কম মৃত্যু
গত কয়েক দিনে সুস্থতার হার আবার বাড়তে শুরু করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থতার হার বাড়ায় মানুষ এ বার্তা পাবে যে সতর্ক থাকলে এবং সময়মতো চিকিৎসা নিলে মৃত্যুর ঝুঁকি কমে যায়।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৮৭ জনের
পাঁচ দিন পর ২০০-এর কম মৃত্যু
এ সময় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১২ হাজার ১৪৮ জন। সুস্থ হয়েছে আট হাজার ৫৩৬ জন।সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ১০ লাখ ৮৩ হাজার ৯২২ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছে ১৭ হাজার ৪৬৫ জন এবং সুস্থ হয়েছে ৯ লাখ ১৪ হাজার ৩৪৩ জন
পাঁচ দিন পর ২০০-এর কম মৃত্যু
এর মধ্যে দৈনিক শনাক্তের হার আগের দিনের চেয়ে আরেকটু কমে নেমেছে ২৮.৯৬ শতাংশে।আর এখন পর্যন্ত পরীক্ষা বিবেচনায় মোট শনাক্তের হার ১৫.০৮ শতাংশ, মৃত্যুর হার ১.৬১ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ৮৪.৩৬ শতাংশ।করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতির কারণে সরকার ১ জুলাই থেকে টানা ১৪ দিন কঠোর বিধি- নিষেধ আরোপ করে। এর মধ্যেই গত ১২ জুলাই দেশে প্রথমবা...
পাঁচ দিন পর ২০০-এর কম মৃত্যু
সেদিন থেকে টানা পাঁচ দিন হলো শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১২ হাজারের বেশি থাকছে।আর ১১ জুলাই এক দিনে রেকর্ড ২৩০ জনের মৃত্যুর খবর জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেদিন থেকে টানা পাঁচ দিন দৈনিক মৃত্যু ছিল ২০০-এর বেশি।আগের দিন বৃহস্পতিবার ১২ হাজার ২৩৬ জনের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছিল
পাঁচ দিন পর ২০০-এর কম মৃত্যু
মৃত্যু হয়েছিল ২২৬ জনের। সেই হিসাবে গতকাল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যু দুটিই কমেছে।সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি কিছুটা কমের দিকে থাকলেও সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ আছে সব মহলেই। অনেক জেলায়ই এখনো ৪০-৫০ শতাংশের ওপরে রয়েছে দৈনিক শনাক্তের হার
পাঁচ দিন পর ২০০-এর কম মৃত্যু
মৃত্যুও ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনায় বেশিই থাকছে প্রতিদিন, যা নিয়ে উদ্বেগ ও আতঙ্কের কমতি নেই।তবে প্রতিদিন স্বস্তির খবরও মিলছে অনেক পরিবারে। সব হাসপাতাল থেকেই প্রতিদিন সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষ ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরছে। মাঝে সুস্থতার হার কিছুটা কমে গিয়ে আবার গত কয়েক দিনে বাড়তে শুরু করেছে
পাঁচ দিন পর ২০০-এর কম মৃত্যু
মোট হিসাবে যা এরই মধ্যে ৯ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর কয়েক দিন ধরেই প্রতিদিন সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা সাত-আট হাজারের ওপরে থাকছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আক্রান্ত হওয়া এবং মৃত্যু নিয়ে ভয় ও আহাজারির মধ্যে ৮৪ শতাংশের বেশি রোগীর সুস্থ হওয়ার খবরও মানুষকে স্বস্তি দেবে। মানুষ বুঝতে পারবে সতর্ক থাকলে আক্রান্ত হলেও সবাই মারা যাচ্ছে না
পাঁচ দিন পর ২০০-এর কম মৃত্যু
এটাও আক্রান্তদের মানসিক শক্তি জোগাবে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা কালের কণ্ঠকে জানান, প্রতিদিন যে সংখ্যায় রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার তথ্য দেওয়া হয় সেটা মূলত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নেওয়াদেরই বেশি। বাড়িতে থেকে যারা সুস্থ হচ্ছে যদি তাদের হিসাব পাওয়া যায় তবে সুস্থতার হার আরো বেশিই হবে।স্বাস...
পাঁচ দিন পর ২০০-এর কম মৃত্যু
এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়। এর পরই ৩৯ জন খুলনায়, ৩৬ জন চট্টগ্রামে, ১৪ জন রাজশাহীতে, ৯ জন সিলেটে, আটজন বরিশালে, সাতজন ময়মনসিংহে এবং ছয়জন রংপুরে। বয়সের হিসাবে ১১-২০ বছরের দুজন, ২১-৩০ বছরের সাতজন, ৩১-৪০ বছরের ১১ জন, ৪১-৫০ বছরের ৩০ জন, ৫১-৬০ বছরের ৩৬ জন, ৬১-৭০ বছরের ৫৪ জন, ৭১-৮০ বছরের ১২ জন, ৯১-১০০ বছরের...
৬ বছরে ১৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে নষ্ট ১১৬৮ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র
গত ছয় বছরে দেশের ১৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরিতে নষ্ট হয়েছে এক হাজার ১৬৮টি বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি। একই সময়ে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে, কিন্তু মেরামতযোগ্য এমন যন্ত্রের সংখ্যা চার হাজার ৩৮৯টি। ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষা সুবিধাদি উন্নয়নকল্পে বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ক্রয়’ শীর্ষক প্রকল্পের প্রভাব মূল্য...
৬ বছরে ১৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে নষ্ট ১১৬৮ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র
ওই প্রকল্প মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বাস্তবায়ন করে। এই প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ছিল ২০০৯ সালের জুন মাস থেকে ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত। প্রকল্পে মোট ব্যয় ছিল ২০ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা।গবেষক ও শিক্ষাবিদরা বলছেন, এসব প্রকল্পে যন্ত্রপাতি কেনাকাটা করা হয় অপ...
৬ বছরে ১৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে নষ্ট ১১৬৮ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র
ফলে দেখা যায়, বেশির ভাগ যন্ত্র অব্যবহৃত থেকে নষ্ট হয়, রাষ্ট্রের ক্ষতি হয় কোটি কোটি টাকা।এ বিষয়ে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গবেষণাকাজে আধুনিক বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির গুরুত্ব অনেক। বিশেষ করে সায়েন্সের ক্ষেত্রে এই অবদানকে অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। তবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ল্যাবরেটরির আধুনিক যন...
৬ বছরে ১৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে নষ্ট ১১৬৮ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র
আমরা ফান্ড পাই আর ক্রয় করি, কিন্তু কী যন্ত্রপাতি লাগবে তা আমরা জানি না। আমাদের চাহিদাটা আসে ওপর থেকে, ভেতর থেকে নয়। এতে অর্থের অপচয় হয়, ব্যাহত হয় গবেষণা কার্যক্রম। ’ তিনি গবেষকদের স্বার্থে গবেষণাকেন্দ্রিক যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং এর পাশাপাশি গবেষণার জন্য বরাদ্দ দেওয়ার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন
৬ বছরে ১৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে নষ্ট ১১৬৮ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ওই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সাময়িক জ্ঞান অর্জন করা। এই প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৮টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৪৮ হাজার ৬০টি বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়। প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি...
৬ বছরে ১৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে নষ্ট ১১৬৮ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আইএমইডি বিভাগের জুনে প্রকাশিত প্রভাব মূল্যায়ন প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নষ্ট ও মেরামতযোগ্য গবেষণা যন্ত্রপাতি রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই প্রতিষ্ঠানে প্রকল্পের আওতায় মোট প্রাপ্ত যন্ত্রপাতির সংখ্যা আট হাজার ১২৭টি। এর মধ্যে সচল রয়েছে ছয় হাজার ৫৩৫টি যন্ত্র আর মেরামতয...
৬ বছরে ১৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে নষ্ট ১১৬৮ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র
এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকল্পের আওতায় মোট প্রাপ্ত যন্ত্রপাতির পরিমাণ সাত হাজার ৫২৬টি; তার মধ্যে সচল রয়েছে ছয় হাজার ৫৭৮টি যন্ত্র আর মেরামতযোগ্য ও নষ্ট হওয়া যন্ত্রের পরিমাণ ৯৪৮টি। এর পরেই আছে কুষ্টিয়ার ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়। এই প্রতিষ্ঠানে প্রকল্পের আওতায় মোট প্রাপ্ত যন্ত্রপাতির সংখ্যা সাত হাজার ৯৬৯। এর মধ্যে সচল আছে সাত হা...
৬ বছরে ১৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে নষ্ট ১১৬৮ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র
এই তিন বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু প্রকল্পের আওতায় পাওয়া মোট যন্ত্রপাতির সংখ্যার ওপর প্রতিবেদন করা হয়েছে।অন্যদিকে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকল্পের আওতায় প্রাপ্ত বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির সংখ্যা মাত্র ৪৫৬টি। তার মধ্যে সচল রয়েছে ৪১৬টি যন্ত্র। যন্ত্রের দিক দিয়ে তার থেকে কিছুটা এগিয়ে আছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ...
৬ বছরে ১৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে নষ্ট ১১৬৮ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র
এই প্রতিষ্ঠানে প্রকল্পের আওতায় মোট প্রাপ্ত বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির সংখ্যা ৫৫১, তার মধ্যে সচল আছে ৪৭৮টি। বৈজ্ঞানিক যন্ত্রের দিক দিয়ে এই দুই প্রতিষ্ঠানের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও ঢাকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এই প্রতিষ্ঠানে যন্ত্রপাতি প্রকল্পের আওতায় মোট প্রাপ্ত বৈজ্...
৬ বছরে ১৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে নষ্ট ১১৬৮ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম যন্ত্রপাতি রয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে, তবে তা নিয়ে সন্তুষ্ট এই প্রতিষ্ঠানের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। জানতে চাইলে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আসলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় খুবই ছোট একটি বিশ্ববিদ্যালয়। তবে আমরা সারা দেশের সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গবেষণার দিক দিয়ে এগিয়ে আ...
৬ বছরে ১৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে নষ্ট ১১৬৮ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র
সরকারকে ধন্যবাদ, আমাদের এত সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্য। ’তবে ভিন্নমত পোষণ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গবেষক ডা. এ কে এম শাহনাওয়াজ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যে যন্ত্রগুলো ক্রয় করে তার বেশির ভাগ অব্যবহৃত থেকে যায় আর দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকার কারণে এসব যন্ত্র নষ্ট হয়ে যায়, যা আইএমইডির প্রতিবেদন...
৬ বছরে ১৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে নষ্ট ১১৬৮ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র
আমাদের বাজেটে এই খাতে খুব কম অর্থায়ন হয়। ’ বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরি সচল রাখার অন্যতম উপায় নিয়মিত গবেষণা করা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।৫৬ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করেন তাঁদের দক্ষতা বেড়েছেএই জরিপে এক হাজার ৩০০ শিক্ষার্থীর সাক্ষাৎকার নিয়ে জানা গেছে, ৫৬ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করেন যে ব্যাবহারিক ক্লাসের আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার...
৬ বছরে ১৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে নষ্ট ১১৬৮ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র
প্রকল্পের আওতায় ক্রয় করা যন্ত্রপাতিগুলো অধিক প্রয়োজনীয় বলে মন্তব্য করেন গবেষণায় অংশগ্রহণ করা ৭৫.৩ শতাংশ শিক্ষার্থী। আইএমইডির প্রতিবেদনে বলা হয়, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে ৯২.৯ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করেন যে তাঁদের গবেষণার পথ প্রশস্ত হয়েছে। ৯৫.৫ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করেন যে উচ্চশিক্ষায় প্রবেশাধিকার বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে এই ...
তেলে তেলেসমাতি!
একটা কাঁচা, আরেকটা পাকা। পাম্প থেকে গাড়িতে তেল ভরে এমন দুটি রসিদ (স্লিপ) পকেটে পোরেন চালকরা। পাকা স্লিপে প্রকৃত তেলের পরিমাণ ও দাম লিখে সই করে দেন পাম্পের ক্যাশিয়ার। পাকা স্লিপটিই চালকরা সিটি করপোরেশনে জমা দেন
তেলে তেলেসমাতি!
আর কম তেল নিয়ে সেটার পরিমাণ লিখে পাম্প থেকে সই ছাড়া আরেকটি স্লিপ চালকদের হাতে আসে, সেটাই কাঁচা স্লিপ! পরে ওই কাঁচা স্লিপ দেখিয়ে বাকি তেলের দাম পাম্প থেকে নিয়ে নেন তাঁরা। দিনের পর দিন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের গাড়ির তেল নিয়ে এভাবেই চলছে তেলেসমাতি! এই তেল চুরির টাকা যাচ্ছে সিটি করপোরেশনের চালকদেরই পকেটে। অবশ্য তেল চুরির...
তেলে তেলেসমাতি!
এসব গাড়ি থেকে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৯ হাজার লিটার জ্বালানি তেল হাওয়া হয়ে যাচ্ছে। টাকার অঙ্কে সেটার বাজারদর দাঁড়ায় ছয় লাখ টাকারও বেশি। ফলে বছরে দুই সিটি হারাচ্ছে প্রায় ২২ কোটি টাকা। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের কোনো চালকেরই তেলের পাম্পে টাকা পরিশোধের নিয়ম নেই
তেলে তেলেসমাতি!
করপোরেশন থেকে স্লিপ দেওয়া হয় চলকদের। চালকরা সেই স্লিপ পাম্পের কাউন্টারে জমা দিয়ে তেল নেন। পরে সিটি করপোরেশন তেলের দাম পরিশোধ করে। তবে বাস্তব ছবি একেবারেই ভিন্ন
তেলে তেলেসমাতি!
যেভাবে তেলের টাকা চালকের পকেটে : ২৭ জুন। ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত সাড়ে ১০টা। রাজধানীর সায়েদাবাদের পৌর ফিলিং স্টেশন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) একটি বর্জ্যের গাড়ি এসে থামল
তেলে তেলেসমাতি!
চালকও গাড়ি থেকে নামলেন। গাড়িতে তেল নেওয়ার পর পাম্পের কাউন্টারে স্লিপ জমা দিয়ে উল্টো টাকা নিচ্ছিলেন সেই চালক। হাতেনাতে ধরার পরও ওই চালক প্রথমে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। অপ্রস্তুত চালক জানালেন, তিনি পাম্প থেকে টাকা ধার নিয়েছেন ট্রাকের চাকা সারানোর জন্য