content
stringlengths
0
129k
চীনা ডিপ্লোম্যাটের বাসার সামনে এখনো কোন প্রহরী নেই
কি হতে পারে? কিন্তু আলমদের দেরি করার উপায় নেই
অ্যাকশনটা মনোমত হল না
কিন্তু কি করা?
এরপর আলম ধানমন্ডির ভেতরের বিভিন্ন রাস্তা দিয়ে এসে সাত নম্বর রোডের ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে মিরপুর রোডে পড়ে
ডাইনে মোড় নেয় নিউ মার্কেটের দিকে মুখ করে
পাঁচ নম্বর রোডের মুখ বরাবর আসতেই ওরা দেখে কি -সামনে লাইন ধরে গাড়ি দাড়িয়ে গেছে
তার মানে ওখানে মিলিটারি চেকপোস্ট বসে গেছে, গাড়ি চেক হচ্ছে
তার মানে, ১৮ নম্বর রোডের বাড়ির সামনে এম.পি. মারার খবর এর মধ্যেই ওরা জেনে গেছে
মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল আলম
সামনের রাস্তায় ব্যারিকেড
দুটোট্রাকমিরপুর রোড় জুড়ে এদিকপানে মুখ করে দাড়িয়ে আছে
একটা জীপ রাস্তার ডানদিকে, সেটার মুখও এদিকেই ফেরানো
আরেকটা জীপ, রাস্তার বাপাশে পেট্রল পাম্পটার সামনে নিউ মার্কেটের দিকে মুখ করে দাঁড়ানো
এবং মাটিতে, রাস্তার ওপর দুজন শুয়ে-এল.এম.জি. নিয়ে
আলম যেমন ভেবে রেখেছিল, দুজন এম.পি, হাত উঠিয়ে চেঁচিয়ে গাড়ি থামাতে বলতেই সে হেডলাইট অফ করে ডানদিকে টার্ন নেবার ইনডিকেটার দিয়ে সামান্য ডানদিকে ঘুরবার ভাব দেখাল
এম.পি. দুটো চেঁচিয়ে একটা গাল দিয়ে বলে উঠল, কিধার যাতা হ্যায়? সঙ্গে সঙ্গে আলম তীব্রগতিতে বাঁয়ে টার্ন নিল
বদি আর রুমী এক সঙ্গে চেঁচিয়ে উঠল, ও-ই এলেমজি নিয়ে শুয়ে আছে মাটিতে
ফায়ার!আলমও চেঁচিয়ে উঠল, ফায়ার! ঠাঠা ঠাঠা করে স্বপন ও বদির স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র থেকে গুলি ছুটে গেল
রুমী স্টেন হাতে সিটের ওপর হাঁটু চেপে উল্টো হয়ে বসে পেছনের কাচের ভেতর দিয়ে এদিক-ওদিক দ্রুত চোখ ঘুরিয়ে দেখতে থাকল-ওদিক থেকে কারো হাতের অস্ত্র উদ্যত হচ্ছে কিনা
আশ্চর্যের ব্যাপার ওদিক থেকে একটাও গুলি ছুটে এল না
তার মানে মাটিতে শোয়া আর্মি দুজন খতম, অন্যরা ঘটনার দ্রুততা ও আকস্মিকতায় হকচকিয়ে গেছে
এই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আলম গাড়ি পাঁচ নম্বর রোডে ঢুকিয়ে ফেলেছে
রোডটা অল্প একটুখানি গিয়েই গ্রীন রোডে পড়েছে
প্রায় গ্রীন রোডে গাড়ি পৌঁছে গেছে, এমনি সময় হঠাৎ রুমীর চোখে পড়ে একটা মিলিটারি জীপ তাদের পিছু নিয়েছে
সে সেই তখন থেকেই পেছনের সিটে উল্টো বসে কাচের ভেতর দিয়ে রাস্তার দিকে চেয়েছিল
সে চেঁচিয়ে ওঠে, লুক, লুক, আ জীপ ইজ ফলোয়িং আস
এবং সঙ্গে সঙ্গে তার স্টেনের বাট দিয়ে আঘাত করে পেছনের কাচ ভেঙে ফায়ার শুরু করে জীপটার ওপর
একই সঙ্গে রুমীর দুই পাশ থেকে বদি এবং স্বপনও ফায়ার শুরু করে
ভাঙা কাচের ফাঁক দিয়ে
কজন মরল তার হিসেব না পেলেও জীপের ড্রাইভার যে প্রথম চোটেই মরেছে, তার প্রমাণ পাওয়া গেলব্রাশ ফায়ারের সঙ্গে সঙ্গেই জীপটা হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোড়ের ল্যাম্পপোস্টে গিয়ে ধাক্কা খেল
এবং সঙ্গে সঙ্গে উল্টে গেল
সেই মুহূর্তে আলম আরেকটা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল
বাদিকে টার্ন নেবার ইনডিকেটার লাইট জ্বালিয়ে বাঁয়ে গ্রীন রোডের দিকে একটু ঘুরেই শাঁ করে তীব্রগতিতে ডাইনে ঘুরে আবার নিউ মার্কেটমুখো হলো
এবং ঝড়ের গতিতে সেই পেট্রল পাম্পটার অন্য পাশ দিয়ে নিউ এলিফ্যান্ট রোডের দিকে গাড়ি ছোটাল
আলম ছাড়া বাদ বাকি সবাই পেছন দিকে তাকিয়ে দেখল, যেমনটি আলম ভেবেছিল-ট্রাক দুটো, বাকি জীপটা গ্রীন
রোডের দিকে উধ্বশ্বাসে ছুটছে বিচ্ছু গাড়িটাকে ধরবার জন্য!
এতক্ষণে গাড়ির ভেতরের সবাই স্বস্তির প্রচণ্ড হাসিতে ফেটে পড়ল
নিউ এলিফ্যান্ট রোডে ঢুকে তবে আলম আবার হেড লাইট জ্বালল
এবার ওরা চিন্তা করতে লাগল অস্ত্রগুলো কোথায় রাখা যায়
গাড়িটা তাড়াতাড়ি ডাম্প করা দরকার
ঝিরঝির করে বৃষ্টিও শুরু হয়েছে
আমাদের গলির পরের গলিতে আলমদের পরিচিত ঐ ভদ্রলোকের বাড়িতে অস্ত্র রেখে রুমী, কাজী, সেলিমকে মেইন রোডে নামিয়ে আলম, বদি আর স্বপন গাড়ি নিয়ে চলে গেছে সুযোগমতো কোথাও গাড়িটা ফেলে রেখে বাড়ি চলে যাবে
হাটহাজারীতে ২০০৮ সালে জুলি আক্তার (১০) নামে এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে আমির হোসেন প্রকাশ জামাল নামে একজনকে মৃত্যুদন্ড আদেশ দিয়েছেন আদালত
রবিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. মোতাহির আলী এ আদেশ দেন বলে আদালত সূত্রে জানা যায়
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(২) ধারায় ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে একই রায়ে আদালত আমির হোসেনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদন্ড দেন
ওই মামলায় ৭ ধারায় অপহরণের দায়ে আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ড দেন আদালত
মৃত্যুদন্ডের আদেশ পাওয়া আমির হোসেন ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর থানাধীন সাপমারা ফকিরের টিলা এলাকার ওমর আলীর ছেলে
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আবু নাসের
তিনি বলেন, 'ধর্ষণ, হত্যা ও অপহরণের দায়ে পৃথক ধারায় আসামি আমির হোসেনকে মৃত্যুদন্ড ও যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত
একই সঙ্গে মোট দেড় লাখ জরিমানাও করা হয়েছে
২০০৮ সালের ১৭ মে হাটহাজারীর দক্ষিণ পূর্ব মেখল এলাকার খলিল চৌধুরীর বাড়িতে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় জুলি আক্তারকে
পরে ১৯ মে এ ঘটনায় জামাল নামে একজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন জুলির ভাই আবদুর রহিম
পরে পু্লশি তদন্তে জানতে পারে, জামালের আসল নাম আমির হোসেন
তাকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ
আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় আমির হোসেন
* . * .
? ?
+
ভারত সরকারের 'স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় (মিনিস্ট্রি অব হেল্থ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার / এম ও এইচ এফ ডাব্লু') অন্তর্ভূক্ত 'জাতীয় স্বাস্থ্য প্রবেশদ্বার (ন্যাশনাল হেল্থ পোর্টাল /এন এইচ পি)'-র 'স্বাস্থ্য-তথ্য জ্ঞাপক কেন্দ্র (সেন্টার ফর হেল্থ ইনফরমেটিক্স/সি এইচ আই)' দ্বারা এই প্রবেশদ্বার (পোর্টাল)-টি পরিকল্...
স্টাফ রিপোর্টার : গত ২৮ঘন্টায় গতকাল শনিবার সকাল ৮টা থেকে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নড়াইলে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগির সংখ্যা ৯জন
এর মধ্যে...
মাশরাফীর সহযোগিতায় নড়াইল জেলা ছাত্রলীগ চালু করলো বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা
- 5, 2021
স্টাফ রিপোর্টার: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এর ৭২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নড়াইল জেলা ছাত্রলীগ...
2021
5 6 7 8 9 10 11
12 13 14 15 16 17 18
19 20 21 22 23 24 25
26 27 28 29 30
" "
এই মূহুর্তে...
26,754
728
141,000
প্রকাশক ও সম্পাদক : কাজী হাফিজুর রহমান, যোগাযোগ : আলাদাতপুর, নড়াইল-৭৫০০
ফোন : +৮৮০১৭২৯৭৬১৮৬৮, ০১৭১৬১০৬১০৫
: @.
© 2012-2021 . | নড়াইলকণ্ঠ ডটকম | :
'); _ = _[].(/\\(\'(?!\:)/, _() { ' (\'' + _ + '/' + .(/\(\'/, '').(/^\+|\+$/,''); }); _ += ""; } __ = ('#--'); (__.) { __.(_); } } }); } })();
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের আজীবন রেশন দেবে সরকার | 24 ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের আজীবন রেশন দেবে সরকার | 24
তথ্যপ্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
লাইফস্টাইল
কৃষি ও প্রকৃতি
সাক্ষাৎকার
ফতওয়া ও মাসাইল
মাসিক পাথেয়
জাতীয়, শীর্ষ
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের আজীবন রেশন দেবে সরকার
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম
৪ নভেম্বর, ২০২১ ১৬:১৫
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের আজীবন রেশনের আওতায় আনার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল
বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি
তিনি বলেন, ২০০৯ সালে ফায়ার সার্ভিসে জনবল ছিল ছয় হাজার ১৭৫ জন