content
stringlengths
0
129k
এই পার্কে ভেষজ ও অন্যান্য প্রায় ৭১ হাজার নানা প্রজাতির গাছ ও ৩০ হাজার সৌন্দর্য্যবর্ধক গাছ রোপণ করা হয়েছে
পার্কের চারপাশে এক ধরনের বিশেষ নেট দিয়ে পুরো ৫২০ একর পাহাড়ি ভূমি ঘিরে দেওয়া হয়েছে
এ ছাড়াও পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে রয়েছে রেস্টহাউস, ঝুলন্ত সেতু, আধুনিক রেস্তোরাঁ, লেক, হেলানো বেঞ্চ, ওয়াচ টাওয়ার এবং শিশুদের সময় কাটানোর বিনোদনের ব্যবস্থা
এ ছাড়াও রয়েছে হরিণ বিচরণক্ষেত্র ও কুমির প্রজনন ক্ষেত্র
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রাণিজগৎ সম্পর্কে গবেষণায় সহায়তার জন্য রয়েছে গবেষণা কেন্দ্র
বন বিভাগ সূত্র মতে, রাঙ্গুনিয়া ও কাপ্তাইয়ে বন্য প্রাণী শিকারীরা সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও আইনকে তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া হয়ে নির্বিচারে জঙ্গলের প্রাণী মেরে ফেলাতে বন্য পশুপাখি দিনদিন হ্রাস পাচ্ছে এবং বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে
[৬৭] উপজেলার কোদালা, পদুয়া ও জঙ্গল সরফভাটার পাহাড়ি অঞ্চলে বন্যহাতির আবাস রয়েছে
বর্ষা ও শীত মৌসুমে বনে খাবারের অভাবে হাতি বারবার লোকালয়ে আক্রমণ করে
লোকালয়ে হাতির তাণ্ডবে স্থানীয়রা ঝুঁকিপূর্ণ জীবনযাপন করছে এবং প্রায়শই জান-মাল হারাচ্ছে
এছাড়া চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার সীমান্তে অবস্থিত দুধপুকুরিয়া-ধোপাছড়ি বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য
এই বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্যটি চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের আওতাধীন খুরুশিয়া ও দোহাজারী রেঞ্জের অন্তর্গত
রাঙ্গুনিয়ার পদুয়া ও চন্দনাইশ উপজেলার ধোপাছড়ি ইউনিয়নে অবস্থিত এ অভয়ারণ্যটি খুরুশিয়া ও দোহাজারী রেঞ্জের দুধ পুকুরিয়া, শিলছড়ি, ধোপাছড়ি এবং মংলা ফরেস্ট ব্লকের ৪৭১৬.৫৭ হেক্টর জায়গা নিয়ে গঠিত
এই অভয়ারণ্যের বিশেষ আকর্ষণ হলো পায়ে হেঁটে প্রকৃতি ভ্রমণ, নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক ছড়া, বিভিন্ন প্রজাতির পশু-পাখি, আদিবাসী পল্লী, বুনো অর্কিড, শতবর্ষী বিভিন্ন প্রজাতির গাছ, নিবিড় বাঁশ বন, ঘন সবুজ ছায়াঘেরা পাহাড়ি বন, আদিবাসীদের জুম চাষ আর ঘন বেত বাগান
ভাষা ও সংস্কৃতি[সম্পাদনা]
চাঁটগাঁইয়া ভাষা বা চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষাই রাঙ্গুনিয়া অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা
তবে অঞ্চল ও ধর্মভেদে চট্টগ্রামের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষের ভাষার সাথে কিছুটা পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়
এছাড়াও এ উপজেলায় বসবাসরত উপজাতিরা তাদের নিজস্ব ভাষায় কথা বলে
রাঙ্গুনিয়ার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে
একসময় বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পুঁথিপাঠ ছিল প্রধান সংস্কৃতি, সমগ্র ভারতবর্ষে যার খ্যাতি ছিল
এছাড়া চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গান, কবিগান, ভাণ্ডারী গান, মারফতী, পালা, কীর্তন, নাটক, নৃত্যসহ সংস্কৃতির সকল শাখার উর্বর ক্ষেত্র রাঙ্গুনিয়া
বিভিন্ন ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান, সামাজিক উৎসব, মেলা বর্ণাঢ্যভাবে পালিত হয়
রাঙ্গুনিয়া শিল্পকলা একাডেমী, রাঙ্গুনিয়ার সাংস্কৃতিতে বেশ অবদান রেখে চলেছে এবং এর কার্যক্রম দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে
খেলাধুলা ও বিনোদন[সম্পাদনা]
প্রাচীনকাল থেকেই রাঙ্গুনিয়ার জনগোষ্ঠী ক্রীড়ামোদী
বলিখেলা রাঙ্গুনিয়ার একসময়কার জনপ্রিয় খেলা ছিল
বর্তমানে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন প্রভৃতি জনপ্রিয় খেলা
রাঙ্গুনিয়ার অনেক খেলোয়াড় জাতীয় দলসহ দেশের প্রসিদ্ধ ক্লাবসমূহে কৃতিত্বের সাথে অংশগ্রহণ করছে
রাঙ্গুনিয়ায় মৌসুমী টুর্নামেন্টে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়সহ ঢাকার মাঠের বিদেশী ফুটবলাররা নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন
নাসিরউদ্দিন চৌধুরী, আরমান আজিজ, সাখাওয়াত হোসেন রনি বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলে কৃতিত্বের সাথে খেলেছেন
জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন ধর্মীয়-সামাজিক অনুষ্ঠানাদি উপলক্ষে নাটক, যাত্রা, সংগীতানুষ্ঠান, নৃত্য, কীর্তন, কবিগান, ভাণ্ডারী, অ'লা গান, পাল্টাগান প্রভৃতি রাঙ্গুনিয়াবাসীর বিনোদনের প্রধান উপকরণ
এখানে প্রতিবছরই বিভিন্ন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়
এখানকার জনপ্রিয় খেলার মধ্যে বর্তমানে ক্রিকেট ও ফুটবলের আধিপত্য দেখা গেলেও অন্যান্য খেলাও পিছিয়ে নেই
রাঙ্গুনিয়ায় বেশ কয়েকটি খেলার মাঠ রয়েছে
এর মধ্যে রাঙ্গুনিয়া কলেজ মাঠ, রাঙ্গুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, জাকির হোসেন স্টেডিয়াম উল্লেখযোগ্য
নদ-নদী[সম্পাদনা]
কর্ণফুলী নদী
রাঙ্গুনিয়া উপজেলার প্রধান নদী কর্ণফুলী
ভারতের মিজোরাম প্রদেশের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলা দিয়ে কর্ণফুলী বাংলাদেশে প্রবেশ করে
বরকলের পর রাঙ্গামাটি সদর ও কাপ্তাই উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চন্দ্রঘোনা হয়ে রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় প্রবেশ করে এ নদী উপজেলার প্রাণকেন্দ্র দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরের দিকে অগ্রসর হয়
ইছামতি নদী
এছাড়াও রাঙ্গুনিয়ার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ইছামতি নদী
রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবহমান এ নদী রাঙ্গুনিয়ার উত্তরাঞ্চলের ইউনিয়নগুলো অতিক্রম করে রোয়াজারহাটের নিকটবর্তী কর্ণফুলী নদীর সাথে মিশেছে
এ উপজেলায় শিলক খাল সহ আরো অসংখ্য ছোটোখাটো খাল রয়েছে
দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]
আগুনিয়া চা বাগান -- উপজেলার লালানগর ইউনিয়নে অবস্থিত এ চা বাগানটি ক্লোন চা পাতার জন্য বিখ্যাত
বেতাগী আরব আমিরাত প্রকল্প থেকে সূর্যাস্তের দৃশ্য
আরব আমিরাত প্রকল্প -- বেতাগী ইউনিয়নে অবস্থিত এ প্রকল্প দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকলেও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের টানে দর্শনার্থীরা এখানে ছুটে আসে, এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের অর্থায়নে এখানে বিশ্বমানের হেলথ সিটি করার পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার
শীতকালে কর্ণফুলী নদীতে ভাটার সময় জেগে উঠা চর
কর্ণফুলী নদী -- রাঙ্গুনিয়া পৌর এলাকা এ নদীর তীরে অবস্থিত, নৌপথে ভ্রমণপিয়াসুরা এ নদীতে প্রায়শঃ ভ্রমণ করে থাকে
কোদালা চা বাগান -- উপজেলার কোদালা ইউনিয়নে অবস্থিত এ চা বাগানটি দেশের প্রথম চা বাগান
কাপ্তাই সড়ক থেকে গুমাই বিল
গুমাই বিল -- বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের সবচেয়ে বড় বিল
চন্দ্রঘোনা ফেরিঘাট -- কর্ণফুলী নদীর কারণে বিচ্ছিন্ন রাঙ্গামাটি-চন্দ্রঘোনা-বান্দরবান সড়কের সংযোগ মাধ্যম উপজেলার চন্দ্রঘোনা এলাকায় অবস্থিত এ ফেরিঘাট, তবে সেখানে চন্দ্রঘোনা-রাইখালী সেতু নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে
চাকমা রাজবাড়ি -- রাজানগর ইউনিয়নের রাজাভুবন এলাকায় সপ্তদশ শতাব্দীতে নির্মিত চাকমা রাজার বাড়ির ধ্বংসাবশেষ
ঠাণ্ডাছড়ি চা বাগান -- উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নে অবস্থিত এ চা বাগানটিতে চা বাগান ও রাবার বাগান উভয়ের সৌন্দর্য্য একসাথে উপভোগ করা যায়
ঢালকাটা জগদ্ধাত্রী মন্দির -- জগদ্ধাত্রী হিন্দু শক্তি দেবী, এটি দেবী দুর্গার অপর রূপ, মন্দিরটি পদুয়া ইউনিয়নে অবস্থিত
দুধপুকুরিয়া-ধোপাছড়ি বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য -- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম এই ৩ জেলার সীমানায় অবস্থিত মনোমুগ্ধকর অভয়ারণ্য
দ্বিতীয় কর্ণফুলী সেতু -- উপজেলা সদরের সাথে উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের ৪টি ইউনিয়নের সংযোগ সেতু
এটি গোডাউন ব্রিজ নামে অধিক পরিচিত
ধর্মচক্র বিহার -- পৌরসভার সৈয়দবাড়ী এলাকায় অবস্থিত ১৭২০ সালে নবাব আলীবর্দী খানের শাসনামলে নির্মিত বৌদ্ধ বিহার
পাগলা মামার দরগাহ -- মরিয়মনগর ইউনিয়নের পূর্ব সৈয়দবাড়ী এলাকায় অবস্থিত উনিশ শতকের এ দরগাহটি আধ্যাত্মিক সাধক শাহ মুজিবুল্লাহ (রহ.)'র, কথিত আছে তিনি আধ্যাত্মিক সাধনার ফলে পাগল হয়ে গেলে পাগলা মামা নামে পরিচিতি লাভ করেন
পারুয়া রাবার ড্যাম -- ইছামতি নদীর উপর নির্মিত এই বাঁধটি উত্তর রাঙ্গুনিয়ার ৫টি ইউনিয়নের চাষাবাদ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজ করেছে
বাচা বাবার মাজার -- পৌরসভার বাচাশাহ নগর এলাকায় অবস্থিত দরগাহটি সুফি সাধক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন (রহ.)'র, তিনি বাচা বাবা নামে ভক্তদের কাছে অধিক পরিচিত এবং মাজারটি কাউখালী দরবার শরীফ নামেও পরিচিত
বেতাগী বড়ুয়াপাড়া -- ৫ম শতকের কালো পাথরের বুদ্ধমূর্তি সংরক্ষিত আছে এখানে, এটি সাগর বুদ্ধ নামে পরিচিত
রাহাতিয়া দরবার শরীফ -- পৌরসভার পূর্ব সৈয়দবাড়ী এলাকায় অবস্থিত এ দরবারটি সুফি সাধক রাহাতুল্লাহ নক্সবন্দী (রহ.)'র নামে পরিচিত, এখানে ওনার পুত্রদ্বয় নুরুচ্ছাফা নঈমী (রহ.) ও বিসমিল্লাহ শাহ (রহ.)'র মাজারও রয়েছে, ওনারাও সুফি সাধক ছিলেন
শিলক ও পদুয়া রাবার ড্যাম প্রকল্প -- প্রকল্প দু'টির ফলে উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের এই দুই ইউনিয়নের শত শত হেক্টর অনাবাদী জমি চাষের আওতায় এসেছে
শেখ রাসেল পক্ষিশালা ও ইকোপার্ক
শেখ রাসেল পক্ষিশালা ও ইকোপার্ক -- দেশের একমাত্র পক্ষিশালা এবং এখানে রয়েছে দেশের একমাত্র ক্যাবল কার
সুখবিলাস -- আঠারো শতকের চাকমা রাজা সুখদেব রায়ের রাজধানী পদুয়ার এ অঞ্চলে নির্মিত বিলাসবহুল রাজবাড়ি নির্মাণ করে রাজার নামে নামকরণ করা হয় সুখবিলাস, এখনো সেই রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষ রয়েছে
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি[সম্পাদনা]
আবুল কাসেম -- স্বাধীন বাংলাদেশে রাঙ্গুনিয়ার ১ম সংসদ সদস্য
আলী আহমদ চৌধুরী -- ভাষা সৈনিক
[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
এ এ রেজাউল করিম চৌধুরী -- শিক্ষাবিদ
ওয়াকিল আহমদ তালুকদার চেয়ারম্যান-- শিক্ষানুরাগী
খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী -- সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি
খান বাহাদুর ছিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী -- জমিদার এবং ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক খান বাহাদুর খেতাবপ্রাপ্ত সমাজকর্মী
খোদা বক্স চৌধুরী -- সাবেক মহা পুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি)
গুণালঙ্কার মহাস্থবির -- বৌদ্ধ ভিক্ষু ও লেখক
জাকির হোসাইন -- পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর
জ্ঞানদা রঞ্জন বিশ্বাস -- শিক্ষাবিদ
নুরুচ্ছাফা নঈমী -- সুফি সাধক
বজলুর রহমান -- সুফি সাধক, তিনি মুহাজিরে মক্কী নামে পরিচিত
মাহমুদ শাহ কোরেশী -- সাবেক মহাপরিচালক, বাংলা একাডেমী
মোহাম্মদ নুরুল আলম -- সাবেক অতিরিক্ত মহা পুলিশ পরিদর্শক
শাহ আহমদ শফী -- প্রতিষ্ঠাতা আমির, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ
শুদ্ধানন্দ মহাথের -- বৌদ্ধ শাস্ত্রবিদ এবং একুশে পদক প্রাপ্ত সমাজকর্মী
সৈয়দ আহমদুল হক -- মরমী গবেষক, তিনি বাংলার রুমি নামে পরিচিত
সৈয়দ ছালেকুর রহমান -- সুফি সাধক, তিনি রাহে ভাণ্ডারী বা দুলহায়ে হযরত নামে বেশি পরিচিত
হাছান মাহমুদ -- রাজনীতিবিদ
চিত্রশালা[সম্পাদনা]
শেখ রাসেল এভিয়ারী পার্কের প্রবেশপথ
ক্যাবল কার
শেখ রাসেল এভিয়ারী পার্কের নামফলক
আরও দেখুন[সম্পাদনা]
চট্টগ্রাম জেলা
বাংলাদেশের উপজেলা সমূহের তালিকা
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
↑ ক খ গ ঘ ঙ "ইউনিয়ন পরিসংখ্যান সংক্রান্ত জাতীয় তথ্য" ()
..