content
stringlengths
0
129k
সম্পূর্ণ নতুন এসএমএল ব্র্যান্ডের আধুনিক, জরুরি জীবন রক্ষাকারী যন্ত্রপাতি দ্বারা সজ্জিত অ্যাম্বুলেন্সটি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালগামী রোগীদের মানসম্মত জরুরীসেবা এবং ট্রমা লাইফ সাপোর্ট প্রদান করতে প্যারামেডিক এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সাহায্য করবে
ভারতের প্রধান মন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী কর্তৃক ২০২১ সালের মার্চ মাসে তার বাংলাদেশ সফরকালে ঘোষণাকৃত ১০৯ টি লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স সরবরাহের সামগ্রিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে অ্যাম্বুলেন্সটি প্রদান করা হয়েছে
লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্সটি এবং চিকিৎসাসামগ্রীগুলো কুমুদিনী হাসপাতাল কর্তৃক মির্জাপুর, টাঙ্গাইল এবং তার আশেপাশের মানুষের জন্য কোভিড মহামারীকালে এবং এর বাইরেও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা প্রদানে সহায়তা করবে
লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্সটি মহামারী পরবর্তীকালেও বাংলাদেশের জনগণের জন্য কুমুদিনী হাসপাতালের মানসম্মত চিকিৎসাসেবার চলমান সম্প্রসারণকে শক্তিশালী করবে
উপহারটি বাংলাদেশের মানুষের সাথে অনন্য এবং বিশেষ বন্ধুত্বের প্রতি ভারতের অটুট এবং দীর্ঘমেয়াদী অঙ্গীকারের প্রতিনিধিত্ব করে
কুমুদিনী কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে, হাই কমিশনার কমপ্লেক্সের মধ্যে এবং এলাকায় স্থাপিত চমৎকার পূজা প্যান্ডেলে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন
তিনি সবাইকে মহানবমীর শুভেচ্ছা জানান এবং উল্লেখ করেন যে সকল সম্প্রদায়ের দ্বারা পূজার আনন্দদায়ক উদযাপন এবং সমগ্র মানবতার সেবার মনোভাব বাংলাদেশের মানুষের উদার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ঐতিহ্যকে পুরোপুরিভাবে প্রতিফলিত করে, যেমনটি মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে নির্ধারিত হয়েছে এবং যার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জনগণের স্বাধীনতার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন
আন্তর্জাতিক সর্বশেষ
সংসদে গিয়ে যা বললেন অভিনেত্রী নুসরাত
মিথ্যা শনাক্তকরণ যন্ত্র আবিষ্কার
শিল্পমন্ত্রীর সাথে জাপান ও ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
স্পেনে প্রথমবারের মতো করোনার ওমিক্রন ধরন শনাক্ত
যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলে হামলায় নিহত শিক্ষার্থীদের শোকে মুহ্যমান স্বজনেরা
এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়
জনগণের টাকা লুট করে বিদেশে পাচারের মহোৎসব
৩২ বছর পর কাশ্মীরে পালিত হলো জন্মাষ্টমী
এই মাসেই শুরু হচ্ছে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য অল অ্যাবাউট সফট স্কিলস ট্রেনিং প্রোগ্রাম সিরিজ
করোনা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করছে ভারতের টুরিস্ট ভিসা -ভারতীয় হাই কমিশনার
মুখ্যমন্ত্রীর আদলে দেবী দুর্গার মুখ
& : :
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৪-২০২১ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
" " . . : -115222/14
&
: 154 /, , . : 16 (), . : +8801711139401 : +8801611139401 : [ ], [ ]
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখে মুখে ঘুরছে এই সংলাপ
মজনু ডাইনির সংলাপ
একজন ডাইনিকেও যে এমন চর্চার কেন্দ্রে তুলে আনা যায় বাংলা বিনোদনের জগতে, ডাইনির সংলাপও যে মুখে মুখে ফিরতে পারে, তা অনির্বাণ ভট্টাচার্যের 'মন্দার' ওয়েব সিরিজ দেখার আগে বাঙালিরা জানতে পারতেন কি!
শেক্সপিয়রের 'ম‍্যাকবেথ'-এর নির্যাস নিয়ে তৈরি 'মন্দার'
মন্দারের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি বলা যায় ম্যাকবেথের তিন ডাইনির বঙ্গ-রূপ
তিন ডাইনি হয়ে গেছে মা মজনু বুড়ি, ছেলে পেদো এবং পোষ্য বেড়াল কালা
মজনু বুড়ি ও তাঁর ছেলে পেদো এই সিরিজের সম্পদ
আর বাংলা অভিনয়ের নতুন সম্পদ এই দুই চরিত্রে অভিনয় করা সজল মণ্ডল ও সুদীপ ধাড়া
সবাইকে ছাপিয়ে যেন দর্শকদের মন কেড়ে নিয়েছেন মজনু ডাইনি সজল ও পেদো সুদীপ
গেইলপুরের ভাগ্য নির্ধারণ করে ডাইনি বুড়ি মজনু
নোনাসাগরের কোল ঘেঁষে জেলেদের এক মৎস্যনগরী গেইলপুরকে কেন্দ্র করে বেড়ে উঠেছে 'মন্দার' ওয়েবসিরিজের পাঁচটি পর্বের গল্প
উইলিয়ম শেক্সপিয়রের ম্যাকবেথের গল্পকে অনির্বাণ ভট্টাচার্য এনে ফেলেছেন নিম্নবিত্ত উপকূলবর্তী মানুষদের জীবনকাব্যে
আদিম যৌনতা, লোভ, মোহর খেলা যেন এই গল্প
কেউ চায় রাজা হতে, কেউ রাজার পিতা, কেউ চায় সন্তান, কেউ চায় সন্তানের মঙ্গল, কেউ চায় ক্ষমতা
আর এসবের মাঝে গেইলপুরের লোকেদের ভাগ্য নির্ধারণ করে ডাইনি এক বুড়ি মজনু, তার ন‍্যাড়া ছেলে পেদো ও তাদের পোষ‍্য কালো বেড়াল কালা
পেদো সুদীপ আর মজনু সজল, মন্দারের নক্ষত্র তাঁরা, বাংলা অভিনয়ের সম্পদ
মজনু বুড়ির ভূমিকায় সজল ও পেদোর ভূমিকায় সুদীপ- এই দুই অভিনেতাকে এতদিন সেভাবে মানুষ না চিনলেও, 'মন্দার'-এর পর এই দুটি চরিত্র সবথেকে আলোচনায়
তবে এই দুই চরিত্রের পেছনে থাকা দুই লড়াকু থিয়েটারশিল্পীর জীবনযুদ্ধের গল্পও কিন্তু কম রোমহর্ষক নয়
এমন দুটি বর্ণময় চরিত্র করতে কোথা থেকে এলেন তাঁরা!
মজনুর আড়ালে বছর চল্লিশের 'পচাদা'
অভিনেতা সজল মণ্ডল নিজেই জানালেন তাঁর মজনু ডাইনি হয়ে ওঠার কাহিনি
জানালেন, বৃদ্ধা মজনু বুড়ির চরিত্র কেমন করে করলেন বছর চল্লিশের 'পচাদা'
এই নামেই থিয়েটার মহলে পরিচিত তিনি
একজন পুরুষ হয়েও বৃদ্ধার চরিত্রে অভিনয় করাটা কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল তাঁর কাছে!
পেদো সুদীপের যেন বিশ্বাসই হচ্ছে না! জরাজীর্ণ ভাড়াবাড়ি থেকে মন্দারের লাইমলাইট
হাঁটু অবধি সাদা শাড়ি, সাদা-ঘিয়ে মেশানো এলোকেশ, কপাল মাখা লাল সিঁদুর
বিগতযৌবনেও তেজ এতটুকু কমেনি
যেন দশমহাবিদ্যার ধূমাবতী রূপ তাঁর
অথচ সে দেবী নয়, ডাইনি
গেইলপুরের ডাইনি
শেক্সপীয়রের প্রথম ডাইনি চরিত্রের নবতম রূপ মজনু বুড়ি, যাঁর মুখের কথাই যেন গেইলপুরের বাসিন্দাদের নিয়তি নির্ধারণ করে!
'আকাশ যখন ডাকে, চাতক তাকায়ে থাকে...'
সজল বলছিলেন, "মন্দারে মজনু বুড়ির চরিত্রে অনির্বাণ যে আমাকে ভেবেছে এবং আমার অভিনয় যে এত মানুষের ভাল লাগছে তা আমার পরম প্রাপ্তি
তবে আমি এই চর্চায় উচ্ছ্বসিত নই, কারণ এই রুপোলি জগতের চড়াই-উতরাই আমার দেখা
আজ থেকে কুড়ি বছর আগেও আমি চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও বিজ্ঞাপন জগতের মুখচেনা আর্টিস্ট ছিলাম
সেসব থেকে সরে গেলেও আমি অভিনয় ছাড়িনি
এই জগতে তো লাইমলাইট চিরকাল থাকে না
জীবনযুদ্ধে পোড় খাওয়া মানুষ বলেই আমি খুব একটা ভেসে যাই না
আমি কাজ করে যেতে চাই, দর্শকদের কাজ উপহার দিয়ে যেতে চাই
সুন্দরবনের ভূমিপুত্র সজল, আজও আঁকড়ে শিকড়
তবে সজলের অভিনয় জীবন শুরুর কাহিনি এত মসৃণ নয়
শহরের কোনও এলিট পরিবারের সন্তান যে সুযোগ, সুবিধা পেয়ে থাকেন, সজলের কাছে তা ছিল অধরা
তিনি বলছিলেন, "আমি সুন্দরবনের ছেলে
বাসন্তীতে আমার বাড়ি
আমাদের পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল ছিল না
বাবা, মা বাংলাদেশ থেকে অনেক আগে আসা মানুষ
ভাড়া বাড়িতে থাকতাম
রাস্তার ধারে বাবা একটা মুদির দোকান করেছিলেন, সেটাই ছিল আমাদের একমাত্র উপার্জনের উৎস
যদিও বাবা ওখানে বাজারের মধ্যে আজ একটা বড় দোকান করেছেন
কিন্তু সে সময়ে এইরকম পরিবারের ছেলে হয়ে, অভিনয় করে, নাটক করে পেট চালানোটা চাপের ব্যাপার ছিল
কিন্তু আমার মা খুব মুক্তমনা মহিলা ছিলেন
" এসবের মধ্যেও অভিনয়ের প্রতি প্যাশনটা তাঁর ছিল ছোট থেকেই
স্কুলজীবনে নিজেরা নাটক করেছেন
১৯৯৮ সালে সুন্দরবন থেকে মাধ্যমিক পাশ করে কলকাতায় চলে আসেন কাজের খোঁজে
হঠাৎই একদিন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাটকের কোর্সে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফর্ম তোলেন এবং চান্সও পেয়ে যান
কিন্তু কলকাতা শহরে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকার মতো সামর্থ তাঁর ছিল না
তাই বারুইপুরের মল্লিকপুরে বাড়ি ভাড়া নেন
সঙ্গে পড়াশোনার পাশাপাশি ছোটখাটো নানা কাজ করতেন ওই অঞ্চলেই
কীভাবে এগোল অভিনয় জীবন, বলে চলেন সজল
"রবীন্দ্রভারতীতে জোড়াসাঁকো ক্যাম্পাসে পড়তে পড়তেই আমি একটা সিনেমায় অভিনয় করার অফার পেয়েছিলাম
সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইন্সটিটিউটের এডিটিং প্রফেসর শ্যামল কর্মকারের চিলড্রেন রাইটসের উপর ছবি 'রাণু'র লিড রোল
এই আমার রোলটাই প্রথমে আমির খানকে কাস্টিং করা হয়েছিল, উনি করতেও রাজি ছিলেন কিন্তু কোনও কারণে ডেট দিতে পারেননি
আমি সেই সুযোগটা পাই
২০০১ সালে 'রাণু' ছবিটা পুরস্কৃত ও প্রশংসিত হয়েছিল
ফেস্টিভালেও আসে ছবিটা এবং সংবাদপত্র রিভিউতে আমার নামও বেরোয়
সেসময় বেশ কিছু কাজের অফার পরপর পাই
তখন ইটিভি বাংলা, আকাশ বাংলা এসব চ্যানেলে রাতের টেলিছবি খুব জনপ্রিয় ছিল
সেখানে 'বিস্ফোরণ' বলে একটা টেলফিল্মে অভিনয়ও করি
রবীন্দ্রভারতী থেকে টুয়েলভ পাশ করে স্নাতকে ভর্তি হই, তার পর নাটকে এমএ-ও পাশ করি
অন্যদিকে, ২০০২ সাল থেকে থিয়েটারের সঙ্গেও আমি জুড়ে যাই
নাট্যকার শান্তনু বসুর দলে যোগ দিই
থিয়েটার করতে গিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরেও কাজ করেছি ইন্দো-জার্মান, ইন্দো-আফগান মঞ্চ
সে সময়ে নানারকম কাজের দরজা খুললেও অর্থনেতিক ভাবে তেমন মজবুত হতে পারিনি
অনেক আপস করতে হয়
বিদেশের ডান্স কোরিওগ্রাফি বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাপ্লাই করেছিলাম, কিন্তু এখান থেকে স্কলারশিপ না পাওয়ায় তিন মাস পরে ফিরে আসতে হয়