content stringlengths 0 129k |
|---|
রাষ্ট্রায়ত্ত ইউএমসি জুট মিলে ১১ কোটি ৭২ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮ টাকার আর্থিক ক্ষতি পেয়েছে বাণিজ্যিক নিরীক্ষা অধিদপ্তর |
অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, পাট বিভাগীয় প্রধান এস এ এইচ মনোয়ার আলী, চুরমুগুরিয়া কেন্দ্রের ইনচার্জ মোজাম্মেল হক, কামারপাড়া কেন্দ্রের ইনচার্জ নুরুল ইসলাম এবং মিলের গোডাউন ইনচার্জ আরিফুল চালান জালিয়াতি করেছেন |
বিভিন্ন পাট সরবরাহকারীর বিল পরিশোধ না করে তারা আত্মসাৎ করেছেন ২ কোটি ২৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩৯২ টাকা |
মিলে শ্রমিক হাজিরার বিপরীতে অতিরিক্ত শ্রমিকের মজুরি শোধ করায় ক্ষতি ৭৩ লাখ ৬৮ হাজার ৮০০ টাকা |
এ ছাড়া চালু তাঁতের বিপরীতে মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে বাজেট বরাদ্দ অপেক্ষা অতিরিক্ত ব্যয় করার ফলে প্রতিষ্ঠানের অনিয়মিত ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৮৭৮ টাকা |
বিজেএমসি নির্ধারিত হার অপেক্ষা অতিরিক্ত হারে বেলিং বাকেলস খরচ দেখানোর ফলে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৫ লাখ ৮ হাজার ১৪৮ টাকা |
জুটো ফাইবার গ্লাস ইন্ডাস্টিজে অনিয়ম |
রাষ্ট্রায়ত্ত জুটো ফাইবার গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজে ১ কোটি ৪০ লাখ ৮৩ হাজার ১২১ টাকার আর্থিক ক্ষতি পেয়েছে বাণিজ্যিক নিরীক্ষা অধিদপ্তর |
ট্রেড ডেবটরস এবং অন্যান্য অগ্রিম বাবদ অর্থ দীর্ঘদিন অনাদায়ী অবস্থায় পড়ে থাকায় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৮৫ লাখ ৮১ হাজার ৩০৭ টাকা |
বিভিন্ন অগ্রিম দীর্ঘদিন অনাদায়ী অবস্থায় পড়ে থাকায় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৫৫ লাখ ১ হাজার ৮১৪ টাকা |
করিম জুট মিলে আর্থিক ক্ষতি |
রাষ্ট্রায়ত্ত করিম জুট মিলস লিমিটেডে ২ কোটি ৮১ লাখ ২ হাজার ৭৯৮ টাকার আর্থিক ক্ষতি পেয়েছে বাণিজ্যিক নিরীক্ষা অধিদপ্তর |
করিম জুট মিলে তিনটি পুকুর বা জলাশয় লিজ দিয়ে ভ্যাট না কাটায় সরকারের ক্ষতি ৩ লাখ ৬০ হাজার ১৫০ টাকা |
কলতাপাড়া পাট ক্রয়কেন্দ্রের কেনা পাটের পরিমাণের চেয়ে কম পরিমাণ পাট মিলে গ্রহণ করায় হিসাবের গরমিল ৯৭ লাখ ৫৩ হাজার ৬১৫ টাকা |
প্রাপ্যর অতিরিক্ত হারে বেলিং হুপস ও বেলিং বাকেলস খরচ করায় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৭৩ হাজার ৪৩২ টাকা |
সরবরাহকারী ও বিবিধ বিল থেকে কেটে নেয়া উৎসে আয়কর সরকারি কোষাগারে জমা না করায় রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে ২৭ লাখ ৮৮ হাজার ৫ টাকা |
অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত হারে অধিকাল ভাতা দেয়ায় ক্ষতি হয়েছে ৩৯ লাখ ৮ হাজার ২৭ টাকা |
এ ছাড়া শ্রমিক হাজিরায় অনুমোদনহীন কর্মচারী নিয়োজিত করায় নিরীক্ষা বর্ষেই প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হয়েছে ১ কোটি ১২ লাখ ১৯ হাজার ৫৬৯ টাকা |
স্টার জুট মিলে আর্থিক ক্ষতি |
রাষ্ট্রায়ত্ত স্টার জুট মিলস লিমিটেডে ৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৯ হাজার ৪০ টাকার আর্থিক ক্ষতি পেয়েছে বাণিজ্যিক নিরীক্ষা অধিদপ্তর |
চালু তাঁতে অনুমোদিত লোকবল অপেক্ষা অনিয়মিতভাবে মোট ৬ হাজার ২০৮ জন অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়োগ করায় এবং মজুরি দেয়ায় ক্ষতি হয়েছে ৪ কোটি ৪৮ লাখ ৫২ হাজার ৮০০ টাকা |
বিভিন্ন সরবরাহকারীর বিল ও বিবিধ থেকে কেটে রাখা আয়কর ও ভ্যাট সরকারি কোষাগারে জমা না দেয়ায় রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে ৪৮ লাখ ৩৬ হাজার ৮২৫ টাকা |
বাজেট বরাদ্দ না থাকা সত্ত্বেও মিলের শ্রমিকদের অধিকার ভাতা স্বাভাবিক হাজিরা হিসেবে দেয়ায় মিলের ক্ষতি হয়েছে ৪৮ লাখ ৫২ হাজার ৮৩৫ টাকা |
বিপুল অঙ্কের ব্যাংক ঋণে পরিচালিত মিলের অর্থ থেকে পর্যাপ্ত অগ্রিম দেয়ার পর দীর্ঘদিনেও সমন্বয় না করায় সুদসহ আদায়যোগ্য টাকার পরিমাণ ২ কোটি ৩৩ লাখ ৩৬ হাজার ৫৮০ টাকা |
হাফিজ জুট মিলে অনিয়ম |
রাষ্ট্রায়ত্ত হাফিজ জুট মিল লিমিটেডে ১ কোটি ১৮ লাখ ২৬ হাজার ২০৬ টাকার আর্থিক ক্ষতি পেয়েছে বাণিজ্যিক নিরীক্ষা অধিদপ্তর |
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনা লঙ্ঘন করে বছরের পর বছর কেটে নেয়া ভ্যাট, উৎসে আয়কর ও রেভেনিউ স্ট্যাম্প বাবদ প্রাপ্ত সরকারি রাজস্ব কোষাগারে জমা না করায় সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে ১ কোটি ৬ লাখ ২৩ হাজার ৪৩ টাকা |
আর্থিক অব্যবস্থাপনা ও বিজেএমসির পাটক্রয় নির্দেশনা পালনে ব্যর্থতায় খানখানাপুর পাটক্রয় কেন্দ্রে পাটের মানজনিত ও পরিমাণজনিত আর্থিক ক্ষতির জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় দুই কর্মকর্তা শংকর চন্দ্র সরকার ও সহকারী পাটক্রয় কর্মকর্তার কাছে পাওনা ১২ লাখ ৩ হাজার ১৬১ টাকা |
চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলা, ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৮০ |
'শান্তিপূর্ণভাবে একই দিনে ৩ ধর্মের উৎসব পালিত' |
পাশের মসজিদ থেকে কোরআন এনে মণ্ডপে রাখেন ইকবাল |
ঝালকাঠিতে মন্দিরে আগুন দেয়ার চেষ্টার অভিযোগ |
পীরগঞ্জে ২৬ পরিবারের পাশে ৩১ লাখ টাকা নিয়ে বিদ্যানন্দ |
শেয়ার করুন |
মাটির ওপর অত্যাচারে হুমকিতে প্রাণ-প্রকৃতি |
শাহ আলম খান, ঢাকা |
৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ১৯:৪১ |
লিংকডইনে শেয়ার করুন |
ইমেইল করুন |
ওয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করুন |
ব্লগস্পটে শেয়ার করুন |
মাটির অবক্ষয়ে পরিবেশগত বিপর্যয় বাড়ছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা |
ছবি: এএফপি |
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাটির অপরিকল্পিত ও অনিয়মতান্ত্রিক ব্যবহারে বাড়ছে পরিবেশগত বিপর্যয় |
এটি মানবজাতিকে ভয়াবহ ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে |
আমাদের খাদ্য, অক্সিজেনসহ অনেক নিত্য প্রয়োজন মেটানো গাছের জন্ম মাটি থেকে |
এটি থাকা না থাকার ওপর নির্ভরশীল প্রাণের অস্তিত্ব |
অথচ পৃথিবীর গুরুত্বপূর্ণ এ সম্পদের ব্যবহারে চরম উদাসীনতা ও অব্যবস্থাপনা দেখিয়েছে মানুষ |
এর ফলে প্রাণ ও প্রকৃতি হুমকির মুখে পড়েছে বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা |
তারা বলছেন, মাটির অপরিকল্পিত ও অনিয়মতান্ত্রিক ব্যবহারে বাড়ছে পরিবেশগত বিপর্যয় |
এটি মানবজাতিকে ভয়াবহ ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে |
এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক পানি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত নিউজবাংলাকে বলেন, 'পরিবেশগত বিপর্যয়ের চাপে আমরা খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছি |
প্রকৃতিগতভাবে আমাদের নাভিশ্বাস বাড়ছে |
কারণ মাটির ব্যবহার আসলে নিয়মতান্ত্রিক হচ্ছে না |
আবার ভূমণ্ডলে মাটির আকারও বাড়ানো সম্ভব না |
অথচ ক্রমাগত মানুষ বাড়ছে |
এর মানে হচ্ছে সীমাবদ্ধ ভূমিতে ক্রমাগত জনসংখ্যার চাপ তৈরি হচ্ছে এবং নানামাত্রিক ব্যবহারে জমির চাহিদা বাড়ছে |
'নগরব্যবস্থা গড়ে উঠছে; রাস্তাঘাট, শিল্প-কারখানা ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ বাড়ছে |
এতে ব্যবহারযোগ্য জমি বা মাটি কমে আসছে |
যেটুকু আছে তার সুরক্ষাও আমরা দিতে পারছি না |
নানামাত্রিক অপরিকল্পনায় ভূমির অবক্ষয় বেড়ে যাচ্ছে |
এতে একদিকে গাছপালা কমছে; বনজঙ্গলের পরিধি ছোট হচ্ছে |
অপরদিকে অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্পায়নের প্রভাব পরিবেশের ওপর এসে পড়ছে |
মাটির অবক্ষয়ে সৃষ্ট সমস্যা নিয়ে আইনুন নিশাত বলেন, 'এতে বন্যা, খরা, উষ্ণতা বাড়ছে; সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে |
উপকূলীয় অঞ্চলের উর্বর মাটিও লবণাক্ত হচ্ছে |
প্রতি বছর নতুন নতুন এলাকা লবণাক্ততায় আক্রান্ত হচ্ছে |
এর মানে মাটির যে উৎপাদিকা শক্তি ছিল, তা অনেকাংশে কমে আসছে |
'ফসলের উৎপাদন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে |
একই জমি থেকে বারবার খাদ্য উৎপাদনের নির্ভরশীলতা বেড়ে যাচ্ছে |
এটা ভবিষ্যতের জন্য অশনি সংকেত |
বাড়ছে লবণাক্ততা |
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের ২০০৯ সালের জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে পরিবেশ বিপর্যয়ের সবচেয়ে বড় আশঙ্কার কারণ হলো মাটির লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়া |
ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের প্রায় ১.০৫৬ মিলিয়ন হেক্টর আবাদযোগ্য জমি বিভিন্ন মাত্রায় লবণাক্ত |
এসব জমির বেশিরভাগ শুষ্ক মৌসুমে পতিত থাকে |
বাকি সময়ে জমিগুলোর উৎপাদনশীলতা দেশের অন্যান্য ভূমির তুলনায় সর্বনিম্ন স্তরে |
এ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. খলিলুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, 'মাটির ওপর নির্বিচার অত্যাচার হচ্ছে; ব্যবহারে চরম অব্যস্থাপনা চলছে |
কংক্রিটে ঢেকে যাচ্ছে মাটি |
'কৃষি জমিতে হচ্ছে ইটভাটা; ফাঁকা জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে রাসায়নিক |
এতে মাটির মাইক্রোস্কোপিক (ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র) উপাদান মইরা শেষ |
সবাই মনে করে মাটি জীবনবিহীন, কিন্তু মাটি সার্বজনীন জীবন্ত |
এটা তো কেউ মানেই না |
মাটি বাঁচিয়ে স্থাপনা নির্মাণে গুরুত্বারোপ করে এ অধ্যাপক বলেন, 'এটা ঠিক, আমাদের ঘরবাড়ি, নালা, বিল্ডিং, রাস্তাঘাট, শিল্প-কারখানা কিংবা অন্যান্য অবকাঠামো সবকিছুরই দরকার আছে, তবে এর সবকিছুই হতে হবে পরিবেশবান্ধব |
যা-ই আমরা করিনা কেন, তা মাটিকে বাঁচিয়ে রেখেই করতে হবে, তবেই পরিবেশ ভালো থাকবে |
'পরিবেশ ভালো না রাখা গেলে মাটির জীবনশক্তি কমে যাবে |
এতে গাছপালা, উদ্ভিদ মরে যাবে এবং কমে যাবে |
ফসলের উৎপাদনও কমে আসবে |
মাটির অপরিকল্পিত ব্যবহার ও জীবনচক্র নষ্ট করে আসলে আমরা নিজেদেরই ধ্বংস ডেকে আনছি |
এই প্রবণতা ভবিষ্যতের জন্য যে খুব খারাপ হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই |
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিধান কুমার ভান্ডার নিউজবাংলাকে বলেন, 'বিশ্বে ৮৩৩ মিলিয়ন (৮৩ কোটি ৩০ লাখ) হেক্টর জমি আছে লবণাক্ত |
বাংলাদেশেও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটা বড় এলাকা লবণাক্ততায় আক্রান্ত, যার পরিমাণ ১০ লাখ ৫৬ হাজার একর |
এই অঞ্চলে শুধু বর্ষাকালেই ধান হয়; বাকি সময়ে আবাদশূন্য থাকে |
তাই লবণাক্ত মাটির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করাই সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ |
তিনি বলেন, 'এর জন্য এমন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা দরকার যাতে করে লবণ কম হয় |
এ রকম ২২টি প্রযুক্তি নিয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি আমরা, যার ব্যবহারে সুফল পাওয়া যাচ্ছে |
'আগামীতে এ ধরনের নতুন নতুন প্রযুক্তি নিয়ে লবণাক্ত অঞ্চলের ফসল উৎপাদন বাড়াতে নিরন্তর কাজ করছে কৃষি মন্ত্রণালয় |
লবণাক্ততা কমানোর চ্যালেঞ্জকে গুরুত্ব দিয়ে ৫ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালন হচ্ছে মৃত্তিকা দিবস |
দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়, 'লবণাক্ততা রোধ করি, মাটির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করি |
ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতে |
ভারতের বিখ্যাত যোগগুরু জগদীশ বাসুদেব ওরফে সাধগুরু বলেন, 'এই পৃথিবীর মাটির আমরা যে ক্ষতি করেছি, তা সাংঘাতিক |
অন্যান্য জিনিস, যেমন: কোথাও বরফ গলছে, সেটা হয়তো দেখা যাচ্ছে, কিন্তু মাটির যে ক্ষতি আমরা করেছি, তা খুবই ভয়ংকর |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.