content stringlengths 0 129k |
|---|
এছাড়া ৮ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে |
প্রার্থীর বয়স হতে হবে ৫০ বছরের কম হতে হবে । এই পদের জন্য বেতন মিলবে - ৭৮,৮০০-২,০৯,২০০ |
-এই পোস্টের জন্য প্রার্থীর পিএইচডি থাকতে হবে । কম্পিউটার সায়েন্স, ইনফরমেশন টেকনোলজি,ইলেকট্রনিক্স-এর মধ্যে কোনও একটিতে পি এইচ ডি থাকতে হবে |
প্রার্থীর মধ্যে সকলের সঙ্গে কাজ করার দক্ষতা থাকতে হবে |
প্রার্থীর বয়স হতে হবে ৫০ বছরের কম । এই পদের জন্য বেতন মিলবে -১,৩৯,৬০০-২,১১,৩০০ |
এছাড়াও আরও কিছু শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ করবে খড়গপুর । ইচ্ছুক প্রার্থীরা শীঘ্র করুন আবেদন । বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদনের শেষ তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ । আবেদনের সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য ক্লিক করুন ... ওয়েবসাইটে । অনলাইনে আবেদনের সঙ্গে সঙ্গে আবেদনের একটি কপি প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের ফটোকপির সঙ্গে- , , -721... |
ইকরানহানি ক্রিয়েটিভ কমন্স অ্যাট্রিবিউশন/শেয়ার-আলাইক লাইসেন্সর মা; আহানর লগে আরাকউ শর্ত থাইতেউ পারে |
আতানির শর্ত পুলকরে চা |
আজ সকাল ১০.০০ ঘটিকায় রাজশাহী-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের জ্যেষ্ঠ ভাইস-চেয়ারম্যান জনাব ফজলে হোসেন বাদশা রাজশাহী রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুমের কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে উদ্বোধন করেন |
রাজশাহী রেশম কারখানা চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজশাহী রেশম কারখানা চালু হওয়া তাঁর এবং রাজশাহীবাসীর স্বপ্ন |
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই স্বপ্ন আজ সফল হওয়ার পথে |
তিনি রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুমের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন |
তিনি রেশম শিল্পকে রেশম কারখানার শিল্প না ভেবে এটিকে সামাজিক শিল্প হিসেবে বাস্তবায়নের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান |
প্রথমত ট্রায়াল বেসিসে ৫টি লুমের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে এর পরিধি ক্রমান্বয়ে আরও বাড়ানোর কথা বলেন |
২০০২ সালে রেশম কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার ফলে রাজশাহী তথা বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন |
অন্যদিকে তিনি অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি বর্তমানে কারখানায় গ্যাস সংযোগ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন |
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনাব শাহীন আক্তার রেনী বলেন, রাজশাহী সিল্কের ব্রান্ডিং পেয়েছে |
রাজশাহী এখন সিল্ক হেভেন |
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাওয়ার কথা বলেন |
সভাপতির বক্তব্যে রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বলেন, আমাদের গর্বের এবং আত্মসম্মানের প্রতীক হলো এই রেশম কারখানা |
তৎকালীন সময়ে কারখানার লোকসান থাকলেও তা চালু রাখা যু্ক্তিযু্ক্ত ছিল বলে তিনি বলেন |
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য চীন, ভারত থেকে উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার বিষয়টি উল্লেখ করেন |
এজন্য রেশম শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন |
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক অধ্যাপিকা তসলিমা খাতুন, স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ কর্মকর্তা মো: মাহবুবুর রহমান, আরও বক্তব্য দেন সিবিএ সভাপতি মো: আবু সেলিম |
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সকলে ৫টি পাওয়ার লুম চালুকরণের সকল পর্যায় অর্থাৎ ধাপ পরিদর্শন করেন |
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ড. সাবরিনা নাজ, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য(অর্থ ও পরিকল্পনা)ও সদস্য(উৎপাদন ও বাজরজাতকরণ) অ:দা: সৈয়দা জেবিননিছা সুলতানা, সদস্য(সম্প্রসারণ ও প্রেষনা) এম.এ মান্নান, রেশম শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি মো: লিয়াকত আলী, রে... |
অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করেন বোর্ডের সচিব মো: জায়েদুল ইসলাম |
অস্কারজয়ী অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স সাধারণ জীবনযাপনেই অভ্যস্ত ছিলেন |
কিন্তু হলিউডের ঝকমকে দুনিয়ার বাসিন্দা হয়ে কি সাদামাটা থাকা যায়? ২০১০ সালেও পারিশ্রমিক নিতেন ৩ হাজার ডলার |
এখন নিচ্ছেন কোটি ডলার |
২০১৪ সালে ৮ মিলিয়ন ডলার দিয়ে বিশাল এক বাড়ি কিনেছিলেন তিনি |
ভোগ সাময়িকী জানিয়েছে, প্রাসাদসম ওই বাড়িতে আছে বিশাল আকৃতির পাঁচটি শোবার ঘর, শরীরচর্চার একটি বড় জায়গা, থিয়েটার ও সাজঘর |
বাড়িটির রান্নাঘর ও স্নানঘরও নাকি দেখার মতো |
মজার কথা হচ্ছে, যে খাটটিতে জেনিফার ঘুমান, সেটির দাম নাকি ৯ মিলিয়ন বা ৯০ লাখ ডলার |
মানে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা! |
দামি খাটে শুয়ে লরেন্স নিশ্চয়ই ট্রিলিয়ন ডলারের স্বপ্ন দেখেন |
তবে মাদার তারকার ভক্তদের প্রত্যাশা, তিনি যেন মাটির মানুষই থাকেন |
সূত্র: ই নিউজ |
২০২০ সালের ২৭ নভেম্বর ইরানি পরমাণুবিজ্ঞানী মোহসেন ফাখরিজাদেহ খুন হন, এবং এই খুনের সঙ্গে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে |
স্বাভাবিকভাবেই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে |
কিন্তু মোসাদের হাতে ইরানি পরমাণু বিজ্ঞানী খুন হওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম নয় |
বস্তুত শত্রুরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীদের খুন করা এবং এর মাধ্যমে শত্রুরাষ্ট্রের মস্তিষ্কে আঘাত করা মোসাদের একটি 'ঐতিহ্য বা 'স্ট্যান্ডার্ড রণকৌশলে পরিণত হয়েছে |
১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনের ভূমি থেকে ফিলিস্তিনি আরব মুসলিম ও খ্রিস্টানদের বিতাড়িত করে ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ইহুদিরা 'ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে |
ভাগ্যের পরিহাসে, যে ইহুদিরা ইউরোপের বিভিন্ন রাষ্ট্রে চরম নিপীড়নের (এবং ক্ষেত্রবিশেষে গণহত্যার) শিকার হয়েছিল, তারাই ফিলিস্তিনি আরবদের ওপর দমনপীড়ন আরম্ভ করে |
মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলো প্রথম থেকেই ইসরায়েলের তীব্র বিরোধী ছিল, এবং তদানীন্তন পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রাথমিকভাবে ইসরায়েলের প্রতি সহানুভূতিশীল হলেও পরবর্তীতে তারা আরব-ইসরায়েলি দ্বন্দ্বে আরবদের পক্ষ অবলম্বন করে |
চতুর্দিকে শত্রু পরিবেষ্টিত এবং কমিউনিস্ট পরাশক্তির ভয়ে ভীত ইসরায়েল আত্মরক্ষা ও আঞ্চলিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার তাগিদে ১৯৬০-এর দশকে পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণ করে ফেলে |
এবং একই উদ্দেশ্যে ইসরায়েলের আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো রাষ্ট্র যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সেজন্যও ইসরায়েল সক্রিয় হয়ে ওঠে |
১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকে মিসরীয় পারমাণবিক ও রাসায়নিক অস্ত্র নির্মাণ প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানীকে মোসাদ খুন করে |
১৯৮০-এর দশকে ইরাকি পরমাণু প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানীকে মোসাদ খুন করে, এবং ১৯৮১ সালে ইসরায়েল বিমান হামলা চালিয়ে ইরাকি পরমাণু প্রকল্প গুঁড়িয়ে দেয় |
২০০৭ সালে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী অনুরূপ একটি হামলা চালিয়ে সিরীয় পরমাণু প্রকল্প ধ্বংস করে দেয় |
অর্থাৎ, ইসরায়েল তার অস্তিত্ব (ও দখলদারিত্ব) এবং আঞ্চলিক সামরিক আধিপত্য বজায় রাখার লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো রাষ্ট্রকে পারমাণবিক শক্তির অধিকারী হতে দিতে নারাজ |
ইরাকি পরমাণু প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত মিসরীয় বিজ্ঞানী ইয়াহিয়া এল মাশাদকে ১৯৮০ সালে মোসাদ খুন করে |
১৯৭৯ সালের আগ পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, কিন্তু ১৯৭৯ সালে শাহের পতনের পর ইরানের নতুন সরকার তীব্র ইসরায়েলবিরোধী অবস্থান গ্রহণ করে [যদিও ১৯৮০-এর দশকে ইরান ও ইসরায়েল গোপনে ইরাকের বিরুদ্ধে পরস্পরকে সহায়তা করেছিল] |
শাহের শাসনামলেই ইরানে পরমাণু প্রকল্প আরম্ভ হয়েছিল, এবং ১৯৯০-এর দশকে ইরানি সরকার নতুন করে এই প্রকল্প চালু করে |
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (যেটিকে ইরান 'বড় শয়তান হিসেবে অভিহিত করে) এবং ইসরায়েল (যেটিকে ইরান 'ছোট শয়তান হিসেবে অভিহিত করে) উভয়েই ইরানি পরমাণু প্রকল্পের তীব্র বিরোধিতা করে, এবং ১৯৯৫ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে শুরু করে |
কিন্তু তাতে ইরানের পরমাণু প্রকল্প বিলম্বিত হলেও বন্ধ হয় নি |
২০০৩ সালের মে মাসে মোসাদের পরিচালক মেয়ের দাগানের ডেপুটি তামির পারদো সিনিয়র মোসাদ কর্মকর্তাদের একটি গোপন বৈঠকে জানান যে, ইরান প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত একটি রাষ্ট্র এবং তদানীন্তন পরিস্থিতিতে তারা শীঘ্রই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম হবে |
এটি ঠেকানোর জন্য ইসরায়েলের সামনে তিনটি পথ খোলা রয়েছে - হয় তাদেরকে ইরান দখল করতে হবে, নয়ত ইরানের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে নতুন একটি সরকারকে ক্ষমতাসীন করতে হবে, কিংবা ইরানের জন্য পরমাণু প্রকল্প বাস্তবায়ন করা এতটা কঠিন ও ব্যয়বহুল করে ফেলতে হবে, যাতে ইরান এই প্রকল্প ত্যাগ করতে বাধ্য হয় |
কিন্তু ইরানের মতো বৃহৎ একটি দেশকে দখল করা কিংবা ইরানের শক্তিশালী ধর্মভিত্তিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা ইসরায়েলের পক্ষে সম্ভব নয় |
সুতরাং, পারদো তৃতীয় পন্থাটিকে বেছে নেয়ার প্রস্তাব করেন |
চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে ইরানকে পরমাণু প্রকল্প ত্যাগ করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে পারদো পাঁচ স্তরবিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রস্তাব করেন |
এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইরানের ওপর প্রবল আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ করাতে হবে; ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করাতে হবে; ইরানের বিরোধী দলগুলোকে এবং জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সরকারবিরোধী কার্যক্রমে সহায়তা করতে হবে; ইরান যাতে পরমাণু প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও কাঁচামাল বাইরে থেকে আমদানি করতে না পারে সেটি... |
ইরানি পরমাণু বিজ্ঞানীদের খুন করা এই অন্তর্ঘাতেরই অংশ |
যুক্তিটা খুবই সরল, একজন সাধারণ সৈনিক বা কর্মীকে সহজেই প্রতিস্থাপন করা যায়, কিন্তু একজন পরমাণু বিজ্ঞানীকে সহজে প্রতিস্থাপন করা যায় না |
একটি মিছিলে ইরানি জনসাধারণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পতাকায় অগ্নিসংযোগ করছে |
এই পরিকল্পনাকে ইসরায়েল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী কার্যক্রমের সঙ্গে সমন্বয় করার সিদ্ধান্ত নেয় |
এই উদ্দেশ্যে মোসাদ, ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আমান এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ও এনএসএর মধ্যে একটি সমঝোতা হয়, এবং পরবর্তীতে মার্কিন রাষ্ট্রপতি জর্জ বুশ জুনিয়র ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এহুদ ওলমার্টের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় |
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে ইরানকে পরমাণু প্রকল্প ত্যাগ করানোর জন্য দেশটির ওপর বিপুল আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ করা হয় এবং কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় |
ইরানি বিরোধীদলগুলো ও সংখ্যালঘুদের যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল নানাবিধ সহায়তা করতে শুরু করে |
ইরান যাতে পরমাণু প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও কাঁচামাল ক্রয় করতে না পারে, সেজন্য কড়া নজরদারি আরোপ করা হয় |
সর্বোপরি, মোসাদ ইরানি পরমাণু বিজ্ঞানীদের খুন করতে শুরু করে এবং অন্য বিভিন্নভাবে (যেমন: সাইবার আক্রমণের মাধ্যমে) ইরানি পরমাণু প্রকল্পকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে |
এ পর্যন্ত বেশ কয়েকজন ইরানি পরমাণু বিজ্ঞানী মোসাদের হাতে খুন হয়েছেন |
চলুন, তাঁদের সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক |
আর্দেশির হোসেইনপুর |
আর্দেশির হোসেইনপুর ছিলেন একজন ইরানি পরমাণু বিজ্ঞানী, ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিজম বিশেষজ্ঞ এবং পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক |
তিনি ইরানের 'শিরাজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইস্ফাহানে অবস্থিত 'মালেক আশতার প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করতেন |
ইরানি পরমাণু প্রকল্পের সঙ্গে তিনি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন |
২০০৫ সালে তিনি ইস্ফাহানে 'পারমাণবিক প্রযুক্তি কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন, যেটি ইরানের পরমাণু প্রকল্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত |
মোসাদ এবং ইরানি ইসলামি বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী উভয়কেই আর্দেশির হোসেইনপুরের খুনের জন্য দায়ী করা হয়েছে |
২০০৭ সালের ১৫ জানুয়ারি রহস্যময় পরিস্থিতিতে হোসেইনপুরের মৃত্যু হয় |
তাঁর মৃত্যুর ছয় দিন পর ইরানি প্রচারমাধ্যমে এই সংবাদ প্রচারিত হয় |
ইরানি সরকারের ভাষ্য ছিল, হোসেইনপুর একটি গ্যাস দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন |
কিন্তু ২০০৭ সালে মার্কিন ভূরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম 'স্ট্র্যাটফোর মন্তব্য করে যে, গ্যাস দুর্ঘটনা নয়, বরং রেডিয়েশন পয়জনিং-এর ফলে হোসেইনপুরের মৃত্যু হয়েছে, এবং তাঁকে বিষপ্রয়োগের সঙ্গে মোসাদ জড়িত ছিল |
মোসাদ এই অভিযোগ স্বীকার করে নি |
অবশ্য ২০১৪ সালে হোসেইনপুরের বোন মাহবুবেহ হোসেইনপুর পশ্চিমা গণমাধ্যমকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, মোসাদ নয়, বরং ইরানের 'ইসলামি বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী ( , '') তাঁর ভাইকে খুন করেছে |
তাঁর মতে, হোসেইনপুর ইরানি পরমাণু প্রকল্পে জড়িতে হতে আগ্রহী ছিলেন না, এজন্য ইরানি সরকার তাঁকে খুন করেছে |
এই অভিযোগ কতটুকু সত্য সেটি অবশ্য প্রশ্নসাপেক্ষ |
মাসুদ আলিমোহাম্মাদি |
মাসুদ আলিমোহাম্মাদি ছিলেন একজন ইরানি পরমাণু বিজ্ঞানী, কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তাত্ত্বিক এবং এলিমেন্টারি পার্টিকল বিষয়ক পদার্থবিদ |
তিনি ইরানের তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক ছিলেন |
তিনি ইরানি পরমাণু প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, কিন্তু তাঁর জীবদ্দশায় এই তথ্য প্রচারিত হয় নি |
২০১০ সালের ১২ জানুয়ারি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন |
তাঁর গাড়ির পাশে একটি বুবিট্র্যাপযুক্ত মোটর সাইকেল রেখে দেয়া হয়েছিল |
তিনি গাড়ির কাছাকাছি যাওয়া মাত্রই মোটর সাইকেলটি বিস্ফোরিত হয়, এবং তিনি তৎক্ষণাৎ নিহত হন |
বিস্ফোরণে আশেপাশের আরো দুইজন ব্যক্তি আহত হয় |
পরমাণুবিজ্ঞানী মাসুদ আলিমোহাম্মাদি মোসাদের গাড়িবোমা হামলায় নিহত হন |
ইরানি সরকার এই হত্যাকাণ্ডের জন্য সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করে, কিন্তু উভয় রাষ্ট্রই এই অভিযোগ অস্বীকার করে |
এই খুনের কয়েকদিনের মধ্যেই ইরানিরা মাজিদ জামালি ফাশি নামক এক তরুণকে উক্ত খুনের দায়ে গ্রেপ্তার করে |
সে জবানবন্দিতে জানায় যে, সে ইরানি মিলিট্যান্ট গ্রুপ 'তোন্দার এর সদস্য এবং মোসাদের নির্দেশে সে এই কাজ করেছে |
উল্লেখ্য, তোন্দার সুইজারল্যান্ডভিত্তিক একটি ছোট্ট ইরানি দল, যাদের উদ্দেশ্য ইরানে রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.