content
stringlengths 0
129k
|
|---|
কেননা অ্যালোভেরার মধ্যে থাকা অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান গুলি যেকোনো ধরনের ব্যথা বেদনা কমাতে সহায়তা করে
|
এছাড়া শরীরের জয়েন্টে ফোলা ভাব কমাতে সাহায্য করে
|
যেকোনো ধরনের পেইনকিলার কিংবা পেইন রিলিফ মলমের তুলনায় তাৎক্ষণিক কাজ করে অ্যালোভেরা জেল
|
তাই এবার অ্যালোভেরা জেল এর উপর ভরসা করে দেখতেই পারেন
|
বলা যায় না এটি আপনার বাতের ব্যথা থেকে চিরতরে কমিয়ে দিল
|
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
|
বাতের ব্যথা যুক্ত অংশে ভালো করে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে রাখুন
|
একটি ঠান্ডা প্রদান হবে এবং এগুলো ছাড়াও দৈনিক খাদ্য তালিকা রাখলে এটি শরীরের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করবে
|
যার ফলে শরীরের কোনায় কোনায় অক্সিজেন পৌঁছে যাবে এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গা গুলোতে সঠিকভাবে ব্যথা নিরাময় করে দেবে
|
তাই আজ থেকে খাদ্যতালিকায় রাখুন
|
সকালে উঠে খালি পেটে দশ থেকে কুড়ি এমএল অ্যালোভেরা জেল গ্রহণ করুন
|
১১) মৌখিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে অ্যালোভেরা জেল :
|
মুখের ভিতর যেকোনো ধরনের সংক্রামক প্রদাহজনিত রোগ নিরাময়ে অ্যালোভেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে
|
পেরিয়োডন্টিস্ট সম্পর্কিত চিকিৎসা গুলোয় দেখা যায় অ্যালোভেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে
|
এসব রোগের উপসর্গ গুলির সমাধান করতে সাহায্য করেছে
|
অ্যালোভেরা
|
মুখের ভেতরে হওয়া যে কোন রোগের নিরাময় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
|
অ্যালোভেরা মারি থেকে রক্তপাত কিংবা দাঁতের গোড়ায় ফোলা ভাব এই সমস্ত সমস্যা গুলোর ক্ষেত্রে শক্তিশালী অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে
|
অ্যালোভেরা মুখের ভেতর কোণায় কোণায় পৌঁছে মুখ পরিষ্কার এর ব্যবস্থা করে
|
এছাড়াও দাঁতের গোড়ায় কিংবা জিভে হওয়া যে কোন ধরনের সমস্যার সমাধান করে
|
দৈনিক দাঁত ব্রাশের পরে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা যেতে পারে
|
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিসেপটিক উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে
|
(২১) সকালবেলা ব্রাশ করার আগেও অ্যালোভেরা জেল দিয়ে মুখ ধুতে পারেন
|
এটি দাঁতের গহ্বরে যে সমস্ত ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টি হয় সেগুলো নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে
|
মুখের ভেতরের যে কোন সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে অ্যালোভেরা জেল
|
সংবেদনশীল দাঁত বা মাড়ির লোকেদের ক্ষেত্রে অ্যালোভেরা জেল টুথপেস্ট এর সেরা বিকল্প হতে পারে
|
এটি ব্যবহারের ফলে দাঁতে জোরে ঘষাঘষির প্রয়োজন হবে না, যেটা পেস্টের ক্ষেত্রে করতে হয়
|
এইজেল টিতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য গুলো যেকোনো ধরনের ব্যাকটেরিয়া কে হ্রাস করতে পারে
|
এছাড়া মুখের ভেতর কোথাও কোনও ঘা হলে তার চিকিৎসাতেও অ্যালোভেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে
|
এছাড়াও মুখের গহ্বরের ভেতরে যে কোন ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধে এটি সাহায্য করে থাকে
|
তাই মৌখিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে কে আজ থেকেই টুথপেষ্টের বদলে ব্যবহার করুন অ্যালোভেরা
|
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
|
সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে বাসিমুখে পরিমাণমতো অ্যালোভেরা জেল নিয়ে মুখে কুলকুচি করে ফেলে দেবেন
|
তারপর প্রয়োজন হলে টুথপেস্ট ব্যবহার করতে পারেন
|
এটি প্রত্যেকদিন করতে হবে
|
তাহলেই মুখের গহবরের যেকোন সংক্রমণ থেকে দূরে থাকতে পারবেন
|
১২) সর্দি কাশি এবং ঠান্ডা লাগা কমাতে অ্যালোভেরার ব্যবহার :
|
আবহাওয়ার হঠাৎ পরিবর্তনের ফলে শরীর যে ধরনের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত সেগুলি কমাতে অ্যালোভেরা মুখ্য ভূমিকা গ্রহণ করে
|
আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণেই সর্দি কাশি, ঠান্ডা লাগার মত সমস্যাগুলো দেখা যায়
|
মূলত এগুলো একজনের থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে
|
যাদের শরীরের অনাক্রম্যতা ক্ষমতা কম থাকে তাদের মধ্যেই এটি ছড়িয়ে পড়তে লক্ষ্য করা যায়
|
এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান হলো অ্যালোভেরা
|
এটি মুখের ভেতর এবং গলা থেকে ভাইরাস জাতীয় জীবানু নাশ করে
|
যার ফলে শরীরের ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধতে পারে না, অনাক্রম্যতা বৃদ্ধি পায় এবং শরীর যেকোনো ধরনের ছোটখাটো জ্বর সর্দি থেকে দূরে থাকে
|
অ্যালোভেরার মধ্যে উপস্থিত অ্যান্টি ইনফ্লেমেটারি এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান সমূহ শরীরকে যেকোনো ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে
|
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
|
একটা বড় অ্যালোভেরার পাতা তিন চার টুকরো করবেন
|
প্রত্যেকটা ভাগের থেকে সবুজ অংশটা কেটে নিন
|
এরপর ভেতরের থেকে সাদা অংশটা বের করে নিন
|
এবারে সাদা অংশটা মিক্সিতে ভাল করে ফেটিয়ে নিয়ে একটা আপেলের জুসের সাথে এটা মিশিয়ে খেয়ে নিন
|
এটি লেবু দিয়েও খেতে পারেন
|
লেবু খাওয়ার ফলে শরীরে অনাক্রম্যতা বৃদ্ধি পাবে এবং সর্দি কাশি এবং ঠান্ডা লাগার সমস্যা গুলোর সমাধান হবে
|
ব্যাকটেরিয়া আক্রমণের কারণে এই সমস্ত সমস্যাগুলো দেখা দেয়
|
অ্যালোভেরার জুস খাওয়ার ফলে শরীর সুস্থ এবং ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ থেকে দূরে থাকবে
|
এলোভেরার জুস খাবার সঠিক উপায় -
|
অ্যালোভেরা আমাদের শরীরের ত্বক, চুল ও স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে
|
এবার তাই অ্যালোভেরাকে খাবারের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করলেই নয়
|
তবে কেবলমাত্র খেলেই হবে তা নয়, অ্যালোভেরা কিভাবে আপনি ব্যবহার করতে পারেন জেনে নিন :
|
১) খাবারের সাথে অ্যালোভেরার পাতা কেটে নিয়ে আপনি খেতে পারেন
|
২) অ্যালোভেরার সবুজ অংশের ভেতর থেকে জেল বার করে নিয়ে খেতে পারেন
|
৩) কিংবা অ্যালোভেরার জেলটা দিয়ে যেকোনো ধরনের স্মুদি তৈরি করে খেতে পারেন
|
৪) এছাড়া অ্যালোভেরা জেল দিয়ে শরবত তৈরি করে খেতে পারেন
|
৫) টমেটো, লেবুর রস, রসুন, সামুদ্রিক লবণ এবং অ্যালোভেরা ভালো করে মিক্সিতে ফেটিয়ে নিয়ে জুস তৈরি করে চিপস এর সাথে খেতে পারেন
|
৬) এছাড়া আপনার খাদ্যতালিকায় থাকা স্যালাডের সাথে অ্যালোভেরা পাতা খেতে পারেন কিংবা অ্যালোভেরা জেল আপনার স্যালাডে যোগ করতে পারেন
|
৭) এছাড়াও অ্যালোভেরার রস শুধুমাত্র খেতে পারেন
|
৮) প্রয়োজন হলে অ্যালোভেরা পাতার সাথে যেকোনো ধরনের ফলের রস এককাপ মিশিয়ে খেতে পারেন
|
৯) কখনো আপেলের রস, কখনো লেবুর রস কিংবা পেপের রসের সাথে অ্যালোভেরা মিশিয়ে খেতে পারেন
|
১০) মূলত আপনার পছন্দসই যেকোনো ফলের রস এর সাথে এটি খেতে পারেন
|
১১) অ্যালোভেরার সবুজ অংশ থেকে জেল বের করে নিয়ে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন
|
এবার যখন কোন ফলের রস করবেন তার মধ্যে মিশিয়ে দিতে পারেন
|
১২) প্রতিদিন অ্যালোভেরার রস আপনি খেতে পারেন
|
অ্যালোভেরা জেল, অ্যালোভেরার রস, অ্যালোভেরার সাপ্লিমেন্ট কিংবা অ্যালোভেরা পাউডার, অ্যালোভেরা তেল যেটা আপনার পছন্দ সেটা আপনি খাদ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন
|
আজ থেকেই আপনার ডায়েট চার্টে অ্যালোভেরা অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন
|
এলোভেরা কে অনেক দিন পর্যন্ত সুরক্ষিত রাখার উপায় -
|
আপনি যদি অনেকদিন পর্যন্ত অ্যালোভেরা জেল সুরক্ষিত রাখতে চান তবে জেনে নিন কি করতে হবে?
|
১) আপনি যদি অনেকদিন পর্যন্ত অ্যালোভেরা জেল সুরক্ষিত রাখতে চান তবে সে ক্ষেত্রে আপনি এটি অবশ্যই ফ্রিজে রেখে দিন
|
২) সম্ভব হলে অ্যালোভেরার থেকে জেল বের করে নিয়ে বরফের ট্রেতে রেখে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন
|
সেখানে অ্যালোভেরা জেল বরফের কিউব হয়ে থাকবে এবং আপনার যখন প্রয়োজন হবে শুষ্ক ত্বকে কিংবা রোদে পোড়া ত্বকের ওপর এটি ব্যবহার করতে পারবেন
|
৩) এছাড়াও তৎক্ষণাৎ কোন অসুবিধা হলে ফার্স্ট এইড হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন
|
৪) যদি ত্বকের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে চান তাহলে অ্যালোভেরা জেল ও ভিটামিন ই তেলের সাথে মিশিয়ে রেখে দিতে পারেন
|
৫) সাদা অংশটা এবং ভিটামিন ই তেল ভালো করে মিক্সিতে মিশিয়ে নিয়ে সেটা একটি কোটো করে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন
|
যখন এটি প্রয়োজন হবে আপনি ব্যবহার করতে পারেন
|
৬) এছাড়াও অ্যালোভেরা জেল এর সাথে মধু মিশিয়ে অনেকদিন পর্যন্ত রাখা যেতে পারে
|
৭) অ্যালোভেরার পাতা সমেত জেল এবং তার সাথে পরিমাণমতো মধু মিশিয়ে মিক্সার এর একটা পেস্ট তৈরি করে নিন এবং একটি কৌটোতে ফ্রিজে রেখে দিন
|
এটি আপনি ফেসিয়াল মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন
|
৮) অ্যালোভেরার সাথে ভিটামিন সি মিক্স করে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন
|
পরিমাণমতো অ্যালোভেরা জেল এবং লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে একটা টাইট কৌটোর মধ্যে রেখে ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন
|
এটি যেকোন ধরণের কালচে দাগ কিংবা ত্বকের সমস্যার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে
|
৯) অ্যালোভেরা জেল পরিষ্কার প্লাস্টিকের পাউচে রেখে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন
|
সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে অনেকদিন ধরে
|
১০) দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস পর্যন্ত এই মিশ্রণ সংরক্ষিত করে ভবিষ্যতে ব্যবহার করতে পারবেন
|
১১) অ্যালোভেরা জেল আপনি সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন কিংবা শুধু অ্যালোভেরা জেলের তৈরী মাস্ক ছয় থেকে সাত মাস পর্যন্ত এই পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা যেতে পারে
|
এলোভেরার অপকারিতা -
|
এতক্ষণ আমরা আমাদের স্বাস্থ্য রক্ষায়, চুলের যত্নে কিংবা ত্বকের যত্নে কিভাবে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করব সেটি সম্পর্কে জেনেছি
|
অ্যালোভেরার মধ্যে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি বৈশিষ্ট্যগুলো আমাদের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে
|
যে কারণে আমরা মৌখিকভাবে গ্রহণ করার পাশাপাশি বাহ্যিকভাবে অ্যালোভেরাকে গ্রহণ করতে পারি
|
সে ক্ষেত্রে ত্বকের ক্রিম, শেভিং ক্রিম, সাবান, টুথপেস্ট, শ্যাম্পু ইত্যাদি অ্যালোভেরার তৈরি পণ্য সামগ্রী ব্যবহার না করে সরাসরি অ্যালোভেরা ব্যবহার করার কথা ভেবেছি
|
তবে একটা কথা আমরা জানি কোন জিনিস অত্যধিক ব্যবহার ফলে খারাপ প্রভাব লক্ষ্য করা যেতে পারে
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.