title stringlengths 6 104 | content stringlengths 46 9.36k |
|---|---|
'বিএনপি কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে নিজেরা মারামারি করে' | আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে গ্রামবাংলা উন্নয়ন কমিটি এবং পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) যৌথ আয়োজনে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. হাছান মাহমুদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আলোকপাত করে বলেন, শহর তথা দেশকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্... |
'খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে হাত মিলিয়েই চলছেন' | তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জঙ্গি ও রাজাকারদের সাথে বেগম খালেদা জিয়ার সম্পর্ক থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি বিপজ্জনক। খালেদা জিয়া জঙ্গি ও রাজাকার পালবে এটা আমরা হতে দেব না। তিনি জঙ্গি আর যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে হাত মিলিয়েই চলছেন।তথ্যমন্ত্রী আজ মিরপুর ফুটবল মাঠে উপজেলা জাসদ আয়োজিত এক জনসভায় ... |
'খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে হাত মিলিয়েই চলছেন' | উপজেলা জাসদের সভাপতি মহাম্মদ শরীফের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলীর সঞ্চালনে বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার এমপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রোকোনুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আনোয়ার ও দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লা হিল কাইয়ুম।আগামী নির্বাচন কোনভাবেই সহায়ক সরকারের... |
'খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে হাত মিলিয়েই চলছেন' | তথ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে, মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধের পথেই হাঁটছেন। তিনি ভুল স্বীকার করেননি, তওবা পড়েননি, জনগণের কাছে মাফ চাননি। বরং তার ও তার দোসরদের সকল অপকর্মের সাফাই গেয়েই যাচ্ছেন। |
খুলনা-কলকাতা ট্রেনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আগামীকাল | খুলনা থেকে কলকাতা পর্যন্ত চলাচলকারী মৈত্রী ট্রেন আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে আগামীকাল। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই ট্রেনটি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, খুলনা অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পর খুলনা-ক... |
খুলনা-কলকাতা ট্রেনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আগামীকাল | তিনি বলেন, দ্বিতীয় মৈত্রী এক্সপ্রেস নামে এই ট্রেন সার্ভিস চালুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে রেল যোগাযোগ বৃদ্ধিসহ আন্তর্জাতিক ট্রান্স-এশিয়ান রেলরুটে অন্তর্ভুক্ত হবে বাংলাদেশ। এতে রেলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানির সুবিধাসহ যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বৃদ্ধি পাবে।হাবিবুর রহমান বলেন, খুলনা-কলকাতা ট্রেন সার্ভিস আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন... |
খুলনা-কলকাতা ট্রেনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আগামীকাল | এ ক্ষেত্রে যারা কলকাতা যাবেন তাদের ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন এবং কলকাতা থেকে যারা বাংলাদেশে আসবেন তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা কলকাতা স্টেশনেই সম্পন্ন করা হবে।তিনি বলেন, এই সার্ভিস চালু হলে ঢাকা ও কলকাতার দুই প্রান্তে শুরুতেই ইমিগ্রেশন, কাস্টমসসহ অন্যান্য দাফতরিক কাজ সেরে নেয়া হবে। ফলে মৈত্রী এক্সপ্রেসের মধ্যপথে আর কোথাও বি... |
খুলনা-কলকাতা ট্রেনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আগামীকাল | এখন এই ট্রেনের যাত্রীদের বাংলাদেশের দর্শনা ও ভারতের গেদে স্টেশনে ইমিগ্রেশন কাজ সারতে হয়। এ সময় যাত্রীদের সকল মালামাল নিয়ে ট্রেন থেকে নেমে কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা সেরে আবারো মালামাল নিয়ে ট্রেনে উঠতে হয়। ইমিগ্রেশনের কাজ সারতে মাঝপথে প্রায় ৩ ঘন্টা সময় চলে যায়। বিষয়টি অনেক সময় যাত্রীদের জন্য বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় |
খুলনা-কলকাতা ট্রেনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আগামীকাল | রেলওয়ের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, যাত্রাপথে দু’দেশের ইমিগ্রেশনের ঝামেলা দুর করতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে ইমিগ্রেশন, কাস্টমসসহ অন্যান্য চেক আপ সেরে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ট্রেনের ভেতরে খাদ্য-পানীয়ের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকায় মাঝ পথে কোথাও থামানোর প্রয়োজন নেই। ট্রেনটি কলকাতা থেকে ঢাকা পৌঁছাতে প্রায় ৩৭৫ কিলোমিটার ... |
খুলনা-কলকাতা ট্রেনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আগামীকাল | সেখানে ভ্রমণ সময় ৯ থেকে ১০ ঘন্টায় নেমে আসবে।তিনি জানান, মৈত্রী ট্রেনের সেবার মান আরও বাড়াতে এবং এই ট্রেনে ভ্রমণ সহজ, আরাম দায়ক ও গতি বাড়াতে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।দুই বন্ধু প্রতীম দেশের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার সম্প্রসারণে দীর্ঘ ৪৩ বছর পর ২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল মৈত্রী ট্রেনের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত রেল যোগাযোগ শুরু হয়। বৃ... |
খুলনা-কলকাতা ট্রেনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আগামীকাল | এটি এখন সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। ভাড়া ভ্রমণ করসহ ১৬৩৩ টাকা। প্রাপ্ত বয়স্কদের সাথে ৫ বছরের নিচের বয়সের শিশুদের ৫০ শতাংশ কম ভাড়ায় যাতায়াত করতে পারে।রেল মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার শরিফুল আলম জানান, অপেক্ষাকৃত কম ভাড়া ও আরামদায়ক ভ্রমণ হওয়ায় এখন ঢাকা-কলকাতা ভ্রমণের ক্ষেত্রে মৈত্রী এক্সপ্রেস বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফ... |
'বিএনপির সমাবেশের অনুমতির সাথে গণতন্ত্রের কোন সম্পর্ক নেই' | আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির সমাবেশের অনুমতির সঙ্গে গণতন্ত্রের কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সমাবেশের অনুমতি দেয় না, অনুমতি দেয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগস্থ জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের সাত দিনব্যাপী কর্মসূচীর... |
'বিএনপির সমাবেশের অনুমতির সাথে গণতন্ত্রের কোন সম্পর্ক নেই' | এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের সদস্য এডভোকেট রিয়াজুল কবির কাওছার ও আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এডভোকেট মোল্লা মো. আবু কাওছার উপস্থিত ছিলেন।ওবায়দুল কাদের বলেন, বৃহস্পতিবার শহীদ সোহরাওয়াদী উদ্যানে নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এ সমাবেশে প্রধানমন্ত্... |
'বিএনপির সমাবেশের অনুমতির সাথে গণতন্ত্রের কোন সম্পর্ক নেই' | আর আজকের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও তো আমরা বিশাল করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে করতে পারতাম। তা না করে এ অনুষ্ঠান আমরা একটি মিলনায়তনে করলাম।কাদের বলেন, বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আগামী ১২ নভেম্বরে বিএনপির সমাবেশের সঙ্গে গণতন্ত্রের সম্পর্ক কিভাবে দেখতে পেলেন তা আমরা বুঝে উঠতে পারছি না।এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, বিএনপি ক্ষম... |
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন চায় সিপিএ | ক্রমবর্ধমান জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যাগুলো মোকাবেলায় প্যারিস জলবায়ু চুক্তির দ্রুত বাস্তবায়ন চায় কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ)। সিপিএ সম্মেলনে এ সমস্যা মোকাবেলায় একটি অভিন্ন কাঠামোর আওতায় কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো। সম্মেলনের সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্তে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।এদিকে, আ... |
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন চায় সিপিএ | সিপিএ সম্মেলনে গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কমনওয়েলথভুক্ত অনেক উন্নয়নশীল ও দরিদ্র রাষ্ট্র ভবিষ্যত জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের ঝুঁকিতে রয়েছে। সুতরাং সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো এ ঝুঁকি মোকাবেলায় একটি কাঠামো নিশ্চিত করতে পারে।সম্মেলনের ষষ্ঠ দিন গত সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন ক... |
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন চায় সিপিএ | এ বিষয়ে ওই কর্মশালার সঞ্চালক সেন্ট হেলেন দ্বীপপুঞ্জের সংসদ সদস্য ডেরেক থমাস কালের কণ্ঠকে বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তন একটি বৈশ্বিক সমস্যা। সিপিএ সদস্য দেশগুলো প্রতিনিয়ত জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সুতরাং আমাদের সবার উচিত এই পৃথিবীকে রক্ষায় কার্বন নিঃসরণের মাত্রা কমিয়ে আনতে সম্মিলিতভাবে কাজ করা। "... |
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন চায় সিপিএ | এ ছাড়া কার্বন নিঃসরণে আইনি সংস্কার, বিভিন্ন পলিসি বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ ও সম্পদ সচলকরণে কার্যকর ভূমিকা রাখা, যা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় সহায়ক হবে। "জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সিপিএ প্রতিনিধিরা প্যারিস জলবায়ু চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়ন চেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।এ বিষয়ে কর্মশালার মূল আলোচক... |
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন চায় সিপিএ | "সম্মেলনোত্তর পুনর্মিলনী মঙ্গলবার সাধারণ অধিবেশন শেষে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন সদস্য দেশগুলো থেকে আগত প্রতিনিধিরা। দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিরা আজ বুধবার গাজীপুরের সখীপুর আনসার একাডেমিতে পুনর্মিলনীতে মিলিত হন। সেখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য দেখার পাশাপাশি নানা আড্ডায় মিলিত হন তারা। সেখানে বাহারি খাবারের আয়োজনও ছিল |
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন চায় সিপিএ | বিকেলে শেষ হয় পুনর্মিলনী।পুনর্মিলনীতে অংশ নেন সিপিএ'র বিদায়ী চেয়ারপারসন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, বর্তমান চেয়ারপারসন ক্যামেরুনের ডেপুটি স্পিকার অ্যামেলিয়া মোনজোয়া লিফানকা, বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান ও ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়া প্রমুখ।উল্লেখ্য, রাজধানী ঢাকায় সিপিএ'র ৬৩তম সম্মেলন গত ১ নভে... |
পদোন্নতি পেয়েছেন ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তা | পুলিশের ৩৩ কর্মকর্তা অতিরিক্ত উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।আজ বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।পদোন্নতিপ্রাপ্তরা হলেন, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মো. হারুন-অর-রশিদ, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ নাজ... |
শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের ৬৭তম জন্মবার্ষিকী কাল | আগামীকাল শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের ৬৭তম জন্মবার্ষিকী। এ উপলক্ষে গাজীপুর মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও উপজেলায় নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে হায়দরাবাদ গ্রামে কবর জিয়ারত ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, পবিত্র কোরআন খানি, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং আলোচনা সভা। গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ, শ্রমিক লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাস... |
শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের ৬৭তম জন্মবার্ষিকী কাল | গাজীপুর ও টঙ্গি প্রেসক্লাব আগামীকাল পৃথকভাবে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে।শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার ১৯৫০ সালের ৯ নভেম্বর গাজীপুরের হায়দরাবাদ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে যাওয়ার ৩দিন আগে নিজ গ্রামের বাড়িতে পাক হানাদার বাহিনীর কাছ থেকে প্রাণে বেঁচে যান। ভারতে গমন করে মুক্তিযুদ্ধে সক্... |
শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের ৬৭তম জন্মবার্ষিকী কাল | তিনি নোয়াগাঁও হাইস্কুলে শিক্ষকতার পাশাপাশি শ্রমজীবী মানুষের সংগঠন জাতীয় শ্রমিক লীগের সাথে যুক্ত হন। পরে তিনি দুই বার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, একবার উপজেলা চেয়ারম্যান, দুইবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জাতীয় শ্রমিকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও কার্যকরী সভাপতি নির্বাচিত হন।তিনি ২০০৪ সালের ৭ মে টঙ্গীর নোয়াগা... |
টুঙ্গিপাড়া সমস্ত বাঙালির তীর্থস্থান : সেতুমন্ত্রী | 'টুঙ্গিপাড়া সমস্ত বাঙালির তীর্থস্থান' বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।আজ বুধবার বিকালে জাতীয় জাদুঘরে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের ইউনেস্কো স্বীকৃতি উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সম্পর্কে তিনি বলেন, এই ভাষণটি এতদিন বাঙালির ... |
রাজধানীর ২৩ স্কুল এখনো দখলে | দখলদারদের চিহ্নিত করার পর তিন বছরেও দখলমুক্ত হয়নি রাজধানীর ২৩ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ের জমি ও ভবনের দখলদারদের তালিকায় ক্ষমতাবান-প্রভাবশালী ব্যক্তি থেকে শুরু করে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যরাও রয়েছেন। এমনকি সাতটি বিদ্যালয়ের জমিতে বসেছে ওয়াসার পাম্প, ১০টির জমিতে হয়েছে মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং পাঁচটির জমি দ... |
রাজধানীর ২৩ স্কুল এখনো দখলে | এ কমিটি ওই বছর অক্টোবরে একটি উপকমিটি করে দেয়। এরপর উপকমিটি ওই ৫১টি বিদ্যালয়ের ২৩টি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে।গত তিন বছরে দুবার এ বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দিয়েছে ঢাকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। তবে তাতে শুধু আলোচনা চলছে, সুপারিশ করা হয়েছে এসবই বলা হয়েছে |
রাজধানীর ২৩ স্কুল এখনো দখলে | এদিকে এই ২৩ বিদ্যালয়ের বাইরে তালিকার বাকি ২৮ বিদ্যালয়কে দখলমুক্ত দাবি করা হলেও বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন। কিছু বিদ্যালয়ের জমি-ভবন দখলমুক্ত করার কিছুদিন যেতে না যেতে আবারো দখলে চলে গেছে।রাজধানীর পুরান ঢাকার ইসলামিয়া ইউপি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গা ও ভবন দখল করে রেখেছিল একটি চক্র।৫১ বিদ্যালয়ের তালিকায় এই বিদ্যালয়ের না... |
রাজধানীর ২৩ স্কুল এখনো দখলে | নাম আসার কিছুদিন পর তা দখলমুক্ত করা হয়। এরপর প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের নিয়ে ওই বিদ্যালয় পরিদর্শনও করেন। এরপর নতুন ভবন নির্মাণের উদ্দেশ্যে চলতি বছরের শুরুর দিকে পুরনো ভবন ভাঙার নিলামও ডাকা হয় সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু এরপর একটি গ্রুপ আদালতের এক বছরের নিষেধাজ্ঞার কাগজপত্র নিয়ে হাজির হয় |
রাজধানীর ২৩ স্কুল এখনো দখলে | তখন নিলাম স্থগিত করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। রাজধানীর বেদখল হওয়া ২৩ বিদ্যালয়ের ব্যাপারে সর্বশেষ অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরি করেছে ঢাকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। তাতে বলা হয়, কোতোয়ালির এফ কে এম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় তলা বংশাল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের দখলে রয়েছে এবং বিদ্যালয়ের নিচতলায় দোকান। ছোট কাটরা প্রাথমিক ... |
রাজধানীর ২৩ স্কুল এখনো দখলে | নাজিরা বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমস্যা স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তির সঙ্গে আলোচনা করে নিষ্পত্তি করতে হবে। গেণ্ডারিয়া মহিলা সমিতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গায় কিছু দোকান তুলে দখল করা হয়েছে; যা জরুরি ভিত্তিতে উচ্ছেদ করা প্রয়োজন।ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, সূত্রাপুরের এম এ আলীম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গা কম রেকর্ড হওয়ায় ল্যান্ড ট... |
রাজধানীর ২৩ স্কুল এখনো দখলে | প্রতিবেদনে বাংলাবাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় নিকটবর্তী স্থানে সরকারের খাস জমি বা অর্পিত সম্পত্তিতে জরুরি স্থানান্তর করার সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া বলা হয়, সূত্রাপুরের শিশুরক্ষা সমিতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরনো ভবন নিলাম করা হয়েছে এবং ভাঙার কাজ চলছে। গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের দোকান ও বিল বোর্ড সরাতে স্থানীয় সংসদ স... |
রাজধানীর ২৩ স্কুল এখনো দখলে | পল্লবী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি সার্ভেয়ারের মাধ্যমে জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করার কথা বলা হয় ওই প্রতিবেদনে। এতে উল্লেখ করা হয়, উচ্চ বিদ্যালয়ের মালামাল প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পল্লবীর আ. মান্নান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি অবাঙালিদের দখলে রয়েছে। বিদ্যালয়ের জায়গা অনুকূলে আনার জন্য স্থানীয় সংসদ... |
রাজধানীর ২৩ স্কুল এখনো দখলে | পল্লবীর উত্তর কালশীর খলিলুর রহমান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমির মালিকানা নির্ধারণে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয় সমন্বয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক করতে হবে। পল্লবীর বনফুল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারে অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে আদালতের শরণাপন্ন হতে বলা হয় প্রতিবেদনে।সর্বশেষ অগ্রগতি প্রতি... |
রাজধানীর ২৩ স্কুল এখনো দখলে | বিদ্যালয়ের জায়গায় টিনের ঘর উচ্ছেদ করতে হবে। বিদ্যালয়ের দুটি কক্ষও অবৈধ দখলে রয়েছে।ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মোহাম্মদপুরের শাহীন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৬ শতাংশ জমি রয়েছে। তবে অবৈধ দখলদাররা একটি অংশ দখল করে রেখেছে |
রাজধানীর ২৩ স্কুল এখনো দখলে | এ জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের সহযোগিতা নিতে বলা হয়।এ ছাড়া আগারগাঁও তালতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মসজিদের অজুখানা রয়েছে। মোহাম্মদপুরের বরাবো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা চিহ্নিত করা হয়েছে। এখন অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করতে হবে |
রাজধানীর ২৩ স্কুল এখনো দখলে | প্রতিবেদনে যাত্রাবাড়ীর ব্রাহ্মণ চিরন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দখলদারকে জরুরি ভিত্তিতে উচ্ছেদ করার কথা বলা হয়। এ ছাড়া মাতুয়াইল পশ্চিমপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়কে মৃত নূর মোহাম্মদের দান করা ২১ শতাংশ জমি খুঁজে বের করতে হবে। মাতুয়াইলের ধার্মিক পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দখলদার নজরুল ইসলামের বিষয়ে বিস্তারিত পুলিশ প্রশাসন ও জেলা প্রশাস... |
রাজধানীর ২৩ স্কুল এখনো দখলে | এ জন্য সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে বলা হয় প্রতিবেদনে। এ ছাড়া বলা হয়, মতিঝিলের টিএন্ডটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমির কাগজপত্র সংগ্রহ করে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করতে হবে। খিলগাঁও স্টাফ কোয়ার্টার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে জমি মাপা হয়েছে। এখন দখলদারদের উচ্ছেদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে |
রাজধানীর ২৩ স্কুল এখনো দখলে | এসব বিষয়ে ঢাকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহিন আরা বেগম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অনেক বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তা প্রয়োজন। এ ছাড়া বেশ কয়েকটিতে আইনি জটিলতা রয়েছে। ফলে সব বিদ্যালয় সম্পূর্ণভাবে দখলমুক্ত করতে সময় লাগছে। তবে আমরা এরই মধ্যে অনেক বিদ্যালয়ের জমিই পুনরুদ্ধা... |
বিএসএমএমইউয়ের ভর্তি পরীক্ষা ১০ নভেম্বর | বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অধীন ‘ফেজ-এ’ মার্চ ২০১৮ সেশনের ভর্তি পরীক্ষা ১০ নভেম্বর।রাজধানীর বুয়েট মেইন ক্যাম্পাস, বুয়েট পলাশী ক্যাম্পাস ও ইডেন মহিলা কলেজে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।মোট ৬২টি ডিসিপ্লিনে ভর্তির জন্য ১ হাজার ৯৯টি আসনের বিপরীতে ৮ হাজার ১৬২ পরীক্... |
বিএসএমএমইউয়ের ভর্তি পরীক্ষা ১০ নভেম্বর | এদিকে, বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খানের সাথে নেপালের ডেপুটি চীফ মিশন ও মিনিস্টার কাউন্সিল ধন বহাদুর আলী ও সেকেন্ড সেক্রেটারি ডিলী আর্চায়া আজ তার সাথে সাক্ষাৎ করেন। এসময় চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।বিশেষ করে নেপাল থেকে আগত রোগীদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যাল... |
অর্ধেক স্কুলেই অবকাঠামো সমস্যা, জরাজীর্ণ ১০ হাজার | স্কুল ভবনের ছাদ ও দেয়াল থেকে খসে পড়েছে পলেস্তারা। বেরিয়ে এসেছে ছাদ ও বিমের মরীচিকা ধরা রড। সামান্য বৃষ্টিতেই ভবনের ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে কক্ষের ভেতরে। আবার অনেক স্কুলের টিনের ঘরের টিন ফুটো, বেড়া ভাঙা |
অর্ধেক স্কুলেই অবকাঠামো সমস্যা, জরাজীর্ণ ১০ হাজার | বৃষ্টি হলেই ভিজে যায় বই-খাতা। ঘরগুলো কোনো রকমে নড়বড়ে অবস্থায় টিকে আছে। এমন জরাজীর্ণ অবস্থায় চলছে দেশের ১০ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ ছাড়া নতুন ভবন ও সংস্কার প্রয়োজন আরো ২০ হাজার স্কুলের |
অর্ধেক স্কুলেই অবকাঠামো সমস্যা, জরাজীর্ণ ১০ হাজার | ফলে দেশের ৬৪ হাজার স্কুলের মধ্যে ৩০ হাজারই অবকাঠামো সমস্যায় রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এমন স্কুল ভবন সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ না করায় বিপাকে রয়েছে শিশু শিক্ষার্থীরা। জরাজীর্ণ ভবনগুলোতে প্রতিনিয়তই ঝুঁকি বাড়ছে।মাঠপর্যায়ের চাহিদা অনুযায়ী সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ হচ্ছে না |
অর্ধেক স্কুলেই অবকাঠামো সমস্যা, জরাজীর্ণ ১০ হাজার | ঝুঁকি নিয়েই শিশুরা কোথাও কোথাও পরিত্যক্ত ভবনে ক্লাস করছে। আবার কোথাও ঝুঁকি এড়াতে ভবনের বাইরে মাঠে ক্লাস হচ্ছে। মাঠপর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, শ্রেণিকক্ষ বা স্কুল ভবন সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের জন্য অধিদপ্তর বারবার তাগিদ দেওয়া হলেও কোনো লাভ হচ্ছে না। এ কারণে অনেকেই মন্ত্রী বা এমপির সুপারিশ-সংবলিত পত্রও নিয়ে আসছেন |
অর্ধেক স্কুলেই অবকাঠামো সমস্যা, জরাজীর্ণ ১০ হাজার | প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্র জানায়, ২০১৩ সালে একযোগে প্রায় ২৬ হাজার রেজিস্টার্ড, স্বীকৃতিপ্রাপ্ত, কমিউনিটি ও এনজিও পরিচালিত বেসরকারি প্রাথমিক স্কুল সরকারি করা হয়। জরাজীর্ণের তালিকায় থাকা স্কুলগুলোর বেশির ভাগই এই তালিকার। এ ছাড়া এসব স্কুলের বেশির ভাগ ভবনই হয়তো সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ করতে হবে।জানা যায়, একদিকে ... |
অর্ধেক স্কুলেই অবকাঠামো সমস্যা, জরাজীর্ণ ১০ হাজার | অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে ২০১২ সালে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। কিন্তু প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও জরাজীর্ণ সব ভবন পুনর্নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি স্কুলগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নে আরেকটি প্রকল্প চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। ইতিমধ্যে যেসব জরাজীর্ণ স্কুল রয়েছে সেগুলোর তালিকা নিয়ম... |
অর্ধেক স্কুলেই অবকাঠামো সমস্যা, জরাজীর্ণ ১০ হাজার | প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল কালের কণ্ঠকে জানান, জরুরি ভিত্তিতে জরাজীর্ণ এক হাজার ৪০০ স্কুলে ভবন নির্মাণের কাজ শিগগিরই শুরু হবে। তবে আগামী বছরের মধ্যে জরাজীর্ণ সব ভবনের নির্মাণকাজই শুরু হবে। নতুন জাতীয়করণ হওয়া স্কুলগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নে আলাদা একটি প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে। |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | প্রথম শ্রেণির আমার বাংলা বইয়ের ১১ নম্বর পৃষ্ঠায় পাঠ ৭-এ শিশুদের স্বরবর্ণ ‘অ’ চেনাতে একটি ছাগলের ছবি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘অজ আসে’। অথচ গ্রাম বা শহরের শিশুরা কেউ ‘অজ’ চেনেই না।১৬ নম্বর পৃষ্ঠায় স্বরবর্ণ ‘ও’ চেনাতে ওড়নার ছবি এঁকে বলা হয়েছে ‘ওড়না চাই’। এতে প্রথম শ্রেণিতেই কন্যাশিশুদের নাজুক পরিস্থিতির শিকার করা হয়েছে |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | একই বইয়ের ৭১ নম্বর পৃষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে ছবিটি ব্যবহার করা হয়েছে তা দেখে বোঝার উপায় নেই। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ছবিটি আরো সুন্দর ও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।বানানের অবস্থাও যাচ্ছেতাই। দ্বিতীয় শ্রেণির বাংলা বইয়ের ১৯ নম্বর পৃষ্ঠায় লেখা আছে ‘ভিতরে’, যার শুদ্ধ বানান হবে ‘ভেতরে’ |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | হবে ‘কথোপকথন’ অথচ বইয়ে লেখা হয়েছে ‘কথপোকথন’। ৪৪ নম্বর পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে ‘ডাঁশা ডাঁশা’ বানান, যা আসলে হবে ‘ডাসা ডাসা’। ৬৫ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘সুরঙ্গ’ বানান লেখা হয়েছে, যা হবে ‘সুড়ঙ্গ’।তৃতীয় শ্রেণির বাংলা বইয়ে কুসুমকুমারী দাশের ‘আদর্শ ছেলে’ কবিতাটির বেশির ভাগই ভুল লেখা হয়েছে |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | চতুর্থ শ্রেণির বাংলা বইয়ের ১৩ নম্বর পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে ‘বির্তক’, যা আসলে হবে ‘বিতর্ক’। ৮০ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘ঘুরে আসি সোনারগাঁও’ প্রবন্ধে একটি ছবির নিচে লেখা হয়েছে ‘শখের হাঁড়ি’। অথচ ওই প্রবন্ধের কোথায়ও ‘শখের হাঁড়ি’র উল্লেখ নেই। পঞ্চম শ্রেণির বাংলা বইয়ের ৩ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘সমুদ্র’ বানান লেখা হয়েছে ‘সমুদ’, ৯ পৃষ্ঠায় ‘অতীত’ বা... |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | ৯৪ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘সকাল’-এর জায়গায় ‘সকল’ লিখে পুরো বাক্যটির অর্থই বদলে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রণীত প্রাথমিকের প্রায় প্রতিটি বই এ রকম অজস্র ভুল-ত্রুটিতে ভরা। অনেক ক্ষেত্রেই দুর্বোধ্য শব্দ-বাক্য-ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, যা শিশুদের বুঝতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। সম্প্রতি পাঠ্যপুস্তকের সাম্... |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের ১৬ নম্বর পৃষ্ঠায় শিক্ষা লাভের অধিকার ছবিতে বই পড়ার ছবি দেওয়া হয়েছে। অথচ এখানে স্কুলের ছবিই বেশি মানানসই। খাদ্যের অধিকারে ভাত খাওয়ার ছবি দেওয়া হয়েছে। অথচ এখানে রুটিও রাখা যেত |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | ১৯ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘এসো বলি’তে বলা হয়েছে, ‘তোমার পরিবারে ছেলে ও মেয়েদের কী সমানভাবে দেখা হয়?’ অথচ এখানে প্রশ্ন করা যেত, ‘তোমার পরিবারে তুমি কি কি কর, তোমার ভাই-বোন কি কি করে?’ ৩০ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘একটি সত্যি ঘটনা’য় একজন মানুষের বর্ণনা আছে। অথচ তার নাম ও পেশার উল্লেখ নেই। এ রকম নানাভাবে দুর্বোধ্য করা হয়েছে বইটি।চতুর্থ শ্রেণ... |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | যেমন ‘শিশুরা কী কী সমস্যা বা অসুবিধায় ভুগতে পারে’। ১০ নম্বর পৃষ্ঠায় দ্বিতীয় লাইনে বলা হয়েছে, ‘বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সমাহারের কারণে’ অথচ সহজ করে লেখা যেত ‘বিভিন্ন জনগোষ্ঠী থাকার কারণে’। একই বইয়ের ৪৪ নম্বর পৃষ্ঠায় গ্রামাঞ্চলে কী কী সুযোগ-সুবিধা থাকা প্রয়োজন তা উল্লেখ করতে গিয়ে তালিকার শুরুতেই বলা হয়েছে, ‘শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান স... |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | সে ক্ষেত্রে এ দুটি বিষয় দিয়ে আসলে কী বোঝানো হয়েছে তা বোধগম্য নয়। একইভাবে ৪৬ নম্বর পৃষ্ঠায় শহরাঞ্চলে কী কী সুবিধা থাকা প্রয়োজন তার উল্লেখ করতে গিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান হাসপাতাল’। কিন্তু তালিকায় তার পরই আবার আলাদা করে ‘হাসপাতাল’ লেখা হয়েছে।একই বইয়ের ৭৮ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ’ প্রবন্ধের চত... |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | এ ক্ষেত্রে জাতীয় নাগরিক কমিশন তাদের প্রতিবেদনে সুপারিশ করেছে যে উল্লিখিত প্যারার সঙ্গে আরো যোগ করা প্রয়োজন, ‘জামায়াতে ইসলামী নেতা গোলাম আযম, নিজামী, মুজাহিদ, সাঈদীসহ অনেক যুদ্ধাপরাধীর নেতৃত্বে শান্তি কমিটি, রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনী গঠিত হয়। এরা লাখ লাখ নারী-পুরুষ শিশুদের হত্যা করে। ’পঞ্চম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব... |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | প্রয়োজনে তিন পক্ষের বদলে চার পক্ষও লেখা যেতে পারে। ৩৪ নম্বর পৃষ্ঠায় পাটের বর্ণনায় পাট থেকে শুধু রশি ও চটের থলে বা বস্তা তৈরি হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ পাট থেকে ব্যাগ, জুতা, জামা-কাপড়, সাজসজ্জার উপকরণ ও খেলনা তৈরির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। ৩৮ নম্বর পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে, ‘কাগজ কলগুলোতে গাছের গুড়ি থেকে কাগজ তৈরি হয় |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | ’ অথচ বাঁশ থেকেও কাগজ তৈরি হয়। এরপর বলা হয়েছে, ‘চিনিকলগুলোতে চিনি উৎপাদন ও পরিশোধন করা হয়’। অথচ আখ থেকে যে চিনি তৈরি হয় তা উল্লেখ করা হয়নি। এভাবে প্রাথমিকের প্রায় সব বইয়ে নানা অসামঞ্জস্য রয়েছে |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কারিকুলাম নিয়ে মূলত এনসিটিবিই কাজ করে। তবে আমরা নির্ভুল বই চাই, যাতে শিশুরা ভুল না শেখে। বইগুলো যত সহজ করা যাবে শিশুরা ততই আনন্দের সঙ্গে পড়বে। সেটাও আমরা বলেছি |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | সর্বশেষ ২০১৫ সালে প্রাথমিকের বইগুলো রিভিশন হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে আবারও রিভিশন হবে। ’কিন্ডারগার্টেনের বইয়েও শিশুদের সাম্প্রদায়িকতার শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। পাঠ্যপুস্তক সাম্প্রদায়িকীকরণ তদন্তে জাতীয় নাগরিক কমিশনের প্রতিবেদনে কিন্ডারগার্টেনের বইয়ে সাম্প্রদায়িক শিক্ষার চিত্র তুলে ধরা হয় |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শত বছর ধরে প্রচলিত সীতানাথ বসাক প্রণীত ‘আদর্শ লিপি’ বইটি বর্ণপরিচয়ের একটি অসাম্প্রদায়িক বই। এর কোথায়ও সাম্প্রদায়িক শব্দ ব্যবহার করা হয়নি। তবে এই বইটি খুব কম প্রকাশিত হচ্ছে। বর্তমান সময়ে বাজারের বেশির ভাগ বর্ণ পরিচয়ের বই বের হচ্ছে সাম্প্রদায়িক শব্দ ও বাক্য ব্যবহার করে |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | জাতীয় নাগরিক কমিশনের তদন্তেও সাম্প্রদায়িকতার বিষ্পপাপ ছড়ানো বেশ কিছু বইয়ের উদাহরণ দেওয়া হয়। তাতে ফ্রেন্ডস বুক সেন্টার, হিউম্যান পাবলিকেশনস, শিশু সাহিত্য সেন্টার, সাজু পাবলিকেশনসসহ বিভিন্ন বইয়ের কথা উল্লেখ রয়েছে। এসব বই সাধারণত কিন্ডারগার্টেনের প্লে শ্রেণিতে পড়ানো হয়। অভিভাবকরা শিশুদের প্রথম পাঠ হিসেবে বাসায়ও শিশুদের হা... |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | ফলে একটি শিশু তার প্রথম পড়ালেখার সময়ই সাম্প্রদায়িকতার শিক্ষা পাচ্ছে।কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৬-১৭, বাংলাবাজার থেকে প্রকাশিত ‘শিশু সাহিত্য সেন্টার’ প্রকাশনীর ‘একের ভিতর পঁচিশ’ নামের বইয়ের প্রায় সব বাক্যই ধর্মভিত্তিক। বইটিতে মূলত বিভিন্ন বর্ণ দিয়ে একই কথা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলা হয়েছে। স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ মিলিয়ে ৫০টি... |
ভুলে ভরা দুর্বোধ্য পাঠ্য বই | পাঠ্যপুস্তকের সাম্প্রদায়িকীকরণ তদন্তে জাতীয় নাগরিক কমিশনের সদস্যসচিব অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সাম্প্রদায়িকীকরণের এই ধারা শুধু জাতীয় শিক্ষা পাঠক্রমেই নয়, এর বাইরে কিন্ডারগার্টেনসহ বিভিন্ন ধরনের স্কুলে সাম্প্রদায়িক ও বর্ণবাদী শিক্ষা গুরুত্ব পাচ্ছে। কোমলমতি শিশুদের বর্ণশিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষার পুরো বইটি... |
ডিগ্রি ১ম বর্ষ পরীক্ষার ফল প্রকাশ | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে।গড় উত্তীর্ণের হার শতকরা ৮৩ দশমিক ৩১ ভাগ।আজ দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এক সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয়, সারাদেশের ১ হাজার ৮১৬ টি কলেজের ৬৯৩ টি কেন্দ্রে ৩ লাখ ২০ হাজার ১৮৬ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ কর... |
আনন্দ উধাও পড়ালেখায় | রাজধানীর মিরপুরের একটি কিন্ডারগার্টেনে নার্সারিতে পড়ে তাহমিদ। পাঁচ বছরের এই শিশুকে পড়তে হচ্ছে ১৩টি বই।সোনামনিদের বাংলা পড়া, অক্সফোর্ড এবিসি, স্পন্দন গণিত শেখা, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, জেনারেল নলেজ, অক্সফোর্ড নার্সারি রাইমস, খোকাখুকুর প্রথম লেখা প্রথম শেখা, ইংরেজি হ্যান্ড রাইটিং, ছোটদের আরবি ও ইসলাম শেখা, ফুলকুঁড়িদের মজ... |
আনন্দ উধাও পড়ালেখায় | পানির ফ্লাক্স ও টিফিন বক্সও নিতে হয়। গত ডিসেম্বরে প্রাথমিকের একটি শিশুর শরীরের ১০ শতাংশের বেশি ওজনের ব্যাগ বহন নিষিদ্ধ করতে নির্দেশ দেন আদালত। পাঁচ বছর বয়সী তাহমিদের ওজন ২০ কেজি। সর্বোচ্চ দুই কেজি ওজনের ব্যাগ বহন করার কথা তার |
আনন্দ উধাও পড়ালেখায় | কিন্তু প্রতিদিন তাকে অন্তত ছয়টি বই, আটটি খাতাসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র, ব্যাগ মিলে চার থেকে পাঁচ কেজি ওজন বইতে হয়।তাহমিদের মা আয়েশা আক্তার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘১৩টি বইয়ের মধ্যে দুটি বিনা মূল্যের সরকারি বই। এই দুটি বইয়ে যা আছে বাকি ১১টি বইয়ের বিষয়বস্তুও প্রায় একই।এর পরও সব বই আমার সন্তানকে পড়তে হয় |
আনন্দ উধাও পড়ালেখায় | সকাল ৮টায় স্কুল শুরু হয়। ছেলেকে ঘুম থেকে উঠতে হয় সকাল ৭টায়। এত সকালে উঠে খেতে চায় না। এর ওপর কাঁধে চাপিয়ে দিতে বাধ্য হই চার কেজি ওজনের ব্যাগ |
আনন্দ উধাও পড়ালেখায় | এ কারণে মাঝে মধ্যে সে স্কুলেই যেতে চায় না। মনমরাও থাকে। ’ রাজধানী ঘুরে দেখা যায়, ভারী ব্যাগ শিশুরা বহন করতে পারে না বলে পথে অনেক মা-বাবার কাঁধে থাকে সন্তানের ব্যাগ। স্কুল গেট থেকে ভারী ব্যাগটি শিশুকেই কাঁধে তুলতে হয় |
আনন্দ উধাও পড়ালেখায় | স্কুল শেষে ক্লান্ত শরীরেই ভারী ব্যাগ নিয়ে বেরোতে হয় শিশুটিকে। এ সময় অনেক শিশুকে ঝুঁকে পড়তে দেখা যায়। অভিভাবরাও আগেভাগে কাঁধ থেকে ব্যাগ নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে যারা স্কুলভ্যান বা অন্য যানবাহনে অভিভাবকদের ছাড়া যায় সেসব শিশুকে পুরোটা সময়ই বইতে হয় ব্যাগের বোঝা |
আনন্দ উধাও পড়ালেখায় | জাতীয় শিক্ষানীতিতে খেলা ও আনন্দেরছলে শিশুদের পড়ানোর কথা রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তা দেখা যায় না। বইয়ের ভারে ক্লান্ত থাকে ছোট্ট শিশুরা। বাসায়ও মুক্তি মিলছে না তাদের |
আনন্দ উধাও পড়ালেখায় | স্কুল থেকেই দেওয়া হচ্ছে একগাদা বাড়ির কাজ। তা নিয়েই কেটে যাচ্ছে বিকেল ও রাত। পরদিন সকালেও আবার স্কুল। স্কুলে গিয়ে যে একটু খেলাধুলা করবে সে উপায়ও নেই |
আনন্দ উধাও পড়ালেখায় | বেশির ভাগ স্কুলেই নেই খেলার মাঠ। তাই ঘর-স্কুল সবখানেই বন্দি থাকতে হচ্ছে চার দেয়ালে। এভাবেই আনন্দহীনভাবেই প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করছে শিশুরা।জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রাক-প্রাথমিকের জন্য একটি বই, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে তিনটি করে এবং তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ছয়টি করে বই নির্ধারণ করেছে |
আনন্দ উধাও পড়ালেখায় | সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এগুলোই পড়ানো হলেও তাতে আনন্দের ছিটেফোঁটাও নেই। খেলারছলে, গানের মাধ্যমে বা বিভিন্ন পন্থায় শিশুদের পড়ানোর কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। শহর এলাকার সরকারি স্কুলে কোনো রকমে সিলেবাস শেষ করার চেষ্টায় থাকেন শিক্ষকরা। মফস্বল এলাকার অবস্থা আরো ভয়াবহ |
আনন্দ উধাও পড়ালেখায় | শিক্ষকরা ঠিকমতো ক্লাসে আসেন না। শিক্ষার্থীরা না এলেও কোনো খোঁজখবর নেওয়া হয় না। কোনো রকমে শেষ হয় স্কুলের সময়। আনন্দ তো দূরের কথা |
আনন্দ উধাও পড়ালেখায় | এ ছাড়া কিন্ডারগার্টেনে শিশুদের পড়তে হচ্ছে পাঁচ-ছয় গুণেরও বেশি বই। সহায়ক বইয়ের ভারে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে শিশুরা। প্লে অথবা নার্সারির একজন শিক্ষার্থীকে বাংলা তিনটি, ইংরেজি তিনটি, গণিতে তিনটি, একটি ড্রইং, একটি সাধারণ জ্ঞান ও একটি ধর্ম শিক্ষাসহ মোট বই ১২টি বই পড়তে হয়। শুধু ১২টি বই দিয়েই শেষ নয়, রয়েছে পৃথক ক্লাস, অ্যাসাইনমেন্ট ... |
আনন্দ উধাও পড়ালেখায় | পরবর্তী ধাপে বেড়ে যায় আরো দু-তিনটি বই।সংশ্লিষ্টরা জানান, কিন্ডারগার্টেনে বইয়ের অতিরিক্ত প্রতিটি বিষয়ের সি ডাব্লিউ (ক্লাস ওয়ার্ক) ও এইচ ডাব্লিউ (হোম ওয়ার্ক)-এর খাতা ব্যাগের বোঝা বাড়িয়ে দিচ্ছে। বই কম নেওয়া গেলেও আট-দশটি খাতা ঠিকই নিতে হচ্ছে। তবে ভারতসহ বিভিন্ন দেশে প্রাথমিক শুরুর পূর্বে শিশুদের ব্যাগই বহন করতে হয় না |
আনন্দ উধাও পড়ালেখায় | অর্থাৎ প্লে থেকে কেজি শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা স্কুলেই হয় এবং সবকিছু স্কুলেই থাকে। এ ছাড়া অন্যান্য দেশে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলে লকারের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিটি শিশুর জন্য আলাদা লকার থাকে। যেখানে শিক্ষকরা বেশির ভাগ বই-খাতা রেখে দেন |
আনন্দ উধাও পড়ালেখায় | আর স্কুলেই পড়া শেষ করিয়ে দেন। ফলে পড়ার চাপ থাকে না শিশুদের।শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কোর্ট সিম্বলিকভাবে যথার্থ কথাই বলেছেন। কিন্তু আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থাই একটা অবৈজ্ঞানিক চিন্তা |
আনন্দ উধাও পড়ালেখায় | শিক্ষা মানে এই নয় যে, অনেক বইপত্র পড়তে হবে, সর্ববিদ্যায় শিক্ষিত হতে হবে। আসলে একটি শিশুর হাসতে হাসতে খেলতে খেলতে শেখা উচিত। তবে এখনকার শিক্ষাব্যবস্থা যন্ত্র বানিয়ে দিয়েছে। কোর্ট সেই যন্ত্র থেকে মুক্তি দিতে চেয়েছেন। তবে দুঃখজনক—কোর্টের কেন এটা বলতে হবে? তাহলে আমাদের নীতিনির্ধারকরা কী করেন?’ |
শিক্ষার গোড়ায় গলদ | রাজধানীর শেরেবাংলানগরে অবস্থিত আবুল বাশার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ২৭৩ জন, শিক্ষক ৯ জন। অর্থাৎ ৩০ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন করে শিক্ষক।এমনিতে দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গড়ে ৫২ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন করে শিক্ষক রয়েছেন। সে তুলনায় এ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীপ্রতি শিক্ষকের সংখ্যা অনেক বেশি |
শিক্ষার গোড়ায় গলদ | তা সত্ত্বেও গত বছর এ বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে মাত্র একজন।সম্প্রতি এক দুপুরে আবুল বাশার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে মোট শিক্ষার্থীর এক-চতুর্থাংশকেও দেখা যায়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, শিক্ষার্থীরা যে যার মতো আসছে, যাচ্ছে। শিক্ষকরাও কিছু বলছেন ... |
শিক্ষার গোড়ায় গলদ | বিদ্যালয়ে রয়েছে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ল্যাপটপ। কিন্তু তা দিয়ে ক্লাস নেওয়ার মতো তথ্য-প্রযুক্তিতে দক্ষ কোনো শিক্ষক নেই। রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) থেকে পাঁচ-ছয় কিলোমিটার দূরের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র এটি।ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামলী রাণী মালাকার কালের কণ্ঠকে... |
শিক্ষার গোড়ায় গলদ | শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসে না। এ নিয়ে অভিভাবকদেরও কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। এ রকম পরিবারের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় ভালো করানো এক রকম অসম্ভব। দুই-একজন পড়ালেখায় মনোযোগী হলেও তৃতীয় শ্রেণিতে উঠলেই তারা অন্য বিদ্যালয়ে চলে যায় |
শিক্ষার গোড়ায় গলদ | ’একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দেবযানী দত্ত বলেন, ‘বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি নেই, দারোয়ান নেই। ফলে টিফিন পিরিয়ডে শিক্ষার্থীরা পালিয়ে যায়। মাল্টিমিডিয়া-কম্পিউটার থাকলেও তা চালানোর লোক নেই। ’শুধু আবুল বাশার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নয়, পুরো দেশেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র একই রকম |
শিক্ষার গোড়ায় গলদ | ২০১৫ সালের ইউনেসকোর এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিওনাল ব্যুরো ফর এডুকেশনের এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকের অভাবেই শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত হচ্ছে না। প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ। প্রশিক্ষ... |
শিক্ষার গোড়ায় গলদ | অথচ প্রতিবেশী দেশ নেপালে সরকারি প্রাথমিকে প্রশিক্ষিত শিক্ষকের হার ৯০ শতাংশ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় ৮২ শতাংশ করে, মালদ্বীপে ৭৮ শতাংশ এবং মিয়ানমারে শতভাগ শিক্ষকই প্রশিক্ষিত।ডিপিই সূত্র জানায়, দেশে এখন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা প্রায় ৬৪ হাজার। এতে পড়ালেখা করছে প্রায় এক কোটি ৯৫ লাখ শিশু। তবে ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করা... |
শিক্ষার গোড়ায় গলদ | কারণ এসব বিদ্যালয় বেসরকারি রেজিস্টার্ড থাকার সময় শিক্ষকদের নিয়োগ দিয়েছে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ। তাদের বেশির ভাগই নিয়োগ পেয়েছেন ২০১১ সালের আগে। যখন নারীদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার যোগ্যতার শর্ত ছিল মাধ্যমিক পাস আর পুরুষদের ক্ষেত্রে উচ্চ মাধ্যমিক পাস। অভিযোগ রয়েছে, সে সময় পরিচালনা পর্ষদকে টাকা দিয়ে নিয়োগ পেয়েছেন অনে... |
শিক্ষার গোড়ায় গলদ | তাঁদের বেশির ভাগেরই প্রশিক্ষণ নেই। প্রাথমিকের চার লাখ শিক্ষকের মধ্যে এই জাতীয়করণ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংখ্যা এক লাখের ওপরে।গত এপ্রিলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য যাচ্ছিলেন। পথে মহেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থীদের ভিড় দেখে মন্ত্রী তাঁ... |
শিক্ষার গোড়ায় গলদ | তখন সকাল ১১টা ৪০ মিনিট। অথচ কোনো শিক্ষক তখনো বিদ্যালয়ে উপস্থিত হননি। শ্রেণিকক্ষগুলোও ছিল বন্ধ। শিক্ষকদের অপেক্ষায় ছিল শিক্ষার্থীরা |
শিক্ষার গোড়ায় গলদ | এ অবস্থায় মন্ত্রী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাতাবুর রহমানকে ফোন করেন। তারও ১০ মিনিট পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমিনুল ইসলাম বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। তখনো অনুপস্থিত ছিলেন দুই সহকারী শিক্ষক সাইদুর রহমান ও রেজাউল ইসলাম। এ সময় মন্ত্রী প্রধান শিক্ষককে ভর্ত্সনা করে নিজেই শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেন |
শিক্ষার গোড়ায় গলদ | খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, দেশের বেশির ভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয় এভাবেই চলছে। অনেক শিক্ষক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাকরিকে দ্বিতীয় পেশা হিসেবে মনে করেন। তাঁরা বিদ্যালয়ে আসতে এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদানে আন্তরিক নন। শিক্ষা কর্মকর্তারাও অনিয়মে জড়িত |
শিক্ষার গোড়ায় গলদ | তাঁদের পরিদর্শন কার্যক্রমও নড়বড়ে। আগে থেকেই সরকারি ৩৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গে ২০১৩ সালে যোগ হয়েছে আরো ২৬ হাজার বিদ্যালয়। মোট ৬৪ হাজার বিদ্যালয়ের পৌনে চার লাখ শিক্ষকের মধ্যে দেড় লাখেরই যোগ্যতায় বড় ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে মান উন্নয়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জাতীয়করণ হওয়া ২৬ হাজার বিদ্যালয় |
শিক্ষার গোড়ায় গলদ | এগুলোর বেশির ভাগ শিক্ষক এখনো অপ্রশিক্ষিত। সব মিলিয়ে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার মানে দুর্গতি নেমে এসেছে।শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘শিক্ষার মানের উন্নতির প্রথম শর্ত ভালো শিক্ষক। কিন্তু প্রাথমিকের নিয়োগে দুর্নীতি, পক্ষপাতিত্ব আছে |
শিক্ষার গোড়ায় গলদ | যাঁদের শিক্ষক হওয়ার কথা নয়, তাঁরা অন্য কোনো চাকরি না পেয়ে প্রাথমিকে আসছেন। কিন্তু মাধ্যমিকের চাইতেও প্রাথমিকের শিক্ষকতা কঠিন। শিশুরা স্পর্শকাতর ও কোমলমতি। তাই প্রাথমিকের শিক্ষকদের দায়িত্বটা অনেক বেশি |
শিক্ষার গোড়ায় গলদ | প্রাথমিকের শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা ব্রিটিশ আমলে যেটা ছিল সেটাও এখন নেই। চাকরি পেলেই শিক্ষক হয়ে যান। শিক্ষকদের পুনঃপ্রশিক্ষণ হয় না, যা খুবই দরকার। বিত্তবানরা কিন্ডারগার্টেন অথবা উচ্চ বিদ্যালয় সংযুক্ত প্রাথমিকে বাচ্চাদের ভর্তি করে |
শিক্ষার গোড়ায় গলদ | ফলে আলাদা প্রাথমিকগুলো সব সময়ই উপেক্ষিত থাকে। এখন মাদরাসার ব্যাপারে সবার মধ্যে যতটুকু আগ্রহ দেখা যায়, সরকারি প্রাথমিকের প্রতি আগ্রহ এর চেয়েও কম। ’জানা যায়, শিক্ষার তিনটি স্তরের মধ্যে সর্বনিম্ন শিক্ষাগত যোগ্যতার অধিকারীরাই আসছেন প্রাথমিকের শিক্ষকতায়। এমনকি প্রাথমিক শিক্ষকদের বেশির ভাগই অন্য কোনো চাকরির সুযোগ না পেয়ে শে... |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.