content stringlengths 0 129k |
|---|
এসময় মো. জিয়াউর রহমান নামে এক জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে |
সাভারের জিরাবোতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এই অভিযান পরিচালিত হয় |
বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় এই অভিযান পরিচালিত হয় |
র্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সরওয়ার আলমের নেতৃত্বে র্যাব-২ ও বন্য বিভাগের বন্যপ্রাণি অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ইউনিট যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে |
জব্দকৃত পাখিগুলোর মধ্যে ৮০টি মুনিয়া, ২৩০টি বাসন্তী লটকন তোতা, ২০০টি কালামাথা মুনিয়া, ১০০টি তিলা মুনিয়া ও একটি ময়না রয়েছে |
সরওয়ার আলম জানান, জব্দকৃত পাখিগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর কার্জন হল চত্বরে অবমুক্ত করা হয়েছে |
বন্যপ্রাণি (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ মোতাবেক সকল ধরণের বন্যপ্রাণি ক্রয়-বিক্রয়, বহন, পরিবহন, আটক, শিকার, ভক্ষণ ইত্যাদি দণ্ডনীয় অপরাধ |
আটককৃত জিয়াউর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে জানায়, একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যরা এ সমস্ত পাখি উত্তরাঞ্চলের বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর থেকে শিকার করে তার নিকট বিক্রয় করে |
পরে এগুলো ঢাকার বিভিন্ন দোকানে বিক্রি করেন জিয়াউর |
অভিযান সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সরওয়ার আলম বলেন, অবৈধভাবে পাখি শিকার ও বিক্রি একটা সংঘবদ্ধ চক্রের কাজ |
আমরা পুরো চক্রটিকে ধরার চেষ্টা করছি |
আটককৃত জিয়াউরকে এর আগেও একই অপরাধে ৬ মাসের দণ্ড দেওয়া হয়েছিল |
সাভারে অভিযানকালে বন্যপ্রাণী নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের বন্যপ্রাণি পরিদর্শক অসীম মল্লিকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন |
2020 আমরা সেদিন সেক্স করেছি |
69 উফ জানিস, না দেখলে বিশ্বাস করবি না শাহেদের ওটা কত বড়' জিনিয়া যেন মনে করেই শিউরে উঠল |
... |
এদেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে একটি বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে এবং হয়তো বর্তমান সময়টা একটি বিপ্লবকালীন সময় |
এই বিপ্লবকে বেগবান করে তুলতেই বাংলা মুভি ডেটাবেজ - বাংলাদেশী সিনেমার ডেটাবেজ |
বাংলাদেশী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির এই পরিবর্তনকালীন সময়ে বাংলাদেশী চলচ্চিত্র বিপ্লবকে অনুভব করতে, বিপ্লবের সাক্ষী হতে বাংলা মুভি ডেটাবেজ এর সাথে থাকুন |
দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস (ইংরেজি ভাষায়: ) ইংরেজ ভাষাবিজ্ঞানী জে. আর. আর. টলকিন রচিত একটি মহাকাব্যিক হাই ফ্যান্টাসি উপন্যাস |
টলকিনের পূর্ববর্তী, অপেক্ষাকৃত কম জটিল ছোটোদের ফ্যান্টাসি উপন্যাস দ্য হবিট-এর (১৯৩৭) পরিপূরক উপন্যাস (সিকোয়েল) রূপে এই গল্পের সূত্রপাত হলেও, ধীরে ধীরে এটি একটি বৃহত্তর রচনার আকারে বিকশিত হয়ে ওঠে |
১৯৩৭ থেকে ১৯৪৯ সালের মধ্যবর্তী সময়ে, মুখ্যত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ধাপে ধাপে এই উপন্যাসটি রচনা করা হয় |
[১] টলকিন প্রথমে একটি খণ্ডে উপন্যাসটি সমাপ্ত করতে চাইলেও, এটি প্রথমে তিন খণ্ডে প্রকাশিত হয় |
যুদ্ধোত্তর বাজারে কাগজের দুষ্প্রাপ্যতার কারণে ১৯৫৪-৫৫ সালের আগে উপন্যাসটি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি |
পরবর্তীকালে একাধিকবার এই উপন্যাস পুনর্মুদ্রিত হয় এবং একাধিক ভাষায় অনূদিত হয় |
[২] এই কারণে এই উপন্যাসকে বিংশ শতাব্দীর সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী রচনা বলে মনে করা হয় |
উপন্যাসের শিরোনাম কাহিনির প্রধান খলনায়ক ডার্ক লর্ড (কালো জাদুকর) সাউরনের পরিচায়ক |
তিনি এক পূর্ববর্তী যুগে একটি ওয়ান রিং (এক অঙ্গুরীয়) সৃষ্টি করেন অন্যান্য রিংস অফ পাওয়ার (শক্তি অঙ্গুরীয়)-গুলির উপর আধিপত্য কায়েম করার ইচ্ছায় |
এই ওয়ান রিং-ই ছিল মিডল-আর্থ (মধ্য-পৃথিবী) দখলের অভিযানে তাঁর চরম অস্ত্র |
কাহিনির সূত্রপাত শায়ার নামে পরিচিত হবিটদের দেশে |
এই শায়ার খানিকটা ইংল্যান্ডের গ্রামাঞ্চলের মতো |
পরে মিডল-আর্থের বিভিন্ন অঞ্চল পরিভ্রমণকারী এই কাহিনির মূল চরিত্রগুলি, বিশেষত হবিট চরিত্রগুলির, চোখ দিয়ে কাহিনি বর্ণনা করা হয়েছে |
এই চরিত্রগুলি হল ফ্রোডো ব্যাগিনস, স্যামওয়াইজ গ্যামজি (স্যাম), মেরিয়াডক ব্র্যান্ডিবাক (মেরি) ও পেরেগ্রিন টুক (পিপিন) |
মিডল-আর্থ নামক এই কাল্পনিক পৃথিবীর বাসিন্দারা হল মানুষ ও অন্যান্য মনুষ্যপ্রতিম জাতি (হবিট, এলফ, ডুয়ার্ফ ও অর্ক) |
এছাড়াও রয়েছে বেশ কিছু বাস্তব ও কাল্পনিক জীবের উল্লেখ (যেমন, এন্ট, ওয়ার্গ, বালরগ, ট্রল ইত্যাদি) |
এছাড়াও রয়েছে মানুষের চেয়েও উচ্চ প্রজাতির ফেরেস্তা সদৃশ ভালার ও মায়ার যাদেরকে মানুষরা যথাক্রমে ঈশ্বর ও জাদুকর হিসেবে জানে |
তবে এই কাল্পনিক পৃথিবীতে স্রষ্টা বা ঈশ্বর একজন, যাকে এরু ইলুভাটার নামে ডাকা হয় |
টলকিনের অন্যান্য রচনার সঙ্গে সঙ্গে লর্ড অফ দ্য রিংস-ও উৎস ও বিষয়বস্তুর বিস্তারিত বিশ্লেষণের বিষয় |
এটি একটি প্রধান রচনা হলেও ১৯১৭ সাল থেকে চলে আসা টলকিনের একটি বিশাল কর্মকাণ্ডের শেষ পর্যায় |
এই কর্মকাণ্ডের নাম টলকিন রেখেছিলেন মিথোপোয়িয়া |
[৩] লর্ড অফ দ্য রিংস-এর কাহিনি এবং এর পূর্ববর্তী উপন্যাসটির উপর প্রভাব বিস্তার করেছে ভাষাবিজ্ঞান, পুরাণকথা, ধর্ম ও শিল্পায়ণের প্রভাবের প্রতি লেখকের বিতৃষ্ণা |
এছাড়াও পূর্বতন ফ্যান্টাসি সাহিত্য ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধে টলকিনের অভিজ্ঞতার প্রভাবও এই উপন্যাসে দেখা যায় |
[৪] আধুনিক ফ্যান্টাসি সাহিত্যেও টলকিনের প্রভাব অপরিসীম |
এই প্রভাবের গুরুত্ব এতটাই যে "টলকিনিয়ান" ও "টলকিনেস্ক" শব্দদুটির প্রয়োগ "অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি"-তে অনুমোদিত হয়েছে |
লর্ড অফ দ্য রিংস-এর দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তার কারণে জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে এই রচনার উল্লেখ করা হতে থাকে |
টলকিনের রচনার ভক্তেরা একাধিক ক্লাব স্থাপন করেন |
[৬] টলকিন ও তাঁর রচনা সম্পর্কিত একাধিক গ্রন্থও প্রকাশিত হয় |
লর্ড অফ দ্য রিংস অনুপ্রাণিত করে চিত্রকলা, সংগীত, চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন, ভিডিওগেম ও পরবর্তী সাহিত্যধারাকে |
লর্ড অফ দ্য রিংস নাট্যায়িত হয় বেতার, মঞ্চ ও চলচ্চিত্রে |
পরিচ্ছেদসমূহ |
১.১ দ্য ফেলোশিপ অফ দ্য রিং |
১.২ দ্য টু টাওয়ার্স |
১.৩ দ্য রিটার্ন অফ দ্য কিং |
১.৪ পরিশিষ্ট |
২ ধারণা ও সৃষ্টি |
২.১ পটভূমি |
৩ প্রধান চরিত্রসমূহ |
৪ চলচ্চিত্রায়ন |
৫ বাংলা অনুবাদ |
৭ আরও পড়ুন |
৮ বহিঃসংযোগ |
সারাংশ[সম্পাদনা] |
লর্ড অফ দ্য রিংস উপন্যাসটি প্রকৃতপক্ষে তিন খণ্ডে প্রকাশিত হয় |
এই তিনটি খণ্ডের শিরোণাম হল: দ্য ফেলোশিপ অফ দ্য রিংস, দ্য টু টাওয়ার্স ও দ্য রিটার্ন অফ দ্য কিং |
দ্য ফেলোশিপ অফ দ্য রিং[সম্পাদনা] |
মূল নিবন্ধ: দ্য ফেলোশিপ অফ দ্য রিং |
মর্ডরে ডার্ক লর্ড সাউরন একটি "শাসনকারী শক্তি অঙ্গুরীয়" তৈরি করেন |
ইসিলডুর যুদ্ধে সেটি কেটে নেন এবং নিজের কাছে রেখে দেন |
পরে তিনি অর্কদের হাতে নিহত হলে আঙটিটি মহানদীতে (গ্রেট রিভার) তলিয়ে যায় |
গলাম মাছ ধরতে গিয়ে সেই আঙটিটি খুঁজে পায় |
আঙটিটির জন্য সে একটি খুন পর্যন্ত করে |
হারিয়ে ফেলার আগে দীর্ঘকাল সে সেই আঙটিটি রেখে দেয় নিজের কাছে |
তারপর আঙটিটি খুঁজে পান বিলবো ব্যাগিনস |
আঙটিটির উৎস সম্পর্কে অবহিত না হয়েই বিলবোর থেকে এটি উত্তরাধিকার সূত্রে লাভ করে ফ্রোডো ব্যাগিনস |
অন্যদিকে আঙটিটি খুঁজতে খুঁজতে গলাম মর্ডরে প্রবেশ করে |
কিন্তু সাউরনের ভৃত্যেরা তাকে ধরে ফেলে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করে |
রিংরেইদরা বেরিয়ে পড়ে আঙটিটির সন্ধানে |
আঙটিটির ইতিহাস খানিকটা জেনে গ্যানডালফ ফ্রোডোকে উপদেশ দেন আঙটিটি নিয়ে অন্যত্র চলে যেতে |
ফ্রোডো তার অনুগত মালী স্যামওয়াইজ "স্যাম" গ্যামজি ও দুই তুতোভাই মেরি ও পিপিনকে সাহায্যার্থে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে |
তাদের বিপজ্জনক পথে তারা নানাবিধ বাধার সম্মুখীন হয় |
রিংরেইদরা তাদের তাড়া করতে থাকে |
অবশেষে তাদের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসেন একাধিক চরিত্র |
তাঁদের মধ্যে প্রধান ছিলেন ইসিলডুরের বংশধর তথা গনডোরের প্রকৃত রাজা ছদ্মবেশি অ্যারাগর্ন |
ওয়েদারটপে রিংরেইদরা ফ্রোডোকে আহত করে |
কিন্তু তার সঙ্গীরা রিভেনডেলের প্রভু এলরন্ডের সাহায্যে ফোর্ড অফ ব্রুইনেন-এ তাদের পরাজিত করে |
এলরন্ডের পরিচর্যায় ফ্রোডো সেরে ওঠে |
দ্য কাউন্সিল অফ এলরন্ড সাউরন ও তার আঙটি সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে |
জানা যায় সারুমানের দুর্নীতিগ্রস্থতার কথাও |
কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নেয়, মরডোরে আঙটিটি নিয়ে গিয়ে ধ্বংস করাই একমাত্র উপায় |
ফ্রোডো স্বেচ্ছায় আঙটিটি নিয়ে যেতে চায় |
তাঁকে সঙ্গে যাওয়ার জন্য নির্বাচিত হয় ফেলোশিপ অফ দ্য রিং |
ফ্রোডো ও তার সঙ্গীরা মোরিয়ার খনি অঞ্চলের মধ্য দিয়ে যেতে বাধ্য হয় |
সেখানে একদল অর্ক তাদের আক্রমণ করে |
একটি বালরগের সঙ্গে যুদ্ধ করতে গিয়ে গ্যানডালফ গভীর গর্তে পড়ে যান |
অন্যরা পালিয়ে গিয়ে লথলরেনে আশ্রয় নেয় |
লেডি গ্যালাড্রিয়েল তাদের নৌকা ও অন্যান্য উপহার দেন |
এরপর মহানদী অ্যানডুইন ধরে তারা এসে উপস্থিত হয় অ্যামোন হেন-এ |
সেখানে গনডোরের বর্তমান শাসকের উত্তরাধিকার বরোমির ফ্রোডোর থেকে আঙটিটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে ফেলোশিপ ভেঙে যায় |
ফ্রোডো কেবলমাত্র স্যামকে সঙ্গে নিয়ে মর্ডরের পথে যাত্রা করে |
দ্য টু টাওয়ার্স[সম্পাদনা] |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.