content
stringlengths
0
129k
নিশাচর সেপ্টেম্বর 15, 2010 1:44 অপরাহ্ন -
অনেক মজা পেলাম
:: :: 🙂
বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 15, 2010 10:18 পূর্বাহ্ন -
আমি অভিজিতের একটা ব্যাপারের সাথে একমত না
সেটা হচ্ছে প্রতিভাবান পুরুষের নারী লিপ্সা নিয়ে
আইনস্টাইনের জীবনে ৭-৮ নারী ছিল-এটা কি খুব বেশী কিছু পাশ্চাত্যের গড়ের তুলনায়? আমেরিকাতে একজন পুরুষ সারা জীবনে ৭ বার বিয়ে করে-৫০-৬০ জন নারীর শয্যাসঙ্গী হয়
সেখানে আইনস্টাইনের পরিসংখ্যান ত সাধু
আমাদের পাতলা বাঙালী পেটে তা না সইতে পারে-কিন্ত পাশ্চাত্যের গড়ের তুলনায় সেসব কিছুই না
ভারতীয় বিজ্ঞানীদের নামে এসব শোনা যায় না
সিভি রামন বা মেঘনাদ সাহা ঋষিতুল্য ছিলেন
সুতরাং আমার মনে হয় প্রতিভাবান হলেই মেয়ে নিয়ে বেশী ছুক ছুক করে এটা কল্পিত লাইন
যে সংখ্যাতত্ত্ব দেওয়া হলে তাতে প্রমানিত হয় না, উনারা গরের চেয়ে বেশী লীলাময় ছিলেন
একজন মুসলিম বিজ্ঞানী যেকারনে আস্তিক হয়-এক জন পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানীর ঠিক সেই কারনেই একাধিক সঙ্গিনী থাকে
সামাজিক অবস্থান ছারা এটা আর কিছুই না
অপার্থিব সেপ্টেম্বর 15, 2010 10:47 পূর্বাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
আমি অভিজিতের একটা ব্যাপারের সাথে একমত না
সেটা হচ্ছে প্রতিভাবান পুরুষের নারী লিপ্সা নিয়ে
আমার মনে হয়ে যেটা পরিস্কার করা উচিত ছিল সেটা হল, প্রতিভা নারী লিপ্সার কারণ নয়, একটা বৈবর্তনিক কৌশল (অচেতন)
প্রতিভাবানদের প্রতিভা দ্বারা নারীদের আকর্ষণ করার টোপ হিসেবে কাজ করে (আবারো বলছি বৈবর্তনিক প্রবৃত্তির কারণে, সচেতন ইচ্ছার জন্য নয়), যার কারণে নারীরাই প্রিভাবানদের প্রতি আকৃষ্ট হয়
নারীরা নিজেই আকৃষ্ট হয়ে এগিয়ে আসলে তা প্রত্যাক্ষ্যান করা না করা অন্য বিবেচনার কথা
অভিজিৎ সেপ্টেম্বর 15, 2010 6:57 অপরাহ্ন -
@অপার্থিব,
আমার মনে হয়ে যেটা পরিস্কার করা উচিত ছিল সেটা হল, প্রতিভা নারী লিপ্সার কারণ নয়, একটা বৈবর্তনিক কৌশল (অচেতন)
প্রতিভাবানদের প্রতিভা দ্বারা নারীদের আকর্ষণ করার টোপ হিসেবে কাজ করে (আবারো বলছি বৈবর্তনিক প্রবৃত্তির কারণে, সচেতন ইচ্ছার জন্য নয়), যার কারণে নারীরাই প্রতিভাবানদের প্রতি আকৃষ্ট হয়
আদিম কালের শিকারী সংগ্রাহক পরিস্থিতিতে পুরুষদের রিসোর্স ছিল শক্তিমত্তা
দৈহিক মারামারি বা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পুরুষেরা এটি অর্জন করতে চাইতো, আর প্রকারান্তরে নিশ্চিত করতো অধিক নারীর প্রাপ্তি
আজকের সমাজে আসলে আমাদের মাথায় রাখতে হবে, অর্থকড়ি, প্রতিভা, স্মার্টনেস, চৌকষগুণাবলী সবকিছুই বিবর্তনীয় দৃষ্টিকোন থেকে এক ধরণের রিসোর্স
সেজন্যই সেগুলো অর্জনের জন্য প্রতিযোগিতা হয়
মেয়েরাও অর্থ স্ট্যাটাসে বলীয়ান, কেতা দুরস্ত কিংবা স্মার্ট ছেলে পছন্দ করে
এগুলো সবই আসলে সঙ্গমী মননের অভিব্যক্তি
আমি আমার আগের পর্বে (সহিংসতা, নির্যাতন এবং 'লুল পুরুষ' উপাখ্যান - একটি বিবর্তনীয় অনুসন্ধান) দেখিয়েছিলাম, যে, অর্থ-প্রতিপত্তি আর ক্ষমতায় বলীয়ান পুরুষেরাই বেশি পরকীয়ায় বেশি আসক্ত হন বেশি
কারণ তাদের রিসোর্স থাকে অন্য প্রতিযোগিদের থেকে বেশি
আমাদের অস্বস্তি লাগলেও ব্যাপারটা এক ধরণের বিবর্তনীয় কৌশলই বটে
জিওফ্রি মিলার তার অসাধারণ গ্রন্থ 'সঙ্গমী মনন' -এ ( : ) এগুলো নিয়ে খুব চমৎকার আলোচনা করেছেন
বিপ্লব, বইটা পড়ে দেখতে পারো
বন্যা আহমেদ সেপ্টেম্বর 15, 2010 9:46 অপরাহ্ন -
@অপার্থিব, লেখাটায় বেশ কিছু অসতর্কতা রয়েছে
এর থেকে বেশ কিছু ভুল ধারণার সৃষ্টি হতে পারে( আমার মতে খুব সতর্ক না থাকলে বিবর্তনীয় মনোবিদ্যার যে কোন লেখাতেই তা ঘটার সম্ভবা থাকে খুব বেশী) এখানে পরিষ্কার করা দরকার যে, প্রতিভা থাকলেই পুরুষ নারী লিপ্সু হবে তা নয়, তবে প্রতিভাবান পুরুষেরা তাদের এই 'বিশেষ গুণ'টিকে নারীদের মনোযোগ আকর্ষনের কাজে ব্যবহার করতে পারে
আর বড় বড় বিজ্ঞানী, খেলোয়ার বা সাহিত্যকদের উদাহরণ যেভাবে দেওয়া হয়েছে সেটাতেও বোধ হয় বোঝার ভুল আছে
তাদের কথা আমরা বেশী জানি কারণ তারা খবরে আসেন, মিডিয়া এসব খবর প্রচার করে তাদের কাটতি বাড়ায়
আইন্সটাইন বা ক্লিন্টন যা করেছে তা এখানে অহরহ ঘটে, আমাদের দেশেও এ ধরণের ঘটনা ঘটে, সামাজিক প্রেসারের কারণে হয়তো কিছু কম ঘটে বা ধামাচাপা দেওয়া হয়
আমাদের দেশে নিম্নবিত্ত সমাজে ডিভোর্স, বহুগামীতা বা পরকীয়তা অনেক বেশী দেখা যায়, সেখানে তো প্রতিভাবান সেলিব্রিটি পুরুষেরা থাকে না
লেখাটা তথ্যগুলো ঠিক আছে ধরে নিলেও এর সবগুলো টোন এবং কনক্লুশানের সাথে কিছুতেই একমত হতে পারছি না
অভিজিৎ সেপ্টেম্বর 15, 2010 9:55 অপরাহ্ন -
@বন্যা আহমেদ,
এখানে পরিষ্কার করা দরকার যে, প্রতিভা থাকলেই পুরুষ নারী লিপ্সু হবে তা নয়, তবে প্রতিভাবান পুরুষেরা তাদের এই 'বিশেষ গুণ'টিকে নারীদের মনোযোগ আকর্ষনের কাজে ব্যবহার করতে পারে
আরে এই কথা আর কতভাবে পরিস্কার করুম! প্রতিবারই পর্ব লিখে তা হলে উপরে 'সতর্কবানী' ঝুলায় দিতে হবে
প্রতিভা থাকলেই নারীলিপ্সু হয় না, কিন্তু প্রতিভাকে আইনস্টাইনের মতো অনেক 'প্রতিভাধরেরাই' নারীলিপ্সার নিয়ামক হিসেবে ব্যবহার করেছেন
আমি তো করতেসি না 🙂 (অবশ্য এখানে প্রতিভা না থাকাটাও কারণ হতে পারে)
এর আগেরপর্বেই লিখেছিলাম -
একটি ব্যাপারে এখানে সতর্ক থাকা প্রয়োজন
উপরের আলোচনা থেকে কেউ যদি ধরে নেন, ক্ষমতাশালী হলেই সবাই পরকীয়ায় আসক্ত হবেন কিংবা নারীলোলুপ হয়ে যাবেন, তা কিন্তু ভুল হবে
আমাদের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এরশাদের নামে যে রকম নারী কেলেঙ্কারীর অপবাদ ছিলো, বাংলাদেশের অন্য অনেক রাষ্ট্রপতির (যেমন শেখ মুজিবর রহমান কিংবা জিয়াউর রহমান প্রমুখ)দের ক্ষেত্রে তা ছিলো না
অথচ সকলেই ছিলেন একইরকমভাবেই বাংলাদেশের ক্ষমতার শীর্ষে
আমেরিকাতে বিল ক্লিন্টন মনিকার সাথে যা করেছেন বুশ কিংবা ওবামা তা করেননি
ক্ষমতা থাকলেই কেউ এরশাদের মত নারীলোলুপ হয় না, খুব সত্যি কথা
কিন্তু এরশাদ সাহেবের মত এত ব্যাপকহারে নারীলোলুপতা বাস্তবায়িত করতে হলে বোধ করি রাজৈনৈতিক, সামাজিক বা অর্থনৈতিকভাবে যথেষ্ট ক্ষমতাশালী হওয়া চাই
অর্থাৎ, ক্ষমতার শীর্ষে থাকলে কিংবা ক্ষমতাশালী হয়ে উঠলে সেই 'পুরুষালী লালসা' পুরিস্ফুটনের সুযোগ থাকে বেশি, ব্যাপারটা ত্বরান্বিত হয় অনেক ক্ষেত্রেই
আকবরের পক্ষেই সম্ভব ছিলো ৫০০০ নারীর হারেম পোষার, কিংবা সুলতান মৌলে ইসমাইলের পক্ষেই সম্ভব ছিলো ১০৪২জন সন্তান সন্ততি ধরাধামে রেখে যাবার, সহায়সম্বলহীন রহিমুদ্দিনের পক্ষে নয়
ব্যাপারটা প্রতিভার জন্যও একইভাবে খাটে
কিন্তু এরকম সতর্কবানী প্রতিটি পর্বে দিতে থাকলে তো অবস্থা কেরোসিন হয়ে যাবে
আমি তো ভাবছিলাম বুদ্ধিমানের জন্য ঈশারাই কাফি... 🙁
বন্যা আহমেদ সেপ্টেম্বর 16, 2010 11:19 অপরাহ্ন -
@অভিজিৎ, <
আরে এই কথা আর কতভাবে পরিস্কার করুম! প্রতিবারই পর্ব লিখে তা হলে উপরে 'সতর্কবানী' ঝুলায় দিতে হবে
প্রতিভা থাকলেই নারীলিপ্সু হয় না, কিন্তু প্রতিভাকে আইনস্টাইনের মতো অনেক 'প্রতিভাধরেরাই' নারীলিপ্সার নিয়ামক হিসেবে ব্যবহার করেছেন
এই লেখাটার সমস্যাটা 'একবার না একশবার' সতর্কবানী দেওয়া হয়েছে কি হয়নি তা তে নয় বরং সমস্যাটা বোধ হয় এর টোনে
ব্যাপারটা অনেকটা সব নবীই রসুল না কিন্তু সব রসুলই নবী ধরণের
আমার মতে, ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত এখানে যেটা পরিষ্কার হয়নি তা হল, প্রতিভাবান ছেলেরা নারীলিপ্সু হলে তারা এই প্রতিভাকে মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষন করতে ব্যবহার করতে পারে রিসোর্স হিসেবে
লেখাটার বিভিন্ন জায়গায়ই বিভিন্ন উক্তিতেই কিন্তু এর উল্টোটাই প্রকাশ পেয়েছে
মনে হচ্ছে যেন ছেলেরা প্রতিভার বিকাশই ঘটায় বা অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ে যেন শুধুমাত্র মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষন করার জন্য
যেমন ধর নীচের এই উদ্ধৃতিতেঃ
অপরাধপ্রবণতা আর মেধা দুটোই আসলে তারুন্যের প্রতিযোগিতামুলক অভিব্যক্তির ফসল, আদিম শিকারী-সংগ্রাহক পরিস্থিতিতে যার চূড়ান্ত নিয়ামক ছিলো প্রজননগত সাফল্য
এই ধারার প্রভাব আজকের সমাজেও একটু চেষ্টা করলেই লক্ষ্য করা যাবে
মারামারি কাটাকাটি এবং সহিংসতায় কম পরিমাণে নিজেকে নিয়োজিত করে বরং বহু পুরুষ তার উদ্দীপনাকে কাজে লাগায় প্রতিভার নান্দনিক (কেউ বৈজ্ঞানিক আবিস্কার, কেউ সঙ্গিত সাধনা, কেউ খেলাধূলা, কেউ শিল্প সাহিত্য সৃষ্টি, কেউবা অর্থোপার্জন) বিকাশে
আসলে এর মাধ্যমে প্রকারান্তরে সে নিশ্চিত করে অধিক নারীর দৃষ্টি, এবং সময় সময় তাদের অর্জন এবং প্রাপ্তি
লেখাটার আরেকটা আ্যলার্মিং দিক হচ্ছে দুই একটা গ্রাফে মেয়েদের প্রতিভার কথা আসলেও লেখাটা জুড়েই কিন্তু শুধু ছেলেদের কথাই এসেছে
এটা ঠিক যে জ্ঞান বিজ্ঞানে মেয়েদের পদচারণা বেশিদিনের নয়,কিন্তু গত এক শতকে হিসেব করলে এর সংখ্যা নিতান্তই কমও নয়, এর আগেও খুঁজলে কম হলেও কিছু তো পাওয়াই যায়
লেখকের ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ভুল বা অবহেলা (লেখককে বহু বছর ধরে চিনি বলে এখন পর্যন্ত অনিচ্ছাকৃত বলেই মনে হচ্ছে ব্যাপারটা 🙂 ) জন্যই হোক না কেন, লেখাটা পড়ে মনে হচ্ছে ছেলেদেরই শুধু প্রতিভা থাকে এবং সেটা নারীসংগ পাওয়ার পরপরি ধ্বংস হয়ে যায় আর ছেলেরাই শুধু মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষন করার চেষ্টা করে মেয়েদের কখনই ছেলেদের দৃষ্টি আকর্ষন করার ইচ্ছা বা প্রয়োজন হয় না
এটা যদি কোন ফালতু ব্লগ না হয়ে বৈজ্ঞানিক কোন লেখা হয়ে থাকে তাহলে আমি আশা করবো যে লেখক এখানে মেয়েরা ছেলেদের আকর্ষিত করার জন্য কি ধরণের রিসোর্স ব্যবহার করে সেটারও উল্লেখ থাকা দরকার
আর মেয়েদের প্রতিভা কিসে ব্যনহৃত হয় সেটাও উল্লেখ করা দরকার
যেখানে সামাজিকভাবে ( এখনো বেশীরভাগ সমাজেই) মেয়েদের প্রতিভা ছেলেদের সমান নয় এটা নিয়ে সন্দেহ প্রকাহ করা হয় সেখানে এই ধরণের তথ্যগুলো ইঙ্কলুড করার খুবই জরুরী বলেই মনে করি
এখানে যদি মানুষের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিবর্তনীয় মনোবিদ্যাই বিবেচ্য বিষয় হয়ে থাকে তাহলে মেয়েদের কথাটা না আনলে লেখাটাকে শুধু ৫০% কমপ্লিট বলা যায়, ওহ না ভুল হল, মেয়েদের সম্পর্কে গ্রাফ ৩ টাতে ভাষা ভাষা ৩ টা লাইন দেওয়া জন্য ৫১% কমপ্লিটও বোধ হয় বলা যেতে পারে
এখন এই পর্যন্তই, 'প্রতিভাবান কিছু পুরুষের' কার্যাবলী 'তদারক' করার জন্য এখনই ছুটতে হচ্ছে বলে আর বিস্তারিতভাবে লিখতে পারছি না এখন 🙂
অভিজিৎ সেপ্টেম্বর 17, 2010 12:30 পূর্বাহ্ন -
বড় সড় সমালোচনার জন্য ধন্যবাদ
যদি কখনো লেখাটা কোন বইয়ের অংশ হয় - তোমার সমালোচনাগুলো নিঃসন্দেহে আমার বক্তব্যকে গোছাতে সাহায্য করবে
কিছু ব্যাপারে আমার মতামত দেই
আমার মতে, ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত এখানে যেটা পরিষ্কার হয়নি তা হল, প্রতিভাবান ছেলেরা নারীলিপ্সু হলে তারা এই প্রতিভাকে মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষন করতে ব্যবহার করতে পারে রিসোর্স হিসেবে
লেখাটার বিভিন্ন জায়গায়ই বিভিন্ন উক্তিতেই কিন্তু এর উল্টোটাই প্রকাশ পেয়েছে
মনে হচ্ছে যেন ছেলেরা প্রতিভার বিকাশই ঘটায় বা অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ে যেন শুধুমাত্র মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষন করার জন্য
জিওফ্রি মিলার, ম্যাট রিডলী, সাতোসি কানাজাওয়া সহ অনেক বিবর্তনবাদী মনোবিজ্ঞানীই কিন্তু প্রতিভা, স্মার্টনেস, ইন্টেলিজেন্স - এগুলোকে যৌনতার নির্বাচন বা সেক্সুয়াল সিলেকশনের ফল বলে মনে করেন
এখন প্রতিভার উদ্ভব আর বিকাশে 'সেক্সুয়াল সিলেকশন' ব্যাপারটা কাজ করে থাকলে দৃষ্টি আকর্ষনের মাধ্যমে নির্বাচিত হবার ব্যাপারটি অবধারিতভাবেই বিবর্তনের ইতিহাসে কাজ করেছিলো
আগে হয়তো প্রতিভা কাজ করতো খুব স্পেসিফিক ছোট স্কেলে
যে ব্যক্তি তার উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে নিখুঁত এবং ধারালো অস্ত্র বানাতে পেরেছিলো - এবং গোত্রকে দিয়েছিলো অধিক শিকার এবং মাংসের নিশ্চয়তা, তারা হয়ে উঠেছিলো গোত্রের হার্টথ্রব
এ ধরণের প্রতিভাধর টুল মেকারেরা নারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পেরেছিলো অধিক মাত্রায়
ফলে তারা পার্টনার দিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলো
একইভাবে পুরুষেরাও নারীদের বিভিন্ন প্রতিভাকে নির্বাচিত করেছিলো, করেছিলো বুদ্ধিমত্তা, স্মার্টনেস এবং করেছিলো সৌন্দর্যকেও