content
stringlengths
0
129k
বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় ঐক্যের বিকল্প নেই ॥ রাষ্ট্রপতি করোনা ভাইরাসে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৭৬ ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ ॥ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বৈধ সরকারের পতন ঘটানো যাবে না: কৃষিমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ ॥ সেন্টমার্টিন রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা কুয়েটের শিক্ষকের মৃত্যু ॥ ৯ শিক্ষার্থী সাময়িক...
নিয়ামত আপডেট পেতে ক্লিক করুন
'; //-- .(() => { .(" ."); .() }); //-- /*.( () { .(" . "); .(); // = ..; = { : .., : .., : .., : { _: .._ } }; = (, ); });*/ //-- .();
সাবধানবাণী: বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে এই সাইটের কোন উপাদান ব্যবহার করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ এবং কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ
সম্পাদক, মুদ্রাকর ও প্রকাশক: শামীমা এ খান
সম্পাদক কতৃক গ্লোব জনকন্ঠ শিল্প পরিবার-এর সদস্য প্রতিষ্ঠান যথাক্রমে গ্লোব প্রিন্টার্স লি: ও জনকন্ঠ লি: থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত
রেজি: নং ডিএ ৭৯৬
কার্যালয়: জনকন্ঠ ভবন,
২৪/এ রাশেদ খান মেনন সড়ক, নিউ ইস্কাটন,
জিপিও বাক্স: ৩৩৮০, ঢাকা
ফোন: 88-02-222227780-99 (অটোহান্টিং ২০ টি লাইন),
ফ্যাক্স: 880-02-222221707
ই-মেইল: [ ]
ই-জনকন্ঠ: ..
® .
.
শীর্ষ সংবাদ:
বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় ঐক্যের বিকল্প নেই ॥ রাষ্ট্রপতি করোনা ভাইরাসে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৭৬ ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ ॥ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বৈধ সরকারের পতন ঘটানো যাবে না: কৃষিমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ ॥ সেন্টমার্টিন রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা কুয়েটের শিক্ষকের মৃত্যু ॥ ৯ শিক্ষার্থী সাময়িক...
নিয়ামত আপডেট পেতে ক্লিক করুন
'; //-- .(() => { .(" ."); .() }); //-- /*.( () { .(" . "); .(); // = ..; = { : .., : .., : .., : { _: .._ } }; = (, ); });*/ //-- .();
মিজানুর রহমানের গল্পটা রূপকথার মতোই
সততা আর পরিশ্রম যে মানুষকে বিমুখ করে না, এর এক উজ্জ্বল প্রমাণ তিনি
১৯৯৬ সালের দিকে 'ডোর লক' ও কিছু এক্সেসরিজ বিদেশ থেকে আমদানি করে এনে বিক্রি করতেন
তখনো তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র
সেই যে ব্যবসার শুরু, এরপর কেবলই এগিয়ে যাওয়ার পালা
নিজের সততা ও প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠা করেছেন বেশ কটি জুতার কারখানা
সেগুলো হলো- প্রিমিয়ার ফুটওয়্যার, ইউনি ওয়ার্ল্ড ফুটওয়্যার টেকনোলজি, সিন ইন ফুটওয়্যার টেকনোলজি, এম জে ইন্ডাস্ট্রিজ এবং ফরচুন স্যুজ
যা শতভাগ রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান
প্রতিদিন সেখানে তৈরি হচ্ছে সাড়ে ২২ হাজার জোড়া জুতা
যাচ্ছে ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে
আছে অন্যান্য খাতের আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান
তার প্রতিষ্ঠানগুলোতে কাজ করছেন প্রায় পাঁচ হাজার শ্রমিক
শিল্প খাতে অবদানের স্বীকৃতি এবং শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তা হিসেবে অর্জন করেছেন 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার ২০২০'
মাঝারি ক্যাটাগরিতে পেয়েছেন প্রথম পুরস্কার
মিজানুর রহমান বরিশাল বিসিক মালিক সমিতির সভাপতি
২০১৮ সালে পেয়েছেন 'সেরা সফল ইয়ং উদ্যোক্তা' এবং 'স্যার সলিমুল্লাহ পদক'
২০১৫ সালে তার প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের অন্তর্ভুক্ত হয়
দীর্ঘদিন ধরে 'এ' ক্যাটাগরিতে রয়েছে
গত বছর মার্কিন 'ফোর্বস' সাময়িকীতে 'আন্ডার অ্য বিলিয়ন' ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের কোনো স্যু ফ্যাক্টরি হিসেবে প্রথম তালিকাভুক্ত হয়
এ ছাড়া তিনি বিপিএলে 'ফরচুন বরিশাল' ক্রিকেট টিম এবং ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্রিকেট টিমের চেয়ারম্যান
মিজানুর রহমানের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল তার সংগ্রাম আর সফলতার গল্প
ছোটবেলায় বেড়ে উঠেছেন বরিশালের বাবুগঞ্জে
বাবা ছোট একটি চাকরি করতেন
পাঁচ সন্তান নিয়ে টানাপোড়েনের সংসার ছিল তাদের
ভাইদের মধ্যে সবার বড় মিজানুর রহমান
গ্রামের স্থানীয় স্কুলে যখন পড়াশোনা করতেন তখন ছিল না বিদ্যুৎ
কুপি বা হারিকেন জ্বালিয়ে তাকে পড়াশোনা করতে হয়েছে
কলেজে উঠে চলে আসেন চট্টগ্রামে এক নানার বাড়িতে
সেখান থেকেই এইচএসসি পাস করেন
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা অবস্থায় শুরু করেন ব্যবসা
এরপর তাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি
ঢাকা টাইমসের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে গল্পে গল্পে তার সুখ-দুঃখ আর স্বপ্ন-সাফল্যের কথা জানিয়েছেন ফরচুন স্যুজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান
২০১২ সালে ৪৭২ জন শ্রমিক নিয়ে ফ্যাক্টরি শুরু করে আজ তার প্রতিষ্ঠানে পাঁচ হাজারের কাছাকাছি শ্রমিক কাজ করছেন
বর্তমানে বরিশালেই তিনটি জুতা কারখানা রয়েছে
ঢাকা ও চট্টগ্রামে রয়েছে আরও ব্যবসা
ফরচুন স্যুজের পাশাপাশি এই শিল্প উদ্যোক্তার রয়েছে প্রিমিয়ার ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রি, কার্টন ফ্যাক্টরি, বক্স ফ্যাক্টরি ও কাটিং ডাইস ফ্যাক্টরি
তাছাড়া শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে- আজিজ ফুটওয়্যার এবং ফরচুন কেবলস
অল্প বয়সে মিজানুর রহমান তার বাবাকে হারান
সেটা ১৯৯৬ সাল
মা বেঁচে আছেন
পাঁচ ভাইয়ের দুজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার
বর্তমানে তারা চার ভাই ব্যবসাতে আছেন
এই যে এত দূর আসা, এই জার্নিটা তো খুব কঠিন ছিল, নিশ্চয়?
'আমি অনেক ছোটবেলা থেকে ইমপোর্ট ব্যবসা শুরু করি
সেটা ছিল ১৯৯৬ সাল
তখন তেমন অনলাইন ছিল না
চিটাগাং শহরে দুটো শপ ছিল
সেখানে গিয়ে অনলাইনে অর্ডার করতাম
তখন চাকরির পাশাপাশি 'ডোর লক' এবং কিছু ইক্সেসরিজ ইমপোর্ট করি
পাশাপাশি ছোট ব্যবসায় ঢুকে যাই
আমি সু (জুতা) ফ্যাক্টরিতে চাকরি করতাম
তখন তার্কিং ডাইস লাগত, যেটা দেশের সবাই চায়না, ইতালি থেকে আনত
তখন আমি কাটিং ডায়িং ফ্যাক্টরি শুরু করলাম
এভাবে চার বছর চলে
'২০০৪ সালে শুরু করলাম এমব্রয়ডারি ফ্যাক্টরি
তখন এই ব্যবসা ভালো ছিল
দুই বছর পর ২০০৬ সালে চিটাগাংয়ে কার্টন এবং বক্স ফ্যাক্টরি শুরু করি
২০০৮ সালে চাকরি ছেড়ে দিয়ে কোরিয়ান একটি ফ্যাক্টরির সঙ্গে যৌথভাবে জুতার কারখানা দিই
সেটি ছিল চিটাগাং ইপিজেডে
তবে সেটা বেশি দিন স্থায়ী হয়নি
কিন্তু আমার হাতে প্রচুর অর্ডার ছিল
যেহেতু হাতে অনেক অর্ডার ছিল, সেগুলো অন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে দিই
সে সময়ই আমি বরিশালে চলে আসি
'২০১০ সালে আমি বিসিকে জমি নিই এবং দুই বছর পরে ৪৭২ জন সহকর্মী (শ্রমিক) নিয়ে ফ্যাক্টরি শুরু করি
সবশেষ হিসাবে আমার ফ্যাক্টরিগুলোতে পাঁচ হাজারের কাছাকাছি লোক কাজ করছে
বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ
সরকার আমাকে বিভিন্নভাবে সাপোর্ট দিচ্ছে
সেই সঙ্গে আরো ধন্যবাদ জানাচ্ছি ইউরোপীয় ইউনিয়নকে
তারা সাপোর্ট না দিলে আমরা কখনো চায়নাকে টেক্কা দিতে পারতাম না
ছোটবেলার এমন কোনো গল্প আছে যা এখনো মনে পড়ে?
আমি যখন এইচএসসি পড়াশোনা করি, তখন আমার এক নানার বাসায় থেকে পড়াশোনা করতাম
নানার ছেলেমেয়েদের পড়াতাম
সেটা ছিল চট্টগ্রামের আনোয়ারাতে
আমার কলেজে ক্লাস ছিল নয়টা থেকে
আমাকে আনোয়ারা থেকে ফেরি পার হয়ে কলেজে আসত হতো
সকাল ছয়টায় বাসা থেকে বের হতাম
আমার আব্বা ছোট একটা চাকরি করতেন
এজন্য তার কাছে আমি বেশি টাকা চাইতে পারতাম না
নিজের পড়াশোনার পাশাপাশি দুটি টিউশনি করতাম
দেখা যেত আমাকে পাঁচ কিলোমিটার হেঁটে গিয়ে পড়তে হতো, আবার প্রাইভেট পড়াতে হতো