content
stringlengths
0
129k
একজন আদর্শ শিক্ষক তার শিক্ষার্থীর কাছে দার্শনিকের মতো
শুধু পাঠদানই নয়, শিক্ষার্থীর মানসিক বিকাশ ও তাদের মধ্যে মানবিক দিকগুলোকে উদীপ্তকরণে একজন শিক্ষক অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন
একজন শিক্ষকের জীবন শিক্ষার্থীদের সামনে খোলা বইয়ের মতো
অর্থাৎ শিক্ষার্থীরা বই পড়ে যেমন জ্ঞানার্জন করে, তেমনি একজন নৈতিক গুণাবলিসম্পন্ন আদর্শ শিক্ষকের জীবনদৃষ্টান্ত অনুসরণ করে একজন শিক্ষার্থী নীতিনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে
তাই একজন প্রকৃত শিক্ষক তার শিক্ষার্থীদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে নিয়মিতভাবে সেসব শিক্ষা দেবেন, যা তার মাঝে নৈতিক মূল্যবোধ তৈরিতে সহায়তা করবে
তবে এ কথা সত্য যে, আজকাল শিক্ষার্থীদের সামনে অনুকরণীয় হওয়ার মতো শিক্ষকেরও অভাব দেখা দিয়েছে
অনেকে আবার শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মাধ্যমেই তাদের দায়িত্ব শেষ করছেন
শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশের বিষয়ে তাদের কোনো চেষ্টা বা উদ্যোগ নেই
অথচ চিত্তবিকাশ না ঘটলে, ভালো ও মন্দের বিচারবোধ তৈরি না হলে কারও পক্ষে যথার্থ শিক্ষিত হওয়া সম্ভব নয়
বি ক্যাঃ বিএসবি ফাউন্ডেশনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের শিক্ষাঙ্গনে ঈর্ষণীয়ভাবে শ্রেষ্ঠত্বের দাবীদার
বিশেষ করে ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের
এই প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যত কার্যক্রম নিয়ে কোন পরিকল্পনা আছে কী? লায়ন সেলিমা রওশনঃ ক্যামব্রিয়ান হচ্ছে শিক্ষার এক স্বপ্নের ঠিকানা
ক্যামব্রিয়ান তার শিক্ষা ব্যবস্থায় নিজে স্বপ্ন দেখে এবং অন্যকে স্বপ্ন দেখাতে সহযোগিতা করে
যেমন লেসন প্লান, একাডেমিক ক্যালেন্ডার, নোট গাইড, ডিজিটাল কন্টেন্ট, ক্যামব্রিয়ানের নিজস্ব পাঠদান পদ্ধতি, স্মার্টবোর্ডসহ আধুনিক শিক্ষা উপকরণ ব্যবহারের প্রশিক্ষণ প্রদানে বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে
গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত এসব সুযোগ-সুবিধা ক্যামব্রিয়ান থেকে গ্রহণ করছে যা অন্য কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রত্যাশা করা যায় না
আমরা প্রতিটি শিক্ষা বোর্ডে একটি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছি
এর উদ্দেশ্য আরো বেশি করে আদর্শ মেধাবী এবং গ্রামীণ ছাত্র-ছাত্রীদের স্কলারশিপের মাধ্যমে লেখাপড়ার সুযোগ তৈরি করে দেয়া
কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার ব্যাপারেও আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে আন্তর্জাতিক শিক্ষা ব্যবস্থার একটি সেতুবন্ধন তৈরির ব্যাপারে আমরা কাজ করে যাচ্ছি
ক্যামব্রিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এটা এখন সময়ের দাবি
আমাদের এ ব্যাপারে সার্বিক প্রস্তুতি সুসম্পন্ন
২০০৪ সালে ক্যামব্রিয়ান কলেজ প্রতিষ্ঠার পর শিক্ষার ক্ষেত্রে ক্যামব্রিয়ানের অনেক শাখা-প্রশাখার বিস্তৃতি লাভ করেছে
ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপের আওতায় প্রায় ২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে
ক্যামব্রিয়ান ওঝঙ সার্টিফিকেটধারী একটি প্রতিষ্ঠান এবং , কর্তৃক স্বীকৃতি (প্রিমিয়ার স্ট্যাটাস) প্রতিষ্ঠান
ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ (ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ) ছাড়া এই গ্রুপের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে কিংস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মেট্রোপলিটন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উইনসাম স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নর্থ সিটি কলেজ, ক্যামব্রিয়ান ইন্টা. কলেজ অব এভিয়েশন, ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্টাডি সেন্টার, আরাবি ইন্টারন্যাশনাল স্কু...
বি ক্যাঃ ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, দেশের শিক্ষাঙ্গনে শ্রেষ্ঠত্বের দাবীদার
এই দাবীর পেছনে যৌক্তিক কোন কারণ আছে কী? আপনার অভিমত কী?
লায়ন সেলিমা রওশনঃ ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ দেশের শিক্ষাঙ্গনে এক নন্দিত নাম
আদর্শ, আধুনিক, ফলাফল, যুগোপযোগি এডুকেশন টেকনোলজি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সর্বাগ্রে ক্যামব্রিয়ানকে এগিয়ে রাখতে হবে
ক্যামব্রিয়ানের শ্রেষ্ঠত্বের নেপথ্যে বহুবিধ কারণ অন্তর্নিহিত
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে শ্রেষ্ঠত্বের তালিকায় টপ টেনে ক্যামব্রিয়ানের অবস্থান
বহুবিধ বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অন্যতম ছাত্র ঃ শিক্ষক অনুপাত ১০ঃ১, ৩০ থেকে ৪০ জনের জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্মার্ট ক্লাস রুম
কোচিং-এর পরিবর্তে ঝঝচ সুবিধা, ইঘঈঈ, স্কাউট ও খেলাধুলার অংশগ্রহণের সুযোগ, ১০১টি শিক্ষা উপকরণ ফ্রি এবং উচ্চশিক্ষায় বিএসবি ফাউন্ডেশন স্কলারশিপ ও ভিসা সাপোর্ট ইত্যাদি
এছাড়া রয়েছে পাঠ পরিকল্পনা অনুসারে পাঠদান, অভিজ্ঞ ও নিবেদিত শিক্ষকম-লী, বাংলা ও ইংরেজিতে পাঠদান, ক্লাসে আধুনিক শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার, গাইড ও শ্রেণি শিক্ষকের নিবিড় পরিচর্যা, নিয়মিত অভিভাবক সভা, ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং কম্পিউটার ল্যাব, ইন্টারনেট ও স্মার্ট ক্লাসরুম ব্যবহারের সুবিধা
আরো রয়েছে ডিবেট, ল্যাংগুয়েজ, আবৃত্তি ও বিজ্ঞান ক্লাবে অংশগ্রহণের সুযোগ
ক্যামব্রিয়ান একাডেমির মাধ্যমে নাচ, গান, আবৃত্তি, অংকন ও অভিনয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়
বিশেষ সার্ভিসের মধ্যে রয়েছে নিয়মিত চিকিৎসা পরামর্শ, হোম টিচিং সাপোর্ট, গাইড টিচার সাপোর্ট, হোস্টেল ও ট্রান্সপোর্ট সাপোর্ট ইত্যাদি
এসব কারণে অভিভাবকদের কাছে ক্যামব্রিয়ান প্রিয় কলেজ এবং শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার
বি ক্যাঃ তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারে ক্যামব্রিয়ানের রয়েছে অগ্রণী ভূমিকা
বাস্তবে কি তাই? ক্যামব্রিয়ানকে নিয়ে এমনটি ভাবার যৌক্তিক কোন কারণ আছে কী?
লায়ন সেলিমা রওশনঃ ডিজিটাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ক্যামব্রিয়ান ইতোমধ্যে শিক্ষাঙ্গনে খ্যাতি অর্জন করেছে
প্রথম ডিজিটাল ক্যাম্পাস হিসেবে দাবীদার ক্যামব্রিয়ান
দেশের স্মার্ট ক্লাস রুম প্রবর্তনে ক্যামব্রিয়ান প্রথম
এভাবে আধুনিক টেকনোলজি ব্যবহারে শিক্ষাঙ্গনে ক্যামব্রিয়ান এখনো অগ্রগামী
স্মার্টবোর্ড, স্মার্ট ক্লাস রুম, ক্লাসরুমে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্ট ব্যবহার, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির জন্য ফিঙ্গার প্রিন্টের ব্যবহার, হেলথ কার্ড, স্মার্টওয়াচ, স্মার্ট জঋওউ কার্ড প্রদান (যা বাংলাদেশে প্রথম) করা হয়
এভাবে ক্যামব্রিয়ান শিক্ষা ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে
বি ক্যাঃ বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ভর্তি, ভিসা সাপোর্ট স্কলারশিপ ইত্যাদি বিষয়ে দীর্ঘ ২৭ বছর যাবৎ বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক আমাদের দেশের শিক্ষার্থীর দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করে আসছে
এই দীর্ঘ পথযাত্রায় আপনিও একজন নিবেদিত বিএসবি'র ভাইস-চেয়ারম্যান
২৭ বছরের এই দীর্ঘ কার্যক্রমকে কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?
লায়ন সেলিমা রওশনঃ বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক, দীর্ঘ ২৭ বর্ষ ধরে বিদেশে উচ্চশিক্ষার অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করে আসছে
আন্তর্জাতিক শিক্ষাঙ্গনে উচ্চশিক্ষার পথকে সুগম করতে ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দীর্ঘ ২৭বছর যাবৎ বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক ৭০,০০০ শিক্ষার্থীকে বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের কয়েক হাজার স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্টিফিকেট, ডিপ্লোমা, অনার্স, মাস্টার্স ও পিএইচডি প্রোগ্রামের ৩০০ এর অধিক বিষয়ে অধ্যয়নের ক্ষেত্রে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক দিকনির্দেশনা ...
বিএসবি গ্লোবাল নেটওর্য়াক উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর যেসব শিক্ষার্থী দেশের পাবলিক বা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হতে পারে না, তাদের উচ্চ শিক্ষার পথ সুগম করতে বিদেশের ভালো ভালো উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ব্যবস্থা করেছে
যারা দরিদ্র কিন্তু মেধাবী, এমন শিক্ষার্থীদের বৃত্তির ব্যবস্থা করে দিয়েছে
উচ্চ শিক্ষালাভের জন্য আর্থিক সহযোগিতা করেছে
বিএসবি শুধু নিজের লাভই দেখে না, শিক্ষার মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্নও দেখে
সে লক্ষ্যে সুদীর্ঘ ২৭ বছর যাবৎ বিএসবি কাজ করে যাচ্ছে এবং আগামীতেও কাজ করে যাবে ইনশাল্লাহ
বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক শিক্ষার্থীদের বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে ধনী গরিব নির্বিশেষে সবাইকে সমান সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছে
তাই শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকবৃন্দ বিএসবি'র উপর নির্ভর করেন
এভাবেই বিএসবি শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে
সারা বিশ্বে তারা বাংলাদেশের পতাকাকে সমুন্নত রেখেছে
বিএসবি চ্যালেঞ্জকে ভয় পায় না
তারা চ্যালেঞ্জকে মনে করে 'নেক্সট অপরচুনিটি'
বিএসবি ২৭ বছরের পথ চলায় অনেক মহৎপ্রাণ মানুষের সান্নিধ্যলাভে ধন্য হয়েছে
তাদেরও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো একান্ত কর্তব্য
বি ক্যাঃ বিএসবি'র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান লায়ন এম কে বাশার পিএমজেএফ
তিনি একজন দেশের বরেণ্য শিক্ষা সংস্কারও আধুনিক শিক্ষার একজন প্রবক্তা
তাঁর সম্পর্কে আপনার অভিমত বা মূল্যায়ন কী?
লায়ন সেলিমা রওশনঃ বিএসবি'র কর্ণধার লায়ন বাশার এমন একজন মানুষ, যিনি ধ্বংসের মুখে দাঁড়িয়েও স্বপ্ন দেখতে পারেন
তিনি একজন দিকনির্দেশক, একজন সাহসী মানুষ
সাহসী মানুষের নেতৃত্বের গুণে আজ বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক ২৭ বছর পূর্তি উদযাপন করতে পারছে
তিনি সব সময় দেশের শিক্ষা উন্নয়ন, শিক্ষার প্রযুক্তি ব্যবহার এবং দেশের শিক্ষাকে বিশ্বমানে উন্নীত করার ক্ষেত্রে তিনি তাঁর সেরা অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতা ব্যবহার করে থাকে
আমরা আশা করবো, এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে এবং এর শতবর্ষপূর্তিও একদিন হবে
এজন্য আমরা সবার সহযোগিতা এবং দোয়া চাই
আমরা যেন সবার সহযোগিতা এবং দোয়া নিয়ে আগামী দিনগুলোতে সফলতার আরও উচ্চ শিখরে উঠতে পারি
আমরা লায়ন বাশারের জন্য আপনাদের দোয়া চাই, যেন তিনি সুস্থ দেহে সুস্থ মনে দেশ ও জাতি গঠনের কাজ করতে পারেন, বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক এবং ক্যামব্রিয়ানসহ সকল মাধ্যমে
বি ক্যাঃ আমরা জানি, দেশের সুবিধাবঞ্চিত অর্থাৎ প্রান্তিক প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষে শিক্ষা নিয়ে আপনার এবং জনাব লায়ন এম কে বাশার স্যারের অনেক পরিকল্পনা রয়েছে
সেগুলো সম্পর্কে জানাবেন কী?
লায়ন সেলিমা রওশনঃ শিক্ষার অগ্রদূত লায়ন এম কে বাশার দেশকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে প্রতিষ্ঠা করেছেন বিএসবি-ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপ
রাজধানী ঢাকা, বন্দরনগরী চট্টগ্রাম এবং প্রাচ্যের ডান্ডি নারায়ণগঞ্জের পর বিএসবি-ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপের ফাউন্ডার লায়ন এম কে বাশার তাঁর শিক্ষা-উদ্যোগের উদারহস্ত প্রসারিত করেছেন নিজ গ্রাম ব্রাক্ষণবাড়িয়ার দরুইনে যে গ্রামের কাছে তাঁর জন্মঋণ
সেই ঋণ শোধ করার একটি মহৎ প্রয়াস তিনি চালিয়েছেন দরুইন গ্রামে ক্যামব্রিয়ান কলেজ, আখাউড়া প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে
দরুইন গ্রামে বিশ্বমানের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়-হাসপাতাল ও পাঁচ তারকা হোটেলসহ অত্যাধুনিক নাগরিক সুবিধা সংবলিত সবকিছু প্রতিষ্ঠার দূরদর্শী লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২৫০ বিঘা জায়গা জুড়ে পরিবেশ-বান্ধব সুপরিকল্পিত এডুকেশন সিটি গড়ে তোলার মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশে ডিজিটাল শিক্ষার স্বপ্নদ্রষ্টা লায়ন এম কে বাশার
সবুজ-শ্যামল-শস্যে ঘেরা ২৫০ বিঘা জায়গার বিশাল প্রান্তরে লায়ন বাশার ইতোমধ্যে গড়ে তুলেছেন মৎস্য খামার, সুবিশাল কলাবাগানসহ নানা ধরণের প্রাকৃতিক ও পরিবেশ-বান্ধব প্রকল্প
অদূর ভবিষ্যতে তিনি দরুইন গ্রামকে একটি হাই-টেক ডিজিটাল এডুকেশন সিটিতে রূপান্তর করতে কাজ করে যাচ্ছেন
এডুকেশন সিটির চারদিকে থাকবে পানির লেক
মাঝখানে থাকবে দরুইন এডুকেশন সিটি
সেখানে থাকবে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ উচ্চ গবেষণা প্রতিষ্ঠান
জলবেষ্টিত এই এডুকেশন সিটি হবে স্বনির্ভর
এর একদিকে যেমন বিভিন্ন ফল-ফসল ও মাছের চাষ হবে, অন্যদিকে জলবেষ্টিত নগরীতে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করবে দেশ-বিদেশের শিক্ষার্থীরা
বি ক্যাঃ আধুনিক শিক্ষার প্রবক্তা লায়ন এম.কে বাশার স্যারের মহা পরিকল্পনার সঙ্গে আপনি কিভাবে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছেন?
লায়ন সেলিমা রওশনঃ দরুইন গ্রামে ক্যামব্রিয়ান কলেজ, আখাউড়া স্থাপনে আমি লায়ন বাশারকে নিরন্তর উৎসাহ জুগিয়েছি
লায়ন বাশারের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিলো তাঁর নিজ এলাকা দরুইন গ্রামে ক্যামব্রিয়ান কলেজের একটি শাখা স্থাপনের
যে শাখায় তাঁর এলাকার এসএসসি পাসকৃত শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবে
তাঁর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন আজ সার্থক হলো
ঢাকা ও চট্টগ্রামে ক্যামব্রিয়ান কলেজ সফলতার সাথে ডিজিটাল সিস্টেমে স্মার্ট ক্যাম্পাসে কার্যক্রম পরিচালনা করে শিক্ষাক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করেছে
সেই সফলতা এই দরুইন গ্রামের ক্যামব্রিয়ান কলেজের শাখা থেকেও অর্জিত হবে বলে আমার বিশ্বাস
আমাদের প্রত্যাশা
আমাদের প্রত্যাশা লায়নিজম এবং ক্যামব্রিয়ান এর কার্যক্রমের মাধ্যমে আর্ত-মানবতার সেবা ও প্রকৃত শিক্ষা বিস্তারের যে সেতুবন্ধন রচনা করেছেন লায়ন সেলিমা রওশন, তা অত্যন্ত ইতিবাচক
প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মানুষের সেবা করার মধ্যেই প্রকৃত সুখ খুঁজে পান এই মহীয়সী নারী
তাঁকে অনায়াসেই এ যুগের নারী কল্যাণের নেত্রী বলা যায়