content
stringlengths
0
129k
://..
'ওমিক্রন' নিয়ে লকডাউন পরিকল্পনা জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
চরফ্যাশনে র‌্যাবের সাথে বন্দুক যুদ্ধে দুই জলদস্যু নিহত॥ অস্ত্র উদ্ধার
মনপুরায় বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলেন জ্বলানি ও খনিজ সম্পদ সচিব
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ আর এম মামুন
সম্পাদক কর্তৃক এসোসিয়েটস প্রিন্টিং প্রেস ১০/১/ বি আরামবাগ, ঢাকা -১০০০ থেকে প্রকাশিত
রেজিঃ নং- ডিএ- ৬৪০৮, তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধন নং- ৪
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাজী সামসুদ্দিন ম্যানশন, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭ নিউ ইস্কাটন রোড, মগবাজার, ঢাকা
মুঠোফোন: ০১৭১৫৩০৯৬২৭
ইমেইল- [ ]
ওয়েব: .
© সম্পাদক কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত
'); _ = _[].(/\\(\'(?!\:)/, _() { ' (\'' + _ + '/' + .(/\(\'/, '').(/^\+|\+$/,''); }); _ += ""; } __ = ('#--'); (__.) { __.(_); } } }); } })();
শসা চাষ করে লাভ হওয়ায় পরপর তিন বার একই ফসল চাষ করেছেন এক কৃষক
কৃষকের নাম জয় জীবন চাকমা (২৮)
কৃষকের বাড়ি দীঘিনালা উপজেলার দূর্গা কার্বারি পাড়া গ্রামে
শসা চাষে লাভবান হওয়ায় এখন অনেকেই উৎসাহিত হচ্ছেন সরেজমিনে গত মঙ্গলবার দীঘিনালা উপজেলার দূর্গা কার্বারি পাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, জয় জীবন চাকমা এবং জনিকা চাকমা দুজনে জমি থেকে শসা তুলছেন
কথা কৃষক জয় জীবন চাকমার সাথে, তিনি জানান, গত আগস্ট মাসের ১৫ তারিখ বাজার থেকে এমআর-ময়নামতি জাতের বীজ ক্রয় করে ২০ শতক জমিতে রোপন করি
চারার বয়স ত্রিশ দিন থেকে ফলন দিতে শুরু করে
বর্তমানে প্রতি সাপ্তাহিক হাটে ২৫টাকা কেজি হারে ৫/৬ মণ বিক্রি করে আসছি
গত মাসে শসা বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা লাভ করেছি
জয় জীবন চাকমার স্ত্রী জনিকা চাকমা জানান, আমরা এক বার বাঁশের কঞ্চি কেনায় ১৫ হাজার টাকা পুঁজি দিয়েছি
তিনি আরো জানান, আমরা বাড়তি শ্রমিক নেইনি
আমরা স্বামী স্ত্রী মিলেই পরিচর্যা করেছি
স্থানীয় সুমন চাকমা জানান, জয় জীবন চাকমার শসা চাষ দেখে আমিও ১০ শতক জমিতে শসা চাষ করেছি
এব্যাপারে কবাখালী ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা স্বপ্না দে জানান, আমার ব্লকে ৫জন শসা চাষি রয়েছে
তারা সবাই জয় জীবন চাকমার নিকট থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চাষ করছেন
শিরোনাম রাসমেলায় কান্তজিউ মন্দির সাথে তেঁতুলিয়ার চা বাগান উত্তরবঙ্গ ভ্রমণ- সাথে হিমালয়ের হাতছানি দিনাজপুর- পঞ্চগড় ভ্রমণ সাথে কমলা বাগান রংপুরে অনুষ্ঠিত হলো রান ফর বেটার বাংলাদেশ এর বিভাগীয় অভিষেক মেঘনার বুকে ঢেউ তুলবে তারুন্যের কাফেলা ই-ক্যাব ও আজকের ডিলের সমযোতা স্মারক ৬৪০ রিয়ালে পাওয়া যাবে সৌদি টুরিস্ট ভিসা ওমরাহ পালনকারীরাও পাবেন টুরিস্ট সুবিধা অনলাইনে পর্যটন বইমেলা উদ্ধোধন করলেন মন্ত্রী কক্সবাজারে যুক্ত হলো বিনোদনের নতুন আয়োজন ফানবাস কিভাবে এজেন্ট হয়ে ভারতীয় ট্রেনের টিকেট কাটবেন বিনির্মান থেকে
: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৬
স্কাইলাইট কর্পোরেশন এর অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযো্গ
সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৬
এসোসিয়েশন অব ট্যাভেল এজেন্ট অব বাংলাদেশ এর সদস্য প্রতিষ্ঠান এর পক্ষ জানানো হয়েছে প্রতিষ্ঠানের জনৈক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উক্ত [...]
ঢাকা বিভাগের দর্শনীয় স্থান
সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৬
ঢাকা বিভাগের দর্শনীয় স্থান ঢাকা আহছান মঞ্জিল, বায়তুল মোকাররম মসজিদ, ঢাকেশ্বরী মন্দির, কাজী নজরুল ইসলামের মাজার, বসুন্ধরা সিটি, বাকল্যান্ড বাঁধ, [...]
পাহাড়ী বন হিমছড়ি
সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৬
পাহাড়ী বন হিমছড়ি জাহাঙ্গীর আলম শোভন কক্সবাজারের হিমছড়ি বন
কক্সবাজারেরই এক অবিচ্ছেদ্য অংশ
কলাতলী বিচ থেকে মিনেট দশেকের রাস্তা
হিমছড়ি [...]
উম্মে ফারহানা: নারী এবং পুরুষের শারীরিক গঠনে কিছু পার্থক্য রয়েছে তাঁদের একটি মাত্র ক্রোমোজোম ভিন্নধর্মী হবার কারণে
কিন্তু এই সামান্য পার্থক্যকেই ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বড় করাটা একটা সামাজিক প্র্যাকটিস
এই প্রবণতার খাঁটি উদাহরণ- টক সম্পর্কিত ধারণা
আমার নানি মনে করতেন,টক খাবার অম্লধর্মী বলে তা নারীর শরীরের জন্য বেশি উপযোগী
আমার প্রশ্ন হলো, নারীর শরীর কি তা জানে? আমার মনে হয় জানে না
স্কুলে যখন পড়তাম, দেখতাম টিফিন পিরিয়ডে অনেকে চালতার আচার, সেদ্ধ জলপাই আর কাচা বড়ই কিনে খেত
কে জানে কেন আমার কোনদিন ইচ্ছাও করেনি ওসব টক জিনিস খেতে
বিষয়টি জৈবিক হলে আমি নিশ্চয়ই তা এড়াতে পারতাম না
যেভাবে আমি এড়াতে বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি সাড়ে এগার বছর বয়সে ঋতুদর্শন
খুব দুঃখ হতো যখন দেখতাম মাসিক ঋতুর কষ্টকর সময়ের মধ্যে দিয়ে আমাকে যেতে হচ্ছে, সমবয়সীদের কেউ নিজের না হওয়া পর্যন্ত কষ্টটা বোঝেনি
যেহেতু ওটা বায়োলজিক্যাল,চাইলেও থামানো বা কমানো যায়নি
কিন্তু টক খাওয়া বা মিষ্টি খাওয়া ব্যক্তির ইচ্ছার উপর নির্ভর করে
হুমায়ূন আহমেদের নাটক 'আজ রবিবার' এর একটা দৃশ্যের কথা মনে পড়ল এই প্রসঙ্গে
জাহিদ হাসানকে আচার সাধার পর সে বলল "ওটা মেয়েদের খাবার" এবং তারপরই আচার খাওয়া শুরু করলো
আচার মেয়েদের খাবার, সোপ সিরিয়াল মেয়েরা দ্যাখে, শাহরুখ খানকে শুধু মেয়েরা পছন্দ করে এসকল ধারণার পেছনে কিছু হলেও যুক্তি থাকতে পারে, সুযুক্তি হোক আর কুযুক্তি
কিন্তু মেয়েরা হিন্দী বোঝেন, ছেলেরা বোঝেন না, বা বুঝলেও কম বোঝেন এমন ধারণার পেছনে কি কারণ থাকতে পারে?
আমার পতিদেব গেলেন এক পাকিস্তানী ফটোগ্রাফারের সঙ্গে ওয়ার্কশপ করতে
আমাদের বাঙালি কানে হিন্দি আর উর্দু একরকম শোনালেও আদতে দুটো ভাষা ভিন্ন
আমার জামাই জোর করেই ইংরেজির বদলে ভাঙা হিন্দি আর উর্দুর মিশ্রণে এক জগাখিচুরি ভাষায় কথা বলছিল সেই ভদ্রলোকের সঙ্গে
তার এই চেষ্টায় ভদ্রলোক সম্ভবত সম্মানিত বোধ করেছেন, তাই বলেননি কোথায় কি ভুল হচ্ছে, স্মিত হাসিতে উৎসাহ দিয়েছেন
ভাবুন, আপনি এমন এক জায়গায় গেলেন যেখানে কেউ বাংলা পারেনা, একজন যদি আপনার ভাষায় কথা বলতে চেষ্টা করে,আপনি নিশ্চয়ই খুব খুশি হয়ে যাবেন, কৃতজ্ঞ বোধ করবেন আর তখন আপনি নিশ্চয়ই তার বাংলার ভুল ধরবেন না, ধরলে তিনি ভুল থেকে শিক্ষা না নিয়ে উলটো অপমানিত হতে পারেন বলে আপনি ভদ্রতা করবেন
সেই পাকিস্তানিও তাই করলেন, এতে আমার জামাইয়ের বন্ধুদের ধারণা হলো আমি স্টার প্লাসে সিরিয়াল দেখি, বাধ্য হয়ে বাসার সবাইকে দেখতে হয়, সেই থেকে হিন্দি আমার শেখা হয়েছে
এবং আমার পতিদেব 'বাধ্য হয়ে'(?!) ভাষাটি শিখেছেন!
মজার ব্যাপার হলো এই জীবনে আমি বহু জিনিস টিভিতে দেখেছি, কিন্তু হিন্দী সিরিয়াল দেখিনি
এমনকি বাংলা নাটকও আমি দেখিনা প্রায় ১৮/২০ বছর ধরে
যারা এরকম ধারণা যারা করেন তাঁরা কোনকিছু খতিয়ে দেখেন না, সবকিছুকে একটা ছাঁচে ফেলে দেবার চেষ্টা করেন
হিন্দি সিরিয়াল মাসিক ঋতুর মতন বিষয় নয় যে নারী মাত্রেই তা বরদাস্ত করবে,করতে বাধ্য হবে
কিন্তু ভুল ধারণায় যিনি বসবাস করতে চান তিনি যুক্তির ধার ধারেন না
দুনিয়ায় এরকম মানুষই বেশি
তাতে আমার কোন আপত্তি নেই
কিন্তু শক খেলাম যখন দেখলাম আমার ছাত্ররাও এমন ঢালাও ভাবে জিনিসপত্র দেখেন এবং এমন ছাঁচে ফেলেই ভাবার চেষ্টা করেন
সেদিন ক্লাসে মেয়েরা হিন্দি ভাল কেন বোঝে এটা ব্যখ্যা দেবার জন্য দুই তিন ছাত্র অতি মাত্রায় উৎসাহিত হয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন
আমি বুঝলাম না, এমনিতে ছেলেরা মেয়েদের শ্রেষ্ঠত্ব কোন ক্ষেত্রেই মেনে নিতে চায়না, এখন এই অস্বাভাবিক উৎসাহের কারন কী হতে পারে
কারণ বোঝা গেল একটু পরেই
তাঁরা বলতে চান মেয়েদের খেয়েদেয়ে আর কোন কাজ নেই তাই তাঁরা সারাদিন বসে বসে স্টার প্লাস দেখেন আর হিন্দি শেখেন
আমি ব্যক্তিগতভাবে এমন বেশ কয়েকজন কমবয়সী ছেলে এবং বয়স্ক পুরুষ মানুষকে চিনি যারা হিন্দি ও বাংলা সোপ সিরিয়াল দেখেন (এঁদের মধ্যে একজন আমার শ্বশুরগোত্রের,এবং কোন স্বল্প শিক্ষিত মফঃস্বলবাসী আদা ব্যবসায়ী নন, ঢাকায় থাকেন এবং একটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কের উঁচুদরের কর্মকর্তা, জাহাজে না হোক, উড়োজাহাজে অনেক চড়েছেন)
তারপর একজন বললেন, হিন্দি ছবিও নাকি মেয়েরা বেশি দ্যাখে
আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম তাহলে কেন আইটেম গানের মূল আকর্ষণ হিসেবে ছেলেরা নাচে না...
তিনি যা বলতে চাইলেন তা হল এটা ব্যবসায়িক
যে কোন ব্যবসা যে ক্রেতা বুঝে চালান হয় তা তাঁকে বোঝাতে পারলাম না
কয়দিন আগেই মাস্টার্স ক্লাসে 'টোয়েলফথ নাইট' পড়াবার সময় 'ড্র্যাগ প্লে'র সঙ্গে লরা মালভির 'মেল গেজ' বিষয়ক তত্ব যুক্ত করার চেষ্টা করেছিলাম ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে নিয়ে
কিন্তু তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা এত মালভি উদ্ভূত 'ভিজুয়াল প্লেসার' তত্বের ধার দিয়ে না গিয়ে বকতেই থাকল
ভাষা ও সাহিত্যের ছাত্ররা অকারণে পুরুষতান্ত্রিক হতে পারবেন না এমনটা আমি আশাও করি না
তাই বলে ভাষা ও ভাষা শেখার মতোন বিষয় নিয়েও তাঁরা গোঁয়ারের মতন তর্ক করবে এটাও আবার হজম করতে পারলাম না
তাঁদের আমি বা 'ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যাকুইজেশন ডিভাইস' নিয়ে কিছু বোঝাতে চাইলাম, কিন্তু তাঁরা তাঁদের ধারণায় অনড়
আমি বুঝলাম, কাউকে তার প্রিকনসেপশন থেকে বের করে আনা খুব কঠিন
আর সেটা যদি কোনভাবে জেন্ডার সংক্রান্ত হয় তবে তো কথাই নেই
মুখ ভরে চালতার আচার খেতে খেতে জাহিদ হাসান যেমন বলছিল "ওটা মেয়েদের খাবার"
শেয়ার করুন:
: আচার, উম্মে ফারহানা, খাবার, চালতা, চালতার আচার: ওটা মেয়েদের খাবার, নারী, মেগা সিরিয়াল, মেয়ে, সিরিয়াল, সুবচন-কুবচন, হিন্দি সিনেমা
প্রধানমন্ত্রী সমীপে ১, আপনারও কি আঘাত লাগে?
আবারও ব্লগার খুন, আমরা আঙুল চুষি বরং
সর্বশেষ প্রকাশিত
আন্দোলনে নারী ফিচারড নিউজ বিবিধ
শোভা যেন আর হেরে না যায় কখনও!
ডিসেম্বর ৩, ২০২১, ৭:১২ অপরাহ্ণ
উইমেন চ্যাপ্টার