content
stringlengths 0
129k
|
|---|
অ্যালোভেরা জেল ম্যাক্রোফেজগুলির কার্যকারিতাকে উন্নত করে, যা ইমিউন সিস্টেম এর গুরুত্বপূর্ণ উপাদান
|
গবেষণায় লক্ষ্য করা গিয়েছে, অ্যালোভেরার রস দৈনিক গ্রহণের ফলে ব্যক্তিদের শরীরে অনাক্রমতা বেড়ে ওঠে
|
যেকোনো ধরনের অ্যালোভেরা পাউডার দিয়ে প্রস্তুত খাদ্য রোগীদের মধ্যে প্রদান করে লক্ষ্য করা গিয়েছে, তাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তাদের শরীরের অনাক্রম্যতা জোরদার করতে আলোভেরা সহায়তা করে
|
এবং অ্যালোভেরার জুস ও অ্যালোভেরা দিয়ে তৈরি যে কোন ধরনের খাদ্য উপাদান এ ক্ষেত্রে প্রদান করা যেতে পারে
|
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
|
দৈনিক খাদ্যতালিকায় অ্যালোভেরা সমৃদ্ধ যে কোন ধরনের খাদ্য উপাদান রাখুন
|
সকাল বেলা খালি পেটে অ্যালোভেরা রস খেতে পারেন
|
কিংবা খাদ্যতালিকায় অ্যালোভেরা এবং অন্যান্য উপাদান দিয়ে তৈরি জুস রাখতে পারেন
|
এ ক্ষেত্রে অ্যালোভেরা, শসা, লেবু, পুদিনা পাতা দিয়ে স্মুদি তৈরি করে খেতে পারেন
|
এটি স্বাস্থ্যকর এবং খেতেও সুস্বাদু হবে
|
৫) হজমে সহায়তা করে অ্যালোভেরা :
|
হজমের সমস্যা লেগেই রয়েছে
|
গ্যাস, অম্বল, অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপা এগুলি আমাদের নিত্যদিনের অঙ্গ
|
তবে অ্যালোভেরার ব্যবহারের ফলে এই সমস্ত সমস্যার সমাধান হতে পারে
|
অ্যালোভেরার ব্যবহার পেটের মধ্যে চলা এসমস্ত অস্বস্তি, জ্বালাময়ী সিনড্রোম এবং পেটে ব্যথার মতন সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধান করে
|
এছাড়াও এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে হওয়া ব্যথার সমাধান করতে পারে
|
অ্যালোভেরা মূলত এক ধরনের পদার্থ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সমাধান করে খাদ্যের সঠিকভাবে হজমে সহায়তা করে এবং অন্ত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে
|
তবে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে তাহলেই অ্যালোভেরা সমৃদ্ধ ওষুধ গ্রহণ করা উচিত
|
পেটে অতিরিক্ত অ্যাসিড এর প্রভাব লক্ষ্য করা গেলে সেক্ষেত্রে ডাক্তাররা যে সমস্ত ওষুধ প্রদান করে থাকে সেখানে অনেকাংশে আলোভেরার গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়
|
এছাড়াও পেটে গ্যাসের সমস্যার জন্য গবেষণায় লক্ষ্য করা গিয়েছে অ্যালোভেরার ব্যবহার তাৎপর্যপূর্ণ
|
অ্যালোভেরার মধ্যে থাকা উপাদান গুলি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধান করে
|
সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যারা দৈনিক অ্যালোভেরার রস গ্রহণ করেন তারা আগের তুলনায় অনেক ভালো রয়েছেন এবং হজমের সমস্যার সমাধান করতে পেরেছেন
|
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
|
দৈনিক সকাল বেলা খালি পেটে দু চামচ করে অ্যালোভেরা রস গ্রহণ করুন
|
তারপর উষ্ণ গরম জল খেয়ে নিন
|
এটি হজমকে ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকেও শরীরকে দূরে রাখবে
|
৬) কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে অ্যালোভেরার ভূমিকা :
|
গবেষণায় লক্ষ্য করা গিয়েছে, অ্যালোভেরার রস শরীরকে প্রভাবিত করতে পারে যার ফলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে আসে
|
এছাড়াও ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমান কমতে সাহায্য করে
|
গবেষণার লক্ষ্য করা গিয়েছে, এইচ ডি এল কোলেস্টেরল এর স্তর গুলি খানিকটা, এছাড়াও এটি লিপিডের মাত্রা কমিয়ে আনতে সহায়তা করে
|
অ্যালোভেরার মধ্যে থাকা ফাইটোস্টেরল, কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে
|
এছাড়াও অ্যালোভেরার মধ্যে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো গ্লুকোমানেন
|
যা এক প্রকার দ্রবণীয় ফাইবার
|
এটি শরীরের কোলেস্টেরল কমিয়ে আনতে সহায়তা করে
|
মূলত শরীরে কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের সমস্যার সমাধান করতে সহায়তা করে অ্যালোভেরা
|
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
|
অ্যালোভেরার থেকে পাওয়া গুঁড়ো কিংবা ক্যাপসুল আকারে অথবা সরাসরি অ্যালোভেরার রস খাদ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন
|
এটি শরীরে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে
|
এবং শরীরকে সুস্থ সবল রাখতে সাহায্য করবে
|
৭) মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণে অ্যালোভেরার ভূমিকা :
|
আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের যদি উন্নতি করতে চান তাহলে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো অ্যালোভেরা
|
দৈনন্দিন আলোভেরার ব্যবহার আমাদের মেজাজকে উন্নতি করতে এবং মানসিক শান্তি প্রদান করতে মস্তিষ্কের যেকোন ক্রিয়াকে সম্পন্ন করতে সহায়তা করে
|
এছাড়াও মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি দৃঢ় করার পাশাপাশি যেকোনো ধরনের মস্তিষ্ক জনিত অসুস্থতা থেকে শরীরকে সুস্থ এবং সামর্থ্য রাখতে সহায়তা করে
|
এছাড়াও এটি ব্রেনবুস্টার সাপ্লিমেন্ট হিসেবে কাজ করে
|
মূলত স্মৃতিশক্তি যাতে ফ্যাকাশে না হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে
|
বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে স্মৃতিশক্তি হ্রাসের মতন বিভিন্ন সমস্যা গুলি লক্ষ্য করা যায়
|
তবে এগুলো নিরাময় এর পাশাপাশি যেকোনো ধরনের মানসিক চাপ থেকে শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে
|
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
|
দৈনিক সকাল বেলা খালি পেটে এক চামচ করে অ্যালোভেরার রস খেতে পারেন
|
এছাড়াও অ্যালোভেরার পাউডার কিংবা অ্যালোভেরার যেকোনো সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করতে পারেন
|
দৈনিক এটি গ্রহণ করার ফলে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকবে
|
তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী
|
কেন না কোন কিছুই হঠাৎ করে ব্যবহার করা ঠিক নয়
|
তাই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ নিয়ে তারপর অ্যালোভেরার রস খাওয়া শুরু করবেন
|
৮) হৃদরোগের সমস্যায় অ্যালোভেরার ব্যবহার :
|
বর্তমানে টেনশন, স্ট্রেস, চিন্তার জীবনে হৃদরোগের সমস্যা প্রায় ঘরে ঘরে
|
আর তার জন্য ভুড়ি ভুড়ি ওষুধ খাওয়া তো চলতেই আছে
|
তবে এবার হৃদরোগের সমস্যা ব্যবহার করা যাবে অ্যালোভেরাকে
|
অ্যালোভেরার মধ্যে থাকা উপাদান গুলি শরীরে অনাক্রমতাকে বাড়িয়ে তোলে
|
এর পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাকেও কমাতে সাহায্য করে
|
মূলত উচ্চ রক্তচাপের কারণেই হৃদরোগের সমস্যা দেখা যায়
|
দৈনিক খাদ্যতালিকায় তাদের এই অ্যালোভেরা জুসের ব্যবহার শরীর স্বাস্থ্য সম্পন্ন হয়ে ওঠে
|
গবেষণায় লক্ষ্য করা গিয়েছে, যারা অ্যালোভেরার জুস পান করেন তাদের হার্ট অ্যাটাকের কিংবা স্ট্রোকের সম্ভাবনা কম থাকে
|
কেননা এটি প্রচুর পুষ্টিকর উপাদান সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ডিটক্সিফাই করে
|
এছাড়াও রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
|
এছাড়াও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য খুব উপকারী একটি উপাদান অ্যালোভেরা
|
এছাড়াও হৃদরোগের সম্ভাবনা কমায় এটি
|
কেননা এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে, যা রক্তসঞ্চালন কে বাড়িয়ে শিরা এবং ধমনীকে শক্তিশালী করে তোলে
|
অ্যালোভেরার অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান গুলি রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়িয়ে তোলে, যার ফলে কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেমে থেরাপিউটিক সুবিধা হয়
|
বহু রোগীদের ওপর গবেষণা করে দেখা গিয়েছে, অ্যালোভেরার জুস গ্রহণের ফলে হাইপার টেনশন, হৃদরোগের সম্ভাবনা কমে এসেছে এবং উচ্চ রক্তচাপ ও কন্ঠনালী প্রদাহের মতন সমস্যাগুলির সমাধান হয়েছে
|
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
|
দৈনিক দশ থেকে কুড়ি এমএল অ্যালোভেরার গ্রহণের ফলে মোট পনেরো শতাংশ কোলেস্টেরল এবং পঁচিশ থেকে ত্রিশ শতাংশ ট্রাইগ্লিসারাইড শরীর থেকে হ্রাস করতে পারে
|
ডাক্তারের নির্দেশে অ্যালোভেরার জেল গ্রহণ করতে পারেন
|
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যালোভেরার রস গ্রহণ করুন এবং ওষুধ গ্রহণের পাশাপাশি এটি ব্যবহার করুন
|
অ্যালোভেরার রস খাবার আগে অবশ্যই আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিন
|
৯) প্রদাহ বা পেট জ্বালা কমাতে অ্যালোভেরার ভূমিকা :
|
যেকোনো ধরনের ব্যথা কিংবা প্রদাহের সাথে লড়াই করতে পারে অ্যালোভেরা
|
অ্যালোভেরায় উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্যগুলো জ্বালা-যন্ত্রণা সাথে লড়াই করে শরীরের শান্তি প্রদান করে
|
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অ্যালোভেরা জেল যেকোনো হাইড্রোকর্টিসন ক্রিম এর তুলনায় জ্বালাভাব কিংবা যেকোন প্রদাহে বেশি আরাম প্রদান করে
|
মূলত অ্যান্টি-ইনফ্লেমিটরি বৈশিষ্ট্যগুলো শান্তি প্রদান করতে সহায়তা করে
|
এছাড়াও অ্যালোভেরা উদ্ভিদের মধ্যে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি বৈশিষ্ট্যগুলো অস্টিওআর্থ্রাইটিস এর চিকিৎসাতেও সাহায্য করতে পারে
|
এছাড়াও অ্যালোভেরা গ্যাস্ট্রাইটিস এর যেকোনো ব্যথা কমাতে সহায়তা করে
|
এছাড়াও ক্রনিক ক্যান্সারের চিকিৎসা করতে পারে
|
মূলত ব্যথা কিংবা পা ফুলে যাওয়া, জয়েন্ট গুলিতে ব্যথায় অ্যালোভেরা জেল প্রয়োগ করলে প্রচুর স্বস্তি পাওয়া যায়
|
এই জেল ব্যবহার করার পাশাপাশি শরীরে আলাদা একটা ঠান্ডা ভাব প্রেরণ করে থাকে, যার জন্য যেকোনো ধরনের প্রদাহের ক্ষেত্রে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করলে সেখানে স্বস্তি পাওয়া যায়
|
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
|
ব্যথা কিংবা জ্বালা ভাব যুক্ত অংশের জায়গাটা ভালো করে পরিষ্কার করে নিন
|
এখানে সারারাত পুরু করে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে রাখুন
|
পরদিন সকালে উঠে জায়গাটা ধুয়ে নিন
|
এরকম দু-একদিন করতে থাকুন ত্বকের ওপর কোথাও জ্বালাভাব কিংবা লালচে ভাব থাকলে তা কমে যাবে
|
এছাড়া যদি পেটের ভেতরে জ্বালা ভাব থাকে, সে ক্ষেত্রে অ্যালোভেরা গাছের রস করে খেতে পারেন
|
যদি অসুবিধা না হয় অ্যালোভেরা জেল টা খেয়ে নিতে পারেন
|
এটি পেটের ভেতর খাওয়া জ্বালা ভাব কমিয়ে স্বস্তি প্রদান করবে
|
এছাড়াও গ্যাস্ট্রিক আলসারের ব্যাথায় যারা ভুগছেন তাদের ক্ষেত্রে অ্যালোভেরা একটি অপরিহার্য উপাদান
|
এটি ব্যবহার করার ফলে এক ধরনের স্বস্তি লাভ করবে আপনার শরীর
|
১০) বাতের ব্যথা কমান অ্যালোভেরা দিয়ে :
|
বয়স চল্লিশের কোঠা পেরিয়েছে কি বাতের ব্যথায় নাকাল মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়
|
নানা ওষুধ, আয়ুর্বেদ চর্চা সব কিছু করেও লাভ হয়নি
|
তাইতো এবার তাহলে আপনার হাতের কাছে থাকা অ্যালোভেরা গাছ কে রকম একটু ভরসা করে দেখবেন নাকি? আপনার পরিত্রাণের উপায় হতে পারে এটি
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.