content
stringlengths
0
129k
ব্যাংকিং পদ্ধতি
০১ রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক অগ্রণী ব্যাংক ইছাখালী শাখা[৪২] সাধারণ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সদর
০২ জনতা ব্যাংক পোমরা শাখা[৪৩] মমতাজ মার্কেট, গোচরা চৌমুহনী
০৩ রূপালী ব্যাংক লিচুবাগান শাখা[৪৪] হাজী আলম মার্কেট, দোভাষীবাজার, চন্দ্রঘোনা
০৪ সোনালী ব্যাংক মরিয়মনগর শাখা[৪৫] মরিয়মনগর
০৫ রাঙ্গুনিয়া শাখা[৪৫] রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সদর
০৬ রোয়াজারহাট শাখা[৪৫] রোয়াজারহাট, রাঙ্গুনিয়া
০৭ ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক রাঙ্গুনিয়া শাখা[৪৬] সাধারণ হাজী ফয়েজ মার্কেট (২য় তলা), মরিয়মনগর চৌমুহনী
০৮ সরফভাটা শাখা[৪৬] আসমা ভবন (১ম তলা), সরফভাটা
০৯ এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক সরফভাটা শাখা[৪৭] হামিদ শরীফ কমপ্লেক্স, সরফভাটা
১০ ওয়ান ব্যাংক দোভাষীবাজার শাখা[৪৮] তৈয়্যবিয়া মাদ্রাসা মার্কেট, দোভাষীবাজার, চন্দ্রঘোনা
১১ রানীরহাট শাখা[৪৮] ফেরদৌস শপিং কমপ্লেক্স, রানীরহাট, রাজানগর
১২ ন্যাশনাল ব্যাংক রাঙ্গুনিয়া শাখা[৪৯] খাজা গাউছিয়া মার্কেট, রোয়াজারহাট
১৩ পূবালী ব্যাংক রাঙ্গুনিয়া শাখা[৫০] রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সদর
১৪ রানীরহাট শাখা[৫১] আমেনা সুপার মার্কেট, রানীরহাট, রাজানগর
১৫ প্রিমিয়ার ব্যাংক শান্তিরহাট শাখা[৫২] গাউছিয়া কবির মার্কেট (১ম তলা), শান্তিরহাট, পোমরা
১৬ বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক ধামাইরহাট শাখা[৫৩] উত্তর রাঙ্গুনিয়া স্কুল মার্কেট, ধামাইরহাট, উত্তর রাঙ্গুনিয়া
১৭ ব্যাংক এশিয়া লিচুবাগান শাখা[৫৪] আল-ইমারাত কমপ্লেক্স, ফেরিঘাট রোড, লিচুবাগান, চন্দ্রঘোনা
১৮ ইউনিয়ন ব্যাংক লিচুবাগান শাখা[৫৫] ইসলামী শরিয়াহ্ ভিত্তিক আল-ইমারাত কমপ্লেক্স, ফেরিঘাট রোড, লিচুবাগান, চন্দ্রঘোনা
১৯ ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ রাঙ্গুনিয়া শাখা[৫৬] লিচুবাগান, চন্দ্রঘোনা
২০ ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক দোভাষীবাজার শাখা[৫৭] হাজী আলম কমপ্লেক্স (২য় তলা), দোভাষীবাজার, চন্দ্রঘোনা
২১ রানীরহাট এসএমই/কৃষি শাখা[৫৭] আমিরুজ্জামান সওদাগর মার্কেট, রানীরহাট, রাজানগর
২২ সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক রাঙ্গুনিয়া শাখা[৫৮] হাফেজ চৌধুরী টাওয়ার, গোচরা চৌমুহনী
২৩ রোয়াজারহাট শাখা[৫৮] এ. ফরিদা শপিং কমপ্লেক্স, রোয়াজারহাট
২৪ বিশেষায়িত ব্যাংক বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক আলমশাহপাড়া মাদ্রাসা শাখা[৫৯] সাধারণ আলমশাহপাড়া মাদ্রাসা, লালানগর
২৫ পোমরা শাখা[৫৯] গোচরা চৌমুহনী
২৬ রাঙ্গুনিয়া কলেজ শাখা[৫৯] রাঙ্গুনিয়া কলেজ
২৭ রাঙ্গুনিয়া শাখা[৫৯] রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সদর
শিল্প[সম্পাদনা]
কর্ণফুলী জুট মিলস লিমিটেড এবং ফোরাত কর্ণফুলী কার্পেট ফ্যাক্টরি বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশনের অধীনস্থ ২৬টি পাটকলের মধ্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের অধীনে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যকার দুইটি রাষ্ট্রায়ত্ত ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান
পাটকল দুটি রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার দক্ষিণ নোয়াগাঁও এলাকায় অবস্থিত
১৯৬৩ সালে দাউদ শিল্পগোষ্ঠী প্রতিষ্ঠানদ্বয় স্থাপন করে এবং ১৯৭২ সালে এটিকে জাতীয়করণ করা হয়
লোকসানের অজুহাতে চার দলীয় জোট সরকারের আমলে এটি বন্ধ করে দেয়ার পর ২০০৮ সালে বেসরকারি খাতে এবং ২০১৩ সালের ২৬ জানুয়ারি সরকারিভাবে মিলটি পুনরায় চালু করা হয়
এই বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠানদ্বয় একসাথে কে.এফ.ডি. শিল্প কমপ্লেক্স নামে পরিচিত এবং বর্তমানে এ শিল্প কমপ্লেক্সে প্রায় আটশত শ্রমিক কর্মরত রয়েছে, যাদের মধ্যে তিন শতাধিক নারী শ্রমিক
এখান থেকে বছরে প্রায় ৪০ কোটি টাকার পাটজাত সুতা বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়
এছাড়াও ১৯৬৫ সালে তৎকালিন পাকিস্তানের ভাওয়ানি গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করে রাঙ্গুনিয়ার ইস্টার্ন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ
১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পর ভাওয়ানি গ্রুপ বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিলে পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে বাংলাদেশ সরকার অধিগ্রহণ করে
এরপর ১৯৭৮ সালে ইস্টার্ন কেমিক্যালকে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে ন্যস্ত করে তৎকালিন সরকার
রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার নোয়াগাঁও এলাকায় ১০.১ একর ভুমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই শিল্প প্রতিষ্ঠানের পাশে নিজস্ব আরো ১৫ একর পাহাড়ি জমি রয়েছে
চট্টগ্রাম শহরের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় ২৪ ও ১৯ শতাংশের পৃথক দুটি প্লট আছে ইস্টার্ন কেমিক্যালের
প্লট দুটিতে ১৯ ও ২৯ তলা টাওয়ার নির্মাণ করছে একটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান
দেশে একসময় একমাত্র ফরমালিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন কেমিক্যালে গত বিশ বছর ধরে বন্ধ রেখেছে ফরমালিন উৎপাদন ইউনিট
বিদেশ থেকে মিথানল আমদানি করে উন্নত মানের ফরমালিন উৎপাদন করা হতো এখানে
ব্যক্তি মালিকানাধীন বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগসাজস করে মিথানল আমদানি বন্ধ করে ফরমালিন উৎপাদন বন্ধ করে বিভিন্ন কোম্পানী দেদারছে ফরমালিন আমদানি করে ব্যবসাটি তাদের আয়ত্তে নিয়ে গেছে
পরবর্তীতে প্যারা ফরমালিন আমদানি করে ইউরিয়া ফর্মালডিহাইড এডহেসিভ গ্লো, ইউরিয়া ফর্মালডিহাইভ কম্পাউন্ড পাউডার ইউনিট দুটি কোন রকমে চালু রাখা হয়েছিল
অথচ এই শিল্প প্রতিষ্ঠানে একসময় কম খরচে ফরমালিন উৎপাদন করা হতো
এখন অধিক মূল্যে আমদানি করে ইউনিট দুটো চালু রেখেছিল কোন রকমে
ফলে ক্রমান্বয়ে এটি লোকসানি প্রতিষ্ঠানে রূপ নেয়
অবশেষে ২০১৮ সালের ৩০ জুন থেকে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়া হয়
তবে বেসরকারিভাবে লিজ দিয়ে লাভজনক এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটির জমিতে কন্টেইনার ডিপো করার চেষ্টা চালাচ্ছে কর্তৃপক্ষ
স্বাস্থ্য[সম্পাদনা]
রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সদরে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রয়েছে
এছাড়া ২টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ১৫টি ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র রয়েছে
উপজেলার লিচুবাগান, মরিয়মনগর চৌমুহনী, গোচরা চৌমুহনী এবং শান্তিরহাট এলাকায় ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে
শান্তিরহাটে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পাশাপাশি একটি ডেন্টাল ক্লিনিক রয়েছে
এছাড়াও গোচরা চৌমুহনীতে রয়েছে সূর্যের হাসি চিহ্নিত স্বাস্থ্য ক্লিনিক
রাঙ্গুনিয়া মডার্ন ব্লাড ডোনেশন ক্লাবের লোগো
রাঙ্গুনিয়ায় রাঙ্গুনিয়া মডার্ন ব্লাড ডোনেশন ক্লাব নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রয়েছে, যেটি ২০১৫ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে স্বেচ্ছায় সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছে
রক্তের অভাবে যেন কাউকে মৃত্যুবরণ করতে না হয় সেই উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় তারা রক্তের যোগান দিয়ে থাকে
আর্তের মুখে হাসি ফোটানো যদি হয় মানবতা, তবে তার সেবক হলো প্রতিটা রক্তদাতা -এ স্লোগান নিয়ে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে পোস্টের মাধ্যমে স্বেচ্ছায় রক্তদান করার পাশাপাশি যুবসমাজকে প্রতিনিয়ত উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছে সংগঠনটি
গর্ভবতী মা, থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগী, ব্লাড ক্যান্সার, কিডনি রোগী ও দুর্ঘটনার শিকার মানুষজনের পাশে জরুরি ভিত্তিতে পাশে এসে দাঁড়ায় এ সংগঠনের সদস্যরা
এছাড়াও সংগঠনটির পক্ষ থেকে রক্তদানের পাশাপাশি জনসচেতনতার জন্য বিভিন্ন ইউনিয়ন, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, নানা ধর্মীয় এবং সামাজিক অনুষ্ঠানে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও থ্যালাসেমিয়া সচেতনমূলক কর্মসূচী পালন করা হয় এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানও চালায় সংগঠনের সদস্যরা
বর্তমানে দেশের বাইরেও জনসেবামূলক এসব কাজ করে যাচ্ছে রাঙ্গুনিয়া মডার্ন ব্লাড ডোনেশন ক্লাবের প্রবাসী পরিষদ
যোগাযোগ[সম্পাদনা]
চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়ক
একটি গ্রাম্য সড়ক
১৯৫৫ সালের আগে কাপ্তাই সড়ক নির্মাণ হওয়ার পূর্বে রাঙ্গুনিয়ার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক ছিল, তখন নদী পথই ছিল যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম
জেলা সদরে যাতায়াত ব্যবস্থায় দুর্ভোগ পোহাতে হত বলে এখনো লোকমুখে বলতে শোনা যায় রইন্যা দি শরত যন
কাপ্তাই সড়ক নির্মাণ হওয়ার পর রাঙ্গুনিয়া উপজেলার প্রধান যোগাযোগ ব্যবস্থা সড়ক পথে
জেলা সদর থেকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সদর ও উপজেলার বেশির ভাগ অঞ্চলে যোগাযোগের প্রধান সড়ক কাপ্তাই সড়ক, রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় যার দৈর্ঘ্য ২৬ কিলোমিটার
এছাড়া চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়ক এ উপজেলার উত্তরাঞ্চলের ইউনিয়নগুলো অতিক্রম করেছে এবং রাঙ্গামাটি-চন্দ্রঘোনা-বান্দরবান সড়ক উপজেলার পূর্বাঞ্চল অতিক্রম করেছে
রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়কের দৈর্ঘ্য সাড়ে ৮ কিলোমিটার এবং রাঙ্গামাটি-চন্দ্রঘোনা-বান্দরবান সড়ক রাঙ্গুনিয়া উপজেলার যে অংশ অতিক্রম করেছে তা কাপ্তাই সড়ক নামেই পরিচিত
চন্দ্রঘোনা এলাকায় কর্ণফুলী নদীর উপর ফেরিঘাটের মাধ্যমে এ সড়কটিকে সংযুক্ত করেছে
এছাড়া উপজেলা সদরের সাথে উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের ৪ ইউনিয়ন সহ বোয়ালখালী উপজেলা ও বান্দরবান সদর উপজেলার সাথে যোগাযোগ সহজতর করেছে দ্বিতীয় কর্ণফুলী সেতু বা গোডাউন ব্রিজ
উপজেলার অন্যান্য প্রধান সড়কগুলোর মধ্যে রয়েছে মরিয়মনগর-রানীরহাট সড়ক, পারুয়া ডিসি সড়ক, রাঙ্গুনিয়া-বোয়ালখালী সংযোগ সড়ক, হাফেজ বজলুর রহমান সড়ক, পদুয়া কালিন্দিরাণী সড়ক
এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ সড়ক রয়েছে
কাপ্তাই ও রাঙ্গামাটি সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল করে
অন্যান্য সড়কসমূহের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম সিএনজি চালিত অটোরিক্সা
কর্ণফুলী নদী
এছাড়াও নদীপথে রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে
নৌপথে ভ্রমণপিয়াসুরা চট্টগ্রাম শহরের সদরঘাট বা কালুরঘাট এলাকা থেকে লঞ্চ, স্টীমার বা স্পীডবোট যোগে এ উপজেলার চিত্তাকর্ষক স্থানগুলো উপভোগ করতে পারেন
জীব বৈচিত্র্য[সম্পাদনা]
শেখ রাসেল এভিয়ারি পার্কের লেক ভিউ
রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কোদালা বন বিটের সবুজ বনানী ঘিরে স্থাপিত হয়েছে দেশের একমাত্র পক্ষিশালা ও বিনোদন কেন্দ্র শেখ রাসেল পক্ষিশালা ও ইকোপার্ক
প্রাকৃতিক এবং বন্য প্রাণী সংরক্ষণ, গবেষণা এবং বিনোদন এই বিষয়সমূহ মাথায় রেখে উপজেলার বিস্তৃত পাহাড় রাশিকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা হয়েছে এই এভিয়ারি এন্ড রিক্রিয়েশন পার্ক
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সর্বকনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের নামে নামকরণ করা এ পার্কটি আয়তনে এশিয়ার বৃহৎ পাখি সংগ্রহশালা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে
ময়ূরের নাচ
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, পার্কে আরও দেশি ও বিদেশি পাখি সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে
এছাড়া দেশের বিরল ও বিপন্নপ্রায় পাখি সংরক্ষণ করার বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার
চলমান এ প্রকল্পের নতুন নতুন পাখি সংগ্রহসহ পার্কে পাখির উপযোগী বাগান তৈরি ও পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াতে চিত্তবিনোদনমূলক ভৌত অবকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে
এখানে অতিথি পাখির অভয়ারণ্য সৃষ্টি হবে এবং পর্যটন পরিবেশ সৃষ্টির পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে
এই পার্কে বাবুই, দোয়েল, ধলাকোমর শ্যামা, শালিক, ঈগল, শকুন, বুলবুলি, প্যাঁচা, হলদে পাখি, টুনটুনি, টিয়া, ঘুঘু, মাছরাঙা, সাদা বকের মতো বিলুপ্তপ্রায় ২০০ প্রজাতির পাখি সংরক্ষণ করা হয়েছে
দেশি প্রজাতির পাখির পাশাপাশি এই পক্ষিশালায় যুক্ত হয়েছে আফ্রিকার পলিক্যান, সোয়ান, রিং ন্যাক, ইলেকট্রাস প্যারট, ম্যাকাওসহ বিভিন্ন বিদেশি পাখি
এছাড়া প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে আরও নতুন নতুন পাখি সংগ্রহ করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার
প্রকৃতিপ্রেমীদের মন জুড়াতে একেবারে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ও সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে শেখ রাসেল এভিয়ারি এন্ড ইকোপার্ক
শেখ রাসেল এভিয়ারি পার্কের মনোরম দৃশ্য
এ পার্কে নতুন করে ক্যাবল কার সংযোজন করার পর থেকে চট্টগ্রামের পর্যটন সম্ভাবনার নতুন দ্বার খুলে দিয়েছে
পার্কের উপরে যেমন দিগন্ত বিস্তৃত নীল আকাশ, নিচে দৃষ্টিনন্দন লেক আর সবুজ অরণ্য
ঠিক এই দুয়ের মাঝখানে ভূমি থেকে প্রায় ২০০ ফুট উচ্চতায় বসে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া যায়
বাতাসের ওপর ভেসে এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে যাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে এই পার্কে