content stringlengths 0 129k |
|---|
পাকিস্তান ও মধ্য এশিয়া বিষয়ে একজন বিশেষজ্ঞ ও সাংবাদিক সৈয়দ হামাদ আলি ২০১২ সালে ব্রিটিশ দৈনিক দি গার্ডিয়ানে এক নিবন্ধে লিখেছেন, পাকিস্তানে ১৯৯০এর দশকেও অধিকাংশ লোকই বিদায় নেবার সময় 'খুদা হাফিজ' বলতেন, কিন্তু এখন সবাই - ধর্মীয় নেতা থেকে শুরু করে ফ্যাশন মডেল বা টিভির উপস্থাপক পর্যন্ত - সবাই 'আল্লাহ হাফিজ' বলছেন |
তিনি মন্তব্য করেন, এ পরিবর্তন পাকিস্তানের উদারপন্থীদের অস্বস্তির কারণ হয়েছে, তাদের মতে এটা পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে একটা পরিবর্তনের আভাস দিচ্ছে |
সৈয়দ হামাদ আলি বলছেন, 'আল্লাহ হাফিজ' কথাটা প্রথম ব্যবহার শুরু হয় পাকিস্তানে ১৯৮০র দশকে প্রেসিডেন্ট জিয়াউল হকের শাসনকালে |
জিয়া-উল-হক ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৮ পর্যন্ত পাকিস্তানের শাসক ছিলেন |
তার মতে, ১৯৮৫ সালে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেল পিটিভিতে একজন সুপরিচিত উপস্থাপক প্রথম 'আল্লাহ হাফিজ' কথাটা ব্যবহার করেন |
তবে জনসাধারণের মধ্যে এর ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ে আরো অনেক পরে |
মি. আলি লিখেছেন, এর পেছনে যুক্তি হিসেবে বলা হয়, ফারসি শব্দ 'খোদা'র অর্থ 'ঈশ্বর' যা যেকোন ধর্মের ঈশ্বর বোঝাতে পারে, তাই আল্লাহ শব্দটি ব্যবহার করা উচিত যা শুধুমাত্র মুসলিমদের ধর্মগ্রন্থ কোরআনে উক্ত সৃষ্টিকর্তার নাম |
তবে তিনি আরো লেখেন, মধ্যপ্রাচ্যের এক কোটি আরবি-ভাষী খ্রিস্টানও ঈশ্বর বোঝাতে 'আল্লাহ' শব্দটিই ব্যবহার করেন এবং আরবরা কখনোই পরস্পরকে বিদায় জানানোর সময় 'আল্লাহ হাফেজ' বলেন না |
আরবরা সম্ভাষণের সময় কি বলেন? |
এ নিয়ে কথা হয় বিবিসির আরবি বিভাগের সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ আল-কাসিরের সাথে |
তিনি বলছিলেন, মরক্কো থেকে শুরু করে ইরাক পর্যন্ত এক বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে অনেকগুলো দেশের অভিন্ন ভাষা আরবি, কিন্তু প্রতিটি দেশেই আরবি ভাষা কিছুটা আঞ্চলিক রূপ নিয়েছে |
সেটা উচ্চারণের টান এবং শব্দ-বাক্য ব্যবহারের ভিন্নতা থেকেও বোঝা যায় |
কিন্তু সাধারণভাবে সব আরবের মধ্যেই পরস্পরকে প্রথম সম্ভাষণের রীতি হলো 'আসসালামু আলাইকুম' বলা এবং বিদায় জানাবার সময় 'মা'সালামা' বলা |
মোহাম্মদ আল-কাসির নিজে মিশরের লোক |
তিনি বলছিলেন, মিশরে এমনকি আরব খ্রিস্টানরাও পরস্পরের সাথে দেখা হলে 'আসসালামু আলাইকুম' বলেন |
সে হিসেবে হয়তো এটাকে কোন বিশেষ ধর্মীয় রীতি না বলে 'আরব রীতি' বলা যায় |
আরব বিশ্বের কোথাও কোথাও অন্যভাবেও স্থানীয় রীতিতে সম্ভাষণ বা বিদায় জানানো হয় |
বিদায় নেবার সময় 'মা'সালামা' বলা মোটামুটি সব আরব দেশেই প্রচলিত |
আরবরা কেউই বিদায় নেবার সময় 'আল্লাহ হাফেজ' ব্যবহার করেন না |
বিদায় নেবার সময় 'মা'সালামা' বলা ছাড়াও আরবি ভাষাতে ভিন্নভাবে বিদায় জানানোর রীতিও আছে |
মোহাম্মদ আল-আসির বলছিলেন, বিদায় নেবার সময় আরবরা কখনো কখনো "আল্লাহ ইয়া'আতিক আল'আসিয়া" - এটাও বলে থাকেন |
তবে তারা কেউই বিদায় নেবার সময় 'আল্লাহ হাফেজ' ব্যবহার করেন না |
কিন্তু 'আল্লাহ আপনার হেফাজত করুন' এরকম বাক্য কথাবার্তার মধ্যে প্রাসঙ্গিক জায়গায় ব্যবহার করা হয় |
আরবদের মধ্যে সম্ভাষণ হিসেবে 'আহ্লান' বা 'আহ্লান ওয়া সাহ্লান' (অনেকটা ইংরেজি হ্যালো'র মত), বা সাবাহ্ আল-খায়ের (সুপ্রভাত), বা মাসা আল-খায়ের (শুভ সন্ধ্যা) - এগুলোও বলা হয়ে থাকে |
বিদায় নেবার সময় মা'সালামা ছাড়াও আরবে ইলা'লিকা-ও বলা হয় - যার অর্থ খানিকটা 'আবার দেখা হবে'-র মতো |
ফারসি ভাষীরা কি বলেন? |
এ নিয়ে কথা হয় বিবিসি ফারসি বিভাগের সিনিয়র সাংবাদিক আলি কাদিমির সাথে |
তিনি বলছিলেন, ইরানের সর্বত্রই দুজন ব্যক্তির দেখা হলে সম্ভাষণ হিসেবে একে অপরকে বলেন 'সালাম', আর বিদায় নেবার সময় বলেন 'খোদা হাফেজ' |
তবে তিনি বলছিলেন, ইরানে খুব কমসংখ্যক কিছু লোক আছেন - যাদের তিনি বিদায় জানানোর সময় আল্লাহ শব্দটি ব্যবহার করতে শুনেছেন |
তারা ফারসি ভাষায় 'আল্লাহ আপনাকে সুস্থ ও শান্তিতে রাখুন' এমন একটা বাক্য বলে বিদায় জানিয়ে থাকেন |
তেহরানের একটি বাজার: ইরানীরা বিদায়ের সময় বলেন খোদা হাফেজ |
ইরানে এবং ফারসি ভাষায় 'খোদা' এমন একটি শব্দ - যা সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বর বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং তা যে কোন ধর্মের ঈশ্বরকে বোঝাতেই ব্যবহৃত হতে পারে |
মধ্য এশিয়ার যেসব দেশে ফারসি বা তার কাছাকাছি ভাষাগুলো বলা হয়, যেমন আফগানিস্তান, তাজিকিস্তান, আজারবাইজান ইত্যাদি দেশেও বিদায়ের সময় 'খোদা হাফেজ' বলার প্রচলন আছে |
ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম শাসন কায়েম হবার পর থেকে ১৮৩০-এর দশক পর্যন্ত রাজদরবার ও আইন-আদালতের ভাষা ছিল প্রধানত ফারসি |
তাই ফারসি আদব-কায়দার প্রভাবেই হয়তো উপমহাদেশের মুসলিমদের মধ্যে বিদায়ী শুভেচ্ছা হিসেবে 'খোদা হাফেজ' বলার' প্রথা চালু হয় |
১৯৮০র দশকে 'আল্লাহ হাফেজ' চালু? |
প্রশ্ন হলো, ১৯৮০র দশকে পাকিস্তানে 'আল্লাহ হাফেজ' চালু হবার কথাই বা কতটা সঠিক? |
পাকিস্তানের করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং উর্দু ভাষাবিদ ড. রউফ পারেখের মতে, ১৮০ বছর আগেও উর্দু ভাষায় 'আল্লাহ হাফিজ' কথাটি ছিল |
মুসলিমদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন দেশে আচার আচরণের বেশ কিচু পার্থক্য আছে |
সম্প্রতি ডন পত্রিকায় প্রকাশিত এক নিবন্ধে তিনি লেখেন, উর্দু ভাষার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অভিধান উর্দু লুঘাতে বলা হচ্ছে, বিদায়ী শুভেচ্ছা অর্থে 'আল্লাহ হাফিজ' কথাটি প্রথম ব্যবহারের নজির পাওয়া যায় ১৯০১ সালে |
ড. পারেখ বলছেন, তারও আগে ১৮৮০ এবং ১৮৪৫ সালের পুরোনো উর্দু অভিধানেও 'আল্লাহ আপনাকে সুরক্ষা দিন' অর্থে 'আল্লাহ হাফিজ' বাক্যবন্ধটির উল্লেখ আছে, এবং উর্দু কবি হাজিম ১৮৬৮ সালে তার কবিতায় 'আল্লাহ হাফিজ' ব্যবহার করেছেন |
ড. পারেখের সাথে আমার যোগাযোগ হয় ইমেইলে |
তিনি জানালেন, উনিশশ' আশির দশকে 'আল্লাহ হাফিজ' কথাটা প্রথম ব্যবহার হয় এমন কথা ভুল, কারণ লোকের মুখে কথাটা ব্যবহৃত না হলে কবিরা এটা ব্যবহার করতেন না, অভিধানেও তা থাকতো না |
ড. পারেখের কথায় মনে হয়, 'আল্লাহ হাফেজ' কথাটার উৎপত্তি সম্ভবত পাকিস্তানেই - উর্দু ভাষার পরিমণ্ডলের মধ্যে |
শেষ হলো পুনশ্চের জাতীয় গণসঙ্গীত উৎসব ১ হাজার টাকা করে ঘুষ নিয়ে ৫ হাজার টাকার বিল পাশ ৩৫ সেবিকার! কেশবপুরে শিশু রত্না হত্যা মামলায় দাদা অভিযুক্ত বঙ্গবন্ধু জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে যশোর জেলা দল ঘোষণা খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসায় রাজপথের আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই : নার্গিস |
" দৈনিক সকালবেলা " উপজেলার খবর " নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসির সাহসী অভিযানে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল ৫দিন পর উদ্ধার আটক-২ |
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসির সাহসী অভিযানে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল ৫দিন পর উদ্ধার আটক-২ |
নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি: |
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়ন থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কক্সবাজারের লিংকরোড থেকে উদ্ধার করা হয়েছে |
বিষয়টি ২৫ জুন শুক্রবার সকালে নিশ্চিত করেছেন নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন |
তিনি জানান, গত ১৮ জুন সোনাইছড়ি থেকে চুরি হয়ে যাওয়া একটি ডিসকাভার মোটরসাইকেল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও দিকনির্দেশনায় সোনাইছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মির্জা জহির উদ্দিনের নেতৃত্বে এসআই মুফিজউদ্দিনসহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযানে কক্সবাজার জেলার লিংকরোড নামক এলাকা থেকে চোরচক্র সিন্ডিকেটের দুই সদস্য রামু উপজেলার মিঠাছড়ি ইউনিয়নের মিঠাছড়ি গ্রামের মৃত আবুল হাসেমের পুত্র সোনা মিয়া (৩৫), কক্সবাজার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কুতুবদিয়া পাড়ার নাজিম উদ্দিনের পুত্র মুহাম্মদ জয়নাল(৩০) সহ মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয় |
থানা সূত্রে জানা যায়, |
আটককৃত চোরচক্র সিন্ডিকেট সদস্যরা চুরির ঘটনা স্বীকার করেছেন আজ শুক্রবার সকালে আটককৃত দুই আসামীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানো হবে বলে জানান |
2021-06-25 |
: নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি নেলসন ম্যান্ডেলা শাইনিং পার্সোনালিটি ও শেরে-বাংলা স্মৃতি সম্মানা পদে ভুষিত |
: কুষ্টিয়ার একজন মানবিক চিকিৎসক করোনাযোদ্ধা ডাঃ তাপস কুমার সরকার |
উখিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় মহেশখালীর সংবাদকর্মী জসিম উদ্দিন নিহত |
2 |
উখিয়ায় বন্দুকযুদ্ধে বালুখালীর ইয়াবা কারবারি জাহাঙ্গীর নিহত,ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার |
6 |
উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ৫ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী আটক,ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার |
8 |
. * |
, , . |
জরুরী বিজ্ঞপ্তি |
জরুরী বিজ্ঞপ্তি |
দৈনিক সকালবেলা'র সকল সাংবাদিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দকে জানানো যাচ্ছে যে, সকালবেলা'র আইডি কার্ড এর মেয়াদকাল গত ৩০ জুন ২০২১ইং তারিখে যাদের কার্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে, অতিসত্তর অফিসের ঠিকানায় কার্ড ফেরত দিয়ে নবায়ন করার জন্য অনুরোধ করা হলো |
ধন্যবাদান্তে |
বেগম নিলুফার আক্তার |
দৈনিক সকালবেলা |
প্রকাশনার কথা |
প্রিয় ও সচেতন পাঠকগন বাক ও চিন্তার স্বাধীনতাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরার প্রত্যয় নিয়ে সৈয়দ এনামুল হকের সম্পাদনায় ১৯৯৭ সালে সাপ্তাহিক"সকালবেলা" পত্রিকা যাত্রা শুরু করে |
জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্র হিসেবে ২০০১ সালে "দৈনিক সকালবেলা" নামে যাত্রা শুরু করেন ".." |
বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন |
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদকের সংক্ষিপ্ত জীবন কথা |
সৈয়দ এনামুল হক |
জাতীয় দৈনিক সকালবেলা'র সম্পাদক সৈয়দ এনামুল হকের জন্ম ১৬ই এপ্রিল ১৯৫৬ সালে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার উমেদপুর গ্রামে |
বাবা মরহুম ডাঃ সৈয়দ আবদুল মজিদ |
তিনি বাংলাদেশ বেতার ঢাকার একজন ইংরেজী সংবাদ পাঠক |
বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন |
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি |
দৈনিক সকালবেলা পত্রিকায় বাংলাদেশের কিছু জেলায় সাংবাদিক ও বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে |
যোগাযোগ: +88-01608387098 |
ই-মেইল: 1997@. |
2021 |
1 2 3 4 5 6 |
7 8 9 10 11 12 13 |
14 15 16 17 18 19 20 |
21 22 23 24 25 26 27 |
নামাজের সময়সূচি |
ঢাকা কক্সবাজার কুমিল্লা কিশোরগঞ্জ কুষ্টিয়া কুড়িগ্রাম খাগড়াছড়ি খুলনা গাইবান্ধা গাজীপুর গোপালগঞ্জ চট্টগ্রাম চাঁদপুর চাঁপাইনবাবগঞ্জ চুয়াডাঙ্গা জামালপুর জয়পুরহাট ঝিনাইদহ ঝালকাঠি টাঙ্গাইল ঠাকুরগাঁও ঢাকা দিনাজপুর নওগাঁ নাটোর নেত্রকোনা নরসিংদী নারায়ণগঞ্জ নীলফামারী নোয়াখালী নড়াইল পটুয়াখালী পঞ্চগড় পাবনা পিরোজপুর ফেনী ফরিদপুর বাগেরহাট বগুড়া বান্দরবান বরগুনা বরিশাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া ভোলা মাগুরা মাদারীপুর মানিকগঞ্জ মুন্সিগঞ্জ মৌলভীবাজার ময়মনসিংহ মেহেরপুর যশোর রাঙামাটি রাজবাড়ী রাজশাহী রংপুর লালমনিরহাট লক্ষ্মীপুর শেরপুর শরিয়তপুর সাতক্ষীরা সুনামগঞ্জ সিরাজগঞ্জ সিলেট হবিগঞ্জ |
2011 - 2021 . এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি |
2011 - 2021 . এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি |
বরগুনার আমতলীতে বিসিএস (স্বাস্থ্য) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পাঁচ শিক্ষার্থীর বাড়িতে ফুল ও মিষ্টি নিয়ে হাজির হন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম |
মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) সকালে তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উত্তীর্ণদের বাড়িতে যান |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.