content
stringlengths
0
129k
হয়ত কথা গুলি অনেকসময় নির্মম হয়ে উঠেছে
কি করবো বলেন, কিছু কথা নির্মম হলেও সত্য!
অচেনা নভেম্বর 3, 2011 1:04 অপরাহ্ন -
বন জঙ্গলের তো অভাব ছিলনা, তো পশু হত্যা কেন করতে গেল? কারণটা সহজ, ওটা তার খাবার! যদি তা না হোতো তাহলে সেই সময় থেকেই মানুষ ঘাস খেত
গোরু যেমন ঘাস খায়, বাঘ যেমন মাংস খায়, সর্বভুক মানুষ সব খায়
এতে ন্যায় অন্যায় পাপ পুণ্যের কোন জায়গা নাই!
রনবীর সরকার নভেম্বর 4, 2011 7:50 পূর্বাহ্ন -
তাতে কিছু পরিমাণ ফসলী খাদ্য বেশি উৎপাদন করা যেত
সমস্যাটা পরিমাণে! ২০'/১৫' এর একটা উন্নত মুরগীর খামার থেকে যে পরিমাণ ডিম ও মাংসের যোগান আপনি পাবেন, সম ক্ষেত্রফলের জমিতে ফসল আবাদ করে পরিমাণ হিসেবে তার সিকি ভাগও পাবেন না
আপনি বোধহয় আমার যুক্তিটা ধরতে পারেন নি
আমি কিন্তু মুরগীর খামারের স্থানের কথা বলিনি মুরগীর খাদ্যের যোগানের জন্য যেই জমি ব্যবহার করা হয় তার কথা বলছি
আসলে মুরগীর খামার আর পশুর খামারই বলুন , সেখানে আসলে খাদ্যের কাচামাল তৈরী হয় না
আসল খাদ্য মূলত ফসলী জমিতেই উৎপাদন করা হয়
তারপর সেগুলো খামারগুলোতে প্রক্রিজাতকরনের মধ্য দিয়েই বলতে গেলে আমরা মাংস পাই
তে কি বলছে দেখুন:
. , .[40]
এর অর্থ পোল্ট্রি ফার্ম কিংবা পশু খামার পুরোটাই সেই ফসলী জমির উপরই নির্ভরশীল
এখন বলুন যে ফসলী জমি আমরা পশু খাদ্যের জন্য ব্যবহার করি তা যদি মানুষের খাদ্যের জন্য ব্যবহার করা হত তবে কি আমরা অধিক খাদ্য পেতাম না?
বুঝলাম! তো খাদ্য উৎপাদনের কাঁচামাল কোথায় পায়? বাঁজার থেকে মাছের তেল কিনে এনে_ 'ঐটা তো বিজ্ঞানিদের বানানো! অথচ কত গুল প্রাণের বলিদানে যে ঐ দ্রব্য তৈরি তার খোঁজ আপনি রাখেন না
এ যেন কাকের নিজ চোখ বুঝে খাদ্য লুকানো, নিজে দেখলাম না মানে কেউ দেখলনা টাইপ বোকামি
খাদ্য উৎপাদনের কাচামালতো আমরা প্রকৃতি থেকেই পাই
আমি শুধু এক্ষেত্র বলতে চেয়েছিলাম যে আমাদের খাদ্যগুলো মূলত আমরাই উৎপাদন করি আর অবশ্যই প্রকৃতির সহায়তায়
বন জঙ্গলের তো অভাব ছিলনা, তো পশু হত্যা কেন করতে গেল? কারণটা সহজ, ওটা তার খাবার! যদি তা না হোতো তাহলে সেই সময় থেকেই মানুষ ঘাস খেত
গোরু যেমন ঘাস খায়, বাঘ যেমন মাংস খায়, সর্বভুক মানুষ সব খায়
এতে ন্যায় অন্যায় পাপ পুণ্যের কোন জায়গা নাই!
পূর্বে কিন্তু মানুষ মানুষের মাংসও খেত
খাদ্য বলে কি আপনি বলবেন এখানে পাপ পুণ্যের জায়গা নেই?(আমি অবশ্য এখানে পাপ-পুণ্য এর স্থলে নৈতিকতা শব্দটা ব্যবহার করতে চাই)
নৈতিকতার অর্থ অবশ্যই স্থান,কাল এবং পাত্রভেদে পরিবর্তনশীল
একসময় মারামারি-কাটাকাটি ছাড়া মানুষের পক্ষে বাচাই অসম্ভব ছিল কারন আপনি তাদের না মারলে তারা আপনাকে মেরে ফেলবে
কাজেই সেসময় নিজ গোত্রের লোকদের রক্ষার্থে অন্যদের হত্যা করাই ছিল নৈতিকতা
সেই সময়ের সেই মানুষগুলো কি কল্পনাও করতে পারত যে তাদের উত্তরসূরীরা ভার্চুয়াল জগতে পশু হত্যা নৈতিক না অনৈতিক তা নিয়ে তর্কে জড়িয়ে পরবে
যদি প্রকৃতি এবং ভাগ্য আমাদের প্রতি বিরূপ না হয় তবে ভবিষ্যতে হয়ত আমাদের উত্তরসূরীরা আরো অভিনব উপায়ে খাদ্য উৎপাদন করতে পারবে আর তখন হয়ত আমাদের উত্তরসূরীদের আর এরকম নৃশংস উপায়ে খাদ্য উৎপাদন করতে হবে না
(ইনভিট্রো মিট কিন্তু ইতিমধ্যে তৈরী হয়েছে যদিও সেটাকে আরো উন্নত করার চেষ্টা চলছে যদিও তা বাজারজাতকরন আরো পরের ব্যাপার)
হয়ে যেত না ভাই, এখনও হয়
হয় বলেই আমি ভেগান তত্ত্বের সব কথা মানতে পারছিনা
প্রতিবছর ৩০ মিলিয়ন মানুষ ক্ষুধার জ্বালায় মারা যায়
সেখানে যদি অনেকদিনের খাবারের জোগান দেয়া যায় তাকি খুব অমানবিক হবে??
আমারতো মনে হয় পশুর খাদ্যের জন্য বরাদ্দ ফসলী জমিতে মানুষের জন্য খাদ্য উৎপাদন করলেই ক্ষুধার সমস্যা কমবে
৩০ মিলিয়ন মানুষকে মাংস খাওয়ানোর চেয়ে সুষম ভেজ খাবার দেওয়াই কি অধিক সাশ্রয়ী নয়?
হিন্দুদের অনেক মন্দিরে মাঝে মাঝে বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষে ফ্রিতে খাওয়ানো হয়
যদি সেখানে নন-ভেজ দেওয়া হত তাহলে ফ্রিতে এরকম ঘন ঘন খাওয়ানো কি সম্ভব?
সত্য কথা হচ্ছে, পশু হত্যায় আমারও মন কাঁদে
আপনার কথায় কষ্ট পাওয়ার কিছু নাই
খুশি হয়ার অনেক কারণ আছে
আপনার চেষ্টা খুব মহৎ
অনেক ধন্যবাদ
আসলে মুক্তমনার প্লাটফর্মেই এরকম আলোচনা নির্মোহভাবে করা সম্ভব
আসলে আমি ভেজিটেরিয়ানিজম ঠিক না বেঠিক সেই আলোচনায় যাচ্ছি না
শুধুমাত্র আমার কিছু যুক্তি দেখাচ্ছি
কারন যুক্তির পথ ধরেই সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব
অরণ্য নভেম্বর 11, 2011 8:20 অপরাহ্ন -
@রনবীর সরকার,
আপনি বোধহয় আমার যুক্তিটা ধরতে পারেন নি
ঘটনা সত্য! তবে ঘটনা আর একটাও আছে
😉 -র রেঁধে খাওয়া যায় না (শাঁকের ডাঁটার মত)
মূল বিষয় আপনি এড়িয়ে যাচ্ছেন
আর তা'হল "পরিমাণ"
আপনি বলছেন,
এর অর্থ পোল্ট্রি ফার্ম কিংবা পশু খামার পুরোটাই সেই ফসলী জমির উপরই নির্ভরশীল
এখন বলুন যে ফসলী জমি আমরা পশু খাদ্যের জন্য ব্যবহার করি তা যদি মানুষের খাদ্যের জন্য ব্যবহার করা হত তবে কি আমরা অধিক খাদ্য পেতাম না?
প্রথমত, পোল্ট্রি ফার্ম কিংবা পশু খামার পুরোটাই ফসলী জমির উপরই নির্ভরশীল নয়
দ্বিতীয়ত, আপনি যে অধিক খাদ্যের কথা বলছেন তার পরিমাণ খুব, খুবই নগণ্য
খামার বা গৃহপালিত পশু পাখিদের খাদ্যের মেন্যুটা একবারও কি জানতে চেষ্টা করবেন না??
চলুন দেখি ওঁরা কি খায়...
ভুষি, কুড়ো, চিঁটা
ঘাস ও লতাপাতা
ধান গমের খড়
ভাতের মাড় ও অন্যান্য
শামুক ঝিনুকের মাংস
ডিম, শামুক ও ঝিনুকের খোলস চূর্ণ
চিঁটা গুড়
কেঁচো ও অন্যান্য কীট পতঙ্গ
ধান গম ও অন্যান্য ফসলী
ঘাসের বীজ ও অন্যান্য ফল
১২...এবং আরও আরও...
আবাদি পশু পাখির খাদ্যের মেন্যুতে ফসলী শস্যের পরিমাণ খুবই নগণ্য
উলটো, যে সব খাদ্য মানুষের খাবারের মধ্যের পরে না সেই সকল উপানাদকে মানুষের খাবারে রূপান্তরিত করার এক আজব দায়িত্ব ওঁরা নিজেদের অজান্তে পালন করে যাচ্ছে
আবাদি পশু পাখি যদি আমাদের ৩ ভাগ ফসলী নষ্টের কারণ হয়ও, তথাপি, এঁর পরিবর্তে ৩০ ভাগ খাদ্যের যোগান ওঁরা দিচ্ছে
খাদ্য উৎপাদনের কাচামালতো আমরা প্রকৃতি থেকেই পাই
মানুষ কি প্রকৃতির বাইরের কেউ?? কেন বঞ্চিত করবেন আমায়??
তাছাড়া "কাচামালতো আমরা প্রকৃতি থেকেই পাই" বলেই দায় মুক্ত হতে চাইলেন যা নিতান্তই অসম্পূর্ণ যুক্তি
প্রকৃতির উপাদান
বলতে প্রাণীও কিন্তু পরে! এবং তথাকথিত খাদ্যের উপাদান কিন্তু উদ্ভিদ প্রাণী দু'ই
ইনভিট্রো মিট কিন্তু ইতিমধ্যে তৈরী হয়েছে
এযে জুত মেরে গরু দান?? সাবধান!সাবধান!! (চিন্তাশীলদের জন্যে নিদর্শন আছে) :))
৩০ মিলিয়ন মানুষকে মাংস খাওয়ানোর চেয়ে সুষম ভেজ খাবার দেওয়াই কি অধিক সাশ্রয়ী নয়?
দুঃখজনক হলেও সত্য, ভেজ খাবার সাশ্রয়ী নয়
আপনি হয়ত বর্তমান বাজার মূল্যের তালিকা এনে ধরবেন! কিন্তু যদি মানুষ ভেগান হয়ে যায় তাহলে ঐসময়ের মূল্য তালিকা একবার ভেবে দেখুন
আগে ও বলেছি আবারও বলছি, আমাদের আবাদি জমির পরিমাণ খুব, খুব বেশিই কম
আর মৎস্য ও মাৎস্য জাত খাবার পরিহার করা মানে নিজের পায়ে কুড়াল নয় এযে মাথায় বুলেট মারা!
যদিও প্রাণ হত্যা করার মত দুঃখজনক ঘটনা আর হয়কিনা আমার জানা নেই
কিন্তু আমরা নিরুপায়
🙁 প্রাকৃতিক খাদ্য শৃঙ্খল ভেঙ্গে ফেলা যায় না
তবুও মন জীবনানন্দের কবিতার লাইন বলে যায়...
... মাংস খাওয়া হল তবু শেষ?
অচেনা নভেম্বর 3, 2011 1:55 পূর্বাহ্ন -
@রনবীর সরকার,
মানবসভ্যতার ইতিহাসের খুব ক্ষুদ্র অংশ কৃষিসভ্যতার ইতিহাস
এর আগের একটা বিরাট সময় জুড়েই মানুষ বনে-জঙ্গলে শিকার করে কাটাত
হা আমিও একমত তবে বিগত ১০০০০ বছর ধরেই কিন্তু কৃষিকাজ টাই প্রাধান্য পেয়েছে