content
stringlengths
0
129k
মূল নিবন্ধ: দ্য টু টাওয়ার্স
বরোমিরকে হত্যা করে সারুমানের অর্করা মেরি ও পিপিনকে অপহরণ করে
অ্যারাগর্ন ও অন্যান্যরা অর্কদের পিছু ধাওয়া করে "গ্যানডালফ দ্য হোয়াইট"-বেশি গ্যানডালফের সাক্ষাৎলাভ করেন
অর্করা রোহিরিম কর্তৃক নিহত হলে মেরি ও পিপিন ফ্যানগর্ন অরণ্যে পালিয়ে গিয়ে এন্ট নামক বৃক্ষাকার জীবের সঙ্গে বন্ধুত্বস্থাপন করে
গ্যানডালফ অন্যান্যদের সঙ্গে যাত্রা করে রোহিরিমের রাজা থিয়োডেনকে সারুমানের সম্পর্কে অবহিত করেন
হেম'স ডিপে তাঁরা সারুমানের বাহিনীর মুখোমুখি হন
এরপর হর্নবার্গের যুদ্ধে সারুমানের বাহিনী পরাস্ত হয়
মেরি ও পিপিন এন্টদের চালিত করে আইসেনগার্ডের অবশিষ্ট বাহিনীকেও ধ্বংস করে দেয়
গ্যানডালফ, থিয়োডেন ও অন্যান্যরা আইসেনগার্ড অভিমুখে যাত্রা করেন
সারুমান নিজের দোষ স্বীকারে অস্বীকার করলে গ্যানডালফ তাঁর পদ ও অধিকাংশ ক্ষমতা কেড়ে নেন
যে প্যালানটির বা দর্শনপ্রস্তরের মাধ্যমে সাউরন সারুমানের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন, পিপিন সেই পাথরটি দেখে
সাউরন হবিটদের উপস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হন
গ্যানডালফ পিপিনকে গনডোরে নিয়ে আসেন
ফ্রোডো আর স্যাম গলামকে বন্দী করে
গলাম তাদের মর্ডরের অভ্যন্তরে নিয়ে যেতে রাজি হয়
তারা এক দীর্ঘ পথ যাত্রা করে
মাঝে সামান্য সময়ের জন্য তাদের সাহায্য করে বরোমিরের ভাই ফারামির
ফ্রোডোর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে গলাম তাদের মিনাস মর্গালের উপরের একটি পাহাড়ি গুহায় শিলব নামে একটি বিরাট মাকড়সার কাছে নিয়ে যায়
শিলবের কামড়ে ফ্রোডো অচৈতন্য হয়ে পড়ে
স্যাম স্টিং ও গ্যালাড্রিয়েলের উপহার এরেনডিলের তারা-ভরা একটি শিশির মাধ্যমে শিলবকে দূর করে দেয়
স্যাম আঙটিটি নিয়ে নেয়
ফ্রোডোকে অর্করা সিরিথ আঙ্গলে নিয়ে যায়
সাউরন গনডোর আক্রমণের উদ্দেশ্যে সামরিক অভিযান শুরু করেন
সর্বশ্রেষ্ঠ রিংরেইদ উইচ-কিং অফ অ্যাংমারের নেতৃত্বে একটি বিরাট বাহিনী গনডোরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে
দ্য রিটার্ন অফ দ্য কিং[সম্পাদনা]
মূল নিবন্ধ: দ্য রিটার্ন অফ দ্য কিং
পরিকল্পিত আক্রমণ সম্পর্কে সতর্ক করতে পিপিনকে নিয়ে গ্যানডালফ উপস্থিত হন গনডোরের মিনাস টিরিথে
মেরি রোহানের সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়
অ্যারাগর্ন প্রেতবাহিনীতে (আনডেড আর্মি) স্বপক্ষে আনার জন্য অন্যান্যদের নিয়ে মৃতের সরণিতে (পাথস অফ দ্য ডেড) যাত্রা করে
গ্যানডালফ, অ্যারাগর্ন ও ফেলোশিপের অন্যান্যরা সাউরনের বাহিনীর বিরুদ্ধে পেলেনর মাঠের যুদ্ধে যোগ দেন
গনডোরের তৎকালীন শাসক ডেনেথর তাঁর দুই পুত্রকেই মৃত মনে করে আশাহত হয়ে আত্মহত্যা করেন
যথাসময়ে এসে উপস্থিত হয় রোহানের অশ্বারোহী বাহিনী ও অ্যারাগর্নের প্রেতবাহিনীও
ফলে সাউরনের বাহিনীর বৃহত্তর অংশই পরাজিত হয়
অ্যাংমারের উইচ-কিং থিয়োডেনের ভাতুষ্পুত্রী এওইন ও মেরি কর্তৃক নিহত হন
মর্ডরের অভ্যন্তরে সাউরন এক বিরাট সেনাবাহিনীকে সংগঠিত করে তোলেন
প্রধান চরিত্রগুলি শেষ যুদ্ধ ব্ল্যাক গেটের যুদ্ধের পথে যাত্রা করে
গনডোর ও রোহানের সম্মিলিত বাহিনী এই আশা নিয়ে সাউরনের বাহিনীর বিরুদ্ধে মরিয়া যুদ্ধ শুরু করে যে এই যুদ্ধ ফ্রোডোকে আঙটিটি ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট সুযোগ করে দেবে
স্যাম ফ্রোডোকে বন্দীদশা থেকে মুক্ত করে
তারা মর্ডরের উপত্যকার মধ্য দিয়ে মাউন্ট ডুম-এ (ধ্বংস পর্বত) পৌঁছায়
ক্র্যাকস অফ দ্য ডুমে এসে আঙটিটি ফ্রোডোকে বশীভূত করে
সে নিজের জন্য আঙটিটি দাবি করে
গলাম আঙটিটির জন্য ফ্রোডোর সঙ্গে হাতাহাতি শুরু করে দেয়
সে ফ্রোডোর আঙুল শুদ্ধ আঙটিটি কেটে নেয়
কিন্তু দুর্ঘটনাবশত পড়ে যায় আগুনে
আঙটিটি ধ্বংস হয়ে যায়
সাউরন পৃথিবী থেকে বিতাড়িত হন
তাঁর বাহিনী শক্তিহীন হয়ে পড়ে
রিংরেইদরা ধ্বংস হয়ে যায়
যুদ্ধ শেষ হয়
গনডোরের রাজসিংহাসনে অভিষেক হয় অ্যারাগর্নের
তিনি এলরন্ডের কন্যা আরউইনকে বিবাহ করেন
সারুমান অরথ্যাংকে তাঁর বন্দীদশা থেকে পালিয়ে গিয়ে শায়ারকে দাসত্বপাশে আবদ্ধ করেন
ফিরতি পথে হবিটেরা তাঁকে পরাজিত করে
স্যাম গ্যালাড্রিয়েলের উপহারগুলি কাজে লাগিয়ে শায়ারকে পুনর্গঠিত করে তার সৌন্দর্যায়ন ঘটায়
তবে ফ্রোডো দেহে ও মনে আহত হয়েই থেকে যায়
শান্তির খোঁজে সে বিলবো ও গ্যানডালফের সঙ্গে সমুদ্রযাত্রা করে মৃত্যুহীন ভূমির (আনডাইং ল্যান্ড) উদ্দেশ্যে
অন্য তিন হবিট ঘরে ফিরে আসে
পরিশিষ্ট[সম্পাদনা]
মূল কাহিনির সঙ্গে প্রদত্ত ছয়টি পরিশিষ্টে প্রচুর বাড়তি তথ্য উপাদান পাওয়া যায়
[৭] এই তথ্য উপাদান কাহিনিকে আরো সম্প্রসারিত করে
এর মধ্যে রয়েছে ঘটনার একটি কালপঞ্জি, বংশলতিকা, ক্যালেন্ডার, ব্যক্তিবর্গ ও টলকিনের আবিষ্কৃত ভাষার পরিচয়
ধারণা ও সৃষ্টি[সম্পাদনা]
পটভূমি[সম্পাদনা]
১৯৩৭ সালে প্রকাশিত টলকিনের পূর্ববর্তী উপন্যাস দ্য হবিট-এর পরিপূরক উপন্যাস বা সিকোয়েল হিসেবে জে. আর. আর. টলকিন লর্ড অফ দ্য রিংস-এর রচনা শুরু করেন
[৮] দ্য হবিট উপন্যাসের ব্যবসায়িক সাফল্যের পর প্রকাশক জর্জ অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন উক্ত উপন্যাসের একটি পরিপূরক উপন্যাস রচনা করার অনুরোধ রাখেন লেখকের কাছে
টলকিন তাদের সতর্কিত করে রাখেন যে তিনি অত্যন্ত ধীরে লিখবেন
এবং তাঁর রচনা হবে এযাবৎ লিখিত যাবতীয় রচনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ
অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন সিলমারিলিওন ও রোভর্যান্ডম-এর সমসাময়িক খসড়াটি বাতিল করে ফার্মার গিলস অ্যান্ড হ্যাম-কে গ্রহণ করে
তারা ভেবেছিল হবিট সংক্রান্ত আরও গল্প জনপ্রিয়তা লাভ করবে
[৯] তাই পঁয়তাল্লিশ বছর বয়সে টলকিন একটি গল্পে হাত দেন, যেটি পরে দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস নামে পরিচিত হয়
বারো বছর পর ১৯৪৯ সালে উপন্যাস রচনার কাজ সমাপ্ত হয়
তবে ১৯৫৫ সালের আগে এর সম্পূর্ণাংশ প্রকাশিত হয়নি
যখন হয় তখন টলকিনের বয়স তেষট্টি
প্রধান চরিত্রসমূহ[সম্পাদনা]
ভালো চরিত্র:
ফ্রোডো ব্যাগিন্স, একজন হবিট, চাচা বিলবো ব্যাগিন্স কর্তৃক প্রাপ্ত 'ওয়ান রিং' এর বহনকারী
স্যামওয়াইজ গ্যামজি, বাগান পরিচর্যাকারী এবং ব্যাগিন্সদের পারিবারিক বন্ধু
ফ্রোডোর বেস্ট ফ্রেন্ড
মেরিয়াডক ব্র্যান্ডিবাক (মেরি), ফ্রোডোর কাজিন ও বন্ধু
পেরেগ্রিন টুক (পিপ বা পিপিন), ফ্রোডোর কাজিন ও বন্ধু
গ্যানডালফ, (ওলোরিন বা মিথরান্ডির) একজন জাদুকর
প্রকৃতপক্ষে 'মায়ার' বা 'ইস্তারি' নামক ঐশ্বরিক দূত, যাকে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ফেরেস্তা সদৃশ 'ভালার'রা মিডল-আর্থে প্রেরণ করেছে ডার্ক লর্ড সাউরন এর সাথে যুদ্ধ করার জন্য
সে এলফদের 'রিং অফ ফায়ার' বহনকারী
এ আংটিটি এলফদের নেতা কিরডান অফ দ্য গ্রে হ্যাভেন্স তাকে দিয়েছিল
অ্যারাগর্ন, (এলেসার বা স্ট্রাইডার), অ্যারাথর্নের পুত্র, ইসিলডুর এর উত্তরাধিকারী, এবং মনুষ্য রাজ্য আরনর ও গনডর এর সিংহাসনের প্রকৃত দাবীদার
লেগোলাস গ্রিনলিফ, একজন এলফ যুবরাজ এবং মার্কউড নামক এলফ রাজ্যের রাজা থ্রানডুইল এর পুত্র ও উত্তরাধিকারী
গিমলি, গ্লোইনের পুত্র, একজন ডুয়ার্ফ
ডিনেথর, গনডর এর বর্তমান শাসক, মিনাস টিরিথের লর্ড
বরোমির, ডিনেথর এর জ্যেষ্ঠ পুত্র ও উত্তরাধিকারী
ফারামির, ডিনেথর এর কনিষ্ঠ পুত্র ও বরোমির এর ছোট ভাই, ইওয়াইনের স্বামী
গ্যালাড্রিয়েল, এলফ রাজ্য লোরিয়েন এর রাণী, আরওয়েন উন্ডোমিয়েল (আরওয়েন ইভেনস্টার) এর মাতামহী
এলফদের তিনটি আংটির মধ্যে একটির বাহক
কেলেবর্ন, এলফ রাজ্য লোরিয়েনের রাজা, গ্যালাড্রিয়েলের স্বামী ও আরওয়েনের মাতামহ
এলরন্ড, হাফ-এলফ, এলফ রাজ্য রিভেনডেল (এডোরাস) এর লর্ড (রাজা) ও আরওয়েনের পিতা
এলফদের অন্য একটি আংটির বাহক
আরওয়েন, লর্ড এলরন্ডের কন্যা, অ্যারাগর্নের স্ত্রী
বিলবো ব্যাগিন্স, ফ্রোডোর চাচা
থিওডেন, মনুষ্য রাজ্য রোহান এর রাজা, গনডর এর মিত্র, এবং থিওড্রেডের পিতা
ইওমার, থিওডেনের ভগ্নীপুত্র এবং মার্কের তৃতীয় মার্শাল
থিওডেনের মৃত্যুর পর রোহানের রাজা