content
stringlengths
0
129k
আপনার পিতার মধ্যে একটা গুণ ছিল, তিনি কালক্রমে শত্রুতা ভুলে যেতেন
সাকা চৌধুরীর পিতা ফকা চৌধুরী যখন স্বাধীনতার পরে কারাগারে মারা গেলেন, তখন তিনি সাকার মত নচ্ছার রাজাকারদেরকেও অভয়বাণী দিয়েছেন - 'মনে কর, আমিই এখন থেকে তোদের বাবা
কিন্তু আপনার কাছে শত্রুর সংজ্ঞা পারিবারিক এবং তা স্থায়ী
সাকা যখন 'সোনা' চোরাকারবারি নিয়ে আপনার মন্তব্যের জবাবে একটা বিশ্রী রসিকতা করেছিলেন, আপনার দলের অনেকে তার প্রতিবাদ করলেও আপনি মনে হয় ব্যাপারটা কিছুটা উপভোগ করেছিলেন
পরে সাকা আপনার বাড়িতে বিয়ের কার্ড দিতে এলে আপনি তাকে নিষ্টি খাইয়েছিলেন
সাকাকে আপনি কখনই তেমন শত্রু মনে করেন নি, তাঁর দুর্বিনীত অশ্লীল আচরণকে বরং প্রশয়ই দিয়েছেন
আসলে জামাতকেও আপনি তেমন অপছন্দ করেন না, যেমন করেন পৃথিবীতে একটি মানুষকে, যাঁকে আপনি সব সময়েই নিজের সংসারের জন্য এক বিপদ মনে করেছেন, এবং তা সংসারের ওপরে বিরাগ চলে আসার পরেও স্থায়ীভাবে বাসা বেঁধে আছে, এখনো
আপনার সাথে আপনার স্বামীর সম্পর্ক নিয়ে আমি বেশি কিছু বলতে চাই না
তিনি ভালো ছাত্র ছিলেন বটে, কিন্তু তাঁর অনেক ত্রুটি ছিল
আপনাকে অভিনন্দন যে, এত গরমিল থাকা সত্ত্বেও আপনাদের ছাড়াছাড়ি হয় নি, যা হয়েছে আপনার ছোট বোনের ক্ষেত্রে
আপনার ধৈর্য প্রশংসনীয়
কিন্তু শুধু একটি ব্যাপার আপনি সহ্য করতে পারেন নি, যখন তিনি আপনার পরিবার মেধাহীন বলে খোঁটা দিতেন
এর জবাবে আপনি এক ডজন ডক্টরেট সংগ্রহ করেছেন, মখা আলমগীর ও দূতাবাসগুলির সাহায্যে
আপনার স্বামী যখন স্কয়ার হাস্পাতালে মৃত্যুশয্যায়, আমরা দেখলাম আপনি ঘরের বাইরে থেকে এক নজর তাঁকে ঘেরা যন্ত্রপাতি দেখে চলে গেলেন
তাঁর মৃত্যুতে আপনি দুঃখিত হয়েছেন নিশ্চয়ই, কিন্তু স্বস্তির নিঃশ্বাসও ফেলেছেন
আপনাদের ছেলে বিদেশ থেকে ফেরার আগেই তাড়াতাড়ি তাঁকে সমাহিত করা হয়
১৯৯৬ সালে আপনি প্রথমবার প্রধান মন্ত্রী হলেন
আপনার পরিবারের হত্যাকারী/পরিকল্পনাকারীদের অনেকেই গ্রেফতার হলো
অনেকেই ভেবেছিলেন, পাঁচ বছর দীর্ঘ সময়, এর মধ্যেই বিচার ও শাস্তি চূড়ান্ত হয়ে যাওয়া সম্ভব
কিন্তু কোন অজ্ঞাত কারণে প্রক্রিয়াটা অত্যন্ত শ্লথ গতিতে চলতে লাগল
নতুন একটা কথা শোনা যেতে লাগল - জাতির কলঙ্ক
মনে হলো কতিপয় আওয়ামী নেতা ও হৃদয়হীন অমানুষ সেনা কর্মকর্তার দুষ্কৃতির, বা তাদের সমর্থক রাজনৈতিক দলের দায়ভার সমগ্র জাতির ওপর ন্যস্ত করা হয় সুকৌশলে, যাতে গিক্টি কন্সায়েন্স থেকে আপনার প্রতি জনগণের আনুগত্য বাড়ে
এ কৌশল অনেকটাই সফল হয়েছিল প্রথমে
কিন্তু আপনি আনাড়ির মতো কথা বলে বিচারকদের পর্যন্ত খেপিয়ে দিয়েছিলেন, যার ফলে আদালত দেশের প্রধান মন্ত্রীকেও ভর্ৎসনা করে এবং সতর্ক করে দেয়
আপনার পরিবারের ও দলের সীমাহীন দুর্নীতির কথা সংবাদে সব প্রকাশিত না হলেও লোকমুখে ঘুরতে থাকে
পরবর্তীকালে সামরিক সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আপনার আত্মীয় সেলিম, আপনার সেক্রেটারী জলিল, সবাই গোপন কথা বের করে দেয়
আপনি যে সঙ্গত কারণেই জনপ্রিয়তা হারিয়ে নির্বাচনে পরাজিত হয়েছিলেন, তা প্রতিষ্ঠিত হয়
এর মধ্যে আপনার প্রতিপক্ষ দলের এবং কতিপয় সিভিল সার্ভেন্টের কিছু কারচুপি থাকতেও পারে, কিন্তু আপনার বিজয়ী হওয়ার কোন সম্ভাবনা ছিল না
আপনার প্রিয় প্রেসিডেন্টকেও পরাজয়ের জন্য আপনি গালাগালি করতে পেছপা হন নি
বাংলাদেশের মানুষের স্মৃতি দীর্ঘমেয়াদী নয়
আপনার প্রতিপক্ষ দল দ্বিতীয় দফা সুযোগ পেয়ে দুর্নীতিতে আপনাদের আগের আমলের রেকর্ডকেও যখন ছাড়িয়ে গেল, তখন এক অনুকূল সরকার ও নির্বাচন কমিশন অলৌকিক পার্থক্যে আপনাদের ফিরিয়ে আনল
এবারেও আপনার অন্যতম ট্রাম্প কার্ড ছিল আপনার পরিবারের জঘন্য হত্যাকাণ্ডের বিচার ও শাস্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ওয়াদা
আবার আপনারা বললেন, এটা নাকি জাতির কলঙ্ক
না, জনগণ আপনার দলকে সেজন্য নির্বাচিত করে নি, তারা করেছে আপনার বিপক্ষ দলের দুর্নীতির জন্য
মামলার এই নিষ্পত্তির ব্যাপারটা প্রয়োজন ছিল, কিন্তু তার দায়ভার জনগণের ছিল না, ছিল আপনার,আপনার দলের এবং আপনার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের
পাঁচ জনের শাস্তি হয়েছে
এখন যদি আপনি দাবি করেন বাকি ছ জনের শাস্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা পর্যন্ত আপনাকে ক্ষমতায় রাখা জাতির দায়, তাহলে জাতি তা মানবে কেন? আপনারা দুই দলের নেতারা মিলে বা গুটি কয়েক ব্যক্তি মিলে যে অপকর্ম করবেন, জাতির সাথে তার কি সম্পর্ক? আমাদের কষ্টার্জিত সম্পদ দিয়ে কেন আমরা আপনাদের সমগ্র পরিবারের জন্য প্রাসাদ, গাড়ী, নিরাপত...
আমাদের কখনোই কোন দায় বা কলঙ্ক ছিল ন, এখনো নেই
আপনি যদি আপনার পরিবারের স্বার্থের জন্য দেশবাসীর স্বার্থ বিসর্জন দিতে চান, আপনার পিতার মত এক অসহনীয় স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চান, দেশবাসী তা প্রতিহত করবে
আপনি বা আপনার প্রতিপক্ষ এদেশের প্রধান মন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতম ব্যক্তি নন- না শিক্ষায়, না মেধায়, না চরিত্রে, না গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বস্ততায়
আপনার সোনার ডিম্ব প্রসবিনী হাঁস এখন মৃত
আমাদের নেতা আমরা খুঁজে নেব
লেখাটি সংগ্রহ করা হয়েছে -সাপিয়েন্স
জানুয়ারী ২৯, ২০১০
৮ ৪ মিনিট পড়েছে
ইমেল এর মাধ্যমে শেয়ার করুন প্রিন্ট
২৮০ মাঠ প্রসাসন-২ শাখার স্মারক নং ৪৩২ তারিখ ২৬-০৬-২০১৯ ,সহকারী কমিশনার (ভুমি )গন কে আগামী ০৮-০৭-২০১৯ হতে ০৭-০৮-২০১৯ ইং পর্যন্ত ০৪ (চার) সাপ্তাহ ব্যাপী প্রশিক্ষন
২৭-০৬-২০১৯
২৭৯ সায়রাত-১ শাখার স্মারক নং ৪৪৮ তারিখ ২৫-০৬-২০১৯ , সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলের 'কুড়ি বিল' জল মহল ইজারা সংক্রান্ত
২৭-০৬-২০১৯
২৭৮ 198 25-06-2019 , . , ( ) . ২৫-০৬-২০১৯
২৭৭ 195 25-06-2019 , ( ) . ২৫-০৬-২০১৯
২৭৬ -422 - , / . ২৫-০৬-২০১৯
২৭৫ 199 25*-06-2019 , , , ( ) . ২৫-০৬-২০১৯
২৭৪ -422 - , / . ২৫-০৬-২০১৯
২৭৩ 197 25-06-2019 , ,,, ( ) ২৫-০৬-২০১৯
২৭২ 196 25-06-2019 , . , ( ) . ২৫-০৬-২০১৯
২৭১ জরপ-১ শাখার স্মারক নং ১৮৭ তারিখ ২০-০৬-২০১৯ , জনাব মোঃ শাহজাহান আলী প্রক্তন উপশহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার এর সংশোধিত থোক মঞ্জুরী ২৩-০৬-২০১৯
২৭০ জরিপ-১ শাখার স্মারক নং ১৭০ তারিখ ১৯-০৬-২০১৯,জনাব মোঃ ছাখাওয়াত উল্যাহ চৌধুরী প্রাক্তন সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার অবসর ভাতা মঞ্জুরী
২৩-০৬-২০১৯
২৬৯ সায়রাত-১ শাখার স্মারক নং ৪৪২ তারিখ ২০-০৬-২০১৯ , বগুড়া জেলার বিল নুরুইল ও গাপতলী উপজেলার কাঁকরা জলমহল ইজারা মূল্য নির্ধারন সম্পর্কে মতামত প্রদান
২৩-০৬-২০১৯
২৬৮ সায়রাত -১ শাখার স্মারক নং ৪৪৩ তারিখ ২০-০৬-২০১৯ , মৎস ও প্রানীসম্পদ মন্ত্রণালয়ে হস্থন্তরিত ৭৮৩ টি পুকুরের মধ্যে বেদখলকৃত ২১৩ টি পুকুর প্রসঙ্গে
২৩-০৬-২০১৯
২৬৭ সায়রাত-১ শাখার স্মারক নং ৪৪১ তারিখ ২০-০৬-২০১৯ , পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার টিএস কেস ১০৩(পাব) বিল গন্ডহস্থি জলমহল ইজারা সংক্রান্ত
২৩-০৬-২০১৯
২৬৬ সায়রাত-১ শাখার স্মারক নং ৪৪০ তারিখ ১৯-০৬-২০১৯, মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার মালাম বিল জলমহল ইজারা
২৩-০৬-২০১৯
২৬৫ জরিপ-১ শাখার স্মারক নং ১৭৩ তারিখ ২০-০৬-২০১৯ , মরহুম মোহাম্মদ হাসেম প্রক্তন সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার আনুতোষিক ও পারিবারিক পেনশন মঞ্জুরী
২৩-০৬-২০১৯
২৬৪ সায়রাত-১ শাখার স্মারক নং ৪৪৪ তারিখ ২৩-০৬-২০১৯ ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার বিলচুড়ইল জলমহল ইজারার মেয়াদ বৃদ্ধিসহ ১৪২৬ সনের ইজারা মুল্য পরিশোধ প্রদান ২৩-০৬-২০১৯
২৬৩ বাজেট ও অডিট শাখার স্মারক নং ৪২ তারিখ ১৬-০৬-২০১৯ , ভুমি সংস্কার বোডের প্রতিষ্ঠানিক কোড সমুহ বরাদ্দ অর্থ হতে মঞ্জুরি আদেশ
১৮-০৬-২০১৯
২৬২ বাজেট ও অডিট শাখার স্মারক নং ৪৯ তারিখ ১৮-০৬-২০১৯ ,সহকারী কমিশনার (ভুমি) গনের অনুকুলে সরবরাহের নিমিত্তে প্রগতি লিমিটেড হতে ২০৬ টি ডাবল কেবিন পিকাআপ ক্র্য সংক্রান্ত
১৮-০৬-২০১৯
২৬১ বাজেট ও অডিট শাখার স্মারক নং৪৮ তারিখ ১৮-০৯-২০১৯ , ১৪৬-ভুমি আপিল বোর্ডের এর বিভিন্ন খাত এর অনুকুলে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট নিম্মোক্ত কোদের পুনঃ উপজোযনের অর্থ মঞ্জুরী
১৮-০৬-২০১৯
"ভাষা বিতর্ক: খোদা হাফেজ-এর জায়গায় আল্লাহ হাফেজ-এর প্রচলন কখন, কীভাবে হলো? আরবদের মাঝে বিদায়ী সম্ভাষণের ভাষা কী?" এই শিরোনামে বিবিসি বাংলায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যা বাংলদর্পণের পাঠক-দের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো
'উপমহাদেশে ও তার বাইরেও মুসলিম রীতিতে সম্ভাষণ জানানো হয় 'আসসালামু আলাইকুম' বলে বাংলাদেশের এক টিভি অনুষ্ঠানে 'আল্লাহ হাফেজ' নিয়ে একজন অধ্যাপকের মন্তব্য নিয়ে অনলাইনে তুমুল আলোচনা-বিতর্ক চলছে
টিভি চ্যানেল ডিবিসির এক আলোচনা অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জিয়া রহমান বলেন,"আগে আমরা 'স্লামালেকুম' বলতাম ... এখন যেভাবে স্ট্রেস দিয়ে 'আসসালামু আলাইকুম' বলে এটা এই পুরো বিএনপি-জামাত মাসলার মধ্যে শেখানো হয়েছে
কিংবা 'আল্লাহ হাফেজ'... যে 'খোদা হাফেজ' আমরা বলতাম খুব সহজে, এটা আল্লাহ হাফেজ... এগুলো দিয়ে কিন্তু একটা ডিসকোর্স তৈরি করা হয়েছে
অধ্যাপক জিয়া রহমানের এই মন্তব্য প্রচার হবার পরই শুরু হয় সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা-বিতর্ক
সামাজিক মাধ্যমে অনেকে বলছেন, স্পষ্ট করে আসসালামু আলাইকুম বলায় দোষের কিছুই নেই, শুদ্ধ উচ্চারণে ইংরেজি বলা দোষের না হলে শুদ্ধভাবে এই ঐতিহ্যগত সম্ভাষণ উচ্চারণ করা দোষের হবে কেন? তারা বলছেন, 'আল্লাহ হাফেজ' বলাটাও তাদের মতে 'খোদা হাফেজ' বলার চাইতে ধর্মীয় দিক থেকে অধিকতর সংগত
অন্য অনেকের মত, বাঙালি মুসলিমদের সম্ভাষণ ও বিদায় জানানোর যে চিরাচরিত রীতি তা থেকে মানুষ বিচ্যুত হয়ে যাচ্ছে - এবং তার পেছনে আছে সৌদি-অনুপ্রাণিত ওয়াহাবি ভাবধারার ইসলামী মতাদর্শের উত্থান
এর সাথে কেউ কেউ উগ্রপন্থা বা জঙ্গিবাদের সম্পর্কও দেখছেন
কিন্তু পরস্পরকে সম্ভাষণ ও বিদায় জানাবার এই মুসলিম রীতিগুলো আসলে কোন পটভূমিতে সৃষ্টি হয়েছে? পৃথিবীর অন্য মুসলিম দেশে কি 'আল্লাহ হাফেজ' বা 'আসসালামু আলাইকুম' বলা হয়?
মুসলমানরা কীভাবে পরস্পরকে সম্ভাষণ করেন? সাধারণভাবে বলা যায়, বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে মুসলমানদের মাতৃভাষা যাই হোক না কেন সাধারণত: তারা পরস্পরকে সম্ভাষণ করেন 'আসসালামু আলাইকুম' বলে
এটা ঠিক যে কথাটা আগে যেমন একটু সংক্ষেপ করে স্লামালেকুম বলা হতো, আজকাল অনেকে তা না করে পুরো কথাটা স্পষ্ট করে উচ্চারণ করেন
আরব দেশগুলোতে সাধারণত সম্ভাষণ ও বিদায়ের সময় যথাক্রমে আসসালামু আলাইকুম ও মা'সালামা বলা হয়
তাছাড়া অনেককে 'আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহে ওয়া বারাকাতাহু' বলতেও শোনা যায়, তবে এটাকে একটু 'আনুষ্ঠানিক' বলা যেতে পারে - সাধারণ কথোপকথনের সময় এটা কমই বলতে শোনা যায়
আর বিদায়ের সময় এ অঞ্চলে 'খোদা হাফেজ' বা 'আল্লাহ হাফেজ' বলা হয়
মরক্কো থেকে ইরাক পর্যন্ত বিশ্বের যে বিস্তীর্ণ ভুখন্ডে আরবি ভাষাভাষীরা বাস করেন - তারা একে অপরের সাথে দেখা হলে 'আসসালামু আলাইকুম', এবং বিদায় নেবার সময় 'মা'সালামা' বলেন, তবে অঞ্চলভেদে কিছু স্থানীয় রীতিও আছে
ফারসি-ভাষী ইরানে সাক্ষাতের সময় পরস্পরকে 'সালাম' এবং বিদায় নেবার সময় 'খোদা হাফেজ' বলা হয়
আল্লাহ হাফেজ-এর উৎপত্তি কোথায়, কখন, কীভাবে?
বলা যেতে পারে, মুসলিমদের মধ্যে বিদায়ের সময় 'আল্লাহ হাফেজ' বলার রীতি শুধু ভারতীয় উপমহাদেশেই আছে
এখান থেকেই হয়তো তা এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে থাকতে পারে
তাহলে প্রশ্ন, 'আল্লাহ হাফেজের' উৎপত্তি হলো কোথায়, কখন, কীভাবে?
বাংলাদেশে ১৯৮০র দশকে প্রথম 'আল্লাহ হাফেজ' কথাটি শোনা যেতে থাকে
এর আগে বাঙালি মুসলমানরা প্রায় সার্বজনীনভাবেই বিদায়ের সময় খোদা হাফেজ বলতেন
'আল্লাহ হাফেজ' কথাটির উৎপত্তি নিয়ে অনেক লেখক-গবেষকই বিভিন্ন সময় লিখেছেন