content stringlengths 0 129k |
|---|
শিক্ষা, সাম্প্রদায়িকতা এবং ধর্মীয় সহিংসতা |
অক্টোবর 22, 2021 | 1 |
মুখে "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" অন্তরে "মদিনা সনদ" |
মুখে "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" অন্তরে "মদিনা সনদ" |
অক্টোবর 18, 2021 | 1 |
পথ হারা পাখী- - - |
পথ হারা পাখী- - - |
মার্চ 26, 2021 | 1 |
8 |
প্রভাস সাহা মে 30, 2015 5:11 অপরাহ্ন - |
যতদিন মানবিকতা জেগে থাকবে ততদিন প্রতিবাদ ও চলবে ! |
প্রভাস সাহা মে 30, 2015 5:08 অপরাহ্ন - |
কলম যেন বন্ধ না থাকে |
তানবীরা মে 20, 2015 2:32 পূর্বাহ্ন - |
বাংলাদেশের পুলিশকে অনেক সময় যৌনকর্মীদের মত মনে হয় |
প্রত্যেকটি কথার সাথে একমত |
প্রদীপ দেব মে 16, 2015 4:31 অপরাহ্ন - |
সীমান্ত মল্লিক মে 15, 2015 8:13 অপরাহ্ন - |
লেখা পড়ে মনে হলো আসলে জাস্টিফিকেশন তত্ত্ব হচ্ছে এমন একটি সাফাই যার মাধ্যমে চোর চুরি করেও সাধু হয়ে থাকতে পারে, কি তাই তো ? লেখাটা পড়ে আমার অরবিন্দ এ্যাডিগার 'দ্য হোয়াইট টাইগার' বইটার করা মনে পড়ে গেল |
যদিও সেখানে যে খুনটিকে জাস্টিফাইড করা হয়েছিল তার পেছনে অনেক কারণ ও যুক্তি আছে কিন্তু তবুও অপরাধ তো অপরাধই |
যাই হোক, পুলিশ-প্রশাসনের ব্যাপারে আমার একটা নিজস্ব হাইপথিসিস আছে |
দুর্নিতী বা অপরাধ বা বৈষম্য আর যা আছে আমার ধারণা এগুলো সব কিছুরই গোড়া পত্তন আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে |
প্রচন্ড মাত্রায় ত্রুটিপূর্ণ এই শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক অধঃপতন শুরুই হয় প্রচলিত শিক্ষা থেকে |
আমাদের পুলিশ বা প্রশাসন বা ব্যুরোক্রেটসরা কেউই ভিন্ন গ্রহের প্রাণী না |
তাদের অধঃপতনের দিকে বিকাশ ঘটেছেই এই প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার হাতে ধরে |
যদি সেটা না হতো তাহলে কিভাবে গণজাগরন মঞ্চের "পাকিস্তান হাইকমিশন ঘেরাও কর্মসূচী"তে পুলিশ নাস্তিক-মালাউন বলে গালিগালাজ করে ? ( আপনার লেখা দৃষ্টান্তগুলো তো আরো স্পষ্ট ) |
স্বাধীনতার পূর্বে তো অবশ্যই স্বাধীনতা পরর্বতী সময়েও পুলিশের ভূমিকা একেবারে শুরুর দিক থেকেই বিতর্কিত |
সময় পাল্টেছে , সিহাংসন পাল্টেছে কিন্তু সরাকারী এই বাহিনী আজও দলীয় গুন্ডা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে |
হয়তো আগামীতেও " পুলিশ প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী" এই কথাটা শুধু কাগজে-কলমেই থেকে যাবে |
পৃথিবীরে ইতিহাসে তাকেলেও আমরা পুলিশ-প্রশাসনের তাঁবেদারী সরকারের দিকেই দেখি |
বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সরকার পুলিধকে তার রাষ্ট্রীয় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে এসেছে |
সম্রাজ্যবাদীদেশগুলো এমনকি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে নাৎসী সরকার পুলিশ বাহিনী ব্যবহার করে কি পরিমাণ বিভিষীকা তৈরি করেছিল তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না |
পাকিস্তানযুগেও আমরা পুলিশের অত্যাচার সহ্য করেছি |
আজও তাই হচ্ছে |
আমরা যারা এখনও পরিবর্তনের কথা বলি তারা একটা সময় পর্যন্ত গলা চড়িয়ে চেঁচাতে চেঁচাতে শান্ত হয়ে স্রোতের সাথে গা ভাসিয়ে দেব |
আমার এক বড় ভাই আমাকে একবার বলেছিল "সিস্টেম কখনওই পাল্টাবে না |
আমরা কখনই সেটার আমূল পরিবর্তন আনতে পারব না |
কারণ আমরা নিজেরাও এই সিস্টেমেরই অংশ |
আমরা সর্বোচ্চ ভলিন্টিয়ার হিসেবে সিস্টেমের করে যাওয়া ক্ষতিগুলোর কিছুটা কমেনশেসন দিতে পারি |
বাট আল্টিমেটলি, যা আছে তাই থাকবে |
নারী নির্যাতন, বৈষম্য, ধর্ষন, অপরাধ দুর্নিতী এগুলো সবই সিস্টেমেরই তৈরি |
আমাদেরই তৈরি ... |
গীতা দাস মে 15, 2015 4:41 অপরাহ্ন - |
জাস্টিফিকেশন তত্ত্ব রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে এখন তা সংক্রামিত হয়েছে তথাকথিত সুশীল সমাজের মধ্যে |
প্রভা মে 14, 2015 4:21 পূর্বাহ্ন - |
এডমিন - কমেন্ট করার আরও সহজ তরীকা চাই |
মে 14, 2015 2:42 পূর্বাহ্ন - |
বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে মনে হতো তাদের বুঝি পতন হবে না কোনদিন |
এখন যেমন মনে হয় আওয়ামিলীগ সরকারের ক্ষেত্রে |
এক্ষেত্রে আওয়ামিলীগ কিংবা বিএনপি'র কাউকে দোষ দেওয়ার কিছু আছে বলে মাঝে মাঝে মনে হয় না= |
আপনি কি তাহলে এই কথার মাধ্যমে এই সরকারের এই হীন অপততপরতা কে বৈধতা ন্দিচ্ছেন? এই জায়গায় আমি একমত না |
তবে হাসিনা খুব স্মার্ট ভাবে খেলছে, তবে সব খেলার একটা শেষ আছে এরও হবে |
জবাব বাতিল |
অনুসন্ধান করুন |
: |
নতুন ব্লগ লিখুন |
সাম্প্রতিক মন্তব্য |
নিউটনীয় মহাবিশ্ব ও জড়তার উৎস প্রকাশনায় |
মাটি- মহাকাশের সঙ্গে জীবনের যোগ খুজতে প্রকাশনায় |
শ্রীমদভগবাদগীতা, ভগবানের মুখনিঃসৃত বর্ণবৈষম্যের বিষবাষ্প প্রকাশনায় রতন কুমার শীল |
মিসিং লিংক কি সত্যিই মিসিং? প্রকাশনায় মাহাথির আহমেদ তুষার |
নারীই বন্ধ প্রকাশনায় |
বিষয় অনুযায়ী লেখা |
বিষয় অনুযায়ী লেখা একটি বিভাগ পছন্দ করুন অতিমারী (4) অনন্ত বিজয় (24) অনুবাদ (94) অভিজিৎ বিজ্ঞান (12) অভিজিৎ বিতর্ক (10) অভিজিৎ সাহিত্য (4) ই-বই (150) আমার চোখে একাত্তর (22) দ্য গ্রান্ড ডিজাইন (9) ভালবাসা কারে কয়? (67) ইতিহাস (356) উদযাপন (143) ডারউইন দিবস (78) ওয়াশিকুর বাবু (7) কবিতা (481) আবৃত্তি (79) ছড়া (25) খেলাধুলা (15) গণিত (55) গল্প (358) চলচ্চিত্র (19) চলমান ঘটনা (11) চারুকলা (8) ডায়রি/দিনপঞ্জি (180) দর্শন (601) দৃষ্টান্ত (288) ধর্ম (1,002) অবিশ্বাসের জবানবন্দী (282) ধর্মনিরপেক্ষতা (63) নারীবাদ (266) নিলয় নীল (6) পুরস্কার (24) পৌরাণিক কাহিনি (40) প্রযুক্তি (72) কম্পিউটার (10) প্রোগ্রামিং (7) কৃষি (6) বই (231) বিশ্বাসের ভাইরাস (93) বাংলাদেশ (1,017) একুশের চেতনা (64) মুক্তিযুদ্ধ (282) শাহবাগ আন্দোলন ২০১৩ (92) বিজ্ঞান (818) কল্পবিজ্ঞান (20) জীববিজ্ঞান (320) ক্যান্সার (7) জীবাশ্মবিজ্ঞান (18) জৈব বিবর্তন (242) বিবর্তনের প্রশ্নোত্তর (29) মানব বিবর্তন (61) প্রাণের উৎপত্তি (26) পদার্থবিজ্ঞান (162) জ্যোতির্বিজ্ঞান (68) বিশ্বতত্ত্ব (60) বিজ্ঞান বার্তা (37) ভূবিজ্ঞান (62) পরিবেশ (57) মনোবিজ্ঞান (79) সামাজিক বিজ্ঞান (125) অর্থনীতি (42) বিতর্ক (464) ব্যক্তিত্ব (644) অভিজিৎ রায় (240) নির্মোহ এবং সংশয়ী দৃষ্টি (107) বিজ্ঞানী চরিত (78) বাঙালি বিজ্ঞানী (20) রাজীব হায়দার শোভন (থাবা বাবা) (24) ব্লগাড্ডা (2,032) ভারত (118) ভ্রমণকাহিনী (84) মহামারী (2) মানবতাবাদী কর্মকাণ্ড (147) মানবাধিকার (557) মুক্তমনা (722) ব্যানারালোচনা (3) মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ (12) ম্যাগাজিন (92) মহাবৃত্ত (17) মুক্তান্বেষা (12) যুক্তি (52) যুক্তিবাদ (250) রম্য রচনা (82) রাজনীতি (747) আন্তর্জাতিক রাজনীতি (278) গণতন্ত্র (118) শিক্ষা (247) সঙ্গীত (44) সমাজ (884) সংস্কৃতি (556) সাহিত্য (4) সাহিত্য আলোচনা (173) স্বাধীনতা যুদ্ধ (8) স্মৃতিচারণ (387) |
(আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ০২:২৬, ৫ মে ২০১৪ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ ( ) |
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন) |
গৌড়, নগর ভারতীয় উপমহাদেশে মধ্যযুগীয় অন্যতম বৃহৎ নগরী |
আনুমানিক ১৪৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৫৬৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এটি বাংলার রাজধানী ছিল |
নগরটি বর্তমান মালদা শহরের দক্ষিণে গঙ্গা ও মহানন্দা নদীর মধ্যবর্তী ভূখন্ডের পূর্বাংশে ২৪°৫২র্ উত্তর অক্ষাংশে এবং ৮৮°১০' পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত |
গৌড়ের ধ্বংসাবশেষ দৈর্ঘ্যে প্রায় ৩২.১৮ কিমি এবং প্রস্থে প্রায় ৬.৪৪ কিমি জুড়ে ছড়িয়ে আছে |
প্রাচীন নগরী লক্ষ্মণাবতী (পরবর্তী সময়ে ইসলামি নামকরণ হয় লখনৌতি) একই স্থানে অবস্থিত ছিল বলে অনুমান করা হয় |
তবে আলেকজান্ডার কানিংহাম লক্ষ্মণাবতীকে গৌড়ের ধ্বংসাবশেষের উত্তর দিকে অবস্থিত বলে উল্লেখ করেছেন |
স্থানিক সনাতন নাম এবং প্রচলিত লোককাহিনীতে বল্লাল সেনের সঙ্গে যুক্ত একটি দুর্গের ধ্বংসাবশেষের অস্তিত্বকে ভিত্তি করে তিনি এ মত প্রকাশ করেন |
এটাও বলা হয়ে থাকে যে, লক্ষ্মণ সেন জীবনের শেষ দিনগুলি গঙ্গা নদীর তীরে কাটানোর জন্য তাঁর রাজধানী নদীয়াতে স্থানান্তর করেছিলেন |
ধারণাটি গ্রহণ করা শক্ত এ কারণে যে, গঙ্গা লক্ষ্মণাবতীর পাশ দিয়েও প্রবাহিত ছিল |
এম.এম চক্রবর্তী মনে করেন যে, প্রাচীন কোনো এক সময়ে গঙ্গা নদী মহানন্দার উপর দিয়ে প্রবাহিত ছিল |
কিন্তু ধীরে ধীরে এটি মহানন্দা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পশ্চিম দিকে সরে যায় |
জৈমস রেনেল আঠারো শতকের শেষের দিকে গঙ্গা নদীর পশ্চিমমুখী প্রবাহের কথা লিপিবদ্ধ করেন |
কারণ, তিনি গৌড়ের ধ্বংসাবশেষের প্রায় দশ মাইল পশ্চিম দিকে এটিকে প্রবহমান দেখেন |
পুরানো খাতসমূহের অস্তিত্ব এধরনের গতি পরিবর্তনের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় |
সেক্ষেত্রে বলা যায় যে, গঙ্গা-মহানন্দা প্রবাহের পশ্চিম পার্শ্বে লক্ষ্মণাবতী অবস্থিত ছিল |
এর স্মৃতি সম্ভবত লোপো হোম্স (১৫১৯) এবং গ্যাস্টন্ডি'র (১৫৪৮) স্কেচে মূর্ত হয়ে রয়েছে |
তাঁদের নকশায় নদীটির পশ্চিমে গৌড়ের অবস্থান দেখা যায় |
গঙ্গা নদীর গতি পশ্চিমদিকে সরে যাওয়ায় রাজধানী বিলীন হয়ে যেতে পারে ভেবে সেন রাজা লক্ষ্মণাবতী পরিত্যাগ করেছিলেন বলে কেউ কেউ অনুমান করেন |
দীর্ঘ এলাকা জুড়ে পুরনো খাতসমূহে পরিত্যক্ত বালুময় মাটি এখনও দেখা যায় |
প্রাক-মুসলিম হাতিয়ারসমূহ, (বৌদ্ধ ও হিন্দু উভয়েরই) মধ্যযুগীয় দুর্গ গৌড়ের দক্ষিণে অবস্থিত উঁচু ভূমিতেই শুধু দেখা যায় |
সুলতান নাসিরুদ্দীন মাহমুদের (প্রথম) শাসনামলে (১৪৩৬-১৪৫৯) ১৪৫৭ খ্রিস্টাব্দে উৎকীর্ণ গৌড়ের প্রথম শিলালিপিটি দক্ষিণে কোতোয়ালী ফটক হতে নগরীর উত্তর দিকের রাস্তায় নির্মিত সেতুর উপর দেখা যায় |
এ শিলালিপির বক্তব্যে পান্ডুয়া থেকে রাজধানী স্থানান্তরের তারিখ সম্পর্কে ইঙ্গিত দেয় |
সুতরাং পনেরো শতকের প্রথমার্ধে সুলতান জালালউদ্দীনের আমলে রাজধানী স্থানান্তরিত হয়েছিল বলে এ.বি.এম হাবিবুল্লাহ যে মত প্রকাশ করেছেন তা হয়ত কেউ ইচ্ছা করলে গ্রহণ নাও করতে পারেন |
তাঁর শাসনামলে সফররত চীনা প্রতিনিধিগণ সে সময়ের বাংলার রাজধানী পান্ডুয়াতে যাওয়ার কথা সুস্পষ্টভাবেই উল্লেখ করেছেন |
সুলতান সুলায়মান কররানী ১৫৬৫ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমে তান্ডায় রাজধানী স্থানান্তর করার পূর্ব পর্যন্ত গৌড় বাংলার রাজধানী ছিল |
মুগল সেনাপতি মুনিম খান ১৫৭৫ খ্রিস্টাব্দে রাজধানী পুনরায় গৌড়ে স্থাপন করেন এবং দুর্গের পূর্ব দিকে লুকোচুরি দরওয়াজা নির্মাণের ক্ষেত্রে সম্ভবত তিনি সক্রিয় ছিলেন |
সতেরো শতকের প্রথমার্ধে বাংলার সুবাহদার শাহ সুজা এটি নির্মাণ করেছিলেন বলে সাধারণভাবে বলা হয়ে থাকে |
কিন্তু শাহ সুজা কখনও গৌড়ে বাস করেন নি |
১৫৭৫ খ্রিস্টাব্দে প্লেগ ছড়িয়ে পড়ার কারণে গৌড় চূড়ান্তভাবে পরিত্যক্ত হয় |
১২০৫ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজী কর্তৃক নগরটি বিজয়ের পঁয়তাল্লিশ বছর পর মিনহাজ-ই-সিরাজ পুনঃনামকরণকৃত রাজধানী পরিদর্শন করেন এবং বখতিয়ার খলজী কর্তৃক নির্মিত মসজিদ ও মাদ্রাসা দেখতে পান |
বর্তমানে এগুলির অস্তিত্ব নেই |
১২২৭ খ্রিস্টাব্দে যেহেতু নগরটির রক্ষা-বাঁধ নির্মিত হয়েছিল সেহেতু নদী কর্তৃক এসব ভবন বিলীন হয়ে যাওয়ার কথা নয় |
নকশার ভিত্তিতে বর্ণিত চৌদ্দ শতকের কোতোয়ালী ফটক ব্যতীত তেরো-চৌদ্দ শতকে নির্মিত স্থাপত্যশিল্পের অন্য কোনো নিদর্শন বর্তমানে আর নেই |
বিশ শতকের প্রথম দিকে আবিদ আলী দূরভাষিনী ও ফুলওয়ারি ফটকের (বর্তমানে নেই) মধ্যবর্তী প্রকান্ড 'সাগর দিঘি'র উত্তর-পশ্চিম এলাকাটিকে পুরনো লক্ষ্মণাবতীর বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গৌড় বন্দরের সঙ্গে শনাক্ত করেন |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.