content stringlengths 0 129k |
|---|
মনে রাখা জরুরি |
জাকাত দেয়ার সময় আরেকটি বিষয় মনে রাখতে হবে, আমার সম্পদের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের ওপর গরিবের অধিকার রয়েছে |
আমি কেবল সেই অধিকারটি পালন করছি |
বিষয়টি এমন, জাকাতদাতা হচ্ছেন দেনাদার আর গ্রহীতা হচ্ছেন পাওনাদার |
পাওনাদারকে যেভাবে সম্মানের সঙ্গে সময়মতো অর্থ পরিশোধ করতে হয়, ঠিক তেমনিভাবেই জাকাতের অর্থও হকদারকে পরিশোধ করতে হবে |
আবার কর্মঠ গরিবদের আত্ম-কর্মসংস্থানে সহায়তা করে স্বাবলম্বী করার জন্য জাকাতের অর্থ ব্যয় করার মাধ্যমেই দারিদ্র্যমুক্ত রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব হবে |
দ্বীনের প্রচার-প্রসার ও দ্বীনি শিক্ষার বিস্তারেও জাকাতের অর্থ ব্যয় করা যায় |
যথার্থ কারণে ঋণগ্রস্ত এবং ঋণ পরিশোধে অক্ষম হয়ে পড়লে, তাদের ঋণমুক্তির জন্যও জাকাতের অর্থ দিয়ে সাহায্য করা যাবে |
মুসাফির যদি আর্থিক অসুবিধায় পড়েন, তবে তাকে জাকাতের অর্থ দিয়ে সাহায্য করা যাবে, যদিও তার বাড়ির অবস্থা ভালো থাকে |
পেছন ফিরে তাকালে দেখা যায়- |
ইসলামের সোনালি যুগের শাসনব্যবস্থায় জাকাত নেয়ার মতো লোক পাওয়া যেত না |
তখন মুসলিম, খ্রিষ্টান, ইয়াহুদিসহ সব জাতি-গোষ্ঠীর নাগরিক বৈষম্যহীন সামজের গর্বিত সদস্য হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতো |
শাসকবর্গ জাকাতের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা রাখতেন |
জাকাতের কাপড় নিতে গিয়ে ভিড়ের মধ্যে পড়ে মৃত্যুর ঘটনা তো দূরের কথা, একটা শাড়ি-লুঙ্গি নিতে গিয়ে মানুষ ২ দিন ৩ রাত ধনীর দরজার সামনে বসে থাকতে হতো না |
দেশে এত বেশি বৈষম্য লক্ষণীয় যে, কোটিপতির সংখ্যা লক্ষাধিক হলেও ১০ লাখেরও বেশি পথশিশু রাস্তায় ঘুমায় |
জাকাত ব্যবস্থা চালু হলে এ দেশের একটি শিশুরও মাথা গোজাবার জন্য আকাশ নামক খোলা ছাদকে বেছে নিতে হতো না |
বৈষম্যহীন মানবিক রাষ্ট্র গড়তে হলে জাকাত ব্যবস্থার বিকল্প কিছুই হতে পারে না |
তাই সামাজিক বৈষম্য দূর করতে এবং ফরজ বিধান পালন করতে সব বিত্তবান মুসলিমকে সঠিকভাবে জাকাত প্রদানে এগিয়ে আসতে হবে |
তবেই অসহায় ব্যক্তিদের পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সর্বস্তরে বিরাজ করবে সুখ ও শান্তি |
আসন্ন আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেতে নতুন নতুন প্রার্থীদের দেখা গেছে |
এদের অনেকেই মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় না থাকলেও নৌকা পেতে তদবির শুরু করেছেন |
তা মেনে নিতে পারছেন না তৃনমুলের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা |
তারা উড়ে এসে জুড়ে বসা ব্যক্তিকে নৌকা না দেওয়ার জন্য দলীয় হাইকমান্ডের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন |
জানা যায়, উপজেলার ৮নং আশারকান্দি ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করতে চেয়েছেন ৭ প্রার্থী |
তাঁরা হলেন- গেল নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী বর্তমান চেয়ারম্যান ও রাজাকার পুত্র শাহ আবু ইমানি, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুস সত্তার, আওয়ামী লীগ নেতা মশহুদ আহমদ, মোনায়েম খান, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবু বক্কর খান খছরু, প্রবাসী সৈয়দ জমিরুল হক, উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি হামিদুর রহমান চৌধুরী বাচ্চু |
এদের মধ্যে ইউপি নির্বাচন করতে জোরেসোরে প্রচারণায় দীর্ঘদিন ধরে মাঠে ছিলেন বর্তমান চেয়ারম্যান রাজাকার পুত্র শাহ আবু ইমানি, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুস সত্তার, উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি হামিদুর রহমান চৌধুরী বাচ্চু |
শাহ ইমানি বর্তমান চেয়ারম্যান তিনি |
তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে |
এছাড়া একাধিক মুক্তিযুদ্ধ গবেষকদের লেখা রাজাকারদের তালিকায় তার বাবা ও মামা রাজাকার বলে তুলে ধরা হয়েছে |
এছাড়া স্থানীয় মুক্তিযুদ্ধ সংসদের তালিকায়ও নাম রয়েছে তার বাবা ও মামার |
আর আব্দুস সত্তার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাজ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের অর্থ ও আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন |
তিনি একাধিক সফল প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার ও স্থানীয় নয়াবন্দর স্কুল ও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতির দায়িত্বে আছেন |
হামিদুর রহমান চৌধুরী বাচ্চু গেল নির্বাচনের মতো এবারের নির্বাচনেও তিনি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী |
তবে তিনি জনবিচ্ছিন্ন |
এই তিনজন ছাড়াও মনোনয়ন চেয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা মশহুদ আহমদ, মোনায়েম খান, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবু বক্কর খান খছরু, প্রবাসী সৈয়দ জমিরুল হক |
তাদের নির্বাচনে মাটে কখনো দেখা যায়নি |
স্থানীয়রা এদের 'বসন্তের কোকিল' বলে আখ্যায়িত করেছেন |
এরা নির্বাচন এলে এলাকায় আসেন |
আবার নির্বাচন শেষ হলে বা দলীয় মনোনয়ন না পেলে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে প্রবাসে চলে যান |
এদের অনেকেরই আবার দেশীয় রাজনীতিতে নাই যোগসূত্র |
বসন্তের কোকিলদের স্বাধীনতার প্রতীক নৌকা না দিয়ে ত্যাগীদের মূল্যায়ন করতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদকের প্রতি দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা |
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৪তম আসরের ফাইনালে মুখোমুখি চেন্নাই-কলকাতা |
রাত ৮টায় দুবাইয়ে ম্যাচটি শুরু হবে |
ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের ফ্র্যাঞ্চাইজি কেকেআর একাদশে কাকে খেলাবে তা নিয়ে ম্যাচ শুরুর আগে থেকেই জল্পনা-কল্পনা চলছে |
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমেও এ নিয়ে চলছে হিসাব-নিকাশ |
ফাইনালে কে বেশি কার্যকর হতে পারেন? |
কেকেআরের দুইবারের শিরোপাজয়ী সাবেক সফল অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর সরাসরি এ প্রশ্নের উত্তর দেননি |
ক্রিকইনফোয় এক ভিডিও বার্তায় গম্ভীর বলেন, রাসেলকে খেলানো উচিত, যদি সে বল করে |
বল না করলে সাকিবকে খেলানো উচিত |
কলকাতার মেন্টর ডেভিড হাসি দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার জয়ের পর জানিয়েছিলেন, চোট সারিয়ে ফিট হওয়ার পথে রাসেল |
নেটে বলও করেছেন দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের আগে |
একই ভিডিও বার্তায় দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক পেসার ডেল স্টেইন রাসেলকে খেলানোর পক্ষে |
তার যুক্তি, রাসেল পুরো ফিট থাকলে আমি তাকে খেলাতাম |
সে ফিট থাকলে কলকাতারও তাকে খেলানো উচিত |
সে এমন এক খেলোয়াড় যে প্রতিপক্ষের ভাবনা পাল্টে দিতে পারে |
চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ১০ ম্যাচে ১৬৯.৪৯ স্ট্রাইকরেটে ৩০০ রান করেছেন রাসেল |
স্ট্রাইকরেট বিচারে আজকের ফাইনালে স্বাভাবিকভাবেই সাকিবের চেয়ে এগিয়ে তিনি |
টি-টোয়েন্টি যে মেজাজে খেলা উচিত, বিশ্বের যেকোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি দল এক্ষেত্রে তাকে আদর্শ মেনে থাকে |
ডেভিড হাসি এর আগে ফাইনালে সাকিবকে নিয়ে আশারবাণী শুনিয়েছিলেন- সে ভালো খেলোয়াড় |
সম্ভবত আমাদের দুটি ম্যাচ জিতিয়েছে কিংবা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে |
তাই আমি তাকে ফাইনালের ভাবনায় রাখতে চাই |
যদিও ভারতের বেশির ভাগ সংবাদমাধ্যম আইপিএল ফাইনালে কলকাতার সম্ভাব্য একাদশে সাকিবকে না রেখে রাসেলকে রেখেছে |
মাঠের লড়াইয়ের আগে কলকাতা কী করে- সেটাই দেখার বিষয় |
রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টার সিনেমাসে আজ বিকালে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সিনেমাটির পোস্টার উদ্বোধন ও মুক্তির তারিখ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন অনন্ত জলিল |
তিনি বলেন, 'দর্শক এ সিনেমার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন |
অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে |
যেহেতু করোনাভাইরাসের এখনও কোনো ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হয়নি |
তাই সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশের চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদরা সংক্রমণ এড়াতে এবং শরীরকে ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে প্রস্তুত রাখার জন্য দিয়েছেন বিশেষ পরামর্শ: |
অপেক্ষাকৃত কম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তির শরীরে যে কোনো ধরনের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি |
কিন্তু কিছু বিষয় মেনে চললে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রস্তুত রাখা সম্ভব |
করোনাভাইরাস সংক্রমণের এই সঙ্কটকালে সারা বিশ্বের মতো আমাদের দেশের চিকিৎসকরাও পরামর্শ দিচ্ছেন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরের ভেতর অ্যান্টিবডি তৈরি করার |
এতে রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে |
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান ড. মুজিবুর রহমান বলেন, যেহেতু করোনাভাইরাসের এখনও কোনো ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হয়নি, তাই সচেতন থাকার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়ানো সম্ভব |
তিনি আরও বলেন, করোনাভাইরাসসহ যে কোনো ভাইরাস প্রতিরোধে সেসব খাবারই বেশি খাওয়া উচিৎ যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় |
রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালের পুষ্টিবিদ ড. তাসনুভা মিম বলেন, শরীরের প্রতি যত্নশীল এবং স্বাস্থ্যবান ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেও দ্রুত সেরে উঠতে পারবেন |
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অনুসরণ করতে পারেন এসব পরামর্শ- |
তাজা ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া |
সংক্রমণ এড়াতে পুষ্টিবিদরা পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিকর, সুষম ও তাজা খাবার খাওয়ার |
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্সের শিক্ষক ড. মো. আমিনুল হক ভুইয়া বলেন, "ভিটামিন 'সি' সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার ওপর আমাদের জোর দিতে হবে |
প্রচুর পরিমাণে শাক-সবজি, ফল, শস্যদানা, শিম জাতীয় সবজি, বাদাম, বীজ, মরিচ, অলিভ অয়েলের পাশাপাশি তেলযুক্ত মাছ, পনির ও পূর্ণ ননীযুক্ত দই খাওয়া যেতে পারে |
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ভিটামিন 'সি' |
ভিটামিন 'সি' শরীরে কোলাজেন তৈরি ও ক্ষত সারাতে সাহায্য করে |
পাশাপাশি এটি একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা কোষ, টিস্যু ও জেনেটিক ম্যাটেরিয়ালকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে |
তাই প্রতিদিনই কমলালেবু, আঙুর, স্ট্রবেরি, সবুজ মরিচ, ব্রকোলি জাতীয় ভিটামিন 'সি' সমৃদ্ধ ফল বা সবজি খাওয়া প্রয়োজন |
আর দৈনন্দিন খাদ্য তালিকার অনেক খাবারেই ভিটামিন 'সি' থাকায় আলাদা করে এটি গ্রহণের প্রয়োজন হয় না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা |
শরীরকে জীবাণুর বিরুদ্ধে শক্তিশালী করে তোলে যেসব খাবার |
আমাদের পেটের ভেতরে থাকে লক্ষ-কোটি ব্যাক্টেরিয়া, ফাঞ্জাইসহ বিভিন্ন জীবাণু যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর |
অর্গানিক বা সরাসরি উদ্ভিদ থেকে পাওয়া খাবার এদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে শরীরকে সহায়তা করে |
শতমূলী, রসুন, পেঁয়াজ এমনই কিছু খাদ্যদ্রব্যের নাম |
এছাড়া, ফার্মেন্টেড ফুড যেমন- দই বা এ জাতীয় খাবারও এক্ষেত্রে শরীরকে সহায়তা করে |
ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া |
ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার শরীরে থাকা ছোট ছোট জীবাণু, অণুজীবের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য শরীরকে প্রস্তুত রাখে |
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব নিউট্রিশ অ্যান্ড ফুড সায়েন্সের অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম বলেন, "ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার শরীরে অ্যান্টিবডির ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে |
পাশাপাশি, ভিটামিন সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার পারে যে কোনো রোগকে প্রতিরোধের জন্য শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরিতে ভূমিকা রাখতে |
ব্রিটিশ নিউট্রিশন ফাউন্ডেশনের মতে, এমন কিছু খাবার হলো- ওট, মশুর, মটরশুঁটি, ব্রকোলি, গাজর, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ধরনের বাদাম ও বীজজাতীয় খাবার |
প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা |
রোগ প্রতিরোধে পানির একটি বড় ভূমিকা হলো এটি শরীরে "লিম্ফ" উৎপন্ন হতে সহায়তা করে, যা শ্বেত রক্তকণিকাসহ রোগ প্রতিরোধী অন্যান্য কোষগুলোকে ধারণ করে |
তাই প্রচুর পরিমাণে পানি পান করলে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে |
তবে আমাদের উচিৎ কফিজাতীয় পানীয় পরিহার করে চলা, কারণ এটি কোষ্ঠকাঠিন্য তৈরি করতে পারে |
এছাড়াও, আমাদের উচিৎ প্রচুর পরিমাণে পানিসমৃদ্ধ ফলমূল যেমন- শসা, তরমুজ খাওয়া উচিৎ |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.