content
stringlengths
0
129k
একগামিতা তো বাবা মা এর মধ্যে দৃঢ় বন্ধনেরই এক লক্ষণ
শিশুর অসহায়ত্ব - > বাবা মা মধ্যে দৃঢ় বন্ধন - > একগামিতা
আমিও তাই বলেছিলাম আমার আগের লেখায়
এখানে আমরা একই কথাই বলছি, যদিও একটু ঘুরিয়ে
আবুল কাশেম সেপ্টেম্বর 16, 2010 4:58 পূর্বাহ্ন -
@অপার্থিব,
পুরানকে হটিয়ে নতুনদের স্থান করে দেয়াই তার লক্ষ্য
বিশেষ করে সন্তান সন্ততি বড় হয়ে যাবার পর বৃদ্ধ পিতা মাতারা বিবর্তনের দৃষ্টিতে প্যারাসাইট ছাড়া কিছু না
তাদের কোন বৈবর্তনিক মূল্য নেই
কি নিষ্ঠুর এই বিবর্তনবাদ! এর থেকে আমদের মুক্তির কোন উপায়ই ত নাই দেখছি না
কী হবে এই নিষ্ঠুর বিজ্ঞান শিখে, এত দীর্ঘ্য আলোচনা করে
আল্লা পাক কি আমাদের এই নিষ্ঠুর দানবের হাত রক্ষা করব্রন না - পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়া, রোজা রাখা , হজ্জ্ব করা - -ইত্যাদি! এ সবই কী বৃথা যাবে?
লীনা রহমান সেপ্টেম্বর 15, 2010 6:47 অপরাহ্ন -
@আবুল কাশেম,
্বিবাহের পরে কী মৃত নারী জীবিত হয়?
আমার মনে হয় বিবাহের আগে মেয়েদেরকে সাধারণত বাবার সংসারে অপরের আমানত হিসেবে রাখা হয়
সাধারণত বাবা মায়েরা বিয়ে ছাড়া অর্থাৎ স্বামী ছাড়া মেয়েদের নিজস্ব স্বতন্ত্র অস্তিত্ব আছে বলে মনে করেননা
বিয়ের পরে মেয়েটি নিজস্ব একটি সংসারের অধিকারী হয় তা তাকে যতটাই অবহেলা অনাদর করা হোক না কেন
তখন সবাই বলে স্বামীর সংসার হচ্ছে তার প্রকৃত সংসার, এবং এ সংসারের সমস্ত দায়িত্ব তার (যদিও অধিকাংশ সংসারে তার এ দায়িত্ব পালনের জন্য তাকে কাজের মেয়ের মতই মান দেয়া হয়
কাজের মেয়ের সাথে তার পার্থক্য হল গৃহিনী হলেন অবৈতনিক গৃহকর্মী যার মান গৃহকর্মীরও অধম
) এজন্য তার মুখ ফোটে নিজের সংসারে এসে, আর এ মুখ ফোটার আরেকটি কারণ হয়ত বেশি অনাদর, অবহেলা ও অসম্মানের ফলে সৃষ্ট অশান্তি ও বিরক্তি
আর বিয়ের আগে ছেলেদের কাজের পথে সামাজিকি বাধা থাকে কম, বাবা-মার পক্ষ থেকে প্রায়ই থাকে প্রশ্রয়, নিজের মত বাস্তবায়নের স্বাধীনতা তা বাবা-মা বা সমাজের মনঃপুত হোক বা না হোক
সে তুলনায় একটি মেয়ের প্রশ্রয় বা স্বাধীনতা কিছুই থাকেনা, বরঞ্চ থাকে অনেক সামাজিক ও পারিবারিক বাধা
বিয়ের পর একটি ছেলের ঘাড়ে অনেক দায়িত্ব পড়ে ঠিকই তবে সামাজিক বা পারিবারিক বাধা কিন্তু থাকেনা
অথচ একটি মেয়ের বিয়ের পর সাধারণত তাকে জড়িয়ে থাকা বাধার শেকল আরো শক্ত হয়, দায়িত্ব তো বাড়েই তা সে ঘরে বাইরে যেখানেই হোক
কিন্তু দুঃখের বিষয় সে তার কাজের যথাযথ মূল্যায়ন পায়না
ছেলেটি চাইলেই পারে তার মন মতো কাজ করতে, হয়ত দায়িত্বের চাপে ও ব্যস্ততায় তা হয়ে ওঠেনা কিন্তু মেয়েটিকে হয়ত তার পছন্দের কাজ বা চিন্তাটি ছাড়তে হয়
তাই আমার মনে হয়,
বিয়ের আগে মেয়েদের মাঝে কিছুটা প্রাণের সঞ্চার থাকলেও বিয়ের পর অধিকাংশই কলের পুতুলে পরিণত হয়
মেয়ে এমন একটি সুপ্ত কলি যে প্রাণভরে কলি হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করতে পারেনা ফুল হয়ে ওঠা তো যোজন যোজন দূরের ব্যাপার
ব্রাইট স্মাইল্ সেপ্টেম্বর 15, 2010 9:09 অপরাহ্ন -
@লীনা রহমান, সুন্দর বিশ্লেষন
আকাশ মালিক সেপ্টেম্বর 16, 2010 2:06 পূর্বাহ্ন -
@লীনা রহমান,
মেয়ে এমন একটি সুপ্ত কলি যে প্রাণভরে কলি হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করতে পারেনা ফুল হয়ে ওঠা তো যোজন যোজন দূরের ব্যাপার
পুরুষ তাকে বিকশিত হতে দেয়না, কিন্তু অপবাদ দিবে এরা ইচ্ছে করেই ধর্মের বেড়াজালে নিজেকে আবদ্ধ করে রাখে, এরা বিকশিত হতে জানেনা
এখন শুনা যায় বিবর্তনের কোন এক ধারায় নাকি দাজ্জাল মার্কা একপ্রকার বউ জন্ম নেয়
আল্লাহর এমনই কুদরতি!
সুমিত দেবনাথ সেপ্টেম্বর 20, 2010 2:11 পূর্বাহ্ন -
@আকাশ মালিক, :: ::
আবুল কাশেম সেপ্টেম্বর 16, 2010 5:05 পূর্বাহ্ন -
@লীনা রহমান,
আপনি যা লিখেছেন তার সাথে আমি প্রায় একমত
আমদের দেশের নারীরা সত্যি আপরিসীম অন্যায় ও নির্যাতনের শিকার হয় প্রত্যেক পর্যায়ে
এর অন্যতম প্রধান কারণ মনে হয় ধর্মের নাগপাশ
বন্যা আহমেদ সেপ্টেম্বর 15, 2010 9:31 অপরাহ্ন -
@আবুল কাশেম,
্বিবাহের পরে কী মৃত নারী জীবিত হয়?
আমি অনেক নারীকে দেখেছি বিবাহের পূর্বে মুখই খুলেনা
তবে বিবাহের পর তার মুখে খৈ ভাজছে
অভির লেখা থেকে এরকম একটা সিদ্ধান্তে অনেক পাঠকই আসতে পারেন
আর এ জন্যই আমার এত আপত্তি বিবর্তনীয় মনোবিদ্যা নিয়ে
একটু অসাবধান হলেই বিজ্ঞান থেকে পপ বিজ্ঞানের স্তরে পদস্খলিত হয়ে যেতে পারে
সামজবিদ্যা সব কিছুই যেমন সামাজিক প্রেক্ষাপট থেকে বিচার করার চেষ্টা করে বিবর্তনীয় মনোবিদ্যা আবার অনেক সময়ই ঠিক তার উল্টো ভুলটা করে থাকে
আজকে একবিংশ শতাব্দীতে বসে আমরা ভুলে যাচ্ছি যে মস্তিষ্ক এবং বুদ্ধিমত্তার বিকাশের কারণে মানব বিবর্তন অনেক সময়েই অন্য রূপ ধারণ করতে পারে, শুধু জিন ট্রান্সফার এখানে মূখ্য বিষয় নাও হতে পারে, এখানে কালচারাল এবং সামাজিক বিকাশটাও উল্লেখযোগ্য এবং তাই মানব বিবর্তন খুব ইউনিক একে যে কোন একটা ছকে ফেলে বিচার করলে ভুল হয়ে যাবে
আজকে যে মেয়েরা ছেলেদের সমানাধিকার ভোগ করে তাদের ক্ষেত্রে 'পুরুষ মানুষ দুই প্রকারঃ জীবিত এবং বিবাহিত' টাইপের কথাগুলো ( 'কথা'র বদলে এখানে আরও শক্ত কোন শব্দ ব্যবহার করতে ইচ্ছা করছে, কিন্তু ব্লগে শালীনতার নিয়ম ভংগ করতে চাইনা দেখে করলাম না 🙂
লীনা এবং স্বাধীন এর উত্তরের সাথে এখানে একমত পোষণ করছি
ট্র্যডিশানাল সমাজগুলোতে অনেক সময়ই মেয়েরা বিয়ের মাধ্যমে প্রথম বারের মত তার একটা আইডিন্টিটি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয় (হ্যা কথাটা অদ্ভুত শোনালেও সত্যি, আমাদের সমাজে মেয়েদের অবস্থা এত্তাই করুন), তার ফলে সমাজে তারা অনেক কিছুতেই সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে
কিন্তু যে সম্পর্কে নারী এবং পুরুষ সমান অধিকার ভোগ করে সেখানে এই 'মরা বাঁচা'র প্রশ্নটা মেয়ে এবং ছেলে উভয়ের জন্যই সমান হওয়ার কথা
আমার চেয়ে অভি কোন অংশে কম 'জীবিত' বলে তো মনে হয়না অভির এইসব লেখার সরসতা দেখলে :- ( দুঃখিত, ব্যক্তিগত এই উদাহণটি ব্যবহার না করে পারলাম না)
বাচ্চার আপ্লটিমেট দায়দায়িত্ব মেয়েদের বলে এখানে কিছু বাড়তি ফ্যাক্টর কাজ করতে পারে তবে আজকাল তো সেটাও তো বদলাতে শুরু করেছে
আমার মতে এই ট্রাডিশানাল ব্যখ্যাগুলোর বাইরেও আরও কিছু ব্যখ্যা এখানে আসা উচিত আর সবকিছুকেই বিবর্তন এবং মেটিং মাইন্ড দিয়েই ব্যাখ্যা করতে হবে এই মনোভাবটাও পরিহার করা উচিত
অভির লেখাটার লাইন বাই লাইন রিবিউটাল দেওয়ার ইচ্ছা আছে, সময় করতে পারলে আজকেই দেওয়ার চেষ্টা করবো 🙂
বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 15, 2010 9:37 অপরাহ্ন -
@বন্যা আহমেদ, ঘরের ঝগড়া কি ব্লগে আসা ঠিক হচ্ছে
এবার তুমিও লেখ বিবর্তনীয় মনোবিদ্যার ঘোড়ার ডিম
অভিজিৎ সেপ্টেম্বর 15, 2010 9:48 অপরাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
ঘরের ঝগড়া কি ব্লগে আসা ঠিক হচ্ছে
একদম ঠিক কথা 🙂 আমার তো আইনস্টাইনের মতো প্রতিভাও নাই, নারীসঙ্গও (সেজন্যই) অনুপস্থিত
তাও দেখি ঝামেলা থেইকা মুক্তি নাই 😀
যাক বন্যার রিবিউটাল দেখার প্রত্যাশায় থাকি ... কি আর করা
'রিবিউটালের রিবিউটাল' লিখনের পারমিশন বোধ হয় পাব না 😀
বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 15, 2010 10:52 অপরাহ্ন -
আমার তো আইনস্টাইনের মতো প্রতিভাও নাই, নারীসঙ্গও (সেজন্যই) অনুপস্থিত
তাতে কি -ইচ্ছাত ষোল আনাই আছে
এটম বনাম আল্লার মল্লযুদ্ধ ছেরে " তোমায় কে বাসিয়াছে ভাল" টাইপের উপন্যাস লেখায় মন দাও-জীবন নারীময় হইবে
স্বাধীন সেপ্টেম্বর 15, 2010 10:59 অপরাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
তাতে কি -ইচ্ছাত ষোল আনাই আছে
😀 , কি কমু? কওয়ার কিছু নাই
ব্রাইট স্মাইল্ সেপ্টেম্বর 15, 2010 11:10 অপরাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
এটম বনাম আল্লার মল্লযুদ্ধ ছেরে " তোমায় কে বাসিয়াছে ভাল" টাইপের উপন্যাস লেখায় মন দাও-জীবন নারীময় হইবে
স্বাধীন সেপ্টেম্বর 15, 2010 10:15 অপরাহ্ন -
@বন্যা আহমেদ,
অভির লেখা থেকে এরকম একটা সিদ্ধান্তে অনেক পাঠকই আসতে পারেন
আর এ জন্যই আমার এত আপত্তি বিবর্তনীয় মনোবিদ্যা নিয়ে
একটু অসাবধান হলেই বিজ্ঞান থেকে পপ বিজ্ঞানের স্তরে পদস্খলিত হয়ে যেতে পারে
সহমত অনেকাংশেই
আমি এই সিরিজটাতে নিয়মিত আছি এ কারণেই
বিবর্তনীয় মনোবিদ্যা নিয়ে আমার আপত্তি নেই, যদি সেটা সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা হয়
আশা করি অভিজিৎ'দা এই বিষয়টি নিজেও সব সময় মাথায় রাখবেন
যতই ফ্যন্টাসি হিসেবে বলুন না কেন, পাঠক দেখবে আপনি লিখছেন বিজ্ঞানের বিষয় নিয়ে
সুতরাং লেখার সময় বাড়তি সতর্কতা থাকতে হবে
আর ঘরে যদি পিয়ার-রিভিউয়ার 😉 থাকে তবে তো পোষ্ট করার আগে রিভিউ করিয়ে নেওয়াটা এক প্রকার ফরজ কাজের মধ্য পরে 😀
নন্দিনী সেপ্টেম্বর 25, 2010 3:12 অপরাহ্ন -
@বন্যা আহমেদ,
'পুরুষ মানুষ দুই প্রকারঃ জীবিত এবং বিবাহিত' টাইপের কথাগুলো
মুক্তমনায় এই টাইপের শিরোনাম আশা করিনি ! 🙂