content
stringlengths
0
129k
গাণিতিক গড়ের ব্যবহার সর্বাধিক
নমুনার তারতম্য হলেও গাণিতিক
"
কেন্দ্রীয় প্রবণতা কাকে বলে?
কেন্দ্রীয় প্রবণতা কাকে বলে? কোন ডাটাকে একটি সংখ্যা বা সামারি স্ট্যাটিসটিকের ( ) মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারলে বেশ সুবিধা
ডাটাকে আমরা যদি চিত্রের মাধ্যমে দেখাই (যেমন হিস্টোগ্রাম) তাহলে দেখতে পাই যে সংখ্যাগুলো কোনো একটি বিশেষ সংখ্যার দিকে ঝুঁকে পড়ে
ডাটার এই বৈশিষ্ট্যকে কেন্দ্রীয় প্রবণতা ( ) বলে
শ্রেণীবিভাগ-সহ শিক্ষামূলক গুরুত্ব গাণিতিক গড়ের শিক্ষামূলক গুরুত্ব শিক্ষার্থীদের দুটি দলের মধ্যে তুলনামূলক বিচার করা হয়
কোন শিক্ষার্থীর যোগ্যতা বিচার করতে গড়ের প্রয়োজন হয়
(১) প্রকৃত কেন্দ্রীয় প্রবণতার মানটি জানা অপরিহার্য হয়ে পড়ে
ব্যাপক তাৎপর্য নির্ণয় করা হয়
বিভিন্ন ক্লাসের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে পারদর্শিতার মান সম্পর্কে তথ্য নির্ণয় করা যায়
ছাত্রছাত্রীদের সাফল্যের গড় মান নির্ণয় করা সম্ভব
সহ-সম্পর্ক নির্ণয়ের মাধ্যমে দুটি বিষয়ের মধ্যে সম্পর্ক খুঁজে বের করা হয়
এই গাণিতিক সমাধানে গড়-এর ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ
মধ্যমমানের শিক্ষামূলক গুরুত্ব কেন্দ্রীয় মান অপেক্ষাকৃত দ্রুত নির্ণয় করা যায়
কোনো বন্টনের মধ্যবিন্দু শুধুমাত্র নির্ণয় করা হয়
"
গণতন্ত্র কাকে বলে? গণতন্ত্রের প্রকারভেদ ও গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য
গণতন্ত্র এমন একটি শব্দ যা যুগ যুগ ধরে রাজনৈতিক চিন্তা জগতে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে
গণতন্ত্র কথাটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হচ্ছে জনগণের শাসন বা কর্তৃত্ব
গণতন্ত্র এমন এক ধরনের শাসন ব্যবস্থা যে শাসন ক্ষমতা সমাজের সদস্যদের কাছে থাকে
গণতন্ত্রের মূল কথা হচ্ছে শাসন সংক্রান্ত ব্যাপারে শাসিতের সম্মতি লাভ
গণতন্ত্রের সংজ্ঞা ( ) গণতন্ত্রের অর্থ হচ্ছে জনগণের শাসন
অতীত ও মধ্যযুগে গণতন্ত্র মূলত এ অর্থেই ব্যবহৃত হয়েছে
কিন্তু আধুনিক যুগে গণতন্ত্র বলতে আমরা কেবল এক ধরনের সরকারকেই বুঝিনা, সাথে সাথে এক ধরনের সমাজ ব্যবস্থাকেও বুঝি
এ ধরনের সমাজব্যবস্থা যেখানে বিরাজমান নেই, সেখানে শাসনপ্রথা গণতন্ত্র নামে পরিচিত হলেও তা' সম্পূণরূপে গণতান্ত্রিক নয়
তবে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে গণতন্ত্র বলতে আমরা এক প্রকার শাসন ব্যবস্থাকে বুঝি
প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বে গ্রীক ঐতিহাসিক হিরোডোটাস () গণতন্ত্রের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে বলেছেন, "গণতন্ত্র এক প্রকার শাসনব্যবস্থা যেখানে শাসন ক্ষমতা কোনো শ্রেণি বা শ্রেণিসমূহের উপর ন্যস্ত থাকে না, বরং সমাজের সদস্যগণের উপর ন্যস্ত হয় ব্যাপকভাবে
"
মাখরাজ কাকে বলে? মাখরাজ কয়টি এবং কি কি?
মাখরাজ কাকে বলে? মাখরাজ বলা হয় আরবী অক্ষর গুলো মুখ ও গলা'র যেসব স্থান থেকে উচ্চারিত হয় সেসব স্থানকে
২৯টি অক্ষর প্রত্যেকটি তার নিজস্ব স্বকীয়তা অনুযায়ী মুখ ও গলার মোট ১৭টি স্থান থেকে উচ্চারিত হয়
তাই 'মাখরাজ' মোট ১৭টি
এই ১৭টি 'মাখরাজ' আবার উচ্চারিত হয় ৫ স্থান থেকে যাকে 'মাকাম' বলা হয়
এক অক্ষরের উচ্চারণ আরেক অক্ষরের মতো হয়ে গেলে অর্থের পরিবর্তন হয়ে যায় তাই মাখরাজ জানা ও তা মেনে কুরআন পড়া অতীব জরুরী একটি বিষয়
মাখরাজ কাকে বলে এবং তা কয়টি? হরফ উচ্চারণের স্থানকে মাখরাজ বলে
আরবী হরফ ২৯টি, আর হরফ উচ্চারণের স্থাণ তথা মাখরাজ ১৭টি
এই মাখরাজগুলো তাজবীদ সংক্রান্ত কিতাবাদীতে স্ববিস্তরে পাওয়া যাবে
উচ্চারণ এর স্থান ৩টি ১. ঠোট ২.মুখের ভিতর ৩.কণ্ঠ নালী (হলক) ১. নাম্বার মাখরাজ: হলকের শুরু হতে -হামযা ,হা ء - ٥ ২. নাম্বার মাখরাজ: হলকের মধ্যখান হতে- আইন , হা ع- ح ৩. মাখরাজ: হলকের শেষ হতে-গঈন-খ' غ-خ ৪. নাম্বার মাখরাজ: জিহবার গোড়া তার বরাবর উপরের তালুর সঙ্গে লাগিয়ে-কফ-ق ৫. নাম্বার মাখরাজ: জিহবার গোড়া হতে একটু আগে বাড...
"
ব্যবস্থাপনা কাকে বলে?
ব্যবস্থাপনা কাকে বলে? মানব সভ্যতার শুরু হতে ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন মানব সংগঠনে বিস্তৃত হয়ে ছিল
প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য ব্যবস্থাপক যে সকল কার্যাবলী (পরিকল্পনা, সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নেতৃত্ব, নিয়ন্ত্রণ) সুষ্ঠুভাব সম্পাদন করে থাকে তার সমষ্টিকে ব্যবস্থাপনা বলে
ব্যবস্থাপনা বা ইটালীয় শব্দ '' থেকে এসেছে
যার শাব্দিক অর্থ হল পরিচালনা করা ( )
কিন্তু কালের বিবর্তনে এটি মূলত মানব জাতিকে পরিচালনা অর্থে ব্যবহৃত হতে শুরু করেছে
ব্যবস্থাপনাকে এক কথায় প্রকাশ করা কঠিন
বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পন্ডিত ব্যক্তি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সংজ্ঞা প্রদান করেছেন
নিচে কয়েকটি সংজ্ঞা দেয়া হলাে- আধুনিক ব্যবস্থাপনার জনক এর মতে "ব্যবস্থাপনা হলাে পূর্বানুমান ও পরিকল্পনা, সংগঠন, নির্দেশনা, সমন্বয় সাধন এবং নিয়ন্ত্রণ করা
& - এর মতে "ব্যবস্থাপনা হলাে এমন একটি স্বতন্ত্র প্রক্রিয়া যা মানুষ ও অন্যান্য সম্পদ সমূহের সুষ্ঠু ব্যবহারের লক্ষ্যে উদ্দেশ্য নির্ধারণ ও তা অর্জনের জন্যে পরিকল্পনা, সংগঠন, উদ্বুদ্ধ করন ও নিয়ন্ত্রণ কার্যের সাথে সম্পৃক
"
উৎপাদক কাকে বলে?
উৎপাদক কাকে বলে? যদি কোনো বীজগণিতীয় রাশি দুই বা ততোধিক রাশির গুণফল হয়, তাহলে শেষোক্ত রাশিগুলোর প্রত্যেকটিকে প্রথম রাশির উৎপাদক বা গুণনীয়ক () বলা হয়
2 - 2 = ( + ) ( - ), এখানে ( + ) ও ( - ) হলো 2 - 2 এর উৎপাদক
আরো পড়ুনঃ 👉 ব্যস্ত অনুপাত কাকে বলে? 👉 একান্তর কোণ কাকে বলে? 👉 সরলরেখা কাকে বলে? সরলরেখা ও সমতলের মধ্যে সম্পর্ক কি? 👉 প্রকৃত মান কাকে বলে? 👉 লগারিদম কাকে বলে? 👉 রেখাংশ কাকে বলে? 👉 উপাত্ত কাকে বলে? উপাত্তের বৈশিষ্ট্য, উপাত্তের প্রকারভেদ 👉 পরিসীমা কাকে বলে? 👉 ফাংশন কাকে বলে? 👉 বিন্দু কাকে বলে? 👉 বর্গমূল কাকে ...
'এটাই হয়তো জীবনের শেষ ভোট', ১২০ বছরের আজিরন । টাঙ্গাইলে বেলা বাড়ার সাথে ভোটার উপস্থিতিও বাড়ছে । করোনার নতুন ধরন: নিউইয়র্কে জরুরি অবস্থা ঘোষণা । আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার ২২ আসামি আদালতে । তৃতীয় ধাপে হাজার ইউপিতে ভোট চলছে । নিরাপত্তার চাঁদরে ঢেকেছে চকরিয়া-পেকুয়া । রংপুরে ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল ৩ নারী শ্রমিকের । ভুয...
আজ রবিবার, ১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ । ২৮ নভেম্বর, ২০২১ ।
আন্তর্জাতিক
শিক্ষাঙ্গন
লাইফস্টাইল
চিত্র বিচিত্র
২৪ ঘণ্টায় ৮৬৪ জন সহ স্পেনে মোট ৯০৫৩ জনের মৃত্যু
❏ বুধবার, এপ্রিল ১, ২০২০ ☵ আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট রোগ কোভিড-১৯ এ মৃত্যুপরীতে পরিণত করেছে ইউরোপের দেশ স্পেন
দেশটিতে করোনায় রেকর্ড সংখ্যক মানুষ মারা গেছেন আজ
গত ২৪ ঘন্টায় সেখানে মারা গেছেন ৮৬৪ জন
মঙ্গলবার এই সংখ্যা ছিল ৮৪৯
ইউরোপের দেশ ইতালির পরই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যার দিক দিয়ে অবস্থান স্পেনের
ইউরোপের দেশটিতে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৯ হাজার ৫৩ জন
আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ দুই হাজার ১৩৬ জন
এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরছেন ২২ হাজার ৬৪৭ জন
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল যে ইতালির পরেই স্পেনের অবস্থান হবে
সেই আশঙ্কা যেন সত্যিই হতে চলছে
স্পেনে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা রাজধানী মাদ্রিদে
সেখানে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা তিন হাজার ৬০৯ জন
রাজধানীতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৭ হাজার ৫০৯ জন
করোনায় আক্রান্তদের মৃতদেহ রাখার জন্য মাদ্রিদে তৈরি করা হয়েছে অস্থায়ী মর্গ
স্পেনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতদের স্থানান্তর করা এবং করোনায় আক্রান্তদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী
সারা বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৯ লাখ ৩ হাজার ৮১৯ জন
করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৫ হাজার ৩৩৪ জনের
সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ লাখ ৯০ হাজার ৬৮৪ জন
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪ জন
সংক্রমণে মারা গেছেন ৬ জন
চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়েছেন ২৬ জন
চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২২ জন
সিলেট অঞ্চলের ইতিহাসের কথা আমাদের অনেকেরই জানা আছে
১৭৭২ সালে সিলেট জেলার জন্ম হয়ে পরবর্তীকালে শত বছর ছিল বাংলার অধীনে
১৮৭৪ সালে আসাম প্রদেশের অধীনে সিলেট জেলা চলে যায়
বঙ্গভঙ্গের অল্প কয়েক বছর বাদে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত সিলেট জেলা আসামের অধীনেই ছিল
১৮৮২ সাল পর্যন্ত সিলেট জেলার ছিল চারটি মহকুমা, যথা-শ্রীহট্ট সদর, করিমগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ
১৮৮২ সালে শ্রীহট্ট সদর ভেঙে শ্রীহট্ট দক্ষিণ নামে আরেকটি মহকুমা তৈরি করা হয়
১৯৪৭-এর দেশ ভাগের সময়ে করিমগঞ্জ আসাম প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়
এ সময় করিমগঞ্জ সদর থানা দুইভাগ হয়ে অর্ধেক এলাকা জকিগঞ্জ থানা নামে শ্রীহট্ট সদর মহকুমার আওতাভুক্ত হয়
১৯৪০ সাল পর্যন্ত করিমগঞ্জ মহকুমার অধীনে জলঢুপ ছিল একটি থানা
এ বছর থানাটি বিলুপ্ত হয়ে বিয়ানীবাজার ও বড়লেখা থানা নামে দুটি থানা আত্মপ্রকাশ করে
১৯৪৭ এর দেশ ভাগের সময় থানা দুটি করিমগঞ্জ মহকুমা থেকে আলাদা হয়ে বিয়ানীবাজার থানা শ্রীহট্ট সদরের অধীনে চলে আসে এবং বড়লেখা চলে যায় শ্রীহট্ট দক্ষিণ মহকুমার অধীনে
১৯৪৭ এর দেশ ভাগের পর সিলেট জেলার অধীনে চারটি মহকুমা রয়ে যায়
শ্রীহট্ট সদর, শ্রীহট্ট দক্ষিণ, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ
সিলেট জেলা সৃষ্টির পর হতে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত এর নাম ছিল শ্রীহট্ট