content
stringlengths
0
129k
প্রাইভেট লাইফ অফ ইয়াহিয়া খানঃ দেওয়ান বারীন্দ্রনাথ
পাকিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধুঃ রবার্ট পেইন
একটি ইন্টারনেট লিঙ্ক এখানে
পোস্ট শেয়ার করুন
: অতিথি লেখক
মুক্তমনার অতিথি লেখকদের লেখা এই একাউন্ট থেকে পোস্ট করা হবে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিচারণ: প্লেটোনিক ভালোবাসার দীর্ঘনিঃশ্বাস
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিচারণ: প্লেটোনিক ভালোবাসার দীর্ঘনিঃশ্বাস
আগস্ট 23, 2021 | 0
আলাউদ্দিন খিলজির শাসনামল: অবিশ্বাস্য পরিমাণ লোভ ও লুটের আতংক
আলাউদ্দিন খিলজির শাসনামল: অবিশ্বাস্য পরিমাণ লোভ ও লুটের আতংক
এপ্রিল 30, 2021 | 7
পথ হারা পাখী- - -
পথ হারা পাখী- - -
মার্চ 26, 2021 | 1
জয় বাংলা স্লোগানের ইতিহাস ও আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরোধিতা
জয় বাংলা স্লোগানের ইতিহাস ও আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরোধিতা
মার্চ 14, 2021 | 2
এরশাদ ও তার একটি প্রেম
এরশাদ ও তার একটি প্রেম
ফেব্রুয়ারী 14, 2021 | 3
2
শাহ্ মাসুদ ফেব্রুয়ারী 1, 2017 12:30 পূর্বাহ্ন -
বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ সক্রান্ত একটি আধিপত্যশীল শ্রেনীর ধারনাকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস হিসেবে দার করানো হয়েছে
জাফর ইকবালদের মতো অনেকেই মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বিকৃতি পাননি, আবার অনেক বুদ্ধিজীবি যারা সেসময় মুক্তিযুদ্ধকে সেপারেটিট্স ওয়ার বলেছিলেন এখন তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক বাহক
বর্তমানে সঠিক মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বিকৃতি দেবার যাচাই বাছাই প্রক্রিয়া চলছে, এখানে "সঠিক" মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমরা কি বুজছি যাচাই বাছাই কমিটির কাছে "ঠিক" এর মাপকাঠি কি? জাফর ইকবাল ও তার সঈীদের মত মুক্তিযোদ্ধারা যথাযথ স্বিকৃতি হয়ত কোনদিন পাবেন না, তবে আমার বাবার মতে "সেপারেটিস্ট ওয়ার" আখ্যা দেওয়া বুদ্ধিজীবিদের কাছে ...
কমরেড সংকর জানুয়ারী 13, 2017 12:26 পূর্বাহ্ন -
মন্তব্য...অসম্ভব চমৎকার একটি লেখা
শুধু ইয়াহিয়ার বর্বরতা নয়,বরং তার লাম্পট্য সম্পর্কীয় তথ্য সকলের গোচরীভূত হওয়া উচিত
লেখককে ধন্যবাদ
জবাব বাতিল
অনুসন্ধান করুন
:
নতুন ব্লগ লিখুন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
নারীই বন্ধ প্রকাশনায়
মিসিং লিংক কি সত্যিই মিসিং? প্রকাশনায় অনিন্দ্য পাল
অশ্লীল ভিডিওটি দেখলে কেন? প্রকাশনায় বিধান
নারীই বন্ধ প্রকাশনায় বিধান
বিষণ্ণতায় আমি, এবং কারণ খুঁজে দেখার চেষ্টা প্রকাশনায়
বিষয় অনুযায়ী লেখা
বিষয় অনুযায়ী লেখা একটি বিভাগ পছন্দ করুন অতিমারী (4) অনন্ত বিজয় (24) অনুবাদ (94) অভিজিৎ বিজ্ঞান (12) অভিজিৎ বিতর্ক (10) অভিজিৎ সাহিত্য (4) ই-বই (150) আমার চোখে একাত্তর (22) দ্য গ্রান্ড ডিজাইন (9) ভালবাসা কারে কয়? (67) ইতিহাস (356) উদযাপন (143) ডারউইন দিবস (78) ওয়াশিকুর বাবু (7) কবিতা (481) আবৃত্তি (79) ছড়া (25) খে...
ভাষা নির্বাচন করইংরেজিআরবিবাঙালিসরলীকৃত চীনা)প্রথাগত চীনা)ফরাসিজার্মানগুজরাটিহিব্রুহিন্দিইতালীয়জাপানিকোরিয়ানমারাঠিপোলিশপর্তুগীজপাঞ্জাবিরাশিয়ানস্প্যানিশতুর্কীউর্দু
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ভালো না করলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজ মাঠে ভালো কিছু করার প্রত্যাশা নিয়ে আজ দুপুর ২টায় টি-টোয়েন্টি সিরিজে মুখোমুখি হচ্ছে
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুপুর ২টায় ম্যাচটি শুরু হবে
বাংলাদেশ দলে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে নতুন ছয় জনকে
যাদের মধ্যে চারজনের নেই টি টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা
তারপরও মুখে আশার কথা বলছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ
নতুনদের উপর ভর করে অন্তত উপভোগ্য ক্রিকেট খেলতে চান
এ বিষয়ে টাইগার অধিনায়ক বলেন, ইনশাআল্লাহ আমাদের অনেকগুলো ছেলে নতুন সুযোগ পেয়েছে তো এটা আমাদের জন্য খুব কঠিন এক মিশন
এদিকে পাকিস্তান ইতোমধ্যে এই ম্যাচের জন্য ১২ জন খেলোয়াড়ের তালিকা প্রকাশ করেছে
তাতে তারুণ্যের সাথে প্রাধান্য পেয়েছে অভিজ্ঞতাও
বাংলাদেশকে অবশ্য তারুণ্যেই আস্থা রাখতে হচ্ছে
টি টোয়েন্টিতে দু'দলের পরিসংখ্যানে এগিয়ে পাকিস্তান
১২ বারের দেখায় মাত্র ২ জয় বাংলাদেশের
যার সবশেষ ২০১৬ এশিয়া কাপে
বিপরীতে পাকিস্তানের জয় ১০ টিতে
সবশেষ তিন দেখায়ও বড় জয় বাবর আজমের দলের
ঢাকার মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে চার দেখার দুটিতে জিতেছে বাংলাদেশ
সেই দুটিই আবার শেষ দেখায়
এবার অবশ্য ভিন্ন দুই দল
এ নজরে দুই দলের সম্ভাব্য একাদশ:
বাংলাদেশ: নাঈম শেখ, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, ইয়াসির আলী চৌধুরী, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), আফিফ হোসেন ধ্রুব, নুরুল হাসান সোহান (উইকেটরক্ষক), শেখ মেহেদী হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ
পাকিস্তান: বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ নাওয়াজ, ফখর জামান, হায়দার আলী, শোয়েব মালিক, খুশদিল শাহ, শাদাব খান, হ্যারিস রউফ, হাসান আলী ও শাহীন শাহ আফ্রিদি
১৯৪৭ সালে আপনি জন্মগ্রহণ করেন
২০ বছর বয়সে আপনি বিবাহিত হন
২৪ বছরে আপনি প্রথম মা হন
২৮ বছর বয়সে আপনি পিতা-মাতা ও ভাইদের হারান এক মর্মান্তিক বর্বরোচিত ঘটনায়
তখন থেকে ৩৪ বছর বয়স পর্যন্ত আপনি প্রবাসী জীবন যাপন করেন
ডঃ কামাল হোসেন এরশাদের কাছে আর্জি করে আপনাকে ফেরত আনার ব্যবস্থা করেন
আপনি তারপর ২৯ বছর জাতীয় রাজনীতিতে
এর মধ্যে তিন বার বিরোধী নেত্রী, এবং দু' বার প্রধান মন্ত্রী নিযুক্ত হয়েছেন
আপনি এদেশে ফিরে ডঃ কামাল হোসেন ও কাদের সিদ্দিকীকে জাতীয় রাজনীতি থেকে বহিষ্কারের ব্যবস্থা করেন
এই দু জনই ১৫ই আগস্টের বেদনাদায়ক ঘটনার পরে সব চেয়ে মর্মাহত হয়েছিলেন, এবং তা প্রকাশ করার সাহস দেখিয়েছিলেন, অথচ আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতা তখন হয় আপনার পরিবারের খুনীদের সাথে যোগ দিয়েছেন, নতুবা 'চাচা, আপন জান বাঁচা ' বলে পালিয়েছেন
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একবার বলেছিলেনঃ ঐ লোকটা আমার বিরুদ্ধে লেগেছে কেন, আমি তো কখনো তার কোন উপকার করি নি
আপনি সেরকম প্রাবাদিক কৃতঘ্ন নন
আপনার কারো বিরুদ্ধে যাওয়ার আসল কারণ হলো আপনি তাদেরকে নিজের ক্ষমতা অর্জন বা ধারণ করার জন্য কতখানি বিপজ্জনক মনে করেন, সেই সহজ হিসাব
তাই, যদিও সবাই আপনাকে নিজ পরিবারের স্বার্থের প্রতি চরম অনুগত মনে করে, আত্মীয় কিন্তু কিছুটা সংস্কারপন্থী আমুকে আপনি ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত করেছেন নিজের নিরাপত্তার জন্য
পক্ষান্তরে অনাত্মীয় দীপু মনির জন্য এমন লোভনীয় (তিনি ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ বার নিষ্ফল বিদেশ ভ্রমণ করেছেন মনের আশ মিটিয়ে) পদটি রেখেছিলেন আপনার জেলে অন্তরীন থাকা কালে আনুগত্যের পুরস্কার হিসেবে
আপনাকে কেউ অকৃতজ্ঞ বলতে পারবে না
আপনার এই চাণক্য-সুলভ প্র্যাক্টিকাল বুদ্ধি তারিফ পেতে পারে
আপনার পিতার কথাই মনে করিয়ে দেয়
তিনিও সিনিয়র জিয়াঊর রহমানকে এড়িয়ে শফিউল্লাহকে প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করেছিলেন, নিজের প্রতি বেশি অনুগত ভেবে
শফিউল্লাহ সাহেব সম্প্রতি বলেছেন, এটা এক ভুল সিদ্ধান্ত ছিল
কিন্তু সেই সময়ে তাঁর কোন ভুল নিয়ে আলোচনা করার সাহস কারো ছিল না
তিনি সব রকম বিরোধিতা স্থায়ীভাবে অপসারণের উদ্দেশ্যে একদলীয় বাকশাল প্রবর্তন করেন রুশ-ভারত পন্থীদের পরামর্শে, এক স্বাক্ষীগোপাল সংসদকে দিয়ে দেশের সংবিধান পরিবর্তন করে
তিনি মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য সব খবরের কাগজ বন্ধ করে দেন, শুধু চারটে সরকারী দৈনিক রেখে
সব সরকারী কর্মচারী, এমনকি সেনাবাহিনীকেও বাকশালে যোগদান করতে তিনি বাধ্য করেন
খুব কম জনই প্রতিবাদ করার সাহস পেয়েছিল
খন্দকার মোশতাকও করেন নি
কিন্তু বিদ্রোহের বীজ তিনি বপন করেছিলেন জিয়াউর রহমান, ফারুক রহমান এদেরকে অপমান করে, মোশতাককে অবজ্ঞা করে, যদিও আওয়ামী লীগের আদি যুগে এই 'চাচা' আপনার পিতার সিনিয়র ছিলেন
আপনার পিতা যেমন গণতন্ত্রে বিশ্বাস করতেন না, আপনিও করেন না, তাই দলের সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আপনি একাই নেন
যাঁরা সংস্কারের কথা বলেছিলেন, আপনার পরিবার তন্ত্রের তাঁরা শত্রু
আপনি তাঁদের আর কখনই ক্ষমতার কাছাকাছি আসতে দেবেন না বলে ঠিক করেছেন
আপনার কাজিন শেখ সেলিম সেনাবাহিনীর কাছে আপনার ঘুষ গ্রহণের ইতিহাস বলে দিলেও আপনি তাঁকে আমুর মত শত্রু মনে করেন না, কারণ সেলিম এক বুদ্ধিহীন ব্যক্তি, যাঁকে আপনি বিপদ মনে করেন না
বরং তাঁর নতুন কুটুম খাম্বা পার্টির টুকুকেও আপনি সব মামলা থেকে রেহাই দিয়েছেন, এবং শেষ খবর অনুসারে টুকুর পার্টনার কুখ্যাত গিয়াসুদ্দিন মামুনকেও জেল থেকে মুক্তির ব্যবস্থা করেছেন
'দেশের চাইতে দল বড়, দলের চাইতে, পরিবার', আপনার পিতার এই নীতিতে আপনি গভীরভাবে বিশ্বাসী
অন্যদিকে আপনি বৃদ্ধ পন্ডিত কামাল হোসেনকে এখমো বিপজ্জনক মনে করেন, তাই তাঁর 'দুর্নীতির' প্রমাণ বার করার নির্দেশ দিয়েছেন