content stringlengths 0 129k |
|---|
শিক্ষা-শিক্ষাঙ্গন |
আন্তর্জাতিক |
অ্যাথলেটিক্স |
ফুটবল বিশ্বকাপ |
অর্থ-বাণিজ্য |
বিশেষ প্রতিবেদন |
শিল্প-সাহিত্য |
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি |
মত-ভিন্নমত |
সোশ্যাল মিডিয়া |
ঢাকা, বুধবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২১ |
আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না: সড়কে ভাঙচুর-আগুন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী |
যুক্তরাষ্ট্রে সহপাঠীর গুলিতে ৩ স্কুলশিক্ষার্থী নিহত |
রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আটক |
সাকিবকে ছেড়ে দিল কলকাতা, রাজস্থান মোস্তাফিজকে শারীরিক উপস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকাজ শুরু নিরাপদ সড়কের দাবিতে আজও সড়কে শিক্ষার্থীরা বিজয়ের মাস শুরু |
যে বয়সের শিশুদের জন্য ফাইজারের ভ্যাকসিন নিরাপদ |
যে বয়সের শিশুদের জন্য ফাইজারের ভ্যাকসিন নিরাপদ |
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২২:১১ ৩১৮ প্রিন্ট করুন |
অনলাইন ডেস্ক |
৫-১১ বছর বয়সী শিশুদের জন্য করোনার টিকার নিরাপদ এবং এন্টিবডি তৈরিতে কার্যকরী |
দুই থেকে তিনবার ট্রায়ালের পর এ কথা বলছে ফাইজার |
সিএনএন এর খবরে এই তথ্য জানানো হয় |
এই প্রথম শিশুদের জন্য টিকা প্রয়োগের কোনো ফলাফল প্রকাশ্যে এনেছে যুক্তরাষ্ট্র |
তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো ডেটা প্রকাশ করা হয়নি |
ফাইজার বলছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে শিশুদের টিকা প্রয়োগে একটি পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ফুড এন্ড ড্রাগ প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে |
শিগগিরই তারা কাজ শুরু করবে |
ফাইজারের পরিকল্পনা জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এফডিএ |
এবং সংস্থাটি কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শিশুদের টিকা প্রয়োগে ফাইজারের টিকা অনুমোদন দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে |
শিশুদের উপর টিকা ট্রায়ালের জন্য ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী ২ হাজার ২৬৮ জন শিশুকে নির্বাচিত করা হয় |
২১ দিনের মাথায় এসব শিশুদের দুই ডোজ টিকা প্রয়োগ করা হয় |
প্রতি ডোজে ১০ মাইক্রোগ্রাম থেকে ৩০ মাইক্রোগ্রাম ছিল |
১২ বছর বয়সী শিশুদের ৩০ মাইক্রোগ্রাম ডোজের টিকা প্রয়োগ করা হয় |
ফাইজার এক নিউজ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের নিরাপত্তা, সহনশীলতা এবং টিস্যু বিবেচনায় ১০ মাইক্রোগ্রামের টিকাটি সাবধানতার সঙ্গে নির্বাচন করেছে |
24./এমি-জান্নাত |
পরবর্তী খবর |
মুখ-গলা শুকিয়ে 'কাঠ' হয়ে গেলে যা করবেন |
১ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:৫২ ২০৮ প্রিন্ট করুন |
অনলাইন ডেস্ক |
বর্তমান ব্যস্ত জীবনে আমাদের প্রায়ই এমন মনে হয় যে মুখ-গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে, জিবে মুখে কোনো লালা নেই |
প্রচণ্ড পিপাসা পেলে, বিভিন্ন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় বা অনেক সময় উদ্বেগ কিংবা দুশ্চিন্তায় এমনটা হয় |
কিন্তু প্রায়ই আপনার মুখ-জিব শুকিয়ে খটখটে হয়ে এলে একটু ভাবতে হয় বৈকি |
চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে জেরোস্টোমিয়া |
মুখের লালাগ্রন্থি থেকে লালা নিঃসরণ কমে গেলেই এটা হয় |
মনে রাখবেন, মূলত জেরোস্টোমিয়া নামক রোগের কারণে মুখে লালা কমে যায় |
যার জন্য এই ধরণের সমস্যার সৃষ্টি হয় |
চলুন জেনে নেওয়া যাক ঠিক কোন কারণে মুখ শুকিয়ে যাওয়ার মতো সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় |
ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারণেও এই রোগ হতে পারে |
রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে হতাশা, ব্যাথা ও পেশি শিথিলতার জন্য যে যে ওষুধ খেতে হয়, তার ফলে মুখ শুষ্ক হয়ে আসতে পারে |
কিছুক্ষেত্রে দেখা যায় আমরা অনেকে ঘুমানোর সময় মুখ দিয়ে শ্বাস নিয়ে থাকি |
মূলত, হাইপোসালিভেশনের কারণে এমনটা হয় |
সে সময়ে মুখ শুকিয়ে যায় |
নাক দিয়ে না শ্বাস নিয়ে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া একধরনের অভ্যাস বলেো মনে করেন অনেকে |
তাই ইএনটি ডাক্তারের পরামর্শ নিন |
যারা ধূমপান ও অ্যালকোহল পান করেন তাদেরও এই সমস্যা হতে পারে |
জার্নাল অব ডেন্টাল রিসার্চের পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যারা প্রতিদিন ধূমপান ও অ্যালকোহল ৩৯ শতাংশ মানুষের মুখের লালা উৎপাদন কমে গিয়েছে |
গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর |
হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ |
কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত |
এছাড়া ডায়াবেটিস হলে মুখ শুকিয়ে আসতে পারে |
তাই ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় মুখ শুকিয়ে এলে পরামর্শ নিন ডাক্তারের |
আপনার শরীরে ডায়াবেটিসের প্রকোপ ঠিক কতটা তা না জানা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন |
কারণ, এই উপসর্গ কিছু ক্ষেত্রে জানান দেয় শরীরে ডায়াবেটিসের উপস্থিতি |
24./আলী |
পরবর্তী খবর |
হাড় ক্ষয় রোগের উপসর্গ ও চিকিৎসা |
২৮ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০৫ ৯৫৯ প্রিন্ট করুন |
অনলাইন ডেস্ক |
হাড়ের ক্ষয়জনিত একটি রোগ অস্টিওপোরোসিস |
এ সমস্যায় ঘনত্ব কমে গিয়ে হাড় হালকা ও ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং হাড় ভাঙার ঝুঁকি বেড়ে যায় |
প্রতিবছর বিশ্বে ৯০ লাখের বেশি মানুষের হাড় ভাঙে অস্টিওপোরোসিসের কারণে |
অস্টিওপেনিয়ার সময়ই হাড়কে দুর্বল করে ফেলে এবং হাড় ভাঙার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় |
তেমন কোনো উপসর্গ ছাড়াই নীরবে এই রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে থাকে |
হাড় ভেঙে যাওয়ার আগে এই রোগের তেমন একটা লক্ষণ প্রকাশ পায় না |
পরিসংখ্যান মতে, বাংলাদেশে ৬০ লাখের মতো মানুষ হাড় ক্ষয়রোগে ভুগছে |
পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীদের এই রোগের ঝুঁকি ৫.১ শতাংশ, যেখানে পুরুষদের ক্ষেত্রে ৩.১ শতাংশ |
নারীদের ক্ষেত্রে মেনোপজ-পরবর্তী হরমোনের অসামঞ্জস্যের (স্ট্রোজেন, প্রজেস্টেরন) কারণে হাড়ক্ষয়ের ঝুঁকি বেশি হয় |
অস্টিওপোরোসিস এর কারণ |
হাড়ক্ষয়ের পেছনে নানা ধরনের কারণ রয়েছে |
এর মধ্যে অন্যতম কারণগুলো হলো : খাদ্য : পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, ভিটামিন 'ডি', ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন 'কে', ভিটামিন 'বি', ভিটামিন 'বি ১২' ইত্যাদির অভাব হাড়ক্ষয়ের জন্য দায়ী |
একজন ব্যক্তির প্রতিদিন গড়ে ১০০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন, সেখানে প্রতিদিন গড় ক্যালসিয়াম গ্রহণের পরিমাণ মাত্র ৩০৩ মিলিগ্রাম |
বংশগত : বংশে হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ইতিহাস থাকলে |
হরমোনাল : কম বয়সে মেনোপজ হলে, হাড়ের ঘনত্ব কম থাকলে |
অন্যান্য রোগ : রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, হাইপারথাইরয়েডিজম, ক্রনিক লিভার ডিজিজ থাকলে |
কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া : স্টেরয়েড (যেমন প্রেডনিসোলোন, ডেক্সামেথাসন, প্রটন পাম্প ইনহিবিটর ইত্যাদি সেবনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় হাড়ক্ষয় হতে পারে |
কায়িক শ্রম না করা : দৈনন্দিন জীবনে কায়িক শ্রম বা ব্যায়ামের অভ্যাস না গড়ে তোলা হাড় গঠনের জন্য বড় সমস্যা |
হাড়ক্ষয় একটি নীরব ঘাতক |
তেমন কোনো উপসর্গ ছাড়াই মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয় |
এরপরও কিছু লক্ষণ হলো, পিঠের পেছন দিকের অস্থিতে ব্যথা অনুভব হওয়া, হিপ, কোমর ও মেরুদণ্ডে ক্ষয় দেখা দেওয়া, উচ্চতা কিছুটা কমে যাওয়া, হাঁটা বা দাঁড়ানোর সময় ঝুঁকে থাকা, হঠাৎ পড়ে গেলে হার ভেঙে যাওয়া ইত্যাদি |
হাড়ক্ষয় প্রতিরোধে করণীয় |
সঠিক খাদ্যাভ্যাস : হাড় ক্ষয়রোগীদের দুধ, দই, পনির, সয়াবিন, বাদাম, ঋতুকালীন সবুজ শাকসবজি, লেটুস, ব্রকলি, মাশরুম জাতীয় খাবার, মাছ খাওয়া উচিত |
দ. আফ্রিকার করোনার নতুন ধরন খুবই ভয়ঙ্কর : স্বাস্থ্যমন্ত্রী |
একই ইউপিতে বাবা-ছেলে ও আপন দুই ভাই চেয়ারম্যান প্রার্থী! |
বেগম জিয়ার জন্য আলাদা আইন করার সুযোগ নেই: হানিফ |
ক্যালসিয়াম : দৈনিক ক্যালসিয়ামের চাহিদা বিভিন্ন বয়সে বিভিন্ন রকম থাকে |
গড়ে তিন বছর বয়স পর্যন্ত প্রতিদিন ৫০০ মিলিগ্রাম, চার থেকে আট বছর পর্যন্ত ৮০০ মিলিগ্রাম, ৯ থেকে ১৮ বছর বয়সে ১৩০০ মিলিগ্রাম, ১৯ থেকে ৫০ বছরে ১০০০ মিলিগ্রাম এবং ৫১ বছর বা তদুর্ধ্বে ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম খাবার থেকে গ্রহণ করা উচিত |
দুধ ছাড়াও বাদাম, শাকসবজি, ছোট মাছে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে |
প্রোটিন : কাঁটাসহ সার্ডিন মাছ, অ্যালমন্ড, ফুলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদি খাবার গ্রহণ |
ভিটামিন 'ডি' : একজন মানুষের ভিটামিন 'ডি'র চাহিদা দৈনিক১০-১২ মাইক্রোগ্রাম |
অথচ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বাংলাদেশে মাত্র ১ শতাংশ লোক যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন 'ডি' গ্রহণ করে থাকে |
ক্যালসিয়াম শোষণ, শক্তিশালী হাড় ও দাঁত গঠনে সাহায্য করে এই ভিটামিন 'ডি' |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.