content stringlengths 0 129k |
|---|
শতক: ০, পঞ্চাশ: ৩, চার: ৫৯, ছক্কা: ২৩ |
বিশ্বকাপে টেস্ট খেলুড়ে দলের বিপক্ষে: |
ইনিংস: ২১, রান: ৪৮০, সেরা: ৮৪, গড়: ২৪, স্ট্রাইক রেট: ১২৪.৩৫ |
শতক: ০, পঞ্চাশ: ৩, চার: ৪১, ছক্কা: ১৫ |
এদিক থেকে পরিষ্কার যে একমাত্র সাকিবই বিশ্বকাপ এলেই জ্বলে উঠতে পছন্দ করেন |
তাঁর গড়, স্ট্রাইক রেট, সেরা ইনিংস, চার-ছক্কা মারার প্রবণতা সবই বিশ্বকাপে বেড়ে যায় |
বড় দলগুলোর বিপক্ষেও বিশ্বকাপে সাকিব ক্যারিয়ার গড়ের চেয়ে ভালো খেলেন |
বোলিং ক্যারিয়ার: |
ম্যাচ: ৯৪, উইকেট: ১১৭, সেরা: ৫/২০, ইকোনমি: ৬.৬৬, স্ট্রাইক রেট: ১৭.৮, গড়: ১৯.৭৯ |
বিশ্বকাপ ক্যারিয়ার: |
ম্যাচ: ৩১, উইকেট: ৪১, সেরা: ৪/৯, ইকোনমি: ৬.৪৩, স্ট্রাইক রেট: ১৬.১, গড়: ১৭.২৯ |
বিশ্বকাপে টেস্ট খেলুড়ে দলের বিপক্ষে: |
ম্যাচ: ২১, উইকেট: ১৯, সেরা: ৪/৩৪, ইকোনমি: ৭.১৩, স্ট্রাইক রেট: ২৪.৩২, গড়: ২৮.৮৯ |
বোলিংয়েও বিশ্বকাপে সাকিব ক্যারিয়ারের চেয়ে বেশি উজ্জ্বল |
ইকোনমি, স্ট্রাইক রেট সবই ভালো হয়ে যায় তাঁর |
তবে বড় দলের বিপক্ষে তাঁর বোলিং পারফরম্যান্সে একটু অবনতি হয় |
তবে সেটাও বিশ্বমানেরই থাকে সাকিবের |
তাহলে পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে, বিশ্বকাপে সাকিব ছাড়া, বাংলাদেশের বাকি চার তারকাই উজ্জ্বল নন |
একটি দল ১১ জন নিয়ে মাঠে নামে |
এর ব্যর্থতার দায় কোনো ব্যক্তির নয় |
এক দশক ধরে যাঁরা সেরাটা দিচ্ছেন, তাঁদের তো অবশ্যই নয় |
কিন্তু এ পরিসংখ্যানই বাংলাদেশের ক্রিকেটের একটা বড় ভুল দেখিয়ে দিচ্ছে |
ভালো পাইপলাইন না থাকায় খেলোয়াড় উঠে না আসার ঘাটতি এই পাঁচজন বছরের পর বছর পূরণ করে দিয়েছেন |
এ কারণেই গত এক দশকে ক্রিকেটে বেশ কিছু সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ |
কিন্তু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যখন তাঁরাই রং হারাচ্ছেন, তখনই দলের ভেতরের ঘাটতি প্রকাশিত হচ্ছে |
এ কারণেই টেস্ট খেলুড়ে দলের সঙ্গে ২৩টি ম্যাচ খেলে ২২টিতেই হেরেছে বাংলাদেশ |
কারণ, অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা ব্যর্থ হলে দায়িত্ব নেওয়ার মতো তরুণের আবির্ভাব হচ্ছে না বাংলাদেশের ক্রিকেটে |
এসইও শেখার সর্বশ্রেষ্ঠ বই - এসইও শেখার সবচেয়ে ভালো বই |
শেখার খুবই চমৎকার একটি বই, এসইও শেখার সময়ের সেরা বই |
মাস্টার অফ এসইও সিরিজ বই রিভিউঃ |
এসইও কি? এসই হলো সার্চ ইন্জিন অপ্টিমাইজেশন |
বর্তমান সময়ে আপনি যে কাজই করতে চান না কেদ আপনাকে সার্চ ইন্জিন জানতে হবে |
সার্চ ইন্জিন অপ্টিমাইজেশন জানা থাকলে আপনার যেকোনো কাজেই সফলতা দ্রুত পাবেন |
তা কিভাবে? মনে করুন আপনি একটা ঔষধ ফার্মেসী দিয়েছেন আপনার এলাকায়, আপনার ফার্মেসীতে প্রায় সকল প্রকার ঔষধই রয়েছে |
আপনি যে একটা ফার্মেসী দিয়েছেন এবং আপনার এখানে যে প্রায় সকল প্রকার মেডিসিন পাওয়া যায় এ কথাটি কি আপনার উপজেলা বাসিরা সবাই জানে, উপজেলা বাদ দিলাম আপনার গ্রামের সবাই কি জানে? আমার তো মনে হয় না |
আপনার সার্ভিস সম্পর্কে যদি না ই জেনে থাকে তাহলে কাস্টমার পাবেন কি করে |
আগেকার দিনে মাইক নিয়ে প্রচার করতো সার্ভিস সম্পর্কে জানাতে সবাইকে কিন্তু এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে সেটি করা হয় |
কারন প্রতিটা ঘর ঘর রয়েছে ৩ টা ৪ টা স্মাট ফোন এবং প্রত্যেকটি দিয়েই ইন্টারনেট ইউজ করা হয় |
যারফলে খুব সহজেই এসইওর মাধ্যমে তাদের নিকট বার্তা পৌঁছে দেওয়া যায় |
অন্যদিকে একটা ওয়েবসাইটের প্রান হলো ভিজিটর, অর্থাৎ ভিজিটর বিহীন ওয়েবসাইট মূল্যহীন |
এবং একটা ওয়েবসাইটে যতো বেশী ভিজিটর সেই ওয়েবসাইটের ততো বেশী আর্ন |
এই ভিজিটর পাওয়ার প্রধান মাধ্যম হলো সার্চ ইন্জিন, সার্চ ইন্জিন থেকে ভিজিটর পেতে হলে এসইও সম্পর্কে সুস্পষ্ট জ্ঞান রাখতে হবে |
এসইও শেখার জন্য আমি এর আগে যতোগুলো বই আমি এই সাইটে দিয়েছি তার মধ্যে এটিই সেরা বই |
আমি নিজে এসইও শিখতেছি প্রায় ১বছর ধরে, অনেক কিছু জানার পরেও এই বইটি পড়ে আরো নতুন নতুন বিষয় জানতে পারলাম |
মাস্টার অফ এসইও সিরিজ বইটা পড়লে আপনি এডভান্স জিনিসগুলো শিখতে পারবেন |
বাংলা ভাষায় এমন একটি বই পাওয়া, আমাবর্সার চাঁদের মতো |
বইটা ৩ টি খন্ডে বিভক্ত, আমি ৩টারই ডাউনলোড লিংক দিয়ে দিবো |
খুলনা বিভাগ---সিলেট বিভাগঢাকা বিভাগচট্রগ্রাম বিভাগরাজশাহী বিভাগময়মনসিংহ বিভাগরংপুর বিভাগবরিশাল বিভাগখুলনা বিভাগ |
ঝিনাইদহ ---যশোর সাতক্ষীরা মেহেরপুর নড়াইল চুয়াডাঙ্গা কুষ্টিয়া মাগুরা খুলনা বাগেরহাট ঝিনাইদহ |
ঝিনাইদহ সদর ---ঝিনাইদহ সদর শৈলকুপা হরিণাকুন্ডু কালীগঞ্জ কোটচাঁদপুর মহেশপুর |
সাধুহাটী মধুহাটী সাগান্না হলিধানী কুমড়াবাড়ীয়া গান্না মহারাজপুর পাগলাকানাই পোড়াহাটী হরিশংকরপুর পদ্মাকর দোগাছি ফুরসন্দি ঘোড়শাল কালীচরণপুর সুরাট নলডাঙ্গা |
সচেতন হতে হবে খাওয়া-দাওয়া আর খানিকটা চালচলনে |
বড় ধরনের পরিবর্তন না এনেই সুস্থ থাকা যায় |
শারীরিক নানা ধরনের ব্যায়াম করে শরীরকে বশে রাখা যায় |
কষ্টের ব্যায়াম না করে সহজ উপায় হল হাঁটা |
টানা ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট হাঁটলে রক্তে চলমান চর্বি ফুরিয়ে আসে |
তাই অফিস থেকে বাড়িতে ফেরার পথে খানিকটা পথ হেঁটেই ফিরুন |
শারীরিক সক্ষমতা থাকলে অফিস কিংবা বাড়িতে লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়িতেই চড়ুন |
হাড় ও হার্ট দুটিই ভালো থাকবে |
হৃদরোগ, স্ট্রোক ও ক্যানসারের ঝুকি কমাতে হাঁটাহাটির ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন মুন্নু মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যাপক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ |
যে কোনো বয়সের মানুষের শরীর ঠিক রাখতে হলে ব্যায়ামের বিকল্প নেই |
সব ব্যায়াম সব বয়সের জন্য উপযোগী নয় এবং সব ব্যায়াম করা সম্ভব হয়ে ওঠে না |
হাঁটা এমন একটি ব্যায়াম, যা সব বয়সের জন্য মানানসই |
সহজে করা যায় |
হাঁটার উপকারিতাও অনেক |
এর চেয়ে সহজ ব্যায়াম আর নেই |
সব বয়সের মানুষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী এ ব্যায়াম কম খরচে শরীর ভালো রাখা যায় |
ঘরে-বাইরে যে কোনো জায়গায় করা যায় |
ব্যক্তির শারীরিক ক্ষমতা অনুযায়ী এর তীব্রতা বাড়ানো-কমানো যায় |
উপযুক্ত পোশাক এবং এক জোড়া ভালো জুতা ছাড়া কোনো অতিরিক্ত খরচের প্রয়োজন পড়ে না |
ডায়াবেটিস রোগীর উপকার |
ডায়াবেটিস রোগীর ব্যায়ামের বিকল্প নেই |
সকাল-সন্ধ্যা নিয়মিত হাঁটাচলা, হাট-বাজারে কোথাও গেলে অল্প দূরত্বে রিকশা বা গাড়ি ব্যবহার না করা |
অল্প কয়েক তলার জন্য লিফট ব্যবহার না করে হেঁটে ওঠা বা নামার মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সম্ভব |
প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে পাঁচ দিন বা সপ্তাহে মোট ১৫০ মিনিট হাঁটলে এবং শরীরে ওজন সাত শতাংশ কমালে টাইপ টু ডায়াবেটিস হওয়ার আশংকা কমে প্রায় ৫৮ ভাগ |
যদি ডায়াবেটিস হয়েই থাকে, তবে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও হাঁটা বিশেষ কার্যকর |
হাঁটাহাঁটি করলে শরীরের পেশিতে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ে এবং রক্তের সুগার কমে, ওষুধ কম লাগে |
স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস |
মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোকের অন্যতম একটি রিস্ক ফ্যাক্টর হচ্ছে অলস জীবনযাপন করা, স্থূলতা বা অতিরিক্ত মোটা হওয়া |
হাঁটাচলা বা ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরের মেদ কমে যায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে আসে |
ফলে স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে আসে |
দৈনিক এক ঘণ্টা করে সপ্তাহে পাঁচ দিন হাঁটার মাধ্যমে স্ট্রোকের ঝুঁকি শতকরা ৫০ ভাগ কমে যায় |
ওজন নিয়ন্ত্রণ |
অনেকেই শরীরের ওজন কমাতে শুধু ডায়েটিং করেন |
কিন্তু হাঁটাহাঁটি না করে বা অলস জীবনযাপন করে শুধু ডায়েট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ওজন কমানো সম্ভব নয় |
দীর্ঘ মেয়াদি ওজন নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির মূল চাবিকাঠি স্বাস্থ্যকর সুষম খাবার এবং নিয়মিত হাঁটাচলা |
হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা |
নিয়মিত হাঁটার ফলে হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায় |
হৃদযন্ত্র স্বল্প চেষ্টায় শরীরে বেশি পরিমাণে রক্ত সরবরাহ করতে পারে এবং ধমনির ওপরও চাপ কম পড়ে |
উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার আশংকা কম থাকে |
হাঁটার মাধ্যমে শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায় |
নিয়মিত হাঁটলে শরীরে জমে থাকা মেদ কমে |
রক্তে মন্দ কোলেস্টেরল বা লো ডেনসিটি লাইপো প্রোটিন কমে যায় |
এই মন্দ কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে তা ধমনির গায়ে জমে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে |
যারা সপ্তাহে অন্তত তিন ঘণ্টা অথবা দৈনিক আধা ঘণ্টা করে হাঁটেন, তাদের ক্ষেত্রে হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কম |
হাঁটার ফলে ভালো কোলেস্টেরল বা হাই ডেনসিটি লাইপো প্রোটিন বাড়ে |
ফলে রক্তনালিতে ব্লক সহজেই হয় না |
রক্তনালির দেয়াল শক্ত হয়ে যায় না |
তাই হৃদরোগের কারণে মৃত্যু ঝুঁকি কমে প্রায় ৩৫ থেকে ৫০ শতাংশ কমে যায় স্ট্রোকের ঝুঁকিও |
হাঁটা ও কর্মক্ষমতা |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.