content
stringlengths
0
129k
ব্রিটিশ শাসনের 'ডিভাইড অ্যান্ড রুল' ছিল ট্রাম্পের শাসন পরিচালনার নিয়ম
দেশের মধ্যে নিত্য কলহের সৃষ্টি
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একে একে বন্ধু হারিয়ে নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ে আমেরিকা
হোয়াইট সুপ্রিমেসির প্রবল জোয়ার
কালোরা নিষ্পেষিত
মুসলমানরা ঘৃণার অনলে দগ্ধ
ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে আমৃত্যু ক্ষমতায় রাখার অভিলাষে গণতান্ত্রিক আমেরিকায় নিজেকে এমন এক স্বৈরশাসকের ভূমিকায় প্রতিষ্ঠিত করেন যে দেশে গণতান্ত্রিক সহিষ্ণুতা, মূল্যবোধ, ন্যায়বিচারNএকে একে সব বন্দি হতে থাকে তার মুঠিতে
ট্রাম্প হেন কাজ করেননি, যা কোনোভাবেই আমেরিকার মৌলিক নীতিমালার সঙ্গে যায়
তার প্রশাসন পরিচালনার ধারার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে বা নিজেদের মানিয়ে নিতে না পারার জন্য তার ঘনিষ্ঠ অনেকে তার সঙ্গ এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব ত্যাগ করে দূরে সরে যান
নিকট অনেক স্বজনও তার সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠেন
তার নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে
প্রশ্ন ওঠে আর্থিক ও চারিত্রিক দুর্বলতা নিয়েও
তার উসকানিতে চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে নিজের উগ্রবাদী সমর্থকেরা যে তাণ্ডব চালায়, তা ১৮৬২'র গৃহযুদ্ধের পর আর কোনো সহিংসতার সঙ্গে তুলনীয় নয়
ওই ঘটনায় একজন পুলিশসহ পাঁচজন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হন
২০২০ সালের নির্বাচন এগিয়ে আসতে থাকলে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড বর্ণবাদী আচরণের শিকার হয়ে শ্বেতাঙ্গ পুলিশের নির্মমতায় মৃত্যুবরণ করে
আমেরিকাজুড়ে ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে
'ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার' স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে আমেরিকার উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিমের আকাশ-বাতাস
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে জোট বাঁধে এ দেশের মুক্তবুদ্ধির সব মানুষ এবং কালো-সাদা, সব ধর্ম-বর্ণের ইমিগ্র্যান্ট সমাজ
প্রেসিডেন্ট পদে ডেমোক্র্যাট জো বাইডেন এবং তার ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিসের পক্ষে সৃষ্টি হয় গণজোয়ার
জো বাইডেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার পক্ষে, বিশেষ করে আনডকুমেন্টেড ইমিগ্র্যান্টদের সামনে বৈধ হওয়ার সম্ভাবনা তুলে কর্মসূচি দিলে সবাই মরিয়া হয়ে ওঠে ডেমোক্র্যান্ট প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে
কৃষ্ণাঙ্গ ভোটার, যাদের বিরুদ্ধে একসময় ভোট দিতে যান না বলে দুর্নাম ছিল, তারাও সবাই ভোট দেন দল বেঁধে
২০১৬ সালের নির্বাচনে ট্রাম্প পপুলার ভোটে হেরেও ইলেক্টোরাল বিজয়ী হয়েছিলেন
কিন্তু ২০২০ সালের নির্বাচনে জো বাইডেন পপুলার ও ইলেক্টোরাল উভয় ভোটেই বিপুলভাবে বিজয়ী হন
সেই ফল উল্টে দিতেও ট্রাম্পের কত রকমের নোংরামি দেখতে পেল আমেরিকানরা, যা ইতিপূর্বে পরাজিত কোনো প্রার্থীর ক্ষেত্রে ঘটেনি
ট্রাম্প অনেকটা যেন গায়ের জোরেই সব নিয়মকানুন উল্টে দিয়ে নিজেকে 'বিজয়ী' ঘোষণা করতে চান
আমেরিকার ইতিহাসই পাল্টে দিতে চান
তবে সবকিছুর শেষে আমেরিকা যে আমেরিকাই, সেটাই প্রমাণিত হয়
জো বাইডেন ২০২১-এর ১৯ জানুয়ারি শপথ নিয়েই নির্বাহী আদেশে ট্রাম্পের অনেক আদেশ বাতিল করে দেন
বিশেষ করে, ইমিগ্র্যান্ট স্বার্থবিরোধী যেসব আদেশ ছিল
তিনি অবৈধ ইমিগ্র্যান্টদের বৈধ হওয়ার পথে যেসব প্রতিবন্ধকতা, তা দূর করে তাদের বৈধ হওয়ার পথ সুগম করার কথাও বলেন
জো বাইডেনের উদার অভিবাসন নীতি নিয়ে বৈধ-অবৈধ সব ইমিগ্র্যান্টের মধ্যেই একটা প্রত্যাশার জন্ম নেয়
এমনকি দারিদ্র্যপীড়িত বিভিন্ন দেশের মানুষও ভাগ্যান্বেষণে যুক্তরাষ্ট্রে আসার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠেন
যুক্তরাষ্ট্রে ছুটে আসার পেছনে আরেকটা বড় কারণ বাইডেনের ঘোষিত পররাষ্ট্রনীতির মূল স্তম্ভNমানবাধিকার
প্রেসিডেন্ট বাইডেন বেকায়দায় পড়েছেন তার উদারনৈতিক পররাষ্ট্রনীতি এবং মানবাধিকারের প্রতি অঙ্গীকারের কারণে
বাইরের দেশ থেকে ইমিগ্র্যান্ট হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে অসংখ্য মানুষ আমেরিকার সীমান্তে এসে জড়ো হচ্ছেন
তারা এসে নানা দুর্ভোগ নিয়ে কোনো রকমে দিন কাটাচ্ছেন
আর গোদের উপর বিষফোড়ার মতো বর্ডার পেট্রল এজেন্টদের অত্যাচার সইতে হচ্ছে তাদের
অভিযোগ রয়েছে, ট্রাম্পযুগে বর্ডার পেট্রল এজেন্টদের যে আচরণ ছিল, এখনো তা-ই আছে, কোনো পরিবর্তন হয়নি
হোয়াইট হাউস থেকে ইমিগ্রেশনপ্রত্যাশীদের সাথে তাদের এই আচরণের সমালোচনাও করা হচ্ছে
অথচ ট্রাম্পযুগের নীতির পরিবর্তন ঘটাবেন প্রতিশ্রুতি দিয়েই বাইডেন জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসেন
সীমান্তে পেট্রল এজেন্টদের আচরণে মনে হচ্ছে, বাইডেন প্রশাসন এখনো ইমিগ্রেশন নীতিমালা বাস্তবায়নে দ্বিধান্বিত, যে কারণে সমালোচিত বাইডেন প্রশাসন
নিজ দল ডেমোক্র্যাটিক এবং বিরোধী রিপাবলিকান উভয় পার্টির দিক থেকেই
ইমিগ্রেশন প্রশ্নে অনেকেই বলে থাকেন, ডেমোক্র্যাটরা মুখে ইমিগ্র্যান্টবান্ধব, রিপাবলিকানরা কর্মক্ষেত্রে ইমিগ্র্যান্টবান্ধব
সে যা-ই হোক, এবার সব আমেরিকান গভীর প্রত্যাশা নিয়ে প্রতীক্ষায় আছেন, অন্তত জো বাইডেন ইমিগ্র্যান্টদের স্বপ্নপূরণে তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবেন
তিনি যদি তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারেন, তবে ইমিগ্র্যান্টদের স্বপ্নভঙ্গ হয়তো হবে; তবে বাইডেন প্রশাসন শুধু বেকায়দায় পড়বে না, ভবিষ্যৎ নির্বাচনেও বেকায়দায় পড়ার আশঙ্কা থাকবে জো বাইডেন, এমনকি তার দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জন্যও
ইতিহাস বড়ই নির্মম!
ঠিকানা অনলাইন : কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেলকে হত্যায় অংশ নেওয়া সন্ত্রাসীদের গুলি করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে
সুজানগরের পাথুরিয়াপাড়ায় থ্রি-স্টার এন্টারপ্রাইজ নামে কাউন্সিলরের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে তাকে গুলির ভিডিও পাওয়া না গেলেও প্রতিষ্ঠানটির সামনের একটি রাস্তায় অস্ত্রধারীদের গতিবিধি ধরা পড়েছে ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরায়
২ মিনিট ৫১ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটিতে দেখা যায়, সোহেলের কার্যালয় থেকে পশ্চিম দিকে সুজানগর থেকে পাথুরিয়াপাড়া সড়কে দুই যুবক প্রকাশ্যে গুলি চালাচ্ছে
এ সময় আশপাশের সব দোকানপাট বন্ধ ছিল
রাস্তায়ও কাউকে চলাচল করতে দেখা যায়নি
ফুটেজে আরও দেখা যায়, গুলি করতে থাকা যুবকদের মুখে মুখোশ
তারা বিভিন্ন ছাদের দিকে লক্ষ্য করে গুলি করছে
ওই সময় উপর থেকে তাদের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে তারা আরও উত্তেজিত হয়ে গুলি ছুড়তে ছুড়তে পশ্চিম দিকে গিয়ে ফের পূর্ব দিকে কাউন্সিলরের কার্যালয়ের দিকে চলে যায়
এর কিছুক্ষণ পরই স্থানীয়রা বাড়িঘর থেকে বের হয়ে দৌড়ে পূর্ব দিকে কাউন্সিলরের কার্যালয়ের দিকে যান
ভিডিও ফুটেজে এক যুবকের হাতে দুটি এবং আরেক যুবকের হাতে একটি পিস্তল দেখা যায়
র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লা ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন বলেন, 'ওই এলাকার সব সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হচ্ছে
আশা করি, শিগগির জড়িতদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে
নিজ কার্যালয়ে ২২ নভেম্বর সোমবার বিকেল ৪টার দিকে কাউন্সিলর সোহেলসহ গুলিবিদ্ধ হন অন্তত ৬ জন
পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোহেল ও তার সঙ্গী হরিপদ সাহার মৃত্যু হয়
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনওয়ারুল আজিম জানান, বিকেল ৪টার দিকে কাউন্সিলর সোহেল সুজানগরে তার কার্যালয়ে বসে ছিলেন
এ সময় মুখোশ পরা ১৫ থেকে ২০ জন তাকে গুলি করে
এতে কাউন্সিলর সোহেল লুটিয়ে পড়েন
এ সময় গুলিবিদ্ধ হন হরিপদ সাহা, পাথুরিয়াপাড়ার মো. রিজু ও মো. জুয়েল এবং সুজানগর এলাকার সোহেল চৌধুরী ও মাজেদুল
স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণ করতে করতে চলে যায়
১৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হানিফ মিয়া জানান, নেতাকর্মীদের নিয়ে কাউন্সিলর সোহেল তার কার্যালয়ে বসে ছিলেন
মোটরসাইকেলে এসে কয়েকজন সন্ত্রাসী অতর্কিত গুলি চালায়
কাউন্সিলর সোহেলের ভাগনে মোহাম্মদ হানিফ জানান, 'সবাই আসরের নামাজ পড়ছিলেন
এ সময় প্রচণ্ড গোলাগুলির আওয়াজ কানে আসে
গিয়ে দেখি মামা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন
আমি নিজে মামাকে কাঁধে করে বের করি
হামলাকারীরা নগরীর ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের হতে পারে বলে মনে করেন হানিফ
চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের জেরে এ ঘটনা বলে জানান স্থানীয়রা
'খালেদা জিয়ার অবস্থা ক্রিটিক্যাল', গুজব ঠেকাতে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ | . - আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বৃহস্পতিবার, ২রা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
আন্তর্জাতিক
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ↓
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর
বাঞ্ছারামপুর
লাইফস্টাইল
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
অন্যান্য জেলা ↓
ঢাকা বিভাগ
চট্টগ্রাম বিভাগ
বরিশাল বিভাগ
রংপুর বিভাগ
রাজশাহী বিভাগ
সিলেট বিভাগ
খুলনা বিভাগ
ময়মনসিংহ বিভাগ
অন্যান্য ↓
টিপস/জানাশোনা
ইউটিউব ভিডিও
ইতিহাস ও ঐতিহ্য
ইসলাম ধর্ম
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
সাক্ষাৎকার
সাহিত্য ও সংস্কৃতি
'খালেদা জিয়ার অবস্থা ক্রিটিক্যাল', গুজব ঠেকাতে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ
আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া