content
stringlengths
0
129k
ঐ ব্লগের কন্টেন্টস্‌ নিয়ে সেখানে কথা বলা যেতো, কিন্তু সেই সুযোগটা আর থাকেনি
(যদিও ঐ লেখাটা সরিয়ে নেবার পক্ষে আমি নই)
তুমি চিন্তা করোনা, কে সত্য কে মিথ্যা এটা খুব শিগগিরই বেরিয়ে আসবে
কেবল মরণ দুয়ার পেরিয়ে যাবার অপেক্ষা, এরপরই জানা যাবে আসল সত্য কী ছিলো নাকি আদৌ কিছুই ছিলনা! ভাল থেকো
রবিন (৯৪-০০/ককক)
ফেব্রু. ৮, ২০০৯ @ ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
ভাই তোমরা বন্ধ করবা? নাকি সিসিবি ছাড়তে হবে? তোমরাই কথা কও এইসব নিয়া
রহমান (৯২-৯৮)
ফেব্রু. ৮, ২০০৯ @ ১২:০৫ অপরাহ্ন
আলম এবং রায়হান আবীর,
আমি তোমাদের দুজনকেই অনুরোধ করব আমার পোষ্টে এসে তোমরা কাদা ছোড়াছুড়ি করবে না অন্তত
আমার এই পোষ্টটা আবার মনযোগ দিয়ে পড়
তোমাদের দুজনেরই আরো সহনশীল হতে হবে
আশা করি ভবিষ্যতে তোমরা আর এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাবে না
আমার তরফ থেকে তোমাদের দুজনের জন্য লাষ্ট ওয়ানিং 😡
রহমান (৯২-৯৮)
ফেব্রু. ৮, ২০০৯ @ ১২:০২ অপরাহ্ন
অনেক ধন্যবাদ তোমার কমেন্টের জন্য
ধর্ম নিযে আলোচনা হলেও এখানে গালাগালি হওয়ার চান্স নাই
বড় জোর কথা কাটাকাটি হতে পারে
কথা কাটাকাটিও হবে কেন? সুন্দরভাবে কোন বিষয়কে উপস্থাপন করা বা কারো প্রতি সম্মান অক্ষুন্ন রেখেও তো মন্তব্য করা যায়
তাই আমি অনুরোধ করব কথা কাটাকাট না করে সহনশীলতা বাড়িয়ে গঠনমূলক আলোচনা হতে পারে
ব্লগের সুন্দর পরিবেশটা রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের সকলের
রায়হান আবীর (৯৯-০৫)
ফেব্রু. ৮, ২০০৯ @ ১:৫৫ অপরাহ্ন
বড় ভাইরা আমার কথা বার্তাকে অল্পবিদ্যাভয়ংকরী বলে ফেলেছেন অলরেডি
কমেন্ট করতে তাই লজ্জা লাগে
রহমান ভাই,
আপনার লেখা নিয়ে কিছু বলার অনুমতি চেয়েছিলাম- আপনি দেননি
কারণটা লাস্টেই বলেছেন, এই পোস্ট নিয়ে আপনি তর্ক করতে চান না
তারপরও বলবো, আপনার এই লেখা কন্ট্রাডিকশনে পরিপূর্ণ
একাধারে আপনি নিজেকে উদারপন্থি হিসেবে উপস্থাপন করেছেন, অপরদিকে ধর্মের সাফাই গেয়েছেন
উদারপন্থি হিসেবে আপনার ধ্যান ধারণা হুবুহু আমার মতোই
কিন্তু ধর্মের ব্যাপারটায় আমি উলটা অবস্থানে
আপনি উদারপন্থি হয়েছেন, কারণ আপনার বুদ্ধি বিবেচনা আছে, অভিজ্ঞতা আছে
সেই বুদ্ধি বিবেচনা এবং অভিজ্ঞতার আলোকে আপনি সবকিছু বিচার করছেন, আপনি মানব ধর্ম নামে একটা জিনিসের কথা বলেছেন
সেখানে মানুষই সেরা
একজন মানুষ হিসেবে আমার কাজ হবে সবাইকে সমান করে দেখা
সবার উপকারে লাগা
নিঃসন্দেহে আমাদের সবারই ধ্যান ধারনা এমনটাই থাকা উচিত বলে আমি মনে করি
কিন্তু এই ধ্যান ধারণায় আসার আগে, আপনি ধর্ম নামক জিনিসটাকে অতি উচ্চে অবস্থান দিয়ে বসেছেন
কারণ কী? কারণ হলো, আস্তিক হওয়া খুবই সোজা
কারণ আস্তিকতা আমরা জন্মগ্রহণের সাথে সাথে লাভ করি
ছোটবেলা থেকেই আমাদের মনে এই ধর্মের বীজ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়
আমাদের শেখানো হয়, ধর্ম পালনটাই একজন জীবনে সবচে বড় ব্যাপার
তাছাড়া মুক্তি নেই
এতটুকু থাকলেও হতো, কিন্তু ধর্ম আমাদের আরও শিক্ষা দেয় যে, তুমি যে ধর্ম পালন কর সেইটাই সেরা, অন্যান্যরা সবাই ভুল পথে আছে
তাদের জন্য রয়েছে শাস্তি
অর্থাৎ মানবতার কথা বললেও, ধর্ম মূলত মানুষকে বিভিন্ন দলে ভাগ করেছে
একজন ঈশ্বরই যদি আমাদের সব কিছু সৃষ্টি করে থাকেন, সব কিছু যদি তার হাতের ইশারাতেই হয়, সব কিছু যদি তিনি আগে থেকেই জানেন, তাহলে এই ভেদাভেদ কেন তিনি সৃষ্টি করলেন
কেন তিনি একটি ধর্মের লোকদের বেহেস্ত আর অন্য সবাইকে জাহান্নামে নিক্ষেপের হুমকি দিলেন
নিজের পুতুলকে কেউ আগুনে পুড়িয়ে ফেলতে পারে? নিজের পুতুলকে কেউ এমন শাস্তি দিতে পারে
ইহুদি, খ্রিষ্টান কিংবা বৌদ্ধ হয়ে যে পুতুলটি জন্ম নিল, তার দোষ কি? তাকে কেন মুসলমান না হবার জন্য এমন কঠিন শাস্তি দিতে হবে?
আমি জানি এই ধরণের প্রশ্ন আপনার মনেও উঁকি দেয়
কিন্তু আপনি সযত্নে তাদের দূরে সরিয়ে রাখেন
কারণ শৈশব থেকে লালিত জিনিস চট করে দূরে সরিয়ে দেওয়াটা বেশ কঠিন
আরও ব্যাপার আছে, কারণ যারা ধর্ম মানেন না- তাদের এই একটাই জীবন
কিন্তু ধর্ম পালনে সুবিধা আছে
হইলেও হতে পারে, একটা বেহেসত আছে
আপনার এই জীবনে আপনি দেখতেছেন, অনেকেই উলটা পালটা করে বেশ সুখে আছে
আর আপনি সৎ থেকে কিছুই পেলেন না
তাই মনকে স্বান্তণা দেন যে, আপনারও সময় আসবে
মূলত এই সাইকোলজি থেকেই ধর্মের উদ্ভব হয়েছে
পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত সবচে বেশী মানব হত্যা হয়েছে ধর্মের কারনে
শান্তির ধর্ম ইসলামও এই ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই
অমুসলিমদের গলা কাটা ছাড়াও বিভিন্ন সময় খেলাফতের দাবিদাবায় মুসলমানরা নিজেদের মধ্যেও যুদ্ধ করেছে
জামালের যুদ্ধে হযরত আয়েশা, আলীর বিরুদ্ধে পর্যন্ত লড়েছেন
ইতিহাস আপনার জানা আছে কিনা জানি না, তবে আপনি সার কথা জানেন
আপনি জানেন ধর্ম হানাহানি বাড়ায়
কিন্তু তারপরও আপনি ধর্ম খারাপ এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না
কারণ তো বললামই
অলরেডি অনেক কথা বলে ফেলেছি
আমার অল্প বিদ্যা ভয়ংকর ঠিকাছে
সেই অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী দিয়ে আমি যেই সামান্য যুক্তি দেই, সেইটা জ্ঞানের জাহাজরা খন্ডন না করে, টিপিকাল স্টাইলে ঝারি দেওয়া শুরু করেন
আশাকরি একটা সময় আসবে, যখন সব ধর্মের মৃত্যু ঘটবে
মানুষ, মানুষের জন্য বাঁচবে
উপরে বসে থাকা দলাবাজ, প্রতিহিংসাপরায়ন ঈশ্বরের জন্য না
রহমান (৯২-৯৮)
ফেব্রু. ৯, ২০০৯ @ ৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
ব্যস্ততার কারনে সারাদিন ব্লগে ঢুকতে পারিনি
এখন এসে অনেকটা সময় নিয়ে তোমাদের কমেন্টগুলো দেখলাম
তুমি অনেকগুলো বিষয় একসাথে তুলে ধরেছ
তাই এক এক করে আসি
আপনার লেখা নিয়ে কিছু বলার অনুমতি চেয়েছিলাম- আপনি দেননি
কারণটা লাস্টেই বলেছেন, এই পোস্ট নিয়ে আপনি তর্ক করতে চান না
আমার লেখা থেকে রকিবের কোট করা এই পোষ্টের প্রথম কমেন্টটার দিকে তোমার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি
গঠনমূলক আলোচনা হলে আমার কোন আপত্তি নাই
কিন্তু কোন ধর্ম সেরা, সৃষ্টিকর্তা আছে কি নেই এ জাতীয় তর্ক-বির্তকের ব্যাপারে আমার নিরুৎসাহ প্রকাশ করেছি
এখন আবার বলছি, যদি কারো ধর্মীয় বিশ্বাস বা অনুভুতিতে আঘাত না দিয়ে এবং অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আলোচনা করতে পার তবে সেই আলোচনাকে স্বাগতম জানাচ্ছি
আপনার এই লেখা কন্ট্রাডিকশনে পরিপূর্ণ
একাধারে আপনি নিজেকে উদারপন্থি হিসেবে উপস্থাপন করেছেন, অপরদিকে ধর্মের সাফাই গেয়েছেন
আমি কখনোই বলিনি আমি উদারপন্থী, বরং বলেছিলামঃ
শুরুতেই আমি বলে নিতে চাই, আমি ইসলাম ধর্মকে মনে প্রাণে বিশ্বাস করি
অর্থাৎ আমিও কিন্তু নিরপেক্ষ নই এটা শুরুতেই স্বীকার করেছি
উদারপন্থী হয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে আমি থাকতে চাইনা
কিন্তু, আমি এখানে ধর্মের সাফাই গেয়েছি, তোমার এই মন্তব্যটুকু আমার পছন্দ হয়নি
আমি শুধুমাত্র কেন আমি ধর্ম পালন করি এবং আমার ধর্মকে বিশ্বাস করার পেছনে কি কারন, তাই এখানে প্রকাশ করেছি
সবারই এমন কিছু ব্যক্তিগত অনুভুতি রয়েছে
আমার অনুভুতিটুকু এখানে তুলে ধরেছি মাত্র কিন্তু এর মাধ্যমে তো এটা আমি কারো উপর ধর্মকে চাপিয়ে দিতে চাইনি
আমার মতামত বা দর্শনটা সবার সাথে শেয়ার করলাম মাত্র