content
stringlengths
0
129k
সাইফুল ও তার স্ত্রীর আর্ত চিৎকারে জড়ো হলো বেশ কিছু লোক
তন্নতন্ন করে খোজা হলো বাসার চারপাশ
বাসা পেরিয়ে আশেপাশের রাস্তাঘাট, খেলার মাঠ, পরিচিতদের বাড়িঘর
খবর শুনে ছুটে এলো সাইফুলের কয়েকজন সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও আত্নীয়-স্বজন
আলাদা আলাদাভাবে খোজা হলো পুরো এলাকা
নাখালপাড়া, সাত রাস্তা, মহাখালী, রেলওয়ে স্টেশন, হাতিরঝিল, মধুবাগ, বিজয় স্বরণী, তেজগাঁও এলাকা
আত্নীয়-স্বজনেরা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়ে চলে গেল ডিএমপির সব থানায়
ঢাকার পার্শ্ববর্তী থানাগুলোতে
সিমনের কোন সন্ধান নেই
২৯.০৮.২০১৮ ইং তারিখ সকাল ৯.০০ ঘটিকায় তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় সাধারন ডায়েরী করে সাইফুল
২৯.০৮.২০১৮ ইং তারিখ দুপুর ০২.০৫ ঘটিকায় অজ্ঞাত একটি মোবাইল নম্বর থেকে সাইফুলের মোবাইলে কল আসে
অপর প্রান্ত থেকে জানানো হয়, 'সাইফুলের একমাত্র ছেলে তাদের হাতে
তাকে অপহরন করা হয়েছে
২০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণের বিনিময়ে সাইফুল তার ছেলেকে ফিরে পেতে পারে
পুলিশকে জানালে বা কোনরকম চালাকি করলে ছেলের লাশের খোঁজও পাবে না সাইফুল'
মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে সাইফুলের
দুই হাজার টাকা যোগাড় করার সাধ্য নেই যার, সে কিভাবে যোগাড় করবে ২০ লক্ষ টাকা!
পুরো বিষয়টি মোবাইল ফোনে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল জোনের এসি সালমান হাসানকে জানিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে সাইফুল
এ ঘটনা জানার পর তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার বিপিএম, পিপিএম অপহৃত সিমন উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত বাসায় না ফেরার নির্দেশ দেন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল জোনের এডিসি হাফিজ আল ফারুক, এসি সালমান হাসান ও তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রশীদকে
পুলিশকে জানানোর বিষয়টি অপহরনকারীরা জানতে পারলে সিমনকে মেরে ফেলতে পারে এই ভয়ে পুলিশের সাথে আর যোগাযোগ করতে চাচ্ছিলো না অপহৃত সিমনের বাবা সাইফুল
পুলিশ তার সাথে বার বার যোগাযোগ করতে চেষ্টা করার এক পর্যায়ে সাইফুল ভয়ে তার মোবাইল ফোন বনধ করে ফেলে
এসি সালমান হাসান বার বার অপহৃত সিমনের বাবা
সাইফুলের সাথে যোগাযোগ করতে চেয়ে পজিটিভ রেসপন্স না পেয়ে এবং এক পর্যায়ে সাইফুলের মোবাইল বন্ধ পেয়ে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার এসআই মার্গুব তৌহিদকে নির্দেশ দেন অপহৃতের বাবা সাইফুলের সাথে যোগাযোগ করার জন্য
ঐদিন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় সাইফুল যে নিঁখোজ জিডি করেছিল, সেই জিডিতে উল্লেখিত সাইফুলের ঠিকানার র সূত্র ধরে তেজগাঁও শিল্পানচল থানা পুলিশ সিভিলে নিজেদেরকে সাইফুলের আত্নীয় পরিচয় দিয়ে তার বাসায় উপস্থিত হয়
পুলিশকে জানানো হলে সিমনকে অপহরনকারীরা মেরে ফেলবে জানিয়ে সাইফুল অপহরণকারী যে মোবাইল নম্বর থেকে তাকে ফোন করে মুক্তিপণ দাবী করেছে সে মোবাইল নম্বর পুলিশকে দিতে অস্বীকৃতি জানায়
সাইফুল ও তার স্ত্রীকে থানার আশেপাশে নেওয়া হবে না ও পুলিশকে জানানো হয়েছে এ বিষয়টি অপহরণকারী জানবে না বুঝিয়ে আশ্বস্ত করে করা হয় সাইফুল ও তার স্ত্রীকে
আত্নীয় পরিচয় দিয়ে বাসার আশেপাশের কাউকে বুঝতে না দিয়ে অপহৃত সিমনের বাবা-মাকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাধীন বেগুনবাড়ি এলাকায় একটি বাসায় নিয়ে আসে পুলিশ
পুলিশের পরামর্শে অপহরণকারীদের সাথে মোবাইলে মুক্তিপণের বিষয়ে নেগোসিয়েশন চালিয়ে যেতে থাকে সাইফুল ও তার স্ত্রী
সামান্য হেরফের হলেই প্রতি মুহূর্তে অপহৃত সিমনের ছিন্নভিন্ন লাশের হুমকি
তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল জোনের এডিসি হাফিজ আল ফারুকের নেতৃত্বে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল জোনের এসি সালমান হাসানসহ তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার একটি টীম রাত ০২.৩৮ ঘটিকার দিকে হাতিরঝিল এলাকা থেকে রোমান নামে অপহরনকারী চক্রের একজন সদস্যকে গ্রেফতার করে
রোমানের স্বীকারাক্তি অনুসারে ঢাকা জেলার কেরানীগনজ থানাধীন আটিবাজার এলাকা থেকে মানিক নামের অপহরনকারী চক্রের আর একজন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়
মানিকের স্বীকারাক্তি অনুসারে রাত অনুমান ০৩.৪০ ঘটিকার দিকে তেজগাঁও থানাধীন বিজয় স্বরণী এলাকার পিরমা মসজিদের গলির পাশের খোলা মাঠ থেকে অপহৃত সিমনকে উদ্ধার করা হয়
অপহৃত শিশুটিকে চেতনানাশক ঔষুষ দিয়ে অচেতন করে রেখছিল অপহরণকারীরা
গ্রেফতারকৃত অপহরণকারীদের দেয়া তথ্য অনুসারে ঐ রাতেই মোহাম্মদপুর, শেরে বাংলানগর ও মহাখালী ও বিজয় স্বরণী এলাকা থেকে অপহরনকারী চক্রের নারী সদস্যসহ বাকি ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়
- বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি (এফপিএবি) - ,
রীভ হোষ্ট, ড্রীম হোষ্ট বিডি এর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান
আমারা ওয়ার্ডপ্রেস থিম (নিউজপেপার, ই-কমার্স, বিজনেস, কর্পোরেট, পার্সোনাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের থিম), পিএইচপি স্ক্রিপ্ট, ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন, নবায়ন, ট্রান্সপার, শেয়ার্ড হোস্টিং, হোস্টিং রিসেলার, ভিপিএস সার্ভার, ডেডিকেটেড সার্ভার ইত্যাদি সার্পোট দিয়ে থাকি
সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা আত্মসাৎকারী মো. আতাউর রহমান সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা আত্মসাৎকারী মো. আতাউর রহমান - স্বাধীন টিভি
বিক্রি না হওয়া মেয়াদহীন খাদ্যপণ্য রেখে দিয়েছে দীর্ঘদিন
মেয়াদোত্তীর্ণ কেকে নিজেরাই বসাচ্ছে নতুন তারিখ
বাইরের পরিবেশ বেশ সুন্দর চকচকে কিন্তু ভেতরের চিত্র পুরো উল্টো
শনিবার (৬ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডি সাত মসজিদ রোড এলাকায় 'এ ওয়ান ফুড অ্যান্ড পেস্টি'তে অভিযানকালে এমন দৃশ্য ‌দে‌খেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা
ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারের নেতৃত্বে অভিযান করেন প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মাসুম আরেফিন ও সহকারী পরিচালক মো. মাগফুর রহমান
'এ ওয়ান ফুড অ্যান্ড পেস্টি'তে ঢুকেই চোখে পড়বে মুখরোচক সব 'ফাস্ট ফুড' জাতীয় খাবার
ক্রেতাদের সহজেই আকৃষ্ট করতে গ্লাসের ভেতর সাজিয়ে রেখেছে
আগের দিনের বিক্রি না হওয়া কেকে পুনরায় নতুন স্টিকার লাগিয়ে বিক্রি করছে
এসব স্টিকারে তারা নিজেরাই নতুন তারিখ বসাচ্ছিল; যার প্রমাণ মিললো হাতেনাতে
এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে
অভিযান প্রসঙ্গে উপ-পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার ঢাকা পোস্টকে বলেন, আজ (শনিবার) ধানমন্ডির 'এ ওয়ান ফুড অ্যান্ড পেস্টি'তে অভিযান করা হয়
তারা মেয়াদোত্তীর্ণ কেকে নিজেরাই নতুন তারিখ বসাচ্ছিল
এ অপরাধে তাদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে
পাশাপাশি এসব অনিয়মের কারণ দর্শাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ 'এ ওয়ান ফুড অ্যান্ড পেস্টি' কর্তৃপক্ষকে আগামীকাল (৭ মার্চ) অধিদফতরে ডাকা হয়েছে
তারা যথাযথ ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে
এছাড়া অভিযানে স্বপ্ন সুপার সপকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়
অভিযানকালে সার্বিক সহায়তা করেছেন ধানমন্ডি থানা পুলিশ সদস্যরা
সুচিত্রা মাসির সাথে দেখা হয় নি ৮ বছর
সেই যে স্কুল ছেড়ে কলেজ , তার পর ৪ বছর রৌরকেল্লা প্লান্ট , লোহালক্কড় , বড়ো না হলেই ভালো হতো
ভাবি স্কুলের দিন গুলোর কথা
মাসির সবে বিয়ে হয়েছে মাত্র
বয়সের দূরত্ব ৯ বছর
মার্ থেকে ১৬ বছরের ছোট
বিয়ে হয়েছে যখন তখন আমি ক্লাস নাইনে পড়ি
ভিলাই-এর বদলি না নিলেই হচ্ছিলো না
তার উপর আমাদের ম্যানেজার শাজাহান সাহেব নাছোড় বান্দা
মেটালারজিস্ট হিসাবে তখন আমার তেমন হাঁক ডাক হয় নি
ব্যাংকের চাকরির বদলি , নিজে রমেন মেসো আসলেন ভিলাই-এ আমার আগেই
কোনো সন্তান নেই , কিন্তু মাসির আর মেসোর দুজনের প্রেম দেখলে থমকে দাঁড়াতে হয় বৈকি
একাধারে আমি হলাম অতিথি এনাদেরই আশ্রয়ে
৮ বছরে মাসির সাথে একটু দূরত্ব তৈরী হয়েছিল বৈকি
আগে ছুটে মাসির কোলে ঝাপিয়ে পড়া যেত, এখন যায় না
মাসি রা পৃথিবীর এতো সুন্দর হয় কেন ? সব পিসি বা মাসির যেন মনের সব সুন্দর গুটিয়ে মনে চেপে বসে থাকে
মাসির দিকে তাকালে আমি নিজেই হারিয়ে যেতাম কেমন যেন খেয়ালে
এ খেয়ালের কি নাম হয় জানা ছিল না
মাসি: " এই সেন্টু ! এই সেন্টু ! কি দেখছিস ?"
আমি: হ্যাঁ মাসি না কিছু না !
মাসি :চা খাবি না ? ঠান্ডা হয়ে গেলো যে !
মাসির কোমরে জড়িয়ে থাকা শাড়ির দিকে চোখ পড়ে গেলো
কোমরের চামড়া ভাজে কি পরম বৈপরীত্য ভালোবাসার আর অভিসারের
একি অনভিপ্রেত ?
" তুই এমন ঝপ করে বড়ো হয়ে গেলি কেন বলতঃ ?
স্যুট বুট পড়ে অফিসে যাস ! আগে দু মিনিট অন্তর আমার কোলে ছুটে এসে আমার হাতের আঙ্গুল কামড়াতিস , মনে আছে ?"
সুচিত্রা মাসির কথা গুলো শুনে ছোটবেলার কথা মনে পড়ে যায়
মানুষ খুব ভাবুক হয়
মুখের লালিত্য যায় নি বিয়ের এতো গুলো বছরে
সিনেমার মুমতাজ কে দেখলেই মাসির কথা মনে পড়ে যায়
যেমন ফর্সা তেমন আকর্ষণীয় শরীর
বাছা না হওয়ায় শরীরে টোল পর্যন্ত খায় নি
একটু বয়স বেড়েছে বটে কিন্তু তাতে সৌন্দর্য্য নষ্ট হয় না
সব চেয়ে আমার বিব্রত লাগে বুকের গোল নধর মাইগুলো দেখে
বাছা থাকলে মুখ লুকাতাম বুকে
এখন আর তা কি করে বা করা যায় ' হ্যাঁ "
মাসি কে বলি: " মাসি সেই দিন গুলোই ভালো ছিল কি বলিস
আমিও কি আর বুঝেছিলাম যে ঝপ করে বড়ো হয়ে যাবো? "
হ্যারে মাসি ? তুই একটা বাছা দত্তক নিলেই তো পারতিস ?"
মাসি: না রে সেন্টু , তোর মেসো টাঃ কেমন ধাঁচের , পরের ছেলেমেয়েকে আপন করতে পারবে না !
হ্যারে তুই যে বলি তোর নতুন মা এখানে এসে থাকবে তিন সপ্তাহ ?
আমি: হ্যাঁ সেই বাবা মারা যাওয়ার পর আর তো বাড়ির বাইরে বেরোয় নি ! ৫ বছর হবে ! বললো সামনের সপ্তাহে নিজে আসতে চাই
টিকেট আমি করে দিয়েছি তো !"
মাসি: হ্যাঁ তোর নতুন মা এতো রক্ষনশীলা, ধুর বাপু আমার এতো রাখ ঢাক নেই !
আমি: যে যেভাবে বড়ো হয়েছে মাসি ! তুই কলেজে গেছিস , মা ইন্টারমিডিয়েট , তুই ক্যাবারে বুঝিস , মা বোঝে না ! যার যেরকম !