content
stringlengths
0
129k
সেজন্যই নারীরা আজও সৌন্দর্যের প্রতি সচেতন থাকে (বিলিয়ন ডলারের কসমেটিক্স ইন্ডাস্ট্রি মূলতঃ নারীদের জন্যই), কারণ পুরুষেরা সুন্দরীর নারীর প্রতি লালায়িত হয়
ব্যাপারগুলো তো মিথ্যে নয়!
তবে ব্যাপারটা এখন সাইক্লিক হয়ে গেছে
এটা ঠিক প্রতিভাধর হয় কেবল নারীদের আকর্ষণের জন্য - এটা ঢালাওভাবে বলা ঠিক নয়, কিংবা আরো ভাল ভাবে বললে 'পলিটিকালি কারেক্ট' নয়, কিন্তু বিবর্তনের ইতিহাসের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে 'দৃষ্টি আকর্ষনের' ব্যাপারটা একেবারে ফেলে দেয়া যাবে না
আর অনেক প্রতিভাধরেরাই (আমি বাদে) যে নিজেদের প্রতিভাকে নারীলিপ্সার কাজে ব্যবহার করেছেন, সেটা তো আমার লেখায় উদাহরণ দিয়েছিই
তারপরেও লেখায় কিছুটা অসম্পুর্ণতা আছে, সেটা স্বীকার করছি
সেগুলো দেখি ঠিক করার চেষ্টা করব
আর মেয়েদের প্রতিভা কিসে ব্যনহৃত হয় সেটাও উল্লেখ করা দরকার
যেখানে সামাজিকভাবে ( এখনো বেশীরভাগ সমাজেই) মেয়েদের প্রতিভা ছেলেদের সমান নয় এটা নিয়ে সন্দেহ প্রকাহ করা হয় সেখানে এই ধরণের তথ্যগুলো ইঙ্কলুড করার খুবই জরুরী বলেই মনে করি
এই অসম্পুর্ণতার ব্যাপারটা স্বীকার করে নিচ্ছি
তবে এই লেখাটা একেবারেই পুরুষতান্ত্রিক লেখা
আমাদের মইনুল রাজু সদ্য বিয়ে করে পরলোকগত হয়েছেন, উনার সদগতি করার জন্যই খুব বেশি ব্যালেন্স করতে পারিনি, আসলে ইচ্ছেটাও ছিল না
কারণ, ব্যালেন্স করার জন্য লেখাটি লিখি নি; লিখেছি রাজুকে মৃত প্রমাণ করতে
কাজেই এই লেখায় ব্যালেন্স ভিউ না পাওয়ারই কথা
তবে একটি প্রশ্ন আমাকে প্রায়ই আন্দোলিত করে
ব্লগের নারীবাদীরা তো ফেনিয়ে ফেনিয়ে কেবল নারীদের নিয়ে বহু লেখা অতীতে লিখেছেন, এখনো লিখছেন
সে লেখাগুলোতে পুরুষেরা 'ব্যালেন্সড'ভাবে উঠে আসে কই? আমি কাঠখোট্টা বিজ্ঞান নিয়ে লিখি বলেই আমার কাছ থেকে কেবল 'ব্যালেন্স করা' লেখা আশা করলে ব্যাপারটা একটু অন্যায় হয়ে যায় না? নারীবাদীরা যদি পারে, আমি কেন কেবল পুরুষদের নিয়ে লেখা লিখবার পারুম না? আমারো তো মাঝে মধ্যে পুরুষবাদী হতে মঞ্চায়... 🙁
ফরিদ আহমেদ সেপ্টেম্বর 17, 2010 1:01 পূর্বাহ্ন -
এই অসম্পুর্ণতার ব্যাপারটা স্বীকার করে নিচ্ছি
তবে এই লেখাটা একেবারেই পুরুষতান্ত্রিক লেখা
এতক্ষণে অরিন্দম কহিলো বিষাদে ...............
আমাদের মইনুল রাজু সদ্য বিয়ে করে পরলোকগত হয়েছেন, উনার সদগতি করার জন্যই খুব বেশি ব্যালেন্স করতে পারিনি, আসলে ইচ্ছেটাও ছিল না
কারণ, ব্যালেন্স করার জন্য লেখাটি লিখি নি; লিখেছি রাজুকে মৃত প্রমাণ করতে
এক মৃত আরেক মৃতরে মৃত প্রমাণ করতে চায়! অন্ধ দেখায় অন্ধরে পথ!! দুনিয়াটাতো বড় আজব জায়গারে ভাই!!!
তবে একটি প্রশ্ন আমাকে প্রায়ই আন্দোলিত করে
ব্লগের নারীবাদীরা তো ফেনিয়ে ফেনিয়ে কেবল নারীদের নিয়ে বহু লেখা অতীতে লিখেছেন, এখনো লিখছেন
সে লেখাগুলোতে পুরুষেরা 'ব্যালেন্সড'ভাবে উঠে আসে কই? আমি কাঠখোট্টা বিজ্ঞান নিয়ে লিখি বলেই আমার কাছ থেকে কেবল 'ব্যালেন্স করা' লেখা আশা করলে ব্যাপারটা একটু অন্যায় হয়ে যায় না? নারীবাদীরা যদি পারে, আমি কেন কেবল পুরুষদের নিয়ে লেখা লিখবার পারুম না?
যাক, লাইনে আসছো এইবার
আমি পুরুষবাদী হবার পিছনে বহু আগে এই যুক্তিই দিছিলাম একবার বন্যারে
মামুন ভাইও তাতে সায় দিছিলো
আমারো তো মাঝে মধ্যে পুরুষবাদী হতে মঞ্চায়
পুরুষবাদী হইতে সব পুরুষেরই ইচ্ছা করে
এতে লজ্জার কিছু নাই
তবে, ধর্মেও আছি আবার জিরাফেও আছি ধরনের গাছেরটাও খাইবা সেই সাথে তলারটাও কুড়াবা তা অবশ্য চলবো না
পুরুষবাদী হইতে চাইলে বিশুদ্ধ পুরুষবাদীই হইতে হইবো আমার মতন
নইলে বেইল নাই
অভিজিৎ সেপ্টেম্বর 17, 2010 1:29 পূর্বাহ্ন -
@ফরিদ আহমেদ,
পুরুষবাদী হইতে চাইলে বিশুদ্ধ পুরুষবাদীই হইতে হইবো আমার মতন
নইলে বেইল নাই
হ তারপর আপনের মত মাহফুজ সাহেবের দেয়া 'ধর্ষণকারী' খেতাব পাই আর কি!
রৌরব সেপ্টেম্বর 17, 2010 1:01 পূর্বাহ্ন -
আর অনেক প্রতিভাধরেরাই (আমি বাদে)
আপনার শেষের দিকের মনোভাবের সাথে একমত পোষণ করছি
শুধু নারী-পুরুষের ব্যাপারই নয়, যেকোন ব্যাপারে সার্বক্ষণিক ব্যালান্সের দাবিটা খুব উপকারী বলে মনে হয়না
মাঝে মাঝে এক একটি জিনিসের উপর ফোকাস করার প্রয়োজন পড়ে
অপার্থিব সেপ্টেম্বর 15, 2010 11:08 পূর্বাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
আরো একটু ব্যাখায় দেই
ময়ুরের পুচ্ছ দিয়ে
মুয়ুরের লম্বা পুচ্ছ ময়ুরীদের আকর্ষন করে আর সেকারণে ময়ুরীরা লম্বা পুচ্ছ ওয়ালা ময়ুরের প্রতি আকৃষ্ট হয়
ময়ুরও সাদরে তাদের গ্রহণ করে
এটাকে কে মুয়ুরের ময়ুরী লিপ্সা বলা ঠিক হবে না
ছেলেদের প্রতিভাটাও ময়ুরের লম্বা পুচ্ছের মত
আরেকটা কথা আগের মন্তব্যে বলা হয়নি বা অসম্পূর্ণ থেকে গেছে সেটা হল নারীদের আকৃষ্ট হবার ক্রিয়াটি আর তা নরদের গ্রহণ বা প্রত্যাখানের ব্যাপারটি
এটা সামাজিক বা কালচারাল ব্যাপার
রক্ষনশীল সমাজে নারীরা তাদের আকর্ষণ বোধ করলেও সামাজিক ইনহিবিশনের/মূল্যবোধের জন্য তা ব্যক্ত করে না
প্রতিভাবান পুরুষও সেই একই সামাজিক ইনহিবিশনের/মূল্যবোধের জন্য আকৃষ্ট নারীদের (যারা সাহস করে এগিয়ে আসেও) এড়িয়ে চলে, যেটা হয়ত সিভি রামন বা মেঘনাদ সাহার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
নাসিম ফিরোজ সেপ্টেম্বর 17, 2010 1:13 পূর্বাহ্ন -
@অপার্থিব, ভাল লেগেছে
:: :: ::
আদিল মাহমুদ সেপ্টেম্বর 15, 2010 10:40 অপরাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
অমর্ত্য সেনের নামেও কি কি যেন শুনেছিলাম? রবি শংকর?
মুহাইমীন সেপ্টেম্বর 16, 2010 6:18 অপরাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
উনি কিছু কিছু জায়গায় 'নারীলিপ্সা' ব্যবহার না করে নারীপ্রেম ব্যাবহার করলে বোধ হয় সঠিক হত
সংশপ্তক সেপ্টেম্বর 15, 2010 10:16 পূর্বাহ্ন -
সাতোশি কানাজাওয়ার ' :
- ' এ ব্যপারটা পরিস্কার করা হয়েছে
আমাদের আদি পূর্বপুরুষদের বিশেষ করে দুটো বিষয়ে প্রতিযোগিতামূলক মেধা ব্যয় করতে হতো - খাদ্য সংগ্রহের জন্য শিকার ও বংশ বিস্তারের জন্য নারী
আধুনিক বিবাহিত পুরুষদের এ দুটো বিষয়ে মেধা ব্যয় হ্রাস পাওয়ায় এর সুদূর প্রসারী নেতিবাচক প্রভাব পড়ে তাদের সার্বিক প্রতিযোগিতামূলক মনোভাবে
অনেক ক্ষমতাবান ব্যক্তি ও সফল বুদ্ধিজীবীদের তাই বিবর্তনীয় প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব টিকিয়ে রাখতে দুর্নীতি ,বহুগামিতা , বিবাহ-বিচ্ছেদ ইত্যাদির আড়ালে সার্বক্ষনিক শিকারী সেজে থাকতে হয়
দূরদর্শীরা চিরকুমার থাকেন
অভিজিৎ সেপ্টেম্বর 15, 2010 8:18 অপরাহ্ন -
সাতোশি কানাজাওয়ার ' :
- ' এ ব্যপারটা পরিস্কার করা হয়েছে
আমার লেখাটির বড় একটা অংশই পেপারটার উপরে ভিত্তি করে লেখা
আসলেই চিন্তা জাগানোর মত পেপার
ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য
বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 15, 2010 9:48 পূর্বাহ্ন -
এটার মধ্যে বিবর্তনকে টানা বোধ হয় অনেকেই আপত্তি করবে
কারন বয়সের সাথে আমাদের মস্তিস্কের ক্ষমতাও কমতে থাকে
আমি যদ্দুর জানি ৫০০০ বছর আগে মানুষের গড় আয়ু ছিল ২২ বছর-অর্থাৎ জীবনের বাকী বছরগুলো আধুনিক চিকিৎসা বিদ্যার দান
তবে এটা ঠিক নারীর ওপর অধিকার অর্জনের জন্যে পুরুষ প্রতিযোগী হয়-আমার একটা গল্প মনে পড়ল
তখন ১১-১২ এ পড়ি আর ভারতে ওই দুটো বছর সব থেকে গুরুত্বপূর্ন-কারন ১২ ক্লাসের পরে যে কম্পিটিটিভ পরীক্ষাগুলি দিতে হয় সেটাই ছেলেদের ক্যারিয়ার গড়ে দেয়
নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে তখন মাধ্যমিকে রাঙ্ক করা সব কটা ছেলে পড়ে-অর্থাৎ রাজ্যের সেরা ছেলেদের ভীর
এদিকে মিশনের পাঁচিলে চৌহাদ্দিতে মেয়েদের ঢুকতে দেওয়া হত না
মানে কলেজ ক্যাম্পাসের ১২০০ একর জমিতে মেয়েদের প্রবেশ নিষেধ-ব্রহ্মাচর্য শ্রম বলে কথা
শুধু রবিবারে মায়েরা আর বোনেরা আগাম অনুমতি সাপেক্ষে ঢুকতে পারত
তাও হোস্টেলে বা কলেজে ঢোকার অনুমতি তাদের ছিল না
সে এক আজব পৃথিবী
ছাত্ররা একদম নারী বর্জিত পবিত্র জীবনে পঠন পাঠন করবে-এটা হচ্ছে মিশনের গোল ( বা ছাগল) যায় বলুন না কেন
এদিকে গিল্টি বাই এসোশিয়েশন বলে একটা জিনিস কাজ করে
ওখানে দিনে রাতে ভারতীয় দর্শনের ওভারডোজ চলত
সবাই এক কানে ঢুকিয়ে ওকানে বার করে দিত-তবে কিছু কিছু প্রভাব থাকেই-কিছু না হলেও জীবন জিজ্ঞাসা ঢুকেই যায়
আমার মনে আছে এক গভীর রাত্রে ওখান কার স্টাডি রুমে হঠাৎ করে কার মাথায় ঢুকলো আচ্ছা আমরা এত খাটছি কেন-মানে এত পড়াশোনার চাপ নিয়ে কি হবে?
স্টাডিরুমে তখন ১৭ বছরের ডজন দুয়েক কিশোর
মোটামুটি সবাই পরিস্কার ভাবেই একমত হল-তাদের জীবনে আর কোন লক্ষ্য নেই-তারা একপিস সুন্দরী বৌ চাই জীবনে
আর সেটা ভাল ক্যারিয়ার ছারা আসবে না