text stringlengths 1 58.1k | label int64 0 12 |
|---|---|
মৌলভীবাজারে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেলে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় হামলাকারী ও মদদদাতাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মৌলভীবাজার কমিউনিস্ট পার্টি এ সমাবেশ করে।এতে সভাপতিত্ব করেন ছাত্র ইউনিয়ন নেতা তোফায়েল আহমেদ ফাহিম।এতে উপস্থিত ছিলেন-যুব ইউনিয়ন নেতা জাহাঙ্গীর জয়েস, প্রগতি লেখক সংঘের সভাপতি সৈয়দ মোসাহিদ আহমদ চুন্নু, উদীচী সাধারণ সম্পাদক মীর ইউসুফ, নারী নেত্রী জলি পাল, কৃষক নেতা মোশাররফ হোসেন, লেখক গবেষক আহমদ সিরাজ প্রমুখ।সমাবেশে বক্তারা বলেন-মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে এ দেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে গত ৫০ বছরে শাসক শ্রেণির দল ক্ষমতায় থাকর প্রতিযোগিতায় সাম্প্রদায়িকতাকে মদদ দিয়ে আসছে। | 6 |
মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য আরও ১০১ টন ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া।শনিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে একটি কার্গো ফ্লাইটে মালয়েশিয়ান রেড ক্রিসেন্টের কর্মকর্তারা এসব ত্রাণসামগ্রী নিয়ে আসেন।মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ত্রাণসামগ্রী চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. হাবিবুর রহমানের কাছে হস্তান্তর করেন। মালয়েশিয়ান প্রতিনিধি দলে ছিলেন মালয়েশিয়ান রেড ক্রিসেন্টের কর্মকর্তা ভলাডেসলে ইসুক। অন্যদিকে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্টের সচিব আবদুল জব্বারও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান জানান, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ১০১ দশমিক ৫০১ টন ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া। এসব ত্রাণসামগ্রী কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এসব ত্রাণের মধ্যে তাঁবু, চাদর, ত্রিপল, শিশু স্বাস্থ্যবিষয়কসহ নানা সামগ্রী রয়েছে।
| 6 |
ইংল্যান্ডের তারকা ফুটবলার জেমি ভার্দি স্লোভেনিয়া আর লিথুয়ানিয়ার মধ্যকার ম্যাচে ইংল্যান্ডের মূল স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন। ইনজুরির কারণে স্কোয়াড থেকে বাদ পড়া লিচেস্টার সিটির এই ফরোয়ার্ড তার অবসরের সময়টা স্ত্রী রেবেকার সঙ্গে বেশ ভালোই উপভোগ করছেন। ইংল্যান্ডের তারকা ফুটবলার জেমি ভার্দি তার স্ত্রীর রেবেকার সঙ্গে একত্রে সময়টা কাটিয়েছেন। তাদের এই উপভোগ্য মুহূর্তটি ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য ভার্দির স্ত্রী রেবেকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে একটি ছবি আপলোড করেছেন। ছবিতে দেখা যায়, জেমি ভার্দি আর তার প্রিয়তম স্ত্রী রেবেকার সঙ্গে রোদে আনন্দ উপভোগ করছেন। এই সময় লিচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড জেমি ভার্দির হাতে কোরোনার একটি বোতল দেখা যায়। অবকাশ কাটানোর এই সময়টাতে যে ভার্দি-রেবেকা দম্পতি পানীয় হিসেবে কোরোনা নিয়েছেন এটা স্পষ্ট। ইংল্যান্ডের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়ার জেমি ভার্দি এভাবেই তার অবকাশ যাপন করছেন। প্রিমিয়ার লিগে এই মৌসুমে হিটম্যান জেমি ভার্দি ছয় ম্যাচে ৫ বার গোল করে খুবই ভালো ফর্মে রয়েছেন। তবে এই অবসরের পর খুব দ্রুতই ৩০ বছর বয়সী ফুটবলার জেমিকে লিচেস্টার সিটির হয়ে মাঠে নামতে হবে। এই মৌসুমে ভার্দি ভালো ফর্মে থাকার পরও প্রিমিয়ার লিগে লিচেস্টার সিটির অবস্থান ভালো খুব একটা ভালো নয়। জেমি ভার্দির দল লিচেস্টার সিটি মাত্র ৫ পয়েন্ট নিয়ে ১৭তম অবস্থানে রয়েছে। লিচেস্টার সিটি প্রথমদিকে আর্সেনাল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, লিভারপুল আর চেলসির মতো ক্লাবের সঙ্গে খেলে বেশ কঠিন সময় পার করেছে। তবে এখন থেকে ভালো খেলে লিচেস্টার সিটি যে সম্মানজনক একটা অবস্থানে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যাবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। | 12 |
জ্যৈষ্ঠের দাবদাহে ঠাকুরগাঁওয়ের হাটবাজারে তালশাঁসের কদর বেড়েছে। গ্রীষ্মের গরমে তৃষ্ণা মেটাতে সুস্বাদু তালশাঁস খেতে বাজারে ভিড় করছে ক্রেতারা। গত বছরের চেয়ে এবার তালশাঁসের দাম অনেকটা বেশি। বিক্রেতারা বলছেন, উৎপাদন কম আর খরচ বেশি হওয়ায় দাম বেড়েছে।আজ বুধবার সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের বিভিন্ন মোড় ঘুরে দেখা যায়, নানা ধরনের ফলের পাশাপাশি বিক্রি হচ্ছে সুস্বাদু পুষ্টিসমৃদ্ধ কচি তালের শাঁস। ছোট-বড় প্রকারভেদে প্রতিটি তালের শাঁসের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা।শহরের আমতলীর মোড়ে তালশাঁস কিনতে আসা স্কুলশিক্ষক সারোয়ার হোসেন বলেন, 'প্রচণ্ড গরমে তালশাঁস খেতে ভালোই লাগে। তাই প্রতি গ্রীষ্মে বাজারে তালশাঁস উঠলে নিজে ও পরিবারের অন্য সদস্যদের খাওয়ানোর চেষ্টা করি। কারণ মৌসুমি একেক ফলে একেক ধরনের পুষ্টিগুণ থাকে।'শহরের কালীবাড়ি বাজারে তালের শাঁস কিনতে আসা শিক্ষার্থী শফিউল আলম বলেন, 'তালের শাঁস একটি সুস্বাদু ফল। প্রচণ্ড গরমে তালের শাঁস খেতে ভালোই লাগে।'শহরের গার্লস স্কুলের সামনে ভ্যানে করে তালের শাঁস বিক্রি করছিলেন রফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, সবকিছুর দাম বেড়েছে। তাই তালের শাঁসও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। শহরের একটি আড়ত থেকে ছোট-বড় মিলিয়ে ৩০০ তালের শাঁস ১ হাজার ৫০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। এ ছাড়া ভ্যানভাড়া দৈনিক ১২০ টাকা।রফিকুল বলেন, 'প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা বিক্রি করতে পারি। খরচ বাদ দিয়ে ৭০০-৮০০ টাকার মতো হাতে থাকে।'জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু হোসেন বলেন, 'গ্রামীণ অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষি। তবে প্রচলিত কৃষিকাজের বাইরে অর্থাৎ ধান-পাট এসব চাষের বাইরে বাড়ির আঙিনায়, পুকুরঘাটে, নদীর ধারে বেশি করে তালগাছ লাগিয়ে কৃষকেরা লাভবান হতে পারেন।'ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক ডা. জিপি সাহা জানান, তালের শাঁস শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এতে ক্যালসিয়াম, লৌহ, আঁশ ও ক্যালরির উপস্থিতি অনেক বেশি। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের ভিটামিনের উপাদান রয়েছে। | 6 |
শার্শা (যশোর): যশোরের শার্শা সীমান্ত থেকে ৬০ বোতল ফেনসিডিলসহ আব্দুর রউফ মোড়ল (৪২) নামে এক ইজিবাইক চালককে আটক করেছে পুলিশ। সে দীর্ঘদিন ধরে ইজিবাইক চালানোর ছলে মাদক পাচার করে আসছিল।আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুন) দুপুর ১টায় উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা রসুলপুর থেকে বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সদস্যরা তাঁকে আটক করে।আটক রউফ বেনাপোল পোর্ট থানার কেষ্টপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।পুলিশ জানায়, মাদক পাচারের গোপন খবরে শার্শার বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা অভিযান চালায়। এ সময় রসুলপুর এলাকা থেকে যশোর অভিমুখে যাওয়ার পথে সন্দেহ ভাজন ইজিবাইক থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। এ সময় ইজিবাইকে সিটের তলে লুকানো অবস্থায় ৬০ বোতল ফেনসিডিল পাওয়া যায়। পরে মাদক পাচারের অভিযোগে ইজিবাইক চালককে আটক করা হয়।শার্শার বাঁগআচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ হোসেন জানান, জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে আটক ইজিবাইক চালক দীর্ঘ দিন ধরে ইজিবাইক চালানোর ছলে ফেনসিডিল পাচার করে আসছিল। তাঁকে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে যশোর আদালতে সোপর্দ করা হবে। | 6 |
নেত্রকোনার বারহাট্টায় নির্মাণাধীন মডেল মসজিদ ভবনের একটি অংশ ধসে পড়ার ঘটনায় আগামী শনিবার গণশুনানি হবে। উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে এ শুনানির আয়োজন করেছে বারহাট্টা উপজেলা প্রশাসন। এতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন উপস্থিত থাকবেন। বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাজহারুল ইসলাম প্রথম আলোকে জানান, গণশুনানির আগে উপসচিব আবুল কাশেম বেলা ১১টার দিকে সরেজমিনে ঘটনাস্থল তদন্ত করবেন। এ সময় তিনি প্রত্যক্ষদর্শীসহ স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলবেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও নেত্রকোনা গণপূর্ত বিভাগ সূত্র জানায়, জেলা গণপূর্ত বিভাগের বাস্তবায়নে বারহাট্টায় উপজেলা ভূমি কার্যালয় এলাকায় মডেল মসজিদ নির্মাণের কাজ চলছে। তিন তলাবিশিষ্ট ওই মসজিদের ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ কোটি ৪২ লাখ ৯২ হাজার ৬২৮ টাকা। ২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল স্টার লাইন সার্ভিস লিমিটেড অ্যান্ড নাঈমা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্মাণকাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়। মেয়াদকাল ছিল ১৫ মাস। কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষ হলেও কাজ এখনো বাকি প্রায় ৩৫ শতাংশ। গত ২৯ জানুয়ারি সন্ধ্যার আগে মসজিদের তৃতীয় তলার একটি অংশের পিলার ও বিম হঠাৎ ধসে পড়ে। পরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন তড়িঘড়ি করে তা সরিয়ে নেন। তখন জেলা গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাসিনুর রহমান বলেছিলেন, কাজ ভালো হয়েছে। পিলার ও বিম ধসে পড়েনি, নির্মাণকাজের ত্রুটি থাকায় নিজেরা উদ্যোগী হয়ে ভেঙে ফেলেছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা অবশ্য এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁরা অভিযোগ করে বলেন, নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকে নানা ধরনের অনিয়ম দেখা যাচ্ছে। ইট, বালু, পাথর, রডসহ নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। এ নিয়ে গত ৩১ জানুয়ারি প্রথম আলোয় 'বারহাট্টায় মডেল মসজিদ ভবনের একটি অংশে ধস, নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ'এবং ২ ফেব্রুয়ারি 'ধসে পড়া মসজিদ পরিদর্শনে প্রকল্প পরিচালক, তদন্ত কমিটি গঠন', ৪ ফেব্রুয়ারি 'মসজিদ ধসের ঘটনায় আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন' শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক অতিরিক্ত সচিব মো. মুশফিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে সারা দেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। বিশ্বে এই প্রথম কোনো সরকার একসঙ্গে এতসংখ্যক মসজিদ নির্মাণ করছে। ইসলামের মূল বাণী প্রচার করাই এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য।বারহাট্টায় মডেল মসজিদ নির্মাণকাজে একটি অংশে ধসের ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও গণপূর্ত বিভাগের পাশাপাশি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকেও তদন্ত করা হচ্ছে। এ ছাড়া আগামী শনিবার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সরেজমিনে তদন্ত শেষে গণশুনানির আয়োজন করা হয়েছে। সব তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি। | 6 |
ক্ষমতা অপব্যবহার করে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকার স্বর্ণ আত্মসাতের করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে ৩ পুলিশকে ৫ বছরের কারাদণ্ড ও সোর্সকে ৩ বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন আদালত। ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ মোঃ মিজানুর রহমান জনার্কীণ এক আদালত এ দণ্ডাদেশ দেন। যাদেরকে দণ্ডাদেশ দিয়েছেন তারা হলো, রামপুরা থানার সাবেক এসআই মঞ্জুরুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. আকাশ চৌধুরী ও কনস্টেবল ওয়াহিদুল ইসলাম। দণ্ডাদেশের পাশাপাশি ৩ পুলিশকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়। টাকা অনাদায়ে ১ বৎসরের বিনাশ্রমের কারাদণ্ড এবং সোর্স মাহফুজ আলম রনিকে ৩ বছরের কারাদণ্ডেরপাশাপাশি ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড। টাকা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। আসামি আকাশ চৌধুরী, ওয়াহিদুল ইসলাম ও মাহফুজ আলম রনি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেন আদালত। অন্যদিকে আসামি মঞ্জুরুলকে রায় ঘোষণার আগে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হলে রায়ের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১৩ মার্চ আসামিরা পরস্পর যোগসাজশ করে জব্দকৃত একটি প্রাইভেটকার থেকে ১৪৯টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে নিজেরাই আত্মসাৎ করে। ওই ঘটনায় ৭ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করে ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফজলুল হক। পরে তাদের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে ১১ জুন চার্জশিট দেয়া হয়। মামলায় বিভিন্ন সময় মোট ৩১ জন সাক্ষ্য প্রদান করেন। আরো দেখুন :খাগড়াছড়িতে ইয়াবাসহ পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক আটকআব্দুল্লাহ আল মামুন, খাগড়াছড়ি; ২০ আগস্ট ২০১৮ খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মাটিরাঙ্গায় ইয়াবাসহ মো. ইকরাম হোসেন নামে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুলিশের পরিদর্শককে আটক করা হয়েছে।রোববার(১৯ আগস্ট) গভীর রাতে মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের রসুলপুর এলাকা থেকে স্থানীয়রা তাকে আটক করে। আটক পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুলিশ পরিদর্শক ইকরাম হোসেন (৩৮) চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার পাইক পাড়া গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।স্থানীয় প্রদক্ষ্যদর্শী সূত্রে জানা গেছে রোববার গভীর রাতে মাটিরাঙ্গা উপজেলা ৯নং পৌর ওয়ার্ড রসুলপুর গ্রামের জনৈক ইসমত আরা'র বাসা থেকে স্থানীয়রা তাকে আটক করেন। পরে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি টহল দল তল্লাশী চালিয়ে মো. ইকরাম হোসেনের কাছ থেকে ৮৬পিস ইয়াবা, সরকারি নাইন এমএম একটি পিস্তল ও ১৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। মো. ইকরাম হোসেনকে মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর মো. আবদুল খালেক জানান, দীর্ঘদিন ধরেই মো. ইকরাম হোসেন নিজেকে পুলিশ সুপার পরিচয় দিয়ে এ বাড়িতে যাতায়াত করেন। তিনি নিজেকে ইসমত আরার স্বামী পরিচয় দিয়ে আসছেন। এ বাড়ি থেকে ইয়াবা ব্যবসা পরিচালিত হয় বলেও জানান তিনি।মাটিরাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মো. জাকির হোসেন পিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর সিনি. অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাইন উদ্দিন বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি। | 6 |
মানব চরিত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো ক্ষমা ও উদারতা। সমাজজীবনে বাস করতে হলে নানা রকম ভুলত্রুটি হওয়া স্বাভাবিক। ভুল করার পর যেমন ক্ষমা চাওয়া উচিত, তেমনি যার কাছে ক্ষমা চাওয়া হয়, তারও দায়িত্ব হলো ক্ষমা করা। ক্ষমা করা উদারতার শামিল। আল্লাহ তাআলা ক্ষমাশীল ও উদার এবং তিনি এই দুই কাজ পছন্দ করেন। মহানবী (সা.)-কে লক্ষ্য করে তিনি বলেন, 'হে নবী, আপনি তাদের উত্তমভাবে ক্ষমা করে দিন।' (সুরা হিজর/ ৮৫)। তিনি আরও বলেন, 'আপনি তাদের ক্ষমা করে দিন এবং তাদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করুন।' (সুরা আলে-ইমরান/ ১৫৯)।প্রত্যেক মানুষের জন্য ক্ষমা ও উদারতার গুণে গুণান্বিত হওয়া আবশ্যক। আল্লাহ বলেন, 'তোমরা যদি তাদের ক্ষমা করো, তাদের দোষ-ত্রুটি উপেক্ষা করো এবং তাদের মার্জনা করো, তবে জেনে রেখো, আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।' (সুরা তাগাবুন/ ১৪)। মানবজীবনে ক্ষমা ও উদারতা সাহসিকতার নিদর্শন। আল্লাহ বলেন, 'যে ধৈর্যধারণ করবে এবং ক্ষমা করবে, নিঃসন্দেহে এটা সাহসিকতাপূর্ণ কাজের অন্তর্ভুক্ত।' (সুরা শুরা/ ৪৩)।ক্ষমার মাধ্যমে যে কেউ খোদাভীতি অর্জন করতে পারে এবং খোদাভীতি মানুষকে জান্নাতের পথে পরিচালিত করে। আল্লাহ বলেন, 'আর ক্ষমা করাই আল্লাহভীতির অধিক নিকটতম।' (সুরা বাকারা/ ২৩৭)। হাদিসে বর্ণিত আছে, একদা মুসা (আ.) আল্লাহ তাআলাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, 'হে আল্লাহ, আপনার বান্দাদের মধ্যে অধিক সম্মানী কে?' আল্লাহ বলেন, 'যে ব্যক্তি প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ক্ষমা করে দেয়।'তাই তো ক্ষমার আদর্শ গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ বলেন, 'ক্ষমার নীতি অবলম্বন করুন, সৎকাজের নির্দেশ দিন এবং অজ্ঞ লোকদের এড়িয়ে চলুন।' (সুরা আরাফ/ ১৯৯)। আয়াতটি অবতীর্ণ হলে মহানবী (সা.) এটির তাৎপর্য সম্পর্কে জিবরাইলকে প্রশ্ন করেন। জিবরাইল (আ.) বলেন, 'আল্লাহ তাআলা আপনাকে আদেশ দিচ্ছেন যে, আপনার সঙ্গে যে সম্পর্ক ছিন্ন করে, আপনি তার সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখবেন। আর যে আপনাকে বঞ্চিত করে, আপনি তাকে দান করবেন। যে আপনার প্রতি অন্যায়-অনাচার করে, আপনি তাকে ক্ষমা করে দিন।' (তাবারি)।হজরত মুজাহিদ (রহ.) বলেন, 'ক্ষমার নীতি অবলম্বনের মাধ্যমে মানুষের অশোভন আচার-আচরণ ও সাধারণ অন্যায় অপরাধকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।' ইবন জারির আত-তাবারি (রহ.) বলেন, 'যেসব কাফিরের সঙ্গে যুদ্ধের নির্দেশ ছিল না, তাদের সঙ্গে আচার-আচরণের নীতি শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আয়াতটি অবতীর্ণ হলেও এর মূল উদ্দেশ্য হলো, সামগ্রিকভাবে মহানবী (সা.) এবং সব মুসলমানকে পারস্পরিক জীবনযাপনের নীতি-পদ্ধতি শিক্ষা দেওয়া। মানুষকে স্বাভাবিক আচার-আচরণ শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি বিবেক-বুদ্ধি কাজে লাগানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।'তবে পরিস্থিতি ভিন্ন হলে কঠোরতা অবলম্বন করাও আবশ্যক। কারণ, কেউ যদি বারবার আঘাত দেয় এবং অন্যায়-অত্যাচার করে, তার ব্যাপারে কঠোরতা আরোপের নির্দেশ দিয়েছে ইসলাম। তবে তা সমপরিমাণ হতে হবে। কোনোভাবেই কৃত অপরাধের চেয়ে বেশি হতে পারবে না। কিন্তু প্রতিশোধ না নিয়ে ক্ষমা করা যে মহানুভবতা ও ঔদার্যের লক্ষণ-তা সর্বাবস্থায় স্বীকৃত। মহানবী (সা.) বলেন, 'দান করলে সম্পদের ঘাটতি হয় না। যে ব্যক্তি ক্ষমা করে, আল্লাহ তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন। যদি কেউ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিনত হয়, আল্লাহ তার অবস্থান সুউচ্চ করেন।' (মুসলিম)ক্ষমা ও উদারতার প্রবাদপুরুষ ছিলেন মহানবী (সা.)। তিনি অগণিত শত্রুকে ক্ষমা করেছেন। ব্যক্তিগত কারণে তিনি কারও কাছ থেকে প্রতিশোধ নিয়েছেন-এমন দৃষ্টান্ত নেই। মক্কার কাফিরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ইসলাম প্রচারের নিমিত্তে তিনি মাতৃভূমি মক্কা ত্যাগ করে মদিনায় হিজরত করতে বাধ্য হয়েছিলেন। মক্কার কাফিররা তাঁর ওপর যে অত্যাচার চালিয়েছে, তা কারও অজানা নয়। সর্বশেষ তারা তাঁকে হত্যার ষড়যন্ত্র করলে তিনি আল্লাহর নির্দেশে হিজরত করেন। হিজরতের আট বছর পর মহানবী (সা.) যখন সাহাবিদের নিয়ে বিজয়ীর বেশে মক্কায় প্রবেশ করেন, তখন তিনি কারও প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি; বরং সবার জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন এবং বলেন, 'ভাইয়েরা আমার, আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। যাও, আজ তোমরা সবাই মুক্ত, স্বাধীন।' মক্কা বিজয়ের রক্তপাতহীন এ ঘটনা বিশ্বের ইতিহাসে দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে। রক্তপাতহীন এমন বিজয়ের ঘটনা ইতিহাসে আর একটিও নেই।অনুরূপভাবে যারা ইসলামের প্রধান প্রধান শত্রু ছিল, তাদেরও মহানবী (সা.) ক্ষমা করেন। যেমন হজরত হামজা (রা.)-এর হন্তারক ওয়াহশি, আবু জাহেলের পুত্র ইকরামা, আবু সুফিয়ান ও তার পত্নী হিন্দা ছাড়াও হুবার ইবনে আসওয়াদ, সাফওয়ান ইবনে উমাইয়াকে তিনি নিঃশর্ত ক্ষমা করেন। তাদের জন্য দোয়াও করেন। তাঁর দোয়ার ভাষা ছিল এরূপ, 'হে আমার প্রতিপালক, আমার সম্প্রদায়কে ক্ষমা করে দিন। কেননা, তারা বোঝে না।' (বুখারি) এমনকি মহানবী (সা.) যুদ্ধে পরাজিত শত্রু ও বন্দীদেরও ক্ষমা করেছেন। ফলে অনেক অমুসলিম যোদ্ধা ও বন্দী ইসলাম গ্রহণ করেছেন।ক্ষমা করলে সম্মান কমে না; বরং ক্ষমাকারীর মর্যাদা বাড়ে। ক্ষমাকারী জান্নাতের নিকটবর্তী হয়। আল্লাহ বলেন, 'আর তোমরা দ্রুত অগ্রসর হও তোমাদের রবের পক্ষ থেকে ক্ষমা ও জান্নাতের দিকে, যার পরিধি আসমান ও জমিনের সমান, যা মুত্তাকিদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। যারা সুসময়ে ও দুঃসময়ে ব্যয় করে, ক্রোধ সংবরণ করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে। আর আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।' (সুরা আলে-ইমরান/ ১৩৩-১৩৪)। তিনি আরও বলেন, 'মন্দের প্রতিফল অনুরূপ মন্দ। আর যে ক্ষমা করে ও আপস-নিষ্পত্তি করে, তার পুরস্কার আল্লাহর কাছে রয়েছে। নিশ্চয় আল্লাহ অত্যাচারীদের পছন্দ করেন না।' (সুরা শুরা/ ৪০)।ক্ষমা ও উদারতা মানুষকে অমর করে। যাঁরা সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও প্রতিশোধ গ্রহণ না করে ক্ষমা করে দেন, তাঁরা যেমন আল্লাহর কাছে প্রিয় বান্দায় পরিণত হন, তেমনি পার্থিব জীবনেও সুনাম কুড়াতে থাকেন। প্রত্যেক ইমানদারের দায়িত্ব ক্ষমা ও উদারতার ন্যায় মহৎ গুণে গুণান্বিত হওয়া এবং পারস্পরিক সম্পর্ক দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর করা।ড. এ এন এম মাসউদুর রহমান: সহযোগী অধ্যাপক ইসলামিক স্টাডিজ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | 6 |
মেডিকেল অফিসার নিয়োগের জন্য শিগগিরই মৌখিক পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সর্বোচ্চ প্রশাসনিক বডি সিন্ডিকেট।বৃহস্পতিবার দুপুরে ভিসি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভা শেষে বিএসএমএমইউ-এ মেডিকেল অফিসার ও ডেন্টাল সার্জারি(মেডিকেল অফিসার) পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান। সিন্ডিকেট সভায় সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক, সংসদ সদস্য ডা. মো. রুস্তম আলী ফরাজী, সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) স্মৃতি রানী ঘরামী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. বেলায়েত হোসেন তালুকদার, বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্ট (বিএফইউজে)-এর সভাপতি মোল্লা জালাল, জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অধ্যাপক ডা. কাজী শহীদুল আলম, জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অধ্যাপক মো. নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ মেডিক্যাল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।সূত্র : বাসস | 6 |
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলায় পলাতক আসামি আব্দুর রশিদ (৩৫) ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি জাহেরকে (৩৭) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বেগমগঞ্জ থানার মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের মাহবুল্যাপুর গ্রামের আব্দুল হক হাওলাদারের ছেলে আব্দুর রশিদ ও মীরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের মীল আলীপুর গ্রামের জালাল আহম্মদের ছেলে জাহের।র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে গোপালপুর ইউনিয়নের মহবুল্যাপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় হত্যা মামলায় দীর্ঘদিন পলাতক থাকা আসামি আব্দুর রশিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে একই রাতে মীরওয়ারিশপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে পেনাল কোড ১৮৬০-এর ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি জাহেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনিও দীর্ঘদিন ধরে অজ্ঞাত স্থানে পলাতক ছিলেন।র্যাব ১১ সিপিসি ৩ নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার মো. শামীম হোসেন বলেন, 'সমাজের বিভিন্ন অপরাধের উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেপ্তার, আইনশৃঙ্খলার সামগ্রিক উন্নয়নে র্যাব কাজ করে যাচ্ছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।' | 6 |
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদের সূত্রে বিগত কিছুদিন ধরে জায়েদ খান এবং নিপুণ আক্তারকে এফডিসির চেয়ে আদালত প্রাঙ্গণেই বেশি ছুটাছুটি করতে হয়েছে। তবে নিপুণের প্রতি সমিতির গত দু'বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা, সঙ্গে বাড়িয়েছেন সৌহার্দ্যের হাতও। সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউন। হাইকোর্টে করা রিটের বিষয়ে কথা বলার পর নিপুণকে ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে জায়েদ খান বলেন, "তাকে (নিপুণ) ভালোবাসা দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আশা করি, শিল্পীদের রায় মেনে নিয়ে আমাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেবেন তিনি।" চলচ্চিত্রের মঙ্গলের জন্য হাতে হাত রেখে নিপুণকে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে এ চিত্রনায়ক বলেন, "দুই বছর একসঙ্গে কাজ করি। সামনেরবার উনি পুনরায় নির্বাচন করুক। শিল্পীরা হয়তো ওনাকে ভোট দেবেন। কিন্তু নির্বাচিত না হয়ে যেগুলো করছেন, এগুলো দেখে মানুষ হাসছে। শিল্পী সমিতির চর্চা নয় এগুলো।" আরও পড়ুন-'চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ আপাতত শূন্যই থাকবে' আদালতে দৌড়াদৌড়ি করে কাটানো এবারের ভালোবাসা দিবসটি তার জন্য কষ্টকর উল্লেখ করে এ ঢালিউড তারকা বলেন, "নির্বাচিত হয়েও ভালোবাসা দিবসের দিনে আদালতে উপস্থিত থাকতে হচ্ছে। এটা খুবই দুঃখজনক ও কষ্টের। এটি আমার জন্য খুব খারাপ অভিজ্ঞতা। এই অন্যায়ের অবসান চাই। শিল্পীরা ভালোবাসার মানুষ। তাদের নিয়ে কেন কাঁদা ছোড়াছুড়ি, তাদের নিয়ে কেন ট্রল? এসব যারা করার সুযোগ করে দিচ্ছেন বা করছেন তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক।" উল্লেখ্য, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নির্বাচনে জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে চিত্রনায়িকা নিপুণের শুনানি শেষে নিষ্পত্তি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। পাশাপাশি হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ শিল্পী সমিতি নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদের ওপর চেম্বার আদালতের স্থিতিবস্থা ও স্থগিতাদেশও বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। পাশাপাশি হাইকোর্টকে এ মামলায় জারি করা রুলের ওপর শুনানি করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তবে রুল নিষ্পত্তির আগে কেউ যদি চেম্বার আদালতের আদেশ না মেনে সাধারণ সম্পাদকের পদে বসেন তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করা যাবে বলেও মন্তব্য করেছেন আপিল বিভাগ। | 2 |
উইমেন এন্ড ই-কমার্স ফোরাম (উই) এর আয়োজনে বায়ার সেলার মিট এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেছেন, উই এর মাধ্যমে ২০০০ উদ্যোক্তাকে অনুদান দেয়া হচ্ছে ৫০ হাজার টাকা করে। আমি উই এর থেকে ১০০ জনের তালিকা নিবো যাদের ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মাত্র ৪% সুদে বিশেষ বিনিয়োগ করবে আইটি ডিভিশন। প্রতিমন্ত্রী পলক এসময় উই এর মাধ্যমে লজিস্টিকস সেবা চালুর ঘোষণা ও সহজতর করার সম্পর্কে জানান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, "উই এর বায়ার সেলার মিটের মতো উদ্যোগগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক রূপ আসবে ভবিষ্যতে, উই এর সদস্যদের জন্য টেকনোলজি, ট্রেনিং, ট্রেড লাইসেন্স, ট্রান্সেকশন এবং সবাইকে এক করে কাজ করাটা ভীষণভাবে জরুরি।" গতকাল শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন উই এর গ্লোবাল এডভাইজর ও সিল্কক গ্লোবাল এর সিইও সৌম্য বসু, উই এর উপদেষ্টা জাহানুর কবির সাকিব, উই এর ডিরেক্টর শেখ লিমা এবং উই প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি নাসিমা আক্তার নিশা। উই প্রেসিডেন্ট নাসিমা আক্তার নিশা জানান, "আমরা কৃতজ্ঞ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের জন্য এতগুলো সুযোগ সৃষ্টি করাতে। পলক ভাই আমাদের অভিভাবক হিসেবে যেভাবে উইকে সাপোর্ট করে যাচ্ছেন প্রথম থেকে এটা আমাদের জন্য বড় আনন্দের এক খবর। আমি ভীষণ আনন্দিত। ভবিষ্যতেও বিএসএম এর মতো আয়োজন করবো প্রতিনিয়ত।"
বিডি প্রতিদিন/ফারজানা | 9 |
উদ্যোক্তা হওয়ার সবচেয়ে কঠিন দিক হচ্ছে, জুতা সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ-সবই একা সামলাতে হয়। তবে সব কাজের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে অর্থ ব্যবস্থাপনা। অন্য অনেক ভুলের মাশুল দিয়ে দেওয়া যায়, কিন্তু অর্থ ব্যবস্থাপনায় ভুল হলে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে যায়। নতুন ব্যবসায় যেহেতু অর্থ ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়া খরচ সাপেক্ষ, তাই উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থ ব্যবস্থাপনার পাঁচটি পরামর্শ দিয়েছে উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওয়েবসাইট এন্ট্রাপ্রেনিউর ডট কম। ধরুন, আপনার ব্যবসায় মাসে এক কোটি টাকা নাড়াচাড়া করা হয়, কিন্তু এর কোনো সঠিক নথি রাখা হয় না। তাই যদি হয়, ব্যবসা যত ভালোই চলুক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ পাওয়া কষ্টকর হবে। এমনকি নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে কোনো তহবিলও পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। এর কারণ হচ্ছে যখন কেউ ব্যবসায় অর্থ বিনিয়োগ করেন তাঁরা জানতে চান ব্যবসাটা কত ভালোভাবে চলার সক্ষমতা রাখে। এই সক্ষমতা দেখানোর উপায় হচ্ছে আর্থিক লেনদেনের নথি রাখা। চেষ্টা করতে হবে আর্থিক লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে করার। কোনো ঋণ নেওয়া থাকলে ঋণমান ঠিক রাখাতে হবে। এমনকি ফোন বিলের মতো খরচের হিসাবও নথিভুক্ত করতে হবে। এভাবে শুধু যে ব্যবসার হিসাব-নিকাশ সহজ হয় তা-ই নয়, ব্যবসার মানও বাড়ানো যায়। সাধারণত নতুন উদ্যোগ ব্যক্তিগত টাকা থেকেই শুরু হয়। বেশির ভাগ উদ্যোক্তা ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনাতেই বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন করেন। এতে সার্ভিস চার্জসহ অন্যান্য খরচ বেশি হয়। এই খরচগুলো অকারণ বোঝা। সবচেয়ে ভালো হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করে, তারা কোন শর্তে কী ছাড় দেয়, তা জেনে নিলে। এভাবে কিছুটা ছাড় পাওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। আর্থিক ব্যবস্থাপনা গুছিয়ে রাখার সহজতম উপায় হচ্ছে একটা বাজেট তৈরি করা। বাজেট আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে অনেক দক্ষ রাখবে। ব্যবসার ধরন বুঝে বাজেট নানান রকমের হতে পারে। আবার একই ব্যবসার আলাদা কাজের জন্য আলাদা বাজেট থাকতে পারে। সবকিছুর একটা হিসাব-নিকাশ করে রাখা যায়। তখন আর প্রতিবার হিসাব করে বের করতে হবে না। একনজরেই বোঝা যাবে, ব্যবসা আয়ের দিকে যাচ্ছে নাকি ব্যয়ের দিকে। করোনার অতিমারি খুব ভালোভাবে বুঝিয়েছে, শুধু দিনের বা বছরের হিসাবই ব্যবসার শেষ কথা নয়। এখানে অনেক লুকানো ঝুঁকি থাকে, যার হিসাব আগে থেকে ধারণা করাও কঠিন। করোনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন নবীন উদ্যোক্তারা, আবার নতুন বলে প্রণোদনা পেতেও সমস্যা হয়েছে তাঁদের। তাই এ রকম পরিস্থিতির জন্য আগে থেকেই তৈরি থাকতে হবে। নবীনেরা হয়তো বড় অঙ্ক খারাপ দিনের জন্য তুলে রাখতে পারবেন না। তা-ও যতটা পারা যায় খারাপ দিনের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে। এভাবে খারাপ দিনেও লড়ার জন্য কিছুটা শক্তি বেঁচে থাকবে। ব্যবসা ছোট হলেও সেটা ব্যবসা, আর কম হলেও কর দেওয়াটা জরুরি। করের মারপ্যাঁচে আটকে গিয়ে অনেকে বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করেন, এতে খরচ আরও বাড়ে। আবার ছোট অবস্থায় কর দেওয়ার ক্ষেত্রে অবহেলা করলে পরে বড় অঙ্কের মাশুল দিতে হয়। এ থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হচ্ছে কর সম্পর্কে লেখাপড়া করে নেওয়া। | 0 |
গাজীপুর জেলা কারাগারে মারামারি মামলায় বিচারাধীন আব্দুর রহিম (৫৫) নামে এক হাজতি মারা গেছেন। আজ বুধবার মারা যান তিনি।মৃত আব্দুর রহিম গাজীপুরের ডালেশ্বর এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে।জেলা কারাগার সূত্রে জানা যায়, আব্দুর রহিম গাজীপুরের শ্রীপুর থানায় দায়ের করা একটি মারামারি মামলার আসামি ছিলেন। গত ২৫ জুন উক্ত মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি জেলা কারাগারে ছিলেন। হাজতি নম্বর ৫৮৯৫ / ২১। গাজীপুর জেলা কারাগারের সুপার মো. বজলুর রশিদ আখন্দ বলেন, আব্দুর রহিম কিডনি ও বহুমূত্র রোগে ভুগছিলেন। কারাগারে আসার পর গত ২৭ জুলাই প্রথমবার অসুস্থ হলে তাঁকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে থেকে গত ২ আগস্ট তাঁকে ফেরত এনে কারা হাসপাতালে রাখা হয়।কারাগার সুপার আরও বলেন, আজ ভোরে কারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন তিনি। এ সময় তাঁকে আবার গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। | 6 |
গাজীপুরে টঙ্গীর মাজার বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে পুড়ে গেছে পাঁচ শতাধিক ঘর। শনিবার (২৭ নভেম্বর) ভোর চারটার সময় সেনাকল্যাণ ভবনের পাশে বস্তিতে এ আগুনের সূত্রপাত হয়। টঙ্গী ছাড়াও রাজধানীর কুর্মিটোলা ও উত্তরার ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা ইকবাল হাসান বলেন, ভোরে মাজার বস্তিতে আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট সেখানে পৌঁছে কাজ শুরু করে। তাদের দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিকভাবে হতাহতের খবর না পেলেও আগুনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। | 6 |
যোগ্যতার ঘাটতি নেই, তবুও চাকরি পাওয়ার তিরিশ মিনিটের মধ্যেই ছাটাই করা হলো এক তরুণীকে। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাজ্যে। কিন্তু কেন? আসুন জানি কী ঘটেছিল তরুণী ক্লেয়ার শেফার্ডের সঙ্গে ওই সংস্থার। ক্লেয়ার শেফার্ড চাকরি পেয়েছিলেন একটি লজিস্টিক্স সংস্থায়। ইন্টারভিউ হয়েছিল ফোনে। আর সেই ইন্টারভিউ এতই ভাল হয়েছিল যে, তখনই জানিয়ে দেওয়া হয়, ''আপনি চাকরি পেয়ে গেছেন। আগামী সপ্তাহেই যোগ দিন।'' পাল্টা মেইল পাঠান ক্লেয়ার। বলেন, ''আমার হাতে ট্যাটু রয়েছে। আশা করি, সেটা আমার চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হবে না।'' সঙ্গে সঙ্গে জবাব আসে, ''দুঃখিত। আপনাকে আমরা নিয়োগ করতে পারলাম না।'' ফেসবুকে ক্লেয়ার লিখেছেন, ''এর আগে আমি ম্যানেজেরিয়াল পদে বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করেছি। কিন্তু আমাকে কখনও এই ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়নি। এই সংস্থার মনোভাব আমাকে বিস্মিত করল।'' ক্লেয়ারের এই পোস্ট শেয়ার করে হাজারো মানুষ। শোরগোল পড়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। এর পরে সেই সংস্থা থেকে ফের ই-মেইল আসে ক্লেয়ারের কাছে। তিনি বলেছেন, ''ওঁরা আমাকে জানায় যে, আমার ট্যাটু দেখে পরে ওঁদের আপত্তিজনক বলে মনে হয়নি। ওঁরা আমাকে চাকরি অফার করেছে। কিন্তু আমার মনে হয়, এই পোস্ট যদি এভাবে ভাইরাল না-হত, তা হলে ওঁরা আমাকে ফের অফার দিত না।'' বিডি-প্রতিদিন/০৪ জানুয়ারি ২০১৬/ এস আহমেদ | 5 |
ভোলার চরফ্যাসনে ভারত থেকে জমি বিক্রির টাকা নিতে এসে প্রাণ হারান অমিত ওদুলাল নামের দুই ভাই। জমির ক্রেতারা পরিকল্পিতভাবে দুই ভাইকে হত্যার পর মস্তকবিহীন দেহ আগুনে পুড়িয়ে আলামত ধংস করে দেয়। দুই সপ্তাহ আগে চরফ্যাসনের আসলামপুর থেকে পুলিশ এই সহদরের পোড়া দেহ উদ্ধার করলেও নাম, পরিচয় না পেয়ে রহস্যের মধ্যে ছিল। কিন্তু তদন্তের অল্পদিনের মধ্যেই বেড়িয়ে আসে চাঞ্চল্যকর জোড়াখুনের তথ্য। টয়লেটের সেফটিট্যাংক থেকে উদ্ধার হয় দুই জনের অর্ধগলিত মাথার খুলি ও হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র। পুলিশ জানিয়েছে, খুনের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে মো. বেল্লাল, তার শ্বশুর আবু মাঝি ও ভাই কাশেমকে পুলিশ শুক্রবার গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করলে খুনের রহস্য বেড়িয়ে আসে। পুলিশ আরও জানায়, গত ৮ এপ্রিল আসলামপুরের জামাল ভুঁইয়ার পরিত্যক্ত বাগান থেকে মস্তকবিহীন দুটি পোড়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে চরফ্যাসন থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। ওই মামলার তদন্ত করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য চলে আসে পুলিশের হাতে। এক সময়ের চরফ্যাসন পৌরসভার বাসিন্দা বর্তমানে ভারতে বসবাসকারীরা অমিত সরকার (তপন) ও দুলাল সরকার তাদের মালিকানা ৩৬ শতাংশ জমি ২৪ লাখ টাকায় বিক্রী করেন আসলামপুরের বাসিন্দা মো. বেল্লালগংদের কাছে। দরদাম চূড়ান্ত করার সময় ৩ লাখ টাকা অগ্রিম বায়না নেন তারা। বাকি ২১ লাখ টাকার জন্য আসলে গত ৮ এপ্রিল জমির ক্রেতা ও তার দুই সহযোগী পরিকল্পিতভাবে তাদের হত্যা করেন। হত্যার পর আলামত ধ্বংস করতে লাশগুলো আগুনে পুড়িয়ে দেয় তারা। জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানিয়েছেন, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানিয়েছেন লাশ দু'টি পৌরসভা ৩নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত উপেন্দ্র সরকারের ছেলে অমিত সরকার (তপন) (৫৫) ও দুলাল সরকারের (৪০)। এঘটনায় পুলিশ হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী মো. বেল্লাল, বেলালের শ্বশুর আবু মাঝি ও ভাই কাশেমকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি আরো জানান, জমি কেনাবেচার লেনদেনের জের ধরে ঘটনার দিন রাত সাড়ে ৯টায় অভিযুক্তরা দুই সহোদরকে আসলামপুর ইউনিয়নের সুন্দরী খাল সংলগ্ন জামাল ভুইয়ার পরিত্যক্ত বাগানে নিয়ে প্রথমে শ্বাশরোধে হত্যা করে। পরে গভীর রাতে মাথা বিছিন্ন করে এবং দেহ আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করে। হত্যার পর মাথা ২টি ঘটনাস্থলের উত্তর পাশের মহিবুল্লাহর টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়। পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বিকালে পুলিশ আসলামপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মহিবুল্লাহর বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে দু'টি অর্ধগলিত মাথার খুলি উদ্ধার করা হয়। ওই এলাকা থেকেই দুই সপ্তাহ আগে পোড়া দেহ ২টি উদ্ধার করা হয়েছিল। ঘটনাস্থলের পার্শবর্তী সুন্দরী খাল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র ( ছেনি) উদ্ধার করা হয়। চরফ্যাসন থানার ওসি মো. মনির হোসেন মিয়া জানান, তিন আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালত আসামিদের জবানবন্দী গ্রহণ শেষে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন। উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল দুপুরে আসলামপুরের সুন্দরী ব্রিজ সংলগ্ন জামাল ভুইয়ার বাগানে স্থানীয় কৃষক মোস্তাফিজ ছাগল চড়াতে গিয়ে পোড়া লাশ দেখে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ লাশ দু'টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। | 6 |
'আজ নাট্যকার সংঘের সম্মেলন হয়ে গেল, পুনরায় আমাকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গুরুদায়িত্বই বটে।' সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এভাবেই টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের নতুন কমিটিতে সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার খবরটি জানালেন নাট্যকার মাসুম রেজা। তিনি টানা তৃতীয়বারের মতো টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। গতবারের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আবারও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন নাট্যকার ও পরিচালক এজাজ মুন্না। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে গতকাল শনিবার দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভার মধ্য দিয়ে গঠিত হলো ২০২০-২১ সালের টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের পূর্ণাঙ্গ কমিটি। সভায় সাধারণ সদস্য নাট্যকারদের সর্বসম্মতিক্রমে ১৯ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহসভাপতি বৃন্দাবন দাশ, পান্থ শাহরিয়ার ও চয়নিকা চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান, ইফফাত আরেফীন ও আজম খান, সাংগঠনিক সম্পাদক স্বাধীন শাহ্, অর্থ সম্পাদক আহ্সান আলমগীর, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক নাজনীন হাসান চুমকী, তথ্যপ্রযুক্তি ও অনুষ্ঠানবিষয়ক সম্পাদক জিনাত হাকিম, আইন ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রেজাউর রহমান, দপ্তর সম্পাদক আলী সুজন, কার্যকরী সদস্য মইনুল খান, মাসুম শাহরিয়ার, জাকির হোসেন ও মোস্তফা মনন। মাসুম রেজার সভাপতিত্বে এদিন বিকেল চারটায় সাধারণ সভা শুরু হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের উপদেষ্টা সদস্য নাট্যজন এনামুল হক, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক এস এম হারুন অর রশীদ ও 'আনন্দ আলো' সম্পাদক রেজানুর রহমান, টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের সাধারণ সম্পাদক এজাজ মুন্না, দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভার প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক শফিকুর রহমান ও সদস্য সচিব ইফফাত আরেফীন। জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সম্মেলন। এরপর ছিল শোক প্রস্তাব, অতিথিদের বক্তব্য, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষের প্রতিবেদন পাঠ এবং সদস্যদের মুক্ত আলোচনা। সন্ধ্যার পর নতুন কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় সদস্যরা করতালির মাধ্যমে নতুন কমিটিকে স্বাগত জানান। ১৯৯৮ সালে প্রথম এবং ২০০১ সালে দ্বিতীয়বারের মতো সম্মেলনের মাধ্যমে নাট্যকারেরা একত্রিত হন। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যে তাঁদের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে ২০১৬ সালের ২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সম্মেলনে ২১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে নতুন করে যাত্রা শুরু করে টেলিভিশন নাট্যকার সংঘ। এরপর সর্বশেষ ২০১৮ সালের ১৩ এপ্রিল গঠিত হয় পরবর্তী কমিটি। | 2 |
সুনামগঞ্জের শাল্লার ফয়েজুল্লাহপুর হাওরে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে আব্দুল হালিম নামে দরিদ্র কৃষকের ৫ বিঘা জমির ধান। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ফয়েজুল্লাহপুর গ্রামের আব্দুল হালিম ৫ বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষ করেন। গত সোমবার পাকা ধান কেটে মাড়াই করার জন্য খেতেই স্তূপ করে রাখেন। গতকাল দিবাগত রাত ২টার দিকে শত্রুতা করে কে বা কারা ধানের স্তূপে আগুন লাগিয়ে দেয়। মুহূর্তের মধ্যে সকল ধান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পরে বিষয়টি প্রশাসনকে অবগত করা হলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান শাল্লা থানার এসআই আব্দুল বাশার।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এ ঘটনায় মুষড়ে পড়েছেন কৃষক আব্দুল হালিম। এতে তাঁর প্রায় লক্ষাধিক টাকার ধান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। জমিতে পড়ে আছে স্তূপ করা ধানের ছাই।এ বিষয়ে কৃষক আব্দুল হালিমের ছেলে মো. আল আমিন বলেন, গতকাল দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে কে বা কারা আমাদের পাকা ধানের স্তূপে আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে আমাদের ৫ বিঘা জমির ধান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমরা বিষয়টি প্রশাসনকে অবগত করেছি। এখন মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। | 6 |
মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ওব্রায়েন বলেছেন, ইরাক ও আফগানিস্তান থেকে তার দেশের সেনা সংখ্যা কমানোর নির্দেশ জারি করা হয়েছে। তিনি মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্রিস্টোফার মিলার এই নির্দেশ জারি করেছেন। সম্প্রতি সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপারকে বহিষ্কার করার পর মিলারকে তার স্থলাভিষিক্ত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এসপার আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা কমানোর বিরোধী ছিলেন। মার্কিন ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ সম্পর্কে বলেছেন, ইরাক ও আফগানিস্তানের যুদ্ধের সফল ও দায়বদ্ধ সমাপ্তির যে নীতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গ্রহণ করেছেন তা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওব্রায়েন বলেছেন, ইরাক ও আফগানিস্তানে অবশিষ্ট মার্কিন সেনারা এসব দেশের মার্কিন দূতাবাসসহ অন্যান্য স্থাপনার নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। বিডি প্রতিদিন/কালাম | 3 |
ঢাকা: অভিনেতা শাহরুখ খানের কী পরিমাণ জনপ্রিয়তা, সেটা নতুন করে বলার কিছু নেই। এত সাফল্য আর খ্যাতি পেয়েও বলিউড বাদশার কিছু দুঃখবোধও আছে। খ্যাতির উল্টোপিঠে থাকে কিছু বিড়ম্বনাও। শাহরুখ খানকে কি এমন কোনো বিড়ম্বনার মুখোমুখি পড়তে হয়?অনেকেরই হয়তো মনে হতে পারে, সুপারস্টারের আবার বিড়ম্বনা কী! দামী বাংলো, দামী গাড়ি, বিলাসী জীবন-যাপন। কোটি কোটি ভক্ত। কিন্তু খ্যাতি যতই বাড়ে, পাল্টা দিয়ে কমতে থাকে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা।সারাক্ষণ পিছু নেয় পাপারাজ্জি। মনের কথাও থাকে না গোপন। চাউর হয় দুনিয়াজুড়ে। ভালো কাজ করলে প্রশংসা যেমন আসে, কারণে অকারণে পিছু নেয় সমালোচনা। এসব কি শাহরুখকে বিরুপ পরিস্থিতির মুখোমুখি করে কোনোভাবে?সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁকে এমন প্রশ্ন করা হয়। উত্তরে অভিনেতা জানান, তাঁর কাছে মনে হয়- বিখ্যাত হওয়ার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ খ্যাতিটা ধরে রাখা। শাহরুখের ভাষায়, 'বিষয়টা অনেকটা বিয়ের মতো। যে কেউ চাইলে সহজেই বিয়ে করতে পারে। কিন্তু সংসারটা টিকিয়ে রাখা কঠিন। বাচ্চা জন্ম দেওয়া সহজ। কিন্তু সঠিকভাবে বাচ্চার লালন-পালন ভীষণ চ্যালেঞ্জের।'যখন কোনো কাজ আসবে, কখনো না করবে না। কারন যখন হাতে কাজ থাকবে না, তখন এগুলো তোমাকে কষ্ট দেবে।সরোজ খান, বলিউডের কোরিওগ্রাফারশাহরুখ সব সময় চেষ্টা করেন ভক্তদের কাছাকাছি থাকার। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের রাস্তাটা পরিস্কার রাখার। কিন্তু এত কাজ সারাদিন জুড়ে! ২৪ ঘণ্টায় তাঁর পোষায় না। শাহরুখের মনে হয়, দিনটা যদি ৮৯ ঘণ্টার হতো! ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে পাওয়া একটা উপদেশ শাহরুখ খান এখনও মনে-প্রাণে মেনে চলেন। কথাটি তাঁকে বলেছিলেন বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার সরোজ খান। গত বছর মারা গেছেন তিনি। শাহরুখকে তিনি বলেছিলেন, 'যখন কোনো কাজ আসবে, কখনো না করবে না। কারন যখন হাতে কাজ থাকবে না, তখন এগুলো তোমাকে কষ্ট দেবে।'শাহরুখ জানালেন, কথাটি সরোজ খান এমন একটা সময় বলেছিলেন যখন কোরিওগ্রাফারের নিজের হাতেও তেমন কাজ ছিল না। তিনি চেষ্টা করছিলেন নতুন কাজে যুক্ত হওয়ার। নতুনভাবে ফিরে আসার।'সরোজ খানের মতো একজন বলেছেন মানে কথাটির কিন্তু খুব গুরুত্ব আছে।' বলেন বলিউড বাদশা। | 2 |
চার বছর ফ্যাশন শুটের দুনিয়ায়। আয় ভালই ছিল। ফ্যাশন শুটের পাশাপাশি নানা অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন বিদিশা দে মজুমদার। ফলে, অর্থাভাব তার ছিল না। শেষের দিকে কাজের চাপে পড়াশোনাতেও মন দিতে পারতেন না! এমনটাই জানা গেছে সদ্য টলিউডের মৃত মডেল বিদিশা দে মজুমদারের ঘনিষ্ঠজনদের সূত্রে। সাফল্য যার প্রায় মুঠোয়, হঠাৎ তিনি কেন জীবন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন? তার ঘনিষ্ঠদের একাংশ বলছেন, পল্লবী দে'র মতো তারও নাকি সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল। সম্প্রতি কাছের একজনকে বলেছিলেন, "পল্লবীর মতো ফুরিয়ে যেতে ইদানিং আমারও খুব ইচ্ছে করে!" নাম না প্রকাশ করার শর্তে তিনি স্থানীয় গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন। ওই ঘটনার ১০ দিনের মাথায় নাগেরবাজারের ফ্ল্যাট থেকে তারই ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার! তিনি কি অবসাদে ভুগছিলেন? বিদিশার ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, বেশ কিছু দিন ধরেই তিনি ক্রমশ ঝিমিয়ে পড়ছিলেন। কাজে ততটা মন ছিল না। অকারণে উদাসী ছিলেন। তার পোস্ট করা ইনস্টাগ্রামের রিল ভিডিওর নেপথ্য-গান তারই প্রমাণ। সেখানে শুধুই বিরহ। ঘনিষ্ঠ ওই সূত্রের দাবি, এক নয়, একাধিক সম্পর্ক ছিল বিদিশার। এ কথা জানতেন হাতেগোনা কয়েকজন। তারা জানতেন, বিদিশা প্রথমে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন রাজারহাটের এক যুবকের সঙ্গে। তার সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্কের পর অজানা কারণে তিনি 'অতীত'। এরপর বিদিশার জীবনে আসেন পেশায় শরীরচর্চার এক প্রশিক্ষক। ফর্সা, পেশিবহুল চেহারা। মুখে সযত্নে ছাঁটা হাল্কা দাড়ি-গোঁফ। তাকে নাকি চোখে হারাতেন বিদিশা। সুযোগ পেলেই ফোন। দেখাসাক্ষাৎ। ঘনিষ্ঠ ওই সূত্রের দাবি, বিদিশা সম্প্রতি চিকিৎসকের কাছেও গিয়েছিলেন। ঋতুস্রাবের সমস্যা ছিল তার। চিকিৎসক তাকে আলট্রা সোনোগ্রাফির পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু কাজের চাপে নিজের চিকিৎসা করারও সময় ছিল না তার। এর মধ্যেই ওই প্রশিক্ষকের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় বলে বিদিশার ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি। কাজের চাপে বিদিশা ঠিক মতো খাওয়া-দাওয়া করতেন না বলে জানিয়েছেন তার এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি। তার দাবি, এতে তার রক্তচাপ কমে যায়। প্রায়ই মাথা ঘুরত। তবে ওই প্রশিক্ষকের 'চাপে' তিনি আবার খাওয়া-দাওয়া নিয়মিত করা শুরু করেন। এর মধ্যেই সম্পর্কে বিচ্ছেদ। বিদিশা বিষণ্ণতায় ডুবেছেন। ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, তিনি নিয়মিত নেশা করতেন। ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর কাছে অনুযোগ জানিয়েছিলেন, তিনি প্রেমিককে ছেড়ে থাকতে পারেন না। অথচ প্রেমিক ইদানিং সেটাই দিব্যি পারছেন! ইনস্টাগ্রামে নিজের ছবি দিয়ে বিদিশা লিখেছেন, "কী অদ্ভুত পরিস্থিতি! ও আমার হবে না, কোনও দিন। আমি ওকে ছাড়া থাকতে পারব না, কোনও দিন!" বিদিশার ঘনিষ্ঠ সূত্রের বক্তব্য, এক তরফা ভালবাসা ছিল তার। প্রায়ই দামি উপহার দিতেন প্রেমিককে। বিদিশার উপার্জন ভাল থাকায় প্রেমিকের পাশাপাশি নিজের পরিবারকেও দেখতেন। বাবা বেসরকারি কর্মী। মা সংসার সামলান। বাড়িতে বিদিশা ছাড়া তার বছর ১২-১৩ বছরের এক বোন রয়েছে। সবার সব দায়িত্ব তিনি হাসিমুখে পালন করতেন। তারপর খরচ করতেন নিজের জন্য। সম্প্রতি প্রেমিকের সঙ্গেও দেখা করেছিলেন। সে কথা জানিয়েছিলেন তার ঘনিষ্ঠজনকে। কী কথা হয়েছে, সে কথা বলতে ফোনও করেন মঙ্গলবার। তবে ওই ঘনিষ্ঠ সেই ফোন ধরতে পারেননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই ব্যক্তি গণমাধ্যমকে বলেন, "যদি সেদিন ফোনটা ধরতে পারতাম! মনের ভিতরে জমে থাকা যন্ত্রণা অনেকটাই হয়তো হালকা হতো। বিদিশাকে হয়তো মাত্র কুড়িতেই তাহলে ফুরিয়ে যেতে হতো না!" বিডি প্রতিদিন/কালাম | 2 |
রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় বাসচাপায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) কর্মকর্তা কৃষ্ণা রায় চৌধুরীর পা হারানোর ঘটনায় প্রধান আসামি ট্রাস্ট ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসের বাসের চালক মোরশেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোবববার গভীর রাতে মিরপুরের কাজীপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বশির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কৃষ্ণা রায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) অর্থ বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক। গত ২৭ আগস্ট তিনি বাংলামটরে অফিস থেকে বের হয়ে উল্টো পাশের সড়কে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় ট্রাস্ট ট্রান্সপোর্টের একটি বাস ফুটপাতে উঠে গিয়ে তাকে ধাক্কা দেয়। বাসটির চাকায় পিষ্ট হয়ে তার বাঁ পা থেঁতলে বিচ্ছিন্ন হয়ে চামড়ার সঙ্গে ঝুলতে থাকে। এ ঘটনায় কৃষ্ণা রায়ের স্বামী রাধে শ্যাম চৌধুরী হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন। বাসের মালিক, চালক ও হেলপারকে আসামি করা হয়। | 6 |
আলোচিত বুচা গণহত্যায় জড়িত সন্দেহভাজন ১০ রুশ সেনাকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বৃহস্পতিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা এক ভিডিও বক্তৃতায় এ দাবি করেন তিনি। জেলেনস্কি বলেন, "সন্দেহভাজনদের পদবি জানা গেছে এবং তারা সেখানে কী করেছে তাও প্রমাণিত। আমরা তাদের এবং তাদের কৃতকর্মের বিবরণ জানতে পেরেছি। আমরা সবাইকে খুঁজে বের করব, ঠিক যেমন আমরা অন্য সকল রুশ হামলাকারীদের খুঁজে বের করছি, যারা ইউক্রেনীয়দের হত্যা ও নির্যাতন করেছে। যারা আমাদের মানুষদের কষ্ট দিয়েছে। যারা ইউক্রেনে ঘরবাড়ি এবং বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করেছে। তাদের কেউই দায় এড়াতে পারবে না।" সূত্র: সিএনএন বিডি প্রতিদিন/কালাম | 3 |
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে জৈন্তাপুর মডেল থানার উদ্যোগে আন্তঃইউনিয়ন হাডুডু খেলার ফাইনাল গতকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। জৈন্তাপুর রাজবাড়ি মাঠ সংলগ্ন স্থানে এই ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় দরবস্ত ইউনিয়ন জৈন্তাপুর ইউনিয়নকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি গোলাম দস্তগীর আহমেদের সভাপতিত্বে এবং উপপরিদর্শক পার্থ রঞ্জন চক্রবর্তীর পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি কামাল আহমদ।বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএনও নুসরাত আজমেরী হক, জৈন্তাপুর মডেল থানার পরিদর্শক মো. রজি উল্লাহ, দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাব সভাপতি নূরুল ইসলাম। | 6 |
উত্তর কোরিয়ার ওপর থেকে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে চাপে রেখেছে চীন ও রাশিয়া। কোরীয় ইস্যুতে এই দুই বৈশ্বিক পরাশক্তির তৎপরতা সামনে এসেছে সম্প্রতি জাতিসংঘের একটি গোপন নথির মাধ্যমে।ওই নথি থেকে জানা যায়, উত্তর কোরিয়ার ওপর থেকে একাধিক বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য একটি নতুন খসড়া প্রস্তাব তৈরি করেছে রাশিয়া ও চীন।ভবিষ্যতে ওই প্রস্তাবটি তারা ১৫ সদস্যবিশিষ্ট নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে পেশ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০১৯ সালেও রাশিয়া ও চীন এ বিষয়ে একটি খসড়া প্রস্তাব তৈরি করেছিল। কিন্তু তা বৈঠকে পেশ করা হয়নি।উত্তর কোরিয়ার মূর্তি, সামুদ্রিক খাবার, কাপড়, পরিশোধিত তেল এবং পেট্রোলিয়ামজাত দ্রব্য থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া উচিত বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করেছে চীন ও রাশিয়া। | 6 |
সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বুধবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রুবলে গ্যাস বিক্রির ঘোষণা দেন। তিনি জানান, পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার সম্পদ জব্দ করার ফলে, ওই দেশগুলোর মুদ্রার ওপর মস্কোর আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে। রাশিয়া থেকে গ্যাস কিনতে ডলার বা ইউরো নয়, রুশ মুদ্রা রুবলে পরিশোধ করতে হবে দাম। তবে এই শর্ত কেবল রাশিয়ার বিপক্ষে অবস্থান নেয়া দেশগুলোর জন্য কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে মস্কো। এর ফলে ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার বিপক্ষে অবস্থান নেয়া ইউরোপের দেশগুলো নতুন সংকটের মুখে পড়েছে। এরই মধ্যে রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল ইউরোপে হুহু করে বাড়তে শুরু করছে গ্যাসের দাম। ওয়াশিংটন অবশ্য আগেই টের পেয়েছিল এমন কিছুর মুখোমুখি হতে পারে বিশ্ব। তাই ইউরোপে জ্বালানি সরবরাহের ভিন্ন উপায় খুঁজতে তোড়জোড় চালাচ্ছে বাইডেন প্রশাসন। সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বুধবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রুবলে গ্যাস বিক্রির ঘোষণা দেন। তিনি জানান, পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার সম্পদ জব্দ করার ফলে, ওই দেশগুলোর মুদ্রার ওপর মস্কোর আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে। তাই রাশিয়া লেনদেনের ক্ষেত্রে ওইসব দেশের মুদ্রা নিষিদ্ধের পরিকল্পনা করছে। পুতিন বলেন, 'আমি অল্প সময়ে লেনদেনে পরিবর্তন আনতে কিছু ব্যবস্থা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মস্কোর বন্ধু নয় এমন দেশগুলোতে আমাদের প্রাকৃতিক গ্যাস রুবলের বিনিময়ে সরবরাহ করা হবে। আমাদের পণ্য ইইউ কিংবা যুক্তরাষ্ট্রে ডলার বা ইউরোতে লেনদেনের কোনো মানে হয় না।' সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকারকে এক সপ্তাহের সময় বেঁধে দেন রুশ প্রেসিডেন্ট। পুতিন বলেন, 'চুক্তি অনুযায়ী গ্যাস রপ্তানি অব্যাহত থাকবে। কেবল বিনিময় মুদ্রা বদল হবে।' এদিকে বুধবার আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি মেগাওয়াট গ্যাসের দাম ৯৭ ইউরো থেকে বেড়ে ১০৮.৫ ইউরোতে পৌঁছায়। রুশ প্রেসিডেন্টের ঘোষণার পর তা আরও ১০ ইউরো বেড়ে যায়। ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর একের পর এক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইইউসহ তাদের মিত্র দেশগুলো মস্কোর সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে, লেনদেনে ডলার এবং ইউরো সীমিত করেছে। বিদেশে রাশিয়ার ৩০০ বিলিয়ন ডলার জব্দ করা হয়েছে। যদিও রাশিয়া থেকে তেল-গ্যাস আমদানি অব্যাহত রেখেছে এসব দেশ। প্রায় দুই দশক আগে ডলারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে পশ্চিমের তোপে পড়েন ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এবং লিবিয়ার প্রেসিডেন্ট মুয়াম্মার গাদ্দাফি। বিশ্লেষকরা বলছেন, সাদ্দামের কফিনে শেষ পেরেকটি ছিল আমেরিকান ডলারের পরিবর্তে ইরাকি তেল ইউরোতে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত। একইভাবে গাদ্দাফি স্বর্ণ বা ডলার ছাড়া অন্য যেকোনো মুদ্রায় তার দেশের তেল বিক্রিতে জোর দিয়ে প্রাণ খুইয়ে ছিলেন। | 3 |
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, মহান বিজয় দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে গোয়েন্দা পুলিশ, এপিবিএন, এসএসএফ, পিজিআরের সমন্বয়ে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি ভেন্যুতে এসবি, এসএসএফ, র্যাব ও ডিএমপির ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হবে। মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মলনে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতে গত এক সপ্তাহ ধরে যতগুলো ভেন্যু রয়েছে, সবগুলোর আশপাশে সন্দেহভাজন আবাসিক হোটেল, বহুতল ভবন, মেস, বাসাবাড়িতে ব্লক রেইড করা হচ্ছে। যাতে করে আমাদের নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আগে থেকেই কোনো সন্ত্রাসী-জঙ্গি ঢুকে থাকতে না পারে। বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সোয়াট ও বোম ডিসপোজাল ইউনিট সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার। বিজয় দিবস ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ১৫ ডিসেম্বর থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত চলবে। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী, ভারতের রাষ্ট্রপতি অংশ নেবেন। জাতীয় স্মৃতিসৌধ থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু ভবন, সংসদ ভবন চত্বরে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে প্যারেড হবে এবারও বর্ণিল ও জাঁকজমকপূর্ণ। নিরাপত্তা সম্পর্কে তিনি বলেন, আমন্ত্রিত দেশি-বিদেশি ভিভিআইপি, ভিআইপিরা যেসব রুটে চলাচল করবে সেসব রুটে প্রটেকশনের পাশাপাশি, রুফটপ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। সংসদ ভবন এলাকার আশপাশে যতগুলো ভবন আছে সেখানে প্রত্যেক ফ্লোরে পুলিশ সদস্যরা মোতায়েন থাকবে। সংসদ ভবন এলাকায় ডাইভারসন করা হবে। সেটির প্লান আমরা জানিয়ে দেব। আর এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রতিটি ভেন্যুতেই আমন্ত্রিত অতিথিরা যানবাহন ব্যবহার করে আসবেন। চারদিক থেকে যানবাহন আসবে। তাদের যানবাহন পার্ক করতে আমাদের বেগ পেতে হবে। তাই ভেন্যুর আশপাশে যানজট তৈরির সম্ভাবনা আছে। তাই আমন্ত্রিত অতিথিদের প্রতি অনুরোধ থাকবে সময় নিয়ে আসার জন্য। বিডি প্রতিদিন/এমআই | 6 |
মিয়ানমারের সংঘলঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের শিক্ষা আন্দোলনকর্মী নোবেলজয়ী কন্যা মালালা ইউসুফজাই।শুক্রবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়।মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন ও রোহিঙ্গা নিধন ইস্যুতে বিবিসিকেমালালা ইউসুফজাইবলেন, হাজার-হাজার মানুষ বাস্তুচুত হয়েছে। এ অবস্থায় আমরা এখন নিরব থাকতে পারি না।মালালা বলেন, মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচিকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে কথা বলতে হবে।তিনি জানান, রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়টি মানবাধিকার ইস্যু হওয়া প্রয়োজন। জনগণ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে, সহিংসতার শিকার হচ্ছে। সরকারের উচিত এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেখানো।রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে জানিয়ে মালালা বলেন, ছেলেমেয়রা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তারা তাদের মৌলিক অধিকার পাচ্ছে না এবং সন্ত্রাসবাদ পরিস্থিতির মধ্যে বসবাস করছে।যখন আপনার চারপাশে খুব বেশি সহিংসতা থাকে, সেই পরিস্থিতি ভীষণ বেদনার বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মালালা বলেন, আমাদের জেগে ওঠা এবং জবাব দেওয়া প্রয়োজন। আমি আশা করি অং সান সুচি এ বিষয়ে সাড়া দেবেন।এমন সময় মালালা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। যখন তিনি ২০ বছর বয়সী তরুণী। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরুর অপেক্ষায়।
| 3 |
করোনাভাইরাসের কারণে জনমানব শূন্য নিউইয়র্ক সিটির হোটেল-মোটেলের ভাড়া কমানো হয়েছে। সিটিতে বাস ভাড়া মওকুফ করা হয়েছে। রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার নিলে সাথে টিস্যু-পেপার ফ্রি দেওয়া হচ্ছে। উবারের কো-শেয়ারিং বন্ধ রাখা হয়েছে। ইয়েলো ট্যাক্সি ড্রাইভারের মধ্যে শুধুমাত্র মেডেলিয়নের মালিক-ড্রাইভাররা রাস্তায় রয়েছেন। অন্যেরা স্বেচ্ছায় ছুটিতে রয়েছেন। কারণ, ১২ ঘণ্টা ট্যাক্সি চালিয়ে ১০ ডলারও পকেটে থাকে না। যাত্রী নেই এয়ারপোর্টে। ট্যুরিস্ট নেই সিটিতে। সিটির অধিবাসীরাও কেনাকাটা করতে বাসার বাইরে যাচ্ছেন না। অর্থাৎ গত এক সপ্তাহ থেকে চলা নাজুক অবস্থাকে আরো সোচনীয় পর্যায়ে নিয়ে গেল শুক্রবার স্টেট গভর্ণর কর্তৃক 'জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাবার আহবান' উচ্চারিত হবার পর। আগামীকাল রবিবার সন্ধ্যা ৮টা থেকে বিশেষ এই নির্বাহী আদেশটি বহাল হবে। অর্থাৎ করোনা ভাইরাস তান্ডবে শুধু নিউইয়র্ক সিটি নয় আশপাশের সকল সিটির বাংলাদেশিরা স্বেচ্ছায় গৃহবন্দিত্ব গ্রহণ করেছেন। ফেডারেল সরকার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে 'করোনা ভাতা' প্রদানের পরিকল্পনা ঘোষণা করলেও যারা অবৈধ অভিবাসী হিসেবে রয়েছেন তারা কিছুই পাবেন না। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে শুক্রবার জুমআর নামাজ আদায়ের শতবর্ষ পালিত হয়েছে। কখনোই সেই নামাজ বন্ধ করা হয়নি। এবারই প্রথম সকল মসজিদ বন্ধ করা হয়েছে করোনাভাইরাস ঠেকানোর অভিপ্রায়ে। করোনার কারণে শিক্ষা-সমাপনী উৎসব থেকেও বঞ্চিত হবে লাখ লাখ শিক্ষার্থী। ইতিমধ্যেই গ্র্যাজুয়েশনের সকল কর্মসূচি বাতিলের নোটিশ পাঠানো হয়েছে ছাত্র এবং অভিভাবকের কাছে। জাতিসংঘের সকল কার্যক্রম এর আগেও বন্ধ ছিল। তবে এবারের মতো তা অনির্দিষ্টকাল ধরে চলেনি। অর্থাৎ সর্বস্তরের মানুষ গভীর এক শঙ্কায় দিনাতিপাত করছেন জাতিসংঘের শহর নিউইয়র্কে। স্বস্তিতে নেই কেউই। কারণ, গত ৪ দিনে নিউইয়র্ক সিটিতে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সিটি স্বাস্থ্য দফতরের কর্মকর্তারা জানান। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে মারা গেছে ৪৬ জন এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৮ হাজার ৪০৩। যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা একই সময়ে ছিল ১৯৬৪০ এবং মৃত্যুর সংখ্যা ২৪৬।
বিডি প্রতিদিন/হিমেল | 4 |
দেশব্যাপী অব্যাহত খুন, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে বরিশালে সমাবেশ করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। সংগঠনের বরিশাল শাখার উদ্যোগে রবিবার বেলা ১১টায় নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে এই প্রতিবাদী সমাবেশহয়। জেলা বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়কারী দুলাল মজুমদারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বাসদ সদস্য সচিব ডা. মনিষা চক্রবর্তী, গণসংহতি আন্দোলনের আহ্বায়ক দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মিজানুর রহমান এবং জেলা ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সভাপতি নৃপেন্দ্র নাথ বাড়ৈ প্রমুখ। বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ | 6 |
দিনাজপুরে মোটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের ডাকা পরিবহন ধর্মঘটে বৃহস্পতিবার দিনভর দুর্ভোগে কেটেছে যাত্রীদের। তবে বিকেলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে।দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কয়েক অ্যাম্বুলেন্স চালককে আটক এবং চাউলিয়া পট্টি বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ওঠানামা নিয়ে এক শ্রমিক নেতাকে মারধরের প্রতিবাদে বুধবার রাত ১২টা থেকে আকস্মিকভাবে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয় দিনাজপুর জেলা মোটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন। দিনাজপুরে মোটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের ডাকা পরিবহন ধর্মঘটে বৃহস্পতিবার দিনভর দুর্ভোগে কেটেছে যাত্রীদের। তবে বিকেলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারদুপুরে দিনাজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে মোটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন ও মালিক সমিতিরি নেতাসহ পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কমকর্তারা সমঝোতা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। শ্রমিকদের উত্থাপিত দাবি মেনে নেওয়ায় পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়। বিকেলে বৈঠকে পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সচীন চাকমা ও পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এরপর ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন ফজলে রাব্বি। ঘোষণার পর থেকে বাস চলাচল শুরু হয়। এর আগে ধর্মঘটে দিনাজপুর থেকে ঢাকাসহ সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে বিপাকে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। শ্রমিকদের অভিযোগ, বুধবার বিকেলে দিনাজপুর শহরের বালুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে সিএনজিচালিত অটোরিকশার এক যাত্রীকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে বাসে উঠিয়ে নেন এক বাস হেলপার। এ সময় অটোরিকশার চালকরা সেই হেলপারকে মারধর করে। ঘটনাটি সমাধানের জন্য বাসস্ট্যান্ড শাখা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান ডাবলু এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করে অটোরিকশা চালকরা। একই সময় দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বর থেকে ৫ অ্যাম্বুলেন্স চালককে আটক করে পুলিশ। রোগী ও নিহতদের মরদেহ নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে তাদের আটক করে পুলিশ। এর প্রতিবাদে বুধবার রাত ১১টার দিকে হাসপাতালের সামনে দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়কে অ্যাম্বুলেন্স রেখে অবরোধ করেন অন্য চালকরা। পরে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের লাঠিচার্জ করে। এ সময় সেখান থেকে আরও তিনজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে আটক করে পুলিশ। বৈঠকে পুলিশ বলেছে, আটক চালকদের জামিনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ ছাড়া শ্রমিক নেতা ডাবলুকে মারধরে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হবে। | 6 |
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কবীর হোসেন ও সাবেক কাউন্সিলর ও মহানগর শ্রমিক লীগের সেক্রেটারি কামরুল হাসান মুন্নার সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে এঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এঘটনায় দুই কাউন্সিলরসহ ২২ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে। রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে থেমে থেমে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের লোকজন আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে একে অপরের উপর হামলা করেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এদিকে মুন্না গ্রুপের হামলায় কাউন্সিলর কবীরসহ কমপক্ষে ২৫ জন মারাত্মক আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসী জানান, স্থানীয় দক্ষিণ নলুয়া জামে মসজিদের কমিটি নিয়ে কাউন্সিলর কবীর ও সাবেক কাউন্সিলর মুন্নার মাঝে বিরোধ চলছিল। রোববার কাউন্সিলর কবীরের ভাগিনা টিটু বর্তমান কমিটির কাছে হিসাব চাওয়ায় তাকে মারধর করে মসজিদ থেকে বের করে দেয় মুন্নাপন্থীরা। এ নিয়ে রোববার রাতে এক পক্ষ সদর থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে পুলিশ এলাকায় পৌঁছাতে না পৌঁছাতেই উভয় গ্রুপ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাবেক কাউন্সিলর মুন্নার লোকজন প্রথমে কাউন্সিলর কবীরের উপর হামলা করে। এসময় মুন্নার পক্ষের কয়েক যুবক ফাঁকা গুলিবর্ষণ করলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে কবীরের লোকজন খবর পেয়ে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে ঘটনাস্থলে এলে সংঘর্ষ চরম আকার ধারণ করে। সংঘর্ষে কাউন্সিলর কবীর, নেয়ামত উল্লাহ, সুজন, সত্যজিৎ ও দুর্জয়সহ ২৫ জনকে রক্তাক্ত অবস্থায় জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তারা চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম জানান, মসজিদ কমিটি নিয়ে দুইপক্ষের বিরোধ থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত আছে। | 6 |
একসময় বন-জঙ্গলে সরব উপস্থিতি ছিল পাখিটির। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সংখ্যা কমতে থাকে। একসময় বিলুপ্ত হয়ে যায়। কয়েক দশক আর দেখা পাওয়া যায়নি। অবশেষে প্রকৃতিতে বিলুপ্ত পাখিটির সুরেলা কণ্ঠ ফিরেছে। সিঙ্গাপুরের একটি দ্বীপে আবারও দেখা মিলেছে সেটির। ছোট্ট পাখিটির নাম গ্রিন ব্রডবিল। গত শতকের চল্লিশের দশকে বোর্নিও, সুমাত্রা ও মালয় উপদ্বীপের প্রকৃতিতে অবাধ বিচরণ ছিল গ্রিন ব্রডবিলের। দেখতে টুকটুকে সবুজ, ছোট্ট ও সুরেলা পাখিটির যেন নামের সঙ্গে অদ্ভুত মিল। গাঢ় সবুজ আর কালো রঙের মিশেলে পাখিটির পালক যে কারও নজর কাড়বে। ঘন কালো, ছোট্ট দুটো চোখ সবুজের সঙ্গে মিশে যেন আলাদা আভিজাত্য এনে দিয়েছে গ্রিন ব্রডবিলের গায়ে। তবে চল্লিশের দশকের পর থেকে পাখিটির সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমতে শুরু করে। একপর্যায়ে অনেক খুঁজেও দেখা মেলেনি। ফলে সাত দশক আগেই বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয় পাখিটিকে। হঠাৎ সিঙ্গাপুরের প্রকৃতিতে ফিরে এসেছে বিলুপ্ত সেই গ্রিন ব্রডবিল। সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল পার্কস বোর্ডের সংরক্ষণবিষয়ক দলের পরিচালক লিম লিয়াং জিম জানান, গত ২৭ জুন সিঙ্গাপুরের মূল ভূখণ্ডের উত্তর-পূর্বে পুলাউ উবিন দ্বীপের প্রাকৃতিক পরিবেশে একটি গ্রিন ব্রডবিল দেখা গেছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে গতকাল মঙ্গলবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া পাখিটি নতুন করে শনাক্ত করেছেন জোয়সি রি মিসৌরিয়ের। তিনি পেশায় পাখি পর্যবেক্ষণকারী। তিনি ছাড়াও স্থানীয় কয়েকজন পাখি পর্যবেক্ষণকারী বলেছেন, তাঁরা এর আগে ওই এলাকায় এমন পাখি দেখেননি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন করে শনাক্ত হওয়া গ্রিন ব্রডবিলটি পুরুষ। এটির গাঢ় সবুজ পালকের ওপরে চোখের পাশে কালো ছোপ, ডানায় কালো দাগ রয়েছে। ছবিতে এসব দেখে বোঝা গেছে, এটি পূর্ণাঙ্গ বয়সের পুরুষ পাখি। মেয়ে গ্রিন ব্রডবিলের ডানায় সচরাচর কালো ছোপ দেখা যায় না। এত বছর পরে পাখিটি কোথা থেকে পুলাউ উবিন দ্বীপে এসেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত নন বিশেষজ্ঞরা। | 3 |
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের মেয়ে ও কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের মেধাবী ছাত্রী ঋতিকা রানী পালের দুটো কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। ভারতের চেন্নাই সিএমসি হাসপাতালে তিন মাস চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিডনি নষ্টের বিষয়টি চিকিৎসকরা জানান। চিকিৎসকরা এই দুটি কিডনি সংযোজন করতে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন। ঋতিকার বাবা রিপন কান্তি পাল কুমিল্লার একটি পেড়া ভান্ডারের সামান্য চাকরিজীবি ও মা দীপিকা রানী পাল গৃহীনি হওয়ায় এত টাকা জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ঋতিকাকে ভারত থেকে নিয়ে আসার পর দুটো কিডনি ডায়ালাসিস করে বেঁচে আছে। সে মাতা-পিতার সাথে কুমিল্লা নগরীর বজ্রপুর এলাকার ইউসুফ স্কুল রোডের ভাড়া বাসাতে অসুস্থবস্থায় দিনাতিপাত করছে। সে পিএসসি ও জেএসসিতে গোল্ডেন এবং এস.এস.সিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে। চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার মিঠানালা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড পালগ্রামের মেয়ে ঋতিকার পিতা ঋতিকাকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন। ঋতিকাকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা রিপন কান্তি পাল, হিসাব নং-১০২১০৮৬৬৯৪, জনতা ব্যাংক, একে ফজলুল হক রোড, মনোহরপুর শাখা, কুমিল্লা। বিকাশ নং - ০১৯১১৬২১২০৮ (পারসোনাল)। তাছাড়া ঋতিকার বাবা রিপন কান্তি পালের (০১৯১১৬২১২০৮) সাথেও যোগাযোগ করা যাবে। | 6 |
সালমান-শাহরুখের বন্ধুত্বের কথা ভারতীয় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সবারই জানা। প্রোমোদতরীতে মাদককাণ্ডের জেরে আরিয়ান খান যখন গ্রেফতার হয়েছিলেন, তখন হাজারও ব্যস্ততার মাঝে সেই রাতে মান্নাতে গিয়ে শাহরুখ-গৌরীর সঙ্গে দেখা করে এসেছিলেন ভাইজান। শুধু তাই নয়, পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘকাল ধরেই পেশাগত সম্পর্কের পাশাপাশি বন্ধুত্বও সমানতালে বজায় রেখেছেন সালমান-শাহরুখ। তারা দুজন একে-অপরকে ভাই বলেও সম্বোধন করেন। এবার ফের প্রকাশ্যে শাহরুখের গুণগান করলেন সালমান । সম্প্রতি কপিল শর্মার শোতে এসে বলিউডের ভাইজান বলেছেন 'আমার কাছে ভাই একজনই, তিনি শাহরুখ খান'। ভক্তের এমন কথা শুনে পাল্টা উত্তর দেন সালমান। সেই ভক্তকে প্রশ্ন করেন, "কিন্তু শাহরুখ তো আমার ভাই। আর ভাইয়ের ভাইকে আপনি কী বলবেন?' এরপরই ওই ব্যক্তির উত্তর, 'ভাই-ই বলব।' যা শুনে সালমান বলেন, 'হ্যাঁ, এটা সবসময়ে মনে রেখো।' বিডি প্রতিদিন/এমআই | 2 |
ছোট বয়সেই যোগ দিয়েছিলেন পারিবারিক ব্যবসায়। মাত্র ১৫ বছর বয়সে পুরান ঢাকায় নিজের নামে শুরু করেছিলেন একটি কাপড়ের দোকান-আনোয়ার ক্লথ স্টোর। সে সময় নিজের মাথায় লুঙ্গির গাঁট্টি বয়ে নিয়ে হাটে বিক্রি করতেন। আগাগোড়া তিনি ছিলেন সৎ, সাহসী ও পরিশ্রমী। ফলে ক্রমে তিনি ওপরে উঠেছেন এবং গড়ে তুলেছেন এক বিশাল শিল্পসাম্রাজ্য। চেষ্টা থাকলে, উদ্যোগ থাকলে মানুষ যে এক জীবনেই কত কিছু করতে পারে, তার প্রমাণ দেশের প্রথম প্রজন্মের অন্যতম শিল্পোদ্যোক্তা আনোয়ার হোসেন।১৯৬৮ সালে আনোয়ার সিল্ক মিলস প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে শিল্পোদ্যোগ শুরু, তারপর একে একে গড়ে তুলেছেন ২০ কোম্পানি, যেখানে কর্মসংস্থান হয়েছে কমপক্ষে ২০ হাজার মানুষের। তাঁর কারখানায় তৈরি মালা শাড়ি ছিল একসময় অত্যন্ত জনপ্রিয়। তাঁকে তখন মালা শাড়ির আনোয়ার হিসেবেই সবাই চিনত। বস্ত্র ছাড়াও সিমেন্ট, পাট, অটোমোবাইল, আবাসন, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ নানা প্রতিষ্ঠান গড়ায় মনোযোগী হয়েছেন।বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক 'দি সিটি ব্যাংকের' তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি একদিকে যেমন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন, ১৮৫ বছরের পুরোনো পারিবারিক ব্যবসা সমৃদ্ধ করেছেন, নতুন নতুন মাত্রা যোগ করেছেন, মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন, অর্থনীতিকে পুষ্টি জুগিয়েছেন, অন্যদিকে তেমনি ব্যবসায়িক সংগঠনের নেতৃত্বও দিয়েছেন সফলভাবে। তিনি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে ভালোবাসতেন, তাই কখনো পিছু হটেননি। বলা হয়ে থাকে, ব্যবসায়ে উত্থান-পতন স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু আনোয়ার হোসেন যেখানে হাত দিয়েছেন, সেখানেই সোনা ফলেছে। কোথাও ব্যর্থতার কথা শোনা যায় না।বড় মাপের উদ্যোক্তা হয়েও আনোয়ার হোসেন তেমন আলোচিত মানুষ হিসেবে খুব একটা সামনে আসেননি। কিছুটা যেন প্রচার-প্রচারণার আড়ালে থেকে নীরবে কাজ করতে পছন্দ করতেন। তিনি অবশ্য একবার লালবাগ এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তবে রাজনীতি নিয়ে সেভাবে মেতে ওঠেননি।'আমার আট দশক' নামে একটি আত্মজীবনী লিখে আনোয়ার হোসেন একটি দারুণ কাজ করেছেন। এই বইটি পড়লে বোঝা যাবে, পঠনপাঠনেও তিনি আগ্রহী ছিলেন। বইটি তিনি শেষ করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উদ্ধৃত করে। এ থেকেও এটা স্পষ্ট যে, তিনি কতটা রবীন্দ্রানুরাগী ছিলেন। আমাদের দেশে অনেকের অনেক সফলতা আছে। কিন্তু অনেকেই নিজের অভিজ্ঞতা লিখে না যাওয়ায় পরবর্তী প্রজন্ম জানতে পারে না-কী তাদের করা উচিত, কোন পথে হাঁটলে লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়।আনোয়ার হোসেনের 'আমার আট দশক' বইটি পড়ে নতুন উদ্যোক্তারা দিকনির্দেশনা পেতে পারেন। আনোয়ার হোসেনের জন্ম ১৯৩৮ সালের ৩০ অক্টোবর। ৮৪ বছর বয়সে ১৭ আগস্ট ২০২১ তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর আগে তিনি কয়েক বছর শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন, ডিমেনশিয়া রোগে ভুগছিলেন। তাঁর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য জগতের একজন নিবেদিতপ্রাণ মানুষের শূন্যতা তৈরি হলো। ১৯ আগস্ট আজিমপুর কবরস্থানে মায়ের কবরে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়েছে দুই দফা জানাজা শেষে।আনোয়ার হোসেন চলে গেলেন। রেখে গেলেন এক বড় শিল্পপরিবার। তিনি নিজে যেমন তাঁর পারিবারিক ব্যবসা এগিয়ে নিয়েছেন, তাঁর সন্তানেরাও তাঁর রেখে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষা করে আরও নতুন সংখ্যা যোগ করবেন বলে আশা করা যায়। কীভাবে প্রতিষ্ঠান গড়তে হয়, সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে হয়, তা তিনি তাঁর উত্তর প্রজন্মকে হাতে-কলমে শিখিয়ে গেছেন। তাঁর বিদায় একধরনের শূন্যতা তৈরি করবে ঠিকই; কিন্তু তিনি যে বিশাল ছাদ রেখে গেলেন, তা শক্তি ও প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে নিশ্চয়ই। আনোয়ার হোসেনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।লেখক: সাংবাদিক | 8 |
ফরিদপুরে দ্বিধাবিভক্ত বিএনপির কর্মীদের উত্তেজনার মধ্যেই বিভাগীয় সমাবেশ হয়েছে। সমাবেশের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সংগঠনের দুই পক্ষের সমর্থকেরা নিজ নিজ নেতার নামে স্লোগানে পরিবেশ মুখর করে রাখে। তবে শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সামাবেশ হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিভাগীয় পর্যায়ে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় বিএনপি। তারই অংশ হিসেবে আজ সোমবার বিকেলে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় (বিএনপির সাংগঠনিক বিভাগ) সমাবেশ হয়। বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান। এতে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাশুকুর রহমান ও সেলিমুজ্জামান, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক নায়াব ইউসুফ, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাহাবুবুল হাসান ভুইয়া, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহিরুল হক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোদাররেছ আলী প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে দেশের জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে। 'বিএনপির এ সংগ্রাম শুধু বিএনপির নিজস্ব সংগ্রাম নয়' মন্তব্য করে আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, 'এর জন্য আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এ সংগ্রামের সঙ্গে দলমত-নির্বিশেষে সব দল, সব মানুষকে শরিক করে জাতীয় সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে এবং এ দুঃশাসনের অবসান ঘটাতে হবে।' ফরিদপুরে জেলা বিএনপির কমিটি নেই ২০২০ সালের ৪ সেপ্টেম্বর থেকে। তবে আছে বিরোধ। জেলা বিএনপি শামা ওবায়েদ ও নায়াব ইউসুফের নেতৃত্বে বিভক্ত। সমাবেশ চলাকালে এ বিরোধ প্রকট হয়ে দেখা দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রেসক্লাব চত্বরে সভা চলাকালে মঞ্চের পূর্ব পাশে নায়াব ইউসুফের সমর্থকেরা ও পশ্চিম পাশে শামা ওবায়েদের সমর্থকেরা অবস্থান নেন। যখন যে বক্তার নাম ঘোষণা করা হয়, তখন ওই নেতা যে অংশের অনুসারী, সেই অংশের লোকজন স্লোগান দিতে থাকে, অপর অংশ নীরব থাকে। বক্তব্য দিতে উঠে যে নেতা যাঁর অনুসারী তাঁকে সম্বোধন করেন, অন্য জনের নাম উল্লেখ পর্যন্ত করেননি। এমন অবস্থার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বক্তব্যের সময় যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাহাবুবুল হাসান ভুইয়া বলেন, 'বক্তব্য দেওয়ার সময় মঞ্চে যেসব নেতা উপস্থিত, তাঁদের সবার নাম উল্লেখ করে বক্তব্য দেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।' সভাপতির বক্তব্যে শামা ওবায়েদ বলেন, 'পছন্দের নেতা হোক বা না হোক, যখন যিনি বক্তব্য রাখবেন, তখন নেতা-কর্মীদের উচিত সবার পক্ষে স্লোগান দেওয়া। এখানে কেউ বিশেষ নেতা নয়, সবাই বিএনপির। আমি ফরিদপুর বিএনপিকে এ অবস্থায় দেখতে চাই।' | 6 |
মদ কিনতে গেলে নিতে হবে করোনাভাইরাসের দুই ডোজ টিকা। অন্যথায় মিলবে না মদ। অর্থাৎ করোনার টিকাকরণ সম্পূর্ণ হলে তবেই কেনা যাবে মদ। সম্প্রতি এ রকম ঘোষণা দিয়েছে তামিলনাড়ুর নীলগিরি জেলার প্রশাসন। যা নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। জেলার সমস্ত প্রাপ্তবয়স্ককে টিকাকরণের আওতায় আনতে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেখানকার জেলা প্রশাসক। মদ কেনার জন্য কোভিড টিকার সার্টিফিকেট দেখানো নিয়ে দিব্যা বলেছেন, ''টিকা পাওয়ার যোগ্যদের মধ্যে ৯৭ শতাংশকে টিকা দেওয়া হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়েও টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে কিছু মদ্যপ টিকা নিতে অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, টিকা নিলে দু'-তিন দিন মদ খাওয়া যাবে না। তাই তারা টিকা নেবেন না। এ রকম কিছু মানুষের জন্যই আমরা ১০০ শতাংশ টিকাকরণের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারিনি। সে জন্যই এ রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।'' কমপক্ষে একটি টিকা নেওয়া থাকলেও মদ কেনা যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন | 3 |
'রাত জাগা ফুল' সিনেমা বাংলাদেশে মুক্তি পায় গত বছরের শেষদিন ৩১ ডিসেম্বর। এখন সিনেমাটি চলছে হলে। জনপ্রিয় অভিনেতা ও পরিচালক মীর সাব্বির প্রথমবারের মতো এই ছবি দিয়ে বড় পর্দার পরিচালক হিসেবে নাম লেখালেন। তিনি দিলেন নতুন সুখবর। তার ছবিটি এবার মুক্তি পেতে যাচ্ছে বিদেশে। তিনি বলেন, 'রাত জাগা ফুল' সিনেমা প্রথম ফ্রান্সের প্যারিস দেখানো হবে। তারপর অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে দেখানো হবে। এরই ধারাবাহিকতায় সুইজারল্যান্ডে যাবে। এছাড়াও আমেরিকা, মালয়েশিয়া ও মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলো থেকে 'রাত জাগা ফুল' সিনেমা দেখার আগ্রহ দেখাচ্ছেন দর্শক। প্রতিদিন বলছে ছবিটি মুক্তি দিতে। আমরা ধীরে ধীরে সেই দেশগুলোতেও দেখানোর ব্যবস্থা করবো। মীর সাব্বির আরও বলেন, 'আমি কখন চিন্তা করি নাই। এই 'রাত জাগা ফুল' সিনেমা এভাবে দর্শক গ্রহণ করবে। ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে আবার বেশ কিছু সিনেমা হলে মুক্তি দিবে হল মালিকরা। আমি দর্শককে বড় পর্দায় দেখাতে চেষ্টা করছি সিনেমাটা। তারপর ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখাতে চাই।' 'রাত জাগা ফুল' সিনেমাটি পরিচালনার পাশাপাশি এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মীর সাব্বির। আরও আছেন জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী, শর্মিলী আহমেদ, আবুল হায়াত, ফজলুর রহমান বাবু প্রমুখ। | 2 |
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় রাজধানী থেকে ছেড়ে আসা রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ায় ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।রোববার বেলা ১২টার দিকে ঢাকা-ঈশ্বরদী রেলসড়কে উল্লাপাড়া রেলওয়ে স্টেশনের পশ্চিমপ্রান্তে আউটার সিগনালের কাছে এ ঘটনা ঘটে। ট্রেনটি সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে রংপুর যাচ্ছিল। উল্লাপাড়া রেলওয়ে স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার হায়দার আলী জানান, রংপুর এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ায় ঢাকা-ঈশ্বরদী রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বেলা ২ টা ৪৫ মিনিটের দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব স্টেশন থেকে একটি খালি ইঞ্জিন এনে বিকল হওয়া ইঞ্জিনসহ ট্রেনটি উল্লাপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে টেনে আনার প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।স্টেশন মাস্টার হায়দার আলী আরও জানান, ট্রেনটি উল্লাপাড়া রেল স্টেশনের দুই নাম্বার লাইনে আনার পর এই পথে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। তিনি জানান, রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটির ইঞ্জিন বিকল হওবার পর উল্লাপাড়ার পূর্বপ্রান্তে ঢাকা থেকে দিনাজপুরগামী একতা এক্সপ্রেস বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব স্টেশনে আটকে যায়। অন্যদিকে কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকাগামী কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনটি জামতৈল রেলওয়ে স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকে। | 6 |
রণবীর কাপুর-আলিয়া ভাট এবং ক্যাটরিনা কাইফ-ভিকি কৌশলের বিয়ে নিয়ে অনেকদিন ধরেই সরগরম বলিউড পাড়া। শোনা যাচ্ছে ডিসেম্বরেই নাকি বিয়ে করতে যাচ্ছেন এই দুই তারকা জুটি। এখন তারা ব্যস্ত বিয়ের প্রস্তুতিতে। তারই অংশ হিসেবে বিবাহ পরবর্তী সময়ে নিজেদের বাড়ির সাজসজ্জা নিয়ে ব্যতিব্যস্ত তারা। তবে এর মধ্যে ক্যাটরিনা-ভিকির বিয়ে নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন গুঞ্জন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, দিওয়ালির দিনই বলিউড পরিচালক কবীর খানের বাড়িতে রোকা (আশীর্বাদ অনুষ্ঠান) সেরে ফেলেছেন তারা। কবীর খান পরচালিত ''নিউ ইয়র্ক'' এবং ''এক থা টাইগার'' চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন ক্যাটরিনা কাইফ। তখনই তার সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে ক্যাটের। মিডিয়ার নজর এড়াতে তাই নিজের বড় ভাইয়ের মতো দেখা পরিচালক কবীরের বাড়িতেই রোকার অনুষ্ঠান আয়োজন হয়েছে। রোকা অনুষ্ঠানে ক্যাটরিনার পক্ষ থেকে তার মা সুজ়ান টারকোটে এবং বোন ইসাবেলা কাইফ উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, ভিকির পক্ষ থেকে ছিলেন তার বাবা-মা শ্যাম কৌশল ও বীণা কৌশল এবং ভাই সানি। এক মাস আগেও ভিকি-ক্যাটের রোকা হওয়ার খবর শোনা গেলেও দুজনই সে খবর উড়িয়ে দিয়েছিলেন। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে রাজস্থানের সওয়াই মাধোপুরের এক হেরিটেজ রিসর্টে ক্যাটরিনা-ভিকির বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে বলে শোনা যাচ্ছিল। কিছু দিন আগে জানা যায়, ওরলিতে বিরাট কোহালি-অনুষ্কা শর্মা যেখানে থাকেন, সেখানেই বিলাসবহুল ফ্ল্যাট নিচ্ছেন ক্যাট-ভিকি। রবিবার সেই ফ্ল্যাট দেখতে গিয়েছিলেন বলিউড অভিনেতা। এদিকে, রাজস্থানের কোনও বিলাসবহুল রিসোর্টে রণবীর-আলিয়ার বিয়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও বিয়ের তারিখ জানা যায়নি এখনও। বিয়ের পর রণবীর-আলিয়ার নতুন আবাসস্থল হতে যাচ্ছে বান্দ্রার ''কৃষ্ণা রাজ বাংলো''। নীতু সিংকে সঙ্গে নিয়ে রবিবার (৭ নভেম্বর) বাংলোর নির্মাণকাজ তদারকি করতে গিয়েছিলেন রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাট। | 2 |
যশোরের শার্শা উপজেলার মা ও শিশু কল্যাণকেন্দ্র দুটি নির্মাণের ৭ বছরেও সেবা কার্যক্রম শুরু হয়নি। এতে সেখানকার মানুষেরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে চিকিৎসা না পেয়ে জীবন যাচ্ছে গর্ভবর্তী মায়েদের। ব্যবহার না হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে সেবা কেন্দ্রের আসবাব পত্র।এলাকাবাসী বলছেন, উপজেলাটির গুরুত্ব অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে বেশি হলেও কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত এ অঞ্চলের মানুষ। তবে কর্তৃপক্ষ বলছেন করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই হাসপাতালে সেবা কার্যক্রম শুরু হবে।জানা যায়, যশোরের ভারত সীমান্তবর্তী উপজেলা শার্শা। এ উপজেলাতে রয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল স্থলবন্দর। বাণিজ্যিক স্বার্থে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের বসবাস এ উপজেলাতে। বন্দরে ঝুঁকিপূর্ণ পণ্য খালাস করতে গিয়ে প্রায়ই আহত হয় শ্রমিকেরা। গর্ভবর্তী মা দ্রুত চিকিৎসা সেবা না পেয়ে প্রায়ই মারা যায়। তবে গুরুত্ব অনুধাবন করে উপজেলার বেনাপোল বন্দরে বেনাপোল স্থলবন্দর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র এবং শার্শার নিজামপুরে গোড়পাড়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র নামে দুটি ১০ শয্যার সেবা কেন্দ্র তৈরি হয়। কিন্তু মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র নামে দুটি হাসপাতাল গত ৭ বছর আগে স্থাপিত হলেও চিকিৎসক নিয়োগের অভাবে সেবা পায়নি সেখানকার মানুষ, তাঁরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।বেনাপোলের কাগজপুকুর গ্রামের বাসিন্দা সংবাদকর্মী আশানুর রহমান জানান, গেল মাসে তার মেয়ে গর্ভবর্তী অবস্থায় তার বাড়িতে ছিলেন। হঠাৎ অসুস্থ হলে তাকে শার্শা স্বাস্থ্য কেন্দ্র নেওয়া হয়। কিন্তু ডাক্তার তাকে যশোর নিতে বলে। যশোরের ডাক্তাররা তাকে দেখেনি। খুলনা নেওয়ার পথে সে মারা যায়। বাড়ির দোয়ারে স্থলবন্দর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র রয়েছে। কিন্তু সেটি ডাক্তারের অভাবে চালু হয়নি। এখানে সেবা পেলে হয়তো মেয়েকে হারাতে হতো না।বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল লিটন বলেন, এত দিনে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র দুটি চালু না হওয়া দুঃখ জনক। করোনা কালীন সময়ে কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত এলাকাবাসী। মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র দুটি চালু না হওয়ায় মায়েরাও সেবা বঞ্চিত। গুরুতর অসুস্থরা দূর দুরান্তে গিয়ে চিকিৎসা নিতে রাস্তায় জীবন যাচ্ছে। এটি চালু করতে সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।শার্শা উপজেলা মা, শিশু স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মেডিকেল অফিসার আবু বক্কর ছিদ্দিক জানান, মা ও শিশু কল্যাণকেন্দ্র দুটি চালু করতে ইতিমধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম শুরু হবে। | 6 |
সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ... রাজিউন)। শুক্রবার সন্ধ্যায় শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বনানীর বাসভবন থেকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।আবদুর রহমান বিশ্বাসের ছেলে মাহমুদুল হাসান বিশ্বাসের বরাত দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবির সমকালকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন।বাংলাদেশের ১১তম রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমানের মৃত্যুতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর ১৯৯১ সালের ১০ অক্টোবর থেকে ১৯৯৬ সালের ৯ অক্টোবর পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন আবদুর রহমান বিশ্বাস। রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়ার পর রাজনীতি থেকে দূরে সরে যান। আমৃত্যু তিনি নিভৃত জীবনযাপন করেন।আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৯২৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বরিশালের শায়েস্তাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। সেখানেই তার স্কুল ও কলেজ জীবন কাটে। পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ (সম্মান) ও আইনে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ষাটের দশকে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে ১৯৬২ ও ১৯৬৫ সালে বরিশাল থেকে পূর্ব পাকিস্তান আইন সভার সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীনতার পর বরিশাল আইনজীবী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে রাজনীতিতে ফেরেন। ১৯৭৭ সালে বরিশাল পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় সংসদে সদস্য নির্বাচিত হন আবদুর রহমান বিশ্বাস। জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় পাটমন্ত্রী এবং ১৯৮১-৮২ সালে রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
| 6 |
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় এক সন্তানের জননী গৃহবধূকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত মামা শ্বশুর রনি ইসলামকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত সোমবার দিবাগত গভীর রাতে আসামি রনি ইসলামকে দক্ষিণ ভবানীপুর গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।অভিযুক্ত আসামি রনি ইসলাম উপজেলার রনপিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের নবীরউদ্দীন ইসলামের ছেলে।পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত রনি ভিকটিমের সম্পর্কে প্রতিবেশী মামা শ্বশুর। সে দীর্ঘদিন ধরে এক সন্তানের জননী ওই গৃহবধূ কে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গৃহবধূর স্বামী দুবাই প্রবাসী হওয়াই প্রায়ই সে সুযোগ নিত।গত ১৬ অক্টোবর আনুমানিক সন্ধ্যা ৬টার দিকে গৃহবধূর নিজ বাড়িতে একা পেয়ে মামা শ্বশুর রনি গৃহবধূর ঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক ধর্ষক করে। পরে সে পালিয়ে যায়।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী গত সোমবার ভেড়ামারা থানায় অভিযোগ দায়ের করলে ওই দিনই তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু হয়।ওসি মজিবুর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি রনি ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। তাঁকে মঙ্গলবার বিজ্ঞ আদালতে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। | 6 |
ডাকসুর সাবেক ভিপি ও বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নূরের ডাকা শাহবাগের বিক্ষোভ কর্মসূচী স্থগিত করা হয়েছে। শুক্রবার ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান এ তথ্য জানিয়ে বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন উপলক্ষে নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে ঘোষিত প্রোগ্রামটি স্থগিত করা হল। | 6 |
বিশ্বকাপের ঠিক আগে দু' ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ ড্র করল আফগানিস্তান সিরিজে ০-১ পিছিয়ে থেকে মঙ্গলবার দ্বিতীয় ম্যাচে ১২৬ রান জয় ছিনিয়ে নেয় আফগানরা সেই সঙ্গে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে দু' ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ ১-১ করে আফগানিস্তান ৩০ মে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের মাটিতে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ তার আগে আয়ারল্যান্ডের মাটিতে ওয়ান ডে সিরিজ ড্র করে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি মন্দ হলো না রশিদ খানদের মঙ্গলবার বেলফাস্টে টস জিতে আফগানিস্তানকে প্রথম ব্যাট করতে পাঠায় আয়ারল্যান্ড ওপেনার মোহাম্মদ শাহজাদের দুরন্ত সেঞ্চুরি ও লো-অর্ডারে নাজিবুল্লাহ জাদরানের ঝোড়ো ইনিংসে সাত উইকেটে ৩০৫ রান তোলে আফগানিস্তান ৮৮ বলে ১০১ রানের ইনিংস খেলেন আফগান উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ইনিংসে ১৬টি বাউন্ডারি মারেন শাহজাদ ওপেনিং জুটিতে মাত্র ২৫ রান যোগ করলেও দ্বিতীয় উইকেটে রহমত শাহের সঙ্গে ১৫০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে আফগান ইনিংসের ভিত শক্ত করেন শাহজাদ ৮৭ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি ৯০ বলে ৬২ রান করেন শাহ তবে সাত নম্বরে ব্যাটিং করতে নেমে মাত্র ৩৩ বলে ৬০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলের রান তিন শ'তে পৌঁছে দেন জারদান রান তাড়া করতে নেমে ৪১.২ ওভারে ১৭৯ রানে গুটিয় যায় আয়ারল্যান্ড ইনিংস ওপেনার পল স্টিরলিং ৫৬ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করলেও আফগানদের চাপে রাখতে পারেননি আইরিশরা আফগান ক্যাপ্টেন গুলবাদিন নায়েবের দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে আইরিশ ইনিংস ৯.২ ওভারে মাত্র ৪৩ রান খরচ করে ৬টি উইকেট তুলে নেন আফগান ক্যাপ্টেন ওয়ান ডে ক্রিকেটের ইতিহাসে আফগান বোলারদের মধ্যে এটি তৃতীয় সেরা পারফর্ম্যান্স গত মাসেই গুলবাদিন নায়েবের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেয় আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডে তবে এ নিয়ে সমালোচনাও কম হয়নি বিশ্বকাপেও আফগানদের নেতা গুলবাদিন নায়েব ১ জুন ব্রিস্টলে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে আফগানিস্তান এর আগে অবশ্য পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দু'টি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে রশিদ খানরা ২৪ তারিখ ব্রিস্টলে প্রস্তুতি ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান আর ২৭ তারিখ লন্ডনে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে আফগানিস্তান | 12 |
কাগজে-কলমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। কিন্তু বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকেরাও বিশ্বাস করেন না, শিক্ষা, জ্ঞানচর্চা, বিচার ও দাপ্তরিক যোগাযোগের মাধ্যম হওয়ার মতো ক্ষমতা বাংলা ভাষার আছে। এর অন্যতম প্রমাণ, নিজেদের প্রতিষ্ঠানটি ভাষা আন্দোলনের সূতিকাগার বলে গর্বে আটখানা হয় যে প্রতিষ্ঠানের খাদেমরা, সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই ইংরেজিতে পাঠ দেওয়া দস্তুর, অনেক বিভাগে ইংরেজিতে পড়ানো বাধ্যতামূলক। বাংলাদেশের আনাচকানাচে ছড়িয়ে আছে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়। এসব প্রতিষ্ঠানে ইংরেজিতে পড়ানো বাধ্যতামূলক। কী বাক্য গঠনে, কী শব্দচয়নে, কী উচ্চারণে বাংলাদেশের বেশির ভাগ শিক্ষকের ইংরেজিই মানোত্তীর্ণ নয়। বাপকা বেটা, সিপাহিকা ঘোড়া। ফলে শিক্ষার্থীদের ইংরেজিরও উন্নতি হয় না। সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক ও উচ্চবিদ্যালয়ের বাংলা মাধ্যম থেকে পাস করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যঁারা ভর্তি হন, নিজেদের দুর্বলতর ইংরেজির কারণে তাঁরা ক্লাসে শিক্ষকের বক্তৃতা অনুসরণ করতে পারেন না। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল-কলেজ থেকে আসা সহপাঠীদের সঙ্গে মিশতে না পেরে বা তাঁদের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়ে 'বাংলা ভাইয়েরা' নানা হতাশায় ভুগে থাকেন। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন দৃশ্যত দুটি ভাষিক ও সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী: ইংরেজি ও বাংলা। একদিকে শিক্ষার মাধ্যমের পার্থক্যের কারণে শ্রেণিবৈষম্যের সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে মাতৃভাষা শিক্ষার মাধ্যম না হওয়াতে শিক্ষার্থীরা লিখতে-পড়তে শিখছে না এবং স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে সক্ষম হচ্ছে না। একটি পরিকল্পিত সাজানো বাগান এবং অনিয়ন্ত্রিতভাবে গজিয়ে ওঠা আগাছা বনের মধ্যে তফাত আছে। সাজানো-গোছানো একটি 'বসতি' আর অগোছালো একটি 'বস্তি'-এর তফাতটা নিছক যুক্তাক্ষরের নয়। বাংলাদেশের ভাষা পরিস্থিতি একটি আগাছা বন কিংবা অগোছালো বস্তির সঙ্গে তুলনীয়। বাংলাদেশের বেশির ভাগ খাতের মতো শিক্ষা খাতও একটি আগাছার জঙ্গল। আগাছার কাজই হচ্ছে যে ফুলটি ফোটার ছিল, তাকে অঙ্কুরে বিনষ্ট করা। যে ভাষাটি সংখ্যাগরিষ্ঠের মাতৃভাষা, সেটিকে শিক্ষার মাধ্যম করা হয়নি বা করা যায়নি, এমন দেশ সম্ভবত পৃথিবীতে একটিই-ভারত। হিন্দি কাগজে-কলমে রাষ্ট্রভাষা হলেও কাজেকর্মে ভারতের রাষ্ট্রভাষা ইংরেজি। বহু কোটি জনসংখ্যার দেশ চীনে বহু ভাষা-উপভাষা, অনেকটা ভারতের মতোই। কিন্তু একটিমাত্র উপভাষা ম্যান্ডারিনকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে চীন মাত্র অর্ধশতকে। বাংলাদেশের ভাষা পরিস্থিতি ভারত বা চীনের তুলনায় বহুগুণ সরল। যে দেশের জনসংখ্যার প্রায় শতভাগ বাংলা বলে, বোঝে, সে দেশে রাষ্ট্রভাষা নিয়ে দ্বিধা থাকার কোনো কারণ ছিল না। ইংল্যান্ডের উপনিবেশ হওয়ার দোহাই দেওয়া যাবে না, কারণ বিপরীত উদাহরণের অভাব নেই। চার লাখের কম জনসংখ্যার দেশ আইসল্যান্ড শ পাঁচেক বছর সুইডেন ও ডেনমার্কের উপনিবেশ থাকা সত্ত্বেও আইসল্যান্ডের রাষ্ট্রভাষা আইসল্যান্ডিক, স্বাধীনতার প্রথম দিনটি থেকেই। আর্থিক সক্ষমতার দোহাই দেওয়া যাবে না। কোরিয়া যখন গরিব ছিল, তখনো কোরিয়ানই উভয় কোরিয়ার রাষ্ট্রভাষা ছিল। কোরিয়া ও আইসল্যান্ড-এই উভয় দেশের জনসাধারণ ও সরকার জানে, ইংরেজি আধুনিক বিশ্বের লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা। তারা কাজ চালানোর মতো ইংরেজি অবশ্যই শেখে, কিন্তু রাষ্ট্রভাষার প্রশ্নে কোনো ছাড় দেয় না। ইংরেজিকে শিক্ষা ও গণযোগাযোগের মাধ্যম করা হলে আগে-পরে দেশ ও সমাজের উন্নয়ন ব্যাহত হবে। কীভাবে? চমস্কির মতে, একটি ভাষা ঠিকঠাকমতো শিখতে হলে সেই ভাষার ইনপুট পেতে হয় একটা বিশেষ বয়সে। ধরা যাক, বছর সাতেক বয়সের আগে পর্যন্ত। এই ইনপুট যদি শিশু না পায়, তবে তার পক্ষে ভাষাটি ঠিকঠাকমতো শেখা কঠিন হয়। বাংলাদেশের শিশুরা ইনপুট পায় নোয়াখাইল্যা, বরিশাইল্যা, চাটগাঁইয়া, সিলেটি ইত্যাদি উপভাষার, যে কারণে প্রমিত বাংলাও তারা গ্রহণযোগ্য উচ্চারণে বলতে পারে না। বাংলাদেশের কোটি কোটি শিশুকে ইংরেজি ইনপুট দেওয়া যেহেতু অসম্ভব, সেহেতু তারা কখনোই ঠিকঠাকমতো ইংরেজি বলতেই পারবে না, লেখা তো দূরের কথা। বাংলাদেশের জনসংখ্যার সিংহভাগ কখনোই বাইলিঙ্গুয়াল বা দ্বিভাষী হবে না, হবে সেমি লিঙ্গুয়াল বা অর্ধভাষী। এই না ঘরকা, না ঘাটকা, অর্ধভাষী, আধা লেখাপড়া জানা জনগণ নিয়ে কীভাবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিশ্চিত করা যাবে? সংখ্যাগরিষ্ঠের মুখের ভাষাকে সাময়িকভাবে অবহেলা করা গেলেও চিরদিনের মতো অবহেলা করা যায় না। মধ্যযুগের দ্বিতীয় পর্বে (১০০০-১৫০০) সংখ্যাগরিষ্ঠের মাতৃভাষা ইংরেজি, ফরাসি, জার্মানের পরিবর্তে প্রায় ছয় শতাব্দী আগে মৃত ভাষা লাতিনকে শিক্ষার মাধ্যম করা হয়েছিল। কিন্তু মধ্যযুগ শেষ হওয়ার আগেই লাতিনের পুনর্মৃত্যু হয়েছিল এবং ইংরেজি, ফরাসি, জার্মান শিক্ষার মাধ্যম কিংবা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বাংলাদেশের যে ভাষাপরিস্থিতি, তাতে বাংলাই আগে-পরে শিক্ষার মাধ্যম হবে। তবে নীতিনির্ধারকদের অবিমৃশ্যকারিতার কারণে কয়েকটি প্রজন্ম ধ্বংস হবে। সর্বজনীন শিক্ষার ওপর যদি দেশের উন্নতি নির্ভর করে, তবে যে উন্নতি আজ থেকে দশ বছর পরে হওয়ার কথা, সেটা হয়তো এক শ বছর পরে হবে। সর্বস্তরে বাংলা ভাষা ব্যবহার না করার জন্য যে শাস্তির ব্যবস্থা আছে ১৯৮৮ সালের বাংলা ভাষা প্রচলন আইনে, আইন অমান্যকারীকে সেই শাস্তি দিতে হবে। একই সঙ্গে স্কুল পর্যায়ে ইংরেজি এবং কলেজ পর্যায় থেকে ফরাসি, চীনা, জাপানি, জার্মান, স্প্যানিশসহ বিভিন্ন ভাষাকে বিদেশি ভাষা হিসেবে শেখাতে হবে। বাঙালি যেহেতু একটি অভিবাসনপ্রবণ জাতি, বিদেশি ভাষা শিক্ষা তার জন্য ফরজ। কেন বাংলাদেশের কিছু লোক প্রতিবেশী দুই দেশের রাষ্ট্রভাষা: বর্মি ও হিন্দি-উর্দু জানবে না? ভাষা শেখার জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করতে হবে। কূটনৈতিক, ব্যবসায়িক ও অন্যান্য যোগাযোগ সহজতর করার লক্ষ্যে চীনে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ভাষা শিখতে বাধ্য করা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতি জেলায় ভাষাশিক্ষার স্কুল প্রতিষ্ঠা করার কথা বলেছেন। সরকারের সদিচ্ছায় ঘাটতি নেই, কিন্তু প্রচেষ্টায় ঘাটতি আছে। একেকটি ভাষা শেখাতে হলে অনার্স ও মাস্টার্স পাস ভাষা-শিক্ষক সৃষ্টি করা অপরিহার্য। দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একাধিক ভাষা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাও এখন সময়ের দাবি। এসব প্রতিষ্ঠানে যত দেরিতে বিভিন্ন ভাষায় অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স চালু হবে, ততই পিছিয়ে যাবে অভিবাসনপ্রবণ বাংলাদেশের উন্নয়ন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সম্প্রতি একাডেমিক কাউন্সিলে আধুনিক ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা যত শিগগির প্রধানমন্ত্রীর দূরদৃষ্টি অনুসরণ করতে সক্ষম হবেন, ততই মঙ্গল। শিশির ভট্টাচার্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক | 8 |
দীর্ঘ ২০ বছর পর আবার তালেবানের দখলে আফগানিস্তান। আগে থেকেই নানা সমস্যায় জর্জরিত দেশটিতে তালেবানের শাসন রাজনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয় ডেকে আনবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। লম্বা সময় ধরে তালেবানের শাসন চললে আফগানিস্তানে মাটিতে ছড়িয়ে থাকা বিপুল পরিমাণ খনিজ সম্পদের কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আফগানিস্তান বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোর মধ্যে একটি। তবে ২০১০ সালে মেলে সুসংবাদ। মার্কিন সেনাবাহিনী ও ভূতাত্ত্বিকেরা জানান, আফগানিস্তানে রয়েছে খনিজ সম্পদের বিপুল ভান্ডার। দেশটির প্রদেশগুলোতে যেমন ছড়িয়ে রয়েছে লোহা, তামা ও সোনা, তেমনই রয়েছে একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় নানা মূল্যবান পদার্থ। আফগানিস্তানে খনিজ সম্পদের মধ্যে রয়েছে প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে অতি মূল্যবান লিথিয়াম। বলা হচ্ছে, লিথিয়ামের বিশ্বের সবচেয়ে বড় খনিটি দেশটিতে রয়েছে। লিথিয়াম রিচার্জেবল ব্যাটারি তৈরির মূল একটি উপাদান। এ কারণেই, জলবায়ু সংকট মোকাবিলার এই যুগে এসে খনিজটির চাহিদা আকাশ ছুঁয়েছে। বলা হচ্ছে, আফগানিস্তানের সব খনিজ সম্পদের মোট মূল্য ১ ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। এই খনিজ সম্পদের বিষয়ে কথা বলেছেন ইকোলজিক্যাল ফিউচার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা রড স্কুনোভার। নিরাপত্তা বিশ্লেষকের পাশাপাশি তিনি একজন বিজ্ঞানী। রড বলেন, নানা কারণে এত দিন আফগানিস্তানের এই খনিজ সম্পদ সেভাবে উত্তোলন করা হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে দেশটিতে নিরাপত্তার অভাব, খনিজ উত্তোলনের সক্ষমতার অভাব এবং একের পর এক খরার মতো কারণগুলো। তালেবানের অধীনেও এ পরিস্থিতি পরিবর্তন হবে না বলেই ধরে নেওয়া যায়। তবে শঙ্কার বিষয় হচ্ছে, এই সম্পদের সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে প্রতিবেশী চীন, পাকিস্তান ও ভারত। আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক দুর্দশা নতুন নয়। দেশটি মূলত বিদেশি সহায়তার ওপর চলছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশটির ৯০ শতাংশ মানুষ সরকারঘোষিত দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। এমন প্রেক্ষাপটে এই খনিজ সম্পদ আফগানিস্তানের জন্য একটি আশীর্বাদ হতে পারে। জলবায়ুর বিরূপ পরিবর্তন প্রতিরোধ করতে প্রয়োজন কার্বন নিঃসরণ কমানো। এ জন্য জোর দেওয়া হচ্ছে ইলেকট্রিক গাড়ি এবং কার্বন নিঃসরণ কম হয়, এমন প্রযুক্তির ওপর। এ কাজে যে পদার্থগুলো প্রয়োজন তার মধ্যে রয়েছে লিথিয়াম, কোবাল্ট ও নিওডিমিয়াম। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা চলতি বছরের মে মাসে জানায়, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় লিথিয়াম, তামা, নিকেল, কোবাল্টসহ নানা পদার্থের সরবরাহ বাড়াতে হবে। এই মুহূর্তে বিশ্বের ৭৫ শতাংশ লিথিয়াম, কোবাল্টসহ দুর্লভ খনিজগুলোর চাহিদা মেটাচ্ছে চীন, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো ও অস্ট্রেলিয়া। এখন পর্যন্ত লিথিয়ামের সবচেয়ে বড় মজুত রয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ বলিভিয়ায়। মার্কিন সরকারের হিসাব বলছে, আফগানিস্তানের লিথিয়ামের পরিমাণ বলিভিয়াকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। গত বছর একটি সাময়িকীতে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) কর্মকর্তা সাইদ মিরজাদ বলেন, আফগানিস্তানের পরিস্থিতি যদি কিছু বছরের জন্য শান্ত থাকে, আর এ সময়ে যদি দেশটিতে খনিজ উত্তোলন ব্যবস্থার উন্নতি করা যায়, তাহলে আফগানিস্তান এক দশকের মধ্যে এই অঞ্চলের অন্যতম ধনী দেশে পরিণত হবে। আফগানিস্তানে খনিজ উত্তোলনের পথ এতটা সুগম নয়। মার্কিন চিন্তক প্রতিষ্ঠান আটলান্টিক কাউন্সিলের গবেষক মোসিন খান বলেছেন, দেশটির খনিজ সম্পদের বেশির ভাগই উত্তোলন করা হয়নি। আফগানিস্তানের লোহা, তামা ও সোনার কিছু অংশ তোলা হয়েছে। তবে লিথিয়ামসহ অন্য বহুমূল্য খনিজগুলো উত্তোলন করতে বিশাল বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তি ও সময় প্রয়োজন। কোনো খনিজের খনি আবিষ্কারের পর থেকে তা উত্তোলন শুরু করতে গড়ে ১৬ বছর লেগে যায় বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা। মোসিন খানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আফগানিস্তানে প্রতিবছর ১ বিলিয়ন ডলারের খনিজ উত্তোলন করা হয়। তবে এই অর্থের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশই চলে যায় দুর্নীতিবাজদের পকেটে। দুর্নীতিকে একটি বড় বাধা হিসেবে ধরা হচ্ছে। এদিকে ক্ষমতা দখলের পর তালেবান আফগানিস্তানের খনিজ সম্পদ উত্তোলনের দিকে মন দিতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকে। তবে এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগ তাদের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে বলে ধারণা মোসিন খানের। তিনি বলেন, তালেবান ক্ষমতা দখলের আগেই রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে আফগানিস্তানের জন্য বিদেশি বিনিয়োগ পাওয়াটা দুষ্কর ছিল। এখন তা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। মোসিন প্রশ্ন রাখেন, 'আগেই যারা আফগানিস্তানে বিনিয়োগ করেনি, তারা এখন করবে কেন? বিনিয়োগকারীরা নিজেদের ঝুঁকিতে ফেলতে চাইবে না।' মার্কিন নিষেধাজ্ঞাও তালেবানের সামনে একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র তালেবানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সন্ত্রাসী সংস্থার তকমা দেয়নি, তবে মার্কিন রাজস্ব বিভাগের 'বিশেষভাবে মনোনীত বৈশ্বিক সন্ত্রাসীর' তালিকায় তালেবানের নাম রয়েছে। এতে বিনিয়োগ পেতে সমস্যার মুখে পড়তে পারে তালেবান। দুষ্প্রাপ্য খনিজ উত্তোলনে বিশ্বে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে চীন। আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই যোগাযোগ রেখে চলেছে চীনের সঙ্গে। এই যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে বলে গত সোমবার জানিয়েছে চীন। তাই আফগানিস্তানের খনিজের দিকে দেশটি হাত বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।ইকোলজিক্যাল ফিউচার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা রড স্কুনোভার জানান, চীন পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উন্নয়নে কাজ করছে। এ কাজে লিথিয়াম ও অন্য দুষ্প্রাপ্য খনিজগুলোর বিকল্প নেই। তাই চীনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাগুলোর মধ্য এসব খনিজের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।তবে চীনের নজর আফগানিস্তানের দিকে নেই বলে মনে করেন মোসিন খান। তিনি বলেন, এর আগেও আফগানিস্তানে তামা উত্তোলনে বিনিয়োগ করতে চেয়েছিল চীন। তবে শেষ পর্যন্ত তা সফল হয়নি। এ কারণে দেশটির বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে চীন তালেবানের সঙ্গে এক হয়ে খনিজ উত্তোলনে অংশ নিতে চাইবে না বলে মনে করেন তিনি। সিএনএন অবলম্বনে শেখ নিয়ামত উল্লাহ | 3 |
ঢাকা: প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী কবীর সুমনের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই কথা বলতে পারছেন তিনি। আগের মতো গলায় তীব্র ব্যথা নেই। ঢোক গিলতে একটু কষ্ট হলেও স্বাভাবিক খাবার খেতে পারছেন। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কবীর সুমনের ঘনিষ্ঠ এক আত্মীয়।ওই আত্মীয় আরও জানিয়েছেন, সোমবার দিবাগত রাতে ভালো ঘুম হয়েছে কবীর সুমনের। রাত তিনটার দিকে একবার ঘুম থেকে উঠে সবার সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্পগুজব করে আবার ঘুমিয়েছেন। সোমবার রাত পর্যন্ত তাঁকে সাত লিটার করে অক্সিজেন দিতে হয়েছিল। সেটা কমিয়ে এখন চার লিটারে আনা হয়েছে। শ্বাসকষ্টও মোটামুটি কমে গেছে বলে জানিয়েছেন তাঁর চিকিৎসক।গত রোববার রাতে জ্বর, শ্বাসকষ্ট আর গলাব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বাংলা গানের এই কিংবদন্তি। করোনা সন্দেহে পরীক্ষা করা হলে ফলাফল নেগেটিভ এসেছে তাঁর। | 2 |
অনেক দিন টিভিনাটকে অভিনয় করেন না অভিনেত্রী ফারজানা চুমকি। আবারও অভিনয়ে নিয়মিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চুমকি। এরই মধ্যে দুটি ধারাবাহিক নাটকের শুটিং শুরু করেছেন। মঞ্চনাটকেও হাজির হচ্ছেন নিয়মিত। ২০ বছর ঢাকা থিয়েটারের হয়ে অভিনয় করেছেন অনেক নাটকে। প্রথম অভিনয় করেন 'হাত হদাই' নাটকে। এই করোনাকালেও নতুন মঞ্চনাটকে অভিনয় করেছেন। নাটকটির নাম 'একটি লৌকিক অথবা অলৌকিক স্টিমার'। আনন জামান রচিত নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন শহীদুজ্জামান সেলিম। চুমকি বলেন, 'মঞ্চ আমার পছন্দের জায়গা। ২০ বছর হয়ে গেল মঞ্চে কাজ করছি। এখনো সেই শুরুর মতোই ভালো লাগা আছে। আজীবন মঞ্চনাটক করে যেতে চাই।'বর্তমানে দুটি টিভিনাটকে কাজ করছেন চুমকি। একটির নাম 'স্মৃতির আল্পনা আঁকি', আরেকটি 'গুলশান অ্যাভিনিউ সিজন ২'। এ দুটি নতুন ধারাবাহিক ছাড়া আরও দুটি ধারাবাহিকের কিছু অংশের শুটিং করেছেন। এখন থেকে নিয়মিতই সময় দিতে চান একক ও ধারাবাহিকে।দীর্ঘ ক্যারিয়ারে মাত্র একটি ছবিতে অভিনয় করেছেন চুমকি। ক্যারিয়ারের শুরুতে মূলধারার অনেক ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছেন, কিন্তু করেননি। পরিবার সাপোর্ট করেনি বড় পর্দায় অভিনয়ের। এত বছর পর গিয়াস উদ্দিন সেলিমের পরিচালনায় 'পাপপুণ্য' ছবিতে অভিনয় করেছেন। মুক্তির অপেক্ষায় আছে ছবিটি। চুমকি বলেন, 'এখন গল্পনির্ভর অনেক ছবি হচ্ছে। সেগুলোয় কাজ করতে চাই, যদি ভালো চরিত্র পাই।'দীর্ঘ বিরতির কারণ জানতে চাইলে চুমকি বলেন, 'সংসার ও সন্তানদের কথা ভেবেই কাজে বিরতি নিয়েছি। আমার দুই ছেলে। একটা সময় মনে হয়েছে ওদের সময় দেওয়া খুবই জরুরি। দীর্ঘ বিরতি নিয়ে আমার কোনো আফসোস নেই। মা হিসেবে সন্তানদের সময় দেওয়াটা প্রাধান্য দিয়েছি। এখন সন্তানেরা বড় হয়েছে। তাই অভিনয়ে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।' | 6 |
মিরপুরে স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ক্রিকেট ম্যাচে পাকিস্তানের পতাকা নিয়ে 'বাংলাদেশিদের' উল্লাসের ঘটনাকে দুর্ভাগ্যজনক মনে করছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবেও বলে জানিয়েছেন তিনি।সচিবালয়ে আজ রোববার স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের জার্সি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।তিন মন্ত্রীকে উদ্দেশ করে একজন সাংবাদিক বলেন, মিরপুর স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ম্যাচে দৃষ্টিকটুভাবে স্টেডিয়ামে বাংলাদেশি কিছু সমর্থক পাকিস্তানকে সমর্থন করছে, সে বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কোনো সুযোগ আছে কি না?জবাবে মন্ত্রী মোজাম্মেল হক বলেন, 'সরকারের দৃষ্টিগোচর করেছেন, আমরা অবশ্যই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব। এটা দুর্ভাগ্যজনক যদি কেউ করে থাকে।'একটি দলকে যে কেউ সমর্থন করতে পারে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, 'কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গে খেলার দিন অন্য দলকে সমর্থন করা-একটা দেশপ্রেমিক নাগরিকের জন্য নিঃসন্দেহে এটা কারও কাছেই শোভনীয় মনে হবে না। কবি অনেক আগে বলেছেন, যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী, সেসব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।...এমন কিছু তো থাকেই। দৃষ্টিতে যেহেতু আসছে এটা সরকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা অবশ্যই নেবে। বাংলাদেশের নাগরিক কি না, আমি ঠিক জানি না, আমরা বসে দেখব ইনশা আল্লাহ।'বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ম্যাচে স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের পতাকা নিয়ে দেশটিকে সমর্থন জানায় একদল বাংলাদেশি। একটি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানকে সমর্থন করা নিয়ে কথাও বলেছেন তাঁরা। ওই সাক্ষাৎকার প্রচারের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে। | 6 |
রাজবাড়ীর পাংশায় প্রাইভেট কার ও তরমুজভর্তি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহাবুবুর রহমান (৩৬) নামে একজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া মহাসড়কের পাংশার বাবুপাড়া ইউনিয়নের আমতলা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় ট্রাকচালক ও হেলপার আহত হয়েছেন।নিহত মাহাবুবুর রহমান সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার আমলাপাড়া এলাকার আবুল কালামের ছেলে। তিনি প্রাইভেট কারের চালক ছিলেন। তবে দুর্ঘটনায় আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। পাংশা হাইওয়ে থানার পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া মহাসড়কের আমতলা মোড়ে কুষ্টিয়াগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে রাজবাড়ীমুখী প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুটি গাড়িই রাস্তার দুপাশে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই প্রাইভেট কারের চালক নিহত হন। এ সময় ট্রাকচালক ও হেলপার আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।সংবাদ পেয়ে পাংশা মডেল থানা ও পাংশা হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে মরদেহ হাইওয়ে থানার পুলিশ হেফাজতে নেয়। | 6 |
সুদানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশ গুলি চালালে শিশু ও চিকিৎসকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। দেশের বেহাল অর্থনীতিসহ নানাবিধ কারণে ক্ষুব্দ সুদানিরা প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশির নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে আসছেন। গত ১৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ আন্দোলন দিন দিন জোরদার হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) দুই হাজারেরও বেশি বিক্ষোভকারীদের নিয়ে বের হওয়া এক মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে চিকিৎসক ও শিশুসহ তিনজন নিহত হয়। তবে, তাদের পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি। নিহত চিকিৎসক সুদানের পেশাজীবী অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ছিলেন বলে জানিয়েছেন দ্য সুদান ডক্টরস কমিটি। সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছে সংগঠনটি। অন্যদিকে, রাজধানী খার্তুমের বুরি এলাকায় নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের আশ্রয় দেওয়ায় মাওয়া বশির খলিল (৬০) নামের এক ব্যক্তি পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানায় আল জাজিরা। প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার পুলিশের গুলিতে আহত হলে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। তবে শুক্রবার (১৮ জানুয়ারি) সকালের দিকে তিনি মারা যান। চলমান আন্দোলনে এখন পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ২৪ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। তবে মানবাধিকার সংগঠন এবং স্থানীয়রা বলছেন এ সংখ্যা বাস্তবে আরও অনেক বেশি। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০ জন আন্দোলনকারী পুলিশের হাতে নিহত হয়েছেন। আর গ্রেফতার হয়েছেন প্রায় এক হাজার। | 3 |
হোমনা উপজেলা সদরের চৌরাস্তা মোড় থেকে কারারকান্দি মসজিদ পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়ক বেহাল হয়ে পড়েছে। সড়কে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ। প্রতিদিনই কোনো না কোনো যানবাহন সড়কের গর্তে আটকে যাচ্ছে। দীর্ঘদিনেও সংস্কার না করায় উপজেলার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের বিভিন্ন জায়গায় পিচ ঢালাই উঠে গেছে। বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে সড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। ছোট-বড় গর্ত এড়িয়ে যানবাহন চলছে এঁকেবেঁকে। বৃষ্টি হলেই গর্তগুলোতে পানি জমে। হোমনা চেয়ারম্যান বাড়ির সামনের সড়কে বিশাল গর্তে গাড়ি আটকে গিয়ে প্রায়ই যানজটের সৃষ্টি হয় বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন মানুষসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকেরা। তার পরও কোনো উপায়ন্তর না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে এ সড়কে যাতায়াত করছেন ভুক্তভোগীরা।হোমনা চৌরাস্তার সিএনজি স্টেশনের লাইনম্যান মো. পারভেজ হাসান বাবু বলেন, এ সড়ক ব্যবহার করেন হোমনার চান্দেরচর, আছাদপুর, ঘাড়মোড়া, ভাষানিয়া, জয়পুর ইউনিয়নসহ মুরাদনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার লোকজন। এ সড়ক দিয়েই উপজেলা সদর, মেঘনা উপজেলা, তিতাস উপজেলাসহ রাজধানী ঢাকায় যাতায়াত করে থাকেন মানুষ। প্রতিদিন এ সড়কে পাঁচ শতাধিক সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ট্রাক, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করে। বেহাল সড়কে প্রায়ই যান আটকে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।অটোচালক মানিক মিয়া বলেন, 'সড়ক খারাপ হওয়ায় আমাদের অটোগুলো প্রায় সময় উল্টে যায়। এতে গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভোগান্তিতে পড়তে হয় চালক ও যাত্রীদের।'স্থানীয় বাতেন মিয়া বলেন, 'উপজেলা সদরে বসবাস করলেও এই সড়কটির কারণে বৃষ্টি হলে ঘর থেকে বের হতে মন চায় না। সড়কটির এ অবস্থায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছি। বৃষ্টির পানি ছাড়াও আশপাশের বাসা বাড়ির পানি সড়কের গর্তে এসে জমা হচ্ছে। ফলে বৃষ্টি না থাকলেও সড়কে পানি লেগেই থাকছে।'কথা হলে শিক্ষার্থী তানিয়া আক্তার ও আইরিন আক্তার জানায়, সড়কে বড় বড় গর্তের কারণে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠে দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে চলাচল করতে হয়।এ ব্যাপারে হোমনা পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট মো. নজরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'সড়কের অবস্থা অনেক খারাপ। সড়কটি পৌরসভার ভেতরে থাকলেও এটি সড়ক ও জনপদের (সওজ) আওতায় হওয়ায় পৌরসভার পক্ষে সংস্কার করা যাচ্ছে না।'হোমনা উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম রনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'কারাকান্দি থেকে চান্দেরচর সড়কের সংস্কার কাজ হচ্ছে। এই মুহূর্তে এই সড়কে কিছু করা যাচ্ছে না। তবে বিষয়টি আমাদের মাথায় আছে।' | 6 |
বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা ভোলা শহর থেকে প্রায় ১২০ কিমি দূরে সাগর কোলের এক বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য চরকুকরি মুকরি। বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেষা মেঘনা ও তেতুঁলিয়া নদীর মেহনায় জেগে ওঠা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলা ভূমি চরকুকরি মুকরিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে দেশের সর্বাধিক পাঠকপ্রিয় দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার বরিশাল বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন। বুধবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে প্রতিনিধি সম্মেলন শুরু হয়। শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ভোলা জেলা প্রতিনিধি এইচএম নাহিদ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক শ্যামল দত্ত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও চরকুকরি মুকরি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের হাসেম মহাজন। এর আগে মঙ্গলবার বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা উপজেলা প্রতিনিধিগণ বিভিন্ন উপায়ে ছুটে আসেন সম্মেলন স্থানে। ওইদিন তারা চরকুকরি মুকরির অপরূপ সৌন্দর্য্য উপভোগ করেন। এছাড়া পত্রিকার সম্পাদক শ্যামল দত্তকে কাছে পেয়ে সকল প্রতিনিধি আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠেন। সম্পাদকের কাছ থেকে প্রত্যাশা, প্রাপ্তি, সমস্যা ও সম্ভাবনার নানা বিষয় নিয়ে আলোচনায় মেতে উঠেন সকলে। সম্পাদক শ্যামল দত্ত মনোযোগ দিয়ে সকলের কথা শোনেন এবং সংবাদ বিষয়ে নানান দিক নির্দেশনা দেন। এ সময় তিনি বলেন, ভোরের কাগজ গণতন্ত্র, নিরপেক্ষতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে এটাই ভোরের কাগজের মূল শক্তি। একজন সম্পাদক কখনো একা তার পত্রিকাকে এগিয়ে নিতে পারেনা। তৃণমূল পর্যায়ের গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়েই সফলতা আসে। যেমনটি আজকের ভোরের কাগজ। সময়ের সাথে সাথে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। একইভাবে এগিয়ে যাচ্ছে গণমাধ্যম। যদিও বর্তমানে গণমাধ্যমের অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে তারপরেও তৃণমূল গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে নিয়ে তথ্য প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করে গণমাধ্যমকে এগিয়ে নিতে হবে। স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি এখনো নানানভাবে সক্রিয় রয়েছে। তাই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে এখনো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তাই সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। সম্মেলনের আহবায়ক ভোলা জেলা প্রতিনিধি ইমাম হোসেন নাহিদ ও চরফ্যাশন প্রতিনিধি মোঃ আতিকুর রহমান সোয়েব এর সাথে সার্বিক সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন বিজ্ঞাপন ব্যবস্থাপক এস.এম.এ রাজ্জাক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ও অর্থ ব্যবস্থাপক এ.কে. সোহাগ, প্রশাসনিক ব্যবস্থাপক সুজন নন্দী মজুমদার, আইটি ইনচার্জ মেহেদী হাসান নিয়াজ ও বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার প্রতিনিধিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। | 6 |
সড়ক দুর্ঘটনায় বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহব্বায়ক এম এ দাউদের (৪৫) মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকালে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাথালিয়া নামক স্থানে দূর্ঘটনার শিকার হয়ে তার মৃত্যু হয়। নিহত দাউদ ফকিরহাটের মাসকাটা গ্রামের মৃত দলিল উদ্দিনের ছেলে। তার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। এ ঘটনায় ফকিরহাট উপজেলাসহ জেলার যুবলীগের নেতাকর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে পড়েছে। শনিবার সকালে জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাউদের মরদেহ দাফন করা হবে।
ফকিরহাট উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ওয়াহিদুজ্জামান বাবু জানান, মোটর সাইকেল চালিয়ে দাউদ তার ছেলেকে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌছে দিতে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে গোপালগঞ্জের পাথালিয়া এলাকায় একটি ট্রলি দাউদের মোটর সাইকেলকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই সে মারা যান।
বিডি-প্রতিদিন/ আব্দুল্লাহ সিফাত তাফসীর | 6 |
নাটোর পৌরসভা নির্বাচন শেষে ভোট গণনা শুরুর প্রথম রাউন্ডেই জয়ের আঁচ পেয়েছিলেন ৪,৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর কোহিনূর বেগম পান্না। ১৬৯ বছরের ঐতিহ্যবাহী নাটোর পৌরসভার ইতিহাসে প্রথম কোন নারী একটানা ছয়বার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯০ সাল থেকে ৪,৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে অপরাজিত কোহিনূর বেগম পান্না। কাউন্সিলর হিসেবে তার জয়ে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি কোনও কিছুই। ৪,৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে এই নিয়ে ষষ্ঠবার লড়াইয়ে ফের জয়ী পান্না। একটানা কমিশনার ও কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পরও গ্রহণযোগ্যতা একটুও কমেনি। বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন | 6 |
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ব্রহ্মপুত্র নদে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত তিনটি ড্রেজারের যন্ত্রাংশ, তিনটি ট্রলিসহ প্রায় তিন হাজার ফুট বালু জব্দ করেছেন। ওই সময় এক ড্রেজার চালককে আটকের পর জরিমানা শেষে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
উপজেলার রাজীবপুর ইউনিয়নের লাটিয়ামারি খেয়াঘাট এলাকায় কয়েক মাস ধরে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। নদীর এ পাড়ে তিনটি ও ওপাড়ে দুটি ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় উজানচর, ভাটিরচর ও যাদুয়ারচর গ্রামের বাসিন্দারা নদী ভাঙনের শঙ্কায় পড়েন। বালু উত্তোলনে নদীর ভাঙনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়ে সম্প্রতি প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। দুই শতাধিক এলাকাবাসীর স্বাক্ষরিত আবেদনপত্রটি দাখিল করেন আবদুল গনি নামের এক ব্যক্তি।
এলাকাবাসীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোদাব্বিরুল ইসলাম উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত সোমবার বিকেলে ব্রহ্মপুত্র নদ এলাকায় অভিযান শুরু করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহফুজুল আলম মাসুমের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় তিনটি ড্রেজারের পাম্পসহ যন্ত্রাংশ, তিনটি হ্যান্ড ট্রলি, প্রায় তিন হাজার ফুট বালু জব্দ করেন। পরে জব্দ করা বালু স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোদাব্বিরুল ইসলামের জিম্মায় দিয়ে আসা হয়। ওই সময় ড্রেজারের চালক রিয়াজ মিয়াকে আটক করা হয়। পরে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক অর্থদণ্ড ও মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেন রিয়াজকে।
| 6 |
সীমান্তে ভারতকে নাজেহাল করার মধ্য দিয়েই থেমে নেই চীন। আধুনিক যুগের বড় হাতিয়ার সাইবার হামলাকেও ভাল ভাবেই কাজে লাগাচ্ছে চীন। এক বা দুইবার নয়; ভারতে ৪০ হাজার ৩০০ বার সাইবার হামলা চালানো হয়েছে চীনের চেংদু শহর থেকে। ওয়েব, ব্যাংকিং, আইটিসহ গুরুত্বপূর্ণ সব সেক্টরে এই হামলা চালিয়েছে চীন। আর গত পাঁচ দিনে চালানো হয়েছে এই সাইবার হামলা। মঙ্গলবার মহারাষ্ট্রের এক উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা এ তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, পূর্ব লাদাখে ভারত-চীন সীমান্তে দুই দেশের সেনার মধ্যে সংঘর্ষের পর এই হামলার সংখ্যা বেড়েছে।মহারাষ্ট্র পুলিশের সাইবার শাখার স্পেশাল ইনস্পেক্টর যশস্বী যাদব জানান, হামলার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছে মহারাষ্ট্রের সাইবার সেল। চীনের চেংদু প্রদেশ থেকে মূল সাইবার হামলা হচ্ছে। মহারাষ্ট্রের সাইবার সেল জানাচ্ছে, গত চার-পাঁচ দিনেই কমপক্ষে ৪০ হাজার ৩০০টি সাইবার হামলা করা হয়েছে ভারতের বিভিন্ন সেক্টরে। এজন্য সব সেক্টরকে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। কলকাতাভিত্তিক একটি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ১৯৯০ সাল থেকেই চীন নিজেদের সাইবার স্পেস ডকট্রিন তৈরির চেষ্টা করছে চীন, যা চীন সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণের অংশ। সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ভারতে সাইবার হামলা বাড়িয়েছে ছয়টি দেশ। এদের মধ্যে প্রথমে আছে চীন। রাশিয়া, পাকিস্তান, ইউক্রেন, ভিয়েতনাম ও উত্তর কোরিয়া থেকেও হুমকি আসছে সাইবার হানার। এ ধরনের সাইবার হামলা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতের সাইবার বিশেষজ্ঞরা। সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসের আপডেট দেয়ার নামে ভুয়া ইমেইল পাঠাচ্ছে সাইবার অপরাধীরা। এসব ই-মেইলে জানানো হচ্ছে, এতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে। মহারাষ্ট্র পুলিশের সাইবার টিম বলছে, ফিশিং ও সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সাইবার হামলা হচ্ছে ৫৭ শতাংশ, ম্যালওয়্যার ৪১ শতাংশ, স্পিয়ার ফিশিং ৩০ শতাংশ, ডিওএস ২০ শতাংশ ও রানসমওয়্যার ১৯ শতাংশ। এছাড়া আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে সাইবার সেল। | 3 |
গত কিছুদিন ধরে চলা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কিছু নাশকতার তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা- এমনটিই জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, যারা এমনটি করছে তাদেরকে সেই আগুনেই পুড়তে হবে। রবিবার (১২ জুন) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল মাঠে মোহাম্মদপুর থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। আওয়ামী লীগ জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, মির্জা ফখরুলের এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ রাজপথের মানুষ। রাজপথেই থাকবে। রাজপথ ছাড়বে না। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগের অবস্থান জনগণের বিরুদ্ধে নয়, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে, বিএনপির মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে। তিনি আরও বলেন, আগুন নিয়ে খেলবেন না। আগুন নিয়ে খেললে বিএনপির পরিণতি ভালো হবে না। | 6 |
কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে ১৩০১ দশমিক ৬৪০ টন পেঁয়াজ খালাস হয়েছে। পেঁয়াজগুলো দ্রুততম সময়ে ট্রাকে করে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়েছে। বুধবার এ তথ্য জানান বন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবছার উদ্দিন। তিনি বলেন, পেঁয়াজ আমদানি বাড়াতে ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। টেকনাফ শুল্ক বিভাগ জানায়, মিয়ানমার থেকে এ বন্দর দিয়ে চার দিনে তিন হাজার ৫৯৯ টন পেঁয়াজ এলো। সর্বশেষ চালানটি ১১ আমদানিকারকের কাছে এসেছে। তবে বাজারে পেঁয়াজের দাম এখনও কমছে না। | 6 |
প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে টেকসই ও গুণগত মান বজার রাখার সুপারিশ করেছে একাদশ জাতীয় সংসদের 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি'। একই সঙ্গে একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে একাধিক প্রকল্প না দেয়ারও কথা বলেছে কমিটি। কমিটি মনে করে গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ, মানসম্মত ও ব্যবহার উপযোগী করা প্রয়োজন,কিন্তু কোন কোন প্রকল্পের মান ঠিক না থাকায় তা ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে, যার ফলে মন্ত্রণালয়ের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। বৈঠকে গ্রামীণ রাস্তায় ১৫ মিটার দৈর্ঘ্য পর্যন্ত সেতু/কালভার্ট নির্মাণে অতিরিক্ত পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য কমিটি কর্তৃক মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে। যাতে এগুলোর মান আরও বাড়ে ও দীর্ঘস্থায়ী হয়। সোমবার (৬ ডিসেম্বর) কমিটির ১৯তম বৈঠক কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান, মো. আফতাব উদ্দিন সরকার, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জুয়েল আরেং, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং কাজী কানিজ সুলতানা বৈঠকে অংশ নেন। দুঃস্থদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করার জন্য কমিটির পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানানো হয় এবং এ উদ্যোগ অব্যাহত রাখার জন্য কমিটি মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে। বৈঠকে গত সভার গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা, গ্রামীণ মাটির রাস্তাসমূহ টেকসইকরণের লক্ষ্যে হেরিংবোন বন্ড ((দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্প, গ্রামীণ রাস্তায় সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া, ইতোমধ্যে গঠিত তিনটি সাব-কমিটির রিপোর্ট দেবার সময় দুই মাস বাড়ানো হয়। বৈঠকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। | 6 |
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, ভারতের সাথে সুসম্পর্ক চাওয়াকে পাকিস্তানের দুর্বলতা হিসেবে ব্যাখ্যা করা উচিত হবে না কারণ এই সুসম্পর্ক চাওয়ার পেছনে উপমহাদেশের জনগণকে দারিদ্র থেকে মুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। এজন্য দু দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা হওয়া দরকার। সম্প্রতি সরকারি কর্মকর্তাদের এক অনুষ্ঠানে ইমরান খান বলেন, 'তাদের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি আছে। যখন আমরা বন্ধুত্ব চাই তার অর্থ হচ্ছে- আমরা উপমহাদেশের জনগণকে দারিদ্র থেকে বের করে আনার ইচ্ছা পোষণ করছি। দু দেশের মধ্যে বাণিজ্যও আবার চালু করতে হবে। এটা নিয়ে কারো ভুল বোঝা উচিত হবে না। একে দুর্বলতা হিসেবেও দেখা ঠিক হবে না।' তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, 'পাকিস্তানের জনগণ কখনো কোনো পরাশক্তির চাপের কাছে মাথানত করবে না। যদি তারা হুমকি দেয় তাহলে পুরো জাতি ঐব্যদ্ধভাবে শেষ পর্যন্ত তা মোকাবেলা করবে।' ইমরান খান বলেন, শুধুমাত্র পাকিস্তানের স্বার্থেই পাকিস্তান বন্ধুত্ব চায় না বরং দু দেশের জন্যই তা চায় এবং ভারতীয় নেতাদের উদ্ধত আচরণের সমাপ্তির মধ্যদিয়ে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে। পাকিস্তানের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে ইমরান খানের চমকডন, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ পাকিস্তান সরকারকে পরামর্শ দিতে ১৮ সদস্যবিশিষ্ট অর্থনৈতিক কাউন্সিল গঠন করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। আর এই কাউন্সিলের নেতৃত্বে আছেন তিনি নিজে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে গ্রহণযোগ্যতা আছে এমন বেশ কয়েকজন অর্থনীতিবীদও আছেন এই কাউন্সিলে। দেশটির অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক উন্নয়নে কাউন্সিল থেকে আসা বিভিন্ন উপদেশ পরামর্শ যেন সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌছায় সেজন্য ইমরান খান নিজেই থাকছেন এর প্রধান হিসেবে। আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকে কাউন্সিলের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। অতীতে দেশটিতে এই অর্থনৈতিক কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন দেশটির অর্থমন্ত্রী। তবে দেশটির ইতিহাসে এই কাউন্সিল খুব একটা গুরুত্ব পেয়েছে এমন নজির নেই। প্রতি চার মাসে মাত্র একবার এই কাউন্সিলের বৈঠক আয়োজিত হয়েছে এমন উদাহরণও আছে। এছাড়াও কাউন্সিলের পরামর্শ ও উপদেশ সরকার সেভাবে বিবেচনা না করায় কাউন্সিল মূলত কোন কার্যকর কোনো ফোরামে পরিণত হতে পারেনি। তবে এবার এই কাউন্সিলের প্রতি সরকারের বিশেষ নজর থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে কাউন্সিলের জন্য স্থায়ী সচিবালয় বরাদ্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। প্রতি মাসে অন্তত এক বার বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও কাউন্সিলের মূল উদ্দেশ্য হিসেবে 'সরকারকে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে অর্থ ও বাণিজ্য সংক্রান্ত উপদেশ ও পরামর্শ দেওয়া' নির্ধারন করা হয়েছে। কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে দেশটির বিভিন্ন খাতের স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞদের। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি বেসরকারি খাতে কর্মরত অভিজ্ঞদেরও ডাকা হয়েছে কাউন্সিলে। এদের মধ্যে সাতজন সরকারি খাত থেকে নিয়োগ পেয়েছেন। আর বাকি ১১ সদস্য এসেছেন বেসরকারি খাত থেকে। | 3 |
মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হামলায় আহত রাজধানীর চার্টার্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষার্থী তুহিন ফারাবির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। সোমবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক মো. আলাউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ফারাবির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় তার লাইফ সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়েছে। তাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তুহিন ফারাবির বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায়। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক এবং কোটা সংস্কার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক। রোববার দুপুর পৌনে ১টার দিকে ভিপি নুর ও তার অনুসারীদের ওপর হামলা চালায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে নুরসহ বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ২৪ জন আহত হন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলার সময় ভাঙচুর করা হয় ভিপির কক্ষের কম্পিউটার, চেয়ারসহ আসবাবপত্র। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ১২টার দিকে রাজু ভাস্কর্যে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ তাদের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি শেষ করে ডাকসু ভবনের দিকে মিছিল নিয়ে যায়। একপর্যায়ে সেখানে ভিপি নুরসহ তার অনুসারীদের সঙ্গে মঞ্চের নেতাকর্মীদের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। পরে মঞ্চের কিছু নেতাকর্মী নুরদের উদ্দেশে ডাকসু ভবনের দিকে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। মঞ্চের কিছু নেতাকর্মী ডাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলায় উঠতে চাইলে নুরের অনুসারীরা ডাকসু ভবনের মূল ফটক বন্ধ করে দেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস এবং সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন ডাকসু ভবনের মূল ফটক খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তাদের সঙ্গে ছাত্রলীগের কিছু অনুসারীও ঢুকে পড়েন ডাকসুতে। সনজিত-সাদ্দাম ভিপি নুরের কক্ষে গিয়ে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিরাগতদের বের করে দেওয়ার নির্দেশনা দেন। কিন্তু এতে ভিপি আপত্তি জানালে উভয়ের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। এ সময় ছাত্রলীগের অন্য নেতাকর্মীরা ভিপি নুরের কক্ষে থাকা তার সংগঠন 'বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের' নেতাকর্মীদের এক এক করে কক্ষ থেকে বের করে দেন। সিঁড়িতে অবস্থান নেওয়া ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা তখন তাদের লাঠিপেটা করেন। এক পর্যায়ে সনজিত ও সাদ্দাম ভিপির কক্ষ থেকে বের হয়ে মধুর ক্যান্টিনের দিকে চলে যান। তারা চলে যাওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে ভিপির কক্ষে ঢুকে লাইট বন্ধ করে নুর ও তার অনুসারীদের এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে নুরসহ আহত হন পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, যুগ্মআহ্বায়ক ফারুক হোসেন, রাশেদ খানসহ সংগঠনটির ২৪ নেতাকর্মী। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের সহায়তায় তাদের বের করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। | 6 |
পাহাড়ে শান্তি বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার বিকেলে রাজধানীর বেইলী রোডে 'শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম হিল ট্রাক্টস্ কমপ্লেক্স'-এর উদ্বোধনকালে এ মনোভাবের কথা জানান তিনি। খবর বাসসের এসময় একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রামে (সিএইচটি) ভূমি বিরোধ নিরসনে ভূমি কমিশনকে সহযোগিতা করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। শেখ হাসিনা বলেন, 'আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামে আর কোন অশান্তি ও সংঘাত চাই না। আমরা চাই ওই অঞ্চলের লোকের ভাল থাকুক এবং সেখানে শান্তি বজায় থাকুক।' তিনি আরও বলেন, শান্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশ সমৃদ্ধি অর্জন করবে। শান্তির পথেই অগ্রগতি অর্জিত হয়। | 9 |
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ই-কমার্সে প্রতারণার জন্য প্রাথমিকভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব নিতে হবে। তবে সরকারও এই দায় এড়াতে পারে না। বুধবার দুপুরে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অর্থনৈতিক সংক্রান্ত এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, 'এসব প্রতিষ্ঠান করার সময় কারো না কারো ছাড়পত্র নিয়েই করা হচ্ছে। এখানে ছাড়পত্র দিচ্ছে কমার্স মিনিস্ট্রি। তাই তাদের প্রাইমারিলি দায়িত্ব নিতে হবে। তাদের সাথে অন্য যাদের সম্পৃক্ততা আছে, তাদের সবারই আমি মনে করি দায়িত্ব নেয়া উচিত।' ই-কমার্সে প্রতারণা নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি অর্থ মন্ত্রণালয়ের কোনো উদ্যোগ থাকবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে বলব না। মূলত কাজটি এখন আমাদের অর্থ মন্ত্রণালয়ের। এখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা আছে, তারা এসব বিষয় নিয়ে আসে আমাদের এখানে। আইটির বিষয় আছে, সেখানে আইসিটি মিনিস্ট্রি আছে, তারাও দায়িত্ব নেবে। এ প্রতিষ্ঠানগুলো মাঝে মধ্যে তৈরি করে মানুষকে ঠকায়। এটা কিন্তু চলে আসছে। আগে যেভাবে হতো, সেটি এখন ভিন্ন আঙ্গিকে আসছে। আগে ম্যানুয়ালি করতো, এখন ইলেক্ট্রিক্যালি করছে। ডিজিটালাইজড ওয়েতে করা হচ্ছে। মানুষ বিশ্বাস করে এখন, কতদিকে নিয়ন্ত্রণ করবে? সরকারকে দায়িত্ব নিতে হবে অবশ্যই। সরকারই দায়িত্ব নেবে। সরকার দায়িত্ব এড়াবে কেন?' অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের জন্য ২টি এবং ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদনের জন্য ১২টি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাবিভাগের ৪টি, বিদ্যুৎ বিভাগের ৩টি, শিল্প মন্ত্রণালয়ের ১টি, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১টি, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ১টি, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ১টি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রস্তাবনা ছিল। | 0 |
বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট-২০২১ এর ফাইনালে নির্বাহী প্রকৌশলী ও সহকারী প্রকৌশলী জুটি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। রানার্স আপ হয়েছেন উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ও সার্ভেয়ার জুটি। বুধবার রাতে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের লং টেনিস গ্রাউন্ডে এই জমজমাট ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনালে নির্বাহী প্রকৌশলী দিপক রঞ্জন দাস ও সহকারী প্রকৌশলী মো. আতিকুল গনি জুটি ২১-১৩ ও ২১-১৪ সেটে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মাহাদী হাসান ও সার্ভেয়ার ফরিদ উদ্দিনকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বিডি প্রতিদিন/এমআই | 6 |
ঢাকা: ঘরোয়া ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের আয়ের বাইরেও বোর্ড থেকে প্রতি মাসে বেতন পান কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। এ চুক্তি একজন ক্রিকেটারের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এবার ফুটবলারদেরও একইভাবে চুক্তির আওতায় আনতে চান বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।চোট ও করোনায় কাতারে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব খেলতে পারেননি বিশ্বনাথ ঘোষ, মাহবুবুর রহমান সুফিল, সাদ উদ্দিন, টুটুল হোসেন বাদশা ও আশরাফুল ইসলাম রানা। বাংলাদেশ দলের পাঁচ ফুটবলারকে আজ ফেডারেশন ভবনে ডেকেছিলেন সালাউদ্দিন। ফুটবলারদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের চুক্তির বিষয়টি জানান বাফুফে সভাপতি। সালাউদ্দিন বলেছেন, 'আমার মনে হয়েছে এটা দরকার। অনেক খেলোয়াড় আছে ২০ শতাংশ চোটকে ১০০ শতাংশ দেখিয়ে জাতীয় দলে খেলতে চায় না। জাতীয় দলে যেন নিজেরা যেন ফিট আর উৎসাহ পায় তাঁদের চুক্তিতে আনতে চাই এ কারণেই।'বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বেই জাতীয় দলে খেললে ফুটবলারদের দিন প্রতি একটি নির্দিষ্ট সম্মানী প্রদান করা হয়। সেই প্রথা ভাঙতে চান সালাউদ্দিন। বাফুফে সভাপতি বললেন, 'ইউরোপের ফুটবলাররা যা আয় করে তা দিয়ে ১০০ বছর বসে খেতে পারবে। ওদের জাতীয় দলের বেতনের দরকার পড়ে না। আমাদের ফুটবলাররা বছরে গড়ে ৩০-৪০ লাখ টাকা পায়। একটু নাজুক অবস্থায় থাকে। একটু ভালোভাবে চলতে গেলে এই টাকা কিছুই না। সবাই ভালোভাবে চলতে চায়। এসব বিষয়ে এখন একটু ছাড় দিতেই হবে।'পারফরম্যান্স দেখে ফুটবলারদের তিন শ্রেণিতে ভাগ করার কথা জানিয়েছেন সালাউদ্দিন। নিয়মিত জাতীয় দলে খেলা ১৫ ফুটবলারকে রাখা হবে 'এ' গ্রেডে। পরের ১০ ফুটবলার 'বি' গ্রেড ও শেষ পাঁচজন থাকবেন 'সি' গ্রেডে। ঘরোয়া লিগ শেষে ফুটবলারদের সঙ্গে কথা বলতে চান বাফুফে প্রধান। সালাউদ্দিনের ভাবনাটা ইতিবাচকভাবেই দেখছেন বৈঠকে উপস্থিত ফুটবলাররা। আবাহনীর ফুটবলার সাদ উদ্দিন বলছেন, 'সবারই আর্থিক সহায়তার দরকার। চুক্তি কার্যকর হলে ফুটবলাররা জাতীয় দলে খেলতে উৎসাহ পাবে।' | 12 |
নব্বইয়ের দশকের বাংলা ছবির প্রথম সারির নায়িকা রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিনেমায় এখন তিনি আর তেমন অভিনয় করেন না। বর্তমানে রচনার পরিচিতি 'দিদি নাম্বার ওয়ান' হিসেবে। জি বাংলার এ শোয়ের উপস্থাপক হিসেবে সবার মন কেড়েছেন রচনা। কয়েকদিন আগেই অভিনেত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন, একেবারে নতুন পরিচয়ে ধরা দিতে চলেছেন তিনি। সেই 'নতুন পরিচয়'-এর নাম 'রচনাস ক্রিয়েশন'। রচনার বুটিক শপ এটি। অভিনয় আর উপস্থাপনার পাশাপাশি এবার শাড়ির ব্যবসায় যুক্ত হয়েছেন সবার প্রিয় 'দিদি নাম্বার ওয়ান'। সম্প্রতি ফেসবুকে লাইভে এসে রচনা একের পর এক শাড়ি মেলে ধরেন দর্শকদের উদ্দেশ্যে। তাঁর বুটিক শপে রয়েছে নানা ধরনের শাড়ির বিশাল কালেকশন। সেগুলোই তাঁর ভক্তদেরকে দেখাচ্ছিলেন। জানাচ্ছিলেন প্রতিটি শাড়ির দরদাম-গুণাগুণ। বুটিক শপ শুরু করার কারণ হিসেবে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, 'বহুদিন ধরে এই ইন্ডাস্ট্রিতে রয়েছি। গত ২০ বছর ধরে আমি আপনাদের জন্যই রচনা বন্দ্য়োপাধ্যায় হয়েছি। আপনাদের অনেকেরই মনে হচ্ছে, আমি কেন শাড়ি বিক্রি করছি? কেন আমি বুটিক খুললাম? এর মূল কারণ হল, আমাকে অনেকেই বলেছিলেন- অভিনয়, দিদি নাম্বার ওয়ান, ছেলেকে মানুষ করা এবং সংসারের পাশাপাশি এমন কিছু করতে যাতে সাধারণের সঙ্গে আরও বেশি যোগাযোগ স্থাপন করতে পারি। আর সেই কারণেই এই বুটিক। সেই কারণেই অনলাইনে শাড়ির ব্য়বসা।'তবে এই শাড়ি বিক্রি করতে গিয়ে যে কটাক্ষের মুখে পড়বেন, তা একেবারেই আন্দাজ করতে পারেননি রচনা। ফেসবুক লাইভে নেটিজেনরা যেন ধেয়ে এল অভিনেত্রীর দিকে। তাঁকে উদ্দেশ্য করে ছুঁড়ে দিতে শুরু করল একের পর এক কু-মন্তব্য। তবে এসব ট্রোল-তামাশায় দমে যাননি অভিনেত্রী। নিজের মতো নিজের কাজটি করে যাচ্ছেন। | 2 |
ঢাকা: ২০০২ সালে 'আইডিয়াল কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড' নামে একটি সমবায় সমিতি চালু করেন সফিকুর রহমান নামের এক ব্যক্তি। নিজে বসেন সমিতির ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে। পরিবারের অন্য সদস্যদের বসান পরিচালকসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে।সমবায় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি লোকজনের কাছ থেকে 'হাজার হাজার কোটি টাকা' সংগ্রহ করেন এবং 'প্রতারণার মাধ্যমে তা হাতিয়ে নিয়ে' আইসিএল রিয়েল এস্টেট' নামে নতুন একটি আবাসন প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যবসা শুরু করেন।রিয়েল এস্টেট ব্যবসাতেও তিনি মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। পরে ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন থানায় এবং আদালতে ওই দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা করতে শুরু করেন। তারপরই সফিকুর ও তাঁর স্ত্রী আত্মগোপনে চলে যান।সমবায় ও আবাসন ব্যবসায় প্রতারণার মাধ্যমে 'কোটি কোটি টাকা' হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৪। এ বিষয়ে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এইচএনএম সফিকুর রহমান (৫৯) এবং তাঁর স্ত্রী কাজী সামছুল নাহার মিনা (৫৪) কে রাজধানীর বাংলামোটর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।র্যাব-৪ এর পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সফিকুর ও তাঁর স্ত্রীর নামে দেশের বিভিন্ন থানার মোট ২২টি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এর মধ্যে কোনো কোনো মামলায় আদালতে তাদের সাজার রায় হয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে প্রতি দুই তিন মাস অন্তর তাঁরা বাসা পাল্টানোর পাশাপাশি ক্রমাগত মোবাইল নম্বরও পরিবর্তন করছিলেন।র্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজনই অভিযোগের 'সত্যতা স্বীকার করেছেন'। ইতিমধ্যে তাদেরকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। | 6 |
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে উগ্রবাদী হামলার হুমকির কারণে কংগ্রেসের অধিবেশন স্থগিত করা হয়েছে। উগ্রবাদী মিলিশিয়ারা ক্যাপিটল হিলে আবার হামলা চালাতে পারে এমন গোয়েন্দা তথ্য আসার পর রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। খবর বিবিসির কংগ্রেসে চলমান অধিবেশনে বৃহস্পতিবার প্রতিনিধি পরিষদে পুলিশ সংস্কার আইন নিয়ে বিতর্ক হওয়ার কথা ছিল। আর সিনেটে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রণোদনা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আইনপ্রণেতাদের জানানো হয়েছে, তাদের কাছে তথ্য রয়েছে, চিহ্নিত একটি মিলিশিয়া গোষ্ঠী হামলার পরিকল্পনা করছে। কোনো ধরনের ঝুঁকি না নেওয়ার জন্য কংগ্রেসের অধিবেশন নিয়ে আগাম পরিকল্পনায় বদল করতে হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ক্যাপিটল পুলিশের ভারপ্রাপ্ত প্রধান ইয়োগান্ডা পিটম্যান গত সপ্তাহে কংগ্রেসের এক শুনানিতেও এমন হুমকির কথা জানিয়েছিলেন। হুমকি থাকায় ক্যাপিটল হিলের আশপাশের এলাকায় সাত ফুট উঁচু নিরাপত্তা দেয়াল বহাল রাখা রয়েছে। নিরাপত্তা দেয়ালের ওপর কাঁটাতার সেঁটে দেওয়া আছে। ক্যাপিটল পুলিশের দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ক্যাপিটল ভবনে হামলার হুমকিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এ নিয়ে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। গোয়েন্দারা হুমকির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য বিবৃতিতে প্রকাশ করেনি। তবে গোয়েন্দা তথ্যকে গুরুত্ব দিয়ে আইনপ্রণেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে ক্যাপিটল পুলিশ জানিয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সার্জেন্ট টিমোথি ব্লোডগেট জানিয়েছেন, আইনপ্রণেতাদের সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকির বিষয়ে অবগত করা হয়েছে। সম্ভাব্য প্রতিবাদ-সমাবেশের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের 'আসল' শপথ গ্রহণের দিন বলে যে প্রচারণা রয়েছে, সে সম্পর্কেও আইনপ্রণেতাদের জানানো হয়েছে। গত ৬ জানুয়ারি ট্রাম্পের উসকানিতে উগ্রবাদীরা ক্যাপিটল হিলে হামলা চালায়। ওই হামলার ঘটনায় একজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়। এঘটনার জের ধরে প্রতিনিধি পরিষদ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব গ্রহণ করে। সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠ আইনপ্রণেতারা ট্রাম্পের অভিশংসন দণ্ডের পক্ষে ভোট দেন। তবে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট না পড়ায় ট্রাম্প দ্বিতীয়বারের মতো অভিশংসন দণ্ড থেকে রেহাই পেয়ে যান। | 3 |
ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদরাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্য বিরোধী নেতাদেরও ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে লখিমপুর খেরিতে। সেখানে ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে।গতকাল সেখানে আন্দোলনরত কৃষকদের ওপর দিয়ে দ্রুতবেগে চলে যায় ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রের কনভয়। ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া যায়। পরে সংঘর্ষে মৃত্যু হয় আরও ৮ জনের।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী ও রাজ্যের উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশব মৌর্যর কনভয় রোখার কর্মসূচি নিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। অভিযোগ অজয় মিশ্রের ছেলে আকাশই গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যান কৃষকদের ওপর দিয়ে।ঘটনার পর আকাশের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর দাবি, তাঁর ছেলে নির্দোষ। উল্টো আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন তিনি। উত্তর প্রদেশের এই ঘটনার প্রতিবাদে গোটা দেশ গর্জে উঠেছে। কৃষক আন্দোলনের নেতা রাকেশ টিকায়েত জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ জড়ো হতে শুরু করেছে উত্তর প্রদেশে।গতকাল রাতেই ঘটনাস্থলে পোঁছাতে চেয়েছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু তাঁকে বহুবার বাধা দেওয়ার পর আটক করে ইউপি পুলিশ।সামাজিক গণমাধ্যমে প্রিয়াঙ্কা লেখেন, 'এ দেশ বিজেপির নয়, কৃষকদের দেশ। লখিমপুর যাচ্ছি বলে কোনও অপরাধ করছি না আমি। নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যেতে চাই। আমাকে থামানো হচ্ছে কেন?'প্রিয়াঙ্কাকে আটকের খবর পেয়ে রাহুল লেখেন, 'আমি জানি তুমি পিছু হঠবে না। তোমার হিম্মত দেখে ওরা (বিজেপি) ভয় পেয়েছে। অহিংস আন্দোলনের মাধ্য দেশের অন্নদাতাদের জয় নিশ্চিত করবোই।'পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী, তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জিও প্রতিবাদ জানান। তিনি লেখেন, 'লখিমপুর খেরির বর্বরোচিত ঘটনার আমি তীব্র বিরোধিতা করছি। কৃষকদের প্রতি বিজেপি-র উদাসীন মনোভাব আমাকে গভীর যন্ত্রণা দিয়েছে।'ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সেখানকার বিরোধী দলনেতা অখিলেশ যাদব। নিহতদের পরিবারবর্গের সঙ্গে দেখা করতে যেতে দেওয়া হয়নি তাঁকেও। প্রতিবাদে তিনি রাজধানী লখনৌতে নিজের বাড়ির সামনেই ধর্ণায় বসেন।সামনেই ভারতের সবচেয়ে বড় রাজ্য উত্তর প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এ ধরনের ঘটনা মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যরাজের বিরুদ্ধে মানুষকে আরও ক্ষিপ্ত করে তুলেছে। | 3 |
বলিউড বাদশা শাহরুখ খান 'রইস' ছবিতে এক অসাধু ব্যবসায়ী থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া একজন ধনী ব্যাক্তির চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তবে তার এই নতুন ছবির মতো বাস্তবে এমন কোনো ইচ্ছে নেই এই বলিউড অভিনেতার। সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে শাহরুখ বলেন, "আমি একজন অভিনেতা। এছাড়া আর কিছু আমি পারি না। রাজনীতি কখনোই আমার আগ্রহের বিষয় ছিলো না। আমি নায়ক, আর আপনাদের প্রিয় নায়ক হয়েই থাকতে চাই। কখনোই রাজনীতিতে আসতে চাই না।" এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, "কারও সর্বশেষ ছবির আয় দিয়েই কি তারকাখ্যাতি পরিমাপ করা যায়? 'দঙ্গল' ও 'সুলতান' অনেক ভালো ব্যবসা করেছে কিন্তু 'রইস'-এর অনেক সীমাবদ্ধতার জায়গা ছিলো। তাই সব ছবিকেই যে একই রকম ব্যবসা করতে হবে তাত কিন্তু নয়।" উল্লেখ্য 'রইস' ছবিটি ইতোমধ্যেই ১০০ কোটির ঘরে নিজের জায়গা করে নিয়েছে।
বিডি-প্রতিদিন/ ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭/ আব্দুল্লাহ সিফাত-৬ | 2 |
ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাপড়ুয়া শিশুসন্তানকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পিতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত পিতার নাম ইমাম হোসেন মিসকিন (৪৫)। এ ঘটনায় আজ শুক্রবার ভুক্তভোগীর বাবাসহ দুজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছেন ধর্ষণের শিকার ওই শিশুর মা।অভিযুক্ত মিসকিন উপজেলার চর সাহাভিকারি গ্রামের মিসকিন বাড়ির এনায়েত উল্যাহ এর ছেলে। তিনি উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। অপর অভিযুক্ত হলেন, চক দরবেশ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম পলাশ।সোনাগাজী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম সরকার বলেন, 'বাদীর এজাহার এফআইআর করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশু নিজেই ফেনীর বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল ইসলাম এর আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।'তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক রয়েছেন। তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।এই ঘটনার পর অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। | 6 |
আগামী মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। এই সফরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সে লক্ষ্যে বুধবার সফরের সূচি চূড়ান্ত করেছে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা। বিপিএলের পর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে হোম সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। এই সিরিজ শেষ হবে ৫ মার্চ। এরপর খুব বিশ্রামের সুযোগ পাবে না টাইগাররা। যেতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। সূচি অনুযায়ী, ১৮ মার্চ থেকে শুরু হবে দুই দলের দ্বিপক্ষীয় লড়াই। শুরুটা ওয়ানডে দিয়ে। ১৮, ২০ ও ২৩ মার্চ তিন ওয়ানডে। প্রথম ও তৃতীয় ম্যাচ সেঞ্চুরিয়নে এবং দ্বিতীয় ম্যাচ জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর টেস্ট সিরিজ। ৩১ মার্চ থেকে ডারবানে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে ৮ এপ্রিল, ভেন্যু- পোর্ট এলিজাবেথ। | 12 |
বক্তব্য শেষ না করে ক্ষোভে মঞ্চ থেকে নেমে গেলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।গতকাল শুক্রবার নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌর কমিউনিটি সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।সৈয়দপুর পৌর মেয়র রাফিকা আকতার জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-৪ আসনের সাংসদ আহসান আদেলুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ খান, জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. মোখলেছুর রহমান, সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোখছেদুল মোমিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হুসাইনসহ বিপুলসংখ্যক জনপ্রতিনিধি ও সংবাদকর্মী।সভায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত না রেখে পৌর মেয়রের বক্তব্য দিয়ে শুরু হয় আয়োজন। বক্তাদের মধ্যে করা হয়নি জ্যেষ্ঠতার পরিমাপ। সাংসদের পর সচিব এবং তারপরই পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসককে বক্তব্য দেওয়া নিয়ে গুঞ্জন সৃষ্টি হয়।এরই মধ্যে প্রধান অতিথি বক্তব্য শুরুর দুই মিনিটের মধ্যে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে মঞ্চ থেকে নেমে যান। পরে তিনি স্থানীয় মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। এরপর তিনি পঞ্চগড়ের উদ্দেশে সৈয়দপুর ত্যাগ করেন।এর আগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম সৈয়দপুর পৌর কমিউনিটি সেন্টার উদ্বোধন করেন। ৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে এ কমিউনিটি সেন্টার কমপ্লেক্সের গ্রাউন্ড ফ্লোরে কনফারেন্স রুম, প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় আধুনিক মানের কমিউনিটি সেন্টার, তৃতীয় তলায় ভিভিআইপি তিন তারকা মানের গেস্ট হাউস ও চতুর্থ তলায় জ্ঞান পিপাসুদের জন্য লাইব্রেরির ব্যবস্থা রয়েছে। | 6 |
ঢাকার অদূরে গাজীপুরে মালবাহী ট্রেনের ২টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর সব ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। এছাড়াও জেলা শহরের কেন্দ্রস্থল জয়দেবপুরের ভাওয়াল রাজবাড়ি সড়কের রেলক্রসিংও আটকে গেছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ ওই পথে কোনও যানবাহনও চলাচল করতে পারছে না। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ৮টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশন স্টেশন মাস্টার শাহজাহান জানান, রংপুরের সেতাবগঞ্জ থেকে চাল নিয়ে মালগাড়িটি ঢাকা যাচ্ছিলো। ট্রেনটি জয়দেবপুর জংশন স্টেশনের আউটার সিগন্যাল পার হয়ে প্রধান লাইন (২ নম্বর) দিয়ে স্টেশনে প্রবেশ করছিল। এ সময় গাজীপুর শহরের ভাওয়াল রাজবাড়ি সড়কের ক্রসিং পয়েন্টে গাড়িটির ইঞ্জিনের পর থেকে দ্বিতীয় ও অষ্টম বগির (ওয়াগন) চাকা লাইনচ্যুত হয়। এতে রাজধানীর সঙ্গে রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, ময়মনসিংহ ও জামালপুরসহ দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের সব রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তিনি জানান, ঢাকার কমলাপুর থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এসে উদ্ধারের কাজ চালায়, পরে ট্রেনটি পুনরার গন্তব্যে ছেড়ে গেছে। | 6 |
ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার সমাবেশে বর্বরোচিতো গ্রেনেড হামলায় মাদারীপুরের নিহত ৪ পরিবারসহ আহত ৩ পরিবারের সদস্যরা ভালো নেই। একই ঘটনায় আহতরা পঙ্গুত্ব নিয়ে দুঃসহ জীবনযাপন করছেন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় মাদারীপুরের নিহত ৪ জন হলেন রাজৈর উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের চানপট্টি গ্রামের যুবলীগ নেতা লিটন মুন্সি, একই উপজেলার কদমবাড়ী ইউনিয়নের মহিষমারি গ্রামের সুফিয়া বেগম, কালকিনি উপজেলার কয়ারিয়া ইউনিয়নের রামারপোল গ্রামের নাছির উদ্দিন ও ক্রোকিরচর গ্রামের যুবলীগ নেতা মোস্তাক আহাম্মেদ ওরফে কালা সেন্টু। আহতরা হলেন কালকিনি পৌরসভার বিভাগদী গ্রামের হালান হাওলাদার, কৃষ্ণনগর গ্রামের কবির হোসেন, ঝাউতলা গ্রামের সাইদুল হক সরদার। খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, রাজৈর উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের চানপট্টি গ্রামের যুবলীগ নেতা নিহত লিটন মুন্সির মা আছিয়া বেগম ও বাবা আইয়ুব আলী মুন্সি তাদের একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে দিন কাটান বহু কষ্টে। নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, লিটন মুন্সির মেয়ে মিথিলা প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন। এছাড়া ঢাকার মিরপুরে একটি ফ্ল্যাট বাসা ও ২০১৮ সালের রোজার সময় ৫ লাখ টাকা সরকারিভাবে পেয়েছে। তাই সরকারের কাছে তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে দ্রুত বিচারের দাবি করেছেন। নাছিরের বড় ছেলে মাহাবুব হোসেন (২২) বলেন, বাবার উপার্জনেই চলতো সংসার। বাবার মৃত্যুর পর টাকার অভাবে আমাদের লেখাপড়া প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী আমাদের ১০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র দিয়েছেন। এখন সেই টাকার লভ্যাংশ দিয়ে আমার মা, আমি আর আমার ভাই নাজমুলকে নিয়ে কোনোরকম বেঁচে আছি। এছাড়া আমাদের খবর আর কেউ রাখেনি। গ্রেনেড হামালায় নিহত যুবলীগ নেতা মোস্তাক আহাম্মেদ ওরফে কালা সেন্টুর স্ত্রী আইরিন সুলতানা ঢাকার মার্কেন্টাইল ব্যাংকে চাকরি করেন। এক মেয়ে আফসানা আহমেদ রীদিকে নিয়ে ঢাকায় থাকেন। তিনি বলেন, এমন দুঃখজনক স্মৃতি কি ভোলা যায়, না মুছে যায়। মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় থাকি। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ১০ লাখ টাকার অনুদান পেয়েছিলাম। সে সম্বল আর চাকরি থেকে যা পাই, তা দিয়েই মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভাবছি। আহত হালান হাওলাদার বলেন, শরীরের বিভিন্ন স্থানে প্রচুর স্প্লিন্টার রয়েছে। এগুলোর জ্বালা-যন্ত্রণা অসহ্য লাগে মাঝে মাঝে। হাটা-চলা করতে খুব কষ্ট হয়। সে কারণে তেমন কাজ করতে পারি না। তারপরও সংসারের খরচ মেটানোর জন্য ফেরি করে মুরগি বিক্রি করি। করোনার কারণে এখন তা বন্ধ আছে। আমরা যারা আহত আছি প্রধানমন্ত্রী যদি আমাদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতেন তাহলে ভালো হতো। আহত অনেকে বঙ্গবন্ধু ট্রাস্ট থেকে প্রতি মাসে ভাতা পায়। আমি ভাতা পাই না। | 6 |
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, সরকার ইলিশ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় ইলিশ গবেষণার জন্য বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটে গবেষণায় যুক্ত হলো নতুন একটি জাহাজ। জাহাজটির সাহায্যে দেশের প্রায় সব নদ-নদী ও সাগর উপকূলে ইলিশবিষয়ক গবেষণা পরিচালনা করা সম্ভব হবে।গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটে খুলনা শিপইয়ার্ডের জাহাজ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র আলহাজ তালুকদার আব্দুল খালেক এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ।শ ম রেজাউল করিম আরও বলেন, ইলিশ গবেষণার ফলাফল এর ধারাবাহিক উৎপাদন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। ইলিশ গবেষণায় জাহাজটি বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে আরও প্রসারিত করবে।চাঁদপুরের নদী কেন্দ্রে ইলিশ গবেষণা জোরদারকরণ প্রকল্পের আওতায় খুলনা শিপইয়ার্ডের মাধ্যমে গবেষণা জাহাজটি নির্মাণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), বাংলাদেশ নৌবাহিনী, নৌপরিবহন অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্স, মেরিন ফিশারিজ একাডেমির সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মধ্যমে ইলিশ গবেষণা জাহাজটির প্রাক্কলন প্রণয়ন করা হয়। গবেষণা জাহাজটিতে ফিশ ফাইন্ডার, ইকো সাউন্ডার, নেভিগেশন এবং অত্যাধুনিক টেলি যোগাযোগ ব্যবস্থা, অগ্নি নির্বাপক সরঞ্জামাদি, ইলিশ গবেষণা ল্যাবরেটরি, নেটিং সিস্টেম, পোর্টেবল মিনি হ্যাচারিসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংযোজন করা হয়েছে। ফলে জাহাজটি দেশের ইলিশ গবেষণায় সহায়ক ভূমিকা রাখব। জাহাজটির ইঞ্জিন, জেনারেটর এবং স্টার্ন গিয়ার ও প্রোপালশন সিস্টেম উন্নতমানের সংযোজন করাসহ স্ট্যাবিলিটি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপার স্ট্রাকচার অ্যালুমিনিয়াম ম্যাটেরিয়াল দ্বারা নির্মাণ করা হয়েছে। জাহাজটির সব ইকুইপমেন্ট ও মেশিনারির পরীক্ষামূলক ট্রায়াল সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। জাহাজটি পরিচালনার জন্য ইনস্টিটিউটের ১০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ১৪ দিনের অন-বোর্ড ট্রেনিং সম্পূর্ণ করেছেন।দেশের ইলিশ সম্পদের টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণা পরিচালনা করে আসছে। সম্প্রতি জাটকা সুরক্ষায় বিএফআরআই প্রণীত গবেষণা তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, সম্প্রতি ২২ দিন মা ইলিশ ধরা নিষিদ্ধকালে ইলিশের প্রজনন সফলতার হার ৫১.৭৬ শতাংশ নিরূপণ করা হয়েছে। ইলিশ গবেষণা জোরদারকরণ প্রকল্পের আওতায় ইলিশের প্রকৃত মজুত এবং সর্বোচ্চ সহনশীল উৎপাদন নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশে ইলিশের মজুত, আহরণ মাত্রা, খাদ্যের প্রাচুর্য, সম্ভাব্য নতুন প্রজনন ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণ, পূর্বে চিহ্নিত অভয়াশ্রম (প্রজনন ক্ষেত্র ও বিচরণ ক্ষেত্র) সমূহের বর্তমান অবস্থা ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য জানার জন্য ধারাবাহিক গবেষণা প্রয়োজন। এসব গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে নদীতে র্সাবক্ষণিক থাকার প্রয়োজন পড়ে। এই ক্ষেত্রে নতুন জাহাজটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। | 6 |
বিএনপির নেতা ও সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বিশ্বের যেসব দেশ ইতিমধ্যে করোনা সংক্রমণকে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে সেসব দেশের প্রায় ৭০/৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা প্রদান করতে সমর্থ হয়েছে। অথচ বাংলাদেশে সরকারের টিকা কূটনীতিতে চরম ব্যর্থতা, টিকা ক্রয়ে অনিয়ম, লোভ ও হঠকারিতার কারণে দেশে টিকাদান শুরুর পর থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন মাত্র ৪২ লাখ ৮১ হাজার ৭৭৬ জন। এই হিসেবে গত ৬ মাসে মাত্র ২ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি মানুষকে টিকা দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত জনসংখ্যার তুলনায় অতি সামান্য সংখ্যক মানুষকে টিকা দেয়া হয়েছে। তাতেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অগ্রাধিকার তালিকা অনুসরণ করা হয়নি। সরকার ভারতের থেকে সেরাম ইনস্টিটি্উট থেকে তিন কোটি ডো্জ টিকা ক্রয়ের জন্য চুক্তি করেছিলেন কিন্তু সেরাম ইনস্টিটিউট ২ দফায় ৭০ লাখ ডোজ টিকা সরবারহের পর বন্ধ করে দেয়ায় অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকারের দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে অনিশ্চয়তা পড়েছেন ১৪ লাখ ৪০ হাজার মানুষ। ফাইজার ও সিনোফার্মের টিকার প্রসঙ্গ টেনে সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, সিনোফার্মের ২০ লাখ ও মডার্নার ২৫ লাখ ডোজ টিকাসহ এই পর্যন্ত সব মিলিয়ে দেশে টিকা এসেছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ডোজের বেশি। বর্তমানে দেশে মাত্র ৫৯ লাখ ডোজের বেশি টিকা মজুদ আছে। অদূর ভবিষ্যতে টিকা সংগ্রহের কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ১৮ কোটি মানুষের দেশে উল্লে্খিত সংখ্যক টিকা কত অপ্রতুল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বাজেট অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যত টিকা্ লাগে কেনা হবে। কিন্তু কোথা থেকে ক্রয় করা হবে, কবে নাগাদ ক্রয় করা হবে তার কোনো সুনির্দিষ্ট বক্তব্য দেননি। কোভিড-১৯ অতিমারীর শুরু থেকে সরকারের রাখঢাক, সমন্বয়হীনতা, অতিকথন ও দুর্নীতি জনগণকে হতাশ করেছে, ক্ষুব্ধ করেছে, সরকার ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির 'করোনার ভাকসিন সংগ্রহ-বিতরণ-পর্যবেক্ষন সংক্রান্ত কমিটি'র উদ্যোগে সারাদেশে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় টেউ মোকাবিলায় সরকারের কার্য্ক্রম বিষয়ে তুলে ধরতে এই ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন হয়। ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক হারুন আল রশিদ বলেন, আপনারা জানেন যে, বাংলাদেশে চীনের সাইনোভেট কোম্পানি তার ভ্যাকসিন ট্রায়াল করার জন্য অনুমতি চেয়েছিল। আইসিডিডিআরবির সঙ্গে সমস্ত কিছু সম্পন্ন হয়েও গিয়েছিল। কিন্তু কোনো এক অজ্ঞাত কারণে আমরা দেখলাম, সেই ট্রায়াল থেকে বাংলাদেশ সরে গিয়েছে। আজকে সিনোভেটের সেই ভ্যাকসিন যেটা আমরা ট্রায়াল করলে বিনা মূল্যে অথবা কম মূল্যে পেতাম সেটা আমরা এখন কিনছি ১৫ ডলারে। তার মানে যদি অক্সেফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটা ৫ ডলারে কিনে থাকি সিনোভেটের ভ্যাকসিন ১৫ ডলার কিনতে হচ্ছে। মানে ১০ ডলার করে প্রতি ভ্যাকসিনে বেশি দিচ্ছি। আপনি যদি ৫ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন কিনেন ৫০ কোটি ডলার এক্সট্রা টাকা লাগছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যত টাকা লাগে দেবো। এটা কার টাকা? এটা তো জনগণের টাকা। এভাবে জনগনের টাকার যে অপচয় তার জন্য কে জবাবদিহি করবে? | 6 |
রাত পোহালেই রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচন। এ উপলক্ষ্যে ১৯৩টি ভোট কেন্দ্রের জন্য ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপার বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার রংপুর পুলিশ লাইন্স মাঠে এ কর্মসূচির সময় ভোট কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনাও দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুখ, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রির্টানিং কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার, জেলা প্রশাসন মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিএম সাহাতাব উদ্দিন, আনসার ভিডিপির কমান্ডার আবদুস ছামাদসহ ঊর্ধতন কর্মকর্তারা। এসময় ডিআইজি ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুখ পুলিশ ও আনসার সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে আপনাদের কোন শংকা বা ভয় নেই। কারণ প্রতিটি কেন্দ্রে ২২ জন থেকে ২৪ জন্য আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্বে থাকবেন। কোনও কেন্দ্রে সামান্য গোলযোগ দেখা দিলে ১ থেকে ৩ মিনিটের মধ্যেই বিজিবি ও র্যাবের টিম এবং ভ্রাম্যমান আদালত চলে যাবে।তিনি বলেন, আমাদের জনবলের কোন ঘাটতি নেই। আমাদের কাজ হচ্ছে নির্বাছন কমিশনকে সহায়তা করা। আমরা ১০০ ভাগ তাদের সহায়তা করে যাব। তিনি ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত আইন শৃংখলা বাহিনীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা এমন কোনও কাজ করবেন না যাতে যাতে গোটা বাহিনীর সুনাম নষ্ট হয়। আমি হচ্ছি আপনাদের মুরব্বি। আমরা সবাই মিলে রংপুর সিটি নির্বাচনকে একটি মডেল নির্বাচন উপহার দিব। আর সে লক্ষ্য নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রির্টানিং কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার বলেন, দেশ-বিদেশের মানুষ তাকিয়ে আছে রংপুর সিটি নির্বাচনের দিকে। আপনাদের ওপর নির্ভর করছে আমাদের ভাবমূর্তি। আপনারা আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিরপেক্ষ ও নিষ্ঠার সাথে পালন করবেন। সকলের সহযোগিতায় আমরা সবার কাছে গ্রহনযোগ্য সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিব। তিনি বলেন, নির্বাচনে ৬ হাজার আইন শৃংখলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবেন। রংপুর নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা গেছে, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৯৩টি। এরমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ১০৮টি। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ২৪ জন পুলিশ ও আনসার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। এদের মধ্যে ১২ জনই থাকবেন অস্ত্রধারী। আর সাধারণ কেন্দ্রে ২২ জন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়া বিজিবি ২১ প্লাটুন এবং র্যাবের ৩৩টি টিম নির্বাচনী মাঠে থাকবে। ৩৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১১ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও সিটি করপোরেশন এলাকাকে ৪টি ভাগে ভাগ করে ৪ জন ঊর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তার নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করবেন পুলিশ সদস্যরা। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সেনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দিবেন। এছাড়া আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু গুপ্তপাড়া সালমা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র, জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা আজিজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও বিএনপির মেয়র প্রার্থী দেওয়ানটুলি সরকারি প্রাথমিত বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিবেন। অপরদিকে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গার গুপ্তপাড়া সালমা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার কথা রয়েছে।
| 6 |
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের কুশপুত্তলিকা পুড়িয়েছে রংপুর জেলা ছাত্রলীগ। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রংপুর জেলা ছাত্রলীগ কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর জীবন বিমা মোড় হয়ে জাহাজ কোম্পানি মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে আলালের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।এতে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান সিদ্দিকী রনি, সহসভাপতি শামীম সরদার, সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান কানন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শেরে জাহান শাওন, হাসিব, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হোসেন, আদনান হোসেন, মিথুন চৌধুরী, আপ্যায়নবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, শুভ, নয়ন প্রমুখ।জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন, বিএনপির আলালকে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। এছাড়া তাঁর দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করা না হলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন তিনি। | 6 |
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সুলতানা কামাল মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের সভাপতি। তিনি টিপ পরা নিয়ে ঢাকার রাস্তায় এক নারীর নিগ্রহের শিকার হওয়া নিয়ে কথা বলেছেন প্রথম আলোর সঙ্গে। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর প্রতি সহিংসতা ও পরমতসহিষ্ণুতার প্রশ্নগুলো নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন পার্থ শঙ্কর সাহা। প্রথম আলো: টিপ পরা নিয়ে রাজধানীর রাস্তায় প্রকাশ্যে নিপীড়নের শিকার হলেন একজন নারী। এখানে অভিযোগ একজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। কী বলবেন এ পরিস্থিতি নিয়ে? সুলতানা কামাল: এ ধরনের ঘটনা যে এই প্রথম ঘটল, তা নয়। এ ক্ষেত্রে লতা সমাদ্দার প্রতিবাদী হয়েছেন বলে বিষয়টা সবার সামনে এল। দুঃখজনকভাবে আবারও প্রতীয়মান হলো, আমাদের রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সদস্যদের মধ্যেও জাতি, ধর্ম কিংবা যেকোনো পরিচয়নির্বিশেষে সেবা প্রদান ও সম্মান প্রদর্শনের নিরপেক্ষ মানসিকতা ও সংস্কৃতিবোধের কী প্রকট অভাব বিদ্যমান। একটি ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে আমরা কতটা ব্যর্থ, এ ঘটনা সেটাই জানান দিচ্ছে। প্রথম আলো: ঘরের বাইরে ঢাকা শহরে এবং সার্বিকভাবে বাংলাদেশের অন্যত্রও নারীর জন্য সহায়ক পরিবেশ কি আছে? প্রতিবন্ধকতাগুলো কী কী? সুলতানা কামাল: নারীর প্রতি সহিংসতার যে পরিসংখ্যান প্রতিদিন আমাদের কাছে আসে, তার ওপর ভিত্তি করে দুঃখজনকভাবে বলতেই হয় যে ঘরে-বাইরে, শহরে-গ্রামে দিনে-রাতে কোথাও নারীর জন্য সার্বিকভাবে সহায়ক পরিবেশ নেই। এখনো আমাদের নিরাপত্তা আর সমান সুযোগের দাবিতে রাস্তায় নামতে হয়। এর পেছনের মূল কারণ হলো ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ বা রাষ্ট্র নারীর সম-অধিকার ও সমমর্যাদার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখে না। বরং বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর আত্মপ্রকাশ ও অবস্থান পুরুষতান্ত্রিক চিন্তাধারার ধারক-বাহকদের কাছে এখনো অগ্রহণযোগ্য রয়ে গেছে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বা নানা পরিস্থিতির চাপে যদিও নারীর অধিকারকে তাত্ত্বিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে কিছু কিছু ক্ষেত্রে, তবে সার্বিকভাবে নারীর ব্যক্তিসত্তাকে মেনে নিয়ে তাঁকে মানুষ হিসেবে তাঁর পূর্ণ মর্যাদায় পাশে স্থান দেওয়ার সামাজিক মনন ও মানসিকতা গড়ে তোলার কাজে যথাযথ মনোযোগ দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে রাজনৈতিক সুবিধাবাদের কৌশলের কারণে ধর্মানুভূতির দোহাই দিয়ে নারীবিদ্বেষী মনোবৃত্তিকে অনবরত প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে। আমরা হতাশ হই দেখে যে নারী স্বাধীনতা এবং নারীর সম-অধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিষয়গুলো এবং একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক চিন্তাভাবনাকেই মূলত ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করাকে রাজনীতির রীতি হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে। প্রথম আলো: আমরা সামাজিক নানা সূচকে এগোচ্ছি। নারীর সামাজিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে কিছু অর্জন আমাদের আছে। তারপরও নিগ্রহের ঘটনাগুলো বাড়ছে কেন? সুলতানা কামাল: ক্ষমতায়নের তো নানা ধাপ রয়েছে। এক থেকে দুইয়ে পৌঁছালেও সেটা এগোনো। সেটাও অর্জন বলেই চিহ্নিত হবে। কিন্তু আমরা অভীষ্ট লক্ষ্যমাত্রা থেকে কত দূরে আছি, সেটাও বিচার্য। শুধু নারীর অবস্থানগত কিছু পরিবর্তন আনলেই নারীর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে না। নারীর অগ্রসর হওয়ার অন্যতম ফল পরিবারে, সমাজে নারীর পরিবর্তিত ভূমিকা। পেশাজীবী, রাজনীতিক, সমাজে নেতৃত্ব দেওয়ার অবস্থানে নারীর উপস্থিতি এবং দৃশ্যমান হওয়া। একসময় নারীর পরিচয় ছিল 'নারী সাত চড়ে রা করে না'। এখনকার নারী অনেক অধিকারসচেতন। নারী প্রতিবাদ করতে জানেন, অধিকার দাবি করতে জানেন, অধিকার ভোগ করার নিশ্চয়তা চান। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ, বিশেষত পুরুষ যদি তা গ্রহণ এবং মেনে নেওয়ার দীক্ষায় দীক্ষিত না হন, তাহলে নারী নতুন করে আরও প্রকট আক্রমণ ও নিগ্রহের শিকার হন। আমাদের সমাজে তাই ঘটে চলেছে। সংবিধান নারীকে জনজীবনের সর্বত্র সমান অধিকার দিয়েছে কিন্তু ব্যক্তিজীবনে নারীকে পুরুষনির্ভর এবং পুরুষের নিয়ন্ত্রণেই রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত নারী আন্দোলনের দীর্ঘদিনের দাবি সত্ত্বেও নারীর প্রতি চরম বৈষম্যমূলক পারিবারিক আইন পরিবর্তন করা হয়নি, নারীনীতির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন থমকে আছে। বারবার কথা দিয়েও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সরকারও সিডও সনদের ধারা ২ এবং ১৬ (১) গ-এর সংরক্ষণ তুলে নেয়নি। বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন করেনি। অর্থাৎ সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে নারীর সম-অধিকারের প্রতি দৃঢ় সমর্থনের অভাব থাকাতে পুরুষতান্ত্রিক নারীবিদ্বেষী আচরণ প্রতিহত করতে পারছি না আমরা। প্রথম আলো: অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে চিহ্নিত করা হয়েছে। নিপীড়নের ক্ষেত্রে অনেক সময় রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিরা জড়িত হয়ে পড়েন। তাঁদের বিরুদ্ধে কতটুকু ব্যবস্থা নেওয়া হয়? সুলতানা কামাল: আমরা যদি নারী নির্যাতন মামলায় বিচারের হিসাবটা দেখি, সহজেই এই প্রশ্নের উত্তর পেতে পারি। এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে যে তথ্য আছে, তাতে জানতে পারি যে নারী নির্যাতন মামলায় বিচার পাওয়ার হার হচ্ছে ৩ শতাংশের কাছাকাছি, যার মধ্যে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিদের দ্বারা সংঘটিত ঘটনাও আছে। আমাদের অভিজ্ঞতায় দেখি, এ ধরনের অভিযুক্ত ব্যক্তির বিষয়ে প্রথমে অস্বীকৃতির কৌশল গ্রহণ করা হয়, না হলে হয় তাঁদের অন্যত্র বদলি করা হয় কিংবা হেডকোয়ার্টারে ফেরত নিয়ে আসা হয়। দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনা বিরল। প্রথম আলো: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের আচরণসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ, মানবাধিকার বিষয়ে শিক্ষাদানের গুরুত্ব যথেষ্ট। এসব কতটুকু মেনে চলা হয়? সুলতানা কামাল: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জেন্ডার প্রশিক্ষণ বা মানবাধিকারের ওপর প্রশিক্ষণের নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে দেশি-বিদেশি সহযোগিতায়। যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গেই এসবের আয়োজন করা হয়েছে। একটা সময় বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠনকেও প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। কিছু কিছু মডেল থানা ও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নিগৃহীত নারীরা ভালো আচরণ পেয়েছেন, আমার অভিজ্ঞতায় মানবাধিকারের কাজে পুলিশ বাহিনীর অনেকের উল্লেখযোগ্য সহযোগিতা পেয়েছি। তবে তা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যক্তিনির্ভর। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই প্রশিক্ষণের গভীর, সুদূরপ্রসারী বা ব্যাপক কোনো প্রভাব সাধারণভাবে বাহিনীর সদস্যদের আচরণে প্রতিফলিত হতে দেখা যায় না। ইদানীং আন্দোলনরত কিছু নারী ভুক্তভোগী জানান, নারী-পুরুষনির্বিশেষে পুলিশ সদস্যরা তাঁদের যেভাবে শারীরিক আঘাত করেন, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। প্রথম আলো: ভিন্ন সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, পরমতসহিষ্ণুতার মতো বিষয়গুলো আমাদের পাঠ্যক্রমে কতটুকু আছে? সহনশীল সমাজ গড়ার শর্তগুলো কতটুকু পূরণ হচ্ছে? সুলতানা কামাল: আমরা পঞ্চাশ বা ষাটের দশকে ভিন্ন সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বা পরমতসহিষ্ণুতার বিষয়সংক্রান্ত মূল্যবোধগুলোর উৎকর্ষ সাধনে সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড হতে দেখেছি। আর তার ফলে একটা সার্বিক প্রভাব বিস্তার ঘটতে দেখেছি। কিন্তু এখন তার খুব অভাব বোধ করি। এখন রাজনীতি ক্ষমতাকেন্দ্রিক চরিত্র ধারণ করেছে। কৌশল হিসেবে তারা, এমনকি প্রগতিশীল দলগুলোও সংকীর্ণ সহিংস জঙ্গিবাদী ধর্ম ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আপসের নীতিকে অনুসরণ করে চলেছে। অনেক ক্ষেত্রে তারা তাদের নিজেদের ঘোষিত অঙ্গীকার বিসর্জন দিয়ে উল্টা পথে চলেছে। তার একটা প্রভাব সমাজের ওপর গিয়ে পড়েছে। রাষ্ট্র ও সমাজে যদি মুক্তবুদ্ধিচর্চার সমর্থন না থাকে, ব্যক্তিজীবনও সংকুচিত হতে থাকে। পক্ষান্তরে উচ্চাভিলাষী, স্বার্থকেন্দ্রিক বিভাজনের চিন্তাধারা ও মানসিকতা সমাজকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। ভিন্নতাকে গ্রহণ করার ক্ষমতা লুপ্ত হতে থাকে। পাঠ্যক্রমে সময়ে-সময়ে প্রগতিশীল চিন্তাভাবনা বিধৃত করার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে প্রতিক্রিয়াশীল অপশক্তির দাপটে তা থেকে সরে আসা হয়েছে। আমরা তো একমুখী শিক্ষার নীতি ধরে রাখতে পারিনি। | 6 |
কক্সবাজারের টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ দাসের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলার চার্জশিট আমলে নিয়েছেন আদালত। এছাড়া তার জামিন আবেদন নামঞ্জুরের পাশাপাশি এই মামলার অপর আসামি তার স্ত্রী চুমকি কারণ পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ আশফাকুর রহমান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে পুলিশের কড়া পাহারায় বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে নেয়া হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চট্টগ্রাম-২-এর সহকারী পরিচালক মো: রিয়াজ উদ্দিন গত ২৬ জুলাই আদালতে দেয়া চার্জশিটে ৪৯ লাখ ৫৮ হাজার ৯৫৭ টাকা সম্পদের তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য দেয়া এবং ২ কোটি ৩৫ লাখ ৯৮ হাজার ৪১৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অন্যকে হস্তান্তরের অভিযোগ আনেন প্রদীপ ও চুমকির বিরুদ্ধে। অভিযোগপত্রে মোট ২৯ জনকে এ মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে। তবে এই চার্জশিট শুনানিতে প্রদীপের আইনজীবী অ্যাডভোকেট স্বভু প্রসাদ বিশ্বাস দাবি করে বলেন, এই ঘটনার সাথে প্রদীপের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর চেকপোস্টের গাড়ি তল্লাশিকে কেন্দ্র করে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় অন্যদের সাথে ওসি প্রদীপকে আসামি করা হয়। পরে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর থেকে কারাগারে রয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় ওই বছরের ১৩ ডিসেম্বর ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা র্যাব-১৫-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো: খায়রুল ইসলাম। | 6 |
দুর্নীতির মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে থাকা বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা আহসান হাবিব কামালের জামিনের আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. সেলিমের একক ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। এর ফলে আহসান হাবিব কামালের কারামুক্তিতে আর কোনো বাঁধা রইল না। তার ছেলে কামরুল আহসান রূপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা একটি মামলায় সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আহসান হাবিব কামাল গত বছরের ৯ নভেম্বর থেকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। ওই মামলায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (দণ্ড পাওয়ার পর বরখাস্ত) খান মো. নুরুল ইসলাম, তৎকালীন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইসাহাক, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তার ও ঠিকাদার জাকির হোসেন একই দণ্ড পেয়ে কারাগারে আছেন। একই সঙ্গে তাদের সবাইকে এক কোটি টাকা জরিমানাও করেছিলেন আদালত। আদালতে আহসান হাবিব কামালের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ব্যারিস্টার সানজিদ সিদ্দিকী আদালতে জামিন শুনানি করেন। দুদকের পক্ষে ছিলেন এ কে এম ফারহান। ১৯৯৫-৯৬ সালে তৎকালীন বরিশাল পৌরসভার সড়ক খনন করে ভূগর্ভস্থ ক্যাবল স্থাপন করে তখনকার টেলিফোন শিল্প সংস্থা (বর্তমানে বিটিসিএল)। ওই সময়ে সড়ক খননের ক্ষতিপূরণ বাবদ পৌরসভাকে ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিল টেলিফোন শিল্প সংস্থা। কিন্ত সড়ক সংস্কার বাবদ ১১ লাখ ১৯ হাজার ৩৭১ টাকা খরচ করে অবশিষ্ট ২৭ লাখ ৬০ হাজার ৬৩৯ টাকা আত্মসাৎ করেন তৎকালীন পৌর চেয়ারম্যান আহসান হাবিব কামাল ও দণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা। এ ঘটনায় ২০০০ সালে মামলা দায়েরের পর আদালতে অভিযোগপত্র দেয় বরিশাল দুদক। ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর আহসান হাবিবক কামালসহ ৫ জনকে ৭ বছর করে কারাদণ্ড এবং ১ কোটি টাকা জরিমানা করে রায় দেন বরিশাল বিশেষ আদালতের বিচারক মহসিনুল হক। আহসান হাবিব কামাল ২০১৩ সাল থেকে ২০১৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত মেয়র ছিলেন। তিনি বিএনপির সাবেক মৎস্যজীবী বিষয়ক সম্পাদক ও বরিশাল জেলার সভাপতি ছিলেন। | 6 |
লকডাউনের সময় মসজিদে প্রতি ওয়াক্তের নামাজে ২০ জনের বেশি মুসল্লি অংশ নিতে পারবেন না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ছাড়াও রমজানে তারাবির নামাজের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস ভয়াবহ মহামারী আকার ধারণ করায় যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান পরিস্থিতিতে আগামী ১৪ এপ্রিল হতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মসজিদে নামাজ আদায়ে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সোমবার ১২ এপ্রিল) এ নির্দেশনা জারি করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এতে আরও বলা হয়েছে, তারাবীর নামাজে খতিব, ইমাম, হাফেজ, মুয়াজ্জিন ও খাদিমসহ সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করবেন। জুম'আর নামাজে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে মুসল্লিগণ অংশ নেবেন। সম্মানিত মুসল্লিগণ-কে পবিত্র রমজানে তিলাওয়াত ও যিকিরের মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও বিপদ মুক্তির জন্য দু'আ করার অনুরোধ করা হলো। প্রাণঘাতি স্থানীয় প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। | 6 |
গ্রাহকের সাথে প্রতারণার অভিযোগে 'উইকম ডটকম' ও 'থলে ডটকম' নামে দুটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডি জানিয়েছে, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় কয়েকজন ভুক্তভোগীর আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- প্রতিষ্ঠান দুটির হেড অব অপারেশন্স নজরুল ইসলাম, হিসাবরক্ষক সোহেল হোসেন, ডিজিটাল কমিউনিকেশন অফিসার তারেক মাহমুদ অনিক, সেলস এক্সিকিউটিভ মুন্না পারভেজ ও সুপারভাইজার মাসুম হাসান। সোমবার দুপুরে সিআইডি সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি ইমাম হোসেন। তিনি বলেন, থলে ডটকম ও উইকম ডটকমের বিভিন্ন পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় গ্রেফতার ব্যক্তিরা কম মূল্যে বিভিন্ন পণ্য- টিভি, ফ্রিজ, মোটরসাইকেল, ইলেকট্রিক পণ্য বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন ফেসবুক পেজে ও অনলাইনের বিভিন্ন মাধ্যমে অফার দেয়। ভিকটিমরা বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে যোগাযোগ করার পরে জানতে পারেন, টাকা পরিশোধ করলে ৩০ দিনের মধ্যে পণ্য সরবরাহ করা হবে। ভিকটিমরা এ প্রস্তাবে রাজি হয়ে বিভিন্ন তারিখে চেকের মাধ্যমে ও নগদ প্রায় আড়াই কোটি টাকা দেন। গ্রাহকদের টাকা হাতে পাওয়ার পর ৫০ দিন অতিবাহিত হলেও পণ্য সরবরাহ না করে অপেক্ষা করতে বলে প্রতিষ্ঠানটি। পরে মামলার বাদি খায়রুল আলম মীর প্রতিষ্ঠানটির অফিসে গেলে তারা বাদিসহ ভিকটিমদের বিভিন্ন অঙ্কের টাকার চেক দেয়। সেই চেক নিয়ে ভিকটিমরা ব্যাংকে টাকা উত্তোলন করতে গেলে 'অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা নেই' বলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়। প্রতিষ্ঠানটি এভাবে হাজার হাজার লোকের কাছ থেকে মিথ্যা ও চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎ করে। | 6 |
ছোট পর্দার অভিনেত্রী সালহা খানম নাদিয়া। পারিবারিক সমস্যার কারণে বিরতি নিয়েছিলেন। ফিরে এসে টানা কাজ করছেন। গত এক মাসে একাধিক সিরিয়াল ও একক নাটকের শুটিং করেছেন। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মীর রাকিব হাসান।বর্তমান ব্যস্ততা কী নিয়ে?পারিবারে একটা দুর্ঘটনা ঘটেছিল, যে কারণে হুট করেই বিরতি নিতে হয়েছিল। তবে বিরতিটা খুব বেশি লম্বা হয়নি। এক মাস ধরে নিয়মিত কাজ করছি। 'চিটার অ্যান্ড ডেভিল', 'গোলমাল', 'বাজিমাত', 'টুইন ভিলেজ'-এ চারটি ধারাবাহিকে অভিনয় করছি। বেশ কয়েকটি একক নাটকেও অভিনয় করলাম। বেশির ভাগই নিলয় আলমগীর ও শামীম হাসান সরকারের সঙ্গে।তাঁদের সঙ্গেই বেশি কেন?প্রথম কথা, পরিচালকের চাওয়া। যদি ভিউয়ের হিসাবও করি, আমাদের বেশির ভাগ নাটকই হিট। আমাদের বোঝাপড়াটাও ভালো। তবে অন্যদের সঙ্গে কাজ করব না, ব্যাপারটি কিন্তু এমন নয়।টিভি নাটকের অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে সিন্ডিকেট আছে?আমি সিন্ডিকেটে বিশ্বাস করি না। কখনো চাইনি যে সিন্ডিকেটের মধ্যে ঢুকে অনেক কাজ করব। আমি যাঁদের সঙ্গে কাজ করি, কখনো কাউকে বলিনি এদের নেন। বা তাঁরাও যে আমার কথা রেফার করেছেন এমন শুনিনি।জনপ্রিয় হওয়ার ব্যাপারটি কীভাবে দেখেন?জনপ্রিয় অনেকেই হতে পারেন। কিন্তু সেটা ধরে রাখাটা বড় ব্যাপার। আজ জনপ্রিয় হলাম আবার কাল মানুষের গালি খেলাম, সেই পথে আমি কখনোই হাঁটতে চাইনি। আমরা যেমন অনেক সিনিয়রের ক্ষেত্রে বলি 'জনপ্রিয়'। আজকে একজন উল্টাপাল্টা কিছু করে ভাইরাল হলে, তাঁর পেছনেও যদি 'জনপ্রিয়' ট্যাগ লাগিয়ে দিই তাহলে তো এক হলো না। আমার কাজ যেন বহুদিন পর্যন্ত বেঁচে থাকে দর্শকদের মধ্যে, সব সময় সেই চেষ্টা করি।আপনি তো অনেক দিন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন। ক্যারিয়ার নিয়ে সন্তুষ্ট?প্রায় ১২ বছর হলো আমার ক্যারিয়ার। এই এক যুগ ধরে আমি সমানতালেই চলছি। আমার ক্যারিয়ারে যেমন হিট বিজ্ঞাপন আছে, তেমনি হিট শর্টফিল্মও আছে। নাটক তো নিয়মিত জনপ্রিয় হয়-ই। মিউজিক ভিডিও করেছি, তা-ও সবাই পছন্দ করেছেন। তবে সব সময় ভালো চরিত্র না পাওয়ার আফসোস আমার আছে। সেটা সব শিল্পীরই থাকে। | 6 |
বিয়েবাড়ির বড় আকর্ষণ জম্পেশ খাওয়াদাওয়া। বিয়ের আয়োজন কতটা ভালো হলো, তা বিয়ের দাওয়াতের খাওয়ার ওপরও অনেকাংশে নির্ভর করে। খাবারদাবারের পুরো দায়িত্ব এখন ক্যাটারিং সার্ভিসকেই দিয়ে দেওয়া হয়। যাঁদের বিয়ে এখন পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে, তাঁদের জন্য থাকল বেশ কিছু ক্যাটারিং সার্ভিসের খোঁজখবর। ইকবাল হোসেন ক্যাটারিং স্বাদ আর খাবারের মান দুটো বিষয়কেই সমান গুরুত্ব দেয় ইকবাল হোসেন ক্যাটারিং। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক মো. খায়রুল হোসেন বলেন, 'ঢাকা ও ঢাকার বাইরে বিয়ের আয়োজনে খাবার সরবরাহ করি আমরা।' কাচ্চি বিরিয়ানি, প্লেইন পোলাও, মোরগ পোলাওয়ের প্যাকেজ রয়েছে। আবার এসবের বাইরে পছন্দমতো খাবারের ফরমাশও করা যায়। প্যাকেজ হিসেবে খাবার নিতে চাইলে মূল্য পড়বে জনপ্রতি ৪৫০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। এক সপ্তাহ আগে অর্ডার দিতে হবে। ঠিকানা: রোড ৬/এ, বাড়ি-১৫, নবোদয় হাউজিং সোসাইটি, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭। যোগাযোগ: ৮১৫৪৯৮০, ০১৭১৩ ৩৩৪০৪৪। ফখরুদ্দীন বিরিয়ানি অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট সারা দেশে বিয়ের খাবার সরবরাহ করেন ফখরুদ্দীন বাবুর্চি। প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু ভিকারুননিসা নূন স্কুলে ছোট্ট একটি খাবারের দোকানের মাধ্যমে। এরপর আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে তাদের খাবারের ব্যবসা। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিদিন তিন-চারটি বিয়ের খাবার সরবরাহ করতে পারে। বেশি লোকের আয়োজন হলে তাঁরা সেখানে গিয়ে রান্না করে দেন। লোকসংখ্যা যদি কম হয়, তবে দুই-এক দিন আগে অর্ডার দিলেই হয়। বিয়ের বাড়ির খাবারের প্যাকেজ ৩৫০ থেকে ৬৫০ টাকার মধ্যে। ঠিকানা: রোড ৪/এ, হাউস ৫৫, ধানমন্ডি, ঢাকা। এ ছাড়া ঢাকায় আরও বেশ কয়েকটি শাখা রয়েছে। শওকত তেহারি ঘর অ্যান্ড ক্যাটারিং মোহাম্মদপুর টাউন হল পাকা মার্কেটের ৭ নম্বর দোকানটি শওকত তেহারি ঘর অ্যান্ড ক্যাটারিং। বিয়ের খাবারের জন্য প্রতিষ্ঠানটির সুখ্যাতি রয়েছে। শওকত তেহারি ঘর অ্যান্ড ক্যাটারিংয়ের স্বত্বাধিকারী শওকত হোসেন বলেন, 'বিয়েবাড়িতে সবাই সবচেয়ে ভালো খাবারটিই দিতে বলে। তাই বিয়েবাড়িতে খাবার পরিবেশনে চাই সতর্কতা। বিয়েবাড়ির খাবারের তালিকায় থাকা সাদা পোলাও, খাসি বা গরুর রেজালা, মুরগির রোস্ট, জর্দা, বোরহানি বা দই ইত্যাদি পরিবেশন করি আমরা। এখন বিয়ের খাবারের মেন্যুতে চলে এসেছে খাসির কাচ্চি, মুরগির গ্রিল, ফিরনি, মাঠা বা লাবাং, সালাদ ইত্যাদি।' শওকত হোসেন বলেন, 'চাহিদা অনুযায়ী খাবারের তালিকা করে থাকি আমরা। এ জন্য প্লেটপ্রতি দামেরও কিছু পার্থক্য রয়েছে। খাবারের পদের ওপর প্রতি প্লেট ৪০০ থেকে ৭৫০ টাকার মতো দাম পড়ে। নান্না মিয়া বিরিয়ানি হাউস বিয়ের খাবারের জন্য নান্না মিয়া বিরিয়ানি হাউসের খাবার সারা দেশের মানুষের কাছে পরিচিত। নান্না মিয়া খাবারের ব্যবসা শুরু করেন পুরান ঢাকার মৌলভীবাজারে, প্রায় ৪৭ বছর আগে। এরপর ৪২ বেচারাম দেউড়ির গলির বর্তমান দোকানে ব্যবসা শুরু করেন, তা-ও প্রায় ২২ বছর হয়ে গেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে তাঁরা বিয়েতে খাবার সরবরাহ করে আসছেন। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক মো. এনাম বলেন, 'একসঙ্গে দুই থেকে তিনটি বিয়ের খাবারের অর্ডার নিতে পারি আমরা। আসল নান্না মিয়ার বিয়ের খাবার পেতে হলে আমাদের দোকানগুলো থেকে খাবার কিনতে হবে।' তিনি আরও বলেন, বিয়ের খাবারের অর্ডার দিতে হলে সরাসরি এসে কথা বলতে হবে। যদি খাবারের পরিমাণ বেশি হয়, তবে তিন থেকে চার দিন আগে অর্ডার দিতে হবে; আর যদি কম হয়, তবে এক থেকে দুই দিন আগে অর্ডার দিলেই হবে। মোরগ পোলাও, খাসির কাচ্চি, খাসির বিরিয়ানির প্যাকেজ রয়েছে। এর সঙ্গে কী কী উপকরণ থাকবে তার ওপর দাম নির্ভর করে। ঠিকানা: ৪২ বেচারাম দেউড়ি, বেগম বাজার কমিশনার কার্যালয়ে যেতে তিন রাস্তার মোড়ে। দেলোয়ার হোসেন ক্যাটারিং রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের সূচনা কমিউনিটি সেন্টারে দেলোয়ার হোসেন ক্যাটারিংয়ের অবস্থান। দেলোয়ার ক্যাটারিং সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিয়েতে কাচ্চি বা মোরগ পোলাও হলো মূল আইটেম। এর সঙ্গে চাহিদা অনুযায়ী উপকরণ সরবরাহ করা হয়। অনেক সময় নান রুটির সঙ্গে গরু বা খাসির কালো ভুনা থাকে। মাছের একটি পদও রাখেন অনেকে। আর সালাদ তো থাকবেই। বোরহানির পাশাপাশি এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে লাবাং ও মাঠা। খাবারের সঙ্গে তাই এই পদটি না হলে ঠিক জমেই না। বিয়ে যখন রেস্তোরাঁয় বর্তমানে রেস্তোরাঁয় ব্যুফে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন দেখা যায়। বিয়ের দাওয়াতে চীনা খাবারও চলেছে অনেক আগে থেকেই। ব্যুফে রেস্তোরাঁগুলোতে ৫০ থেকে ১০০ পদের খাবার থাকে। বুফেতে পছন্দমতো উপকরণ নিজের প্লেটে তুলে নিলেই হবে। ব্যুফে রেস্তোরাঁয় আলাদা কোনো ভেন্যু ভাড়া দিতে হয় না। খাবার জনপ্রতি ৫৫০ থেকে ২ হাজার টাকার মতো। এ ছাড়া চীনা খাবারের রেস্তোরাঁয় যদি বিয়ের অনুষ্ঠান করতে চান, তাহলে তাদের সঙ্গে আগেই মেন্যু নিয়ে আলাপ করে নিতে পারেন। অনেক রেস্তোরাঁয় খাবার ছাড়া আলাদাভাবে কোনো ভাড়া দিতে হয় না। এতে করে খরচ খানিকটা কমে আসবে। আরও কিছু ক্যাটারিং সার্ভিস ও বাবুর্চির ঠিকানা ফোর সিজনস রেস্টুরেন্ট: রোড-১৬ (নতুন), বাসা-৫৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ঢাকা। প্রিন্স রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি সেন্টার: প্রিন্স প্লাজা (নবম তলা), ৪/২ সোবহানবাগ, মিরপুর রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা। বিয়েবাড়ি: ৭ আজিজ সুপার মার্কেট, ১১তলা, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০। রাভেনাস ওয়ার্ল্ড : ৪৫/১ দিলু রোড, ইস্কাটন, ঢাকা। সালসা ক্যাটারিং সার্ভিস: বাড়ি ০৯, রোড-১০, সেক্টর-১, উত্তরা, ঢাকা। স্পাইস ক্যাটারিং: বাড়ি-১২, রোড-৩৩, গুলশান-১, ঢাকা। হোয়াইট হল ক্যাটারিং: বাড়ি-৫৩, রোড-০৪, সেক্টর-০৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা। বাবুর্চি বিরিয়ানি হাউস অ্যান্ড ক্যাটারিং সার্ভিস: ২৪৬ নিউ সার্কুলার রোড, মালিবাগ, মৌচাক, ঢাকা। যেকোনো অনুষ্ঠানে ক্যাটারিং সার্ভিসের জন্য ৬ ঘণ্টা আগে বুকিং দিতে হয়। বুকিংয়ের সময় ৭০ শতাংশ টাকা অগ্রিম দিতে হয়। বিয়ের বাড়ি ক্যাটারিং সার্ভিসে সর্বনিম্ন ৫০ জন এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার জন লোকের খাবার অর্ডার দেওয়া যায়। বাবুর্চি প্রতিটি কমিউনিটি সেন্টারের নিজস্ব বাবুর্চিকে দিয়ে আপনি রান্না করিয়ে নিতে পারেন। নিজের পরিচিত বাবুর্চিকে দিয়ে রান্নার কাজটা সারতে পারেন। কয়েকজন বাবুর্চির ফোন নম্বর- মো. সানু মিয়া বাবুর্চি: ০১৬১৩০০৭৭৭৪। শামসুল হক বাবুর্চি: ০১৮১৯২৬৮০২২। কিনা গাজি বাবুর্চি: ০১৭১৫৮২২৭৫০। রহিম বাবুর্চি: ০১৭১৬২৬০৬৬৬। ঈমান আলী বাবুর্চি: ০১৮১৯২১৩০৬৫। মো. জব্বার বাবুর্চি: ০১৭১১৫৩২৭৪৫। আবদুল জলিল বাবুর্চি: ০১৭১১৫২৭৫৭৫। সালাম বাবুর্চি: ০১৭১১৫২৩৫৬৫। | 4 |
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৪টি স্বর্ণের বারসহ মোট ৫.১৮০ কেজি স্বর্ণসহ এক যাত্রীকে আটক করেছে কাস্টম হাউস। মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসা ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটক আতাউর রহমান হবিগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। ঢাকা প্রিভেন্টিভ কাস্টমস হাউসের নজরদারি কর্মকর্তা মো. তরিকুল জানান, রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে শারজাহ থেকে এরাবিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট বিমানবন্দরে অবতরণ করে। তিনি জানান, খবর পেয়ে কাস্টমস হাউসের একটি দল বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেল দিয়ে যাওয়ার সময় আতাউরকে চ্যালেঞ্জ করে। পরে তার লাগেজ ও শরীর থেকে ৪৪টি স্বর্ণের বারসহ মোট ৫ দশমিক ১৮০ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করে। উদ্ধার স্বর্ণের আনুমানিক বাজার মূল্য তিন কোটি ৪০ লাখ টাকা। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। | 6 |
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে গত বছরের ২৬-২৮ মার্চ তিন দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর, আশুগঞ্জ ও সরাইলে ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়েছিল হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মী এবং তাদের অনুসারীরা। সহিংসতার এসব ঘটনায় ৫৬টি মামলা হয়েছিল। কিন্তু ঘটনার এক বছর পেরিয়ে গেলেও এসব মামলার কোনোটিতেই চার্জশিট দেয়নি পুলিশ। তদন্তও চলছে ধীরগতিতে।মামলাগুলোয় হেফাজতের কয়েকজন নেতা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। বর্তমানে তাঁরা জামিনে কারামুক্ত। এ অবস্থায় তাণ্ডবে জড়িত হেফাজতের নেতা-কর্মীদের বিচার হওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা।স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ ঢাকায় আসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর আগমনের বিরোধিতা করে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মী এবং অনুসারীরা ২৬, ২৭ ও ২৮ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও সদর মডেল থানার ২ নম্বর ফাঁড়ি, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, জেলা পরিষদ কার্যালয় ও ডাকবাংলো, পৌরসভা কার্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব ভবন, আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন ও সুরসম্রাট আলাউদ্দিন সংগীতাঙ্গন, সদর উপজেলা ভূমি অফিস ও জেলা গণগ্রন্থাগার, খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা এবং শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরসহ সরকারি-বেসরকারি বেশ কিছু স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। রামদা, রড, লাঠি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বিভিন্ন স্থানে চলে হামলা। আগুন দেওয়া হয় বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে। এ ছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকারের বাসা ও অফিস ভাঙচুর করা হয়। তাঁর শ্বশুরবাড়িতেও চালানো হয় হামলা। হামলা হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র নায়ার কবিরের বাসায়ও। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম রুবেল, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভনের বাড়িও হামলার শিকার হয়।তিন দিনের ওই তাণ্ডবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৬ জন নিহত হয় বলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া হেফাজতে ইসলামের নেতারা দাবি করেছিলেন। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ ব্যাপারে আজও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। এসব ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর মডেল থানায় ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় ৪টি, সরাইল থানায় ২টি ও আখাউড়া রেলওয়ে থানায় ১টিসহ মোট ৫৬টি মামলা হয়।জেলা পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, তাণ্ডবের ঘটনায় দায়ের হওয়া এসব মামলায় ৩৫ হাজারের বেশি মানুষকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে ৪১৪ জন এজাহারনামীয়, বাকি সবাই অজ্ঞাত। ঘটনার পর এজাহারনামীয় ৪৬ জন এবং সন্দেহভাজন ৭১২ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর মধ্যে হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বস্থানীয় কয়েকজন নেতাও ছিলেন। তবে তাঁদের সবাই এখন জামিনে আছেন। বর্তমানে কারাগারে আছেন ১২০ জন।৫৬ মামলার মধ্যে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ১০টি, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ৯টি, জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) ৪টি, সদর মডেল থানা পুলিশ ২৭টি, আশুগঞ্জ থানা ৩টি ও সরাইল থানা-পুলিশ ২টি এবং আখাউড়া রেলওয়ে থানা-পুলিশ একটি মামলা তদন্ত করছে। তবে তাণ্ডবের এক বছরেও কোনো মামলারই তদন্তকাজ শেষ করতে পারেননি তদন্ত কর্মকর্তারা। অধিকাংশ মামলার বাদীর সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তার কোনো যোগাযোগ নেই। ফলে মামলার অগ্রগতি সম্পর্কেও জানতে পারছেন না বাদীরা।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, কয়েকটি ছাড়া বাকি সব মামলার বাদী পুলিশ। পুলিশের হাতে থাকা মামলাগুলো গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত করা হচ্ছে। আরও অনেক আসামি গ্রেপ্তারের বাকি আছে। গ্রেপ্তার অভিযানও চলমান রয়েছে।পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, 'আমাদের তদন্তের কাজ শেষ পর্যায়ে। দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে।'ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ এমন ঘটনা আর দেখতে চায় না। জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহ্বায়ক আব্দুন নূর বলেন, '২০১৬ সালেও এক মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় শহরজুড়ে তাণ্ডব চালানো হয়েছিল। একই বছর নাসিরনগরে হিন্দুপল্লিতে হামলা হয়। ওই দুই ঘটনায় জড়িতদের বিচার হলে তাণ্ডবের পুনরাবৃত্তি হতো না। আলোচিত এসব ঘটনার বিচার নিয়ে আমরা শঙ্কিত। আমরা চাই দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। তাহলেই আর এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে না।'জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাজিদুর রহমান বলেন, তাণ্ডব না করার মতো অবস্থা সরকার এখনো সৃষ্টি করেনি। তারা দিন দিন বিকশিত হচ্ছে, আবার এ ধরনের তাণ্ডব ঘটাতে পারে। | 6 |
আবারও জাতীয় পার্টিতে (জাপা) জি এম কাদের ও রওশন এরশাদের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। আজ বুধবার হঠাৎ করেই দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ ছেলে সাদ এরশাদসহ ১৬ জন নেতাকে পদোন্নতি দিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছেন।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রওশন এরশাদ বলেছেন, সম্মেলনে অর্পিত দায়িত্ব ও প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করার স্বার্থে এই পদায়ন করা হলো। এদিকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের কার্যালয়ে বিবৃতিতে এ পদোন্নতিকে বিভ্রান্তিকর আখ্যা দিয়ে তা প্রচার না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। রওশন এরশাদ তাঁর ছেলে রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ ও দলের পুরোনো নেতা এম এ ছাত্তারকে কো-চেয়ারম্যান করেন। এ ছাড়া ১১ জনকে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ প্রেসিডিয়ামে অন্তর্ভুক্ত করেন। তাঁরা হলেন দেলোয়ার হোসেন খান, খালেদ আখতার, ইকবাল হোসেন (রাজু), নূরে হাসনা লিলি চৌধুরী, রওশন আরা মান্নান, ফকরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, কাজী মামুন, মাহজাবিন মুর্শেদ, নুরুল ইসলাম (নুরু), নুরুল ইসলাম (ওমর) ও আরিফুর রহমান খান। এর বাইরে আমানত হোসেন ও মো. ইয়াহিয়াকে ভাইস চেয়ারম্যান এবং জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া ও মো. রেজাউল করিমকে যুগ্ম মহাসচিব নিযুক্ত করা হয়। এই মনোনয়ন ও সাংগঠনিক নির্দেশ অনতিবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাপার মহাসচিব মসিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, পার্টির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রধান পৃষ্ঠপোষক (রওশন এরশাদ) এমন কিছু করতে পারেন না। গত ২৮ ডিসেম্বর জাপার কেন্দ্রীয় সম্মেলনের পর ৮ জন কো-চেয়ারম্যান ও ৩৭ জন প্রেসিডিয়াম সদস্যের নাম ঘোষণা করা হয়। তাতে রওশনের তালিকায় থাকা নেতাদের নাম ছিল না। জাতীয় পার্টির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, কাউকে না জানিয়ে হঠাৎ করে রওশন এরশাদের এই পদোন্নতি দেওয়ার ঘটনায় জ্যেষ্ঠ নেতারা ভড়কে গেছেন। তাঁরা মনে করছেন, রওশন এরশাদ ও জি এম কাদেরকে ঘিরে দলে ভেতরে যে দুটি পক্ষ তৎপর, এ ঘটনা তারই বহিঃপ্রকাশ। দলের নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব নিয়ে কাদের ও রওশনের মধ্যে যে বিরোধ চলছে, তা এখনো মেটেনি। এবারের সম্মেলনে জি এম কাদের চেয়ারম্যান ও রওশন এরশাদকে প্রধান পৃষ্ঠপোষক করা হয়। অনেকে মনে করছেন, রওশনকে প্রধান পৃষ্ঠপোষক পদে অধিষ্ঠিত করে কার্যত দলের কর্তৃত্ব থেকে তাঁকে কৌশলে দূর সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে পদবঞ্চিত নেতারা রওশনের পক্ষ নিয়ে তৎপর হয়েছেন। ১৬ নেতাকে পদোন্নতি দিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো রওশন এরশাদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বিষয়টি জাপার চেয়ারম্যান জানতেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব মসিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, 'বিজ্ঞপ্তিটি আমাকে দিয়েছিলেন। আমি চেয়ারম্যানের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। তিনি রেখে দিয়েছেন।' মসিউর রহমান বলেন, পার্টির চেয়ারম্যান, কো-চেয়ারম্যান, প্রধান পৃষ্ঠপোষকসহ প্রেসিডিয়ামের সদস্যরা আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। এ পদোন্নতিকে বিভ্রান্তিকর, প্রচার না করার অনুরোধ জাপা চেয়ারম্যানেরএদিকে সন্ধ্যায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে বিবৃতি পাঠিয়ে এ পদোন্নতিকে বিভ্রান্তিকর আখ্যা দিয়ে তা প্রচার না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, এভাবে কোনো নিয়োগ দেওয়ার এখতিয়ার প্রধান পৃষ্ঠপোষকের নেই। জাতীয় পার্টির নবম কাউন্সিলের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত মোতাবেক পার্টির বিভিন্ন পদে নিয়োগ প্রদানের ক্ষমতা একমাত্র পার্টি চেয়ারম্যানের, অন্য কারও নেই। বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মী এবং জনসাধারণকে বিভ্রান্ত না হতে অনুরোধ জানানো হয়। | 9 |
আপিল না করলে শাস্তিটা তিনি পেতেন। হতেন তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ। কিন্তু না। আপাতত বল টেম্পারিংয়ের শাস্তি হিসেবে জরিমানায় পার পেয়ে গেছেন সিলেন সাইনরাইজার্সের অধিনায়ক রবি বোপারা। বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, শুনানির পর বিপিএলের টেকনিক্যাল কমিটি তাকে ম্যাচ ফি'র ৭৫ শতাংশ জরিমানা করেছে। সাথে তার নামের পাশে যুক্ত হয়েছে তিনটি ডিমেরিট পয়েন্ট। টুর্নামেন্টে আর একটি ডিমেরিট পয়েন্ট পেলে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হবেন বোপারা। বিপিএলে চার ডিমেরিট পয়েন্ট সমান এক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা। গত সোমবার খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ম্যাচের নবম ওভারে বল টেম্পারিংয়ের কাণ্ড ঘটান বোপারা। টিভি পর্দায় স্পষ্ট ধরা পড়ে, নখ দিয়ে বল খুঁটছেন তিনি। আম্পায়ারদেরও চোখ এড়ায়নি তা। ওভারের তৃতীয় ডেলিভারির পর বল পরখ করে দেখেন তারা। আকৃতি পরিবর্তন হওয়ায় তাৎক্ষণিক বদলে ফেলা হয় বল। পাশাপাশি ৫ রান যোগ করা হয় প্রতিপক্ষের স্কোরে। আচরণবিধি ভঙের এই ঘটনায় বোপারাকে তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেন ম্যাচ রেফারি দেবব্রত। মঙ্গলবারের আপিল শুনানিতে তা পাল্টে যায়। | 12 |
বড় আশা নিয়েই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই আশার সমাধি হয়েছে সুপার টুয়েলভে টানা তিন হারে। এর মধ্যে অন্তত দুটি ম্যাচে জয়ের পথেই ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু কখনো দৃষ্টিকটু আউট, কখনো বাজে ফিল্ডিং, কখনো আবার শেষের বাজে বোলিংয়ে পথ হারিয়েছে মাহমুদউল্লাহর দল।মুশির একই ভুল৪০ বলে দরকার ৫২ রান। হাতে তখনো সাতটি উইকেট। টি-টোয়েন্টিতে কী আর এমন লক্ষ্য! দেখেশুনে খেললেই তো জয়টা হাতের মুঠোয় ভরা যায়। কিন্তু সেই সহজ লক্ষ্যটিই কঠিন করে দিলেন মুশফিকুর রহিম। রবি রামপালের নিরীহ একটি ডেলিভারিতে স্কুপ করতে গিয়ে উপহার দিলেন উইকেট। বাংলাদেশের সম্ভাবনার অপমৃত্যুও সেখানে।শুধু এই ম্যাচে নয়, আগের ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও মুশফিক 'আত্মাহুতি' দিয়েছিলেন রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে। বাংলাদেশের জন্য মলিন হয়ে থাকা এই বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ তো বটেই, সবার চেয়ে বেশি রান এসেছে মুশফিকের ব্যাট থেকেই। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দৃষ্টিকটুভাবে আউট হয়ে সবচেয়ে বেশি সমালোচনাও সইতে হচ্ছে অভিজ্ঞ ব্যাটারকে।মুশফিকের শট নির্বাচনে দক্ষতা ও অপরিকল্পনার ছাপ দেখতে পাচ্ছেন তাঁর ছোটবেলার গুরু নাজমুল আবেদীন ফাহিমও। এই ক্রিকেট বিশ্লেষক গতকাল আজকের পত্রিকাকে বললেন, 'স্কুপ শট খেলতে গেলে উইকেটের কন্ডিশন সম্পর্কে আগে জানাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা বলে একটু বাউন্স থাকলে এই শটটা ভালো খেলা যায়। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আমরা যে উইকেটে খেলছি, সেখানে তেমন একটা বাউন্স ছিল না। ওর হাতে কিন্তু অনেক শট আছে। এত দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ শট খেলতে যাওয়াটা উচিত হয়নি।'ব্যয়বহুল ফিজশুরুতে মোস্তাফিজুর রহমান দুর্দান্ত বোলিং করলেও শেষে এসে যেন হয়ে পড়ছেন 'পাড়ার বোলার'। একসময়ে ব্যাটারদের রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়া এই বোলারকে শেষের দিকে পেলে যেন হাসি ফোটে ব্যাটারদের মুখে। ফিজকে ছক্কা মারাটা এতটাই সহজ হয়ে গেছে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটাররা শেষ ওভারেই মেরেছেন তিনটি। শুধু এই ম্যাচ নয়, ফিজ পুরো টুর্নামেন্টেই শেষ দিকে এসে একের পর এক ছক্কা খাচ্ছেন। তাতে হয়ে গেছে এক লজ্জার রেকর্ডও। এই বিশ্বকাপে এর মধ্যেই ১০টা ছক্কা দিয়ে ফেলেছেন বাঁহাতি পেসার।ডেথ ওভারে বাজে বোলিংয়ের জন্য জাতীয় দলের সাবেক কোচ সরোয়ার ইমরান দুষছেন অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড সিরিজের উইকেটকে। তিনি বলেন, 'এই দুটি সিরিজে যে উইকেটে খেলা হয়েছে, সেখানে মোস্তাফিজকে কোনো পরীক্ষা দিতে হয়নি। কিন্তু এখানে (বিশ্বকাপ) যখন যে ধরনের বল করা উচিত, সে ধরনের বল করতে পারছে না। অনেক বেশি ফুলটস ও হাফ ভলি করছে। কাটার ধরছে না। সে কারণে সে ভালোও করতে পারছে না।'ফিল্ডারদের পিচ্ছিল হাতঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত ফিল্ডিং করেছিল বাংলাদেশ দল। কিন্তু বিশ্বকাপে যেতেই যেন ক্যাচ ধরা ভুলে গেছেন লিটন-আফিফের মতো দুর্দান্ত ফিল্ডাররাও। শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তো বলতে গেলে 'মাখন মাখানো হাত' নিয়েই নেমেছিলেন ফিল্ডাররা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিনটা ক্যাচ মিস করেছেন আফিফ, মেহেদীরা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুটি সহজ ক্যাচ হাতছাড়া করেছেন লিটন। ফিল্ডিং মিস তো হচ্ছে প্রায় সময়ই। তাতে হাতছাড়া হচ্ছে জেতা ম্যাচও।বাংলাদেশের ক্রিকেটে দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের আমদানি যাঁর হাত ধরে, সেই আফতাব আহমেদ বুঝতে পারছেন না কেন এমন হচ্ছে। সাবেক এই ক্রিকেটার বললেন, 'এখন আমাদের ফিল্ডিং কোচ যিনি আছেন, তিনি দলের সঙ্গে যুক্ত কয়েক বছর ধরে। এরপরও ফিল্ডিংয়ের কোনো উন্নতি হচ্ছে না? ক্রিকেটাররা কি আলাদা করে ফিল্ডিং অনুশীলন করে না, না কোচ অনুশীলন করান না? বুঝে উঠতে পারছি না। এমন গরিবি ফিল্ডিং দিয়ে বিশ্বকাপে ম্যাচ জেতা খুবই কঠিন।'পাওয়ার প্লেতে মন্থর ব্যাটিংবলা হয়ে থাকে ওপেনাররা ইনিংসের সুর বেঁধে দেন। কিন্তু বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অবস্থা দাঁড়িয়েছে উল্টো। শুরুতেই ওপেনার ব্যাটাররা প্যাভিলিয়নে ফিরে অন্যদের ওপর চাপ বাড়িয়ে দেওয়ার কাজটাই করে যাচ্ছেন নিয়মিত।কি করলে পাওয়ার প্লে'র ঠিকঠাক ব্যবহার করা যাবে সেটি জানিয়েছেন বিসিবির নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন, 'ঘরোয়া ক্রিকেটে উইকেটের উন্নতি করতে হবে। যেখানে ১৮০-২০০ রান তাড়া করতে হবে নিয়মিত। আমরা কিন্তু এমন উইকেট খুব বেশি পাই না। যার জন্য আমরা পাওয়ার হিটার তৈরি করতে পারছি না। সে জন্য পাওয়ার প্লের ব্যবহারও ঠিকঠাক হচ্ছে না।' | 12 |
গত ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আরও ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা এই হাসপাতালে এক দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। শুক্রবার (৬ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মমেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. মহিউদ্দিন খান মুন। এদের মধ্যে ১৬ জন করোনায় এবং ১৪ জন উপসর্গ নিয়ে মারা যান। তিনি জানান, মৃতদের মধ্যে ময়মনসিংহের ৫জন, নেত্রকোনার ৬জন, টাঙ্গাইলের ২জন, জামালপুরের ২জন এবং গাজীপুরের ১জন ছিলেন । এছাড়া এ সময়ের মধ্যে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন, ময়মনসিংহের ৭জন, জামালপুরের ২জন, নেত্রকোনার ৩জন, শেরপুর ও সুনামগঞ্জের ১জন। ডা. মহিউদ্দিন খান মুন আরও জানান, করোনা ইউনিটে বর্তমানে ৫২৫ জন রোগী ভর্তি আছেন। এর মধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন ২৩ জন রোগী। নতুন ভর্তি হয়েছেন ৫১ জন ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৭ জন। ময়মনসিংহ জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৭১১টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪০২ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া গেছে। | 6 |
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না করোনামুক্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে আইইডিসিআরের আরটিপিসিআর পরীক্ষায় কোভিড-১৯ নেগেটিভ আসে ডাকসু'র এই সাবেক দুইবারের ভিপির। বিষয়টি নয়া দিগন্তকে নিশ্চিত করেছেন নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় সদস্য সাকিব আনোয়ার। উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল মাহমুদুর রহমানের করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। এরপর থেকে তিনি তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা: শোয়েব মুহাম্মদ এবং বক্ষ ও অ্যাজমা বিশেষজ্ঞ ডা: রাশেদুল হাসানের তত্ত্বাবধানে বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা নেন। শারীরিক দুর্বলতা থাকলেও বর্তমানে সুস্থ আছেন তিনি। | 9 |
বিভিন্ন দেশ ঘুরে টি২০ বিশ্বকাপের ট্রফি ফিরেছে ভারতে। ধর্মশালা, মোহালী, দিল্লি, কলকাতা, নাগপুর, চেন্নাই, ব্যাঙ্গালুরু হয়ে ট্রফি যাবে মুম্বাই।
বৃহস্পতিবার বিশ্বকাপ ট্রফি যায় ভারতের রাজধানী দিল্লিতে। ট্রফি প্রচারের অংশ হিসেবে পিছিয়ে পড়া শিশুদের সাথে কিছুক্ষণ সময় কাটান যুবরাজ সিং ও এবারের আইপিএল ও বিশ্বকাপ চমক পবন নেগি।
এ সময় তারা শিশুদের স্যানিটেশনের গুরুত্ব ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দেন।
গত বছরের ১৫ অক্টোবর শুরু হয়ে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর বিভিন্ন শহরে বিশ্বকাপে ট্রফি প্রদর্শন করে ট্রফি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিশান। আগামী ৮ মার্চ ভারতে শুরু হচ্ছে টি২০ বিশ্বকাপ। ৩ এপ্রিল কলকাতায় ফাইনাল ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপের পর্দা নামবে। সূত্র : আইবিএন লাইভ
| 12 |
কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য শাহীন আক্তারের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তিনি ওই আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদির স্ত্রী। কয়েক দিন ধরে অসুস্থ বোধ করায় এমপি শাহীন আক্তার গত ৩০ মার্চ করোনার নমুনা পরীক্ষা দেন। পরের দিন তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শনিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন এমপি শাহীন আক্তারের ছোট ভাই উখিয়ার রাজাপালং ইউপি চেয়ারম্যান ও উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী। বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন | 4 |
করোনা চিকিৎসায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেওয়া একই ওষুধ পেয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত আইনজীবী রুডি জুলিয়ানি। তাঁর ভাষ্যের বরাতে বুধবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়। করোনায় সংক্রমিত হয়ে গত রোববার হাসপাতালে ভর্তি হন জুলিয়ানি। ওয়াশিংটন ডিসির একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে করোনার চিকিৎসা নেন তিনি। ৭৬ বছর বয়সী জুলিয়ানি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফোনকলের মাধ্যমে স্থানীয় সময় বুধবার সকালে একটি রেডিও শোতে অংশ নেন। জুলিয়ানি শোতে বলেন, তিনি এ দিনই (বুধবার) হাসপাতাল ছাড়তে পারবেন বলে আশা করছেন। বুধবার বিকেলে জুলিয়ানি হাসপাতাল ছাড়েন বলে সিএনএন জানায়। রেডিও শোতে জুলিয়ানি বলেন, করোনার চিকিৎসায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ওষুধের যে ককটেল দেওয়া হয়েছিল, তাঁকেও তা দেওয়া হয়েছে। জুলিয়ানি রেডিও শোতে জানান, তাঁকে রেমডেসিভির ও ডেক্সামেথাসন দেওয়া হয়েছে। রেডিও শোতে জুলিয়ানি বলেন, 'আমি ভালো আছি। প্রায় সব উপসর্গ চলে গেছে। ককটেলটি নেওয়ার পরমুহূর্তে আমি ১০০ শতাংশ ভালো বোধ করেছি। এটা খুব দ্রুত কাজ করে। ওয়াও।' জুলিয়ানি আরও বলেন, ওষুধ নেওয়ার পর মনে হয়েছে, তাঁর বয়স ১০ বছর কমে গেছে। ট্রাম্পের নির্বাচনসংক্রান্ত ভুয়া মামলা নিয়ে দৌড়ঝাঁপ করার মধ্যে আইনজীবী রুডি জুলিয়ানি করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হন। ৬ ডিসেম্বর বিকেলে ট্রাম্প টুইট করে জুলিয়ানির সংক্রমিত হওয়ার কথা জানান। ট্রাম্প নিজেও করোনায় সংক্রমিত হয়েছিলেন। করোনায় সংক্রমিত হয়ে গত অক্টোবরে তিনি তিন রাত হাসপাতালে কাটান। সে সময় সিএনএন জানায়, হাসপাতালে ভর্তির আগে ট্রাম্পকে রেজেনেরন ফার্মাসিউটিক্যালের একটি পরীক্ষামূলক অ্যান্টিবডি থেরাপি দেওয়া হয়েছিল। জরুরি ভিত্তিতে এই থেরাপি ব্যবহারের অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও তখন ট্রাম্পকে তা দেওয়া হয়। ট্রাম্পকে অ্যান্টিবডি থেরাপির পাশাপাশি রেমডেসিভির ও ডেক্সামেথাসনও দেওয়া হয়েছিল। | 3 |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.