content
stringlengths
0
129k
ঠিক তেমনি একটি বৃক্ষও প্রতীবাদ করে
আমরা গাছের ডাল কাঁটি, ফল ছিঁড়ি, খুঁচিয়ে কষ বের করে ওঁরই পাতা ছিঁড়ে তা সংগ্রহ করি
ওঁর রক্ত(?) সাদা বলে আমরা তা অনুভব করতে পারিনা
ওঁর কান্না নিশ্চুব বলে তা শুনতে পাই না
তবুও বেঁচে থাকার তাগিদে এই সূক্ষ্ম নির্মমতা আমাদেরকে উপেক্ষা করতেই হয়
সত্যিই যদি শুধু মাত্র উদ্ভিদ থেকে আমাদের সকলের খাদ্যের যোগান হোতো, তাহলে হয়ত পশু হত্যার মত স্থূল নির্মমতা আমরা পরিহার করতে পারতাম
কিন্তু এই বিজ্ঞানের যুগেও পুণ্যের লোভে পশু হত্যা ত কোন ভাবেই কাম্য নয়
সহমত পোষণ করছি
এই বৃহৎ পশু হত্যা উৎসব বন্ধ হোক
অচেনা নভেম্বর 3, 2011 1:30 পূর্বাহ্ন -
@তামান্না ঝুমু,
আমরা মানবজাতি
মহাবিশ্বে এ যাবত আবিষ্কৃত একমাত্র বুদ্ধিমান প্রাণী
তাই আমরা এখন থেকে শুধু নিজেদের কথাই ভাববো
অন্য কারো কথা ভাবলেও তা নিজেদের স্বার্থে ভাববো
না আপু, অবশ্যই আমরা তা ভাববো না
কাজেই আমাদের সাপ, ইঁদুর, ছুঁচো,তেলাপোকা সহ যাবতীয় ক্ষতিকারক প্রাণীও মারা চলবে না, কারন তাদের প্রান আর অনুভুতি আছে
এতে সাপ যদি কামড় দিয়ে মেরেও ফেলে তবু নিজের কথা ভেবে অন্য প্রাণী বধ করা চলবে না, যেমন নিজেদের খাবার কথা ভেবে প্রাণী হত্যা করা চলবে না, কি বলেন আপনি? 🙂
দুঃখিত যদি আমি আপনার মনে আঘাত দিয়ে থাকি, কিন্তু আমার কথাটা আপনার কাছ থেকেই নেয়া
রনবীর সরকার নভেম্বর 2, 2011 11:36 অপরাহ্ন -
ভেড়া বা মুরগীকে কেন দাড়করিয়ে নেয়া হল, কেন তাদের কে চেয়ার দেয়া হল না এই নিয়ে মহা চিৎকার জুরে দিলেন, যেখানে লাখো মানুষের দাঁড়াবার জায়গা টুকু নাই
আজব মানবিকতা!
হ্যা. ঠিক কথা
যেখানে লাখো মানুষের দাড়াবার জায়গাটুকু নেই সেখানে পশুর খাদ্যের জন্য আবাদী জমিতে চাষ করা কি মানবিক? পশুর ফার্মগুলোতে পশুর খাদ্যের জন্য যে পরিমান জমি ব্যবহার করা হয় সেখানে কি মানুষের জন্য খাদ্যের চাষ করা যেত না
এছাড়াও পশুর জন্য অতিরিক্ত পানিও খরচ হয়
আমারতো মনে হয় পশুর খাদ্যের জন্য যে জমি ব্যবহার করা হয় সেখানে ফসলী পন্য উৎপাদন করলেই মানবসভ্যতা লাভবান হবে
মানুষ বর্তমানে নিজের খাদ্য নিজেই তৈরী করে
আর আমাদের পাকস্থলী খাদ্য প্রাণীজ না উদ্ভিজ্জ তা দেখে পরিপাক করবে না
ছয়টি খাদ্য উৎপাদন ঠিকমতো পেলেই আমাদের পক্ষে বাচা সম্ভব সে প্রাণী হতে আসুক কিংবা উদ্ভিদ হতে আসুক তাতে কিছু যায় আসে না
কথাটা উলটো হয়েছে
সত্যটা হচ্ছে একসময় মাংস আমাদের বাঁচার জন্য না খেলেও চলত
কারণ তখন প্রচুর বন জঙ্গল ছিল
অগনিত ফল শাঁক পাতা ছিল
সেই তুলনায় মানুষ ছিল খুব নগণ্য সংখ্যক
মানবসভ্যতার ইতিহাসের খুব ক্ষুদ্র অংশ কৃষিসভ্যতার ইতিহাস
এর আগের একটা বিরাট সময় জুড়েই মানুষ বনে-জঙ্গলে শিকার করে কাটাত
সে সময় মানুষ নিজের খাদ্য নিজে তৈরী করতে পারত না
তাই প্রোটিন এবং স্নেহ পদার্থের জন্য স্বাভাবিকভাবেই মাংসের উপর নির্ভর করতে হত
এছাড়া কোন বড় পশু শিকার করলে তা দিয়ে অনেকদিনের খাবারের জোগান হয়ে যেত
তাই পশু শিকার সেইসময়ের মানুষের জন্য খুবই আনন্দের ছিল
আমার তো মনে হয় সেইসময়ের শিকারী মনোভাব মানুষের এখনো রয়ে গেছে
তাই বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পশু হত্যা করে মানুষ আনন্দ পায়
কিন্তু বর্তমান যুগে আমাদের প্রোটিন এবং স্নেহের জন্য মাংসের উপর নির্ভর করার আদৌ প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হয় না
শুধু ফসলী খাদ্যে কত জনের পেট ভরবে??
খাদ্য জোগানে ফসলী খাদ্য ও মাছ-মাংসের অনুপাত কত??
যেহেতু ফসলী খাদ্য আমরা নিজেরাই তৈরী করি আর মাংসও আমরা নিজেরাই তৈরী করি তাই মাংসের জন্য ব্যবহৃত জমিতে ফসলী খাদ্য উৎপাদন করে সহজেই আমরা আমাদের ফসলী খাদ্যের চাহিদা মেটাতে পারি
তবে এখানে মাছের কথা বলতে চাচ্ছি না
কারন সেক্ষেত্রে আসলে এই যুক্তি খাটে না
নাহয় কোন কথাই আমরা ভাবলাম না
গাছের প্রাণ ও অস্বীকার করলাম
সবাই ঘাস পাতা খেতে সুরু করলাম
কিন্তু ফলাফল???
এক মাসের মধ্যে গোরু ছাগলও খাদ্য সংকটে মারা পরবে
মানুষের কথা না হয় বাদ ই দিলাম!
গরু-ছাগল আমরা নিজেরাই উৎপাদন করছি
তাই গরু-ছাগলের উৎপাদন কমিয়ে দিলেই হবে
আর ভারতের অনেক স্থানের লোকেরা কিন্তু ভেজিটেরিয়ান
তারা কিন্তু খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং বেচেও আছে
যাহোক আমি কিন্তু আপনাকে ভেজিটেরিয়ান হতে বলছি না
কারন কেউ যদি চায়ও ভেজিটেরিয়ান হতে তাহলেও পরিপার্শ্বিক অবস্থা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তার ভেজিটেরিয়ানিজমের অনুকূলে নাও থাকতে পারে
মানবসভ্যতার ইতিহাসে একসময় গোত্রে গোত্রে মারামারি হতো
সেইসময় কেউ যদি গান্ধী হতে যেত তাহলে তার পক্ষে বেচে থাকাই সম্ভব ছিল না
আমার কোন কথায় যদি ভাই কষ্ট পান তাহলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী
যাহোক পরিশেষে আমি বাংলাদেশের একজন ভেজিটেরিয়ানের একটা আর্টিকেল শেয়ার করতে চাই:
://..////44-/91-
অরণ্য নভেম্বর 3, 2011 1:22 পূর্বাহ্ন -
@রনবীর সরকার,
পশুর ফার্মগুলোতে পশুর খাদ্যের জন্য যে পরিমান জমি ব্যবহার করা হয় সেখানে কি মানুষের জন্য খাদ্যের চাষ করা যেত না
এছাড়াও পশুর জন্য অতিরিক্ত পানিও খরচ হয়
তাতে কিছু পরিমাণ ফসলী খাদ্য বেশি উৎপাদন করা যেত
সমস্যাটা পরিমাণে! ২০'/১৫' এর একটা উন্নত মুরগীর খামার থেকে যে পরিমাণ ডিম ও মাংসের যোগান আপনি পাবেন, সম ক্ষেত্রফলের জমিতে ফসল আবাদ করে পরিমাণ হিসেবে তার সিকি ভাগও পাবেন না
[]://.../-/03/503-050-263.[/]
মানুষ বর্তমানে নিজের খাদ্য নিজেই তৈরী করে
বুঝলাম! তো খাদ্য উৎপাদনের কাঁচামাল কোথায় পায়? বাঁজার থেকে মাছের তেল কিনে এনে_ 'ঐটা তো বিজ্ঞানিদের বানানো! অথচ কত গুল প্রাণের বলিদানে যে ঐ দ্রব্য তৈরি তার খোঁজ আপনি রাখেন না
এ যেন কাকের নিজ চোখ বুঝে খাদ্য লুকানো, নিজে দেখলাম না মানে কেউ দেখলনা টাইপ বোকামি
মানবসভ্যতার ইতিহাসের খুব ক্ষুদ্র অংশ কৃষিসভ্যতার ইতিহাস
এর আগের একটা বিরাট সময় জুড়েই মানুষ বনে-জঙ্গলে শিকার করে কাটাত
বন জঙ্গলের তো অভাব ছিলনা, তো পশু হত্যা কেন করতে গেল? কারণটা সহজ, ওটা তার খাবার! যদি তা না হোতো তাহলে সেই সময় থেকেই মানুষ ঘাস খেত
গোরু যেমন ঘাস খায়, বাঘ যেমন মাংস খায়, সর্বভুক মানুষ সব খায়
এতে ন্যায় অন্যায় পাপ পুণ্যের কোন জায়গা নাই!
এছাড়া কোন বড় পশু শিকার করলে তা দিয়ে অনেকদিনের খাবারের জোগান হয়ে যেত
হয়ে যেত না ভাই, এখনও হয়
হয় বলেই আমি ভেগান তত্ত্বের সব কথা মানতে পারছিনা
প্রতিবছর ৩০ মিলিয়ন মানুষ ক্ষুধার জ্বালায় মারা যায়
সেখানে যদি অনেকদিনের খাবারের জোগান দেয়া যায় তাকি খুব অমানবিক হবে??
তারা কিন্তু খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং বেচেও আছে
স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ত না তবে বেঁচে আছে
ভাই, যারা বেঁচে আছে তাঁরা তো বেঁচেই আছে
যারা খেতে না পেয়ে মারা যাচ্ছে আমি তাদের কথা বলছি
আপানার ফ্রিজ ভরা মাংস আছে শাঁক সবজি আছে, যা ইচ্ছা আপনি খেতে পারেন
আপনি বললেন না যে "কোন বড় পশু শিকার করলে তা দিয়ে অনেকদিনের খাবারের জোগান হয়"
আমারও একই কথা
মাংস খাওয়া বন্ধ করে দিলে কি পরিমাণ খাদ্যের অভাব সৃষ্টি হবে তা চিন্তার বাইরে
আমার কোন কথায় যদি ভাই কষ্ট পান তাহলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী
কষ্ট দুঃখ পাইলাম! 😛
সত্য কথা হচ্ছে, পশু হত্যায় আমারও মন কাঁদে
আপনার কথায় কষ্ট পাওয়ার কিছু নাই
খুশি হয়ার অনেক কারণ আছে 🙂
আপনার চেষ্টা খুব মহৎ
আমি বাস্তবতার পথে কথা বলেছি