content stringlengths 0 129k |
|---|
৩১. সাঈদীর রচনাবলী ২য় |
৩২. সাঈদীর রচনাবলী ৩য় |
৩৩. সীরাতে সাইয়্যেদুল মুরসালীন |
৩৪. হাদিসের আলোকে সমাজ জীবন |
৩৫. আমি কেন জামায়াতে ইসলামী করি? |
৩৬. ইসলামী রাজনীতি কি ও কেন? |
৩৭. তাফসীরে আয়াতুল কুরসী |
৩৮. সুন্নাতে রাসূল (সাঃ) এর অনুসরনের সঠিক পদ্ধতি |
৩৯. ঈমানী জিন্দেগীর সাফল্য ও ব্যর্থতার মানচিত্র |
৪০. আল্লাহর প্রতি ঈমান ও তার দাবি |
৪১. শাহাদাত-ই জান্নাত লাভের সর্বোত্তম পথ |
৪২. দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ধৈর্য্যের অপরিহার্যতা |
৪৩. জিহাদ ঈমানের অপরিহার্য দাবি |
৪৪. দ্বীনে হক্বের দাওয়াত না দেয়ার পরিণতি |
৪৫. দ্বীন প্রতিষ্ঠায় যুব সমাজের দায়িত্ব ও কর্তব্য |
৪৬. বর্তমান পেক্ষাপটে সম্মানীত আলেম সমাজের দ্বায়ীত্ব ও কর্তব্য |
৪৭. দুর্ণীতিমুক্ত সমাজ গড়ার মুলনীতি |
৪৮. ইসলাম একটি পুর্ণাঙ্গ জীবন বিধান৪৯. ইসলাম-ই ঐক্য ও শান্তির পথ |
৫০. ইসলামের রাজনৈতিক বিধান |
৫১. ইসলামে ভুমি কৃষি ও শিল্প আইন |
৫২. আল্লাহ তা'য়ালার শেখানো দোয়া |
৫৩. আখিরাতের জীবন চিত |
৫৪. নারী অধিকারের সনদ |
৫৫. শিশুর প্রশিক্ষণ পদ্বতি |
৫৬. শিশু-কিশোরদের প্রশ্নের জবাব৫৭. বিশ্বনবীর অমীয় বাণী |
৫৮. জিয়ারতে বায়তুল্লাহ |
৫৯. তা'লিমুল কুরআন |
৬০. তা'লিমুল কুরআন |
৬১. সৎ মানুষের সন্ধানে |
৬২. রিয়াদুল মু'মিনিন |
৬৩. বেহেশতের চাবি |
৬৪. পরকালের সাথী |
৬৫. নাজাতের পথ |
৬৬. যুগের দর্পণ |
৬৭. বিশ্ব সভ্যতায় নারীর মর্যাদা |
৬৮. হাদিসের আলোকে সমাজ জীবন |
৬৯. কুরআন দিয়ে কুরআন বুঝুন |
৭০. কুরআনের দৃষ্টিতে ইবাদতের সঠিক অর্থ |
৭১. বর্তমান বিশ্বে ইসলামী পূর্ণজাগরণের সম্ভাবনা |
৭২. নিজ পরিবারবর্গের প্রতি আমার অসিয়্যত |
৭৩. মানবতা বিধ্বংসী দু'টি মতবাদ |
৭৪. বিশ্ব সভ্যতার মুক্তি কোন পথে? |
৭৫. নন্দীত জাতি নিন্দীত গন্তব্যে |
সংক্ষিপ্ত বিবরণ |
লেখাপড়া করেছেন: |
আলিয়া মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয় |
কোরআনের হাফেজ: |
না, তিনি হেফজ করেন নাই |
বক্তার ধরণ: |
কোথায় থাকেন?: |
যালিমের কারাগারে |
স্থায়ী ঠিকানা: |
লেখাপড়া কোথায় করেছেন? |
খুলনা আলিয়া ও সরসিনা আলিয়া |
বিঃ দ্রঃ একটি প্রোগ্রামে কত টাকা দেওয়া উচিৎ এটা একান্তই লেখকের মতামত |
যে সকল তথ্য পরিবর্তনশীল, আমরা চেষ্টা করছি সর্বশেষ তথ্য উপস্থাপনের |
যদি কোন তথ্য ভূল কিংবা পরিবর্তন হয়েছে বলে আপনার জানা থাকে |
যোগাযোগ মেনু থেকে তথ্য দিতে সহায়তা করুন |
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মাতা সাইদুল আনাম টুটুল নির্মাণ করছিলেন তার স্বপ্নের চলচ্চিত্র 'কালবেলা' |
২০১৮ সালে চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু করেন, কিন্তু কাজের শেষ পর্যায়ে এসে তিনি মারা যান |
তাই বলে চলচ্চিত্রটির নির্মাণ বন্ধ হয়ে যায়নি |
তার পরিবার এবং সংশ্লিষ্টদের যৌথ উদ্যোগে 'কালবেলা'র নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে |
ডিসেম্বরের ১৫ তারিখের মধ্যেই চলচ্চিত্রটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন এর নির্বাহী প্রযোজক হুমায়ুন কবীর শুভ |
টুটুল প্রায় সব কাজ গুছিয়ে দিয়ে গেছেন বলে চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান শুভ |
তিনি বলেন, "পরিকল্পনা মাফিক 'কালবেলা'র ক্যামেরার কাজ তিনি সম্পন্ন করে গিয়েছিলেন, শেষ দিকে আমরা শুধু দু'একদিন প্যাচওয়ার্ক করেছি |
তাও উনার তৈরী করা স্টোরি লাইন দেখেই সেটা করেছি |
'' নির্মাতার মৃত্যুর পর তার স্ত্রী ও চলচ্চিত্রের প্রযোজক মোবাশ্বেরা খানম চলচ্চিত্রের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন |
'কালবেলা'র ট্রেলার মুক্তির পর থেকেই প্রশংসিত হচ্ছে বলেও জানান শুভ |
বলেন, "সবচেয়ে আনন্দের বিষয়টি হলো, 'কালবেলা'র ট্রেলার দেখে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর থেকে আমাদের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে |
তারা নিজ উদ্যোগে 'কালবেলা'র বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করতে চান |
সেটা হয়তো ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই হবে |
২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পাওয়া 'কালবেলা' চলচ্চিত্রের গল্প যুদ্ধপরবর্তী একটি কথ্যকাহিনি থেকে নেয়া |
চলচ্চিত্রটির প্রধান দুই চরিত্র মতিন ও সানজিদার ভূমিকায় যথাক্রমে শিশির ও তাহমিনা অথৈ অভিনয় করবেন |
টুটুলের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা 'আকার' থেকে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পাবে |
মুক্তিযোদ্ধা টুটুল ১৯৭৯ সালে 'সূর্য দীঘল বাড়ী' চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র সম্পাদকের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন |
'আধিয়ার' খ্যাত এই নির্মাতা পাশাপাশি ছিলেন শিক্ষক |
এছাড়াও তিনি টেলিভিশনের জন্য অনেক নাটক এবং চার শতাধিক বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণ করেছেন |
সকাল থেকেই মেঘলা করে আছে | বৃষ্টি হলে আজকে ক্রিকেট ম্যাচ টা ভেস্তে যাবে | শুয়ে শুয়ে এইসমস্তই ভাবছিলাম | দুটো থেকে ম্যাচ শুরু তাই বারোটার মধ্যে খাওয়া দাওয়া সেরে একটু বিশ্রাম নিচ্ছিলাম | রাহুলকে বলা আছে, আমাকে দেড়টার মধ্যে ডেকে নেওয়ার জন্য | রাহুল আমার বন্ধু ও আমাদের ক্লাবের ওপেনার ও বটে | লাস্ট ম্যাচে ও আর আমি জুটিতে পঁচাশি রান তুলে ম্যাচ জিতিয়েছিলাম | তারপর থেকেই আমাদের দারুন কদর বেড়ে গেছে | এইসব আবোল তাবোল ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পরেছি জানিনা | ঘুম ভাঙ্গতেই ধড়মড় করে উঠে বসলাম | |
ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম দুটো বেজে পাঁচ | কোনরকমে চোখে মুখে জল দিয়ে নিচে নেমে মাকে জিজ্ঞাসা করলাম কেউ ডাকতে এসেছিল কিনা | আসেনি শুনে আরো অবাক হলাম | রাহুলটা এমন করলো কেন? সাইকেলটা কাল বিকেলে বিগড়েছে, সারানো হইনি | নিজের ওপর আরো রাগ ধরল | ওরা নিশ্চই বাইক নিয়ে এতক্ষণ মাঠে পৌঁছে গেছে | কোনক্রমে ব্যাট টা নেয়ে রাহুলের বাড়ির দিকে হাঁটা লাগলাম | আমাদের বাড়ি থেকে ওদের বাড়ি বেধি দুরে নয়, হাঁটলে মিনিট সাতেক লাগে | কিন্তু কপাল খারাপ, খানিক দূর যেতেই শুরু হলো ধুলোর ঝড় ! মহা মুশকিল | ভয়ে কোনো বড় গাছের নিচেও দাড়াতে পারছি না | এদিকে ধুলোর চোটে চোখমুখ খোলা যাচ্ছেনা | রাহুলদের বাড়ি পৌঁছানোর আগেই নামল ঝরঝরিয়ে বৃষ্টি | কাকভেজা হয়ে ওদের বাড়ির সামনে এসে দেখি ওর বাইক টা নেই | তার মানে শয়তান টা চলে গেছে আমাকে না নিয়েই | এও রাগ হলো যে বলার নয় ! ছুটির দিন দুপুর বেলায় কোথায় ঘুমাবো তার বদলে ভিজে চান করে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি ! এখন বাড়ির সবাই ও শুয়ে পড়েছে, ডাকাডাকি করলে কপালে বিস্তর বকাঝকা আছে | দুপুরটা এখানেই কাটাতে হবে | এ বাড়িতে রাহুল ছাড়াও ওর দিদি অপর্ণা থাকে আর ওদের কাজের লোক পুর্নিমাদি | নাম ধরে বেশ কএকবার ডাকাডাকি করলাম কিন্তু বোধহয় বৃষ্টির জন্যই কেউই বের হলো না | রাহুলের ঘরে ঢোকার একটা রাস্তা আছে বাড়ির পিছন দিয়ে | দরজা খুলল না দেখে বাধ্য হয়ে ওই পথ দিয়েই বাড়ির পিছনে গেলাম | যদিও এখন একেবারে চান করে গেছি কিন্তু বৃষ্টি টা এখন মন্দ লাগছে না | রাহুল্দের পিছনের দিকের বারান্দার ছাত টা টিনের | তার উপর বড় বড় বৃষ্টির ফোনটা পড়ে একটা অদ্ভুত সুন্দর শব্দ হচ্ছে | সরু গলি পেরিয়ে কলঘরের পাশে এসেও ডাকলাম, কেউ সাড়া দিলনা | |
উঠোনটা পেরিয়ে বারান্দায় উঠেই যা দেখলাম তাতে চক্ষু চরকগাছ হয়ে গেল | অপর্নাদি কলঘরে বসে কাপড় কাচছে | বৃষ্টি আর কলের জলের শব্দে বোধহয় আমার গলা শুনতে পায়নি | অপর্নাদী পুরো উলঙ্গ | গায়ে একটা সুতো ও নেই | মাঝারি মাজা রংয়ের শরীর জুড়ে বিন্দু বিন্দু জলের ফোঁটা | ভেজা চুল ছড়িয়ে আছে পিঠময় | কয়েক মুহুর্তের দেখা কিন্তু তাতেও কোমরের লাল সুতোর মাদুলি আর পায়ের ফাঁকে কালো চুলের রাশি আমার চোখ এড়ালনা | হঠাতই অপর্নাদির চোখ পড়ল আমার উপর | |
- বিল্টু! কি করছিস এখানে? লাফিয়ে উঠে আড়ালে চলে গেল অপর্নাদি | আমি চোখ নামিয়ে নিলাম | |
- আ - আমি এখুনি এসেছি | আমি অনেকবার ডাকলাম, কেউ সাড়া দিলনা তাই...| গলা কাঁপছে আমার | |
- ওখানে দাঁড়িয়ে আছিস কেন? ভিতরে চলে যা | |
- আমি পুরো ভিজে গেছি অপুদি | |
- তাতে কি? জামা প্যান্ট টা ওখানে ছেড়ে ভিতরে যা | ঘরে তোয়ালে আছে নিয়ে নে | ভয় নেই, ভিতরে কেউ নেই | |
- একটা কথা ছিল | |
- আমি একবার ভিতরে আসব? সারা গায়ে ধুলো লেগে আছে | |
- আয় | কিছুক্ষণ চুপ করে অপর্নাদি বলল | |
আমি আসতে আসতে কলঘরে ঢুকলাম মাথা নিচু করে | চৌবাচ্ছা থেকে জল নিয়ে ঝাপটা মারলাম মুখে | তারপর ঘুরে বেরিয়া আসার মুখে অপর্নাদির গলা শুনলাম | |
- ও কি হলো? ভালো করে ধুয়ে নে গা হাত পা | জামা প্যান্টটা এখানেই ছেড়ে রাখ | আমি ধুয়ে দিচ্ছি | |
এবার যেন অজান্তেই তাকিয়ে ফেললাম অপুদির দিকে | একটা ভেজা সাদা সায়া তুলে আগেকার নগ্নতা ঢাকা | তাতে শরীর ঢেকেছে বটে কিন্তু আকর্ষণ বেড়ে গাছে কয়েকগুন | ভেজা সায়ার কারণে আরো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে শরীরের খাঁজ, স্তনবৃন্ত | বুকের সামান্য কিছু উপর থেকে হাঁটুর উপর অব্দি ঢেকে রাখা অপুদিকে হঠাতই কেমন যেন মোহময়ী লাগছে | |
- কি হলো? তারাতারি কর বিল্টু | কতক্ষণ এভাবে দাঁড়িয়ে থাকব? |
আমি মাথা নিচু করে শার্টের বোতাম খুলতে লাগলাম | শার্ট আর গেঞ্জি খুলে মেঝে তে রেখে বেরিয়া আসতে যাব এমন সময় আবার অপুদী বলে উঠলো, |
- প্যান্ট ছেড়ে রেখে বেরিয়ে যা | আমি পিছন ফিরে আছি | |
অপুদি সত্যি পিছন ফিরল কিনা তা দেখার আর সাহস হলো না | কোনো রকমে প্যান্টের বোতাম ও চেইন খুলে প্যান্ট তা তেকে নামানোর সময় আর এক বিপত্তি ঘটল | বৃষ্টিতে গায়ের সঙ্গে আটকে থাকা প্যান্টের সঙ্গে জান্গিয়াটাও নেমে গেল | তারাতারি সেটা তলার আগেই পিছনে খিলখিলিয়ে উঠলো অপুদি | বেশ বুঝলাম তার সততা ! |
- শোধ তুললে ? আচমকাই মুখ ফসকে বেরিয়ে গেল কথাটা | |
- বেশ করেছি | যা পালা | |
অপর্নাদির গলার স্বরে একটা মজার আভাস পেলাম, ভয় আর শিরশিরানিটা একটু কাটল | নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করলাম, তাহলে কি অপর্নাদি ইচ্ছা করেই এখানে ঢুকতে দিল আমাকে? একপায়ে ভর দিয়ে প্যান্টটা খুলতে খুলতে জিজ্ঞাসা করলাম, - জেঠু জেঠিমা নেই? |
- না, পুরানো বাড়িতে গেছে | |
- পুর্নিমাদী? |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.