content
stringlengths
0
129k
মোসাদ এই সংস্থাটিকে সহায়তা করে থাকে
পশ্চিমা গণমাধ্যমের মতে, মোসাদই আলিমোহাম্মদির খুনের সঙ্গে জড়িত ছিল
মাজিদ শাহরিয়ারি
মাজিদ শাহরিয়ারি ছিলেন একজন ইরানি পরমাণু বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী
তিনি তেহরানে অবস্থিত 'শহীদ বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করতেন এবং একই সঙ্গে 'ইরান পরমাণু শক্তি সংস্থারও সদস্য ছিলেন
পশ্চিমা প্রচারমাধ্যমের মতে, তিনি ছিলেন ইরানি পরমাণু প্রকল্পের শীর্ষ বিজ্ঞানী
২০১০ সালের ২৯ নভেম্বর তিনি গাড়িতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছিলেন
এসময় কয়েকজন মোটরবাইক আরোহী তাঁর গাড়ির কাছাকাছি আসে এবং তাদের মধ্যে একজন শাহরিয়ারির গাড়ির দরজায় বিস্ফোরক সংযুক্ত করে
বিস্ফোরণের ফলে শাহরিয়ারি নিহত হন এবং গাড়িতে থাকা তাঁর স্ত্রী আহত হন
ইরানি সরকার এই খুনের জন্য মোসাদকে দায়ী করে
আরাশ কেরহাদকিশ ও মারিয়াম ইজাদিসহ আরো কয়েকজন ইরানি নাগরিককে এই খুনের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়, এবং তারা স্বীকার করেছে যে, তারা মোসাদের হয়ে কাজ করছে
মোসাদের গাড়িবোমা হামলায় নিহত বিজ্ঞানী মাজিদ শাহরিয়ারির স্ত্রীর সঙ্গে ইরানি রাষ্ট্রপতি হাসান রুহানি
পিছনে শাহরিয়ারির পোর্ট্রেট দেখা যাচ্ছে
একই দিনে আরেক ইরানি পরমাণু বিজ্ঞানী ফেরেইদুন আব্বাসির ওপরেও অনুরূপ গাড়িবোমা হামলা চালানো হয়, এবং গাড়িতে থাকা আব্বাসি ও তাঁর স্ত্রী দুজনেই আহত হন
অবশ্য তাঁরা প্রাণে বেঁচে যান
দারিয়ুশ রেজায়িনেজাদ
দারিয়ুশ রেজায়িনেজাদ ছিলেন একজন ইরানি প্রকৌশলী
তিনি তেহরানে অবস্থিত 'খাজেহ নাসির তুসি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের একজন স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী ছিলেন
পশ্চিমা সূত্রমতে, তিনি ইরানি পরমাণু প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন
২০১১ সালের ২৩ জুলাই তিনি ও তাঁর স্ত্রী তাঁদের মেয়েকে স্কুল থেকে নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন
তাঁর বাসার সামনে কয়েকজন মোটরবাইক আরোহী তাঁর ওপর গুলি চালায়
রেজায়িনেজাদের শরীরে পাঁচটি গুলি বিদ্ধ হয় এবং তিনি ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন
তাঁর স্ত্রীও এই আক্রমণে আহত হন
ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার আলী লারিজানি এই খুনের জন্য ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেন
মোস্তফা আহমাদি রোশান
মোস্তফা আহমাদি রোশান ছিলেন একজন ইরানি পরমাণুবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক
তিনি তেহরানে অবস্থিত 'শরিফ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করতেন
তিনি ছিলেন ইরানি পরমাণু প্রকল্পের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা, এবং তিনি নাতাঞ্জ পরমাণু কেন্দ্রের বাণিজ্যিক বিভাগের উপপরিচালক ছিলেন
মোসাদের গাড়িবোমা হামলায় নিহত ইরানি পরমাণুবিজ্ঞানী মোস্তফা আহমাদি রোশান
২০১২ সালের ১১ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টায় রোশান গাড়িতে করে বাসায় ফিরছিলেন
এসময় কয়েকজন মোটরবাইক আরোহী তাঁর গাড়িতে ম্যাগনেটিক বিস্ফোরক সংযুক্ত করে দেয়
বিস্ফোরণের ফলে রোশান নিহত হন
ইরানি সরকার এই খুনের জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করে
একই বছরের মে মাসে ইরানি গোয়েন্দা সংস্থা এই খুনগুলোর সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে ১৪ জন ইরানি নাগরিককে গ্রেপ্তার করে, যাদের মধ্যে ৮ জন ছিল পুরুষ এবং ৬ জন ছিল নারী
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, তারা মোসাদের হয়ে কাজ করছিল এবং মোসাদের নির্দেশেই এই খুনগুলো করেছে
ইরানি সরকার টেলিভিশনে বন্দিদের প্রদর্শন করে এবং জনসম্মুখে জবানবন্দি দিতে বাধ্য করে
মার্কিন সাংবাদিক ড্যান রাভিভের মতে, মোসাদের কর্মকর্তারা তাঁদের এজেন্টদের এভাবে ফাঁস হয়ে যেতে দেখে যারপরনাই ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন
এই ঘটনার পর মোসাদ আর নতুন করে ইরানের অভ্যন্তরে কোনো খুনখারাবি করতে আগ্রহী ছিল না, কারণ এর ফলে ইরানে তাদের বাকি এজেন্টদেরও ধরা পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল
তদুপরি, ধারণা করা হয়, এসময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ইসরায়েলের ওপর চাপ দিচ্ছিল এই অভিযান বন্ধ করার জন্য
ওবামা প্রশাসন ইরানের সঙ্গে একটি পারমাণবিক চুক্তি করার জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছিল এবং নতুন কোনো খুনখারাবি এই প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিতে পারত
২০১৫ সালে 'ইরান নিউক্লিয়ার ডিল স্বাক্ষরিত হয়, কিন্তু ইসরায়েল এই চুক্তির বিরুদ্ধে ছিল
একই বছর ইরানি কর্মকর্তারা দাবি করেন যে, তাঁরা আরেকজন ইরানি বিজ্ঞানীকে খুন করার ইসরায়েলি প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছেন
অবশ্য ২০১৭ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং কট্টর ইসরায়েলপন্থী নীতি অবলম্বন করেন
তিনি 'ইরান নিউক্লিয়ার ডিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন এবং ইরানের ওপর অত্যন্ত কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন
এর ফলে ইরানের অর্থনীতির ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে
সামগ্রিকভাবে, মোসাদ কর্মকর্তাদের ধারণা, ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত ইসরায়েলি অভিযান ইরানের পরমাণু প্রকল্পকে বন্ধ করতে পারে নি, কিন্তু প্রকল্পটিকে যথেষ্ট বিলম্বিত করতে সক্ষম হয়েছে
মোহসেন ফাখরিজাদেহ
সম্প্রতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসা ফাখরিজাদেহ ছিলেন একজন সিনিয়র ইরানি পরমাণু বিজ্ঞানী এবং ইরানি বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল
তিনি তেহরানে অবস্থিত 'ইমাম হুসেইন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন, এবং তাঁকে ইরানের পরমাণু প্রকল্পের 'মূল মস্তিষ্ক হিসেবে বিবেচনা করা হয়
ইরানি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট 'অর্গানাইজেশন অফ ডিফেন্স ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন
কয়েক বছর আগেও তাঁর ওপর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ছিল
সম্প্রতি খুন হওয়া মোহসেন ফাখরিজাদেহকে ইরানি পরমাণু প্রকল্পের শীর্ষ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হত
২০২০ সালের ২৭ নভেম্বর ফাখরিজাদেহের গাড়িবহর তেহরানের নিকটবর্তী আবসার্দ শহরের রাস্তা দিয়ে আসছিল
এসময় একদল বন্দুকধারী তাদের ওপর গুলিবর্ষণ আরম্ভ করে, এবং ফাখরিজাদেহের দেহরক্ষীরা পাল্টা গুলি ছুঁড়তে শুরু করে
এসময় একটি ট্রাক ফাখরিজাদেহের গাড়ির নিকটে আসে
ট্রাকটিতে বিস্ফোরক সংযুক্ত করা ছিল এবং সেটি বিস্ফোরিত হয়
বিস্ফোরণের ফলে ফাখরিজাদেহ গুরুতরভাবে আহত হন এবং তাঁর দেহরক্ষী ও পরিবারের সদস্যরাও আহত হন
অন্যদিকে, ইরানি সরকারের ভাষ্যমতে, ৪/৫ জন আক্রমণকারীও গোলাগুলিতে প্রাণ হারিয়েছে
ফাখরিজাদেহকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয়, কিন্তু তিনি সেখানে মৃত্যুবরণ করেন
ফাখরিজাদেহের খুনকে চলমান বছরের শুরুতে সংঘটিত ইরানি বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর কুদস ফোর্সের কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সুলেইমানির খুনের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে
ইরানি সরকার এই খুনের জন্য মোসাদকে দায়ী করেছে এবং প্রতিশোধ নেয়ার হুমকি দিয়েছে
বিশ্লেষকরাও এই খুনের সঙ্গে মোসাদ জড়িত বলে মত প্রকাশ করেছেন
প্রশ্ন হলো, কয়েক বছর পর মোসাদ আবার কেন হঠাৎ করে একজন ইরানি পরমাণু বিজ্ঞানীকে খুন করার প্র‍য়োজন বোধ করল?
এটির পুরোপুরি সঠিক উত্তর এই মুহূর্তে দেয়ার কোনো উপায় নেই, কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাবলি থেকে কিছু বিষয় আন্দাজ করা যেতে পারে
প্রথমত, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প পরাজিত হয়েছেন, এবং জোসেফ বাইডেন বিজয়ী হয়েছেন
বিগত চার বছরে ট্রাম্প প্রশাসন কট্টর ইসরায়েলপন্থী নীতি অনুসরণ করে এসেছে এবং ইরানের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করেছে
কিন্তু বাইডেনের পররাষ্ট্রনীতি ইসরায়েলের জন্য এতটা সুবিধাজনক হবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন না
ধারণা করা হচ্ছে, বাইডেন ক্ষমতা গ্রহণের পর 'ইরান নিউক্লিয়ার ডিল নবায়ন করতে পারেন এবং ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আংশিক বা পুরোপুরিভাবে উঠিয়ে নিতে পারেন
এরকম পরিস্থিতিতে ইরানের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়ে উঠবে এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে
ইসরায়েল এটি ঘটতে দিতে ইচ্ছুক নয়, এবং তাদের জন্য সবচেয়ে যৌক্তিক পদক্ষেপ হচ্ছে এমন কিছু ঘটানো, যার ফলে ইরান হঠকারী কোনো পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে
সেক্ষেত্রে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা বাইডেনের জন্য জটিল হয়ে দাঁড়াবে
মার্কিন হামলায় নিহত মেজর জেনারেল কাসেম সুলেইমানির জানাজায় ইরানি জনতার ভিড়
দ্বিতীয়ত, সম্প্রতি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু গোপনে সৌদি আরব সফর করেছেন এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বলে সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে, যদিও সৌদি আরব এই খবরকে অস্বীকার করেছে
ইসরায়েলের মতো সৌদি আরবও মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তারের বিরোধী, কিন্তু বাইডেন প্রশাসন ট্রাম্পের মতো সৌদি আরবের প্রতি পুরোপুরি সহানুভূতিশীল হবে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে না
এমতাবস্থায় এটি অসম্ভব নয় যে, অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে ফাখরিজাদেহের সম্ভাব্য গুপ্তহত্যার বিষয়েও নেতানিয়াহু সৌদিদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং এই ব্যাপারে তাদের সঙ্গে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন
সর্বোপরি, সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ায় অবস্থিত ইরানি ঘাঁটিগুলোর ওপরেও ইসরায়েল আক্রমণের মাত্রা বৃদ্ধি করেছে
সামগ্রিকভাবে এটি প্রতীয়মান যে, ইসরায়েল চাচ্ছে ইরানকে হঠকারী কোনো পদক্ষেপ নেয়ার জন্য বাধ্য করতে
তারা এই কার্যক্রমকে ইরানের প্রতিদ্বন্দ্বী উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সমন্বিত করে নিয়েছে, এবং চূড়ান্ত উস্কানি হিসেবে মোহসেন ফাখরিজাদেহকে খুন করেছে
কাসেম সুলেইমানির বহুল আলোচিত খুনের পর ইরান কোনো হঠকারী পদক্ষেপ নেয় নি, বরং ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর সীমিত আকারে ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালানো পর্যন্ত তাদের প্রত্যুত্তর সীমাবদ্ধ রেখেছিল
অল্প কিছুদিন আগে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসনের সঙ্গে যেন ইরানের সম্পর্ক তিক্ত না হয়, সেজন্য ইরান ইরাকে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলোর ওপর কোনো ধরনের আক্রমণ পরিচালনা থেকে বিরত থাকার জন্য ইরানি-সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়াগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে
অন্যদিকে, ইসরায়েল ক্রমাগত ইরানকে উস্কানি দিয়ে চলেছে
এখন ক্রমাগত উস্কানির মুখে ইরান তার বাস্তববাদী অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হবে কিনা, সেটাই প্রশ্ন
মধ্যবিত্ত পরিবারের খুব সাধারণ মেয়ে প্রিয়তা
বাবা-মা আর ছোট ছোট ২ ভাই-বোন মিলে ৫ জনের সংসার তাদের
বাবা স্কুল শিক্ষক, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি
ছোট ভাই ক্লাস সেভেন ও ছোট বোন ক্লাস ফাইভে পড়ে
প্রিয়তা সবার বড় এবার এইচ এস সি পরীক্ষা দেবে
প্রিয়তা দেখতে যেমন সুন্দর তেমন কাজে কর্মেও খুব পারদর্শী
পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন হস্তশিল্পের কাজ করতে সে অনেক পছন্দ করে
বন্ধুদের সাথে আড্ডা, বাহিরে ঘুরে বেড়ানো, জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান একদম তার পছন্দ না
প্রিয়তা খুবই সাদামাটা, সহজ-সরল ও ধার্মিক মেয়ে
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত করে খুব ভাল একটা মেয়ে
বাহিরে বের হলেও সবসময় শালীন পোশাক ও মাথায় ঘোমটা দিয়ে চুল ঢেকে রাস্তায় চলাফেরা করে
বাইরের অপরিচিত কারো সাথে দেখা করা এমন কি কথা পর্যন্ত বলে না
শুধুমাত্র কলেজ পর্যন্তই তার যাওয়া আসা
স্কুল কলেজ থেকে শুরু করে গ্রামের ছোট বড় সবার কাছেই প্রিয়তা বেশ প্রসংশিত
সুন্দর হলেও মনে কোন অহংকার নেই, কারো সাথে কোন হিংসা নেই
সমসময় ভাল কাজ করে, বিপদে আপদে মানুষের উপকার করে, গ্রামের মানুষজনকে সৎ পথে চলার জন্য উৎসাহিত করে
প্রিয়তা এমন একটা মেয়ে যাকে দেখলে যে কেউ পছন্দ করে ফেলে, ওর প্রেমে পরে যায়
ওর ঘন কালো চুল, কাজল টানা চোখ, মায়াবী হাঁসি যে কাউকে পাগল করে দিতে পারে