content
stringlengths
0
129k
পাপড়িনিউজ:: আজ ১৭ জুলাই কবি-ছড়াকার ও শিশুসাহিত্যিক সুফিয়ান আহমদ চৌধুরীর ৬০তম জন্মদিন
১৯৭৩ সালে ছড়া-কবিতা-গল্প দিয়ে তাঁর যাত্রা শুরু হলেও প্রগতিশীল শিশু-কিশোর রচনায় মানস পরিস্ফুটনে তিনি সফল
পরবর্তীতে শিশু - কিশোর সাহিত্যের সব শাখায় তাঁর স্বচ্ছন্দ পদচারণা ঘটেছে
লেখক দেশ-বিদেশের বাইরে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও সাময়িকী-সংকলনে লিখে চলেছেন অবিরাম
সুফিয়ান আহমদ চৌধুরী সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার চাঁন্দভরাঙ্গ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯৬০ সালের ১৭ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন
তাঁর পিতা মরহুম শামছউদ্দিন আহমদ চৌধুরী(ছুটু মিয়া) এবং মাতা মরহুম আলহাজ্ব বেগম সুফিয়া চৌধুরী
সিলেট শহরের ধোপাদীঘির পূর্ব পাড়ের স্হায়ী বাসিন্দা জনাব সুফিয়ান আহমদ চৌধুরী বর্তমানে নিউইয়র্ক-এর জ্যাকসন হাইটসে সপরিবারে বসবাস করছেন
তাঁর স্ত্রী তামান্না নাহার চৌধুরী(নাজ) এবং একমাত্র কন্যা নুসরাত চৌধুরীও যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন
তাঁর অনবদ্য গ্রন্থসমূহ নিধিরাম সর্দার, রাজার চোখে বানের পানি, স্মৃতির ক্যানভাসে, কোলা ব্যাঙের বিয়ে, সুবর্ণ ভোর, যত দূরে যাই, ইলিক ঝিলিক রোদের হাসি, কাকতাড়ুয়ার ভয় ও পোড়াবাড়ি
তিনি তাঁর লেখায় দূরদর্শী চিন্তা-চেতনা ও আদর্শ বাঙালির মন-মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন
স্বদেশ-মাতৃভাষা ও মাতৃভূমির প্রতি উদ্ধুদ্ধ থেকে লেখালেখি করে আসছেন
তিনি ছড়া পরিষদ সিলেট, সিলেট সাহিত্য পরিষদ ও স্বদেশ ফোরাম, নিউইয়র্ক -এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে একজন সফল সংগঠকের সুখ্যাতি অর্জন করেছেন দেশ-বিদেশে
জড়িত রয়েছেন দেশ-বিদেশে সাহিত্য- সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথেও
তিনি সাহিত্য সাময়িকী 'জীবন মিছিল'এর সম্পাদক
এ ছাড়াও আরো সম্পাদনা করেছেন আইন দর্পণ,কিশোর দর্পণ ও বঙ্গবীর
এম সি কলেজ,সিলেট -এর বার্ষিকী 'পূর্বাশা' বার্ষিকী সম্পাদক হিসেবে সম্পাদনা করেছেন কলেজ জীবনে
১৯৯৮ সালে সিলেট জেলা আইনজীবি সমিতির গ্রন্থাগার সম্পাদক ছিলেন
এরপর দুইবার কার্য্যকরী পরিষদের সদস্যও নির্বাচিত হন বিপুল ভোটে
বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী সুফিয়ান আহমদ চৌধুরী'র সুপরিচিতি ব্যাপক
সাদা মনের মানুষ হিসেবে সকল মহলের সকলের ভালোবাসার প্রিয় একজন মানুষ
আল মাহমুদ : শিশু-কিশোরদের মনের মতো কবি || কামরুল আলম
বিশ্বের প্রথম ভার্চুয়াল ছড়া উৎসবে অংশ নিচ্ছেন যারা
আপনার মতামত লিখুন :
ছড়া : সাহিত্যের মাঠে সবচেয়ে দুরন্ত খেলোয়াড়
লেখক-ব্যবসায়ী আবদুল হান্নান আর নেই
বগুড়ায় পাপড়ি বন্ধুমেলার শাখা গঠন
বিশ্বের প্রথম ভার্চুয়াল ছড়া উৎসবে অংশ নিচ্ছেন যারা
আল মাহমুদ : শিশু-কিশোরদের মনের মতো কবি || কামরুল আলম
শিশুসাহিত্য পুরস্কারের জন্য পাণ্ডুলিপি আহবান করেছে 'পাপড়ি'
ছড়া : সাহিত্যের মাঠে সবচেয়ে দুরন্ত খেলোয়াড়
লেখক-ব্যবসায়ী আবদুল হান্নান আর নেই
বগুড়ায় পাপড়ি বন্ধুমেলার শাখা গঠন
বিশ্বের প্রথম ভার্চুয়াল ছড়া উৎসবে অংশ নিচ্ছেন যারা
সর্বশেষ আপডেট
একজন প্রধানমন্ত্রীর কয়টা জন্মদিন থাকতে পারে
ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার পাচ্ছেন কাজী হায়াৎ
ফেসবুকে যত বিভ্রাট
আদালত চত্বরে হামলায় বোমা মিজানের মৃত্যুদণ্ড
দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের পর হত্যা: মিন্টু-আজিজুলের ফাঁসি সোমবার
সুখবর পেলেন নাসির
সিলেটের ১০৫ ইউপি'তে নির্বাচনী তোড়জোড় শুরু
বিশ্বকাপ মিশনে ৩ অক্টোবর দেশ ছাড়বে টাইগাররা
জাপার মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলু আর নেই
জগন্নাথপুরে আবারো চিতাবাঘ আটক
& -
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | পাপড়িনিউজ, পাপড়ি গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান
সম্পাদক : কামরুল আলম
২০১ রংমহল টাওয়ার (২য় তলা), বন্দর বাজার, সিলেট-৩১০০ 01712 786775, 01988 474748 .@., @.
সম্প্রতি আয়ারল্যান্ডের বাঙালি কমিউনিটি নিয়ে একটি লেখা পত্রিকায় প্রকাশের পর ঢাকার ধানমন্ডি থেকে জনাব আবুল হোসাইন লিখলেন : 'মেনি থ্যাংকস ফর ইউর ওয়ান্ডারফুল রাইটিং
আই হেভ অলরেডি ভিজিটেড গ্রিস, ইটালি, অস্ট্রিয়া, জাপান, সাউথ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া অ্যান্ড মেনি কান্ট্রিজ
ইউর আর্টিকেল অ্যান্ড ইনফরমেশন উড বি ভেরি মাচ হেল্ডফুল ফর একমপ্লিসমেন্ট অফ মাই এক্সপিভিশান
আবার পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া থেকে দীপক রায় নামে এক ভদ্রলোক ধন্যবাদ জানিয়ে লেখাটির প্রশংসা করেন এবং আমি কমিউনিটির কাছে যে দু-একটি সুপারিশ রেখেছি তাতেও তিনি সহমত পোষণ করেন
এও বলেন, এসব সমস্যা শুধু বাংলাদেশের বাঙালিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, ভারতের বাঙালিরাও এ দুষ্টচক্র থেকে মুক্ত হতে পারেনি
তাই সময়-সুযোগ পেলে এসব বিষয়ে যেনো আমি আরো লিখি
আমি কোনো জাত লেখক নই
ছোটবেলায় আমার প্রয়াত শিক্ষক বাবাকে দেখতাম, কোনো গরিব-দুস্থ, বিধবা বা সহায়-সম্বলহীন কেউ যখন সরকারের দেওয়া অনুদান ঠিকভাবে না পেয়ে ব্যথিত হৃদয়ে তাঁর কাছে এসে কান্নাকাটি করতেন, তখন তিনি বিবেকতাড়িত হয়ে ওইসব অসৎ চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দুর্নীতি ও অপকর্মের বিরুদ্ধে কলম ধরতেন
এতে মা অবশ্য রাগারাগি করতেন-- শুধু শুধু শত্র"তা বাড়িয়ে কী লাভ! আমিও সম্ভবত অনেকটা সেরকমই
পারিপার্শ্বিক কোনো সমস্যা বা অনৈতিক ঘটনা যখন আমার বিবেককে নাড়া দেয়, আলোড়িত করে, তখনই আমি কিছু লিখতে চাই
২৫ জুলাই আয়ারল্যান্ডে নির্বাচন
না, এটা আইরিশ সরকারের স্থানীয় বা জাতীয় নির্বাচন নয়
এটা বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন
পুরো আয়ারল্যান্ডের বাঙালি কমিউনিটিতে এ নির্বাচন নিয়ে চলছে কানাঘুষা
নির্বাচন পরিচালনার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটিও গঠিত হয়েছে
প্রতিটি কাউন্টি থেকে একজন করে প্রতিনিধি নিয়ে যে আহ্বায়ক কমিটি তৈরি করা হয়েছিল সে কমিটি ও নির্বাচন কমিশন মিলে একটি বিধি প্রণয়ন করে
তা হলো : 'বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব আয়ারল্যান্ড'-এর প্রতিনিধি নির্বাচনে আয়ারল্যান্ডে বসবাসরত ছাত্র-ছাত্রীরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন না
এটি শিক্ষার্থীসহ অনেক বিবেকবান মানুষের মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে
ফলে নির্বাচনের মাধ্যমে সংগঠনটির যে সুস্থ-সুন্দর ও স্থায়ী কমিটি গঠন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিলো তার আগেই কমিউনিটি ভেঙে দু ভাগে বিভক্ত হয়ে গেলো
এক পক্ষ মাইনাস ফর্মুলায় নির্বাচনে আগ্রহী, অন্য পক্ষ শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল নির্বাচনে অংশ নিতে চান
শিক্ষার্থীবিহীন নির্বাচনমুখীদের বক্তব্য : ছাত্ররা এখানকার অস্থায়ী বাসিন্দা, আজ আসে তো কাল যায়, তাদের ভোটাধিকার দেওয়ার দরকার কী! তারা আমাদের ছোট ভাই, ছোট ভাইয়ের মতোই থাক
পক্ষান্তরে অন্য পক্ষের মতামত মূল্যায়ন করলে যা বুঝা যায় তা হলো : আমরা সংগঠন করছি আয়ারল্যান্ডে বসবাসরত পুরো বাঙালি কমিউনিটি নিয়ে
এখানে কে ছাত্র, কে চাকুরে, কে স্থায়ী বা কারা আইরিশ পাসপোর্টধারী তা বিবেচ্য বিষয় হতে পারে না
এ ধরনের সংকীর্ণ চিন্তাভাবনা নিজেদের মধ্যে শ্রেণীভেদের সৃষ্টি করে, যা একটি সফল সংগঠন গড়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়
নির্বাচনটি যেহেতু 'বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব আয়ারল্যান্ড'কে কেন্দ্র করে, সেহেতু দেশটিতে বসবাসরত যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিকেরই ভোটাধিকার থাকা বাঞ্ছনীয়
এভাবে পক্ষে-বিপক্ষে অনেক যুক্তিই উত্থাপন করা যেতে পারে
তবে আমি বলবো, নিজ বিবেককে যদি কেউ বিচারকের আসনে বসিয়ে বিষয়টি নিয়ে ভাবেন তাহলে নিশ্চয়ই এর সঠিক উত্তর পাবেন
ছাত্রদের ইতিহাস আমরা সবাই জানি
সেদিকে নজর দেবো না
শুধু বলবো, স্থায়িত্বের মতো ঠুনকো অজুহাতে ভোট প্রয়োগ থেকে শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত রেখে তাদের মানবিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা মোটেই ঠিক নয়
আয়ারল্যান্ড-প্রবাসী বাঙালিদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, আজ আমরা যারা পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি বা লাল পাসপোর্টের বড়াই করি, কয়েক বছর আগেও তাদের যখন বছর বছর ওয়ার্ক পারমিট নবায়নের মাধ্যমে এ দেশে থাকতে হতো (যদি কোনো কোম্পানি কারো ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন করতে অপারগতা প্রকাশ করে তবে তাকে আইনানুযায়ী দেশে ফিরে যেতে হবে), তখনো আ...
আমাদের স্থায়িত্বের কথাটাও ভাবেননি
আমার মনে আছে, ২০০৬-এ আমি যখন ভোট দিতে যাই তখন আমার ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ ছিল মাত্র তিন মাস
এরপরও তারা আমার ভোটদানের ক্ষেত্রে কোনো বাধার সৃষ্টি করেনি
যেখানে ভোটাধিকারের দাবি উঠলেও উড়িয়ে দিতে পারতো, সেখানে একটি বিজাতীয় সরকার স্বেচ্ছায় আমাদের ভোট প্রদানের ক্ষমতা দিয়ে সহনশীল, উদার ও দরদী মনোভাব দেখিয়েছেন
অথচ আমরা বাঙালি কমিউনিটির প্রতিনিধি নির্বাচনে বাঙালি হয়ে কোন মন-মানসিকতায় আরেক জাতভাইকে ভোটদান থেকে বিরত রাখার জন্য এ ধরনের বিধিমালা তৈরি করি! তবে কি ধরে নেবো এটা কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের কারসাজি? যারা নিজেদের কমিউনিটির কর্তাব্যক্তি মনে করেন, তাদের প্রতি ওইসব অবমূল্যায়িত শিক্ষার্থীর মনোভাব বা ধারণা কেমন হবে তা কি ...
আমার জানা মতে, এমন অনেক ছাত্র আছেন যারা বাংলাদেশে লক্ষাধিক টাকা বেতন পেতেন কিন্তু এখানে স্টুডেন্ট স্টেটাসে এসেছেন পিএইচডি করতে
শিক্ষাবর্ষ বা থিসিস শেষ হওয়ার পরই আইরিশ সরকার তাদের প্রথম শ্রেণীর মোটা বেতনের চাকরির অফার দিয়ে এ দেশে রেখে দেওয়ার চেষ্টা করবেন
যাদেরকে আজ স্থায়ী রেসিডেন্সির দোহাই দিয়ে দূরে সরিয়ে রাখার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে, পরবর্তী সময়ে এসব প্রজ্ঞাবান, প্রতিষ্ঠালব্ধ ব্যক্তির কাছ থেকে কমিউনিটি আদৌ কি কোনো আর্থিক, সামাজিক বা জ্ঞানসর্বস্ব কন্ট্রিবিউশন আশা করতে পারবে! তাছাড়া সংগঠন বা কমিউনিটি তো মৌলিক সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি অসহায় লোকদের সহযোগিতার জন্যই
আমরা যারা আইরিশ রেসিডেন্সি বা সিটিজেনশিপ নামের সোনার হরিণ হাতে পেয়েছি তাদের তো কোনো সমস্যা নেই
আমাদের যদি কোনো কাজকর্ম নাও থাকে তাহলে বউ-বাচ্চাসহ সবাইকে সরকার যে ভাতা দেবেন তা দিয়ে দিব্যি রাজার হালে চলা যাবে
কিন্তু একজন ছাত্র সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত
তার যদি কোনো চাকরি-বাকরি না থাকে তাহলে তাকে না খেয়ে কিংবা অর্ধাহারে থাকতে হবে; ব্যর্থ হবে টিউশন ফি দিতে
এক্ষেত্রে কমিউনিটিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে
কিন্তু একজন ছাত্রকে যদি আগে থেকেই কোনো অযৌক্তিক অজুহাতে কমিউনিটি থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা হয়, তবে সে ছাত্র কোন মুখে ওই কমিউনিটির কাছে এসে সহযোগিতা চাইবে? আর কমিউনিটিই বা কীভাবে তাদের প্রতি সদয় মনোভাব দেখিয়ে দায়িত্ব পালন করবে! কোনো একটি বিশেষ কাউন্টিতে ছাত্রসংখ্যা পুরো আয়ারল্যান্ডে বসবাসরত রেসিডেন্সিপ্রাপ্ত বাঙালির কয়...
ফলে ছাত্রদের ভোটাধিকারের আওতায় আনলে কমিউনিটির সব প্রতিনিধিত্ব ছাত্র বা ওই বিশেষ কাউন্টিতে চলে যাবে-- এ ধরনের ভীতি থেকে যদি ছাত্রদের ভোটাধিকার নষ্ট করার পাঁয়তারা করা হয়, তাহলে তা হবে নিজের পায়ে কুড়াল মারার শামিল
এক্ষেত্রে ওই বিশেষ কাউন্টির প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনাসাপেক্ষে এ মর্মে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় যে, ছাত্ররা যেহেতু স্থায়ী বাসিন্দা নয়, সেহেতু তারা বিশেষ বিশেষ পদগুলোতে নির্বাচন করা থেকে বিরত থাকবেন এবং প্রতিটি কাউন্টি থেকে কোটাভিত্তিক প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার নিয়ম করা যেতে পারে
সবশেষে বলব, আসুন দ্বন্দ্ব-কলহ, জটিলতা-কুটিলতা বাদ দিয়ে বিশ্ব যেভাবে উদারতান্ত্রিকতার পথে এগোচ্ছে, আমরাও সে পথ অনুসরণ করি
'ডিভাইড অ্যান্ড রোল' নীতি পরিহার করে, নিজেদের ছোট ছোট স্বার্থগুলোকে জলাঞ্জলি দিয়ে 'বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব আয়ারল্যান্ড' নামের যে চারাটি এ দেশে রোপিত হয়েছে তাকে পারস্পরিক সম্প্রীতি-শ্রদ্ধাবোধ ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে একটি বটগাছে পরিণত করি
লেখক : আয়ারল্যান্ডপ্রবাসী
ই-মেইল : ংযধলবফ৭০@ুধযড়ড়.পড়স
ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন