content stringlengths 0 129k |
|---|
__ গল্পকথার মতো অনেকেই বিশ্বাস করতে নাও পারেন |
বাড়ির বাইরে এসে আমি যা দেখেছিলাম তা নিজের চোখেই বিশ্বাস হচ্ছিল না |
__ কাকিমার প্রতিচ্ছবি বলব না কি প্রতিরূপ না কি প্রতিকৃতি |
সেইরকম দেখতে একটা ছায়ামূর্তি আমার আসার অপেক্ষাতেই ছিল বোধহয় |
আমাকে দেখে একইরকম মুচকি হাসি হেসে বলল, |
- "বলেছিলাম না রক্তিমের তোমাকে দরকার" |
-"ওর পাশে থেকো, তিথি" |
-"ওকে বোলো, ওটা ছিল অকস্মাৎ মৃত্যু " |
- "নিজেকে দায়ি না করে, বোঝা যেন না বাড়ায়" |
__ আস্তে আস্তে মিলিয়ে যাচ্ছে সেই ছায়াময় অবয়ব টা |
দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তরও আমাকে দিয়ে গেছে, আমার সহযাত্রী |
__ ফিরে আসি রক্তিমের কাছে |
__ বন্ধুর অসময়ে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিই |
__ এরপর থেকে সপ্তাহান্তে রক্তিমের বাড়ি আসতাম |
ও ক্রমে নর্মাল জগতে ফিরে যাচ্ছে |
ও যাতে আবারও দু'পা এ ভর করে হাঁটতে পারে কাকু তার জন্য কৃত্রিম পা এর ব্যবস্থা করেছেন |
চাকুরির প্রস্তুতি চলছে আমাদের জোরকদমে |
___ রাতের ট্রেনে এলে আমার সহযাত্রীটির সাথে সাক্ষাৎ হয় প্রায়ই |
ইহজাগতিক খবরাখবর ওনাকে প্রদান করি |
বিশেষত রক্তিমের |
__ সেদিন বৃষ্টির রাতের একমাত্র সাক্ষী রিক্সা ওয়ালার সাথে বেশ সখ্যতা হয়েছে আমার |
হঠাৎই একদিন কি মনে করে প্রশ্ন করে ফেলি, |
- "দাদা, তুমি সেই ঝড় বৃষ্টির রাতে কাউকে দেখেছিলে আমার সাথে"? |
___ রিক্সাওয়ালার উত্তরে বিশেষ চমকের কিছুই ছিল না |
সব কিছুই কাঁচের মতো স্বচ্ছ ছিল আমার কাছে |
তবুও জানতে ইচ্ছে করায় প্রশ্ন করি |
উত্তর টা স্বাভাবিক ভাবেই 'না' আসে |
আজ বুঝলাম, ওঁর বারবার পেছন ফিরে তাকানোর কথা |
অভিযোগ গ্রহণ ও নিস্পত্তি সংক্রান্ত কার্যক্রম গ্রহণ ও হালনাগাদ তথ্যাদি মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে প্রেরণ সংক্রান্ত পত্র |
স্পোর্টস ডেস্কঃ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনালের আগুনে ঘি ঢাললেন প্যারাগুয়ের সাবেক গোলরক্ষক হোসে লুইস চিলাভার্ট গঞ্জালেস |
মারাকানার ফাইনালে নামার পর লিওনেল মেসিদের তিনি এই বলে সতর্ক করছেন যে 'এ ম্যাচে শুধু ব্রাজিলকে হারালেই হবে না, হারাতে হবে নেইমার, ভিএআর আর রেফারিকেও |
আর্জেন্টিনার একটি রেডিওতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্যারাগুয়ের সাবেক তারকা গোলরক্ষক স্পষ্টই বলেছেন, 'কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্দেহ হলেই রেফারি সুবিধা দেবে স্বাগতিকদের |
এবারের কোপায় রেফারিং নিয়ে বিতর্ক হয়েছে |
কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের কাছে হারের পর চিলির আর্তুরো ভিদাল রেফারিকে ব্যঙ্গ করেছিলেন |
প্যারাগুয়ে-পেরু কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচেও প্রশ্ন মুখে পড়তে হয়েছিল রেফারিদের |
তাছাড়া গ্রুপপর্বে ব্রাজিলের বিপক্ষে কলম্বিয়াও পক্ষাপাতী রেফারিংয়ের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ আছে |
২০১৯ কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে ব্রাজিলের কাছে হারের পর রেফারিংয়ের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন লিওনেল মেসি |
অভিযোগ করেছিলেন, ব্রাজিলকে সুবিধা পাইয়ে দেয়ার জন্য অন্তত দুটি পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে তাদের |
যা নিয়ে ফুটবলবিশ্বে তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল |
লাতিন আমেরিকার ফুটবলের নিয়ামক সংস্থাকে (কনমেবল) সরকারিভাবে অভিযোগপত্রও পাঠিয়েছিল আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশন (এফএ) |
আদালত ডেস্কঃ কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত মেজর (অব.) সিনহা হত্যা মামলার চলমান বিচারকার্যের ৬ষ্ঠ দফার শেষদিনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে |
বুধবার (২৭ অক্টোবর) সোয়া ১০টার দিকে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ্কে দিয়ে শেষ দিনের সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয় |
তিনি আসামি রাজিব হোসেন এর ১৬৪ ধারার জবানবন্দি রেকর্ড করেছিলেন |
তিনি ছাড়াও আসামি আবদুল্লাহ আল মামুন, এসআই শাহজাহন আলী, ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীর জবানবন্দি রেকর্ডকারি অপর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. দেলোয়ার হোসেন শামীমসহ ৬জন সাক্ষীর হাজিরা দিয়েছে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম |
গত ২৫ অক্টোবর ৬ষ্ঠ দফার তিনদিনের সাক্ষীর কার্যক্রম শুরু হয় |
গত দু'দিনে ২২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয় |
কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে ওসি প্রদীপ কুমারসহ ১৫ আসামিকে আদালতে আনা হয়েছে |
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম বলেন, মামলায় মোট ৮৩ জন সাক্ষীর মাঝে পঞ্চম দফায় ৩৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয় |
৬ষ্ট দফার তিনদিনের প্রথম দুদিনে ২২ জনসহ সাক্ষ্য শেষ হয় ৫৭ জনের |
শেষদিনে গুরুত্বপূর্ণ ৬জনের হাজিরা দেয়া হয়েছে |
সবার সাক্ষ্য নেয়া সম্ভব হলে ৬৩ সাক্ষীর সাক্ষ্য নেয়া সম্পন্ন হবে |
পিপি বলেন, চাঞ্চল্যকর এ মামলাটি দ্রুত সম্পন্ন করতে আমাদের প্রচেষ্টা থাকলেও আসামি পক্ষ সবসময় তাতে ব্যাঘাতের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন |
সবার সহযোগিতা পেলে মামলার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা সম্ভব বলে উল্লেখ করেন পিপি |
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান |
তার সঙ্গে থাকা সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে পুলিশ গ্রেফতার করে |
এরপর সিনহা যেখানে ছিলেন, সেই নীলিমা রিসোর্টে ঢুকে তার ভিডিও দলের দুই সদস্য শিপ্রা দেবনাথ ও তাহসিন রিফাত নুরকে আটক করে |
পরে তাহসিনকে ছেড়ে দিলেও শিপ্রা ও সিফাতকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ |
এই দুজন পরে জামিনে মুক্তি পান |
সিনহা হত্যার ঘটনায় মোট চারটি মামলা হয় |
ঘটনার পরপরই পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি মামলা করে |
এর মধ্যে দুটি মামলা হয় টেকনাফ থানায়, একটি রামু থানায় |
ঘটনার পাঁচ দিন পর অর্থাৎ ৫ আগস্ট কক্সবাজার আদালতে টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস |
চারটি মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় র্যাব |
ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা ও র্যাব-১৫ কক্সবাজারের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. খায়রুল ইসলাম |
অভিযোগপত্রে সিনহা হত্যাকাণ্ডকে একটি 'পরিকল্পিত ঘটনা' হিসেবে উল্লেখ করা হয় |
অভিযুক্ত আসামিদের মধ্যে পুলিশের ৯ সদস্যরা হলেন, বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী, কনস্টেল রুবেল শর্মা, এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুল করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া ও কনস্টেবল সাগর দেব নাথ |
অপর আসামিরা হলেন, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সদস্য এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজিব ও মো. আব্দুল্লাহ এবং টেকনাফের বাহারছড়ার মারিষবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও পুলিশের করা মামলার সাক্ষী নুরুল আমিন, মো. নিজাম উদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন |
আসামিদের ১২ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন |
তবে ওসি প্রদীপ, কনস্টেবল রুবেল শর্মা ও সাগর দেব আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি |
এর আগে আসামিদের তিন দফায় ১২ থেকে ১৫ দিন রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল |
গত ২৭ জুন ওসি প্রদীপসহ ১৫ আসামির বিরুদ্ধে মামলাটির বিচারের জন্য অভিযোগ গঠন করা হয় |
এরপর গত ২৩ আগস্ট থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত প্রথম দফায় টানা তিনদিনে মামলার বাদী ও সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস এবং প্রত্যক্ষদর্শী সাহেদুল ইসলাম সিফাতের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছিল |
এরপর ৬ষ্ট দফায় সাক্ষ্য চলছে |
যে সমুদ্র সৈকতে সারা বছর পর্যটকদের ভিড় লেগে থাকত |
যে সমুদ্র সৈকত নিয়ে হলিউডে একটা আস্ত সিনেমা হয়ে গেছে |
সেই সমুদ্র সৈকত ২০২১ সাল পর্যন্ত জনসাধারণের জন্য বন্ধ থাকবে বলে জানিয়ে দিল প্রশাসন |
অথচ এই বিচে সারাবছরই বিদেশি পর্যটকেরা ভিড় করে আসতেন |
ফলে এখানকার অর্থনীতি বিকশিত হত |
স্থানীয়রা রোজগার করার সুযোগ পেতেন |
সেই অতি জনপ্রিয় থাইল্যান্ডের ফি ফি লেহ দ্বীপের মায়া বে বিচ বন্ধ করে দিল প্রশাসন |
গত বছরই বন্ধ করা হয় বিচটি |
এবার জানিয়ে দেওয়া হল তা বন্ধ থাকবে ২০২১ সাল পর্যন্ত |
অর্থনৈতিক দিকের কথা ভুলে সেখানকার প্রশাসন কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল ? থাই প্রশাসনের কথায় প্রতিদিন মায়া বে বিচে প্রায় ৫ হাজার পর্যটক ভিড় জমাতেন |
ফলে সেখানকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছিল |
প্রবল ক্ষতি হচ্ছিল প্রবালের |
বহু প্রবাল মরে যাচ্ছিল |
ফলে সেখানকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করতেই এই সিদ্ধান্ত |
আপাতত ২০২১ সাল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এই বিচ |
যা থাইল্যান্ডে ঘুরতে আসা বহু বিদেশি পর্যটকেরই অন্যতম গন্তব্য ছিল |
২০০০ সালে একটি হলিউড সিনেমা 'দ্যা বিচ' সিনেমার শ্যুটিং হয় এই মায়া বিচেই |
অসীম নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরা এই বিচের চারধার উঁচু উঁচু সবুজ পাহাড়ে ঘেরা |
নীল আকাশের নিচে সাদা বালির তট |
আর নীলচে সবুজ সমুদ্রের জল |
সব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর এক স্বর্গীয় পরিবেশ |
সেই 'মায়া' বিচের মায়া আপাতত ৩ বছর ত্যাগ করতে হবে পর্যটকদের |
# |
05, 2019 |
! |
: |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.