content stringlengths 0 129k |
|---|
'কেরোসিন আর দিয়াশলাই ছিল আমার সঙ্গী' |
ডিসেম্বর ২, ২০২১, ১:১৬ অপরাহ্ণ |
উইমেন চ্যাপ্টার |
খবরাখবর ফিচারড নিউজ |
বোরকা-হিজাব বনাম বিকিনি সংস্কৃতি: একটি পাঠ প্রতিক্রিয়া |
নভেম্বর ২৪, ২০২১, ৩:১৩ পূর্বাহ্ণ |
উইমেন চ্যাপ্টার |
আন্দোলনে নারী ফিচারড নিউজ |
বেদনার নীল চোখে দেখা রেহানা মরিয়ম নূর: আমার ভাবনা |
নভেম্বর ২২, ২০২১, ৩:৫০ পূর্বাহ্ণ |
উইমেন চ্যাপ্টার |
সর্বাধিক পঠিত |
সাজেকের সৌন্দর্য দেখছেন, কিন্তু কান্নাটা কি শুনেছেন? |
শোভা যেন আর হেরে না যায় কখনও! |
পিনাকী ভট্টাচার্য: বাংলাদেশের এক ভয়ঙ্কর ক্যানিবলের নাম! |
স্বমৈথুন সংক্রান্ত কিছু কথা~ |
'কেরোসিন আর দিয়াশলাই ছিল আমার সঙ্গী' |
অন্যান্য গুলো দেখতে এখানে ক্লিক করুন |
আমাদের সম্পর্কে |
বা পরিবর্তনে নারী |
লেখালেখি হতে পারে আন্দোলনের অন্যতম হাতিয়ার - এই নীতিকে সামনে রেখেই বাংলাদেশে সম্পূর্ণ নারী বিষয়ক প্রথম অনলাইন নিউজ পোর্টাল |
: |
-: |
লেখা পাঠানোর ঠিকানা: |
আপনার লেখা পোর্টালেপ্রকাশ করতে চাইলে বিনা সংকোচে পাঠিয়ে দিন [ ] ইমেইলে| লেখার সাথে একটি প্রকাশযোগ্য ছবি থাকলে ভাল হয়| লেখা পাঠানোর পরে দয়া করে অপেক্ষা করবেন, প্রকাশযোগ্য সকল লেখা পর্যায়ক্রমে প্রকাশিত হবে| ধন্যবাদ| |
উত্তরবঙ্গবর্ধমানপূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরহাওড়া ও হুগলিপুরুলিয়া বীরভূম বাঁকুড়াউত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনানদিয়া মুর্শিদাবাদ |
সম্পাদকের পাতা |
আমাদের মতনিবন্ধসম্পাদক সমীপেষুবইপত্র |
ফুটবলক্রিকেট |
সাজকথারান্নাবান্নাসম্পর্কবেড়ানোঅন্দরকথাস্বাস্থ্যই সম্পদ |
জ্যোতিষকথাশুভ দিনআজ জন্মদিন হলেআপনার প্রশ্ন জ্যোতিষীর উত্তর |
আপনার টাকাসোনার দামরুপোর দামজ্বালানির দাম |
রবিবাসরীয়পত্রিকাঅবসরকুইজ |
পাত্রপাত্রী |
© 2021 . . |
০৫ ডিসেম্বর ২০২১ ই-পেপার |
|
প্রথম পাতা |
পশ্চিমবঙ্গ |
উত্তরবঙ্গবর্ধমানপূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরহাওড়া ও হুগলিপুরুলিয়া বীরভূম বাঁকুড়াউত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনানদিয়া মুর্শিদাবাদ |
সম্পাদকের পাতা |
আমাদের মতনিবন্ধসম্পাদক সমীপেষুবইপত্র |
ফুটবলক্রিকেট |
জীবন+ধারা |
সাজকথারান্নাবান্নাসম্পর্কবেড়ানোঅন্দরকথাস্বাস্থ্যই সম্পদ |
জ্যোতিষকথাশুভ দিনআজ জন্মদিন হলেআপনার প্রশ্ন জ্যোতিষীর উত্তর |
আপনার টাকাসোনার দামরুপোর দামজ্বালানির দাম |
রবিবাসরীয়পত্রিকাঅবসর |
সাত পাকে বাঁধা |
পাত্রপাত্রী |
রবিবাসরীয় ম্যাগাজিন |
১৫ মে ২০১৬ ০০:২৫ |
পিনাকী ভট্টাচার্য |
পর্তুগিজরা এই দেশের মশলা থেকে মাণিক্য পর্যন্ত লুটে জাহাজ ভরে নিয়েছে ঠিকই, তবে দিয়েওছে টিফিনবাক্স ভর্তি করে |
আমাদের রোজের জলখাবার পাউরুটিকে তো ওরাই রেখে গিয়েছে |
পর্তুগিজরা এ দেশে এসে, আস্তানা গেড়েছিল পশ্চিম উপকূলের দিকটায়, কিছুটা গোয়ায় আর কিছুটা কোচিনে |
নিজেদের দেশে ফিরে যাওয়ার সময় ওদের মনে হল, এত দিনের অনুপস্থিতিতে মৌরসিপাট্টা অন্য কোনও দেশের হাতে চলে যেতে পারে |
তাই এক দল থেকে গেল, যারা নতুন জাহাজ এলে তাতে ফিরবে, আর সেই জাহাজে আসা দেশবাসীরা থেকে যাবে পরের জাহাজের অপেক্ষায় |
এই ভাবে শতাব্দীর পর শতাব্দী ওরা পশ্চিম উপকূল দখল করে রাখল |
এ দেশে ভাত খাওয়ার চল, তাই তাতেই নিজেদের অভ্যস্ত করল তারা, আর নিজেদের পছন্দসই স্বাদের কিছু পদও বানিয়ে নিল |
কিন্তু বাদ সাধল রুটিতে |
উত্তর ভারতে যে রুটি হয়, তা আটা দিয়ে তৈরি, তা কোনও ভাবেই পর্তুগিজদের মুখে রোচে না |
এ দিকে কিন্তু ময়দার অভাব নেই |
তত দিনে তো মুসলিম বণিকদের হাত ধরে আরব দেশ থেকে ময়দা এ দেশের দক্ষিণ উপকূলে পৌঁছেই গিয়েছিল - কিন্তু মুশকিল হল ইস্ট () ছাড়া 'লোফ' তৈরি হয় না |
ইস্ট কী করে জোগাড় হবে এই দেশে! অবশেষে তার সুরাহাও মিলল |
দেখা গেল ময়দায় কয়েক ফোঁটা টডি (তাল থেকে তৈরি মদ) দিয়ে দিলে টডি-ই ইস্ট-এর কাজ করে দেয় |
ফলে পর্তুগিজদের মনপসন্দ রুটি তৈরি হতে লাগল |
এই 'পাও' (পর্তুগিজরা যে নামে ডাকত) ছড়িয়ে পড়ল গোয়ার বাইরেও, এমনকী মুম্বইতেও |
ব্রিটিশরা যখন এ দেশে তাদের ফ্যাকাশে সাদা 'ব্রেড' নিয়ে এসে পৌঁছল, তখন মধ্যবিত্ত সমাজে, বিশেষ করে দেশের পশ্চিম প্রান্তে তা এক্কেবারেই জায়গা করে নিতে পারল না |
ব্রিটিশ ব্রেড কুলীন খাবার হয়ে রয়ে গেল |
মোটে স্যান্ডউইচ আর টোস্ট বানানোতেই আটকে রইল সে |
পাও হয়ে উঠল আমজনতার খাবার |
পাও কিন্তু প্রথম যুগে শুধু খ্রিস্টান আর মুসলমানদের মধ্যেই জনপ্রিয় ছিল |
হিন্দুরা আটার রুটি আর পুরির বাইরে কোনও রকম পরীক্ষানিরীক্ষা করতে রাজি ছিল না, ময়দার ব্যবহার হিন্দুদের কাছে ছিল নিষিদ্ধ, কারণ তাদের মতে, ময়দা ছিল বিধর্মীদের খাবার |
কিন্তু বাদ সাধল শিল্প বিপ্লব |
১৮৫০ সাল নাগাদ যখন মুম্বইয়ের সুতোর মিলগুলো একে অপরের সঙ্গে উৎপাদনের প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেছে, তখন মিলের শ্রমিকদের কাছে খাওয়ার সময় বাঁচানো খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল, কারণ মিলে টিফিন করার সময়ও থাকত খুব কম |
আর বাড়ি থেকে আনা ভারী খাবার খেয়ে কায়িক পরিশ্রম করা ছিল শক্ত |
তাদের কথা ভেবে, এক দোকানদার বিভিন্ন পদ মিশিয়ে এক মশলাদার ভাজি তৈরি করে, পাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করতে শুরু করল |
মুসলমান আর খ্রিস্টানরা এই খাবার তারিয়ে তারিয়ে খেল, আটকে গেল হিন্দুরা |
তারা বাড়তি রোজগারের প্রতিযোগিতা থেকে পিছিয়ে পড়তে লাগল |
অবশেষে কিছুটা নিরুপায় হয়েই তারাও শুরু করল পাওভাজি খাওয়া |
অচিরেই নিম্নবিত্ত মধ্যবিত্ত নির্বিশেষে হিন্দু হেঁশেলেও ঢুকে পড়ল ময়দার তৈরি পাও আর তার সঙ্গে চাকুমচুকুম ভাজি |
বিদর্ভে আর পশ্চিমে সিকি মাপকে 'পাও' বলা হয় |
আর একটা রুটি, লোফের সিকি ভাগের হয় |
সেখান থেকে পাওরুটি নামের উৎপত্তি |
কিন্তু উচ্চ বংশের হিন্দুরা 'পাও'-এর কাছে হারের জ্বলুনি ভোলেনি - সুযোগ বুঝে তারা প্রচার করে, পা দিয়ে ময়দা দলে এই রুটি তৈরি হয়, তাই এর নাম পাউরুটি |
বোঝো কাণ্ড! |
.@. |
২৫০ গ্রাম চালে রবীন্দ্রনাথের টিকিট |
স্বপ্নময় চক্রবর্তী |
ট্র্যাফিক সিগনালে রবীন্দ্রসংগীত আপন মনেই বাজে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.