content
stringlengths
0
129k
আসল বাড়ি বালিয়া, উত্তর প্রদেশ
চার পুরুষের বাস কলকাতায়
হিন্দি ভুলে বাঙালি হয়েছি ২ পুরুষ আগেই
তাই বাঙালি ছাড়া আর কোনো পরিচয় নেই আমার
নতুন মা কবে চলে যাবে সেটাই ভাবছি ! নিষিদ্ধ চিন্তায় মন ভোরে ওঠে নিমেষে
২০০০০ টাকার সাথে সূচি মাসিকেও যদি ফ্রি পাওয়া যায় ক্ষতি কি
নতুন মেয়ে বন্ধু খুঁজতে হবে না
তাছাড়া সূচি মাসি এতো খোলামেলা যেমন খুশি মজা করা যায় বৈকি
এমনি একদিন গরমের সন্ধ্যে বেলায় সেদিনের , দিন চারেক পর মাথায় আলমন্ড এর তেল মাখাতে ডাক পড়লো আমার ছাদে
মা চলে যাবে সামনের সপ্তাহে
সন্ধ্যে নেমে গেছে
মেসো আসবে আরো তিন চারদিন পর
দুজনে ছাদে বসে গল্প করছে
" এ সেন্টু তেল মালিশ করে দে তো আমার মাথায় ! নতুন মা বললো তুই নাকি নতুন মায়ের মাথায় তেল মালিশ করে দিস !
মনে মনে ভাবলাম আসলে নতুন মা এর ফর্সা মাইয়ের খাজ দেখা যায় পিছনে টুলে বসে মাথায় তেল মালিশ করার সময়
কিন্তু এতো খাটলেও ফল হয় নি
ঘাড়ের নিচে ছুঁতেই পারি নি কোনো দিন
নতুন মা বড্ডো কড়া, দিল দরাজ নয়
মাসি একটা মোড়া এনে বসতে দিলো টুলে নিজে বসে গেলো ছাদের মেঝে তে
ইদানিং নতুন অফিস বলে রোজই ফিরে আসছিলাম ৪-টা ৫ টার সময়
তাই মাসির সাথে জমিয়ে আড্ডা দেয়া ছাড়াও চা , আলুর চপ এসবের রোজ সন্ধ্যেবেলা আসর বসছিলো
তাতে জমতো নানা ছোট বেলার গল্প
নতুন মা ফুর্তির সাথে আমাদের মজা হাসি ঠাট্টায় অংশ না নিলেও চুপ চাপ বসে মজা নিতেন সময়ে অসময়ে
চোখ আমার পরে থাকতো নতুন মায়ের দিকে
সব সময়ের যত্ন করে ঢেকে রাখা শরীরের উপর লোভ নিষেধ মনে কখন যে জায়গা করে নিয়েছিল বুঝতে পারি নি
নতুন মায়ের কোনো ভাই ছিল না
এক কাকা আছেন অতিবৃদ্ধ
বাকি সবাই মারা গেছেন
এক ভাই থাকে দেশের ওপারে
টার সাথে কোনো অজ্ঞাত কারণে সম্পর্ক আর রাখা হয়ে ওঠে নি সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে
আমরাও তাতে মাথা ব্যাথা করি না
মাসি আমার উরু ঝাকিয়ে বললো "ওই তুই শুরু কর ! রাত হলে ঠান্ডা লাগবে ! "
আমিও ভাবনা গুলো এক দিকে রেখে বললাম "দাঁড়া না এতো অস্থির হচ্ছিস কেন ! দিচ্ছি তো !"
দলাই মলাই -এ আমার শিক্ষার ষোলোকলা পূর্ণ করেছিলাম ছোটবেলায়
রঘু নাপিত আসতো বাবাকে মালিশ করতে সপ্তাহে একবার
সেখান থেকেই শেখা
বুঝিনি নারী চর্চায় সে মালিশ কোনোদিন কাজে লাগবে
হত্যা করে সূচি মাসির খেয়াল , আর আমার ব্যাভিচারের তাড়না
যদি চ্যাপ্টা দুটো মাংসপেশি যখন তখন তৈরী করা যেত নিজের হাথে মন ভরানোর জন্য
আমি ওহ চার্লির মতো বিরক্তি নিয়ে মোড়ায় বসে মাসির চুলে মাথার চুল বেঁচে বেঁচে তেল লাগিয়ে মোক্ষম যৌনতা মাখা হাতের রেশ লাগাতে থাকলাম মাসির চুলে
মাসি মিনিট দুয়েক চুপ থেকে আমায় বললো "ওরে দুষ্টু তুই এতো ভালো মালিশ করতে পারিস, তোর বৌ কে কি মজা পাবে ?
নতুন মা চোখ পাকিয়ে বললো " সূচি কি হচ্ছে !"
আমিও না শোনার ভান করে মালিশ চালিয়ে গেলাম
আরামে পিঠ সূচি মাসি আমার হাঁটুতে হেলিয়ে ঘাড় কোলে ফেলে রেখেছিলো
প্রথমে কপাল আর টার পর নরম মুখ
মুখের কোনো কিছুই বাদ রাখলাম না
প্রথমে ঘাড়ে শিহরণ তুলে দু আঙ্গুল দিয়ে ঘাড়ের হাড় গুলো চিপে হালকা তুলে নিয়ে কানের পাশ দিয়ে মাখনের মতো কানের পাশ দিয়ে বুলিয়ে দিতেই সূচি মাসি শির শির করে উঠছিলো
"উফফ সিন্তু যা দিছিস না !" আলুথালু হয়ে বসে নিজের পিঠের পুরো ভর আমার উপরে ছেড়ে দিলো
আঁচল আলগা হয়ে খসে পড়লো
আমার চোখের সামনেই তাল তাল মাই
উফফ দেখছি আর ধোন দাঁড়িয়ে টুং টুং করে জল তরঙ্গ বাজাচ্ছে
সুযোগ যখন পেয়েছি কোমল স্পর্শে সূচি মাসির মুখের ভ্রু থেকে চুৱিক টেনে আবার ঠোঁটের উপর হাতের আঙুলের স্পর্শ ঘষে চিবুকে নামিয়ে ...আবার সেটা গলা বরাবর টেনে ব্যতিব্যস্ত করে তুললাম মাসি কে বসিয়ে
মাসির শরীরে বা মনে ঠিক কি হচ্ছিলো টার অনুমান আমি করতে পারি নি
শুধু বুঝতে পারছিলাম অভিব্যক্তি থেকে যে চরম মজা নিচ্ছে
আধোছায়া অন্ধকারে নতুন মায়ের মুখ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিলো
অন্য দিকে মুখ করে হাত পাখা টেনে হাওয়া খেলেও আড় চোখে দেখে নিচ্ছিলো আমি কি কি করছি
আদিখ্যেতা দেখানোর জন্য বললাম "এবার চার হাত ব্যাথা করছে তো !"
সূচি মাসি চেঁচিয়ে শুয়ে থেকে বললো "মারবো এক চড়, সবে ৫ মিনিট হয় নি জোয়ান ছেলে হাত ব্যাথা ! এক ঘন্টা মালিশ কর আমি এখানেই ঘুমাবো !"
নতুন মা যেন সূচি মাসির এই আদিখ্যেতা দেখেই বিরক্ত
কিন্তু সব মাপছিলো আমার হাত কোথায় কোথায় যাচ্ছে
আমিও চুল আড় কপালেই জোর করে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখছিলাম
ধোন আমার দাঁড়িয়েই গেছে তাল তাল মাই দেখে
দু পায়ে যত স্পর্শ নেয়া যায় ততটুকুতেই নিজেকে সন্তুষ্ট রাখছিলাম
এর বেশি এগোনোর জায়গা থাকে না এসব জায়গায়
মাসি যেন সাহসী হয়ে বললো "কিরে তুই মাথায় পরে রইলি , কোমর পিঠ ঘাড় , এগুলো কি আমি নিচের পঞ্চু কে ডেকে মালিশ করবো ?"
এতো কষ্ট করে রান্না করছি একটু ভালো করে মালিশ করতে পারিস না ! তুই না পারলে এতো বলি বুঝি!"
আমি বললাম ঠিক আছে দিচ্ছি তবে সোজা হয়ে বসতে হবে ! দু হাত তুলে দে সাধুদের মতো কমণ্ডলে হাত রাখার মতো আমার উরুতে ভর দিয়ে বস ! কোমরে ব্যাথা লেগে যেতে পারে ! আমি নিজের জোর তোর শরীরে ধরতে পারবো না বেশি না কম , যদি কোথাও লেগে যায়
মাসি কে সামনে রেখে নতুন মার সামনে যাই করিনা কেন অন্তত ভদ্রতার খাতিরে মা কিছুই বলতে পারবে না
ঠিক তাই হলো মুখে বিরক্তি থাকলেও আমার দিকে তাকিয়ে বারণ করার চলে ইশারা করলেও আমিও মুখ করলাম আমি নিরুপায়
আমিও ঘাড় থেকে আসতে আসতে কাঁধে নেমে প্রথমে পিঠে টার পর কোমরে হাত চালাতে লাগলাম দেবজ্ঞ বৈদিক আয়ুর্বেদাচার্যের মতো
আর নিজের উত্তেজনার নিয়ন্ত্রণ রেখে নিঃস্বাস স্বাভাবিক রাখতে আমার গাঁড় ফেটে তক্তা হবার জোগাড়
সূচি মাসি মাগি এতো কামুকি , যেন কুবেরের গামলা
যত ঢালবে ততো জল ধরবে
আমিও কি কম যাই
এমনি একদিন কায়দা করে মালিশ দিয়েছিলাম বীথি কে
সে অভিজ্ঞতা আছে আমার
নিজেই প্যান্টি খুলে দাঁড়িয়ে পড়েছিল আমার সামনে ! এখনই চুদতে হবে ! উফফ সে কি ভয়ঙ্কর তার ঝগড়া
বীথি সেক্সি ছিল
মনোরমা কেও চুদেছি আগের অফিসে
কিন্তু শুধু বিছানায় পড়ে ছিল অতো মজা পাই নি
আর তৃতীয় মেয়ে আমার জীবনে ভাবনা
ভাবনা সিং পাঞ্জাবি
ওকে অবশ্য আমার উপর বসিয়ে নাচিয়ে খুব মজা নিয়েছিলাম
অভিজ্ঞতা সীমিত তবে ফেলনা নয়
তাবলে সূচি মাসির মতো মহিলা পেলে তো কথাই নেই
শরীরের কোনায় কোনায় সোনার খনি
কোমর ধরবার সময় যতটা পারছিলাম পেটের নরম মাংস ধরতে
তবে আমার মালিশের মাথায় আমি মাসঘ চিপে ব্যাথা দেয়ার জায়গায় রাখি নি
শুধু হালকা চাপ দিয়ে ধরে ছেড়ে দেয়া
মাসি মনে হয় বুঝতে পারছিলো যে আমার মনের ইচ্ছা অন্য কিছু
তাই নিজে আরাম নেয়ার বেশি চেষ্টা করছিলো বকর বকর না করে
হালকা ফুরফুরে হয় জায়গাটাকে আরো যৌনাত্মক একটা নিষিদ্ধ অপরাধের বাতাবরণ তৈরী করে ফেলছিলো একটু একটু করে
আমি জানি নতুন মা আর বসে থাকবে না , নিশ্চয়ই বলবে , আমি নিচে যাচ্ছি তোরা আয়
আর হলো ঠিক তাই ! সূচি মাসিকে বললো "না হয়েছে চল এবার নিচে যাই !"
সূচি মাসি: ধুর দিদি দাঁড়াও তো গরমে গিয়ে কি নিচে সিদ্ধ হবে ! বসো না , রান্না তো করাই ! তার চেয়ে দুটো গল্প করতো ! আর তো কদিন পরে চলে যাবে ! আমাদের কি যাওয়া হবে , যদি সিন্তুর বিয়ে হয় তখন যাবো !"
অগত্যা উপায় না দেখে হাত পাখা চালাতে থাকে নতুন মা
আমার ইচ্ছা না থাকলেও আমার ধোন সূচি মাসির পিঠ থেকে ঘাড় বরাবর লম্বা লম্বি দাঁড়িয়ে সেটে গেছে
কিছু করার নেই
আমি পিঠ টেপার সময় জেনে বুঝেই নরম বগলের নিচে কার মাইয়ের ফোলা অংশ গুলো আঙ্গুল দিয়ে ধরে হালকা হালকা নাড়িয়ে ম্যাসাজ করেছি
একটু সাহস নিজে মাসির অভিব্যক্তি বোঝার জন্য রীতিমতো আপত্তিকর জায়গা দু একবার ছুঁয়ে নিলাম পিঠ টেপার ভান করে