content
stringlengths
0
129k
এ অবস্থায় অভিজাতবর্গ তাদের চলার পথ সহজ করে দেওয়ার জন্য বেশ কিছু লোক নিয়োগ করতেন
ফারিয়া ওয়াই সোসা এবং তার পরবর্তী অন্যান্যদের মতে, নগরে জনসংখ্যা ছিল বারো লক্ষ
কিন্তু সফররত ফরাসি নাগরিক গৌড়ে চল্লিশ হাজার পরিবার ছিল বলে মত প্রকাশ করেন
প্রতি পরিবারে পাঁচজন সদস্য ধরে হিসাব করলে মোট জনসংখ্যা দাঁড়ায় দুলক্ষ, যা সমসাময়িক ফতেহপুর সিক্রির জনসংখ্যা ২ লক্ষ চল্লিশ হাজারের কাছাকাছি
তবে ৮০ বর্গ মাইল আয়তনের গৌড়ে জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল প্রতি বর্গমাইলে দুহাজার জন
আগের তথ্যাবলির ওপর ভিত্তি করে ১৫৯৫-৯৬ খ্রিস্টাব্দে আবুল ফজল রাজস্ববিষয়ক যে বিবরণ দিয়েছেন তাতে গৌড় অঞ্চলের প্রতি আকর্ষণ ও জনসংখ্যার ঘনত্বের কথা প্রকাশ পায়
কাস্তেনহাদা ডি লোপেজ নগরীর ভবনসমূহের একটি বিবরণ দিয়েছেন
প্রাঙ্গণ ও বাগান সংলগ্ন ভবনসমূহ ছিল নিচু আকৃতির এবং সোনালি ও নীলাভ টালিসজ্জিত
প্রতিটি ঘরের মেঝে সৌন্দর্যবর্ধক টালি দ্বারা আবৃত ছিল
হুমায়ুনের সহচর ওয়াকিয়াত-ই-মুস্তাকীর লেখক উল্লেখ করেন যে, সম্রাট হুমায়ুন চীনা টালি দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন
টালিগুলি কক্ষের মেঝে ও দেওয়ালেও ব্যবহূত হয়েছিল
গৌড়ে দ্বি-তল ভবনের কোনো উল্লেখ পাওয়া যায় না, যদিও পর্তুগিজ দোভাষী 'দরবার' হলের ভূ-গর্ভস্থ কক্ষের কথা বর্ণনা করেছেন
দুর্গ এবং পূর্বদিকের বাঁধের মাঝামাঝিতে একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত কাঠামো দেখা যায় যা কিংবদন্তির ব্যবসায়ী চাঁদ সওদাগরের বাড়ি বলে চিহ্নিত
এটি 'বেলবারি মাদ্রাসা' হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে এবং এটি ছিল দেওয়াল বেষ্টিত নগরীর ভেতরে এ পর্যন্ত পাওয়া একমাত্র মাদ্রাসা
বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ দক্ষিণ দেওয়ালের পেছনে খননের মাধ্যমে 'দরসবারি মাদ্রাসা' বের করেছে
বেলবারি মাদ্রাসার পূর্ব দিকে 'ছোট সাগর দিঘি' নামে একটি বড় পুকুর রয়েছে
এটি নগরের বিভিন্ন এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত আঁকাবাঁকা খালের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল
যে কেউ এখনও গঙ্গার দিকে দুটি খালের সমান্তরাল প্রবাহ দেখতে পাবেন
এগুলির একটি আবর্জনা বহন করত
১৮৪৯-৫২ খ্রিস্টাব্দের জরিপ মানচিত্রে দেখা যায় যে, এ খালটি নওয়াবগঞ্জ-পান্ডুয়া সড়ককে দুবার বিচ্ছিন্ন করেছে যা সেতুর মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে
বেলবাড়ি মাদ্রাসার পাশ ঘেঁসে প্রবাহিত খালের উপর তিন-খিলানের সেতু অদ্যাবধি অক্ষত রয়েছে
নগর থেকে পূর্বাংশের ভূমি উঁচু হওয়ায় অগভীর জলাশয়ের পানি দুটি বাঁধের ছিদ্র দিয়ে নগরীতে পানি সরবরাহের জন্য প্রবাহিত হতো
ছোট সাগর দিঘি জলাধারের কাজ করত
চামকাঠি মসজিদের সামনে দিয়ে প্রধান খালটি প্রবাহিত ছিল
এক খিলান থেকে সাত খিলান বিশিষ্ট সেতুসমূহ দেখে বোঝা যায় যে, সেগুলির নিচ দিয়ে কি পরিমাণ পানি প্রবাহিত হতো
মাটির নিচ দিয়ে কাদা মাটির তৈরী পাইপের সাহায্যে ময়লা নিষ্কাশনের ব্যবস্থা যে ছিল তা দেখা যায় বড় সোনা মসজিদ ও গঙ্গা নদীর মধ্যবর্তী এলাকায় আবিষ্কৃত ধ্বংসপ্রাপ্ত ঘরবাড়িগুলির একটিতে
বেলবাড়ি মাদ্রাসা হতে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত খালের উভয় তীরের উঁচু ভূমি নির্দেশ করে যে, এ এলাকাটি ছিল উচ্চ শ্রেণির লোকদের বাসস্থান
কারণ এখানে চীনামাটির সুন্দর সুন্দর বাসন-কোসন পাওয়া গেছে
এ এলাকার সম্মুখভাগ খালের দিকে ক্রমাগতভাবে ঢালু হয়ে গেছে
ছোট সাগর দিঘি হতে পূর্বদিকে বাঁধ পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় স্বল্পবিত্ত লোকদের বাস ছিল বলে মনে হয়
কারণ এখানে কোনো ধ্বংসাবশেষ বা নিদর্শন পাওয়া যায় নি
পূর্বদিক থেকে দুর্গের কাছাকাছি এলে যে কেউ সন্নিকটবর্তী একটি মসজিদ দেখতে পাবেন
সবচেয়ে পুরানো চামকাটি মসজিদটি ১৪৭৫ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত হয়
এরপর রয়েছে লট্টন ও তাঁতিপাড়া মসজিদ দুটি
দুটি মসজিদই ১৪৮০ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত হয়
মসজিদের নামগুলি নির্মাতা শ্রেণির সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ করছে
দুমাইল আয়তনের মধ্যে দুটি মসজিদ নির্মাণের সংক্ষিপ্ত সময় এখানে ১৪৭০ খ্রিস্টাব্দের পর দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাক্ষ্য প্রদান করে
সুলতান রুকনউদ্দীন বারবক শাহের (১৪৫৯-৬০১৪৭৪) আমল থেকে নগরায়ন দ্রুতগতিতে চলতে থাকে এবং ষোল শতকের দ্বিতীয় দশক পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে
পর্তুগিজ দোভাষী ১৫২১ খ্রিস্টাব্দে অভিবাসীদের সমস্যাদি লক্ষ করেন
তিনি শীতের সকালে নগরীর রাস্তাসমূহে লোকদেরকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন
তিনি কোনো বিশেষ উপলক্ষে সুলতান কর্তৃক নিরামিষ ও আমিষ খাদ্য বিতরণ করতেও দেখেন
এ থেকে গৌড়ে উভয় সম্প্রদায়ের বাস্ত্তহারা ও বেকার লোকদের উপস্থিতি বোঝা যায়
নগরটি দক্ষিণ দিকে বিস্তার লাভ করেছিল
গুণমন্ত মসজিদটি সম্ভবত জালালুদ্দীন ফতেহ শাহ (১৪৮১-১৪৮৭) কর্তৃক নির্মিত
এটির অবস্থান মাহদিপুর গ্রামের নিকটবর্তী নদীর (বর্তমানে এখানে শুধু একটি পুরনো খাল রয়েছে) তীরে নির্দেশ করা হয়েছে
বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক দলের ব্যপক অনুসন্ধানের দ্বারা আরও কয়েকটি মসজিদ, সুফিদের স্মৃতিসৌধ, তাহখানার অস্তিত্ব পাওয়া যায় যেগুলি সম্ভবত শাহ সুজা নির্মাণ করেছিলেন
এর দ্বারা নগরটির ক্রমবিস্তার সম্পর্কে পর্তুগিজদের ভাষ্য নিশ্চিত করে
উত্তর দিকে বড় সোনা মসজিদের পেছনে কোনো নিদর্শনাদি পাওয়া যায়নি বিধায় নগরটির বিস্তার সম্ভবত দক্ষিণ দিকেই ঘটেছিল
আলাউদ্দীন হোসেন শাহের (১৪৯৩-১৫১৯) আমলে ষোল শতকের শুরুতে নগরটির বিস্তার লাভের দ্বিতীয় পর্যায়টি শুরু হয়েছিল
সুলতান কর্তৃক ছোট মসজিদ নির্মাণ এধরনের বিকাশের সাক্ষ্য বহন করে
দেওয়ালের বাইরে বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক দল দুর্গের দক্ষিণ-পশ্চিমে নদীর তীরে জাহাজ ঘাটা শনাক্ত করে
তোমে পিরে গৌড়কে একটি বন্দরনগরী বলে অভিহিত করলেও এলাকাটিকে একটি অভ্যন্তরীণ বন্দরের অংশ মনে করা যায়
পর্তুগিজ একতলা জাহাজের মতো একটি নৌকাসহ এখানে পর্তুগিজ দোভাষী নানা আকারের ১৩০টি নৌকা নোঙ্গর করা অবস্থায় দেখেন
অধিকাংশ পন্ডিত মনে করেন যে, পশ্চিম দিকে নদীর গতিপথ সরে যাওয়ায় গৌড় নগরীর পতন ঘটে
প্লেগ রোগে মুনিম খানের মৃত্যুর পর ১৫৭৫ খ্রিস্টাব্দে গৌড় থেকে রাজধানী চূড়ান্তভাবে তান্ডায় স্থানান্তরিত হওয়া সত্ত্বেও বাঙালি কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর ব্যবসায়ী জমিদার গৌড়ে যান
তখন পর্যন্ত এটি শৈল্পিক দ্রব্যাদি ও আনন্দময় নগর হিসেবে টিকে ছিল
ষোল শতকের শেষে এটি লিখিত হওয়ায় ধারণা করা যায় যে, রাজধানী স্থানান্তর হওয়ার পরও নগরটির অস্তিত্ব বজায় ছিল
জেমস রেনেল দেখেন যে, আঠারো শতকের শেষে নদীটি গৌড়ের পশ্চিম দিকে প্রায় দশ মাইল সরে যায়
দুজন ইউরোপীয় পরিব্রাজক সৈবা''বয় ম্যানরিক (১৬৪৮) ও রবার্ট হেজেজ (১৬৮৭) নদী সরে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন নি এবং প্রাসাদের সামনে নৌকাসমূহের নোঙ্গরের কথা স্পষ্টভাবেই বর্ণনা করেছেন
এদের মধ্যে শেষোক্ত জন স্থানটিকে কনস্ট্যান্টিনোপল থেকে বড় বলেছেন
এ ছাড়া এক দশক পর সুলায়মান কররানী অথবা মুগল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পশ্চিমে নদী যে দিকে সরে যাচ্ছিল সে দিকে তান্ডায় রাজধানী স্থানান্তর করার কোনো যুক্তিই ছিল না
ষোল শতকের শেষের দিকে রালফ ফিচ-এর বর্ণনা ধারণা দেয় যে, নদী পশ্চিম দিকে সরে যেতে শুরু করেছিল
সম্ভবত এ কারণে মানসিংহ নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত রাজমহলে রাজধানী স্থানান্তরিত করতে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন
রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা গৌড় নগরীর অবক্ষয়ের প্রধান কারণ ছিল বলে মনে হয়
যখন চট্টগ্রামকে নিয়ে আরাকান, ত্রিপুরা ও বাংলা এবং পরে পর্তুগিজ ভাগ্যান্বেষীদের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়, তখন শেরশাহ কর্তৃক গৌড় বিজয় ও লুণ্ঠনের ফলে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে ভাগীরথী অঞ্চল বিশেষ করে এর উপরের অংশ স্থিতিহীন হয়ে পড়ে
গৌড়ে তিনমাস স্থায়ী আনন্দময় জীবনযাপন কালে হুমায়ুন এ নগরীকে জান্নাতাবাদ হিসেবে আখ্যায়িত করেন
এসময়ে হোসেনশাহী বংশের বিলুপ্তি ঘটে
অতঃপর উড়িষ্যা থেকে আক্রমণ আসে এবং উড়িষ্যার শাসক সপ্তগ্রাম অবরোধ করে
যখন পর্তুগিজ ব্যবসায়ীগণ প্রথমে সপ্তগ্রামে ও পরে হুগলিতে বসতি স্থাপন করে, তখন তাদের দুঃসাহসী স্বদেশীয়রা উপকূলীয় অঞ্চলে লুঠপাট করছিল
এতে বাণিজ্যপথ বিঘ্নিত হয়
মুগল-পাঠানদের লড়াইয়ের অব্যবহিত পরে আসে চূড়ান্ত আক্রমণ
এতে কার্যত বাংলার উত্তরাংশ বিধ্বস্ত হয়ে যায়
এধরনের অবিরাম নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির ফলে জনবহুল শহরের রক্ষণাবেক্ষণ অবহেলিত হয়
অগভীর খাড়ি ও গঙ্গা নদীর সঙ্গে সংযোগস্থাপনকারী এবং নগরের জীবনযাত্রার সঙ্গে জড়িত খালসমূহকে যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা প্রয়োজন ছিল
১৫৭৫ খ্রিস্টাব্দে ভিনসেন্ট ল্য বঁলা নগরীর অংশসমূহে জলাবদ্ধতা দেখেছেন
এতে বোঝা যায় যে, খালসমূহ যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় নি
এর ফলে প্লেগ রোগ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রতিদিন তিনশত লোকের মৃত্যু ঘটে
এ রোগে মুনিম খানও প্রাণ হারান
সম্ভবত মহানন্দা ও গঙ্গার সঙ্গে নগরীর খালসমূহের মাধ্যমে যে সংযোগ ছিল তা রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়
গঙ্গা নদীর গতিপথ পশ্চিমদিকে সরে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কারণেও তা ঘটতে পারে
ষোল শতকের শুরুতে পর্তুগিজদের দ্বারা মালাক্কা দখল হওয়ায় গৌড়-সপ্তগ্রাম এবং দক্ষিণ পূর্ব এলাকায় মুসলমান ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহণে সমস্যা সৃষ্টি হয়
এটা ধারণা করা যেতে পারে যে, ভাগীরথী এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে যে বাণিজ্যিক সংযোগ ছিল তা পর্তুগিজদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় বাংলা অঞ্চলে রৌপ্যের প্রবাহ বিঘ্নিত হয়
যুগপৎ নৈরাজ্য এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে গৌড় নগরীর বাণিজ্যিক এবং অর্থনৈতিক গুরুত্ব ক্রমান্বয়ে বিলীন হতে থাকে
মুগল বিজয় এবং নদীর পূর্বতীরে তান্ডা থেকে রাজমহলে রাজধানী স্থানান্তরিত হওয়ায় একটি নতুন তাৎপর্যময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যা গৌড় নগরীর পতনকে নিশ্চিত করে
উনিশ শতকের শেষদিক হতে বাঙালি জাতীয়তাবাদী লেখাসমূহ স্বাধীন বাংলার প্রতীক হিসেবে গৌড়ের উপর নিবদ্ধ ছিল
অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রমাপ্রসাদ চন্দ, রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, রজনীকান্ত চক্রবর্তী, চারুচন্দ্র মিত্র এবং অন্যান্যরা প্রাক-মুগল রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে কাজ করেছেন
এঁরা আঞ্চলিক ইতিহাসের অংশ হিসেবে নয় বরং বাংলার স্বাধীন সত্তার প্রতীক হিসেবে গৌড়ের উপর তাদের দৃষ্টি নিবন্ধ করেছিলেন
কিন্তু অল্প কয়েকজন ব্যতীত নগরের ধ্বংসাবশেষসমূহ এবং নগরটি ইতিহাসবিদদের দৃষ্টির বাইরেই ছিল
ফলে হুমায়ুনের 'জান্নাতাবাদ' একটি হারানো ও বিস্মৃত নগরীতে পরিণত হয়েছে
[অনিরুদ্ধ রায়]
গ্রন্থপঞ্জি , , , 1817; , , , , 1878; , ( & ), , 1986 ( 1924 ); , ' : ', - (), 1995, 2-3, 245-63; (), -, , 1997.
"মুসাশি" জাপানের দক্ষিণ থেকে একটি উচ্চমানের শেফ ছুরি ব্র্যান্ড যার 250 বছর ধরে কামারের ইতিহাস রয়েছে
প্রতিটি প্রক্রিয়া হাত দ্বারা সম্পন্ন করা হয়
● পুলিশকে মেধার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে -আইজিপি ● জ্ঞানভিত্তিক উন্নত দেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে -আইসিটি প্রতিমন্ত্রী ● স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ ১৭ মার্চ থেকে বর্ণাঢ্য আয়োজন পরিকল্পনা ● বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সিঁড়ি বেয়ে বাংলাদেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে -প্রধানমন্ত্রী ● বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ একসূত্রে গাঁথা -রাষ্ট্রপতি ● বাবার সাথে লা মেরিডিয়ানে আমার এক্সাইটিং দু'দিন!
হোম > টিপস
গরমে চুলের যত্ন
ক্যাম্পাস ডেস্ক টিপস
প্রচন্ড রোদে কিছুক্ষণ থাকার পর চুলের অবস্থাটা কেমন বেহাল হয়ে যায়
আসলে সূর্যালোকের প্রভাবে চুলের এত মাত্রায় ক্ষতি হয় যে ধীরে ধীরে চুল রুক্ষ এবং বেজান হতে শুরু করে
তার উপর অতি বেগুনি রশ্মির খারাপ প্রভাব তো রয়েছেই