title stringlengths 7 102 | content stringlengths 39 8k |
|---|---|
তেলে তেলেসমাতি! | যদিও পাম্পের ক্যাশিয়ারকে গিয়ে টাকার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘চালককে কোনো টাকা দেননি। ’পরের দিন তেল চুরির বিষয়ে জানতে চাইলে পৌর ফিলিং স্টেশনের ক্যাশিয়ার শামীম বলেন, ‘এটার কোনো প্রমাণ নেই। ’ তখন ধারণ করা ভিডিও এবং চালকের স্বীকারোক্তির কথা বলা হলে তিনি বলেন, ‘কোন চালক স্বীকার করেছে?’ কাঁচা ও পাকা স্লিপের কথা জিজ্ঞ... |
তেলে তেলেসমাতি! | ’ কিন্তু সই ছাড়া স্লিপ দিচ্ছেন কেন? এমন প্রশ্নে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। এক দিন পর রাতে আবার ফিলিং স্টেশনটিতে গিয়ে দেখা যায়, ক্যাশিয়ারের পুরো কক্ষ খবরের কাগজ দিয়ে মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে ভেতরের কিছু বাইরে থেকে দেখা না যায়।রাজধানীর গাবতলী এলাকার মোহনা ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেয় উত্তর সিটির গাড়িগুলো। গেল ২৬ জুন ফিলিং স্টে... |
তেলে তেলেসমাতি! | হাতেনাতে টাকাসহ ধরা পড়ার পরও তেল চুরির বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি। এক পর্যায়ে বলেন, ‘পাম্প থেকে কোনো টাকা নিই নাই। ’ কেন ৩৯ লিটার তেল নিয়ে ৫০ লিটারের স্লিপ নিয়েছেন জিজ্ঞেস করতেই কোনো উত্তর না দিয়ে গাড়ি নিয়ে দ্রুত পাম্প থেকে বের হয়ে যান। পরে পাম্পের ক্যাশিয়ার ইউনুসের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ রকম তো হয় ন... |
তেলে তেলেসমাতি! | আমার চোখে পড়ে নাই। এই পাম্পে চারজন ক্যাশিয়ার বসে—পিন্টু, ইসমাইল, সেলিম ও আইয়ুব। ’ কে তেল চুরির সঙ্গে জড়িত এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘যখন ভিডিও করছেন তখন এখানে ক্যাশিয়ার আইয়ুব ছিলেন। ’ পরে আইয়ুবের ফোন নম্বর চাইলে তিনি বলেন, ‘সে অসুস্থ, হার্ট সার্জারি করা লোক |
তেলে তেলেসমাতি! | ’নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএনসিসির এক গাড়ির চালক বলেন, ‘আমাদের গাড়িগুলো দৈনিক ৪০ থেকে ৪৫ লিটার তেল পাওয়ার কথা। কিন্তু চালকরা এর চেয়ে ১০-১২ লিটার তেল কম নিয়ে বাকি তেল পাম্পেই বিক্রি করে দেন। পরে সরাসরি পাম্পের কাউন্টার থেকে বাকি তেলের দাম নিয়ে নেন। এর সঙ্গে আমাদের পরিবহন নেতা, কর্মকর্তা ও পাম্প মালিকরা জড়িত |
তেলে তেলেসমাতি! | ’বছরে কত টাকার তেল চুরি : ঢাকা দক্ষিণ সিটির গাড়ি রয়েছে ৫১৩টি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিন একেকটি গাড়ি থেকে পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ ১৫ লিটার পর্যন্ত তেল চুরি হয়ে যাচ্ছে। গড়ে ১০ লিটার করে হিসাব করলে প্রতিদিন ডিএসসিসির গাড়িগুলো থেকে চুরি হচ্ছে প্রায় পাঁচ হাজার ১৩০ লিটার তেল। বাজারদর বেশি হলেও এসব তেল ৫০ থেকে ৫৩ টাকা লিটার দর... |
তেলে তেলেসমাতি! | ফলে মাসে চুরি হচ্ছে প্রায় ৮০ লাখ টাকার জ্বালানি। ডিএসসিসির মাসিক তেলের বিল প্রায় দুই কোটি ৭০ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৮০ লাখ টাকাই চুরি হয়ে চলে যাচ্ছে চালকের পকেটে। এদিকে ঢাকা দক্ষিণের গাড়িগুলো যে পাম্প থেকে তেল নেয় সেই পৌর ফিলিং স্টেশনের মালিক খোদ ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ |
তেলে তেলেসমাতি! | ফলে নিজেদের পাম্প থেকেই বছরে প্রায় ১০ কোটি টাকা হারাচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ।এ ব্যাপারে ডিএসসিসির পরিবহন মহাব্যবস্থাপক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ‘পাম্প থেকে কোনো চালককে যদি টাকা দেওয়া হয়, তাহলে সেটা কেন দিচ্ছে তা আমরা খতিয়ে দেখছি। এ নিয়ে আমাদের প্রশাসন সতর্ক আছে। ’ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ বলেন, ‘অভিয... |
তেলে তেলেসমাতি! | এটা কমিয়ে আনা হচ্ছে। আমরা ম্যাক্রো লেভেলে ব্যবস্থা নিচ্ছি। বাস্তবতা হলো, বেশির ভাগ গাড়ির মিটার নষ্ট। ’ জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাকে যদি কেউ অভিযোগ দেয় তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে |
তেলে তেলেসমাতি! | আমার সামনে তো কেউ চুরি করবে না। তবে আগে যাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তাই এবারও অভিযোগ প্রমাণিত হলে আমরা ব্যবস্থা নেব। এ ব্যাপারে আমাদের জিরো টলারেন্স |
তেলে তেলেসমাতি! | ’এদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) গাড়ির সংখ্যা ৪৩০টি। এই হিসাবে চুরি যাওয়া তেল থেকে প্রতি মাসে ডিএনসিসি হারাচ্ছে প্রায় ৬৭ লাখ টাকা, যা বছরে দাঁড়ায় আট কোটি টাকারও বেশি। ডিএনসিসি জানিয়েছে, মাসে তাদের পরিবহনে বিল আসে প্রায় দুই কোটি টাকার মতো। এর থেকে প্রায় ৭০ লাখ টাকা চলে যায় তেল চোরদের পকেটে |
তেলে তেলেসমাতি! | এ ব্যাপারে ডিএনসিসির পরিবহন মহাব্যবস্থাপক মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা হার্ডলাইনে আছি। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ’ বিভাগের কারা কারা এর সঙ্গে জড়িত এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এগুলো এখন শেয়ার করার বিষয় না। ফাইনাল সিদ্ধান্ত দেওয়ার অথরিটি আমি না |
তেলে তেলেসমাতি! | মোট কথা, আমরা হার্ডলাইনে আছি। যতটা সম্ভব চেক দেওয়ার চেষ্টা করছি। ’ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ ব্যাপারে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে |
তেলে তেলেসমাতি! | এই ইস্যুতে জিরো টলারেন্স। পাম্পের যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অবশ্যই তাদের নামে থানায় মামলা হবে। সিটি করপোরেশনের যারা এর সঙ্গে জড়িত আছে বলে প্রমাণিত হবে তারাও চাকরি হারাবে। ’ |
ই-কমার্সে গ্রাহক ঠকানোর পথ এখনো খোলা! | গ্রাহক পণ্য বুঝে পাওয়ার পর ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে অর্থছাড়ের যে নীতিমালা জারি করা হয়েছে, সেটির বাস্তবায়ন এখনো শুরু হয়নি। ফলে আগের মতোই অগ্রিম অর্থ পরিশোধ সাপেক্ষে পণ্য বিক্রির কার্যক্রম অব্যাহত আছে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে। অর্থাৎ ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে গ্রাহক ঠকানোর পথ এখনো খোলা রয়েছে। বিষয়টি স্বীকারও করেছে ই-কমার্স... |
ই-কমার্সে গ্রাহক ঠকানোর পথ এখনো খোলা! | সংগঠনটি জানিয়েছে, এখনো তাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারেনি। এ বিষয়ে সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাগিদ দিয়ে চলতি সপ্তাহেই চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ই-ক্যাব।অন্যদিকে ই-কমার্স লেনদেন নিষ্পত্তির দায়িত্ব পালনকারী ব্যাংক, এমএফএস ও ই-ওয়ালেট প্রত... |
ই-কমার্সে গ্রাহক ঠকানোর পথ এখনো খোলা! | ইভ্যালিসহ বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অগ্রিম টাকা নিয়ে নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ না করার যে অভিযোগ আছে, তা একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে গত ৩০ জুন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে লেনদেন নিষ্পত্তি নিয়ে নীতিমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই নীতিমালায় বলা হয়, গ্রাহক পণ্য বুঝে পাওয়ার পর ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান দাম পাবে। এই লেনদেন... |
ই-কমার্সে গ্রাহক ঠকানোর পথ এখনো খোলা! | এ নীতিমালা মেনে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে লেনদেন নিষ্পত্তি হলে এই খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে।বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. মেজবাউল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা যে নীতিমালা দিয়েছি, সেই নীতিমালা মেনে যদি ব্যবসা করে তাহলে গ্রাহকদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোও সুরক্ষি... |
ই-কমার্সে গ্রাহক ঠকানোর পথ এখনো খোলা! | এই কাঠামোয় লেনদেন নিষ্পত্তি হতে হলে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্ট পরিশোধ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। কারণ পণ্য বিক্রির টাকা ওই অ্যাকাউন্টে জমা হবে এবং গ্রাহক পণ্য বুঝে পেয়েছে এমন ক্লিয়ারেন্সের ভিত্তিতে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে অর্থ ছাড় করবে পরিশোধ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান তথা ব্যাংক, এমএফ... |
ই-কমার্সে গ্রাহক ঠকানোর পথ এখনো খোলা! | জানতে চাইলে বেসরকারি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক চেয়ারম্যান ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা তাড়াহুড়া করে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চাচ্ছি না। এ জন্য নীতিমালায় কী বলা আছে, সেটা বোঝার চেষ্টা করছি। বিশেষ করে ই-কমার্সের সঙ্গে... |
ই-কমার্সে গ্রাহক ঠকানোর পথ এখনো খোলা! | ’মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (এমএফএস) বিকাশের যোগাযোগ বিভাগের প্রধান শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেটা নিয়ে আমরা এখন কাজ করছি। এখানে কতগুলো টেকনোলজির ইস্যু আছে। এর বাইরে ছোটখাটো আরো কিছু ইস্যু আছে। এসব বিষয়ে আম... |
ই-কমার্সে গ্রাহক ঠকানোর পথ এখনো খোলা! | ’ তাহলে ই-কমার্সের সব লেনদেন বন্ধ রাখা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো লেনদেন বন্ধ নেই। সব লেনদেন চালু আছে। ব্যাংক লেনদেন বন্ধ রেখেছে, কারণ এখানে তাদের টাকাও আটকে যাচ্ছে। ’এদিকে গত ৪ জুলাই ই-কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১ জারি করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় |
ই-কমার্সে গ্রাহক ঠকানোর পথ এখনো খোলা! | ওই নির্দেশিকায় বলা হয়, গ্রাহক মূল্য পরিশোধ করার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সরবরাহকারীর কাছে পণ্য পৌঁছে দেবে বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান। এরপর তা ক্রেতাকে এসএমএস দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে। ক্রেতা ও বিক্রেতা একই শহরে থাকলে মূল্য পরিশোধের পাঁচ দিনের মধ্যে, আর ভিন্ন শহরে থাকলে ১০ দিনের মধ্যে পণ্য সরবরাহ করতে হবে। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্ষেত... |
ই-কমার্সে গ্রাহক ঠকানোর পথ এখনো খোলা! | গ্রাহক মূল্য পরিশোধের পর নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে মূল্য পরিশোধের ১০ দিনের মধ্যে ক্রেতার পুরো টাকা ফেরত দিতে হবে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালার পাশাপাশি ই-কমার্স পরিচালনায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকাও পুরোপুরি প্রতিপালন শুরু হয়নি ই-কমার্স খাতে। এখনো অবাধে আগে... |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | করোনাকালের সংকটের মধ্যেও বেসরকারি চাকরিজীবীরা কমবেশি বেতন-বোনাস পাচ্ছেন। নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষ সরকারি-বেসরকারি পর্যায় থেকে আর্থিক প্রণোদনাও পেয়েছেন। কিন্তু কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক-কর্মচারীদের খবর কেউ রাখেনি। প্রায় ৫০ হাজার কিন্ডারগার্টেনের ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারী দেড় বছর ধরে বেতন-বোন... |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | অনেকে পেশা বদল করেও টিকে থাকার সংগ্রামে হিমশিম খাচ্ছেন। চরম অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা।দেশে প্রায় ৫০ হাজার কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত। টিউশন ফির টাকায় এসব স্কুলের বাড়িভাড়া, নানা ধরনের বিল এবং শিক্ষকদের বেতন দেওয়া হয় |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | এসব স্কুলে নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তের সন্তানরা পড়ালেখা করে। কিন্তু করোনার প্রাদুর্ভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অভিভাবকরা আর টিউশন ফি দিচ্ছেন না। ফলে গত বছরের মার্চ মাস থেকে কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকদের বেতন-বোনাস বন্ধ হয়ে গেছে।কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকরা স্কুল থেকেও খুব কম বেতন পেতেন |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | তাঁরা প্রাইভেট-টিউশনি করে বেতনের কয়েক গুণ টাকা আয় করতেন। করোনাকালে প্রাইভেট-টিউশনি বন্ধ থাকায় চরম বিপাকে পড়েন তাঁরা। এ পরিস্থিতিতে অনেকে বাধ্য হয়েছেন পেশা বদল করতে। এই শিক্ষক-কর্মচারীদের কেউ সবজি বিক্রি করছেন, কেউ দোকানে কর্মচারীর কাজ নিয়েছেন |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | বেশির ভাগ এরই মধ্যে তাঁদের পরিবার-পরিজনকে গ্রামের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু তার পরও টিকে থাকার সংগ্রামে হিমশিম খাচ্ছেন।সরকার দুই দফায় নন-এমপিওর ৮০ হাজার ৭৪৭ জন শিক্ষক ও ২৫ হাজার ৩৮ জন কর্মচারীকে সহায়তা দিয়েছে। দুই দফার প্রতিবার শিক্ষকরা এককালীন পাঁচ হাজার টাকা আর কর্মচারীরা আড়াই হাজার টাকা পেয়েছেন |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | প্রয়োজনের তুলনায় এই টাকা অপ্রতুল হলেও কিছুটা সহায়ক হয়েছে। সম্প্রতি সরকার নিম্নজীবীদের জন্য প্রণোদনার প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। সেখানেও কিন্ডারগার্টেনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক হলেও তাঁরা যে এলাকায় থাকেন, সে এলাকায় শিক্ষক হিসেবে মর্যাদা পান |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | ফলে তাঁরা ওই এলাকায় নিচু ধরনের কোনো কাজও করতে পারছেন না। আবার কারো কাছে হাতও পাততে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে কঠিন সংকটে পড়েছেন তাঁরা।রাজধানীর কালাচাঁদপুরে কনফিডেন্স ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা মো. শাওন আহমেদ |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | তিনি স্কুলটি টিকিয়ে রাখতে সম্প্রতি মেস ভাড়া দিয়েছেন। যা আয় হয়, তা দিয়ে বাড়িভাড়া মেটাচ্ছেন। শাওন আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার। এত দিন এই স্কুলটি নিয়েই ছিলাম |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | আমার স্কুলে শিক্ষার্থী ছিল ৩০০ জন। গত বছরের ফেব্রুয়ারির পর কোনো অভিভাবক আর টিউশন ফি দিচ্ছেন না। স্কুলটি টিকিয়ে রাখতে আমি মেস ভাড়া দিয়েছি। আর স্কুলের সামনে এখন আম বিক্রি করছি |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | এসব দিয়ে আমার চলে গেলেও শিক্ষকরা ভীষণ কষ্টে আছেন। তাঁদের তো টাকা-পয়সা দিতে পারছি না। অনেকে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে টিকে থাকার কঠিন সংগ্রাম করছেন। তবে শিক্ষকদের শিক্ষকতা ছাড়া অন্য পেশায় মনোযোগী হওয়া কঠিন |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | আমি নিজে প্রিন্টিং ব্যবসায় মনোযোগী হতে চেষ্টা করে পারিনি। সরকারের পক্ষ থেকে কেউ আমাদের খোঁজ নেয়নি। ’মগবাজারে মডার্ন চাইল্ডস এডুকেয়ারে শিক্ষকতা করেন থমাস হাওলাদার। তিনি এখন স্কুলের সামনে একটি ভ্যানে পেঁয়াজ-রসুন বিক্রি করেন |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘২০ বছর ধরে শিক্ষকতা করছি। এলাকার সবাই শিক্ষক হিসেবে মর্যাদা দেন। কিন্তু বেঁচে থাকার অন্য কোনো উপায় না পেয়ে এই কাজ করতে বাধ্য হয়েছি। তবে শিক্ষকতা ছাড়া অন্য কিছুতে মন বসানো কঠিন |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | ’রাজধানীর মাটিকাটায় স্কাইলার্ক মডেল স্কুলের অধ্যক্ষ মো. সাফায়েত হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গত বছর স্কুল বন্ধের আগে আমার শিক্ষার্থী ছিল ৪৭৫ জন। শিক্ষক-কর্মচারী ছিলেন ৪১ জন। টিউশন ফি দিয়ে সুন্দরভাবে স্কুলটি পরিচালনা করে আসছিলাম। অথচ গত বছরের মার্চ থেকে কাউকে আর বেতন দেওয়া সম্ভব হয়নি |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | বাড়িওয়ালাকে কিছু টাকা দিয়ে এখনো স্কুলটি ধরে রেখেছি। এর মধ্যে কয়েক লাখ টাকা দেনা হয়ে গেছে। এভাবে আর পারছি না!’তিনি আরো বলেন, ‘আমার স্কুলের কিছু শিক্ষক তাঁদের পরিবার গ্রামে পাঠিয়ে দিয়েছেন। বাসাও ছেড়ে দিয়েছেন |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | তাঁরা এখন বিভিন্ন দোকানে কর্মচারীর কাজ করেন। রাতে এসে থাকেন স্কুলের এক রুমে। মহিলা শিক্ষকরা খুব অসহায় অবস্থার মধ্যে আছেন। অনেক সময় এসে বলেন, স্যার আজ সারা দিন কিছু খাইনি |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | এক-দুই কেজি চালের জন্য কান্নাকাটি করেন। যত দূর পেরেছি সহায়তা করেছি। কিন্তু এখন আমি নিজেই অসহায় হয়ে পড়েছি। ’বাংলাদেশে কিন্ডারগার্টেন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঐক্য পরিষদের চেয়ারম্যান এম ইকবাল বাহার চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের কিছু বলার ভাষা নেই |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | আমরা ধ্বংস হয়ে গেছি। প্রতিদিনই কোনো না কোনো স্কুল বন্ধের খবর আসছে। যেসব কিন্ডারগার্টেন পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত, তাদের জায়গা কম লাগায় বাড়িভাড়াও কম। কিন্তু যেসব স্কুল এসএসসি বা এইচএসসি পর্যন্ত, তাদের বাড়িভাড়া অনেক বেশি |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | অনেক শিক্ষক বা পরিচালক আছেন, যাঁরা ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে স্কুল চালাচ্ছেন। তাঁদের তো অন্য পেশায় যাওয়ার উপায় নেই! এত দিন তাঁরা সহায়-সম্বল বিক্রি করে বাড়িভাড়া চালিয়েছেন। এখন আর পারছেন না। ’তিনি আরো বলেন, ‘কিন্ডারগার্টেন না থাকলে সরকারকে আরো ৮০ লাখ শিক্ষার্থীর পড়ালেখার দায়িত্ব নিতে হতো |
৬ লাখ শিক্ষক কর্মচারীর খোঁজ নেয়নি কেউ | আরো স্কুল করার প্রয়োজন হতো। মাসে মাসে শিক্ষকদের কোটি কোটি টাকা বেতন দিতে হতো। করোনাকালে সরকার আমাদের ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর কথা একবারও ভাবল না! আমার অনুরোধ, যদি আমাদের ন্যূনতম অবদানও থাকে, তাহলে দ্রুত আমাদের শিক্ষকদের প্রণোদনা দিন, বেঁচে থাকতে তাঁদের সহায়তা করুন। উদ্যোক্তাদের বিনা সুদে বা স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা কর... |
ইভ্যালির কার্যালয়ে তালা, ভাউচার পণ্যও মিলছে না | টাকা দিয়ে পণ্য না পাওয়ার এবং পণ্য সরবরাহ করে টাকা না পাওয়ার অভিযোগের পর এবার কার্যালয় বন্ধ করে দিয়েছে ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস ইভ্যালি। বকেয়ার টাকা ফিরে পেতে অনেকেই ভিড় করছেন রাজধানীর ধানমণ্ডিতে ইভ্যালির কার্যালয়ের সামনে। নিরুপায় গ্রাহকরা হটলাইনেও ফোন করে কাউকে পাচ্ছেন না। ইভ্যালির ফেসবুক পেইজে ক্রেতা ও বিক্রেতারা নানা অভি... |
ইভ্যালির কার্যালয়ে তালা, ভাউচার পণ্যও মিলছে না | গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে সময়মতো পণ্য সরবরাহ না করাসহ নানা অভিযোগে ইভ্যালির বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করে সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চিঠি দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে করা বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে উঠে আসা আর্থিক অনিয়মগুলো তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনকেও (দুদক) পৃথক চিঠি পাঠানো হয়েছে।চিঠিতে বাণিজ্... |
ইভ্যালির কার্যালয়ে তালা, ভাউচার পণ্যও মিলছে না | এ ছাড়া গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছ থেকে নেওয়া ৩৩৮.৬২ কোটি টাকার কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না, যা আত্মসাৎ কিংবা অবৈধভাবে অন্যত্র সরিয়ে ফেলার আশঙ্কা রয়েছে। ’গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া অগ্রিম এবং মার্চেন্টের পাওনা ৩৩৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা ‘আত্মসাৎ ও পাচারের’ অভিযোগে এরই মধ্যে ইভ্যালির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। এর অংশ হিসেব... |
ইভ্যালির কার্যালয়ে তালা, ভাউচার পণ্যও মিলছে না | তাতে অল্প সময়ের মধ্যে সারা দেশে মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, এসি, প্রাইভেট কারসহ নানা পণ্যের ক্রেতাদের ভিড় জমেছিল ইভ্যালিতে। স্বল্প মূল্যের এসব পণ্যের জন্য টাকা নেওয়া হতো অগ্রিম, কিন্তু কিছু ক্রেতাকে পণ্য দিয়ে বাকিদের অপেক্ষায় রাখার কৌশল নিয়ে তারা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল বলে পরে অভিযোগ উঠতে শুরু করে।চলতি মাসের শুরুতে বাণিজ্য মন্ত... |
ইভ্যালির কার্যালয়ে তালা, ভাউচার পণ্যও মিলছে না | আর এতে ক্ষতির মুখে পড়েন প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহকরা।এদিকে গ্রাহকের অসংখ্য অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইভ্যালির কাছে এসবের জবাব চেয়ে চিঠি দিয়েছে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ই-ক্যাব। ই-ক্যাব থেকে এরই মধ্যে কম্পানির সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।গতকাল শুক্রবার কার্যালয়ের সামনে গ্রাহকদের ভিড় করতে দেখা গেছে |
ইভ্যালির কার্যালয়ে তালা, ভাউচার পণ্যও মিলছে না | পণ্য সরবরাহকারী বিভিন্ন কম্পানির প্রতিনিধিরাও ঘুরে যাচ্ছেন, কিন্তু ইভ্যালির অফিস তালাবন্ধ। ইভ্যালি অফিসের সামনে চা বিক্রেতা মানিক জানান, লকডাউন ঘোষণার তিন দিন আগে থেকে ওই অফিস বন্ধ। তার আগে সব সময় ইভ্যালি অফিস খোলা থাকতে দেখেছেন তিনি।ভবনের নিচে দায়িত্বরত এক নিরাপত্তাকর্মী জানিয়েছেন, কঠোর লকডাউন শুরুর আগে গত ২৭ জুন থেক... |
ইভ্যালির কার্যালয়ে তালা, ভাউচার পণ্যও মিলছে না | ঈদের আগে আর খোলার সম্ভাবনাও নেই।ইভ্যালির ফেসবুক পেজেও একটি নোটিশে লেখা হয়েছে, ‘মহামারি পরিস্থিতির কারণে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোম অফিস চালু আছে। ফলে এই অফিস থেকে সশরীরে কোনো সেবা দেওয়া হবে না। ’এদিকে ইভ্যালির মার্চেন্টদের কেউ কেউ গ্রাহকদের পণ্য দিচ্ছে না |
ইভ্যালির কার্যালয়ে তালা, ভাউচার পণ্যও মিলছে না | ইভ্যালির দেওয়া ভাউচার দিলেও প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের বলছে ইভ্যালির কাছ থেকে পণ্য বুঝে নিতে। কারণ ভাউচারের বিপরীতে ইভ্যালি তাদের পাওনা পরিশোধ করেনি। আবার চেক দিলেও ওই চেক ব্যাংকে জমা না দিতে বলছে ইভ্যালি। কারণ তাদের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে টাকা নেই |
ইভ্যালির কার্যালয়ে তালা, ভাউচার পণ্যও মিলছে না | টাকা পাচ্ছে না বলে পণ্য সরবরাহকারীদের কেউ কেউ ইভ্যালির দেওয়া গিফট ভাউচারের বিপরীতে পণ্য দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এসব নতুন নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে কয়েক দিন ধরে। এত দিন মূল অভিযোগ ছিল, গ্রাহকদের একটা অংশ সময়মতো পণ্য পাচ্ছে না।গত বুধবার দেশি পোশাকের ব্র্যান্ড ‘রঙ বাংলাদেশ’ এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, ইভ্যালি যে গিফট ভাউচারগ... |
ইভ্যালির কার্যালয়ে তালা, ভাউচার পণ্যও মিলছে না | গিফট ভাউচার নিলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই টাকা পরিশোধ করেনি ইভ্যালি। অনেকবার যোগাযোগ করলেও ইভ্যালি এ ব্যাপারে সন্তোষজনক উত্তর দেয়নি। ফলে ইভ্যালির এই ভাউচার ব্যবহার করে তারা এখন কেনাকাটা করতে দিতে পারছে না। |
খিলক্ষেতে ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুজনকে আটক | রাজধানীর খিলক্ষেতে লবণভর্তি ট্রাক থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুজনকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান গোয়েন্দা বিভাগ। গতকাল শুক্রবার খিলক্ষেতের কুড়াতলী থেকে তাঁদের আটক করা হয়।আটক ব্যক্তিরা হলেন মো. বাচ্চু মিয়া ও মো. সুলতান মাহমুদ। তাঁরা সম্পর্কে দুলাভাই-শ্যালক |
খিলক্ষেতে ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুজনকে আটক | অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিবি গুলশান বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান। তিনি জানান, একটি লবণভর্তি ট্রাকে করে ইয়াবা আনা হচ্ছে এমন তথ্য পেয়ে কুড়াতলীতে চেকপোস্ট বসানো হয়। পরে ট্রাকটি আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ট্রাকের বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে রাখা ৫০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয় |
খিলক্ষেতে ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুজনকে আটক | তিনি আরো জানান, বাচ্চু ও সুলতান দীর্ঘদিন ধরে বগুড়া জেলার শেরপুরের বিভিন্ন মেইল থেকে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ থানার কয়েকটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাল পরিবহনের কাজ করেন। ফেরার পথে তাঁরা ইয়াবার চালান সংগ্রহ করে ঢাকা, গাজীপুর, রাজশাহী, রংপুর ও বগুড়ার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের কাছে নিয়ে যান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এর আগে তাঁরা এভাবে আর... |
মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ | বাংলাদেশ হাইকমিশনার রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ শহিদের সঙ্গেসাক্ষাৎ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত সাক্ষাতপর্বে দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র সচিব ও অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।বাংলাদেশের হাইকমিশনার মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জাতিসংঘের সাধারণ ... |
মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ | এ সময় করোনাকালে বিভিন্ন সহযোগিতা করায় বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়াও সম্প্রতি মালদ্বীপে করোনা টিকা সরবরাহ করায় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর মেডিক্যাল টিমের কার্যক্রমে ভূয়সী প্রশংসা করেন।আলোচনাকালে মন্ত্রী এবং হাই কমিশনার দুদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারকরন এবং বিভিন্ন... |
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয়লাভে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন | হারারেতে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে জয় লাভ করায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ অভিনন্দন বার্তার কথা জানিয়েছে।শুক্রবার হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ১৫৫ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ।... |
১৪ দিনে অনলাইনে ১৬৬৫ কোটি টাকার পশু বিক্রি | পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে অনলাইনে পশু বিক্রি অনেক বেড়েছে। গত দুই সপ্তাহে অনলাইনে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮টি পশু বেচাকেনা হয়েছে। যার মূল্যমান ১ হাজার ৬৬৫ কোটি ৫ লাখ ১ হাজার ৬৭২ টাকা। গত ২ থেকে ১৫ জুলাই সময়ের হিসাব তুলে ধরে শুক্রবার এসব তথ্য জানিয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর |
১৪ দিনে অনলাইনে ১৬৬৫ কোটি টাকার পশু বিক্রি | প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানায়, কোরবানির পশু কেনাবেচার জন্য বর্তমানে অনলাইনের সংখ্যা ১ হাজার ৭৬৮। এর মধ্যে সরকারি উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে ৬০২টি আর বেসরকারি উদ্যোগে ১ হাজার ১৬৬টি। এসব অনলাইন বাজারে ১৪ দিনে ১৫ লাখ ৯৩ হাজার ৬৯২টি কোরবানিযোগ্য পশুর তথ্য আপলোড করা হয়েছে।অনলাইনে পশু বিক্রিতে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগ |
১৪ দিনে অনলাইনে ১৬৬৫ কোটি টাকার পশু বিক্রি | এ বিভাগে মোট এক লাখ ২৬ হাজার ৪৬৫টি পশু বিক্রি হয়েছে, যার বাজারদর ৮৯৪ কোটি ৪৩ লাখ ১৪ হাজার ৯৪৮ টাকা। পরের স্থানে রয়েছে ঢাকা বিভাগ। এ বিভাগে এখন পর্যন্ত ২৫ হাজার ৮৫১টি পশু বিক্রি হয়েছে ২৬১ কোটি ৪২ লাখ ৪৮ হাজার ১৪৭ টাকায়।এ বিষয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (সম্প্রসারণ) দেবাশীষ দাশ বলেন, গত বছর প্রথম অনলাইনে কোরবানির প... |
১৪ দিনে অনলাইনে ১৬৬৫ কোটি টাকার পশু বিক্রি | ওই বছর অনলাইনে ৮৭ হাজার পশু বিক্রি হয়েছিল। এ বছর এখন পর্যন্ত অনলাইনে যে পরিমাণ কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে, তার থেকে বেশি প্রত্যাশা ছিল। তবে গত বছরের থেকে এ বছর ভালো করেছি। স্থায়ী পশুর হাটে ১৫ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশুহাট চালু রাখার সুপারিশ করেছে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয় |
১৪ দিনে অনলাইনে ১৬৬৫ কোটি টাকার পশু বিক্রি | দেবাশীষ দাশ আরো বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১৫ জুলাই পশু হাট বসা শুরু হয়েছে। হয়তো এখন অনলাইনে পশু বিক্রির প্রবণতা কিছুটা কমে যাবে। তারপরও যারা হাটে যেতে চান না, তাদের জন্য অনলাইন অবারিত হয়ে থাকল বলে উল্লেখ করেন তিনি। |
বৃদ্ধকে ঘুষি মারার চেষ্টা, ফের বিতর্কে কাদের মির্জা | নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার আলোচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জার এক অসহায় বৃদ্ধকে ঘুষি মেরে সরিয়ে দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন কাদের মির্জা।আজ শুক্রবার সকালে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে অসহায় ও হতদরিদ্রদের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণের সময় ওই বৃদ্ধকে ঘুষি মারা... |
বৃদ্ধকে ঘুষি মারার চেষ্টা, ফের বিতর্কে কাদের মির্জা | বৃদ্ধ শাড়িটি পরিবর্তন করতে চাইলে কাদের মির্জা তার বুকে ঘুষি মেরে সরিয়ে দেন।এদিকে বৃদ্ধকে ঘুষি মারার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন।এ বিষয়ে জানতে মেয়র আবদুল কাদের মির্জার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। |
বিচারক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের করোনার টিকা নিতে প্রধান বিচারপতির নির্দেশ | দেশের যেসব অধস্তন আদালতের বিচারক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী করোনার টিকা নেননি তাদের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে টিকা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। একইসঙ্গে টিকাদান কার্ডসহ টিকা গ্রহণ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ১২ আগস্টের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবরের স্বাক্ষরে ... |
সেদিন ওরা গোটা বাংলাদেশকে আটক করেছিল: নিখিল | শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল-এর আহ্বানে ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাদ আসর মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।বিশেষ মোনাজাতে শেখ হাসিনার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।... |
সেদিন ওরা গোটা বাংলাদেশকে আটক করেছিল: নিখিল | ২০০৭ সালে তৎকালীন অবৈধ তত্ত্বাবধায়ক সরকার অগণতান্ত্রিকভাবে বিভিন্ন মিথ্যা, বানোয়াট, হয়রানী ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় গণতন্ত্রের মানসকন্যা বঙ্গবন্ধু তনয়া রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করেছিল। সেদিন শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে ওরা গোটা বাংলাদেশকেই আটক করেছিল।তিনি আরও বলেন-গ্রেফতারের পূর্বে প্রিয়নেত্রী চিকিৎসার জন্য বিদেশ ... |
সেদিন ওরা গোটা বাংলাদেশকে আটক করেছিল: নিখিল | তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখানো হয়। কিন্তু শেখ হাসিনা ভয় পাওয়ার মানুষ নয়। যে মাটিতে মিশে আছে তাঁর রক্ত, তাঁর নাড়ী, তাঁর নার্ভ সেই মাটিতে আসতে কোনো বাধাই তাঁকে আটকিয়ে রাখতে পারে নাই। তিনি দেশের টানে, দেশের মানুষের টানে সকল রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে সেদিন দেশের মাটিতে পা রেখেছিলেন |
সেদিন ওরা গোটা বাংলাদেশকে আটক করেছিল: নিখিল | তিনি আরও বলেন-রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হলে শেখ হাসিনার নির্দেশে যুবলীগের নেতাকর্মীরা রাজপথে নেমে আসে। আওয়ামী লীগ, যুবলীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ও গণতন্ত্রপ্রত্যাশী দেশবাসীর ক্রমাগত প্রতিরোধ আন্দোলন, বঙ্গবন্ধুকন্যার আপোষহীন ও দৃঢ় মনোভাব এবং দেশবাসীর অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ১১ জুন দীর্ঘ ১১ মাস কা... |
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কেন স্নাতক নয়? | দেশের সব বেসরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম স্নাতক (গ্র্যাজুয়েট) কেন করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। শিক্ষা সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) এবং উচ্চ ও মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে চার... |
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কেন স্নাতক নয়? | রিট আবেদনকারীপক্ষে আইজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট ফয়েজ আহমেদ। শুক্রবার এ আদেশের তথ্য জানান অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন লিমন।সকল বেসরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম স্নাতক করার জন্য গতবছর ২৯ সেপ্টেম্বর সংশ্লিস্টদের প্রতি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু সংশ্লি... |
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কেন স্নাতক নয়? | রিট আবেদনের বিষয়ে আইনজীবী জহির উদ্দিন লিমন বলেন, দেশের যেকোনো একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে হলে কমপক্ষে স্নাতক ডিগ্রিধারী হতে হয়। কেউ কেউ সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেও এসব প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। সেই শিক্ষকদের পরিচালনার ক্ষেত্রে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যুনতম স্নাতক পাস অথবা গ্র্যাজুয়েট হওয়... |
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কেন স্নাতক নয়? | স্নাতক (পাস) ও অনার্স-মাস্টার্স কলেজের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হওয়ার ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ডিগ্রি পাস নির্ধারণ করা আছে। অন্যদিকে, গ্র্যাজুয়েট ব্যক্তি ছাড়া (ডিগ্রি পাসের নিচে নয়) ফাজিল (স্নাতক) মাদরাসার গভর্নিং বডির সভাপতি হতে পারবেন না বলেও অভিমত দিয়েছেন হাইকোর্ট। অথচ দেখা যায়, কোনো কোনো মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচা... |
কাল রাতে আসছে সিনোফার্মের আরো ২০ লাখ টিকা | আগামীকাল শনিবার রাতে দেশে এসে পৌঁছাবে চীনের প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মের আরো ২০ লাখ ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (ইপি আই) ডাক্তার শামসুল হক কালের কণ্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এর আগে এই টিকার আরো ৩১ লাখ এসেছে দেশে। এর মধ্যে ২০ সরকারের কেনা এবং ১১ লাখ চীন সরকারের উপহার। |
সিউলের মাল্টি কালচার মিউজিয়ামে ‘বাংলাদেশ প্যাভেলিয়ন’ উদ্বোধন | সিউলস্থ মাল্টি কালচার মিউজিয়ামে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশ প্যাভেলিয়ন’ উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম এবং মিউজিয়ামের পরিচালক কিম উন তাই (Kim Yun Tae) ফিতা কেটে যৌথভাবে প্যাভেলিয়নের শুভ উদ্বোধন করেন। এ সময় দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।বাংলাদেশ প্যাভেলিয়নে বাংলাদেশের রি... |
সিউলের মাল্টি কালচার মিউজিয়ামে ‘বাংলাদেশ প্যাভেলিয়ন’ উদ্বোধন | একইসাথে প্যাভেলিয়নের কেন্দ্রস্থলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপর কোরিয়ান ভাষায় অনুদিত বিভিন্ন গ্রন্থসমূহ, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ, ‘বঙ্গবন্ধু দ্য পিপলস হিরো’ এবং ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ দর্শনার্থীদের জন্য প্রদর্শন করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম কিম উন তাই (Kim Yun Tae) কে বাংলাদেশের... |
তরুণদের উগ্রবাদে আকৃষ্ট করতেন গুনবী : র্যাব | নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিতর্কিত বক্তা মাহমুদুল হাসান গুনবীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার ঢাকার শাহ আলী থানার বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। চলতি বছরের মে মাসের প্রথম দিকে গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। জুনের শেষের দিকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের পরিপ্রেক্ষ... |
তরুণদের উগ্রবাদে আকৃষ্ট করতেন গুনবী : র্যাব | সেখানে ২-৩ দিন অবস্থান করেন। পরে দেশ ত্যাগেরও চেষ্টা করেন তিনি।আজ শুক্রবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।তিনি বলেন, দাওয়াতে ইসলামসহ বেশ কয়েকটি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এসব সংগঠনের আড়ালে তরুণদের টার্গেট করতেন তিনি (গুনবী) |
তরুণদের উগ্রবাদে আকৃষ্ট করতেন গুনবী : র্যাব | এরপর তাদের পার্বত্য অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে পরিবার, স্বজনদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হতো। এবং এই সময়ে ধর্মীয় অপব্যাখ্যা, স্বাভাবিক জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা তৈরি করে এসব তরুণদের জঙ্গিতে পরিণত করতেন।তিনি আরো বলেন, মাহমুদ হাসান গুনবী ওরফে হাসান একজন দর্শন পরিবর্তনকারীর ভূমিকা পালন করে থাকে। সে আনসার আল ইসলামের... |
তরুণদের উগ্রবাদে আকৃষ্ট করতেন গুনবী : র্যাব | দর্শন পরিবর্তনের কৌশল সম্পর্কে গ্রেপ্তার গুনবি জানায়, বিভিন্ন কার্যক্রম গোপন আস্তানায় বিশেষ প্রশিক্ষণ মাধ্যমে দেওয়া হয়। যেখানে প্রশিক্ষণার্থীরা আত্মীয়-স্বজন, পরিবার বন্ধু বান্ধব থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে। প্রশিক্ষণার্থীদের বাইরের জীবন, সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞান ইত্যাদি থেকে দূরে রাখা হয়। এরপর তাদের মস্তিষ্কে ধর্মীয় ... |
তরুণদের উগ্রবাদে আকৃষ্ট করতেন গুনবী : র্যাব | বিভিন্ন ওয়াজে বক্তব্যের মাধ্যমে গুনবী তরুণদের উগ্রবাদে আকৃষ্ট করতেন বলেও জানান র্যাব কর্মকর্তা। বলেন, তার মতো যারা মানুষকে আকৃষ্ট করে আসছিল তারা নিজেদের ‘মানহাজী’ বলে পরিচয় দিত। গুনবীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য জানতে পারার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।র্যাব জানিয়েছে, গুনবী পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলে পড়াশোনার প... |
তরুণদের উগ্রবাদে আকৃষ্ট করতেন গুনবী : র্যাব | ২০০৮ সালে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রহমানিয়া আরাবিয়া থেকে তাইসির থেকে দাওরায়ে হাদিস শেষ করেন। এরপর ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সজারের বিভিন্ন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা শুরু করেন। পাশাপাশি ধর্মীয় মতাদর্শের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হন।২০১০ সাল থেকে তিনি ওয়াজ মাহফিল শুরু করেন। ২০১৪ সাল থেকে ধর্মীয়... |
এমপিকে বিধবা মায়ের সোনার আংটি উপহার! | একেই বলে অকৃত্রিম হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা। গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার খোদেজা বেগম গড়লেন অন্যরকম ভালোবাসার দৃষ্টান্ত। তিল তিল করে জমানো টাকা দিয়ে সোনার আংটি বানিয়ে সেটি নিজের সন্তানদের দেননি, কোনো আত্মীয়স্বজনকেও না। দিয়েছেন সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন সবুজকে |
এমপিকে বিধবা মায়ের সোনার আংটি উপহার! | এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে রীতিমতো এই নারীকে নিয়ে প্রশংসার ঝড় বয়ে যায়। বিধবা খোদেজা বেগমের মাতৃতুল্য ভালোবাসায় বুঁদ হয়ে যান নেটিজেনরা।জানা গেছে, শ্রীপুরের গাজীপুর ইউনিয়নের বন মল্লিকা আদর্শ গুচ্ছগ্রামে বসবাস স্বামীহারা খোদেজা বেগমের। পাঁচ মেয়েকে নিয়ে তাঁর সংগ্রামী জীবন |
এমপিকে বিধবা মায়ের সোনার আংটি উপহার! | গত বুধবার (১৪ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রেরিত ঈদ উপহার পৌঁছে দিতে সরকারি ওই আশ্রয়ণ প্রকল্পে গিয়েছিলেন সাংসদ ইকবাল হোসেন সবুজ। এ সময় খোদেজা ছুটে এসে সবুজের হাতের আঙুলে একটি সোনার আংটি পরিয়ে দেন। এ সময় সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এ অবস্থা দেখে সবাই উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন |
এমপিকে বিধবা মায়ের সোনার আংটি উপহার! | ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহ মো. ওমর ফারুক। অভূতপূর্ব ওই দৃশ্যটি নিয়ে আপ্লুত ফারুক বলেন, একজন অচেনা-অজানা মা এভাবে নিরেট ভালোবাসা দেখিয়েছেন, তা সত্যিই অনুকরণীয়। আংটিখানা পরিয়ে দেওয়ার সময় তার চোখেমুখে যে উচ্ছ্বাস দেখেছি তা উপস্থিত সবাইকে আবেগতাড়িত ও আপ্ল... |
এমপিকে বিধবা মায়ের সোনার আংটি উপহার! | নির্মল, সুন্দর ও নিষ্পাপ ভালোবাসার কাছে আমরা অনেক সময় হেরে যাই। তেমনই এক অসামান্য উদাহরণ সৃষ্টি করলেন এই মহীয়সী নারী, সংগ্রামী মা।জানতে চাইলে ইকবাল হোসেন সবুজ বলেন, এই মা এর আগে গাজীপুর শহরে আমার বাসায় এসে একবার দেখা করে আংটি উপহার দিতে চেয়েছিলেন। তাকে খুশি করতে আংটিটা হাতে কিছুক্ষণ রেখে উনার আঁচলে বেঁধে দিয়েছি... |
কর্মহীন মানুষের মাঝে নবম বিসিএস ফোরামের সহায়তা | মানবিক সহায়তা নিয়ে আবারও কর্মহীন দিনমজুরদের পাশে দাঁড়িয়েছে নবম বিসিএস ফোরাম। আজ শুক্রবার ঢাকা জেলা প্রশাসনের সহায়তায় রাজধানীর বারিধারায় ক্রিশ্চিয়ান চার্চ প্রাঙ্গণে ফোরামের কল্যাণ তহবিল থেকে ৪০০ পরিবারের জন্য মানবিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।করোনাভাইরাসের উচ্চগতির সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন দিনমজুরর... |
কর্মহীন মানুষের মাঝে নবম বিসিএস ফোরামের সহায়তা | এমন অসহায় মানুষের জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়েছে বিসিএস নবম ব্যাচ ফোরাম।মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কর্মহীন মানুষের ৪০০ পরিবারকে দেওয়া হয়েছে চাল, ডাল, তেল, চিনি, আলু, লবণ, সেমাইসহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় উপকরণ। যা দিয়ে চার সদস্যের একটি পরিবারের এক সপ্তাহ চলবে বলে আশা করছেন ফোরাম নেতৃবৃন্দ।ফোরামের সভাপতি ও প্রধানমন... |
কর্মহীন মানুষের মাঝে নবম বিসিএস ফোরামের সহায়তা | ত্রাণ বিতরণ শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফোরাম নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তিকে মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।এ সময় ঢাকা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং চার্চের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সার্বক্ষণিক উপস্থিত থেকে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে সহায়তা করেন।এর আগে গত ২৪ এপ্রিল ঢাকার ধোলাইপ... |
‘আমাদের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থায় নানা ধরনের অসঙ্গতি রয়েছে’ | গ্রাজুয়েটদের শুধু মার্কেট বেইজড শিক্ষা গ্রহণ করলেই চলবে না, তাদেরকে আদর্শবান, দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে তৈরি হতে হবে বলে মনে করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমাদের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থায় নানা ধরনের অসঙ্গতি রয়েছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করে আমা... |
‘আমাদের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থায় নানা ধরনের অসঙ্গতি রয়েছে’ | এ কারণে আমাদের শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা গ্রহণ করে মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসাবেও গড়ে তোলা জরুরি। ’আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) রাতে ‘ওয়ার্ল্ড উইথ স্কিলস ডে’ উপলক্ষে গ্রামীণফোন এবং ইউএনডিপি যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ওয়েবিনারে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন উপাচার্য।উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের তথ্... |
‘আমাদের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থায় নানা ধরনের অসঙ্গতি রয়েছে’ | এসবের সমন্বয় যদি না হয়, তাহলে আমাদের শিক্ষা গ্রহণের যে মূল লক্ষ্য: সমতা ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা, সেটির ব্যত্যয় ঘটবে। এ কারণেই বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং উন্নত-সমৃদ্ধ জাতি গঠনের জন্য আমাদের গ্রাজুয়েটদের আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তৈরি করতে হবে। প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠী তৈরির জন্য প্রাথমিক পর্... |
‘আমাদের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থায় নানা ধরনের অসঙ্গতি রয়েছে’ | তিনি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ প্রকৃত অর্থেই উন্নত রাষ্ট্র হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত আলোচক হিসেবে ছিলেন এনএসডিএ’র এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান দুলাল কৃষ্ণ সাহা, ক্যাম্পে’র নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, আইএলও’র প্রধান কারিগরি উপদেষ্টা লোত্তে কাইজার, ইউএনডিপির আবাসিক প্রতি... |
ছাত্রলীগের জাপান ওসাকা আঞ্চলিক কমিটি অনুমোদন | সাকিব হাসানকে সভাপতি, ইয়াছিন আরাফাতকে সাধারণ সম্পাদক ও আবু বকর মিশাদকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ছাত্রলীগের জাপান ওসাকা আঞ্চলিক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।আজ শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের নির্দেশে... |
মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন প্রয়োজন: শম রেজাউল | দেশবিরোধী অপশক্তির ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতা প্রতিরোধে আওয়ামী লীগসহ প্রগতিশীল সকল রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সর্ব... |
মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন প্রয়োজন: শম রেজাউল | এ সময় তিনি আরো বলেন, "জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে দেশে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার যে সূচনা হয়েছিল, আজ তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তা বিকশিত হয়েছে। "সংগঠন এবং জাতির দুঃসময়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার অনবদ্য অবদানের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো যোগ করেন, "দেশের চলমান উন্ন... |
তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে ইউএনডিপি-গ্রামীণফোনের মাস্টার ক্লাস শুরু | দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দেশজুড়ে তরুণদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তার উদ্দেশ্যে ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস’ উপলক্ষে ১৫ জুলাই ‘গেট ফিউচার রেডি: নিড ফর স্কিলস’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) ও গ্রামীণফোন।তরুণদের দক্ষ করে তোলার প্রয়োজনীয়তার কৌশলগত গুরুত্ব এবং দেশে... |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.