content
stringlengths
0
129k
একটি ছাগশিশুকে কেটে খাওয়া ও গাছ থেকে কলা পেড়ে খাওয়া কি এক হতে পারে? একটি কলাকে আপনি পোষ্য করতে পারেন? স্তন্যপায়ী পশুর চেতনাকে শাক-পাতার সঙ্গে তুলনা করে আমরা শুধু প্রকৃতির অঙ্গনে সেই পশু-পাখীদের যথাযথ স্থান দিতে অস্বীকার করি তাই নয়, আমাদের মনুষ্যত্বকে খাটো বা করি
যেমন একগাদা গরু, ভেড়া বা মুরগীকে গাদাগাদি করে ট্রাকে নিয়ে যাওয়া হয় যে তাদের ঘন্টার পর ঘন্টা কোনভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে দমবন্ধ হয় মারা যেতে হয় তাহলে এটা নিয়ে আমাদের বিচলিত হবার কথা নয়, কারণ আমরা বলতে পারি পাট কেটে গাট্টি করে নিয়ে যাবার সাথে এর কোন পার্থক্য নেই
পাটেরও তো অনুভূতি আছে, তাই না
পশুখামারের শিল্পায়নের ফলে পশুর মাংস সহজলভ্য
সেই শিল্পের দেয়ালের পেছনে পশুর প্রতি কি ব্যবহার করা হয় তা আমরা দেখি না
অনেক সময় ধর্মীয় কারণে পশুকে ধীরে ধীরে মরতে হয়
সেই মৃত্যুর প্রকট বেদনা ও রক্তকে গাছের তথাকথিত "আর্তনাদের" সঙ্গে তুলনা করলে আমরা নিজেদের মানুষ বলে দাবি করতে পারি না
এক সময়ে মাংস আমাদের বাঁচার জন্য খেতে হত
আমার ধারনা মানুষ প্রাকৃতিক বিবর্তনের বাইরে অনেক কিছু করেছে, চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি এর মধ্যে পড়ে
শারীরিকভাবে দুর্বল মানুষদের তো আমাদের বাঁচানোরই কথা নয়
সবকিছু বিবর্তনের চশমায় দেখলে আমরা যে সংবেদনশীল চেতনায় মহাবিশ্বকে দেখি সেটাও হারিয়ে ফেলার সম্ভাবনা আছে
আর বিবর্তনের সূত্রেও আমি যদি পশুদের দেখি তারা আমার অনেক বেশি নিকট আত্মীয় টমেটো বা আলুর থেকে!
মাংস বা মাছ খাব না, আমি তা বলছি না
পশুর মাংসকে আমাদের জীবনের অপরিহার্য অঙ্গ না করে হিসেবে ভাবলে মাংসের শিল্পায়ন অনেক কমে যাবে, পৃথিবীর ওপরও চাপ একটু কমবে
অরণ্য নভেম্বর 2, 2011 4:11 অপরাহ্ন -
@দীপেন ভট্টাচার্য,
পশুর আর্তনাদ কানে যায় অথচ ক্ষুধার্ত মানুষের আর্তনাদ কানে যায় না
ভেড়া বা মুরগীকে কেন দাড়করিয়ে নেয়া হল, কেন তাদের কে চেয়ার দেয়া হল না এই নিয়ে মহা চিৎকার জুরে দিলেন, যেখানে লাখো মানুষের দাঁড়াবার জায়গা টুকু নাই
আজব মানবিকতা!
এক সময়ে মাংস আমাদের বাঁচার জন্য খেতে হত
কথাটা উলটো হয়েছে
সত্যটা হচ্ছে একসময় মাংস আমাদের বাঁচার জন্য না খেলেও চলত
কারণ তখন প্রচুর বন জঙ্গল ছিল
অগনিত ফল শাঁক পাতা ছিল
সেই তুলনায় মানুষ ছিল খুব নগণ্য সংখ্যক
দুই ভাগ জল আর এক ভাগ স্থলের এই পৃথিবীর মানুষ গুলর কথা কি আপনি একবারও ভাববেন না??
আবাদি জমির পরিমাণ কত??
কি পরিমাণ ফসল উৎপাদন করতে পারি আমরা??
শুধু ফসলী খাদ্যে কত জনের পেট ভরবে??
খাদ্য জোগানে ফসলী খাদ্য ও মাছ-মাংসের অনুপাত কত??
মরু অঞ্চলের মানুষ গুলি কি খেয়ে বাঁচবে??
মেরু অঞ্চলের কথা কি একবার ভেবেছেন??
নাহয় কোন কথাই আমরা ভাবলাম না
গাছের প্রাণ ও অস্বীকার করলাম
সবাই ঘাস পাতা খেতে সুরু করলাম
কিন্তু ফলাফল???
এক মাসের মধ্যে গোরু ছাগলও খাদ্য সংকটে মারা পরবে
মানুষের কথা না হয় বাদ ই দিলাম!
অচেনা নভেম্বর 2, 2011 6:18 অপরাহ্ন -
@অরণ্য, ()
ব্রাইট স্মাইল্ নভেম্বর 2, 2011 6:43 অপরাহ্ন -
ভেড়া বা মুরগীকে কেন দাড়করিয়ে নেয়া হল, কেন তাদের কে চেয়ার দেয়া হল না
রৌরব নভেম্বর 2, 2011 7:05 অপরাহ্ন -
তামান্না ঝুমু নভেম্বর 2, 2011 7:08 অপরাহ্ন -
দুই ভাগ জল আর এক ভাগ স্থলের এই পৃথিবীর মানুষ গুলর কথা কি আপনি একবারও ভাববেন না??
পৃথিবীর চার ভাগের তিন ভাগ জল, একভাগ স্থল
আমরা মানবজাতি
মহাবিশ্বে এ যাবত আবিষ্কৃত একমাত্র বুদ্ধিমান প্রাণী
তাই আমরা এখন থেকে শুধু নিজেদের কথাই ভাববো
অন্য কারো কথা ভাবলেও তা নিজেদের স্বার্থে ভাববো
অরণ্য নভেম্বর 2, 2011 9:45 অপরাহ্ন -
@তামান্না ঝুমু,
অ্যালা বুঝেন, চাইর ভাগোইর তিন ভাগোই জল! আমি তো তাও কমাই কইছিলাম
ধইন্যেবাদ :))
এই বিপুল পরিমাণ জলভাগ থেকে যদি মাৎস্য ও মৎস্যকূল আহরণ না করা হয়, কি করে মানবজাতির খাদ্যের যোগার হবে বলুন? চার ভাগের মাত্র এক ভাগ স্থল
ঐ এক ভাগের বেশির ভাগই অনাবাদী
নগরায়নের ফলে তারও বৃহৎ অংশে আবাসন/কল কারখানায় দখল করে আছে
এই সামান্য আবাদি জমিতে পর্যাপ্ত ফসল ফলান সম্ভব নয়
আবেগ দিয়ে পেট চলে না
[]://2.../-17/25//950/400/16620.[/]
ভুল বুঝবেন না
পশুর কষ্ট বুঝেছেন, ক্ষুধার জ্বালা বোঝেন নি
লাখো মানুষ মারা যাচ্ছে বছরে
তাদের আর্তনাদ মুহূর্তের নয়, দিনের পর দিন মাসের পর মাস ক্ষুধার জ্বালায় আর্তনাদ করে ওঁরা
এই ক্ষুধা মরণের আগে তাঁদেরকে মুক্তি দেয়না
[]://.../2011/04/.[/]
এক টুকরো মাংস তুলেদেন ওদের হাতে
প্রাণী হত্যার সব পাপ আমি মাথা পেতে নেব
তামান্না ঝুমু নভেম্বর 4, 2011 8:44 পূর্বাহ্ন -
শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নারীর মূল্য প্রবন্ধটি পড়েছেন কিনা জানিনা
মানুষ এক সময় মানুষের মাংস খেত
ফিজিয়ানরা বৌয়ের উপর আসক্তি কমে গেলে নিজের বৌকে জবাই করে খেয়ে ফেলতো
সে সমাজে এটা মোটেও নিন্দনীয় ছিলনা বরং বীরত্ব ছিল
কোন কোন অঞ্চলে মানুষ বেচা কেনা হতো
বাজার হতে মানুষ কিনে এনে অন্য মানুষেরা খেত
এমন কি নিজের সন্তানকেও মা বাবা বিক্রী করে দিত
এখনও পৃথিবীতে নর-খাদক রয়েছে
কিছুদিন আগে পত্রিকায় পড়েছিলাম, মালেশিয়ায় কিছু পাহাড়ী মানুষ আছে যারা অন্য অঞ্চলের মানুষের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে
কিছু দিন প্রেম করার পর তাকে নিজেদের আস্তানায় নিয়ে গিয়ে হত্যা করে খেয়ে ফেলে
ক্ষুধার্ত বা দুর্দশাগ্রস্ত মানুষ দেখলে আমরা দুঃখ পাই
স্বল্প কিছু মানুষের হাতে পৃথিবীর সংহভাগ সম্পদ কুক্ষিগত
তাই কেউ অনাহারে মরে, কেউ অতি আহারে মরে
অনাবাদি জমিগুলোতে যদি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয় তাহলে কৃষির ফলন অনেকগুণ বাড়বে
মানুষে মানুষ খাওয়া বন্ধ করেছে
একদিন হয়ত অন্য প্রাণী খাওয়াও বন্ধ করবে
ইতিমধ্যে অনেকে করেছেও
অনাহারী শিশুদের মুখ দেখে আমরা ব্যথিত হই
কিন্তু পশু জবাই করার দৃশ্য কি কম মর্মান্তিক? গাছের প্রাণ আছে
আপনি একটি ফল অনায়াসে ছিঁড়তে পারবেন
কিন্তু একটি গরু কি আপনি জবাই করতে পারবেন?
যার যার খাদ্যাভ্যাস তার তার নিজস্ব ব্যাপার
কারো যদি নিরীহ পশুদের প্রতি মায়া হয় হয়ত ওরা তাদের হত্যা করা বন্ধ করবে
কিন্তু এই বিজ্ঞানের যুগেও পুণ্যের লোভে পশু হত্যা ত কোন ভাবেই কাম্য নয়
অরণ্য নভেম্বর 11, 2011 8:44 অপরাহ্ন -
@তামান্না ঝুমু,
আপনি একটি ফল অনায়াসে ছিঁড়তে পারবেন
কিন্তু একটি গরু কি আপনি জবাই করতে পারবেন?
জবাই করা তো দূরের কথা, জবাই দেখতেই পারিনা ()
এ দৃশ্য কেন এত নির্মম জানেন?? কারণ পশু প্রতীবাদ করতে জানে
তাঁর বাঁচার লড়াই আমরা দেখতে ও বুঝতে পাই